Showing posts with label খবর News. Show all posts
Showing posts with label খবর News. Show all posts

Sunday, October 23, 2011

অ্যাংরি বার্ড গেমটি নিয়ে মুভি নির্মাণ করতে চাইছে গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোভিও।


অ্যাংরি বার্ড গেমস টি খেলেছেন তো নাকি ! যদি খেলে থাকেন তাহলে তো খুব ই ভালো করেছেন; আর না খেলে থাকলে আজই ডাউনলোড করে খেলুন; আমার খেলা গেমস গুলোর মধ্যে এটি সেরা গেমস গুলোর সেরা, এ কথা শুধু আমি বলছিনা আর দশটা গেমার দের জিজ্ঞেস করুন তাহলে বুঝবেন ;)
এ পর্যন্ত গেমটি ৪০ কোটিবার ডাউনলোড করা হয়েছে। আর এ সাফল্যেই গেমটি নিয়ে মুভি নির্মাণ করতে চাইছে গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোভিও। -খবর হাফিংটন পোস্ট-এর।

স্যান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত ওয়েব ২.০ কনফারেন্সে রোভিও কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইফোনের জনপ্রিয় গেম অ্যাংরি বার্ড সারবিশ্বে দৈনিক ৩০ কোটি মিনিট খেলা হয়।
এদিকে, অ্যাংরি বার্ড গেমটিতে নতুন চরিত্র হিসেবে আরো একটি ‘বার্ড’ যোগ করার পরিকল্পনা করেছে রোভিও। তবে, এটি ঠিক কি জাতীয় বার্ড হবে সে বিষয়ে এখনো মুখ খোলেনি রোভিও কর্তৃপক্ষ।
‘অ্যাংরি বার্ড’ মুভিতে কোনো তারকা অভিনেতা থাকছেন কিনা সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি রোভিও।

Read more ...

Saturday, October 22, 2011

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে ‘আইডিয়া চোর’ বলেই জানতেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠা স্টিভ জবস।

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে ‘আইডিয়া চোর’ বলেই জানতেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠা স্টিভ জবস। এ ছাড়া তিনি গুগল উদ্ভাবিত অ্যান্ড্রয়েডের ওপর যারপরনাই ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি মনে করতেন, প্রযুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘চুরি’ এই অ্যান্ড্রয়েড। এটাই ছিল তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ। আমৃত্যু তিনি বিশ্বাস করতেন, নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান গুগল অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে আইফোনের অপারেটিং সিস্টেম নকল করে। অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাপারে তাঁর এই মনোভাব জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল ছিল। তিনি চেয়েছিলেন যেকোনো মূল্যে অ্যান্ড্রয়েডকে ধ্বংস করে দিতে।
২৪ অক্টোবর স্টিভ জবসের বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত আত্মজীবনী গ্রন্থ প্রকাশিত হবে। সেই গ্রন্থের কিছু চুম্বক অংশ হাতে এসেছে বার্তা সংস্থা এপি ও হাফিংটন পোস্ট নামের একটি পত্রিকার মাধ্যমে। সেই চুম্বক অংশগুলো শুক্রবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ও বার্তা সংস্থার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কিছু বিষয়ে বিশেষত মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্পর্কে স্টিভ জবসের চিন্তাভাবনা ও মনোভাব ফুটে উঠেছে।
অ্যান্ড্রয়েড একটি ‘চুরির পণ্য’
স্টিভ জবস মনেপ্রাণেই বিশ্বাস করতেন অ্যান্ড্রয়েড একটি ‘চুরির পণ্য’। গুগল এই চুরিটা করেছে আইফোন অপারেটিং সিস্টেম (আইওএস) থেকে। তিনি অ্যান্ড্রয়েডকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দরকার হলে আমি অ্যান্ড্রয়েডকে পৃথিবী থেকে বিদায় করতে অ্যাপলের রিজার্ভ ৪০০ কোটি ডলারের পুরোটাই খরচ করব।’
সম্প্রতি অ্যাপলের সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে বিভিন্ন মোবাইল-প্রযুক্তি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যেমন স্যামসাং, মটোরোলা, এইচটিসির বিভিন্ন দেশে আইনি লড়াই চলছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, অ্যাপল এখনো অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে গুগলের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। স্টিভ জবস তাঁর আত্মজীবনী লেখক ওয়াল্টার ইসাকসনকে বলেছিলেন, তিনি যেকোনো মূল্যে অ্যান্ড্রয়েডের কবল থেকে রেহাই চান। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি অ্যান্ড্রয়েডকে ধ্বংস করে ছাড়ব। কারণ এটি একটি চুরির পণ্য। এর বিরুদ্ধে ‘থার্মোনিউক্লিয়ার’ যুদ্ধেও আপত্তি নেই আমার।’ জবস ইসাকসনকে বলেন, ‘গুগল অ্যাপলের আইডিয়া মেরে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। এখন কেউ যদি এর বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করার জন্য আমাকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারও ঘুষ প্রস্তাব দেয়, তা-ও আমি প্রত্যাখ্যান করব। আমি শুধু অ্যান্ড্রয়েড নামের এই প্রতারণার শেষ দেখতে চাই।’ তবে অ্যান্ড্রয়েডের বিরুদ্ধে এই মনোভাব পরিবর্তনের জন্য কেউ তাঁকে ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছিল কি না, ইসাকসনের কাছে জবস তা পরিষ্কার করেননি।
বিল গেটস সম্পর্কে স্টিভ জবস
বিল গেটসকে একেবারেই পছন্দ করতেন না স্টিভ জবস। তিনি মনে করতেন গেটস যা কিছু করেছেন, সবই অন্যের আইডিয়া চুরি করে। বিল গেটস সম্পর্কে জবসের ধারণা ছিল, ‘এই লোকটি আসলে একজন অচিন্তাশীল ব্যক্তি।’ তিনি বলতেন, ‘তাঁর কাজই হচ্ছে, নির্লজ্জের মতো অন্যের আইডিয়া মেরে দেওয়া।’
বার্তা সংস্থা এপির বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, বিল গেটসকে অপছন্দ করতেন বলেই তাঁর আমন্ত্রণে কোনো প্রকার দাতব্য কার্যক্রমে অংশ নেননি জবস। তিনি বলেছিলেন, বিল গেটস খুব ভালো করেই জানেন, তিনি অন্যের আইডিয়া মেরে দিয়েছেন। তাই তাঁর মধ্যে সব সময় একটা খচখচানি কাজ করে। আর সে কারণেই দানে তাঁর এত আগ্রহ।
অন্যদিকে বিল গেটস কিন্তু জবসকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান সব সময় দিয়ে এসেছেন। ২০০৭ সালে একটি অনুষ্ঠানে বিল গেটস স্টিভ জবসকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের উদ্ভাবনকারী হিসেবেই অভিহিত করেছিলেন। জবস কিন্তু সেই প্রতিদান দেননি কখনোই।
বারাক ওবামা সম্পর্কে জবস
২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন স্টিভ জবস । তিনি ওবামাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন অ্যাপলের কমিউনিকেশন উইং ওবামার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব পেতে আগ্রহী। ওবামার তত্কালীন প্রধান কৌশল প্রণয়নকারী ডেভিড অ্যাক্সেলরডের কারণেই সেই দায়িত্ব পাননি জবস। তবে মৃত্যুর আগেও তাঁর ইচ্ছা ছিল ওবামার ২০১২ সালের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বটি তিনিই পাবেন।
২০১০ সালে বারাক ওবামার সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল জবসের। সেখানে ওবামার মুখের ওপরই একটি অপ্রিয় কথা বলে ফেলেছিলেন জবস। তিনি ওবামাকে বলেছিলেন, ‘আমি আপনার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছি না।’
অন্যান্য বিষয়ে জবস
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের মতো করেই ভাবতেন স্টিভ জবস। ২০০৪ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মৃত্যু তাঁর চিন্তাভাবনার অনেকটাই আচ্ছন্ন করেছিল। জীবন সম্পর্কে তিনি ইসাকসনকে বলেছিলেন, ‘প্রতিটি মানুষই খুব অল্প সময়ের জন্য পৃথিবীতে আসে। কেউ জানে না কত দিনের জন্য আসলে আমরা পৃথিবীতে থাকার অধিকার পেয়েছি। তবে এই সময়ের মধ্যে অনেকেই ভালো কিছু কাজ করে।’ নিজের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, তরুণ বয়সেই কিছু ভালো কাজ করার সুযোগ আমি পেয়েছিলাম।’
জবস চেয়েছিলেন, তাঁর সন্তানেরা তাঁকে ভালোভাবে জানুক। স্বভাবে নিভৃতচারী জবস সে কারণেই আত্মজীবনীর ব্যাপারে উত্সাহী ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চাই আমার সন্তানেরা ভালো করে জানুক, আমি পুরো জীবনে কী করেছি। কীভাবে এই জায়গায় এসেছি।’

Read more ...

Wednesday, October 19, 2011

শিক্ষার্থীদেরকে কখন, কিভাবে ও কি ধরণের শাস্তি দিবেন !!!

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি পরিপত্র জারি করেছে যা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা – ২০১১ নামে পরিচিত । নীতিমালাতে যে ধরণের শাস্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে তা হল -



০১। শারীরিক শাস্তি :

শারীরিক শাস্তি বলতে যেকোন ছাত্র-ছাত্রীকে যেকোন ধরণের দৈহিক আঘাত করা বুঝাবে । যেমন -

ক) কোন ছাত্র-ছাত্রীকে হাত-পা বা কোন কিছু দিয়ে আঘাত করা/করা ।
খ) শিক্ষার্থীর দিকে চক/ডাস্টার বা এ জাতীয় কোন বস্তু ছুড়ে মারা ।
গ) আছাড় দেয়া ও চিমটি দেয়া ।
ঘ) শরীরের কোন স্থানে কামড় দেয়া ।
ঙ) চুল ধরে টানা বা চুল কেটে দেয়া ।
চ) হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে কলম চাপা দিয়ে মোচড় দেয়া ।
ছ) ঘাড় ধরে ধাক্কা দেয়া ।
জ) কান ধরে টানা বা উঠবস করানো ।
ঝ) চেয়ার, টেবিল বা কোন কিছুর নীচে মাথা দিয়ে দাঁড় করানো বা হাঁটু গেড়ে দাঁড় করানো ।
ঞ) রোদে দাঁড় করে বা শুইয়ে রাখা কিংবা সূর্যের দিকে মুখ করে দাঁড় করে রাখা ।
ট) ছাত্র-ছাত্রীদের দিয়ে এমন কোন কাজ করানো যা শ্রম আইনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।



০২। মানসিক শাস্তি :
কোন শিক্ষার্থীকে শ্রেণীকক্ষে এমন কোন মন্তব্য করা যেমন- মা-বাবা/বংশ পরিচয়/গোত্র/বর্ণ/ধর্ম ইত্যাদি সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করা, অশোভন অঙ্গভঙ্গি করা বা এমন কোন আচরন করা যা শিক্ষার্থীর মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে ।

সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ. উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা (আলিম পর্যন্ত) সহ অন্যান্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা প্রযোজ্য হবে যা অমান্য করলে দন্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে ।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় শাস্তি না দিয়ে পারা যায়না । অনেক শিক্ষার্থীর অসদাচরণের জন্য শাস্তি দিতেই হয় । কিন্তু মনে রাখতে হবে অবাঞ্চিত আচরণ দূর করার শেষ চেষ্টা হল শাস্তিদান । শুধু তখন শাস্তি দেয়া যায়, যখন অনেক রকম কৌশল প্রয়োগ করেও শিক্ষার্থীকে প্রতিহত করা যায় না ।



শাস্তি দেয়ার আগে -

* শিক্ষার্থীর অন্যায় আচরণকে উপেক্ষা করার ভান করুন । এসময় অন্য শিক্ষার্থীদের প্রশংসনীয় কাজকে সমর্থন করুন ।
* নিয়ম ভঙ্গকারী কোন শিক্ষার্থীকে আপনি পছন্দ করেন না এটা যেন শ্রেণীর সকল শিক্ষার্থী বুঝতে পারে । দেখবেন অনেকেই নিয়ম ভঙ্গকারী শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে দল হতে বর্জন করবে ।
* আপনার আলোচিত বিষয়বস্তুতে আপনি স্থির থাকুন ।
* কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর সংশোধনের জন্য সময় লাগে, ধৈর্য হারাবেন না । শিক্ষার্থীর অন্যায় আচরণকে এক মুহূর্তের জন্যও আমল দেবেন না ।

দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরণের কৌশল প্রয়োগের পরও যদি শিক্ষার্থীর মধ্যে কোন পরিবর্তন না আসে, তবে তাকে শাস্তি দিন ।



কিন্তু শাস্তি দেওয়ার আগে ভাবুন -

* শাস্তির ফলাফল কী হবে ?
* শিক্ষার্থীর আদৌ কোন ইতিবাচক পরিবর্তন হবে কিনা ?
* তার শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা ?
* অন্যান্য শিক্ষার্থীর মধ্যে এর কি ধরণের প্রতিক্রিয়া হবে ?

এসব কিছু ভেবে নিয়ে যদি দেখেন শ্রেণীশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এবং শিখন পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শাস্তি দেয়া জরুরি, তখন শিক্ষার্থীর অপরাধের মাত্রার উপর নির্ভর করে -

* মৃদু ভৎর্সনা করুন ।
* কঠোর তিরস্কার করুন ।
* তার কাজে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করুন ।
* শ্রেনী থেকে তাকে সাময়িকভাবে বর্জন করুন ।
* শ্রেনীর বাইরে রাখুন ।
* আনন্দ থেকে বঞ্চিত করুন ।
* মাসিক পরীক্ষার মোট নম্বর থেকে ১/২ নম্বর কমিয়ে দিন ।



সূত্র :
আবশ্যকীয় শিক্ষন দক্ষতা (মডিউল – ১ ও ৩)
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
টিচিং কোয়ালিটি ইমপুভমেন্ট ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রজেক্ট
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
শিক্ষা মন্ত্রণালয়



লেখাটার পেলাম এখানে

Read more ...

Monday, October 17, 2011

অবশেষে ৮.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলারে স্কাইপির মালিকানা কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট

অনেক গুজব আর আলোচনার পর অবশেষে ইন্টারনেট ভিডিও চ্যাট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্কাইপিকে কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতিষ্ঠান দুইটির অংশগ্রহনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায়িত্ব বুঝে পান মাইক্রোসফট।

উল্লেখ্য, চুক্তিবদ্ধ হওয়ার প্রায় পাচঁ মাস পর চুড়ান্ত এই ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট। সূত্র মতে, ৮.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলারে স্কাইপির মালিকানা নিয়েছে মাইক্রোসফট।

এ মুহূর্তে মাইক্রোসফট আশাবাদী যে মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ভিডিও, সামাজিক মাধ্যমসহ টেকনোলজি এবং মিডিয়ার জনপ্রিয় বাজার ধরার কাজে স্কাইপির গুরুত্ব প্রচুর। এছাড়া এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে স্কাইপির চাহিদার বিষয়টি। গত বছর স্কাইপির প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ২০৭ বিলিয়ন মিনিটের ভয়েজ এবং ভিডিও কল করেছে। যা কয়েক বছরেও এই সীমারেখায় পৌঁছানো দুসাধ্য। এদিকে মাইক্রোসফট বলছে স্কাইপি বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার বাজারের একটি অংশ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এরইমধ্যে স্কাইপির সিইও টনি বেটস এই সেবা পরিচালনার জন্য মাইক্রোসফটে যোগ দিয়েছেন। অতিশীঘ্রই মাইক্রোসফটের

সিইও স্টিভ বেলমারকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন পেশ করার কথা জানান টনি বেটস।

সুত্র:http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=fd7d8e1d9691a087a12a2eb5afcfe8a0&nttl=2011101702500463568&toppos=7

Read more ...

Thursday, October 6, 2011

পাথরখেকো মানুষ!

মানুষের বিশাল খাদ্য তালিকায় পাথরের নাম নেই। অথচ এই পাথর খেয়েই দিব্যি বেঁচে আছেন একজন আবদুল করিম। বয়স এখন ৬০। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পাথর খাচ্ছেন। কখনো পেটের পীড়া কিংবা অন্য কোনো সমস্যায় আক্রান্ত হননি। আখাউড়া রেলস্টেশন এলাকায় ফুটপাতের পাশে বসে অবলীলায় পাথর খেয়ে যান আবদুল করিম। শুধু পাথর নয়, পাথরের পাশাপাশি কাচের টুকরোও আছে তার খাদ্য তালিকায়।

আবদুল করিম অবশ্য স্বাভাবিক খাদ্যও খান। ভাত, চা, বিস্কুটসহ সবধরনের খাবার। পাথর খাচ্ছেন কেন জিজ্ঞেস করতেই সামনে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা দুই-পাঁচ টাকার নোট ও কয়েন দেখিয়ে বললেন, ‘টাকার জন্য। এটাই আমার পেশা। এই থেকে নিজের খাবার ও বাড়িতে বুড়ো মায়ের খাওয়াদাওয়ার জন্য টাকা পাঠাতে হয়।’
পাথর খাওয়া বলতে যে বড় বড় পাথর দাঁতে ভেঙে খান, তা নয়। পাথর না বলে পাথরকুচি বলাই ভালো। খান বেশ শব্দ করে চিবিয়ে চিবিয়ে। বড় ধরনের টুকরো হলে চিবানোর ঝামেলায় না গিয়ে গিলে পেটের ভেতর চালান করে দেন।
আখাউড়া রেলস্টেশনে রাতদিন হাজার লোকের আনাগোনা। যাত্রী উঠছেন, নামছেন। কৌতূহলীরা আবদুল করিমের পাথর খাওয়া দেখে অবাক মানছেন। কেউ কেউ টাকা-পয়সাও দিচ্ছেন। এটাই আবদুল করিমের আয়ের উত্স। বেশি কৌতূহলীদের কেউ কেউ করিমের পেটেও হাত দিয়ে দেখেন। চাপ দিলে পাথরের ঘরঘর আওয়াজ পান।
আবদুল করিম আখাউড়ার স্থায়ী বাসিন্দা নন। গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের জসিহাটি। একটু ভাবুক টাইপের আবদুল করিম জানালেন, জীবিকার তাগিদেই তিনি পাথর খাওয়া শিখেছেন। ১৫ বছর বয়সে বাবা ফারুক হোসেন মারা যাওয়ার পর চার ভাইবোনের সবার বড় করিম বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। ঘুরতে ঘুরতে আজমিরে খাজা বাবার মাজারে গেলে সেখানে চিশতী নামক এক ওস্তাদের কাছে পাথর খাওয়ার তালিম নেন। সে থেকে শুরু। ৪৫ বছর ধরে পাথর খেয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত তার কোনোই ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করলেন করিম।
থাকার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই আবদুল করিমের। রাতে স্টেশনের ফুটপাতে পড়ে থাকেন। মাঝেমধ্যে অবশ্য লাপাত্তা হয়ে যান। সে সময় কোনো পীর-মুর্শিদের দরগাই নাকি তার ঠিকানা হয়।
এদিকে পাথর খান বলে স্থানীয় লোকজনের কাছে আবদুল করিম ‘পাথর শাহ’ নামে পরিচিত।

Read more ...

Wednesday, October 5, 2011

সুবহানাল্লাহ। জনপ্রিয় আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী রিহান্নার ইসলাম ধর্ম গ্রহণ।

আলহামদুলিল্লাহ। অত্যন্ত আনন্দের খবর শুনলাম মাত্র, আমাদের সকলের চেনা জনপ্রিয় আমেরিকান সঙ্গীতশিল্পী রিহান্না মুসলিম হয়ে গেছেন। সুভহানাল্লাহ।


আজকের খবরে প্রকাশ। জানা গেছে, তাঁর গত বার্থডেতে ডাকে আসা অসংখ্য গিফটের প্যাকেটের মাঝে দূর্ঘটনাবশত একটা গিফট ওলটপালট হয়ে গেছিল, বেভারলি হিলসের ইমরান জায়েদির একটা প্যাকেট ডাক বিভাগের ভুলে তাঁড় কাছে চলে আসে, যেটাতে ছিল সুবিখ্যাত আলেম, মোদাস্সির, কামেল মাওলানা, ড. জাকির নায়েকের লেকচার সম্বলিত এক অমূল্য ডিভিডি। প্রতিদিন স্টুডিও থেকে ফিরে উনি কিছুক্ষণ করে সেই ডিভিডি দেখেন প্রায় ৬মাস। এবং এভাবেই তিনি ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মের দিকে আকৃষ্ট হন।


ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর তিনি নতুন নাম নিয়েছেন রায়হানা জিনগী। এবং এরপর তিনি হিজাব পরিহিত ছবি তুলতে মুখের নেকাব খানিকক্ষণের জন্য সরান। পরে তাঁড় স্টুডিওতে হিজাব পরিহিত প্র্যাকটিস করার ছবিও প্রেসে আসে এক পাপারাজ্ঝির মাধ্যমে।


এদিকে এই খবরে ড. জাকির নায়িক অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি এক প্রেস রিলিজে বলেন, রায়হানা ইসলামের আলোতে এসেছে এতে আমার মনে হচ্ছে আমেরিকা পুরাটাই ধীরে ধীরে ইসলামের আলোতে আসবে আগামী কয়েকবছরের মধ্যে। নাসারাদের দেশে আইয়ামে জাহেলিয়াত শেষ হয়ে এল বলে।


এর আগে এন্জেলিনা জোলি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেও সঠিক তথ্য প্রমাণের অভাবে কেউ বিশ্বাস করেনি। আন্জুমান আরা জলির একটা হিজাব পরা ফটো দেখুন, নিজের চোখেই বিশ্বাস আনুন।
*সর্বডানের জন*


আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ রায়হানাকে উত্তম জাঝা আর রায়হানাকে এবং আমাদেরকে সঠিক উত্তম পথে চলার তওফিক দান করুন।


Read more ...

Monday, October 3, 2011

হায়রে বর্তমানের একি অবস্তা চলছে ? আমাদের কি হবে?

অফিসের বস মেয়ে সেক্রেটারি প্রভাকে ডেকে বলল, প্রভা ১ সপ্তাহের জন্য অফিসের ট্যুরে সিংগাপুর যাব, চলো.. লেট্স ইনজয়।
প্রভা তার স্বামি রাজিবকে ডেকে বলল, রাজিব আমি ১ সপ্তাহের জন্য অফিসের কাজে সিংগাপুর যাব, তুমি ভাল ভাবে থেকো।
রাজিব তার গার্লফ্রেন্ড তমাকে ফোন করে বলল, আমার স্ত্রী বাহিরে যাচ্ছে, বাসা খালি তুমি ১সপ্তাহের জন্য চলে এসো...........লেট্স এনজয়।
তমা তার ছাত্র অনুকে ডেকে বলল, আমি এক সপ্তাহ বিজি থাকব, তোমার এক সপ্তাহ ছুটি। তুমি ইনজয় কর।
অনু তার বাবাকে ফোন করে বলল, বাবা, কাল থেকে আমার প্রাইভেট সাতদিনের জন্য বন্ধ, আমি বাসায় আসছি, তুমি থেক, তোমার সাথে অনেক মজা করব।

ছেলের ফোন পেয়ে বাবা অফিসের লেডি সেক্রেটারিকে বলল, প্রভা, আমার আরো একটি কাজ এসেছে, সিংগাপুর যাওয়া হবে না। ট্যুর ক্যান্সেল।

প্রভাব তার স্বামি রাজীবকে ফোনে বলল, আমি কোথাও যাচ্ছি না। ট্যুর ক্যান্সেল হয়েছে। তোমার আর একা একা থাকতে হবে না।

রাজিব তার গার্লফ্রেন্ড তমাকে ফোন করে বলল, এই শুনো, আমার স্ত্রী কোথাও যাচ্ছে না তাই তোমার আর কষ্ট করে আসতে হবে না।

তাই শুনে তমা তার ছা্ত্র অনুকে ফোন করে বলল, আমার যেই কাজ ছিল সেটা আর করতে হচ্ছে না, তাই তুমি কাল সকাল থেকে যথা রীতি পড়তে এসো।

অনু তৎক্ষনাত তার বাবাকে ফোন করে বলল, বাবা আমি কাল আসছি না, কারণ প্রাইভেট ম্যাডাম যেতে বলেছে। সামনে পরীক্ষা, অনেক পড়তে হবে।

সাথে সাথে অনুর বাবা তার অফিসের লেডি সেক্রেটারিকে ফোন করে বলল, আমার যে অন্য কাজ ছিল সেটা তোমার জন্য ক্যান্সেল করেছি, চল কাল সিংগাপুর যাব, প্রস্তুত হয়ে নাও, লেট্স এনজয়।

প্রভা তার স্বামিকে ফোন দিয়ে বলল, হ্যালো আমার কালই সিংগাপুর যেতে হচ্ছে.......................রাজিব..................তমা......................অনু.........বাবা................প্রভা....................রাজিব............তমা.....................অনু... ...............
বলেন তাদের কি কখনো এনজয় করা হবে....?????
হায়রে বর্তমানের একি অবস্তা চলছে ? আমাদের কি হবে?

Read more ...

স্বর্ণের ক্যারেট বলতে কি বুঝি (১০/১৪/১৮/২০/২২/২৪ ক্যারেট)?

স্বর্ণের দাম এখন আকাশচুম্বী, কিনবেন কি কিনবেন না সেটা আপনার ব্যাপার।

স্বর্ণ সাধারনত পাওয়া যায় : ১০ ক্যারেট, ১৪ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট, ২০ ক্যারেট, ২২ ক্যারেট, ২৪ ক্যারেট

আমেরিকানরা সাধারনত পছন্দ করে ১০ এবং ১৪ ক্যারেটের স্বর্ণ এবং এশিয়ানরা পছন্দ করে ১৮/২২ ক্যারেটের স্বর্ণ।

ক্যারেট কি?
স্বর্ণের এফেক্ট, মূল্য, স্থায়ীত্ব, ব্যবহার এবং বর্ণের ওপর এর ক্যারেট নির্ভর করে।

১০ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ১০ অংশ স্বর্ণ + ১৪ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
১৪ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ১৪ অংশ স্বর্ণ + ১০ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
১৮ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ১৮ অংশ স্বর্ণ + ৬ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
২০ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ২০ অংশ স্বর্ণ + ৪ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
২২ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ২২ অংশ স্বর্ণ + ২ অংশ এলোয় (খাদ বা ধাতু)
২৪ ক্যারেট স্বর্ণে আছে : ২৪ অংশ স্বর্ণ + কোনো এলোয় (খাদ বা ধাতু) নেই

জুয়লারী হিসেবে পিউর গোল্ড (২৪ ক্যারেট) ভাল নয় কারন ইহা নরম, খাদ নেই এব সেই কারনে প্রায়ই পলিশ করতে হয়।

এই কারনে ক্যারেটভেদে স্বর্ণের দামে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

Read more ...

Friday, September 30, 2011

দুই ডাবের দাম ২৫০০ টাকা :-B :-B :-B







মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার চরসাটুরিয়া জামে মসজিদে দান করা দুটি ডাব মুসল্লীদের কাছে ডাকের মাধ্যমে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।




একটি ডাব স্থানীয় সাংবাদিক সোহেল রানা ১৫০০ টাকায় ও অপর ডাব মোঃ সোহেল মিয়া ১০০০ টাকায় সর্বোচ্চ ডাকে কিনে নিয়েছেন।


চরসাটুরিয়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা ইদ্রিস আলী জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় জনৈক ব্যক্তি দুটি ডাব মসজিদে দান করেন। নামাজ শুরুর আগে মুসলিল্গদের কাছে ডাব দুটি বিক্রির জন্য ডাকের ব্যবস্থা করা হয়।


কোন বেকুবে মসজিদে ডাব দান করছে, সেটা খুব জানতে ইচ্ছে করছে।


এইপোস্টকে ফান হিসাবে নিতে পারেন, কিন্তু কোনো ধরনের ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত করা কাম্য নয়।

Read more ...

আরেকটি শংকার জন্ম - "সীসা"!!! (দেখুন আঁতকে উঠবেন!!!)

আসুন দেখে নিন আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম কোথায় যাচ্ছে!!!! কারও রক্তের প্রয়োজন বা কারও চিকিতসার জন্য টাকার প্রয়োজন। কোন বিজ্ঞলোক মারা গেলে সেই খবর নিয়ে করা পোস্টটি দৃষ্টী আকর্ষনের পাতায় স্থান পায়। কিন্তু যার দ্বারা একটি জাতি (বাঙালী) কিভাবে মারা যাচ্ছে তা প্রকাশ পায় সেই পোস্টি কি দৃষ্টি আকর্ষনের পাতায় থাকবে??? @মডারেটর ও পাঠকদের কাছে প্রশ্ন। পোস্ট শুরুঃ





আরেকটি শংকার জন্ম - "সীসা"!

একটা পুরানো গল্প দিয়ে শুরু করি! আমি তখন ক্লাসে ফোরে পড়ি। আম্মু নিয়মিত স্কুল থেকে আনা নেয়া করে। তো, আমার স্কুলের উলটা দিকে, রাস্তার ওইপারে তখন নতুন একটা ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে, নাম “মাইলস”। সে সময় টিভিতে নতুন একটা এড দেয়া শুরু করলো, “শার্ক এনার্জি ড্রিংক”। আমার তো এড দেখে মাথা নষ্ট অবস্থা! বাংলাদেশে এর আগে এনার্জী ড্রিংক বলে কোনো পানীয় ছিলোনা, তাই আম্মু’র ও কোনো আইডিয়া ছিলোনা এ সম্পর্কে। আমি একদিন ছুটির পর কান্না-কাটির চুড়ান্তে উপনিত হলাম এই দাবীতে যে, আজকে আমারে শার্ক খাওয়ানো লাগবেই! স্নেহময়ী মা আমারে নিয়ে রাস্তা পার হয়ে মাইলসে ঢুকলেন। তখন শার্কের দাম ছিলো খুব সম্ভব ৩৫ টাকা, দোকানি ৪০ টাকা রেখেছিলো। আমি হাতে নিয়েই আর দেরী করলাম না, বোতলের মুখ খুলেই মুখে চালান দিবো এমন সময়ে নাক মুখ কুচকে বমি আসলো! এমন বাজে, ওষুধের মতো গন্ধ আগে কখনো খাইনি! জিনিসটা মুখেও নিলাম না, মুখ লাগিয়ে লোকটাকে দিয়ে দিলাম। লোকটা ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে জানালো যে, তিনি টাকা ফেরত দিবেন না। আম্মু কিছু না বলে আমাকে নিয়ে বের হয়ে এলেন।

আমি বের হয়ে বললাম, “আম্মু, পার্ক খাবো (ওইটাও তখন বিটিভিতে নতুন এড দেয়)” আম্মু কোনোক্কিছু না ভেবেই, আকাশ-বাতাস কাপিয়ে গগনবিদারী আওয়াজে এক চড় মারলো! ওইদিন আমার শার্ক, পার্ক কিছুই খাওয়া হয়নাই।

গল্পটা শেষ! ইদানিং আমার এরকম আরেকটা ব্যাপারে আম্মুর কাছে বায়না ধরা উচিত ছিলো, কিন্তু আমি খুবই চিন্তিত ব্যাপারটা নিয়ে। আমি মোটামুটি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছি, একটা বস্তুর এত দ্রুত পসার দেখে! জিনিসটা হলো, আমাদের সবার খুব বেশী পরিচিত নয়, আর তা হলো – "সীসা" বা আধুনিক ফ্লেভার্ড হুক্কা। আমি অবাক হয়ে যাই, মাত্র বছর দেড়েক-দুই এর মধ্যে কিভাবে ক্লাস এইট-নাইনের ছেলে-মেয়েদের হাতে এই জিনিস এসে পড়লো!

গ্রাম অঞ্চলে হুক্কা খুব বেশী যে জনপ্রিয়, তাও কিন্তু না! জমিদার গোছের কিছু লোক ভাব দেখানোর জন্য গরর গরর শব্দ করে দামী হুক্কা খেত। আর কোনো দরিদ্রের খোয়াইশ জাগলে নারিকেলের খোসা দিয়ে বানিয়ে নিতো হুক্কা। গ্রাম অঞ্চলে যেই জিনিস আজ বিলুপ্ত, শহরাঞ্চলে আজ তাই জনপ্রিয়!

কোনো এক চতুর মাধ্যমে এই মিথ্যা কথা ছড়িয়ে গেছে যে, হুক্কা/সীসা সিগারেটের তুলনায় কম বিষাক্ত মতান্তরে বিষাক্ত নয়। আর বিশ্বব্রহ্মান্ডের এই অন্যতম ডাহা মিত্থ্যে কথাতেই হোক অথবা বন্ধুদের সামনে বুক উচু করে বলার জন্যই হোক, অসম্ভব হারে স্কুল কলেজে পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের মধ্যে জিনিসটির কদর বেড়ে চলেছে। বর্তমানে একদম হাতের কাছেই বিড়ি-সিগারেটের মতোই পাওয়া যাচ্ছে। জিনিসটাতে একটা তথাকথিত "রয়াল (তাদের ভাষায়)" ভাব থাকলেও ৪০০-৫০০ টাকার মধ্যেই অনায়াসে পাওয়া যায়!


আমার সবচেয়ে কষ্টটা এই জায়গায় যে, যেসব ছেলে-মেয়ে কোনোদিন সিগারেট স্পর্শ পর্যন্ত করেনাই, আজ তারা বাপের পকেট কিভাবে খালি করে ধোয়া দিয়ে পেট ভরছে দেখে! জীবনে একটা টাকা ঘুষ খায়নি, এরকম এক পরিচিত খালু। তিনি একজন প্রাক্তন সচীব। তিনি চাইলে আজ তার কোটি কোটি টাকা থাকতো, কিন্তু সততা তার কাছে জীবনের থেকেও দামী। জীবনে কোনোদিন সকাল বেলায় তাজা মাছ কিনেন নাই তিনি। বিকেলের পর মলিন হয়ে যাওয়া মাছ কম দামে কিনে আনতেন। একজন সচীব! আজ তার ছোট ছেলে, যে কিনা আজানের আগে দৌড় দিয়ে ইফতারী ফেলে নামাজে চলে যেত, সেও এই সীসায় আসক্ত! কষ্ট কই রাখি?

আমার আরেকটা ভয়, অস্বাভাবিক হারে মেয়েরা সীসায় আসক্ত হয়ে পড়ছে! চেনা বেশ কিছু বান্ধবী সীসা নিয়ে খুব খোলাখুলি আলাপ করছে, যেনো এটা হোটেল রাজ্জাক থেকে এক গ্লাস লাচ্চি খাবার মতোই কোনো একটা ব্যাপার!

এবার একটু দেখি, সীসায় আসলেই কোনো বিপদ আছে কিনা। মাঝে মাঝে কাউকে বিশ্বাস করতে নেই, নিজেকেও না! তাই, এই তথ্য খুজে বেড়ানো –

১) এই সীসার ৪টা পার্ট। বেজ, পাইপ, বওল আর মাউথপিস। বওলটাকে এলুমিনিয়ামের কভার দিয়ে ঢেকে দেয়া হয় আর সেই ফয়েলের মাঝে উত্তপ্ত কয়লা রাখা হয়। যা কিনা ভেতরের টোব্যাকো (তামাক) পুড়াতে সাহায্য করে। অশিক্ষিত মাত্র জানে যে, কয়লা পুরে কার্বন মনো অক্সাইড হয়, যা মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসে চরম ক্ষতি করে। মৃত্যুও ঘটাতে পারে।

২) এই ধোয়া বেজ এ রাখা সুগন্ধী (যেমনঃ স্ট্র্যবেরী, নারিকেল, চকলেট, গোলাপ) পানির ভেতর হয়ে আসে এবং তা মাউথপিসের সাহায্যে সোজা পাকস্থলিতে পৌছে।

৩) রয়টার্সের নাম তো শুনেছেন? রয়টার্সের এক সংবাদ অনুযায়ী একটা পুর্ণ সেশনের সীসা গ্রহন এক প্যাকেট সিগারেট সেবনের মতোই মারাত্মক।

৪) সিগারেট এদিক থেকে একটু কম ক্ষতিকর, তবে দুটো জিনিসই ক্ষতিকর। সিগারেটে যেখানে ১-৩% নিকোটিন থাকে, সেখানে সীসাতে ব্যাবহৃত তামাক থেকে ২-৪% নিকোটিন থাকে। সুত্রঃ ড. কেনেথ, আমেরিকা একাডেমী অফ পেডিয়াট্রিক্স এর প্রেসিডেন্ট।

৫) ইয়েমেন এর একটি প্রসিদ্ধ হাসপাতালের কার্ডিয়াক স্পেশালিস্ট ড. আহমেদ আল-মোতাররেব বলেন, “ একবার পুর্ণ ভাবে সীসা গ্রহন করা ৬০টি সিগারেট গ্রহন করবার সমান”। সুত্রঃ Journal of Periodontology (Nov. 2005)

৬) কিছু আধা শিক্ষিত মানুষ যুক্তি দেখায়, “এটা তো পানির মুধ্যে দিয়ে আসে। সব কিছু তো শোষন হয়ে যায়”। আমি তাদের দক্ষিন হাত ব্যাবহার করে বলি, “ওহে মুর্খ, নিকোটিন পানিতে প্রকৃতভাবে দ্রবীভুত হয় নারে ছাগলের ৩নম্বর বাচ্চা”

৭) সুগন্ধী, ঠান্ডা ধোয়া এবং প্রবল বিশ্বাস যে এটি ক্ষতিকর নয়, এগুলোই সীসার প্রতি মোহের একমাত্র কারণ। (সুত্রঃ ড. আল খামেরী, হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান।)

আমার আর কিচ্ছু বলার নেই। যাদের কথা বললাম, এদের কথায় যদি তারা কান না দেয়, আমার মতো চশমা পরা, হাবাগোবা ছেলের কথায় কান দিয়ে তারা কেনো তাদের জীবনের ক্ষতি করবে! ক্ষতিই তো, আমার কথা মানলে তো সীসা বার গুলা বন্ধ হয়ে যাবে! তখন, এই জমাট বেধে আড্ডা মারা আর সীসা খেয়ে লদকা-লদকি করার মুড আসবে কোথা থেকে? আক্রমনাত্মক ভাষা ব্যাবহার করায় দুঃখিত, তবে আমার হাতে শক্তি থাকলে, চাবকায়া সোজা বানিয়ে দিতাম! বাপের নাম ভুলে যেতো, সীসা আর কি জিনিস!

এখন এদের দরকার একটা গাইডেন্স, ঠিক ক্লাস থ্রী তে থাকতে যেমন ছিলো আমার মা। যে কিনা প্রচন্ড স্নেহময়ী কিন্তু দরকারের সময় বজ্রকঠোর। তাদের এখন একটা উপযুক্ত পদক্ষেপের প্রয়জোন যেটা কিনা আমার আম্মু নিয়েছিলো! আমি খুবই শংকিত, নতুন জেনারেশন নিয়ে কেনো যে জাফর ইকবাল, আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ এতো আশাবাদী! এদেরকে কি জবাব দিবো? স্যার, আমরা সীসা খাই? সিগারেট খাই? ইভ-টিজিং করি? পারলে আপনারা দেশ বানায় নেন, আমাদের দিয়ে আশা করে লাভ নাই! এই কথা বলবো?

সুত্রঃ

১) Click This Link

Read more ...

Tuesday, September 27, 2011

বাংলাদেশে গড় ডাউনলোড সেকেন্ডে ৬০ কেবি !!

বাংলাদেশে গড় ডাউনলোড সেকেন্ডে ৬০ কেবি !!

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইন্টারনেট গতি পর্যালোচনা করে সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন ১৫টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে পানডো নেটওয়ার্কস। এ তালিকায় বাংলাদেশের স্থান না হলেও গড় ডাউনলোড গতিতে অতীতের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের গড় ডাউনলোড গতি প্রতি সেকেন্ডে ৬০ কিলোবাইট যা আফ্রিকার অনেক দেশের চেয়ে বেশি। খবর দি হাফিংটন পোস্টের।

‘গ্লোবাল ইন্টারনেট স্পিড স্টাডি’ শিরোনামের এই রিপোর্টে ২২৪টি দেশের ইন্টারনেট আপলোড এবং ডাউনলোড স্পিড তুলে ধরা হয়েছে।
...
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, পানডো নেটওয়ার্কস এই প্রতিবেদন তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহে জানুয়ারি থেকে জুন ২০১১-এর মধ্যে দুই কোটি কম্পিউটার ব্যবহার করে ২৭ মিলিয়ন ডাউনলোড করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী গড় ডাউনলোড স্পিড হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে ৫৮০ কিলোবাইট। এই হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ২৬তম দেশ যেখানে গড় ডাউনলোড স্পিড সেকেন্ডে ৬১৬ কিলোবাইট। তবে এক্ষেত্রে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট প্রেস রিলিজে পানডো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ভেরিজনের ভোক্তারা গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ১,০৫৬ কিলোবাইট ডাউনলোড স্পিড পেয়ে থাকেন যা দেশটির গড় ইন্টারনেট স্পিডের তুলনায় অনেক বেশি। তবে এরপরও আন্তর্জাতিক তুলনায় সর্বোচ্চ স্পিডের অর্ধেক মাত্র।

প্রকাশিত তালিকা অনুসারে সারাবিশ্বে সবচেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা ভোগ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবহারকারীরা। দেশটির গড় ডাউনলোড স্পিড হচ্ছে ২,২০২ কিলোবাইট পার সেকেন্ড। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রোমানিয়া যেখানকার গড় ডাউনলোড স্পিড সেকেন্ডে ১,৯০৯ কিলোবাইট। আর তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বুলগেরিয়া যেখানে ব্যবহারকারীরা গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ১,৬১১ কিলোবাইট ডাউনলোড স্পিড উপভোগ করে থাকেন। এসব তথ্য পানডো নেটওয়ার্কের সাইটে প্রকাশ করেছে কোম্পানিটি।

উল্লেখ্য, রিপোর্টের সঙ্গে সংযুক্ত একটি গ্লোবাল ম্যাপে বাংলাদেশের গড় ডাউনলোড স্পিড দেখানো হয়েছে প্রতি সেকেন্ডে ৬০ কিলোবাইট ডাউনলোড স্পিড। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের গড় ডাউনলোড স্পিড দেখানো হয়েছে ১৮৪ কিলোবাইট পার সেকেন্ড।

অন্যদিকে সবচেয়ে ধীরগতির ইন্টারনেট স্পিড রয়েছে কঙ্গোতে যেখানে গড় ডাউনলোড স্পিড রয়েছে প্রতি সেকেন্ডে ১৩ কিলোবাইট। এরপর রয়েছে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক যেখানকার গড় ডাউনলোড স্পিড সেকেন্ডে ১৪ কিলোবাইট।

Read more ...

Sunday, September 25, 2011

সর্বশেষ মোবাইল ফোন গ্রাহক সংখ্যা ও একটি বিশ্লেষণ। (September,২০১১)

বিটিআরসি জুন মাসের মোবাইলফোন গ্রাহক সংখ্যা প্রকাশ করেছে।বিটিআরসি এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বশেষ ও সর্বমোট মোট মোবাইল গ্রাহক ৭ কোটি৬৪ লাখ ৩৪ হাজার অর্থাৎ ৭৬.৪৩৪ মিলিয়ন ।
( ১মিলিয়ন=১০লাখ )


গ্রামীনফোনের বর্তমান গ্রাহক : ৩ কোটি ৩৮ লাখ ২৪ হাজার ।
এপ্রিল মাসের তুলনার বৃদ্ধি : ৫ লাখ ৬৩ হাজার।
বর্তমান মার্কেট শেয়ার : ৪৪.২৫ %
এক বছর আগে মার্কেট শেয়ার: ৪৪.১১ %
দুই বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ৪৫.৩২ %
তিন বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ৪৬.৪৭ %
চার বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ৫০.৪০ %

বাংলালিংকের বর্তমান গ্রাহক : ২ কোটি ০২ লাখ ২০ হাজার।
এপ্রিল মাসের তুলনার বৃদ্ধি : ১ লাখ ৫৫ হাজার।
বর্তমান মার্কেট শেয়ার : ২৬.৪৩ %
এক বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ২৬.৮৪ %
দুই বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ২৩.৬৪ %
তিন বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ২১.৬৫ %
চার বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ২১.৭৯ %

রবি এর বর্তমান গ্রাহক : ১ কোটি ৪৪ লাখ ৮৮ হাজার।
এপ্রিল মাসের তুলনার বৃদ্ধি : ১ লাখ ৩৮ হাজার।
বর্তমান মার্কেট শেয়ার : ১৮.৯৫%
এক বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ১৮.৫০ %
দুই বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ১৮.৯৫ %
তিন বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ১৭.৯৬ %
চার বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ১৮.২২ %

এয়ারটেল বর্তমান গ্রাহক : ৫০ লাখ ৪৫ হাজার।
এপ্রিল মাসের তুলনার বৃদ্ধি : ১ লাখ ৩৪ হাজার।
বর্তমান মার্কেট শেয়ার : ০৬.৬০ %
এক বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০৫.২৮ %
দুই বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০৫.৫২ %
তিন বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০৭.৫৭ %
চার বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ১.৬৯ %

সিটিসেল এর বর্তমান গ্রাহক : ১৭ লাখ ৩০ হাজার।
এপ্রিল মাসের তুলনার বৃদ্ধি : - ১৭ হাজার। [নেগেটিভ]
বর্তমান মার্কেট শেয়ার : ০২.২৬ %
এক বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০৩.৩১ %
দুই বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০৪.২%
তিন বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০৩.৮৯ %
চার বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ৪.৬৯ %

টেলিটক এর বর্তমান গ্রাহক : ১১ লাখ ৪১ হাজার।
এপ্রিল মাসের তুলনার বৃদ্ধি : - ২৫ হাজার। [নেগেটিভ]
বর্তমান মার্কেট শেয়ার : ০১.৪৯ %
এক বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০১.৯৩ %
দুই বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০২.৩৫ %
তিন বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ০২.৪৪ %
চার বছর আগে মার্কেট শেয়ার : ৩.২১ %

মার্কেট শেয়ার।


মার্কেট শেয়ার দেখে বোঝা যাচ্ছে গ্রামীনফোন বরাবরের মত এই সেক্টরের মার্কেট লিডার। গত ৬মাসে তারা তাদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে। গত ছয় মাসে তারা নিজস্ব ব্র্যান্ডের ৩টি নতুন সেট বাজারে এনেছে। যা গ্রামীনফোন ব্র্যান্ডকে আরও শক্তিশালি মর্যাদায় পৌঁছে দিয়েছে।
এয়ারটেল যদিও গত ডিসেম্বরে এদেশে ব্যাবসা শুরু করে। কিন্তু ওয়ারিদ আসার পর থেকে গত মাস পর্যন্ত এই ৪বছরে তারা ৫০লক্ষ গ্রাহক নিয়ে ৪নম্বর পজিশনে অবস্থান করছেন। সবচেয়ে অবাক করার কথা হল গত মাসে ৫০লক্ষ গ্রাহকসংখ্যা অর্জন করায় ভারতী এয়ারটেল মোবাইল সার্ভিসেসের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল বলেছেন, "বাংলাদেশে এয়ারটেলের এত দ্রুত ৫০ লাখ গ্রাহক সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়া এমন একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচায়ক, যাকে তুলনা করা যায় বিশ্বের অন্যান্য সফল প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে।" আমি বুঝতে পারলাম না ৪বছরে ৫০লাখ ছাড়িয়েছে এতে এমন কি সাফল্য আছে যাতে বিশ্বের সফল প্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনা করা হচ্ছে !! দেখা যাক তাদের পথচলায় আরেকটা অক্টোবর,২০০৮ আবার এর মত হয় কিনা। অক্টোবর,২০০৮ হল যেই মাসে ওরা ১৬লক্ষ ১০ হাজার গ্রাহক একবারে হারিয়েছিল।
দীর্ঘ ২বছর পর রবি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে এই ৬মাসে। কিছুদিন আগে এক পেপারে পড়লাম তাদের এক শীর্ষ কর্মকর্তার উদ্ধতি দিয়ে লিখেছে, নতুন মোবাইল অপারেটর ওয়ারিদ ও টেলিটকের কারণে তারা মার্কেটে নতুন গ্রাহক টানতে পারছিল না। কিন্তু তারা সবচেয়ে বড় ধরা খেয়েছে আরেক মোবাইল অপারেটর বাংলালিংক এর কারণে।
গত ছয় মাসে তুলনামূলক হিসেবে সবচেয়ে খারাপ করা অপারেটর বাংলালিংক। গত বছরটা তাদের ছিল সবচেয়ে সফল বছরের মধ্য একটি।কিন্তু এবছরে তাদের মালিকানা পরিবর্তন সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে তারা একটু খেই হারিয়ে ফেলেছে। কিছুদিন আগে বাংলালিঙ্কের ম্যানেজমেন্টে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। যতদুর জানা যায় বাংলালিংক কর্তৃপক্ষ এখন থেকে তাদের যাবতীয় রিপোর্ট তাদের নতুন মালিক রাশিয়া ভিত্তিক ভিম্পেলকম এর কাছে প্রেরন করছে। আশা করা যায় এ বছরের অক্টোবর-নভেম্বরের মধ্য তারা এ সংক্রান্ত সকল ঝামেলা ও অস্থিরতা কাটিয়ে উঠবে।
মোবাইল ফোন অপারেটরদের মধ্য সবচেয়ে স্থিতিশীল কোম্পানি হচ্ছে সিটিসেল। গত ২বছর ধরে তারা প্রায় একই অঙ্কের গ্রাহক নিয়ে চলছে। ইন্টারনেট প্যাকেজ জুম নিয়ে তারা ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা করলেও ওয়াইমেক্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানদের আক্রমণাত্মক বিপণনের কারণে তারা ধরা খেয়ে যায়। বর্তমানে তারা পারসোনাল সেলিংস এ ব্যাস্ত। বিবিএ এর একজন ছাত্র হিসেবে আমাদের শেখান হয়েছে একটা কোম্পানি যখন দেউলিয়া হয়ে যাবার আশঙ্কা দেখা দেয় তখন তারা পারসনা সেলিংস এর দিকে নজর দেয়। যাতে দেউলিয়া হওয়াটা কিছুদিন বিলম্ব হয়।
টেলিটক সম্পর্কে কিছু বলব না। আপনারাই বলুন আমিই শুনি। what!

গত ৬মাসে দেশের মোবাইলফোন সেক্টরের গতি প্রকৃতি


উপরের চার্ট থেকে দেখা যায় গত ছয় মাসে প্রায় ৬০ লক্ষ ৯হাজার নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছে। যদি এই ধারা বজায় থাকে তাহলে বছর শেষে দেশের মোবাইলফোন গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে প্রায় ৮কোটি ৫২লক্ষে। অর্থাৎ দেশের তাঁরবিহীন যোগাযোগের ঘনত্ব প্রায় ৫৭.৭০% তে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের জন্য এটি একটি বড় অর্জন বলে আমি মনে করি।

এখানে সেই সব সিম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যেগুলো দিয়ে গত এক মাসে এক বার করে হলেও কোনো কল করা হয়েছে অথবা কোনো মেসেজ দেওয়া হয়েছে।

■■■■একটি বল্টু মিয়া প্রোডাকশন■■■■


Read more ...

Saturday, September 24, 2011

১২.৫ বিলিয়ন ডলারে মটোরোলা কিনে নিল গুগল!

হঠাৎ করেই গুগল একটি বিশাল অংকের অর্থে কিনে নিল আমেরিকার মোবাইল জায়ান্ট মটোরোলাকে। প্রতিটি শেয়ার ৪০ ডলার করে কেনা এই লেনদেন গুগলের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইনভেস্ট। গুগলের এই সাহসী পদক্ষেপের পেছনে কারন খুঁজতে যেয়ে বিশেষজ্ঞরা ধারনা করছেন অ্যাপলের মার্কেট লিডিং মোবাইল 'আইফোনকে' টেক্কা দেবার জন্যেই গুগলের এ পদক্ষেপ। বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ৫৫০,০০০ টি এন্ড্রয়েড সমর্থিত সেলফোন প্রায় ৩৯টি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে সক্রিয় হচ্ছে। কিন্তু তাতেও গুগলের প্রত্যাশা পূরন হচ্ছে না। তাই তারা সম্পূর্ণ নিজেদের ব্যবস্থাপনায় মোবাইলের হার্ডওয়্যার তৈরি করতে চায় বলেই সবার ধারনা। এতে করে গ্রাহকদের গুগল নিজেদের পছন্দমত স্পেসিফিকেশনের সেলফোন উপহার দিতে পারবে বলে সিদ্ধান্তে এসেছে।
কাল সকালেই গুগল মটোরোলাকে কিনে নেবার প্রস্তাব করে এবং মাত্র ১ ঘন্টার মধ্যে তারা মটোরোলার নতুন মালিকানা ঘোষনা করে।
গুগল মটোরোলাকে ব্যবহার করে নিজেরাই সেলফোন তৈরি করবে, সেক্ষেত্রে এন্ড্রয়ে কি আগের মত সবার ব্যবহারের জন্য ওপেন থাকবে? হ্যা, গুগলের ঘোষনা মতে, এন্ড্রয়েড আগের মতই ওপেন থাকবে।

গুগল জানায়, "The acquisition of Motorola Mobility, a dedicated Android partner, will enable Google to supercharge the Android ecosystem and will enhance competition in mobile computing. Motorola Mobility will remain a licensee of Android and Android will remain open. Google will run Motorola Mobility as a separate business."

গুগলের সি.ই.ও ল্যারি পেইজ গুগল ব্লগে আরো বলেন,

মটোরোলার ৮০ বছরের অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী জাদু ও মেধায় যোগাযোগ প্রযুক্তিতে এসেছে বিপ্লব, যা আমরা চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি। এছাড়াও মাইক্রোসফট ও অ্যাপল যেভাবে উপুর্যুপুরি এন্ড্রয়েডের পেটেন্টের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে, সেখানে মটোরোলাকে কিনে নেয়া আমাদের একটি সুবিধাজনক অবস্থানে পৌছে দেবে।

সব কিছু বিবেচনা করে আশা করা যাচ্ছে গুগলের এ যুগান্তকারী পদক্ষেপে টেলিকমিউনিকেশন্স সেক্টরে বড় একটি বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে।


Read more ...

অ্যামাজনের বিস্ময়!

অ্যামাজনের বিস্ময়!

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী আমাজন। দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৭০ লক্ষ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে আাঁাকাবাকা পথে বয়ে চলেছে রহস্যাবৃত আমাজন জঙ্গলের এই নদীটি। কিন্তু শুধু এটুকুই না। আরও অনেক বিস্ময় এতদিন লুকিয়েই রেখেছিল আমাজন। নদীটির ভূমিপৃষ্টের চার কিলোমিটার নিচে আরও বড় আয়তনের একটি নদী বয়ে চলেছে বলে সম্প্রতি এক গবেষণায় দাবি করেছেন ব্রাজিলের বিজ্ঞানীরা। রিও ডি জেনিরোতে গত সপ্তাহে জিওফিজিক্যাল সোসাইটির এক সম্মেলনে এই বিস্ময়কর দাবিটি করেন ব্রাজিলের ন্যাশনাল অবসারভেটরির জিওফিজিক্স বিভাগ।

আমাজন ভূপৃষ্ঠের ৪ কিলোমিটার নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীটির নামকরণ করা হয়েছে এই গবেষক দলের প্রধান ভালিয়া হামজার নাম অনুসরণে। নবআবিস্কৃত এই হামজা নদীটি বয়ে চলেছে আমাজনের মতোই পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে। আমাজন ও হামজা, দুই নদীই দৈর্ঘ্যে সমান (৬ হাজার কিলোমিটার) হলেও প্রস্থে অনেক গুন বড় ভূগর্ভস্থ নদীটি। আমাজন প্রবাহিত হয় প্রস্থে ১ কি.মি থেকে ১০০ কি.মির মধ্যে। যেখানে কোথাও কোথাও হামজার প্রস্থ একশ গুনেরও বেশি। প্রায় ২০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার। ব্রাজিলের আক্রে প্রদেশ থেকে শুরু হয়ে সালিমোস, আমাজোনাস ও মারাজু শাখানদীগুলো দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এই নদীটি। শেষ হয়েছে আটলান্টিক মহাসমুদ্রে। তবে আমাজনের তুলনায় হামজা নদীর পানিপ্রবাহের গতি অনেক ধীর। আমাজন নদীতে পানিপ্রবাহের গতি সেকেন্টে ১,৩৩,০০০ মিটার৩। আর হামজা নদীর গতি সেকেন্ডে ৩,৯০০ মিটার৩।

তেল উত্তোলনের জন্য আমাজন অঞ্চলে স্থাপন করা ২৪১টি অকার্যকর গভীর কুপের তাপমাত্রা তারতম্যের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে সম্প্রতি এই ভূগর্ভস্থ নদীটির সন্ধান পায় ব্রাজিলের জিওফিজিক্স বিভাগ। ১৯৭০ ও ১৯৮০-র দশকে এই কুপগুলো স্থাপন করেছিল দেশটির পেট্রো-কেমিকেল কোম্পানি পেট্রোব্রাস।

আমাজন নদীর মুখগুলোতে লবন সল্পতার কারণ হিসেবে এই হামজা নদীর উপস্থিতিই বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এখনও এই নদীর বৈশিষ্ট্য, প্রকৃতির উপর এর অবদান ইত্যাদি বিষয়ে পরিস্কার করে কিছু বলতে পারছেন না তাঁরা। আমাজনের এই নতুন বিস্ময়ের স্বরুপ বুঝতে আরও তিন/চার বছর সময় লাগতে পারে বলে ধারণা গবেষকদের।— টেলিগ্রাফ


Read more ...

Tuesday, September 20, 2011

www.rajnoitik.com(রাজনৈতিক ডটকম): খবর-চিন্তা-আলাপ ও সক্রিয়তার অনলাইন ঠিকানা

রাজনৈতিক ডটকম বাংলাদেশ থেকে বাংলাভাষায় কৃষি, সমাজ, প্রাণ ও প্রকৃতি, রাষ্ট্র, পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক, ভাব, দর্শন, চিন্তা, ইনসাফ, প্রতিরক্ষা, আইন ও বিচার, অর্থনীতি, শিল্প, ব্যবসা, উন্নয়ন, ইসলাম, শিল্পকলা, সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে খবরাখবর-আলাপসালাপ-চিন্তাভাবনা-বিশ্লেষণ-মতামত-মন্তব্য-------------------------------------

ম্যাগাজিনে যেতে চাইলে ক্লিক করুন নীচে-----
http://www.rajnoitik.com

Read more ...

Monday, September 19, 2011

সাঈদী অসুস্থ, শুনানি হয়নি

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী অসুস্থ থাকায় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়নি। বুধবার শুনানির পরবর্তী দিন ঠিক হয়েছে।

মঙ্গলবার নির্ধারিত শুনানির দিনে কারা কর্তৃপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর নেতা সাঈদীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে আনেনি।

ট্রাইবুনালের নিবন্ধক শাহীনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অসুস্থতার কারণে সাঈদীকে কারাগার থেকে আদালতে আনা যাচ্ছে না। তাই শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির সাঈদীর আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ গঠনের শুনানিতে আসামির হাজির হওয়ার নিয়ম। কিন্তু আসামি অনুপস্থিত থাকায় শুনানি পিছিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগের মুখে থাকা সাঈদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো ২০১০ সালের ২৯ জুন।

তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মামলায় অভিযোগ গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাঈদী ছাড়াও জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ চার জন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন-দলের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মো. মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামরুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্ল¬া।

এছাড়া দুই বিএনপি নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আটক থাকলেও জিয়াউর রহমান আমলের মন্ত্রী আব্দুল আলীম শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন।

Read more ...

সাবাসসসসসসসস....বিএনপি সাবাস....সঠিক সময়ে সঠিক হরতাল...

বালের সরকারকে তামা তামা করে দে............।।X((X((X((

জ্বালানি তেল ও সিএনজির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি। মঙ্গলবার দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হরতালের ঘোষণা দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বিএনপির অন্য দাবির মধ্যে রয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও শেয়ারবাজারে অস্থিরতা রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মুক্তি দেওয়া।
বিএনপির জোট শরিক জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও ইসলামী ঐক্যজোটও আলাদাভাবে একই দিনে হরতালের কর্মসূচি দিচ্ছে বলে বিরোধী দলের নেতারা জানিয়েছেন।

বালের সরকারকে তামা তামা করে দে............।।X((X((X((
Click This Link

Read more ...

ডিভি ভিসার সুযোগ হারাল বাংলাদেশ

বাংলাদেশীদের জন্য ডিভি ভিসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হওয়ার লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ডিভি লটারিতে অংশ নেয়ার আর সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশীরা। এই প্রথম ডিভি ভিসা কার্যক্রম থেকে বাংলাদেশীরা বাদ পড়ল। আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকরা হতাশ। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ২০১৩ সালের ডাইভারসিটি ইমিগ্রান্টদের জন্য প্রচারিত ১৬ পৃষ্ঠার এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এ লটারিতে বাংলাদেশ ছাড়া আরও ১৮টি দেশের নাগরিকরা অংশ নিতে পারবেন না।
তবে এ সুযোগ কতদিনের জন্য বাংলাদেশ হারাল তার কোনো ব্যাখ্যা না থাকায় বাংলাদেশীদের মাঝে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। ওয়েবসাইটে বাংলাদেশীরা যে ডিভি লটারিতে মোটেও অংশ নিতে পারবেন না তা আলাদাভাবে বলা আছে। অন্য দেশের ক্ষেত্রে এভাবে বলা নেই।
এ ব্যাপারে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনার ব্যাখ্যা সম্পর্কে এখনও কিছু জানি না। বিস্তারিত জানতে কয়েকদিন সময় লাগবে’। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও কিছু জানে না।
ডিভি ভিসার সুযোগ হারানোর কারণ হিসেবে ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘গত পাঁচ বছরে যেসব দেশের ৫০ হাজার নাগরিক আমেরিকায় অভিবাসী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, সেসব দেশের নাগরিকরা ২০১৩ সালের ডিভি লটারিতে অংশ নিতে পারবেন না’। তবে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ আবুল কাশেম বিবিসিকে জানান, মার্কিন কর্তৃপক্ষ যদিও বলছেন বাংলাদেশীদের ডিভিতে যাওয়ার সংখ্যা ৫০ হাজার হয়ে গেছে, আসলে এ পরিসংখ্যানটি ঠিক নয়। ডিভি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন ৪০ হাজার বাংলাদেশী।
অবশ্য ডিভি ভিসার সুযোগ বাংলাদেশসহ বাদপড়া দেশের নাগরিকরা আবার পাবেন কিনা অথবা কবে নাগাদ পেতে পারেন সে ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি। তাই বাংলাদেশের নাগরিকরা হতাশ হয়েছেন। তারা গতকাল টেলিফোনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এ সিদ্ধান্তের কারণ ও নির্দেশনাটির আওতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন। তাদের কেউ কেউ এটাও আশঙ্কা করছেন, বাংলাদেশীদের জন্য ডিভির দরজা হয়তো বন্ধ হয়ে গেল।
তাদের ডিভি ভিসার আশঙ্কার অন্যতম একটাই কারণ—নির্দেশনায় যে ১৮টি দেশের নাম দেয়া হয়েছে তার বাইরেও বাংলাদেশী নাগরিকরা (যে দেশেই অবস্থান করুক না কেন) লটারিতে মোটেও অংশ নিতে পারবেন না—এটা আলাদাভাবেও বলা হয়েছে, যা অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে বলা হয়নি। তবে এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ সুদান ও পোল্যান্ডের নাগরিকরা ডিভি লটারির জন্য আবেদন জানাতে পারবেন।
ডিভি ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় যাওয়া বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। গত ২০ বছর ধরে হাজার হাজার বাংলাদেশী ডিভি ভিসায় আমেরিকায় অভিবাসী হয়েছেন। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ আবুল কাশেম বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ডিভি ভিসায় আমেরিকা যাওয়ার কোটা ছিল ৩ হাজার ৭৫০ জন। যদিও প্রতি বছর আমেরিকায় বাংলাদেশী নেয়া হয়েছে আড়াই হাজার, ২ হাজার ৮শ’ এমন সংখ্যায়। ডিভি লটারি পাওয়ার আশায় প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ২০ থেকে ৩০ লাখ দরখাস্ত পড়তো। টানা পাঁচ বছর ধরে ডিভি লটারির জন্য দরখাস্ত করেছেন সিলেটের আইনজীবী নিলেন্দ দেব। তিনি ডিভি ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে শুনে বিবিসির কাছে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের আমেরিকা যাওয়ার সুযোগটা চলে গেল। একটি মডার্ন দেশে যাওয়ার, স্বপ্নের সেই দেশটাকে দেখার খুব আগ্রহ ছিল। সেই আশাটা বুঝি আর পূরণ হলো না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবার ডিভির সুযোগ থেকে যেসব দেশের নাগরিকদের বঞ্চিত করছে সেগুলো হলো—বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, কলম্বিয়া, ডমিনিকান রিপাবলিক, ইকুয়েডর, এল সালভেদর, গুয়াতেমালা, হাইতি, ভারত, জ্যামাইকা, মেক্সিকো, পাকিস্তান, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন (উপনিবেশসহ) ও ভিয়েতনাম। চীনের মূল ভূখণ্ডের নাগরিকরা ডিভির আবেদনের সুযোগ হারালেও হংকং, ম্যাকাউ ও তাইওয়ানের নাগরিকরা আবেদন করতে পারবেন। চলতি বছর ৫০ হাজার আবেদনকারী ডিভি ভিসা পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতি বছর এ ভিসা কর্মসূচিটি পরিচালনা করে। এটা সাধারণভাবে গ্রিনকার্ড নামে পরিচিত।
নির্দেশনা অনুযায়ী আফ্রিকার ৫৪টি দেশের নাগরিক বা এসব দেশের অভিবাসীরা এবারের ডিভির জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। তবে এশিয়ার দেশ ফিলিস্তিনের গাজার অধিবাসীরা আফ্রিকান দেশ মিসরের মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ পাবেন। এশিয়া থেকে সুযোগ পাবেন ৩২ দেশ। এবার এশিয়া থেকে বাদ গেছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের নাগরিকরা। অন্যদিকে ইউরোপের ৫৭টি দেশের নাগরিকরা ডিভির সুযোগ পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, মধ্য এশিয়ার আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, কিরঘিজিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও তুরস্কের নাগরিকরা ইউরোপ মহাদেশের ক্যাটাগরিতে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া ডিভি ভিসার জন্য ব্রিটেন ও তার বেশ কিছু উপনিবেশের নাগরিকরা আবেদন জানানোর সুযোগ না পেলেও আয়ারল্যান্ডের নাগরিকরা বিশেষ বিবেচনায় আবেদন জানানোর সুযোগ পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনায় এটাও বলা হয়েছে, ‘ডাইভার্সিটি ভিসা (ডিভি) প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে যেসব দেশের অভিবাসী কম সেসব দেশ থেকে প্রতি বছর ৫০ হাজার জনকে স্থায়ী অধিবাসী ভিসা দেয়া হয়।’


Read more ...

আইপ্যাড-২

আইপ্যাড-২


অ্যাপল কোম্পানি প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি বাজারে নিয়ে আসছে ,আর তার মধ্যে আইপ্যাড-২ একটি। বাজারে আসার পরেই এর প্রতি মানুষের আগ্রহ প্রতিনিয়ত বাড়ছে । আইপ্যাড-২ এর বিভিন্ন সুবিধা এবং কিভাবে আপনি ব্যবহার করবেন তা নিয়ে কিছু বলা হল ।

ফোন ঃ আইপ্যাড-২ থেকে আপনি যে কাউকে ফোন করতে পারবেন । আইপ্যাডের স্ক্রিনে আপনি যার সঙ্গে কথা বলছেন তার মুখও দেখতে পাবেন । আপনার আইপ্যাডের পিছনের ক্যামেরাটি চালু করলে কোথা থেকে আপনি কথা বলছেন তা অপর প্রান্তের মানুষটিকে দেখাতে পারবেন।

মেইল ঃ মেসেজ দেখতে পারবেন আপনি স্ক্রোল করে আইপ্যাড থেকে । আপনার বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মেইল এক সাথে দেখতে পারবেন । অন-স্ক্রিন কি-বোর্ড দিয়ে টাইপও করতে পারবেন। কি-বোর্ডটি নিজে থেকেই বানান সংশোধন এবং শব্দ লিখতে আপনাকে সহযোগিতা করবে। মেসেজের মধ্যেই আপনি অ্যাটাচমেন্ট দেখতে পারবেন ।

সাফারি ঃ বইয়ের মত করে ওয়েবসাইট দেখতে পারবেন। আঙুল ব্যবহার করে ওয়েবপেজের যেকোন জায়গা জুম করে দেখতে পারবেন এবং ট্যাপ করে লিংক খুলতে পারবেন ।

ফটোবুথ ঃ ফটোবুথ দিয়ে আপনি সহজেই ছবি তুলে তা সম্পাদনা করতে পারবেন । আপনি ছবিতে আট ধরনের এফেক্ট দিতে পারবেন । ট্যাপ করে ছবির এফেক্টগুলি সম্পাদনা করতে পারবেন । নিজের ছবিকে নানা ভাবে ভেঙেচুরে তৈরি করতে এবং দেখতে পারবেন ।

আই-বুক ঃ যেকোন বই আপনি অ্যাপলের অ্যাপ-স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন । আপনি ইচ্ছে করলে বিল্ট ইন বুক-স্টোর থেকে বই কিনতে পারবেন ।

ম্যাপস ঃ আইপ্যাডে রয়েছে ম্যাপ । আপনি কোথায় আছেন , একটি নির্দিষ্ট জায়গায় আপনি কিভাবে যাবেন ,রাস্তায় যানজট আছে নাকি সবই জানতে পারবেন । কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে আপনি রাস্তা দেখতে পারবেন ।

ইউটিউব ঃ ইউটিউবের মাধ্যমে সহজেই আপনি কোনও ভিডিও খুঁজে পাবেন । ভিডিও বা আনুষঙ্গিক কিছু খুঁজতে গেলে অন-স্ক্রিন কি-বোর্ডের সাহায্য নিতে পারবেন । খুঁজে পাওয়া জিনিস বুকমার্ক করে রাখতে পারবেন ।

গেম সেন্টার ঃ গেম সেন্টারের মাধ্যমে অনেকে মিলে নানা খেলা আপনি খেলতে পারবেন । গেম সেন্টারে সাইন-ইন করুন ,পরে বন্ধুদের ই-মেইল করে আমন্ত্রণ পাঠান । বন্ধুরা আমন্ত্রণ গ্রহণ করলে তাদের নাম টাইপ করুন ।

ক্যালেন্ডার ঃ জি-মেইল ক্যালেন্ডার , মোবাইল মি ৯ ইত্যাদি বিভিন্ন ক্যালেন্ডার নতুন আইপ্যাডে সাজিয়ে রাখা যায়। আপনার সমস্ত কাজের দিনক্ষণ সহজে ঠিকমত সাজিয়ে রাখতে পারবেন ।

আইমুভি ঃ এই আইপ্যাড থেকে আপনি মুভি শেয়ার করতে পারবেন । স্ক্রিনে এইচ-ডি মুভি দ্রুত ও সহজে সম্পাদনা করতে পারবেন । আপনি ভিডিও , গান,ছবি শব্দ মিশিয়ে সহজে ভিডিও তৈরি করে নিতে পারবেন ।
গ্যারাজব্যান্ড ঃ আইপ্যাডের সঙ্গে গ্যারাজব্যান্ড থাকলে আপনার সঙ্গে রয়েছে আস্ত একটা রেকর্ডিং স্টুডিও। পিয়ানো ,গিটার, ড্রাম সবই এক সঙ্গে পেয়ে যাবেন। সঙ্গের বিল্ট-ইন মাইক্রোফোনে আপনি রেকর্ড করতে পারবেন এবং ইচ্ছে করলে এক সঙ্গে আটটি ট্র্যাক মেশাতে পারবেন। আপনি আইপ্যাডের সঙ্গে ইলেকট্রিক গিটার জুড়ে দিয়ে বাজাতেও পারবেন।

আই-টিউনস ঃ আইটিউনস ট্যাপ করে অজস্র গান ও সিনেমা ডাউনলোড করতে পারবেন ।

ফাইন্ড মাই আইপ্যাড ঃ আইপ্যাড কিনলে তার সেটিংসে গিয়ে "find my ipad" এনাবেল করুন । এইবার আইপ্যাড হারিয়ে ফেললে "me.com" সাইট থেকে বা অন্য কারও আইপ্যাড, আইফোন ৪-এ " find my iphone" ( বিনামূল্য অ্যাপস্টোর থেকে ডাউনলোড করা যায় ) সফটওয়্যারটি আপনার আইপ্যাডটি কোথায় আছে তা ম্যাপে দেখিয়ে দেবে ।

Read more ...

আইফোন ৫

অ্যাপল এর ফোর- জি প্রযুক্তি সম্পন্ন আইফোন ৫ । অ্যাপল জানিয়েছে , চলতি বছর শেষের আগেই দুই কোটি ৫০ লাখ ইউনিট আইফোন তৈরি করার লক্ষ্যমাত্রা তাদের । এতে কোয়ালকমের তৈরি বেসব্যান্ড চিপ ব্যবহার করা হবে । এতে থাকবে বড় আকৃতির পর্দা এবং ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ,আরও আছে সেন্সর সুবিধা ।

এতে ব্যবহার করা হবে আইপ্যাড২ এর মত এ৫ মানের প্রসেসর এবং থাকবে পাওয়ার ভিআর এসজিএক্স৫৪৩এমপিটু জিপিইউ । এতে থাকবে আইফোন এর অপারেটিং সিস্টেম আইওএস এর নতুন সংস্করণ । আরও থাকবে আইক্লাউড সমর্থন । ফলে কম্পিউটারের সাহায্য ছাড়াই ডিভাইস গুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা যাবে । ভলিউম নিয়ন্ত্রণের জন্যে নতুন বাটন যোগ হবে । এটি ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা প্রযুক্তির নতুন স্বাদ পাবে ।

Read more ...