Showing posts with label হজবরল. Show all posts
Showing posts with label হজবরল. Show all posts

Sunday, October 30, 2011

মানুষ কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় ?

মানুষ কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় ?

পৃথিবীর সব মানুষকে আমি প্রশ্ন করলাম- বলুনতো মানুষ কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় ? এর উত্তরে নানান জনের নানান মতামত ।
আমি কি বলি শুনুন ।" মানুষ কোথা থেকে আসে"-এই প্রশ্নের উত্তর দিই। আমরা প্রত্যেকেই জানি এবং দেখেছি যে মানুষ মায়ের গর্ভ থেকে আসে । মায়ের গর্ভ থেকে দু রকমের মানুষ আসতে পারে- নারী অথবা পুরুষ । আবার এই নারী বা পুরুষ মৃত বা জীবিত হতে পারে । যার সৃষ্টি নেই তার ধ্বংস নেই । আর সৃষ্টি হলেই ধ্বংস হবে- বিজ্ঞানীদের কথা নাকি । আমি আগে ছিলাম না , তাহলে আমার জন্ম মানেই আমার নতুন সৃষ্টি । আর মৃত্যু মানে কি আমার ধ্বংস ? আমি বলি -না । আমি বলি জন্ম মানে- দেহ এবং প্রাণের মিলন । দেহ এবং প্রাণ একত্রিত হয়ে মানুষের জন্ম । আবার দেহ আছে অথচ প্রাণ নেই এমন মানুষের জন্ম হতেই পারে।
আর মৃত্যুর অর্থ হলো- দেহ এবং প্রাণ আলাদা হয়ে যাওয়া । দেহ থেকে প্রাণ আলাদা হলেই মৃত্যু। মানুষের মৃত্যুর পর দেহটা আমরা দেখতে পাই। প্রাণটা দেখতে পাই না। দেহটাকে ধ্বংস করতে পারি। কিন্তু প্রাণ ধ্বংস করবো কি করে ? প্রাণ যেখান থেকে এসেছিল প্রাণটি সেখানেই ফিরে যাবে । তাই মৃত্যুর পর প্রাণ ভূত হয়ে ঘুরতে থাকে । তারপর এই প্রাণ-ভূত মানুষের শরীরে ঢোকে আবার বের হয় , এই রকম করতে করতে এক সময় প্রাণ-ভূত মায়ের গর্ভে ঢোকে ।

Read more ...

Wednesday, October 19, 2011

বিরক্তিকর সত্য

যারা বাসায় এ থাকে আপনি ৩ ঘণ্টা ধরে পড়ছেন কেউ দেখলনা
... .
.
.
যখন ২ মিনিট এর জন্য মোবাইলহাতে
....
.
.
.
.মা নাইলে বাবা রুম এ ঢুকল আর বলে "
সারাদিন মোবাইল নিয়াই থাক পড়াশুনা এর কোন দরকার নাই"
.
আর যারা হল এ থাকে

৩ ঘণ্টা ধরে মোবাইল টিপাটিপি করতেছেন কেউ দেখেনা!!
.
.
২ মিনিট এর জন্য বই নিলেন হাতে
.
.
.
. বন্ধু রুম এ আসে আর বলে" শালা চরম আতেল হইয়া গেছোস!!
এইবার তো তাইলে ফার্স্ট হওয়া ঠেকাইব কেডা!!"

Read more ...

Saturday, September 24, 2011

অদ্ভুত কিছু তথ্য .. .. ! !

মস্ত বড় এই দুনিয়াটা মজার মজার তথ্য দিয়ে ভরা. Android এর একটা apps [Amazing Facts]থেকে কিছু মজার মজার তথ্য আপনাদের সাথে share করলাম.
1. Originally, BMW was an airplane engine manufacturer.
2.Intelligent people have more zinc and copper on their hair.
3.The 1st kiss in a movie was between May Irwin and John Rice in "The Widow Jones," in 1986.
4.In Takshashlia, 700BC, the first university was established.
5.Bluebird can not see the colour blue.
6.Most lipstick have fish scales.
7.Microsoft threatened 17 year old Mike Rowe with a lawsuit after the young man launched a website named "MikeRowSoft".
8. The name Adidas is made up from the name of the founder Adlof (Adi) Dassler (das).
9.French author Michel Thaler published a 233page novel which has no verbs.
10.Jamaica has the most Churches per square mile than any other country in the world.
11.A Jumbo jet uses 4000 gallons of fuel to take off.
12. The speed of typical raindrop is 17 miles per hour.
13.A mosquito can smell the carbon-di-oxide you exhale from about 60 to 70 feet away.
14. 1,525,000,000 miles of telephone wire are strung across the U.S.A
15. Titanic was built in Belfast.
16. The international telephone dialing code for Antarctica is 672.
17. Antarctica is the onle land on our planet that is not owned by any country.
18. The CD was developed by Philips and Sony in 1980.
19. The first internet worm was crated y Robert T.Morris Jr, and attacked more than 6000 Internet hosts.
20.The word "set" has more definitions than any other word in English language.

Read more ...

Sunday, September 18, 2011

ভূমিকম্প হলে কি করবেন ?

পোস্টটি আবার দিলাম.......স্টিকি করলে সবাই পড়তে পারতো। বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা শহরে বড় কোন ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী হবে, সেটা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। ভূমিকম্পের সময় জান বাঁচানোর জন্য কী করণীয় সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিলাম।এগুলো অনেক ওয়েবসাইট ঘেটে নানা জনের ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি।


১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২। উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪। অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫। ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬। চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭। বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।


ভালো থাকবেন। আপনার কোন মতামত থাকলে জানাবেন।বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা শহরে বড় কোন ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী হবে, সেটা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। ভূমিকম্পের সময় জান বাঁচানোর জন্য কী করণীয় সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিলাম।এগুলো অনেক ওয়েবসাইট ঘেটে নানা জনের ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি।


১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২। উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪। অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫। ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬। চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭। বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।

Read more ...

Wednesday, September 14, 2011

চুলের তৈরি হার

চুল নারীর জন্য তো বটেই, নিঃসন্দেহে পুরুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে। তাই চুল একবার কাটানোর পর আরেকবার কাটাতে বেশ সময় নেন অনেকেই। আর এই চুলের যত্নে কত কিছুই না ব্যবহার করি আমরা! মোট কথা, চুল আমাদের অলংকার। তবে অবাক হতে হয় তখনই, যখন ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজের শিল্পকলার ছাত্রী ২৩ বছর বয়সী কেরি হাউলে মানুষের কাটানো চুল দিয়েই তৈরি করেন চমৎকার সব গলার হার। কেরির চোখজুড়ানো এই হারগুলো তৈরিতে সাহায্য করেছেন তাঁর মায়ের জাপানি এক বান্ধবী। তাঁর চুল ছিল কোমর পর্যন্ত লম্বা আর তিনি সেগুলো কাটাতেন পাঁচ বছরে একবার। মায়ের জাপানি ওই বান্ধবী তাঁর ৩০ সেন্টিমিটার চুল কেটে ফেলার পর তা কেরিকে দিয়ে দেন, যেগুলো দিয়ে তিনি তৈরি করেন আকর্ষণীয় এই হার। ভাঙা হ্যাকস ব্লেড ব্যবহার করে এই হারগুলোর প্রতিটি তৈরিতে সময় লেগেছে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময়। মানুষের চুল দিয়ে কেরি হাউলের তৈরি করা হারের সংগ্রহ ইতিমধ্যে একটি পুরস্কারও জিতে নিয়েছে। প্রদর্শিত হয়েছে লন্ডনের বিজনেস ডিজাইন সেন্টারে।

Read more ...

জেনে নিন বাংলাদেশের হোম টেক্সটাইলের অবস্থান এবং সাথে টেক্সটাইলের কিছু বই ডাউনলোডের লিঙ্ক

টেক্সটাইল সম্পর্কে জানার আগ্রহ তাদের জন্য আমার এই পোস্ট।

টেক্সটাইল জগতে হোমে টেক্সটাইল একটা বিশাল স্থান দখল করে আছে।এই হোম টেক্সটাইলে বাংলাদেশ এখন অনেকটাই এগিয়ে গেছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে। এক যুগ আগেও আন্তর্জাতিক বাজারে হোম টেক্সটাইলের পণ্য বলতে ক্রেতারা বুঝত চীন, ভারত, পাকিস্তান ও তুরস্কের কথা। এক যুগ পরে এসে চারটি দেশের পাশে আরেকটি নাম যুক্ত হয়েছে। দেশটি হলো বাংলাদেশ। ২০০৪-০৫ অর্থবছরে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছিল সাড়ে ১৫ কোটি ডলার। আর গত ২০১০-১১ অর্থবছরে এই রপ্তানি আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় ৭৯ কোটি ডলার। প্রায় প্রতিবছরই তা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে।

গত বছরের রপ্তানিতে আগের বছরের তুলনায় ৯৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, এর একটা বড় কারণ হলো বিশ্ববাজারে সুতার দাম বেড়ে যাওয়া, যা উৎপাদনের খরচ বাড়িয়েছে। ফলে, এই খরচ তুলতে রপ্তানিকারকেরা স্বাভাবিকভাবেই পণ্যের দর বাড়িয়েছে।

তার পরও হোম টেক্সটাইল রপ্তানির এই প্রবৃদ্ধি যে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশি এই পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিরই প্রতিফলন, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। হোম টেক্সটাইলের মধ্যে আছে বিছানার চাদর ও আচ্ছাদন, বালিশের কভার, তাকিয়া,ছোট গালিচা, পর্দা, ছোট তোশক, দস্তানা, টেবিল ক্লথ, রুমাল প্রভৃতি। বর্তমানে শুধু ইউরোপেই হোম টেক্সটাইলের ৪০০ কোটি ডলারের বেশি বাজার রয়েছে।

আইকিয়া, ক্যারিফোর, অ্যাসডা, লিটল উড, মরিস ফিলিপস, ওয়ালমার্ট ও রেড ক্যাটের মতো ইউরোপ ও আমেরিকার বড় বড় খুচরা বিপণি সংস্থাগুলো বাংলাদেশ থেকে বর্ধিত হারে হোম টেক্সটাইলের বিভিন্ন সামগ্রী আমদানি করছে। এভাবে চাহিদা বাড়তে থাকায় দেশীয় উৎপাদকেরাও তাদের উৎপাদনের পরিসর বাড়াচ্ছে, যাচ্ছে বড় ধরনের শিল্পের সম্প্রসারণে।

তবে বাংলাদেশে ওভেন পোশাক বা নিট পোশাকের তুলনায় হোম টেক্সটাইলের কারখানা খুবই কম। একদিকে বিশেষায়িত, অন্যদিকে উচ্চ বিনিয়োগের প্রয়োজন বলে অল্প কিছু উদ্যোক্তাই এদিকে এগিয়ে এসেছে। বাংলাদেশে হোম টেক্সটাইলের অন্যতম নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান নোমান গ্রুপের জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিক্স। বাংলাদেশে হোম টেক্সটাইলের উৎপাদন ও রপ্তানিতে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের মধ্যে আরও আছে অলটেক্স, এসিএস টেক্সটাইল, সাদ মুসা, রিজেন্ট, জেকে গ্রুপ,ক্ল্যাসিক্যাল হোম, শান ফেব্রিকস ইত্যাদি। চাহিদা মেটাতে এরাও দীর্ঘমেয়াদি বিবেচনায় বিভিন্নভাবে উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াচ্ছে।

পোশাক খাতের ওপর ব্যাপকভিত্তিক কাজ করে থাকে, এমন একটি প্রতিষ্ঠান হলো অ্যাপারেল অনলাইন। এটি মূলত ওয়েবভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। অ্যাপারেল অনলাইনে গত বছর বাংলাদেশের হোম টেক্সটাইলের কয়েকটি বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মতামত প্রকাশ করা হয়। তাঁদের সেই মতামত থেকেই বাংলাদেশি হোম টেক্সটাইলের শক্তি ও দুর্বলতার বিষয়টি বহুলাংশে স্পষ্ট হয়।

নেদারল্যান্ডভিত্তিক আইকিয়ার দক্ষিণ এশীয় ব্যবসার পরিচালন ব্যবস্থাপক সুসানে বার্গস্ট্যান্ড এর মতে, পণ্য প্রস্তুত থাকলেও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বাংলাদেশ থেকে সময়মতো পণ্য জাহাজীকরণ একটি বড় সমস্যা। আর এটিই দেশটির এই ব্যবসা সম্প্রসারণে একটি বড় বাধা। সুসানে অবশ্য এ-ও বলেন যে তাঁরা বাংলাদেশ থেকে হোম টেক্সটাইলের বিভিন্ন সামগ্রী নিচ্ছেন এ জন্য যে দামে এগুলো বেশ প্রতিযোগিতামূলক। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে কিচেন টেক্সটাইল, বেডশিট, তোয়ালে ও তোশক কিনছি।’

অবশ্য ক্যারিফোর ইন্ডিয়ার আবাসিক ব্যবস্থাপক ম্যাথিউ ব্রুসে বলেন, ‘অবকাঠামোজনিত কারণে বাংলাদেশে উৎপাদন-সক্ষমতা একটা বড় সমস্যা হলেও সেখানে যেভাবে বিনিয়োগ হচ্ছে, তাতে মনে হয় তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে।’

জরলু লিনেনের পারচেজিং চিফ রোহিত চান্দা মনে করেন, কোনো সন্দেহ নেই,বাংলাদেশের হোম টেক্সটাইলের বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে। বাংলাদেশে হোম টেক্সটাইলের কারখানা প্রচুর নয়। তবে যেগুলো আছে এবং সামনে যেগুলো আসবে,সেগুলো সবই ভালো ব্যবসা করছে ও করবে।

অন্যদিকে রেড ক্যাটস এশিয়ার আবাসিক ব্যবস্থাপক বিক্রম ধাওয়ানের মতে,সীমিত সামর্থ্য নিয়ে বাংলাদেশ প্রচুর কার্যাদেশ গ্রহণ করতে সক্ষম হবে না। ফলে,আমেরিকার বাজার ধরা হয়তো কঠিন হবে।

মোটা দাগে এসব আন্তর্জাতিক ক্রেতা তুলনামূলক কম দামি হোম টেক্সটাইলের সামগ্রী অধিক হারে বাংলাদেশ থেকে কিনে থাকে। তারা মনে করে, বাংলাদেশ এখন গুণগত মানের উচ্চ স্তরে পৌঁছাতে সময় লাগবে।

অ্যাপারেল অনলাইনে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের কিছু ভাবনাও তুলে ধরা হয়েছিল। সেখানে তারা বলেছিল যে সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন, যা তারা করতে প্রস্তুত। তারা আরও বলেছিল যে বাংলাদেশি প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকেরা প্রধানত নিবিড় বা মৌলিক সামগ্রীর দিকেই বেশি জোর দেয়।

বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা আরও মনে করে, বিশ্বজুড়ে ক্রেতা-ভোক্তাদের ৬০ শতাংশই সৃজনশীল ও উচ্চ মূল্য সংযোজনের দিকে ঝুঁকে থাকে। আর বাকি ৪০ শতাংশ মৌলিক পণ্যেই আগ্রহী। বাংলাদেশ যেমন মৌলিক পণ্যে ভালো করছে, তেমনি উচ্চ মানের পণ্যেও ইতিমধ্যে খ্যাতি অর্জন করেছে।

এ প্রসঙ্গে সাদ মুসা গ্রুপের পরিকল্পনা ও বিপনন নির্বাহী পরিচালক শেখ হাসান জামান বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকা প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘বাংলাদেশি হোম টেক্সটাইলের গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে এই মান গ্রহণযোগ্য হওয়াতেই তারা বাংলাদেশ থেকে বেশি করে পণ্য নিচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, ২০১১-১২ অর্থবছরেই বাংলাদেশ থেকে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি ১০০ কোটি ডলার অতিক্রম করে যেতে পারে। এখানকার বড় কারখানাগুলো সেভাবেই পণ্য উৎপাদন করছে।

বর্তমানে হোম টেক্সটাইলশিল্পে প্রধান সমস্যা কী, জানতে চাইলে হাসান জামান বলেন, তুলার দাম ও জোগানই সবচেয়ে বড় সমস্যা। চীন, ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে এখানেই। এরা নিজেরাই ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ উৎপাদন খরচ সহজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে নিজস্ব তুলার জোগান থাকার কারণে। আর বাংলাদেশকে নির্ভর করতে হয় বিশ্ববাজারের দামের ওঠানামার ওপর। কেননা,বাংলাদেশের তুলার চাহিদার মাত্র ২ শতাংশ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন থেকে মেটানো সম্ভব। বাকি ৯৮ শতাংশই আমদানি করতে হয়।

বাজার বহুমুখীকরণ প্রসঙ্গে হাসান জামান বলেন, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাইরে দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকা হোম টেক্সটাইলের বিরাট বাজার হতে পারে। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা এখন যা হোম টেক্সটাইল আমদানি করে, এর প্রায় পুরোটাই চীন থেকে। একই অবস্থা আফ্রিকায়। তাই এসব বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশ করতে ও অবস্থান করে নিতে সময় লাগবে।

এখন আমরা টেক্সটাইলের কিছু বইয়ের সাথে পরিচিত হব।

দিন দিন টেক্সটাইলের দিয়ে খুব ভাল ছাত্ররা এগিয়ে যাচ্ছে এর ফলে বাংলাদেশের টেক্সটাইল সেক্টর গুলো দিন দিন বাহির দেশের সাথে সমান পাল্লায় চলতে পারছে।

অভিনন্দন রইল টেক্সটাইলে সকল ভাই ও বোনদের প্রতি।

তাদের জন্য কিছু টেক্সটাইল বইয়ের নাম ও ডাউনলোড লিঙ্ক

YMT,FMT,WPT,GMT এর বই download করতে এখানে ক্লিক করেন

YMT=yarn manufacturing technology

FMT=fabric manufacturing technology

WPT= wet processing technology

GMT=garments manufacturing technology

Fabric এর জন্যে এই lecture গুলো দেখতে পারেন এখানে

WPT এর জন্যে একটা boss blog দিচ্ছি,এটাই যথেষ্ট ।

ব্লগটির লিঙ্ক এখানে

এখানে টেক্সটাইলের কিছু তত্ত্ব পাবেন যা কাজে আসতে পারে

যারা journal পড়তে ভালবাসেন তাদের নিউজ এখানে

আরেকটি মজার ও কাজের সাইট দেখতে পারেন এখানে

এক জীবনে SPINNING এ যা যা লাগে সব আছে এর মধ্যে


Read more ...

ভাল ইটার বৈশিষ্ট্য

বিভিন্ন ধরনের ইট রয়েছে। তবে কাদা মাটির ইটাই বেশি পরিচিত ইট হিসাবে। নিচে এদের কিছু বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো

১। খুব বেশি পানি শোষণ করবে না
২। নখ দিয়ে আঁচড় দেয়া যাবে না
৩। এর ধারগুলো সমান এবন একই ধরনের হবে।
৪। মসলা ধরার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সরন্ধ্র থাকবে
৫। 4000 পি এস আই এর বেশি বার বহন এর ক্ষমতা থাকবে
৬। ৩ ঘণ্টা পানিতে চুবিয়ে রাখলে গলে যাবে না
৭। হাটুর দিয়ে আঘাত করলে ধাতব্য শব্দ দিবে
৮। রঙ টকটকে হবে
৯। সাধারণ আকার হবে ৯.৫" X ৪.৫" X ২.৭৫"


Read more ...

Tuesday, September 13, 2011

ব্যাংক নোট অ্যালবাম কোথায় পাওয়া যাবে?

http://static.collectons.com/images/items/2010/11/24/1290644868.jpg

দেশে নতুন নোট চালু হইছে। পুরানো নোট গুলা আস্তে আস্তে কমে যাবে। এক সময় পাওয়া যাবে না। তাই ভাবলাম আগের নোট গুলা কালেক্ট করি। নোট তো আর যেখানে সেখানে রাখা যায় না। তাই জানা দরকার কোথায় ব্যাংক নোট অ্যালবাম পাওয়া যাবে।
কারো জানা থাকলে একটু আওয়াজ দেন!!

গুগল সার্চ করে এটা পেলাম। ভালোই লাগল। দেখতে পারেন। মোটামুটি সব নোটগুলোই আছে।


Read more ...