Thursday, January 27, 2011

আসুন একটু একটুকু জানার চেষ্টা করি – “ভাইরাস প্রোগ্রামে কী থাকে?”

আমরা যারা কম্পিউটার ইউজার তারা ভাইরাস এর নাম শুনিনি এমন একজন কেও খুজে পাওয়া খুব মুশকিল। তাই একটুকু জানার চেষ্টা করতে তো কোন দোষ নেই এই ভাইরাস কী আর তা কীভাবে কাজ করে।
ভাইরাস কী?
আর সাধারন দশটি প্রোগ্রামের মত ভাইরাস ও একটি প্রোগ্রাম। ইতিমধ্যে আমাদের টেকটিউনস এর অনেক টিউনার গন আমাদের ভাইরাস এর বিভিন্ন কোডিং প্রদান করেছেন। আমরা যারা একটু কম বুঝি তারা শুধু স্টেপ গুলো ফলো করেছি। আর যাদের প্রোগ্রমিং এর একটু ধারনা আছে তারাতো তা নিয়ে রিতিমত গবেষনা করে তার আপডেট করেছে।
ভাইরাস কিন্তু খুব ভাল প্রোগ্রামার কর্তৃক তৈরী হয়ে থাকে। কিছু কিছু ভাইরাস আছে যা একের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য তৈরী হয় কিন্তু তা আবার অন্যকে ভোগায়। যেমন আপনি একটি প্রোগ্রাম তৈরী করলেন যার কাজ হল আপনার কম্পিউটার এর USB Storage কে ৩০মিনিট পর পর ব্লক করে দেয়া যা আপনার সিকিউরিটির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু তা আমার জন্য এক ধরনের সমস্যা কারন আমাকে সার্বক্ষনিক কাজের সময় USB Storage এ ডাটা ব্যাকআপ রাখতে হয়। সাধারন দৃষ্টিতে এই জিনিষটি না জানার কারনে আপনার কাছে তা ভাইরাস মনে হতে পারে। কিন্তু এটি কিন্তু একজন প্রোগ্রামার এর চিন্তাশক্তির ফসল।
কিন্তু ভাইরাস প্রোগ্রমের কোডিং এমন ভাবে করা হয় যতে আমাদের উইন্ডোজ এর বিভিন্ন ফাইল এর সাথে লিংক হয়ে যায়। যার দ্বারা আমাদের নজরের বাইরে সে তার কাজ করে থকে।
আমার জানা মতে প্রথম ভাইরাসটি তৈরী হয়ে ছিল শুধুমাত্র মজা করার জন্য এবং কৌতুহল মেটানোর জন্য, আর সেটি হল একটি ফ্লপি কে একটি নির্দিষ্ট বার কপি করার পর (সম্ভবত ২০ বার) সে একটি মেসেজ দেখাতো। কিন্তু সেটি ছিল ডিস্ক অপারেটিং সিস্টমের আমলে। আমরা এখন গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেজ এর যুগে বসবাস করি, তাই আমাদের আমলের ভাইরাস অনেক কমপ্লেক্স।

ভাইরাস প্রোগ্রামে কী কী থাকে?

Repliction Engine : এর মাধ্যমে একটি অনুলিপি (Copy) তৈরী করে এবং অন্যান্য ফাইলে তা ছড়িয়ে দেয়।

Protection : এর মাধ্যমে একটি ভাইরাস তার কোডিং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফাইল এর কোডিং এর মাঝে লুকিয়ে রাখে।

Trigger : একটি ঘটনা বা সময় যার জন্য ভাইরাস ফাইলটি অপেক্ষা করতে থাকে। ঘটনা ঘটলে বা ঐ সময় এ পৌছলে সে নিজেকে একটিভ্যাট করে তোলে। এই সময়কে ভাইরাস কম্পউটার এর সিস্টেম এর ক্লক এর মাধ্যমে বুঝতে পারে, যেমন – সকাল ১০.৫০মিনিট অথবা একটি প্রোগ্রম চালু করার ১৫ মিনিট সময় অতিবাহিত হবার পরে। আবার এমন ও হতে পারে যেমন ব্যবহার কারী উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার দ্বারা wav ফরমেটের কোন অডিও চালালে ব্যাগগ্রউন্ডে ঐ প্রোগ্রাম চালাও -এমন।

Payload : এটি হল ভাইরাস চালানোর পরের অংশ। অর্থাৎ সে তার কাজ সম্পন্ন করার পর যা ঘটে থাকে। যেমন – একটি প্রোগ্রম রান করানোর কিছুক্ষন পর দেখা গেল আপনার ডেক্সটপে টুলটিপ এর বক্সে লেখা ভাসছে “Hacker’s Day, Countdown 1Day 15Hour” এরকম কিছু।

আজ এই পর্যন্তই। আশাকরি পরবর্তী সময় আপনাদের সাথে আমার ভাল সময় কাটবে।
আবার ও বলে রাখি আমি কম্পউটার এর টেকনোলজির সবজান্তা নই। আমি মানুষ, আমার ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমার ও অজ্ঞানতা রয়েছে।
তাই আমার ভুল গুলো যদি আপনারা ধরিয়ে না দেন তবে আমার ও যেমন অপূর্ণতা থেকে যাবে, তেমনি যারা এই টিউনটি পরবে তাদের ও জ্ঞান পিপাসা থেকে যাবে।
তাই আপনাদের আহোরিত জ্ঞান টুকু আমাদের সকলের সাথে সেয়ার করুন। এতে করে আপনিও জানতে পারবেন, আমাদের ও উপহার দিতে পারবেন।

সবাইকে ধন্যবাদ।

Read more ...

এলসিডি না এলইডি (সুবিধা অসুবিধা জেনে নিন এবং কিনুন)

LCD এর পুরো নাম Liquid Crystal Display আর LED এর পুরো নাম হলো Light Emitting Diode, মোটামুটি সবাই এইটুকু জানি। পাঠকের কৌতুহল ও জানার প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনায় রেখে এবার LCD ও LED গল্পের কিছুটা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করবো যাতে সাধারন জ্ঞানের পাশাপাশি এই দুই প্রযুক্তিতে পাঠকের একটু বিশেষ ধারনার জন্ম দেয়া যায়। সংগত কারনেই আলোচনায় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক একক, সংকেত ইত্যাদির অবতারনা বাঞ্চনীয়, পাঠকের মধ্যে যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তারা খুব সহজেই সব বুঝে ফেলবেন সন্দেহ নেই। পাশাপাশি বিজ্ঞানের ছাত্র নন এমন পাঠকের বোধগম্য করে উপস্থাপন করা হয়েছে পুরো ব্যাপারটি।

LCD, LED এর বয়োজ্যোষ্ঠ। তাই শুরুতেই LCD কে আলোচনায় নিয়ে আশাটা যুক্তিযুক্ত।
LCD ডিসপ্লে

LCD ডিসপ্লেতে প্রতিটি পিক্সেল তিনটি সাবপিক্সেলে বিভক্ত যাদের একটি লাল, একটি সবুজ এবং অবশিষ্টটি নীল রং বিশিষ্ট। এদের একটি অপরটির সাথে বিভিন্ন ফিল্টার দ্বারা যুক্ত থাকে। যেমন পিগমেন্ট ফিল্টার, ডাই ফিল্টার এবং মেটাল অক্সাইড ফিল্টার। প্রতিটি সাবপিক্সেলের বর্ণ বিভিন্ন মাত্রায় পরিবর্তন করে পিক্সেলকে লাকখানেক রং প্রদান করা যায়। এভাবে প্রতি মিলিসেকেন্ডে বারবার রং পরিবর্তনের মাধ্যমে মনুষ্য জীবনকে রাঙিয়ে তুলছে LCD ডিসপ্লে।
LCD প্রযুক্তির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

গোড়া থেকে আজ অবধি LCD’র ইতিহাস জানার জন্য পাঠককে নিয়ে যাচ্ছি ১৮৮৮ সালে। যেখানে গাজর নিয়ে গবেষনা হচ্ছিল, গবেষকের নাম ফ্রিডরিক রেইনিটজার (১৮৫৮-১৯২৭)।

১৮৮৮: গাজর থেকে সংগৃহিত কোলেস্টেরল এর “লিকুইড ক্রিস্টালাইন বৈশিষ্ট্য” আবিষ্কার করেন ফ্রিডরিক রেইনিটজার এবং ১৮৮৮ সালের ৩রা মে তারিখে তিনি ভিয়েনা ক্যামিক্যেল সোসাইটির একটি মিটিংএ তাঁর গবেষনালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেন।

১৯০৪: “ফ্লুসিগি ক্রিস্টাল” (লিকুইড ক্রিস্টাল) নামে অট্টো লেহম্যান্ন এর গবেষনা লব্ধ ফলাফল প্রকাশিত হয়।

১৯১১: প্রথমবারের মতো লিকুইড ক্রিস্টালকে পাতলা লেয়ারের মধ্যে বন্দি করতে সমর্থ্য হন চার্লস ম্যাগুইন।

১৯২২: জর্জেস ফ্রিডেল লিকুইড ক্রিস্টালের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য বর্ননা করেন এবং একে তিনটি ভাগে ভাগ করেন (যেমন, নেমাটিকস, স্মেটিকস এবং কোলেস্টেরিকস্্)।

১৯৩৬: “দ্যা লিকুইড ক্রিস্টাল লাইট ভালভ্্” তৈরী করার মধ্যমে মার্কনী কোম্পানী এই প্রযুক্তির প্রথম ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখায়।

১৯৬২: ‘আর সি এ’ এর গবেষক রিচার্ড উইলিয়ামস্্ দেখলেন যে লিকুইড ক্রিস্টালের কিছু মজার ইলেক্ট্রো অপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তিনি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ ব্যবহারের মাধ্যমে লিকুইড ক্রিস্টালের পাতলা লেয়ারের মধ্যে স্ট্রাইপ প্যাটার্ন তৈরী করতে সক্ষম হন এবং এভাবে তিনি একটি ইলেক্ট্রো অপটিক্যাল ইফেক্ট অনুভব করেন। এটি মূলত “ইলেক্ট্রো হাইড্রোডিনামিক ইস্ট্যাবিলিটি ফরমেটিং” এর ওপর ভিত্তি করে তৈরী হয়। যেটা বর্তমানে “উইলিয়ামস্্ ডোমেইনস্্” নামে পরিচিত।

১৯৬৪: জর্জ এইচ হেইলমিয়ার ‘আর সি এ’ তে কর্মরত অবস্থায় রিচার্ড উইলিয়ামের ইফেক্ট এ বর্ন পরিবর্তন ব্যবস্থা প্রদানে সক্ষম হন। কিন্তু এই নতুন ব্যবস্থার ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু সমস্যার ফলে তিনি এটা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। এবং শেষ পর্যন্ত তার হাত ধরেই প্রথমবারের মতো লিকুড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে আবিষ্কৃত হয়। তিনি প্রক্রিয়াটির যে নাম দেন তা হল ডিএসএম (ডিন্যামিক স্ক্যাটারিং মুড)। ফলে জর্জ এইচ হেইলমিয়ার কেই এলসিডি এর জনক বলা হয়।

১৯৭০: ডিসেম্বরের চার তারিখে সুইজারল্যান্ডের হফম্যান-লারোব কোম্পানী লিকুইড ক্রিস্টালের টুইস্টেড নেম্যাটিক ফিল্ড প্রভাব এর প্যাটেন্ট তৈরীর সিদ্ধান্ত নেয়। এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সুইজারল্যান্ড ও জাপানের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক কোম্পানিতে হাতঘড়িসহ বিভিন্ন পন্যে এলসিডি এর ব্যবহার শুরু হয়। সেখানে মুলত টিএস-এলসিডি (টুইস্টেড নেম্যাটিক-এলসিডি) ব্যবহার করা হয়।

১৯৭১: ফেরগ্যাসন ইলিক্সকো (বর্তমানে এলএক্সডি ইনকরপোরেটেড) প্রথমবারের মতো এলসিডি প্রস্তুত করে।

১৯৭২: যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এ্যকটিভ-ম্যাট্রিক্স এলসিডি প্যানেল তৈরী হয়।

১৯৯৬: প্রথমবারের মতো মাল্টি-ডোমেইন এলসিডি তৈরী করে স্যামস্যাং কোম্পনী। যে ডিজাইন বাজারে এখন পর্যন্ত রাজত্ব করছে।

১৯৯৭: টিভি হিসেবে ব্যবহারের জন্য “ইনপ্লেন সুইচিং” বা আইপিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এলসিডি তৈরী করে হিটাচি।

২০০৭: এলসিডি টেলিভিশনের বিক্রি হার সিআরটি (ক্যাথোড রে টিউব) কে অতিক্রম করে।

এভাবে যুগ যুগ ধরে উন্নতির মাধ্যমে শতশত গবেষকের নিরলস গবেষনায় এলসিডি ডিসপ্লে মানুষের হাতের নাগালে আসে।
এলইডি ডিসপ্লে

এবারে জেনে নেব এলইডি এর সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত। মূলত দু ধরনের এলইডি প্যানেল রয়েছে। সাধারণ এবং এসএমডি (সারফেস মাউন্টেড ডিভাইস) প্যানেল, অধিকাংশ আউটডোর এবং খুব অল্প কিছু ইনডোর স্ক্রিণ সাধারণ প্যানেল ব্যবহার করে তৈরী করা হয়। যেখানে লাল নীল এবং সবুজ এই তিনটি বর্নের ডায়োড একটি পুর্ণ পিক্সেল তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। পিক্সেলসমুহ পরষ্পর থেকে সামান্য দুরে অবস্থান করে। এ প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হল উপযুক্ত উজ্জলতা। বাইরে ব্যবহৃত স্ক্রিনসমুহে উজ্জলতা বেশি না হলে দিনের আলোতে ভাল দেখা যাওয়ার কথা না। এলইডি প্রযুক্তি ৫,০০০ লাক্স উজ্জলতা বিশিষ্ট ডিসপ্লে প্রদান করে। এই উজ্জলতা দিনে সুর্যের আলোর চেয়েও উন্নত। ফলে যত রোদই হোক না কেন খুব সহজেই স্ক্রিনে চলমান ছবি দেখা যায়। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত সবচেয়ে বড় এলইডি ডিসপ্লেটির অবস্থান হলো লাস ভেগাসএ, এবং এটি লম্বায় ১৫০০ ফিট এর বেশি। এসএমডি প্যানেল বিশিষ্ট ডিসপ্লেসমুহ সাধারণত ইনডোর স্ক্রিন নির্মানে ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে ডায়োড সমুহ একটি চিপসেটে সংযুক্ত থাকে। পিক্সেলসমুহ একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এর উজ্জলতা কমপক্ষে ৬০০ লাক্স (ক্যান্ডেলস পার স্কয়ার মিটার) হয়।
LED প্রযুক্তির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

LED মুলত একটি ছোট আকারের আলোক নিংসরণকারী যন্ত্র। এলইডি ডিসপ্লের ইতিহাস আলোচনা করতে গেলে এই বস্তুটির ইতিহাস জানা আবশ্যক। এটি যুগের বিবর্তনে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হয়ে এবং হাজার হাজার এলইডি একত্রিত হয়ে তৈরী করেছে আজকের এলইডি ডিসপ্লে।

১৯০৭: মার্কনী ল্যাব এ কর্মরত অবস্থায় বিড়ালের গোঁফ ও সিলিকন কার্বাইড ডিটেক্টর ব্যবহার করে ব্রিটিশ গবেষক এইচ জে রাউন্ড আবিষ্কার করলেন ইলেক্ট্রালুমিন দৃশ্য।

১৯২৭: অলেগ ভøাদিমিরভিচ লোসেভ লাইট এমিটিং ডায়োড আবিষ্কারের ঘোষনা দেন।
১৯৬১: দুই আমেরিকান গবেষক রবার্ট রিচার্ড এবং গ্যারি পিটম্রান টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টস এ কর্মরত অবস্থায় দেখলেন যে জিএএস (গ্যালিয়াম আরসেনাইড) এ বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে এ থেকে ইনফ্রারেড বিকিরন সম্ভব এবং এটি বাস্তবে পরীক্ষার মাধ্যমে ইনফ্রারেড এলইডি এর নামকরন করেন।

১৯৬২: ১৯৬২ সালে নিক হলোনায়ক্্ জুনিয়র প্রথমবারের মতো লাল রং এর এলইডি আবিষ্কার করেন। সুতরাং হলোনায়ক্্ ই হলেন এলইডি এর আবিষ্কারক।

১৯৬৮: এইচ পি (হিউলেট প্যাকার্ড) কোম্পানী গ্যানিয়াম আর্সেনাইড ফসফাইড ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ইনডিকেটরে ব্যবহারযোগ্য এলইডি তৈরী করে এবং তা ক্যালকুলেটরে ব্যবহার করতে সমর্থ হয়।

১৯৭৬: নতুন প্রজন্মের সেমিকন্ডাকটর আবিষ্কারের মাধ্যমে টিপি পিয়রেস্যাল তৈরী করেন উচ্চমানের উজ্জলতা ও উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন এলইডি। এবং এটি তৈরী করা হয় অপটিক্যাল ফাইবারে ব্যবহারের জন্য।

১৯৯৫: ক্যাডরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেশনারত অ্যালবেটো বারকেইরির হাত ধরে আলোর মুখ দেখে ইনডিয়াম টিন অক্সাইড গঠিত এলইডি।

২০০৬: কয়েক বছর আগে সর্বপ্রথম উচ্চ-উজ্জলতা বিশিষ্ট নীল রং এর এলইডি তৈরী করতে সমর্থ হন সুজি নাকামুরা। ২০০৬ সালে তিনি এলইডি তে বিশেষ অবদানের জন্য মিলেনিয়াম টেকনোলজি পুরষ্কার গ্রহন করেন।

২০০৯: কলিন হামফ্রেয়স এর অধীনে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গ্যালিয়াম নাইট্রাইড এলইডি প্রস্তুত করেন। ফলে এলইডি তে খরচ নব্বই শতাংশ কমে যায়।

এই হলো এলইডি এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। আনেকের মতে ১৯৯৯ এর কোন এক সময় প্রথম আধুনিক এলইডি ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয় যা ছিল অনেকটা বর্তমান এলইডি টিভি বা মনিটরের মত।
এলসিডি বনাম এলইডি

এলসিডি এবং এলইডি দুধরনের ডিসপ্লেই খুব জনপ্রিয়। আপনার জন্য কোন প্রযুক্তি যথার্থ হবে তা বলে দিবে এই দুয়ের মধ্যকার পার্থক্য। আশাকরি পার্থক্যটা জানা থাকলে খুব সহজেই আপনি খুজে নিতে পারবেন উপযুক্ত ডিসপ্লে।
কন্ট্রাস্ট/ব্ল্যাক লেভেল

এলইডি এর কন্ট্রাস্ট রেশিও এলসিডি এর চেয়ে বেশি। এলসিডি এর একটি অন্যতম দুর্বলতা হলো এটি ইমেজ প্রদর্শনের সময় স্ক্রিন এ কিছু ব্ল্যাক লেভেল সৃষ্টি করে। ফলে কন্ট্রাস্ট রেশিও কমে যায়। এবং ইমেজ এর প্রকৃত দৃশ্য পুরোপুরি প্রকশিত হয়না। এলইডি তে এই ব্ল্যাক লেভেল ব্যাকলাইট এর সাহায্যে প্রশমিত হয়। ফলে পার্ফরমেন্স এলসিডি এর চেয়ে ভাল হয়।
বাস্তব বর্ণ প্রদর্শন

সাদা রং এর ক্ষেত্রে দুয়ের পার্থক্য তেমন একটা না থাকলেও আর জি বি (RGB) অথবা বেশ কিছু বর্ণ-মিশ্রিত দৃশ্য প্রদর্শনের সময় ব্যাকলাইট এলইডি তে বাস্তবধর্মী বর্ণ পাওয়া যায়।
ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল

এলইডি ডিসপ্লেতে ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল এলসিডি এর চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এলইডি’তে এক পাশ থেকেও পরিষ্কার ছবি দেখা যায়।
সাইজ

এলসিডি এর সাইজ লিমিট মোটামুটি ১৫থেকে ৬৫ইঞ্চি। এবং এলইডি এর সাইজ লিমিট হলো ১৭ইঞ্চি থেকে ৭০ ইঞ্চি পর্যন্ত।
ভিডিও প্লেব্যাক

এলইডিতে রেসপন্স রেট এলসিডি’র চেয়ে কম হওয়ায় ইমেজ ব্লুরিং বা মোশন ট্যাগ সমস্যাসমুহ এখানে অনুপস্থিত। ফলে আপনি পাচ্ছেন ঝকঝকে ছবির নিশ্চয়তা।
বিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার

এলইডি তুলনামুলক কম শক্তি ব্যবহার করে এবং অধিকতর উজ্জল ডিসপ্লে প্রদান করে।

প্রকৃতপক্ষে এলইডি হল এলসিডি এর পরবর্তী প্রজন্ম। তাই এলসিডি এর অধিকাংশ দোষক্রুটি এখানে অনুপস্থিত। বাজারে নতুন হওয়ায় এলইডি ডিসপ্লে অনেকের কাছেই ভরসার পাত্র নয়। ফলে “এলসিডি নাকি এলইডি” কিনবেন এই নিয়ে ক্রেতা পড়েন বিপাকে। তাই দুটি প্রযুক্তির কিছু খুটিনাটি দিক নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম। আশাকরি পাঠক উপকৃত হবেন। প্রকৃতির একটি অসমনীতি রয়েছে আর তা হল “নতুনকে আমন্ত্রন ও পুরাতনকে বিদায়”। যুগে যুগে বহু নতুন নতুন প্রযুক্তি পুরাতন হয়েছে এবং বিদায় নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় হয়তো এলইডি ডিসপ্লের আগমন। অনেকের ধারনা এলসিডি যেমন সিআরটি কে বাজার থেকে নর্দমায় ছুঁড়ে ফেলেছে তেমনি এলইডি ছুঁড়ে ফেলে দেবে এলসিডিকে। নিত্যনতুন প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় মানব সভ্যতায় টিকে থাকবে যা কিছু সত্য, সুন্দর, শ্রেষ্ঠ। বাজারে নতুন ডিসপ্লের আগমনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করছি।

সংগৃহীত

Read more ...

Friday, December 17, 2010

হ্যাকারস : কম্পিউটার সিস্টেম

হ্যাকারস : কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অনুমোদন ছাড়া ডাটাবেসে প্রবেশের জন্য অবৈধ পথ যারা খোঁজে তাদেরকেই হ্যাকার বলা হয়৷ অভিজ্ঞদের মতে, তাদের প্রধান কাজ হচ্ছে, কম্পিউটার সিস্টেমের পরীক্ষা নেওয়া এবং কার্যপ্রণালী সতর্কতার সাথে দেখা, ব্যবহারকারীদের নির্দেশ করা৷ একই সাথে তারা উত্‍পাদনকারীদের প্রস্তাব দেয় যে, কিভাবে এটি পার করা সম্ভব৷ তারা খুবই বুদ্ধিমান ব্যবহারকারী হ্যাকার বুঝতে পারে যে, কোনটা ঘটনাক্রমে অথবা কোনটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে লুকানো৷ উদাহরণস্বরূপ, স্পাইং এর জন্য অনেক প্রোগ্রাম লুকানো থাকতে পারে৷ হ্যাকাররা গোপনীয়তার প্রতি কৌতূহলী৷ যার গোপনীয়তা ভয়ের মুখে থাকে হ্যাকাররা তা পছন্দ করে না৷ তারা মনে করে, প্রত্যেকে অবশ্যই সমান হবে এবং সেই জন্য সময়কে পরিচালনা করা, মতের অমিলগুলোকে সমর্থন করা এবং সমস্যাগুলোকে সমাধান করা উচিত৷ অবৈধভাবে ডাটাবেসে প্রবেশ করা অপরাধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে৷ অবশ্য বর্তমানে কিছু গঠনমূলক হ্যাকার রয়েছে, যাদের বলে এর লিডাররা ব্যাখ্যা করে যে, কাজ শুরু করতে ব্যবহারকারীরা তাদের জ্ঞানকে ব্যবহার করে না, কিন্তু শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেম গভীরভাবে এটা পরীক্ষা করতে পারে৷ তারা বলে এক্ষেত্রে কমপক্ষে সর্বজন নিবেদিত বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে যাতে ব্যবহারকারীরা সময়মতো নিজেদের রক্ষা করতে পারে৷ আমরা জানি যখন হ্যাকিং হয় তখন বিভিন্ন ঘটনা ঘটে, একই সময়ে একটি সংগঠনের ইনফরমেশন সিস্টেমগুলো পরীক্ষা করা হয়৷ হ্যাকাররা তাদের নানা বিষয় প্রস্তাব করে যাতে সংকীর্ণতা দূর করা যায় এবং পরিচালকমন্ডলী প্রচুর পরিমানে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে৷ হ্যাকারস কম্পিউটার এবং অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষতিসাধন করে না৷

ক্র্যাকার : ক্র্যাকারস হচ্ছে মারাত্মক অপরাধী যারা সিস্টেমের ক্ষতি ঘটায়৷ তারা খুব বুদ্ধিমান কিন্তু হ্যাকারস এর মত নয়৷ তারা ভাইরাস এবং ট্রোজানস লেখে, ক্ষতি করার জন্য প্রবেশ করে৷ কিছু ইনফরমেশন পাওয়ার জন্য প্রধানত ওয়েবসাইটের হোমপেজ পরিবর্তন করে, সিস্টেমে প্রবেশ করে৷

ফ্রিকারস : সাইবার অপরাধীদের তৃতীয় দল হচ্ছে ফ্রিকার (ফোন+ব্রেক=ফ্রিক)৷ তারা টেলিফোন বিলের প্রদত্ত অর্থ এড়ানোর জন্য ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহার করে৷ তারা গেইনিং একসেসস কোডের মাধ্যমে ইনফরমেশন বা তথ্য চুরি করে৷ কিংবা অন্য ব্যবহারকারীর ওপর চাপিয়ে দেয়৷

কার্ডারস : কার্ডারস অপরাধীরা অন্য লোকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে তাদের বিলগুলো পরিশোধ করে৷

কালেক্টরস : কালেক্টর বিভিন্ন সফট্ওয়্যার কোডস সংগ্রহ করে এবং ব্যবহার করে৷ প্রাইভেট কোম্পানীগুলোর নাম্বার এবং কোড দিয়ে গ্লোবাল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে৷

সাইবার ক্রোস : সাইবার ক্রোস অপরাধী যারা অনুমোদন ছাড়া কম্পিউটার এবং ব্যাংক সম্বন্ধীয় সিস্টেম একাউন্টসের গোপন নাম্বার এবং মূল্যবান তথ্য চুরি করে৷ প্রায়ই তারা তথ্য সেল করতে সক্ষম হয়৷

কম্পিউটার পাইরেট : লাইসেন্সড সফট্ওয়্যারের অবৈধভাবে ক্র্যাকিং প্রটেক্টেড সিস্টেমের জন্য অসাধারণ হচ্ছে কম্পিউটার পাইরেটস৷ ইনফরমেশনকে বিক্রি করে একটি মূল্য লাভ করে, যা কিনা উত্‍পাদনকারীর দামের থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম৷

লেমার : কম্পিউটার অপরাধীদের আরেকটি দল যারা অপর ব্যাক্তির ক্ষতি ঘটায় এবং ধারণা করা হয় সেটা লেমার৷ হ্যাকার এবং ক্র্যাকার এর মত নয়, লেমাররা খুব বেশি চতুর নয়৷ তারা কোন কিছুই উত্‍পত্তি করতে পারে না, কিন্তু ক্র্যাকারস এর প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পারে৷ লেমাররা সাধারণত কিডস যারা যে কোন তথ্য পেতে অথবা যে লোকের ডাটা ধংস করতে ট্রোজানের ব্যবহার করতে ভাইরাসেস এবং এক্সপ্লয়টের জন্য যে কোন লোকের সিস্টেমকে ভেঙ্গে প্রবেশ করে৷ তাদের অনেকেই জানে না এসব কাজ কিভাবে হচ্ছে৷ কিন্তু আমরা প্রোডাক্ট ব্যবহারের উপর বলতে পারি যে, ক্র্যাকার সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করে৷ তবে বেশিরভাগ ক্ষতিই হয় খেয়ালের অভাবে৷

Read more ...

Thursday, December 16, 2010

ওয়ারিদ টু এয়ারটেল দেশব্যাপী আত্মপ্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে এয়ারটেল

বাংলাদেশে ‘ওয়ারিদ’ এর বদলে ‘এয়ারটেল’ ব্র্যান্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করতে এয়ারটেলের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল ঢাকায় আসছেন। সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এ উদ্দেশ্যে এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতী এয়ারটেল মোবাইল সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল বাংলাদেশে সফরে আসছেন।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে ওয়ারিদ টেলিকমের শতকরা ৭০ ভাগ শেয়ার কিনে নেয় ভারতী এয়ারটেল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে এয়ারটেল তার অনানুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। আর এ ডিসেম্বরেই এয়ারটেল রিব্র্যান্ডিং হয়ে দেশের বাজারে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ারিদ বদলে ‘এয়ারটেল’ এর নাম ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশে এয়ারটেল তার অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কারিগরি প্রস্তুতি নিয়েছে।

বিশ্বমানের মোবাইল ফোনভিত্তিক এবং গতিসম্পন্ন ব্লেড নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে বাংলাদেশে এয়ারটেলের নেটওয়ার্ক স্থাপনে কাজ করছে এরিকসন এবং হুয়াউয়ে।

উল্লেখ্য, ওয়ারিদের দুই হাজার বেস ট্রান্সসিভার স্টেশনের (বিটিএস) পাশাপাশি তারা দেশজুড়ে আরও সাড়ে চার হাজার বিটিএস স্থাপন করেছে। এরই মধ্যে অবকাঠামো বিনিময়ে দেশের সব মোবাইল সেবাদাতার সঙ্গে এয়ারটেল চুক্তিও সম্পাদন করেছে।

সুতরাং এ মাসেই এয়ারটেল বাংলাদেশে তাদের যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। তাই ওয়ারিদ গ্রাহকরা অচিরেই পেতে যাচ্ছেন এয়ারটেলের মানসম্পন্ন সেবা।

Read more ...

টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা ব্যক্তি মার্ক জুকারবার্গ

০১০ সালের আগে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্কজুকার বার্গকে দেখে মনে হতো ২৬ বছর বয়সী। ঘর্মাক্ত টি-শার্ট পরা ও সদা হাস্যোজ্জ্বল এক রহস্যময়ী যুবক। এরই মধ্যে বিশ্বের ধর্নাঢ্য ব্যক্তিদের তালিকাতেও উঠে এসেছে তার নাম। তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকার বার্গ।

কিন্তু ২০১০ সালের শেষদিকে তার খ্যাতির দূড়ন্ত মাত্রাটা যেন আগের সবকিছুকে ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাকে ‘পারসন অব দি ইয়ার’ নির্বাচন করেছে।

টাইম ম্যাগাজিন সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষকে একটি সামাজিক বন্ধনে যুক্ত করা, তথ্য বিনিময়ের নতুন পদ্ধতি উন্মোচন করা এবং ভার্চুয়াল জগতে জীবনকে পূর্ণভাবে উপভোগের সুযোগ করে দেওয়ায় তাকে ২০১০ সালের বর্ষসেরা ব্যক্তির খেতাব দেওয়া হয়েছে।

টাইম ম্যাগাজিনের উপব্যবস্থাপনা সম্পাদক মাইকেল ইলিয়টের ভাষ্যমতে, মার্ক জুকার বার্গ উদ্ভাবিত সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা এরই মধ্যে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষের প্রাত্যাহিক জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। তিনি সংবাদমাধ্যমে মার্ক জুকার বার্গের এ উপাধী পাওয়ার যৌক্তিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।

এ সম্মাননা পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন ২৬ বছর বয়সী জুকার বার্গ। এক গণমাধ্যম বার্তায় তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষের প্রাত্যহিক যোগাযোগের অনবদ্য মাধ্যম হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এবং তার ফেসবুক পরিচালনাকারী দল সম্মানিত বোধ করছেন।

এ মুহূর্তে ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটিরও বেশি। আর নিবন্ধিত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীর সংখ্যা এক হাজার ৭০০ জন।

Read more ...

Wednesday, November 24, 2010

বাংলা বই ডাউনলোডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ‘বাংলাবুকস’

বাংলা বই ডাউনলোডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ‘বাংলাবুকস’
ওয়েবসাইট সম্পর্কিত তথ্যঃ
এই বছরের মে মাসে চালু হওয়া 'বাংলা বুকস' ওয়েবসাইটটি বর্তমানে বাংলা বই ডাউনলোডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট। সাইটটিতে আপনি ২০ জন লেখকের এবং ১৩ টি ক্যাটাগরীতে ৬০০ এর অধিক বাংলা বই পাবেন। হোম পেজে পাবেন লেখকের নাম অনুযায়ী বই, ক্যাটাগরী অনুযায়ী বই এবং নতুন আপলোড হওয়া বইয়ের লিঙ্ক। প্রিয় কোন বই বা পেজ যদি আপনি ফেসবুকে শেয়ার করতে চান তাহলে ফেসবুকে শেয়ারের বাটন পাবেন একেবারে পেজের নিচ। এছাড়া প্রিয় লেখকের বই খোজার সার্চ অপশন, সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যাটাগরী এবং ফেসবুক লাইক অপশন আছে ডান সাইডে। গত তিন মাসে এখান হতে ১০০০০০ বই ডাউনলোড করা হয়েছে।

ওয়েবসাইট রাঙ্কিং:
বাংলা বই ডাউনলোডের জন্য ‘মূর্ছনা’ অনেকের কাছে প্রিয়। কিন্তু দেখুন ‘মূর্ছনা’ এবং ‘বাংলাবুকস’ ওয়েবসাইট দুটির এলেস্কা সাইট রাঙ্কিং:
মূর্ছনাঃ- বিশ্ব রেঙ্ক -১৫৭৭১৯ বাংলাদেশে রেঙ্ক - ৬৬৭
বাংলাবুকসঃ বিশ্ব রেঙ্ক - ১৪৬০১৮ বাংলাদেশে রেঙ্ক - ৩১৭

মুলত এখান থেকেই বোঝা যায় সাইট দুটির জনপ্রিয়তা।

ওয়েব সাইটটি নিয়ে প্রতিবেদনঃ
‘বাংলা বুকস’ সাইটটি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ১০ ই অক্টোবর তারিখে দৈনিক যুগান্তরে ওয়েব রিভিউ এবং দৈনিক কালের কন্ঠে সক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ১৬ই অক্টোবর দৈনিক প্রথম আলোতে আর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

মতামত দিনঃ
পাঠকদের চাহিদা দিয়েই যেমন একটি বই জনপ্রিয় হয় তেমনি ভিজিটরদের চাহিদা, পছন্দ দিয়েই একটা সাইটের জনপ্রিয়তা নির্ভর করে। তাই আপনারা ও সাইটটি সম্পর্কে এখানে মতামত দিন এবং সাইটটি সমৃদ্ধ করতে আপনারাও অংশীদার হউন। সাইটটি দেখুন এখান থেকে http://www.banglabooks.tk/

Read more ...

Tuesday, November 23, 2010

১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা বেচা কেনা

Powered By plug n play
১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা বেচা কেনা
গতকাল থেকেই সারাদেশে ১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা অধিক দামে বেচাকেনার গুজব ছড়িয়ে পরে।এর উৎসস্থল খুব সম্ভবত হবিগঞ্জ জেলা[১]।গুজব ছড়ায় যে কৃষিব্যাংক এই মুদ্রা প্রতিটি ১৫০ টাকায় কিনে নেবে। আরেকটি গুজব হল এই কয়েন নাকি গোল্ড-প্লেটিং করা।অবশ্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটা পরিস্কার করেই জানিয়ে দিয়েছে যে এটা শুধুই গুজব।সরকার থেকেও এ মুদ্রা বাজার থেকে তুলে নেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি।

আজ সারাদিন ১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিভিন্ন জায়গায় এই বেচা-কেনা চলেছে।কিন্তু এই মুদ্রা দিয়ে আসলে কী হবে তা উদঘাটন করা সম্ভব হয় নি।তবে কোথাও কোথাও এ মুদ্রার দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকাও উঠেছে।

তবে সরকারের পুলিশ আর RAB গুজব প্রচারণা আর মুদ্রা কেনা-বেচা দমনে মাঠে নেমেছে।দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এ পর্যন্ত ১০ জন গ্রেফতার হয়েছে[২]।কারো কাছে এ মুদ্রা অতিরিক্ত পেলেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে যেন আপনার কাছে থাকলেই হাজত-বাসে যেতে হবে!!
আল্লাহ ই জানে এক টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা দাম আসলে এ কি ডলার আর দাম কে হার মানায় কি না?
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

Thursday, July 1, 2010

“This system is shutting down. Please save all………”


সিসটেম শাটডাউন সাধারণত ঘটে থাকে রুট ফোল্ডারের কোন ফাইল ক্রপট হলে। এটা আসলে সাধারণ যে মেসেজ দেখায় তা হলো “This system is shutting down. Please save all………” এবং ৩০ সেকেন্ড সময় দেয়। ভাইরাজ জনিত কারণে সিসটেম শাটডাউন হতে পারে। তবে এখন আমি আপনাদের কাছে যে বিষয়টি শেয়ার করব সেটা হলো সিসটেম শাটডাউন থেকে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যায়।



এটার থেকে মুক্তি পেতে হলে, Start Menu -> Run এ গিয়ে Shutdown -a লিখে এন্টার দিন। ব্যাস দেখবেন আপনার সিসটেম শাটডাউন আর নেই।

Read more ...

Sunday, June 27, 2010

আপনার কম্পিউটার কি বন্ধ হতে বেশী সময় নেয়?

আসলে এ সমস্যার কারন হলো – উইন্ডোজ কাজ করার সময় অনেক টেম্পরারি পেজ বানায় যার কিছুটা আবার ও নিজে নিজেই বন্ধ হওয়ার সময় মুছে দেয়। এজন্য বেশি সময় নেয়। আপনি চাইলে এটা করা থেকে পিসি কে বিরত রাখতে পারেন।

“Start” এ ক্লিক করুন। “Run” এ যান। regedit লিখুন এবং এন্টার দিন। Registry Editor খুলবে। ওখান থেকে HKEY_LOCAL_MACHINE এ যান। ডাবল ক্লিক করুন। আগের মতোই ডাবল ক্লিক করে সব আইটেম খুলবেন। SYSTEM এ ক্লিক করুন। Control থেকে Session Manager এ যান এবং Memory Management মেনুটি খুজে বের করুন। ClearPageAtShutdown যান এবং ClearPageAtShutdown ভ্যালুটি ০ ( শূন্য ) করে দিন।

Read more ...

উবুন্তু ১০.০৪ এ মিডিয়া সাপোর্ট

Powered By Plug N Play
যারা উবুন্তুত ইনস্টল করবেন তারা একটি কমন সমস্যায় পড়বেন। আর তা হল মিডিয়া সার্পোট। উবুন্তুতে মিডিয়া সাপোর্ট সরাসরি দেওয়া থাকে না। আর তাই এতে অডিও/ভিডিও গান/মুভি চলে না। কিন্ত যাদের নেট কানেকশন আছে তারা খুব সহজেই রিপজিটরি থেকে ডিপেন্ডেন্সি ফাইল গুলো ডাওনলোড করে উবুন্তুতে মিডিয়া সাপোর্ট নিতে পারেন। কিন্তু এতে দুটি সমস্যা রয়েছে। একে তো এতোবড় ডিপেন্ডেন্সি ফাইল রিপজিটরি থেকে ডাওনলোড করার ঝামেলা (নেট স্পিড স্লো) আবার একবার ডাওনলোডের পর দ্বিতীয় বার উবুন্তু Install করে ব্যবহার করা যায় না।
এতো গেল যাদের নেট কানেকশন আছে তাদের কথা। যাদের নেই, কিংবা বিভিন্ন পেকেজের বা সাইবার ক্যাফের ব্যবহার কারী তারা তো উবুন্তুর রিপজিটরিই Browse করে দখবেন না বা কোনটি প্রয়োজনীয় ফাইল তা বুঝতে পারবেন না। তাহলে কী করা যেতে পারে…..
একটি উপায় অবস্য রয়েছে। কিন্তু তার জন্যে অবস্য প্রথমেই ১০৬.১৬০+২৪.৬= ১৩০.৭৬ মেগা ডাউনলোড করে নিতে হবে। যা করতে হবে তা হল-
১) গুগল বা যেকোন সার্চ ইজ্ঞিন দ্বারা ubuntu restricted extras offline installer প্যাকেজটি খুজে ডাওনলোড করে নিন, বা রেপিডশেয়ার অথবা এন্টার আপলোড হতে ফাইলটি ডাওনলোড করে নিন।

http://rapidshare.com/files/382342007/Ubuntu_restricted_Extra_10.04_Offline_Installer_For_Ubuntu_10.04.tar.gz.htm

http://www.enterupload.com/hhnhdso2nshn/Ubuntu_restricted_Extra_10.04_Offline_Installer_For_Ubuntu_10.04.tar.gz.html
২) তারপর compressed ফাইলটি decompressed করে নিন।
৩) Decompressed ফাইলের মাঝে একটি ফাইল আছে যার নাম হল – Install.sh। এই ফাইলে Double Click করুন।
৪) বক্স হতে Run in Terminal টি সিলেক্ট করুন।
৫) টার্মিনাল চালু হবে, আপনার ইউজার পাসওয়ার্ড চাইবে। পাসওয়ার্ডটি প্রদান করুন। এটি নিজে নিজেই সকল pakage ইন্সটল করবে একটু অপেক্ষা করুন।
৬) এবার এন্টার আপলোড হতে VLC Media Player টি Download করে নিন।

http://www.enterupload.com/u56kfu74ubaw/VLC_Offline_installer_10.04_For_Ubuntu_10.04.tar.gz.html

৭) VLC_Offline_installer_10.04_For_Ubuntu_10.04.tar.gz নামক ফাইলটি Extract করুন, এবং আগের মতই Install.sh ফাইলটি Terminal এ Run করে VLC Media Player টি Install করুন।
৮) PC টি Restart করুন।

আমার এই ভাবে উবুন্তু ১০.০৪ তে মিডিয়া সাপোর্ট কাজ করছে। আপনারাও ট্রাই করতে পারেন।

Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

Thursday, June 24, 2010

কম ইন্টারনেট স্পিড এর জন্য “বাংলা রেডিও ২৪”

Powered By Plug N Play
কাজ করতে করতে আমাদের সবারই ইচ্ছা করে গান শুনতে । কিন্তু কম ইন্টারনেট স্পিড এর জন্য আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় থাকে না রেডিও শুনার। তাই সবার জন্য নতুন একটা ইন্টারনেট রেডিও চালু করলাম “বাংলা রেডিও ২৪” । আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে ।

আপনি যদি ফায়ারফক্স এ গান শুনেন তাহলে আপনাকে মিডিয়া প্লেয়ারের প্লাগিন ইন্সটল করতে হবে । আপনাদের প্লাগিন ইন্সটল না থাকলে নিচের ফাইলটা ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন এবং ফায়ারফক্স নতুন করে চালু করুন।

FireFox Plugin
http://www.banglaradio24.com/wmpfirefoxplugin.exe

আর রেডিও শুনার জন্য ভিজিট করুন

বাংলা রেডিও ২৪
http://www.banglaradio24.com/
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

আপনার ইমেইল ঠিকানা হোক আপনার পরিচয়!!!

আপনি কি ইঞ্জিনিয়ার বা ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র? আপনার মেইল ঠিকানা যদি এমন হয়

yourname@engineer.com

আপনি কি ডাক্তার বা মেডিকেল এর ছাত্র ? আপনার মেইল ঠিকানা যদি এমন হয়

yourname@dr.com বা yourname@doctor.com

এইরকম আপনি যদি কেমিস্ট,একাউন্টেন্ট,কলুম্নিস্ট,কন্ট্রাক্ট্রর,প্রোগ্রামার ইত্যাদি হোন,তাহলে আপনি

yourname@chemist.com

yourname@accountant.com

yourname@contractor.com

yourname@programmer.net

Powered By Plug N Play
এরকম প্রায় ২০০ ডোমেইন থেকে আপনার পছন্দমতো ঠিকানা বেছে নিতে পারেন। :)

আমার সবচেয়ে মজা লেগেছে yourname@minister.com :p

আমি একটা খুলেছি yourname@scientist.com B)

তাহলে দেরি কেন।এখনেই খুলে ফেলুন একটা আপনার পছন্দমতো। :)

খুলুন এইখানে মেইল.কম।
https://signup.mail.com/UserInformationB.aspx

এইটা কাজ না হলে এইখানে।
http://www.mail.com/intl/
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

ফেসবুকের কিছু সমস্যার সমাধান এবং টিপস্ 1

সামাজিক যোগাযোগের সাইট হিসেবে ফেসবুক অনেক জনপ্রিয় । আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তাদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহার করে না এমন লোকের সংখ্যা অনেক কম । এই প্রিয় সাইটটিকে মনের মত করে ব্যবহার করতে কে না চায় । আজকে ফেসবুক নিয়ে আমার এই টিউন । আশা করি ভালো লাগলে কমেন্ট করবেন আর ভূল-ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন ।

ফেসবুকে একাউন্ট আছে কিন্তু কাউকে দিতে হলে ই-মেইল আইডি দিতে হয় । ই-মেইল দিয়ে সার্চ দিতে হয় । এমনটা যদি হয় সরাসরি একটা লিঙ্ক দিয়ে আপনার একাউন্ট খুজেঁ পাওয়া সম্ভব হয় তাহলে কেমন হয় ? লগ ইন করার পর এখানে ক্লিক করুন

আমরা ফেসবুকে অনেকে গ্রুপ তৈরি করতে পারি না , নিচের লিঙ্কে ক্লিক করে আপনি সহজেই গ্রুপ তৈরি করতে পারবেন এখানে ক্লিক করুন

আর ফ্যানপেজ তৈরি করতে নিচের লিঙ্কে অনুসরন করুন এখানে ক্লিক করুন

তা না হয় হল, কিন্তু সদস্য বাড়াব কিভাবে ? একটা একটা করে সিলেক্ট করে আরেক জনকে অনুরোধ করতে হয়, তাইতো । আর একটা একটা করে নয় একসাথে আপনার সকল বন্ধুদের জানান আপনার গ্রুপ ও পেজের কথা

গ্রুপ বা পেজের ওয়ালে গিয়ে ক্লিক করুন “Suggest to Friends”

নিচের কোটটি কপি করুন

javascript:elms=document.getElementById(’friends’).getElementsByTagName(’li’);for(var fid in elms){if(typeof elms[fid] === ‘object’){fs.click(elms[fid]);}}

এখন কোটটি ব্রাউজারের URL এ পেষ্ট করুন এবং Enter ক্লিক করুন

Now all your friends will be selected, click Send and you are done.

আপনি ইচ্ছা করলে আপনার গ্রুপ বা পেজ কে Google, Yahoo সহ বড় বড় সার্চ ইন্জিনের সাথে যুক্ত করতে পারেন এক নিমিষেই এজন্য এই লিঙ্কটি অনুসরন করুন
Powered By Plug N Play
অনেকে ফেসবুক নেটওর্য়াকে নিজের স্কুল, কলেজ, বিশ্ব-বিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত থাকে

যদি ফেসবুকে আপনার স্কুল, কলেজ, বিশ্ব-বিদ্যালয়ের নেটওর্য়াক না থাকে তাহলে নেটওর্য়াকের জন্য অনুরোধ করতে পারেন ফেসবুক কতৃপক্ষের কাছে

আপনার স্কুলের জন্য : এখানে ক্লিক করুন
http://www.facebook.com/help/contact.php?show_form=hs_add

আপনার কলেজের জন্য : এখানে ক্লিক করুন
http://www.facebook.com/help/contact.php?show_form=add_college


আপনার বিশ্ব-বিদ্যালয়ের জন্য : এখানে ক্লিক করুন
http://www.facebook.com/help/contact.php?show_form=add_college


Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

ধুমসে ডাউনলোড করুন RapidShare,Easy-Share,FileFactory,Uploading.com,

Powered By Plug N Play
এই ওয়েবসাইট এর দ্ব্রারা আপনি RapidShare,Easy-Share,FileFactory,Uploading.com,এবং MegaUpload থেকে অনায়সে

যে কোনো সাইজ এর ফাইল ডাউনলোড করতে পারবেন।তাও আবার রিসিউম সাপোর্ট সহ!!!

প্রথমে ওয়েবসাইটটিতে প্রবেশ করুন।
http://www.linksnappy.com/

তারপর I Agree তে ক্লিক করে প্রবেশ করুন মুল ওয়েবসাইট এ।
এখন আপনার কাঙ্খিত ডাউনলোড এর লিঙ্ক টি এই সাদা ঘরে পেস্ট করুন এবং ক্লিক করুন ডাউনলোড ফাইল।

এবার দেখুন মজা!!!!
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

শক্তিশালী ফাইল রিকভারি সফটওয়্যার

Powered By Plug N Play
রিকুভা অত্যন্ত শক্তিশালী একটি রিকভারি সফটওয়্যার। যা খুব সহজে আপনার মুছে ফেলা বা হারিয়ে যাওয়া গান, ভিডিও, ফাইল, অফিস ডকুমেন্ট, ই-মেইল, ছবি ইত্যাদি খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে। এটি FAT12, FAT16, FAT32, exFAT, NTFS, NTFS5 ফাইল সিস্টেমকে সাপোর্ট করে। এর ব্যবহার পদ্ধতিও খুব সহজ এবং সাবলীল। যে কারো পক্ষে এটি ব্যবহার করা সম্ভব।

ডাউনলোড করুন এখান থেকেঃ

http://www.recuva.com/download

Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করুন Google Chrome 6.0.437.3 একেবারে নতুন ও ফুল ভার্সন!!!

Powered By Plug N Play
এবারের বিষয়টা হছে গুগোল ক্রম….
গুগোল ক্রম নিয়ে মনে হয় আপনাদের কাছে বলার কিছু নেই আপনারা এটি আমার থেকে ভাল জানেন….তার পরও মনে করিয়ে দেই….

Google Chrome 6.0.437.3
গুগোল ক্রম একটি দ্রুততম, সুরক্ষিত ও সহজতম ব্রাউজার, এটি এখন বিশ্বের ৪০% মানুষ ব্যবহার করছে। আমিও করি…গুগোল ক্রম ব্যবহারের জন্য অনেক সুন্দর সুন্দর এড-অন রয়েছে, এটি আসলেই আধুনিক ব্রাউজার….


ফীচার সমূহঃ
১. এড্রেসবারে লিখার সাথে সাথে ওয়েব সাজেশন পাওয়া যাবে
২. স্পীড ডায়াল ট্যাবে থাম্বেল অনুসারে ভিউ
৩. আপনার একবার ভিজিট করা ওয়েব পেজ পরেরবার আর স্পীডে ব্রাউজ করা যায়
৪. নতুন Incognito মোডে ব্যবহার করার সুবিধা
৬. Incognito মোড প্রাইভেট ব্রাউজিং করতে সাহায্য করে এবং এ মোডে আর কিছু ফিচার র‌য়েছে
আর আছে অনেক কিছু যা ব্যবহার না করলে বোঝা যাবে না…………………………..
Download Link
http://s.techtunes.com.bd/tDrive/tuner/tanvir-vx/27665/349e3at.png

Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

নোটপ্যাডের সাহায্যে ফোল্ডারে আইকন ও পিকচার যোগ করা

Powered By Plug N Play
প্রথমে ফোল্ডারে পিকচার যোগ করার পদ্ধতি বলি। প্রথমে নোটপ্যাড চালু করুন এবং নিচের লাইন গুলো লিখুন।

[ExtShellFolderViews]
{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}={BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image=Picture.JPG

এবার যে ফোল্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি যোগ করতে চান সে ফোল্ডারে লেখাগুলো desktop.ini নামে সেভ করুন এবং ঐ ফোল্ডারে Picture.jpg নামে একটি JPEG ফরমেটের পিকচার ফাইল রাখুন। এবার F5 দিয়ে ফোল্ডার রিফ্রেস করলে ফোল্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ডে আপনার দেয়া ছবি দেখতে পাবেন।
ফোল্ডারে আইকন যোগ করতে প্রথমে নোটপ্যাড চালু করুন এবং নিচের লাইন গুলো লিখুন।

[.ShellClassInfo]
IconFile=Icon.ico
IconIndex=0

এবার যে ফোল্ডারের আইকন যোগ করতে চান সে ফোল্ডারে লেখাগুলো desktop.ini নামে সেভ করুন এবং ঐ ফোল্ডারে Icon.ico নামে একটি আইকন ফাইল রাখুন। এবার F5 দিয়ে ফোল্ডার রিফ্রেস করলে ফোল্ডারের আইকনের পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
ফোল্ডারে আইকন ও পিকচার একসাথে যোগ করতে চাইলে প্রথমে ফোল্ডারে দেয়া কোডগুলো লিখে আইকনে দেয়া কোড গুলো লিখতে হবে। তারপর desktop.ini নামে সেভ করে পিকচার ও আইকন ফাইল দুটি ঐ ফোল্ডারে দিতে হবে।
বোনাস হিসেবে কিছু আকর্ষনীয় আইকন এখানে দেয়া হল।
http://www.ziddu.com/download/10415123/Icon.rar.html

Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

Windows Firewall কী আর কীভাবে কাজ করে ?

Powered By Plug N Play
আমাদের মধ্যে অনেকেই জানি না যে, ফায়ারওয়ালের কাজ কী, কীভাবে কাজ করে..

সর্বপ্রথম ফায়ারওয়াল আসে উইন্ডোজ এক্সপি-তে, ফায়ারওয়াল কম্পিউটারে তথ্যের আসা-যাওয়া নিয়ন্ত্রণ করে ও কম্পিউটারকে নিরাপদ রাখতে সাহায্যকরে।

এটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দুই ধরনের হতে পারে। নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আসা কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি আটকে রাখতেই ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়। মূলত তিনভাবে ফায়ারওয়াল এ কাজটি করে থাকে। যার মধ্যেরয়েছে প্যাকেট ফিল্টারিং, প্রক্সি সার্ভিস এবংতথ্য সঠিক কি না তার পরীক্ষা পদ্ধতি। এসব পদ্ধতির একটি বা একাধিক একসঙ্গে ব্যবহার করে নেটওয়ার্কের তথ্যপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে ফায়ারওয়াল। মাইক্রোসফট করপোরেশন এবারই প্রথম তাদের অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে ফায়ারওয়াল সুবিধা যোগ করেছে বিনামূল্যে। উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে থাকা এই ব্যক্তিগত ফায়ারওয়ালটির নাম ইন্টারনেট কানেকশন ফায়ারওয়াল (আইসিএফ)।

উইন্ডোজ এক্সপিতে আইসিএফকে কাজে লাগাতে প্রথমে Start/Control panel/Network connection-এ ক্লিক করতে হবে। এবার কাঙ্ক্ষিত নেটওয়ার্কে সংযোগ নির্বাচন করে বাঁ দিক থেকে Change Settings of this connection-এ ক্লিক করতে হবে। Properties থেকে Advanced ট্যাবে যেতে হবে এবং Protect my computer and network বক্সে ক্লিক করুন। এবার নিচের settings বাটনে ক্লিক করতে হবে।

Advanced settings উইন্ডোতে তিনটি ট্যাব রয়েছে—Services, Security logging & ICMP। সার্ভিস ট্যাবে ব্যবহারকারীর জন্য সার্ভারে বা নেটওয়ার্কে সক্রিয় সেবার তালিকা পাওয়া যায়। এখান থেকে কোনো সার্ভিস সিলেক্ট করলে আইসিএফ নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের অন্যান্য ব্যবহারকারী তা ফায়ারওয়াল ভেদ করে ব্যবহার করতে পারবে। সিকিউরিটি লগিং ট্যাবে আইসিএফের লগ ফাইলের (ferewall.log) আকার ও অবস্থান নির্ধারণ করতে পারবে। সব কাজ শেষে ok করে বেরিয়ে আসতে হবে অথবা Start/Control panel/Windows Firewall-এ যেতে হবে এরপর Turn Windows Firewall on or off-এ যেতে হবে, এবার Turn on করে দিতে হবে…….বেস কাজ শেষ।

প্রায় আমাদের ইন্টারনেট প্রভাইডাররা বলে দেয় যে, উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল বন্ধ রখতে। কারন, ফায়ারওয়াল ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সময় প্রত্যেকটি ফাইল চেক করে এবং ইন্টারনেট-এর সাধারন গতিকে স্লো করে দেয় তাই আমি আপনাদের সাজেশন দিচ্ছি যে, ফায়ারওয়াল বন্ধ রাখুন….Start/Control panel/Windows Firewall-এ যেতে হবে এরপর Turn Windows Firewall on or off-এ যেতে হবে, এবার Turn off করে দিতে হবে…….বেস কাজ শেষ।

এই তো ফায়ারওয়াল…..
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

Wednesday, June 16, 2010

Visit Our Plug N Play Search Engine

Visit Our Plug N Play Search Engine

Visit Our Plug N Play Search Engine ..................

http://shortz.me/VI

Read more ...

FLV থেকে AVI, MPEG এবং WMV তে কনভার্ট করুন সহজে

Youtube এর Video গুলো সাধারনত FLV ফরম্যাটে থাকে। কিন্তু সমস্যা হল বাসার DVD Player এ এই FLV ফাইলগুলো চলে না। তাই খুঁজতে লাগলাম FLV থেকে MPG তে Convert করার সফটওয়্যার। অবশেষে পেয়ে ও গেলাম। সফটওয়্যারটির নাম Freez Flv to AVI/MPEG/WMV Converter। এটি একটি ফ্রিওয়্যার। এটি FLV থেকে AVI, MPEG1, MPEG2 এবং WMV ফরম্যাটে কনভার্ট করতে পারে। এর ইন্টারফেসটা খুবই সিম্পল এবং ইউজার ফ্রেন্ডলি। ফলে যে কেউ খুব সহজেই এটা ব্যবহার করতে পারবে। ডাউনলোড করুন এই লিংক থেকে।
http://www.smallvideosoft.com/flv-to-avi/

Read more ...