Showing posts with label সাম্প্রতিক ঘটনা. Show all posts
Showing posts with label সাম্প্রতিক ঘটনা. Show all posts

Monday, November 7, 2011

কোরবানি: ত্যাগের বদলে প্রদর্শনের উৎসব!

ঈদ উৎসব আমাদের জাতীয় জীবনে একটি বড় উৎসব। প্রতিটি মুসলমানের প্রিয় উৎসব। বহুকাল ধরে এটি প্রথা আকারে আমাদের দেশে বর্তমান। এখন এটি এতটাই আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে যে তা কেবল ধর্মী নির্দেশ হিসেবে নেই। আর সমস্যাটা ঠিক এ জায়গাতেই । যখন কোন কিছু অভ্যাসে ও প্রথায় দাড়িয়ে যায় তখন সেটি আমাদের যুক্তি ও বুদ্ধির বোধ থেকে উৎসারিত হয় না। কোন এক ফরাসী পণ্ডিত বলেছিলেন, আপনি অন্যসব কিছু ভুলে যাওয়ার পর যা থাকে তাই হচ্ছে সংস্কৃতি। সুতরাং, বুঝাই যাচ্ছে চেতন সচেতনতার বা যুক্তি-বুদ্ধির সংযোগ খুব একটা নেই এর সাথে।

যে বিপদের কথা বলেছিলাম সেই বিপদের শুরু এখান থেকেই । একটু ব্যাখ্যা করি। ঈদ উৎস একটা ধর্মীয় আচরণ। ধর্ম একটা বিশ্বাসের ব্যাপার। আর বিশ্বাসটা শুরু হয়– সব ধর্মের ক্ষেত্রে – মানুষের জন্য কল্যান বোধ দিয়ে। মানুষ এই কল্যানবোধের প্রতি আকৃষ্ট হয়েই এক সময় ধর্মকে গ্রহনে আকৃষ্ট হয়। কিন্তু ধর্মটি যখন একটা আচার প্রথা বা সংস্কৃতিতে রূপান্তরিত হয়ে যায় তখন এর কল্যাণ বোধের জায়গাটা হতে থাকে অস্পষ্ট, পরে অস্পষ্ট থেকে লুপ্ত ও বিলুপ্ত। অর্থাৎ যে কল্যানবোধ ছিলো ধর্মের লক্ষ্য সেই লক্ষ্যটাই হারিয়ে যায়। এটা কেল ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রেই নয়, সব ধর্মের ক্ষেত্রেই এটাই ঘটে এবং ঘটেছে।

এখন এই যে, ধরা যাক বলীদান বা কোরবানি। এটা অনেক পুরোনো প্রথা ; প্রাকইসলামি যুগ থেকেই চলে আসছে। এই কোরবানির মূল কথাটা হচ্ছে ত্যাগ। অর্থাৎ ত্যাগটাকে আমি কতটা আন্তরিকতার সাথে করতে পারি। যে জিনিসের প্রতি আমার সামান্য আকর্ষণ আছে সেটাকে ত্যাগ করা কঠিন নয়। যে জিনিসের প্রতি আমার বেশ আকর্ষণ আছে তাকেও ত্যাগ করা কঠিন নয়। কিন্তু যে জিনিসের সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক অর্থাৎ তাকে যদি আমার আত্মজ বলা হয়, তাকে ত্যাগ করা মানে সর্বোচ্চ ত্যাগ। সেই সর্বোচ্চ ত্যাগ করার জন্যই তো এই ধর্মীয় নির্দেশটা এসেছিল। আল্লাহ যখন দেখলেন নবীজি তার ছেলেকে কোরবানি দিতে দ্বিধা করছে না তখন তিনি নবীজির ত্যাগের আদর্শে সন্তুষ্ট হয়ে একটি পশু কোরবানি দিতে বললেন।

আমরা এই ত্যাগের আদর্শে কতটা উদ্বুদ্ধ? আমরা ত্যাগের দিকে না গিয়ে কেবল পশুটিকেই বেছে নিয়েছি। এটা বলতে খুব সংকোচ হয়,তবু না বলে পারছি না : ঢাকা শহরে এই এত এত কোরবানি হয় তা কতটা সেই আদর্শে হচ্ছে তা কিন্তু প্রশ্নসাপেক্ষ। যে-পশুগুলোকে কোরবানি দেয়া হচ্ছে তারা কি ইসলাম-বর্ণিত নবীজির আত্মজ-তুল্য প্রিয় বস্তু না শুধুই প্রদশর্নী ? গরুটি যদি দীর্ঘদিন আমাদের সানিধ্যে থাকে, এই দীর্ঘ সানিধ্যের কারণে সে প্রিয় উঠবে; তবেই না সত্যিকারের আদর্শের প্রতিফলন ঘটবে। সেটা কিন্তু ঘটে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যিনি কোরবানি দেন , তিনি হয়তো নিজে গিয়ে কিনে আনার সময় পান না। বা পেলেও সেটা একদিন দুইদিন আগে কেনা হয়। সুতরাং এর সাথে সান্নিধ্যের বা প্রিয় হয়ে ওঠার সুযোগ থাকছে না।

আদর্শের সংযোগও এর সাথে খুব একটা নেই। এটি একটি অচেতন প্রথা হয়ে দাড়িয়েছে। কে কত বড় গরু কোরবানি দিল সেটাও একটা আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। আবার যারা কম পয়সাওয়ালা তাদের অনেকে তো দেখেও না কোন গরুটি কোরবানি দেয়া হলো ; বলে ওমুকের সাথে ভাগে কোরবানি দেয়া হয়েছে। সুতরাং, এতে ত্যাগের কোন আদর্শ আছে বলে আমার মনে হয় না। আমি জানি, একথা বলায় অনেকেই আমার সমালোচনা করবেন। কিন্তু লক্ষ্য করে দেকুন তো, এ রকমই ঘটছে কিনা ? এতো গেল একটা দিক। এর বাইরে আরেকটা বীভৎস দিকও আছে। ঈদের দিনটি, যে-দিনটি হবে আনন্দের, উৎসবের, ছোট ছোট শিশুদের জন্য যে-দিনটি হওয়া উচিৎ দৃষ্টিনন্দন; সেদিনটি হয়ে ওঠে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ পশুর কোরবানির ফলে বীভৎস, আতংকময়, বিশ্রী এবং পরবর্তীতে পুতিগন্ধময়। এই দৃশ্যটা চোখের জন্য এক সীমাহীন অত্যাচার। শিশুরা যখন এই দৃশ্যটা দেখে তখন তা চেতনে বা অবচেতনে তার স্মৃতিকোষে গিয়ে জমা হয়। শিশুর মনগঠনে এর একটা প্রভাব নিশ্চয়ই পরে। আমাদের সমাজে সহিংসতা, রূঢ়তা , নির্মমতা, নিষ্ঠুরতা আর নির্দয় ঘটনার এত যে ছড়াছড়ি – এর পেছনে ছোট ছোট শিশুদেরকে এই জবাই করার মতো দৃশ্যের সাথে পরিচয় করানোর সম্পর্ক থাকতে পারে বলে মনে হয়। শিশুদের কোমল মনে এই প্রচণ্ড দৃশ্য কোন প্রভাব ফেলে না– এটা কিন্তু বলা যাবে না।

আমি মনে করি জবাই করা এবং মাংশ কাটাবুটির কাজটা প্রকাশ্যে না করে আড়ালে করলে ভালো হয়। অন্তত শিশুদের সামনে নয়। নবীজিও তো কাজটা লোকালয়ে বা প্রকাশ্যে জণসম্মুখে করেন নি; তিনি নিজের প্রিয় বস্তু আত্মজকে লোকালয়ের বাইরে এক নির্জন যায়গায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এই উদাহরণটি ধর্মীয় কাহিনী হিসেবে থাকা সত্ত্বেও আমরা অনুসরন করি না। ধর্মের মর্মে না গিয়ে শুধুই খোলসটুকু নিয়ে পরে আছি।

Read more ...

Tuesday, November 1, 2011

ইলেকট্রিক ডিভাইস দিয়ে খুব সহজেই নির্ধারণ করুন আপনার টাকা আসল না জাল?

জাল টাকা হাতে পাননি জীবনে এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম । আজ আমি এখানে জাল টাকা ধরা যায় এ রকম একটি সস্তা ইলেকট্রিক ডিভাইস নিয়ে কথা বলবো । আগের যে কোন সময়ের থেকে এখন জাল টাকার পরিমাণ বেশী । খুব সাবধান না হলে যে কেউ প্রতারণার স্বীকার হতে পারেন । বিশেষ করে ১০০০ টাকার নোট এখন অনেক বেশী পরিমাণে জাল হচ্ছে । মূলত আমাদের অসচেতনতা এবং অজ্ঞতার কারণেই জাল টাকা নির্ধারণ করতে পারি না । অনেক গুলো বিষয় আছে যা দ্বারা জাল টাকা ধরা যায় তবে ইলেকট্রিক ডিভাইস সবচেয়ে নির্ভুল এবং সহজ পদ্ধতি । আমি এখানে আপনি কিভাবে ইলেকট্রিক ডিভাইস ব্যবহার করে জাল টাকা নির্ধারণ করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো । প্রথমে আসুন আমরা জেনে নিই আমাদের টাকায় জাল টাকা নির্ধারণের জন্য কি কি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে ।

বাংলাদেশী নোটগুলোর সিকিউরিটি ব্যবস্থা –


০১. নোটগুলো অসমতল (আপনি হাত দিয়ে নাড়লে বুঝতে পারবেন) কারণ এগুলো সিনথেটেক ফাইবার মিশ্রিত কাগজে তৈরি করা হয় ।

০২. ১০০০ টাকার নোটে শেখ মুজিবের বাম পাশে ৪ মি.মি হলোগ্রাফিক সুতা আছে যা রং পরিবর্তনশীল । সরাসরি তাকালে সাদা এবং ৯০ ডিগ্রী অ্যাংগেলে কালো রং প্রদর্শন করবে

০৩. ১০০০ টাকার নোটের (অন্যান্য নোটেও) উপরের ডান পাশে রং পরিবর্তনশীল টাকার সংখ্যা লেখা আছে (১০০০,৫০০…….)

০৪. শেখ মুজিবের ডানপাশে ঠিক নিচে দেখেবেন বর্ডারের মাঝে লুকানো অবস্থায় ১০০০ টাকা লেখা আছে ।

ডিভাইস কিভাবে আপনাকে সাহায্য করবে টাকা জাল না আসল –


মূলত আপনি সচেতন থাকলে হয়তো ডিভাইস বাদেও জাল টাকা ধরতে পারবেন তবে এটা সময়সাধ্য আর প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে বিষয়টা কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে । জাল টাকা ধরার জন্য বিভিন্ন রকম ইলেকট্রিক ডিভাইস আছে । এগুলোর দাম খুবই কম । আমি আপনাদের ডিভাইসগুলো নিয়ে বেসিক একটা ধারণা দিচ্ছি ।

Counterfeit Detector Pen


সাধারণত যারা জাল টাকা তৈরি করে এরা কাঠ দিয়ে তৈরি কাগজ ব্যবহার করে কিন্তু আসল টাকা তৈরি হয় সিনথেটিক ফাইবার মিশ্রিত কাগজ দিয়ে । Counterfeit Detector Pen এই বিষয়টা ফোকাস করে টাকা জাল না আসল এটা নির্ধারণ করে । Counterfeit Detector Pen এ ব্যবহার করা হয় iodine এবং starch নামক দুই ধরনের কেমিক্যালের মিশ্রণ যা সিনথেটিক ফাইবার কাগজে কোন রং পরিবর্তন করে না । ধরুন এ কলম দিয়ে আপনি ১০০০ টাকার নোটের উপর লিখলেন কিন্ত এর ফলে টাকার কালারের কোন পরিবর্তন হবে না কারণ সিনথেটিক ফাইবার মিশ্রিত কাগজে এরা বিক্রিয়া করে না । কিন্ত আপনি যখন জাল টাকায় যেগুলো সবসময় wood based কাগজ দিয়ে তৈরি করা হয় এটা ব্যবহার করবেন লেখার সাথে সাথে টাকার রং এর পরিবর্তন ঘটবে এবং একধরনের অমোচনীয় কালো রং এর দাগ পড়বে । এই ডিভাইস দ্বারা বাংলাদেশের সব টাকা পরীক্ষা করে দেখেতে পারবেন । ডিভাইসটির দাম খুবই কম । দাম এবং কেনার জন্য আপনি এই (click here) সাইটে যেতে পারেন ।

আলোর সাহায্যে জাল টাকা নির্ধারক ডিভাইস –


আসল টাকা সবসময় অসমতল এবং আমাদের টাকার উপরে ডান পাশে রং পরিবর্তনশীল সংখ্যা ব্যবহার করা হয় । এই দুইটা বিষয়ের উপর ফোকাস করে মূলত এই ডিভাইস কাজ করে । কারণ জাল টাকা কখনোই অসমতল না, আপনি যখন UV Counterfeit ডিভাইসটি দিয়ে টাকার উপর আলো ফেলবেন এটা যদি অসমতল হয় তাহলে নীল আলোর মাধ্যমে আপনায় জানিয়ে দিবে টাকাটা আসল । আর যদি টাকা অসমতল না হয় সেক্ষেত্রে আপনার জন্য লাল বাতি অপেক্ষা করবে । একই ভাবে আপনি রং পরিবর্তনের বিষয়টা ধরতে পারবেন । এই ডিভাইসটিও অনেক সস্তা । দাম এবং কেনার জন্য আপনি এই (click here) সাইটে যেতে পারেন ।

সবশেষে কিছু কথা বলি, টাকা আসল না জাল এটা আমরা কষ্ট করে হয়তো ধরতে পারবো তবে সবসময় এটা সম্ভব না । সেক্ষেত্রে এই ডিভাইসগুলো আপনায় অনেক প্রকারের বিপদ থেকে উদ্ধার করবে । যে কোন প্রকার ভুলের কারণে “দু:খিত” । ভাষার ভুল থাকলে দয়া করে বলবেন আমি আপডেট করে দিব ।


Read more ...

৭০০ কোটি জনসংখ্যার পৃথিবীতে আপনি কততম?

৭০০ কোটি জনসংখ্যার পৃথিবীতে আপনি কততম?

বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৭০০ কোটি ছাড়িয়ে গেলেও প্রতিমুহূর্তে জনসংখ্যা বাড়ছেই। বিবিসি এ নিয়ে দারুণ এক অনলাইন সফটওয়্যার তৈরি করেছে । এ সফটওয়্যার আপনার জন্মতারিখের ভিত্তিতে বলে দেবে ৭০০ কোটি জনসংখ্যার বিশ্বে আপনি কততম। সীমাবদ্ধতাও রয়েছে যেমন, জন্মবছর ১৯১০ সালের আগে হলে এ নিরীক্ষা আপনাকে কাউন্টিংয়ে সমর্থ্য হবে না। www.bbc.co.uk/news/world-15391515
এ লিঙ্কে আপনার জন্মতারিখ নিবন্ধন করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করলেই মুহূর্তেই মিলবে আপনার জন্মসংখ্যা। এবং দেশভিত্তিক অবস্থান জানতে পরের নেক্সট ক্লিক করে ‘কান্ট্রি’ অপশনে দেশের নাম লিখে ইন্টার বাটন ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন দেশের জন্মসংখ্যায় আপনি কততম।

বিবিসি জনসংখ্যা সফটওয়্যারের হিসাব মতে বাংলাদেশে প্রতিঘণ্টায় ৩৫৫ মানবসন্তান জন্ম নিচ্ছে, মারা যাচ্ছেন ১০৩ জন আর প্রবাসী হচ্ছেন ৬৬ জন। এ গণনা চক্রের সমীকরণে বাংলাদেশে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার ১.১ ভাগ।

Read more ...

Monday, October 31, 2011

ডেসটিনি এবং কিছু অভিজ্ঞতা (ফান পোষ্ট).



এক.
একদিন শুক্রবার গেলাম এক বড় ভাই এর দাওয়াত এ। কিন্তু এই দাওয়াত যে ডেস্টিনির, তা বুঝতে পারছি, "তোমার নাম কি? ইয়েস, ইয়েস" শুনে। এদের নাম জিগাইলেও ইয়েস, ইয়েস করতে থাকে। বাংলার তামাম বেকুব গুলান মনে হয় এইখানেই গিয়া একত্রীত হয়।

দুই.
৬ মাস ডেসটিনিতে থেকে অন্যের কাছে ছোট হওয়া, সবাইকে পন্য মনে করা, নিজের পার্সোনালিটি বিকিয়ে দেবার পর বুঝেছি, আর বেশি দিন থাকলে আমি ভোদাই ই হয়ে বেরুতাম, নিজের এলাকায় নিজের ইজ্জত শুন্যের কোঠায় নেমে গিয়েছিল -Emran Ahmed

তিন.
আমাদের মত হুযুগে মাতাল দেশের লোকজনদের সাথে বাটপারি করে শালারা হাজার কোটী টাকা কামিয়ে নিচ্ছে...বিনিময়ে অসহায় মানুষগুলু পাচ্ছে অপূর্ণ Destiny cycle আর মানুষের গালাগালি...আমি খুব অবাক হই যখন দেখি কিছু শিক্ষিত মানুষও নিজের অল্প লাভের জন্য এসব বাটপারির সাথে নিজেকে জরাচ্ছে এবং অন্যদের convince করছে...আমার কথা হচ্ছে আপনারা অন্যকে convince করতে গিয়ে যে সময় ফালতু ব্যাপারে চাপাবাজি করে নস্ট করছেন্‌।।সে সময়টা কোন productive কাজ করে তার চেয়ে বেশি income করতে পারবেন...আর যদি destiny করতেই হয় তাহলে অন্নের জন্য চাপাবাজি না করে নিজেই একটা mlm খুলে নিজের জন্য চাপাবাজি করেন...।
-Musafir Ali

চার.
অশিক্ষিত পোলাপাইন যখন টাই পইরা ঘুরে তখন মনডা চায় টাইয়ের মাথাডা সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ির পিছে বাইন্ধা দেই। ওই বিল্ডিঙ্গে যাওয়ার মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা আমার ও হইছিলো!!! -Rifatul Islam Chayon

পাঁচ. undefined
প্রথম ব্যাক্তি: আমাকে ১০ হাজার টাকা ধার দাও প্লিজ।
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: আচ্ছা দিব না হয়, কিন্তু কবে ফেরৎ দিবেন?
প্রথম ব্যাক্তি: বেশি না, মাত্র ১২ বছর পর, কিন্তু তুমার আরেকটা শর্ত/সুযোগ আছে..
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: কি শর্ত?
প্রথম ব্যাক্তি: তুমি যদি এরকম দু'জন লোক যেগাড় করে দিতে পার যারা আমাকে ১০ হাজার টাকা করে ধার দিতে পারবে, তাহলে তোমাকে ৬০০ টাকা ফেরৎ দিয়ে দিব।
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: আর বাকিটা?
প্রথম ব্যাক্তি: তোমাকে এরকম ৩৩ জন লোক যোগাড় করে দিতে দিতে হবে যার আমাকে ১০ হাজার টাকা করে (৩৩*১০০০০=৩৩০,০০০) টাকা দিবে, তাহলে তোমার পুরা টাকাই ফেরৎ দিয়ে দিব।
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: (দ্বিতীয় ব্যাক্তি মহাখুশি হয়ে পকেট থেকে ১০ হাজার টাকা বের করে দিল)
এই দুই ব্যাক্তিকে আপনি কি বলবেন? মহা উন্মাদ? আরে না! এদের একজন ডেসটিনি কর্মী, আরেকজন নব্য যোগ দেয়া ডিস্ট্রিবিউটর।

ছয়.
উইক এন্ড-এ সবাই নিশ্চয়ই দেরি করে উঠেছেন। এই নিন.. চা অথবা কফি যেটা ভালো লাগে।

পুনশ্চঃ চা-কফি খাওয়ানোতে আমাদের আর ডেস্টিনি রোগীদের মধ্যে পার্থক্য জানেন? আমরা সবাই খাওয়াই নিঃস্বার্থভাবে, ভাবি, 'জীবনটাতো খারাপ না'। আর ওরা ভাবে 'একবার যদি তোরে ফাঁদে ফেলতে পারি তাহলে কমিশন তো তুলবই, চায়ের বিলটাও তুলব'।

সাত.
Boy: Marry me.. ?
Girl: Do you have a house.. ?
Boy: No..
Girl: Do you have a BMW car.. ?
Boy: No..
...Girl: How much is your salary.. ?
Boy: No salary.. but,..
Girl: But?
Boy: I am a distributor of DESTINY. I will have everything in 2012. I will do everything...
Girl:O accha...!! Tui tahole destiny vo***? Sha**... dure giya mor!

আট.
বাঙালীর আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখা যতদিন থাকবে ততদিন ডেস্টিনি থাকবে।৯০% সদস্য যারা ধরা খাওয়ার পর খামোশ হইয়া যায় তখন বাকী ১০জন সেই টাকায় কোটিপতি হওয়ার লাইনে থাকে। ৯০জনের দলে যারা থাকে তারা মামলা-হামলা কিছুই করতে যায় না,মনে করে হারাইছি তো হারাইছি,আর যামুনা।আর বাটপাড় ১০জন চিরকালই আরো ৯০০জনকে স্বপ্ন দেখাইয়া চলে।৯০জনের ডেস্টিনি(ভাগ্য) নিয়া ১০জনে নিজের ডেস্টিনি গড়ে।
আপনি যদি তুরুদ্দুম বাটপাড় হয়া থাকেন তবে আপনার জন্যই ডেস্টিনি।

নয়.
১ম ব্যাক্তি: কিছুদিন থেকে আমার পেছনে লাগছে এই বাহিনী। আঠারমত .. বলে ৬ মাস পর নাকি ৫০ হাজার করে ইনকাম করা যাবে।

২য় ব্যাক্তি: ওদের মধ্যে ৬ মাস আগে যারা ঢুকছে তাদের কাছে ৫০০০ টাকা ধার চান!! ツ ツ ツ


বি:দ্র: ইন্টারনেট অবলম্বনে (ফেসবুক)

Read more ...

Sunday, October 30, 2011

একটা মেয়ে যখন ৩ টা ছেলের সাথে বিছানায় থাকে তখন সবাই ।। ১৮+

*প্রশ্ন- একটা মেয়ে যখন ৩ বা ৪ টা ছেলের
সাথে বিছানায় থাকে তখন সবাই
তাকে খারাপ মেয়ে বলে,
কিন্তু একটা ছেলে যখন ৭-৮ টা মেয়ের সাথে থাকে তখন সবাই তাকে আসল
পুরুষ বলে, কিন্তু কেনো? ,
উত্তর -
ব্যাপারটা আসলে এরকম্, যখন
একটা তালা ৩ টা চাবি দিয়ে খুলে তখন
সেটা খারাপ তালা
আর যখন
একটা চাবি দিয়ে ৭-৮ টা তালা খুলে তখন
সেটা মাস্টার কী (MASTER KEY) । লুল

Read more ...

Saturday, October 29, 2011

যে কারনে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা !

বাংলাদেশে যে কারনে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা !
বিশ্লেষন করে দেখলাম আসলেই বাংলাদেশে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা!
ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে :-
1. ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে তাদের বন্ধু বান্ধবরা তাদের ক্ষেপায়।
2. তাদেরকে প্রেমিক প্রেমিকা ভাবা শুরু হয়।
3. ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে মেয়েটিকে ভালো চোখে দেখা হয়না।
4. মেয়ের সংগে ছেলে কথা বললে মেয়ে মনে করে ছেলে মতলববাজ এবং ছেলের সংগে মেয়ে কথা বললে ছেলে মেয়েটিকে ভালো চোখে দেখেনা।
5. আমাদের সমাজে একধরনের মানুষ আছে (মানুষ বিশেষনটি মনে হয় এদের বেলায় খাটে না) যারাছেলে মেয়ের বন্ধুতকে সহজ ভাবে নিতে চান না এবং বন্ধুত হতে দেখলে মেয়েটির চরিত্র খারাপ প্রমান করার চেষ্টা করেন যার ফলাফল মেয়েটিকে সারা জীবন বহন করতে হয়
6. মানুষ বদলাচ্ছে পৃথীবি বদলাচ্ছে, সময়ের পরিবর্তন এসেছে কিন্তু এই সহজ সত্যিটা মেনে নেয়ার মত সাহস খুব কম বাবা মার-ই আছে। তারা সব কিছু বিবেচনা করেন তাদের মান্ধাতা আমলের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে । তাই বাংলাদেশে অভিভাবক্দের দৃষ্টিভঙ্গি যতদিন পরিবর্তন হবে না ততদিন এই সম্যাসার সমাধান হবে না !
আপনাদের কি আরো কোনো মতামত আছে?
বিঃদ্রঃ আমি এখানে দুপক্ষ বিশ্লেষণ করে নিরেপেক্ষ মতামত প্রকাশ করেছি।

Read more ...

Thursday, October 27, 2011

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জাল পেতেছে সাইবার ক্রিমিনালরা।

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জাল পেতেছে সাইবার ক্রিমিনালরা। বিভিন্ন অফিসেও তারা সক্রিয়। সাইবার ক্রিমিনালদের জালে আটকা পড়ে এরই মধ্যে অনেকেই খুইয়েছেন সম্ভ্রম। কেউ কেউ মান-সম্মান হারিয়ে এখন দিকভ্রান্ত।রাজধানীতে সক্রিয় এমন শহস্রাধিক সাইবার ক্রিমিনাল।


বিশেষ করে তাদের নজর টিনএজদের দিকে।বিভিন্ন কৌশলে, চাপ প্রয়োগ করে, ভয় দেখিয়ে, গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও করে নগ্নচিত্র ইন্টারনেটে ছাড়া হচ্ছে।ব্ল্যাকমেইল করে আদায় করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ। এছাড়া নগ্ন ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হচ্ছে ভুক্তভোগীকে। উদ্দেশ্য হাসিলের পর নগ্ন ভিডিও চিত্র বিভিন্ন ব্লগেও লিংক দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। ফলে মুহূর্তেই সেগুলো ছড়িয়ে পড়ছে দেশে-বিদেশে।


গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ২ সাইবার ক্রিমিনাল হাবিবুর রহমান ও আশিকুর রহমানকে। তাদের কম্পিউটার থেকে ১২ নারীর একান্ত মুহূর্তের নগ্ন ভিডিওচিত্র উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব বলছে, সব নারীকে ব্ল্যাকমেইল করে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু সম্মান হারানোর ভয়ে কেউই মুখ খোলেনি।


র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই সাইবার ক্রিমিনাল বিস্তারিত বর্ণনা দেয় তাদের অপকর্মের। জানায়, একের পর এক নারীকে কিভাবে গার্মেন্টসে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলতো তারা। তারপর গোপন ক্যামেরায় নগ্নচিত্র ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতো। গত ২৪শে সেপ্টেম্বর ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিওচিত্র ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে তাদের ২ বছর করে কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা।


৮ম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে পারভেজ সরকার নামের এক প্রতারক উত্তরায় তার এক বন্ধুর মেসে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই ছাত্রীর নগ্ন ভিডিওচিত্র ধারণ করে। পরে ওই নগ্ন চিত্র প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ওই ছাত্রী র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করলে র‌্যাব পারভেজ সরকারকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার দুই সহযোগী মাহবুর হাসান ও উদয় শর্মা ওরফে উৎসকেও গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদেরকে একটি নামী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে দাবি করে। গত ১০ই সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয় রফিকুল ইসলাম জুয়েল নামের এক বড় মাপের সাইবার ক্রিমিনালকে। প্রেমের অভিনয় করে সিদ্ধেশ্বরী কলেজের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে সে। একান্ত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ওই ছাত্রীকে মাসের পর মাস ধর্ষণ করা হয়। ওই মেয়েটি র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করলে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।


র‌্যাব জানায়, লেখাপড়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোনের ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করতো প্রতারক জুয়েল। তার কাছে রিচার্জ করতে আসা সুন্দরী মেয়েদের মোবাইল নম্বর নিয়ে সে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতো। পরিকল্পনা অনুযায়ী মেয়েটির নগ্নচিত্র ধারণ করত। তার দোকানে থাকা কম্পিউটার থেকে শ’ শ’ নগ্ন ভিডিওচিত্র উদ্ধার করা হয়।


গত ২৯শে এপ্রিল তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে ইমন নামের এক প্রতারককে। ইমন এক তরুণীকে ধর্ষণ করে এবং ওই চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করে। পরে ওই তরুণীর পিতার কাছে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিওচিত্র পাঠিয়ে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।


গ্রেপ্তারের পর ইমন বিডিক্যাম্পাসনিউজ.কম কে জানায়, সে প্রথমে ওই তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি তার পিতা। পরে তার সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায় সে। সেখানে ওই তরুণীকে ইয়াবা সেবন করানো হয়। তরুণীটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে ইমন।


গত বছর ১৪ই অক্টোবর নারিন্দা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পেশাদার সাইবার ক্রিমিনাল জাহাঙ্গীর আলম রাজুকে। মুগদা এলাকার এক তরুণীর নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। রাজু তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে নগ্ন ছবি তোলাসহ নানা অপকর্মের জন্য নারিন্দার ২১ নম্বর বাড়িটি ব্যবহার করতো।


বাড়িটির চার তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে, কক্ষের বিভিন্ন স্থানে গোপন ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করে সে। এরপর প্রেমের অভিনয় করে, বায়িং হাউজে চাকরি দেয়ার নামে, সিনেমা-নাটকে অভিনয়ের সুযোগ করে দেয়ার কথা বলে তরুণীদের ফুঁসলিয়ে নিজের ভাড়া করা ফ্ল্যাটটিতে নিয়ে তুলতো। একবার সেখানে গেলে রাজুর হাত থেকে মুক্তির আর কোন উপায় থাকতো না। র‌্যাবের গোয়েন্দারা বলছেন, তারা রাজধানীতে সহস্রাধিক পেশাদার ক্রিমিনালকে শনাক্ত করেছেন।


মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও নামী স্কুলগুলোতে পর্নোগ্রাফি হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেরা এসবে জড়িয়ে পড়ছে। বান্ধবী বা ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয়কে তারা ব্ল্যাকমেইল করছে। বড় ধরনের সাইবার অপরাধের খবর আসে এ বছর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া মডেল কন্যা প্রভা’র পর্নোগ্রাফি থেকে।


এরপর আরও অনেক মডেল ও চিত্র তারকার পর্নোগ্রাফি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।


নাইট ভিসন প্রোগ্রাম:
কম্পিউটারের একটি সফটওয়ারের ম্যাধ্যমে পোশাক পরা যে কোন নারীর ছবি নগ্ন করে ফেলা সম্ভব বলে জানিয়েছে র‌্যাবের গোয়েন্দা সূত্র। এ ধরনের প্রোগ্রাম অনেক সাইবার ক্রিমিনালের হাতে চলে গেছে। সাইবার ক্রিমিনালরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের লাইভ পিকচার ধারণ করে সেটিকে নগ্ন করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সূত্র বলছে, সাইবার ক্রিমিনালদের প্রথম টার্গেট কমবয়সী নারী।


সহজলভ্য পর্নোচিত্র:
মুঠোফোনে পর্নো ভিডিও চিত্র রাখাও অপরাধ। কিন্তু আইনের প্রয়োগ না থাকায় মোবাইল পর্নোগ্রাফি এক মোবাইল থেকে আরেক মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ছে দেদার। অনেকটা প্রকাশ্যেই গান ও রিংটোন লোডের দোকানে দেশীয় পর্নোচিত্র মোবাইলের মেমোরি কার্ডে লোড করে দেয়া হচ্ছে।

এমনকি অনেক পুলিশ কর্মকর্তার মোবাইল ফোনেও পর্নো ভিডিও রয়েছে। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের চালানো একটি জরিপে বলা হয়েছে, শতকরা ৭৭ ভাগ তরুণ এসব পর্নোগ্রাফির দর্শক।


সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ কোন উদ্যোগও নেই। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এখনও তা চালু হয়নি। বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন কর্মকর্তাকে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল।

কিন্তু তাদের অনেককেই পুলিশের সাধারণ ইউনিটগুলোতে বদলি করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ বিডিক্যাম্পাসনিউজ.কম কে বলেন, সাইবার ক্রিমিনালদের প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় উপায় হলো জন সচেতনতা। তবে কোন নারী যদি ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হন তার উচিত বিলম্ব না করে পুলিশের সহায়তা নেয়া।


র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান বিডিক্যাম্পাসনিউজ.কম কে বলেন, দেশীয় পর্নোসাইটগুলো বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে এগুলোকে দু’টি ক্যাটিগরিতে ভাগ করা হয়েছে। একটি পেশাদার যৌনকর্মীদের দ্বারা তৈরি পর্নোগ্রাফি, অন্যটি গোপনে ধারণ করা নারীর একান্ত মুহূর্তের নগ্ন ভিডিওচিত্র।

এসব ভিডিওচিত্র নিয়ে কাজ করছে র‌্যাব। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা বলেন, সাইবার ক্রিমিনালদের হাত থেকে বাঁচতে উঠতি বয়সী মেয়েদের বেশি করে সচেতন হতে হবে। তাদেরকে সহজে কোথাও যাওয়া চলবে না। এমনকি কাউকে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর, ই-মেইল, আইডি বা ব্যক্তিগত ছবিও দেয়া যাবে না। এরপরও অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হলে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকদের জানাতে হবে।

Read more ...

ফাস্ট ফুড যদি খেতেই হয়.....

আজকের দিনে কাউকে যদি ফাস্ট ফুড খেতে নিষেধ করি, তবে সে অল্প বিস্তর মন:ক্ষুন্ন হবেই। পিৎজা , বার্গার, স্যান্ডউইচ আমাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ঢুকে গেছে । বন্ধুদের আড্ডায়, অফিসগামীদের লাঞ্চে বা বাচ্চার স্কুলের টিফিনে - এই ফাস্ট ফুডগুলো আমরা প্রতিনিয়ত গ্রহণ করছি । তৈরির ঝামেলা কম ও শুষ্ক বলে এবং বহন করতে সুবিধা হওয়াতে ”জাঙ্ক ফুড” বলে অভিহিত এই ফাস্ট ফুড গুলোকে মোটেও এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না । কিন্তু স্বাস্থ্যের প্রতি ও তো খেয়াল রাখতে হবে।

তাই এখন সময় এসেছে কিভাবে ফাস্ট ফুডগুলোকে কিছুটা হলেও স্বাস্থ্যকর খাবারে রূপান্তর করা যায় তা ভেবে দেখার। প্রশ্ন হল ফাস্ট ফুড খেতে কেন আমাদের এত ভালো লাগে ! কারণ হচ্ছে - এগুলোতে প্রচুর পরিমান ফ্যাট জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। ফ্যাট খাবারকে সুস্বাদু ও রুচিকর করে, দেহ ও মনে ’তৃপ্ত’ বোধ তৈরী করে।

কিন্তু এই ফ্যাটজাতীয় উপাদান যেমন- মাখন, মেয়োনেজ,পণির, ইউর্গাড, ঘি, তেল ইত্যাদি যদি প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে খাওয়া হয় তবে স্থুলতা, হৃদরোগসহ আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি এবং তা সব বয়সীদের ক্ষেত্রেই সমান। এক্ষেত্রে একটু সচেতনতা সবাইকে এসকল রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

তাই বন্ধুদের সাথে কোন ফাস্ট ফুডের দোকানে গিয়ে খাবার অর্ডার করার সময় একটু সচেতন হতে হবে। যেমন পিৎজা, স্যান্ডউইচ অর্ডার সময় তাতে পণির, মাখন, মেয়োনেজ যেন কম দেয়া হয়, তা উল্লেখ করে দিতে হবে। এতে খাবারে ফ্যাটের পরিমান বেশ কমে আসবে। এর সাথে green salad অর্ডার করা হলে Vitamin ও Minerals এর চাহিদা পূরণ হবে। তবে সালাদে ড্রেসিং বা গ্রেভি যেন যুক্ত করা না হয় সেদিকে ও লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা এগুলোতে ও প্রচুর মেয়োনেজ দেয়া হয়। এছাড়া অনেক ফাস্ট ফুডের দোকানে নিজের ইচ্ছামত Extra Topping যুক্ত করার সুযোগ থাকে। এক্ষেত্রে black olive, sweet corn,capsicum, tomato, pineapple
ইত্যাদি সব্জি ও ফল বেছে নিতে হবে। সব সময় beef / chicken অর্ডার না দিয়ে মাঝে-মধ্যে শুধুমাত্র সবজি বা মাছ দিয়ে তৈরী পিৎজা , বার্গার, স্যান্ডউইচ খেতে হবে।
অফিসে লাঞ্চে যদি ফাস্ট ফুড খেতেই হয় তবে এই নিয়ম মেনে খাবার অর্ডার করলে cholesterol level কম রাখতে সহায়ক হবে। এর সাথে খেতে হবে সালাদ ও সবজি। এছাড়া mid-morning এ যেকোন ধরনের একটি ফল, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি খেলে vitamin এর চাহিদা পূরণ হবে।
বাচ্চাদের টিফিনে বার্গার বা স্যান্ডউইচের সাথে বাচ্চার পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি ফল দিতে হবে। তা ২টি ছোট আকারের কলা বা ৪/৫ কোয়া কমলা বা ৫/৬ টুকরা গাজর ও হতে পারে।
একটু ভেবে-চিন্তে যদি আমাদের খাবার মেন্যু re-arrange করি তবে ফাস্ট ফুডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও আমরা মুক্ত থাকতে পারব।

Read more ...

Tuesday, October 25, 2011

আজাইরা" কিছু প্রশ্ন এবং তাদের উপযুক্ত উত্তরঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে "আজাইরা" কিছু প্রশ্ন এবং তাদের উপযুক্ত উত্তরঃ

ফেসবুক চালাছিঃ । তখন যদি কেও বলে যে কিরে ফেসবুক চা লাইতাছত নাকি ?
উত্তরঃ না রে ভাই আমি তো আয়নার সামনে চুল আচরাচ্চছি ...।



ভাত খাওয়ার সময়: কীরে খাচ্ছিস?
উত্তর: ‍‍ ‍"না ভাতের চাউল ফুটাইয়া পোলাও বানানো যায় কি না সেই রেসিপি টেস্ট করতেছি

মাঝরাতে ফোন করে ঘুম ভাঙ্গিয়েঃ "দোস্ত ঘুমাইছিলি??"
উত্তরঃ "না না,আমি আফ্রিকার বানর প্রজাতির বিবাহ বন্ধন প্রক্রিয়া নিয়ে ভাবতেছিলাম!!"

সিনেমা হলে দেখা হলেঃ "আরে দোস্ত এখানে কি করিস??"
উত্তরঃ "আমি সিনেমা হলে পপকর্ণ বেচার কাজ নিছি!! পপকর্ণ কিনবি একটা, প্লিজ??"


বাসায় ঢুকার সময়কাধে ব্যাগ ঝুলিয়ে ঢুকার সময়
ভাই আপনি কখন আসছেন?
উত্তর: না ভাই আমি এখন ও আসি নাই, আরো দুই তিন ঘন্টা লাগতে পারে


বাসে (পা মাড়িয়ে) দিয়েঃ "সরি ভাই!! ব্যাথা পান নাই তো??"
উত্তরঃ "না ভাই,ব্যথা পাব কেন??" আমার পায়ে লোহা বাধা আছে!! আর একবার পাড়া দেন প্লীজ!!"

TNT ফোনে কল করার পরঃ "দোস্ত, তুই কোথায়??"
উত্তরঃ "আমি মার্কেটে দোস্ত!! TNT ফোনটা আমার গলায় ঝুলিয়ে রাখছি!!"

চুল ছোট দেখলেঃ "কিরে চুল কাটিয়েছিস নাকি??"
উত্তরঃ "না না চুল কাটাই নাই!! এখন শীতকাল তো, গাছের পাতা ঝরার সাথে সাথে আমার চুল
নিজে নিজে ছোট হয়ে গেছে!!"

একটি Plug N Play একটি Copy & Paste প্রযোজনা

Read more ...

Monday, October 24, 2011

লিভ টুগেদার’ বাড়ছে: ধ্বংস হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ


‘লিভ টুগেদার’ বাড়ছে: ধ্বংস হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ ।:-*
রাজধানীতে ‘লিভ টুগেদার’ প্রবণতা উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। বিয়ে ছাড়া ‘দাম্পত্য’ সম্পর্ক তৈরি করে বছরের পর বসবাস করছেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। এদের মধ্যে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, চাকরিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, শিল্পী, সাহিত্যিক, ও সাংস্কৃতিক জগতের অনেকই রয়েছেন। এছাড়া ভিন্ন ধর্মাবলম্বিদের মধ্যে ধর্মান্তরিত না হয়ে বিয়ে করতে সমাজে বাধা থাকায় অনেক ...জুটি লিভ টুগেদার করছে। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও লিভ টুগেদারের প্রবণতা অতিমাত্রায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিয়ে না করে তারা বাসা বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিচ্ছেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। আবার লিভ টুগেদারের নামে অনেক সময় প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে। সিথি ও সৈকত। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী। কাঁঠালবাগান এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন। দুটি রুম সাবলেট দিয়েছেন ছাত্রী ও কর্মজীবী মহিলাদের। ভাড়াটিয়াদের একটি সূত্র জানায়, সিথি ও সৈকত লিভ টুগেদার করছেন। সিথির দায়িত্ব বাসা ভাড়ার টাকা দেয়া। দুই রুমের ভাড়া মাসে ১২ হাজার টাকা পান। আর আড়াই হাজার টাকা নিজের থেকে দিয়ে ফ্ল্যাটের সাড়ে ১৪ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করেন। সৈকত খাওয়া, জামাকাপড়সহ সংসারের যাবতীয় খরচের যোগান দেন। এভাবেই চলছে তাদের বিয়ে ছাড়া ‘দাম্পত্য’ জীবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী এবং একজন এডভোকেট (যিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র) ২০০৮ সালের ১৫ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিনমাস লিভ টুগেদার করেন। ২০১০ সালের ৫ জুলাই তাদের মধ্যে সর্বশেষ দৈহিক সম্পর্ক হয়। এরপর একে অপরের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে দু’জনই লিভ টুগেদারের বিষয়টি উল্লেখ করেন। শাহবাগ থানায় ২০১০ সালের ৫ আগস্ট একটি জিডিও করেন ওই ছাত্রী। অভিযোগে ছাত্রী লিখেছেন, ২০০৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ওই ছাত্র উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে এক বাসায় নিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরপর তাকে মেনে নেয়ার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। এক পর্যায়ে মৌখিকভাবে কলমাও পড়েন দু’জন। এরপর ওই ছাত্রী একদিন জানতে পারেন ওই আইনজীবী আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন। ওই স্ত্রী তার বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগে ছাত্রী আরো বলেন, সবকিছু জেনেও আমি মেনে নিয়ে তাকে মানসিক ও আর্থিক সবদিক থেকে সাহায্য করেছি। এক পর্যায়ে সে ব্যবসার নামে আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু সে টাকা দিয়ে কোন ব্যবসা তো করেই নি বরং আমার কাছ থেকে আরো টাকা পয়সা নিয়ে যায়। সে টাকাও ফেরত দেয়নি। সংসার করতে হলে ন্যূনতম একটা আর্থিক সাপোর্ট লাগে তা তার ছিল না। তাকে যে কোন একটি কাজ খুঁজে নেয়ার তাগাদা দেয়ায় সে আমাকে সন্দেহ করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এতোটা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি যে তার সঙ্গে সংসার করার আর কোন ইচ্ছাই নেই। সে ১১ জুলাই মৌখিকভাবে তালাকও দিয়েছে। অন্যদিকে ওই সাবেক ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এক অভিযোগে লিখেছে ওই ছাত্রী তার স্ত্রী। বিয়ের আগে তিনমাস তারা লিভ টুগেদার করেছে। গত কয়েকমাস ধরে সে ল-নপ্রবাসী সহপাঠীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। তা আমি জানার পর দু’জনের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায়ই এরকম লিভ টুগেদারের অভিযোগ জমা পড়ছ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র প্রণব দাস বাবলুর সঙ্গে ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্রী ফারাহ বিনতে রশিদ অপর্ণার পেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১০ সালের ১৫ মে আজিমপুরের শেফালী গার্ডেনের তৃতীয় তলার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে লিভ টুগেদার শুরু করে। অর্পণার পরিবার জানতো সে আজিমপুরের একটি ছাত্রী হোস্টেলে থাকে। অর্পণা ও বাবলু ভিন্ন ধর্মাবলম্বি হওয়ায় দু’জনের মধ্যে সন্দেহ লেগেই থাকতো। অপর্ণা বাবলুকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার বলত। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। গত ১৫ অক্টোবর ওই বাসায় বাবলুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অপর্ণাসহ ৫জন গ্রেফতার হওয়ার পর প্রকাশ পায় লিভ টুগেদারের কাহিনী। সূূত্র জানায়, ইদানিং লিভ টুগেদারের ধরন পাল্টেছে। আগে দু’জন একসঙ্গে থাকতেন। এর বাইরে আর কোন সম্পর্ক রাখতেন না। এখন অনেকেই একাধিক সম্পর্ক রাখছেন আবার লিভ টুগেদার করছেন। যখন যাকে ভালো লাগছে তার সঙ্গেই থাকছেন। আবার অনেকে অর্থের অভাবে ও বয়সের কারণে বিয়ে করতে না পেরে লিভ টুগেদার করছেন। অপর একটি সূত্র জানায়, লিভ টুগেদার করা জুটির মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ সংসারের অধিকাংশ খরচ বহন করে। কোন কোন ক্ষেত্রে নারী সঙ্গীও খরচ ভাগাভাগি করেন। লিভ টুগেদার যারা করেন তাদের বেশিরভাগই পরিচয় গোপন করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিচ্ছে। বাসা ভাড়া নেয়ার সময় তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়। কোথাও ধরা পড়ার আশঙ্কা থাকলে তারা ওই বাসা ছেড়ে দেয়। উচ্চ আকাঙ্খা বেশি এমন মেয়েদের মধ্যে লিভ টুগেদারের প্রবণতা বেশি। আর পুরুষরা মানসিক ও জৈবিক শান্তির জন্য নির্ঝাঞ্ঝাট সঙ্গীর সঙ্গে লিভ টুগেদার করে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, বর্তমানে লিভ টুগেদার অনেক বেড়ে গেছে। ১৫-২০ বছর পর এটি এমন পর্যায়ে যাবে যা বিয়ে নামক সম্পর্ককে ব্যাপক ধাক্কা দেবে। এখন মানুষ সাংসারিক জীবনে আবদ্ধ হয়ে নিজের ক্যারিয়ার নষ্ট করতে চায় না। একই সঙ্গে তারা জীবনকে উপভোগ করতে চায়। এ কারণে বিয়ে না করে তারা লিভ টুগেদার করছে। তবে আধিপত্য, ক্ষমতার বৈষম্য ও আর্থিক বিষয়গুলো চলে এলে সম্পর্ক নষ্ট হয়। ঘটে আত্মহত্যা ও হত্যাসহ নানা অপরাধঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী বলেন, লিভ টুগেদার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌছেছে। লিভ টুগেদার করে নর-নারী জীবনকে সাময়িক উপভোগ করে থাকেন। কিন্তু এটি স্থায়ী কোন সমাধান নয়। এর ফলে মানুষ পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। বিয়ের মাধ্যমে নর-নারীর সুশৃঙ্খল দাম্পত্য জীবন যাপনের পরামর্শ দেন তিনি।

Read more ...

Saturday, October 22, 2011

সাদা পোশাকের রহস্যময় মানবরা!

সাদা পোশাকের রহস্যময় মানবরা!
কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকের এসব রহস্যময় মানুষের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুন মাসে বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমকেও এভাবেই সাদা পোশাকধারীরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা কম হবে না। মাইক্রোবাসে চেপে একদল সাদা পোশাকধারী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকের খোঁজখবর নেয়_এ ধরনের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ আছে জনমনে
সম্প্রতি দিল্লির বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সিলেটের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কয়েকজন ইন্টার্ন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই ডাক্তারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভারত অধ্যুষিত কাশ্মীরের নাগরিক এবং তাঁদের বাংলাদেশি বন্ধুবান্ধব আছেন। এ কলেজের এক শিক্ষার্থী কাশ্মীরের ওয়াসিম আকরামকে ওই বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভারতে ডেকে নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে যেসব শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের কোন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে? সংবাদকর্মীরা এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি, সরকারের তরফ থেকেও বিষয়টি খোলাসা করা হয়নি। শুধু জানা যাচ্ছে, একদল সাদা পোশাকধারী লোক বাংলাদেশে অবস্থিত এই তরুণ চিকিৎসকদের ৫ ও ৬ অক্টোবর ধরে নিয়ে গেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরত দিয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো বাহিনী এই গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দায়দায়িত্ব স্বীকার করেনি।
দেখা যাচ্ছে, কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকের এসব রহস্যময় মানুষের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুন মাসে বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমকেও এভাবেই সাদা পোশাকধারীরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা কম হবে না। মাইক্রোবাসে চেপে একদল সাদা পোশাকধারী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকের খোঁজখবর নেয়_এ ধরনের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ আছে জনমনে।
সব মিলিয়ে সাদা পোশাকের এই বিশেষ রহস্যময় বাহিনী নিয়ে সন্দেহ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের নিয়মিত বাহিনীতে সাদা পোশাকে তদন্ত করার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়ার এই রহস্যময় বাহিনীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যোগাযোগ আছে কি না, সেটি সরকারের তরফ থেকে পরিষ্কার করা হয়নি। তারা যদি সরকারের কোনো বিশেষ বাহিনীর লোকও হয়ে থাকে, তবু প্রয়োজন ছাড়া কোমরে পিস্তল গুঁজে কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই সুযোগে দুষ্কৃতকারীরাও নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে মানুষকে অপহরণ করে নিতে পারে। সরকারের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা। কারণ রাষ্ট্রে এসব রহস্যময় সাদা পোশাকের মানুষের উপস্থিতি কারো জন্যই কল্যাণকর হবে না।
মূল লেখা...

Read more ...

মগের মুল্লুক ঢাকা শহর, গুলি না আতশ বাজি

এতক্ষণ ধরে বেশ শব্দ হল শাহবাগ, রমনা এই সাইডে। আমার বাপের বয়স ৬০+। হাই ব্লাড প্রেসারের রুগী। আমাকে বলল গুলি হচ্ছে অনেক। ঢাকা শহরে এখন তো আর আকাশ দেখা যায় না। বারান্দা দিয়ে তাকালে হাই রাইজ। সামনের বিল্ডিংএ দেখলাম কিছু মাইয়া ফাল পাড়তেছে, হাত তালি দিতেছে, ছবি তুলতেছে। আব্বারে কইলাম আতশ বাজি। বাপে কয় আজকে কি দিবস? পরে উপরের দিকে থাকে এক দোস্তরে ফোনাইয়া জানলাম আসলেই আতসবাজি। কতজন বৃদ্ধ ভয় পাইছে কে জানে। এই দেশটা ছাইড়া যে পলাইতে হইব দিন দিন সেই বিশ্বাসটা জোড়ালো হইতেছে।

Read more ...

। । হয়তো আমাদেরই ভুল । । একটু সচেতন হই । ।

ঘটনা ১


ইমন কলেজে উঠেই নতুন মোবাইল কিনেছে। আনন্দে তাই সবার ছবি তুলছে।ছোট আপু রুমে শুয়ে শুয়ে বই পরছে, বড় আপু বাথরুম থেকে গোসল থেকে বের হয়েছে এরকম কত মজার ছবি।


-এই কি করিস, এসব ছবি তুলছিস কেন?দেখছিস না আমি রেডি না।


-দারাও না আপু একটু মজা করি……আরে তুলতে দাও না। ক্লিক……।।




কয়েক ঘন্টা পরে…


-কিরে নতুন মোবাইল কিনছস নাকি?


-আরে তুহিন নাকি…হ, দোস্ত...


-দেখি একটু


-নে


-দোস্ত কয়েকটা গান লই আমার মোবাইলে…


-নে।


আর এভাইবে ট্রান্সফার হয়ে গেল ইমনের পারিবারিক কিছু ছবি।


ঘটনা ২


তুহিনের বোন সামিয়া।মেডিকেলের পুরো ব্যাচ সহ এখন কক্সবাজারে। রাতের পার্টিতে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে।


-ওহ সামিয়া, শাড়ী ছারা ওই শর্ট ড্রেসে তোকে যা সেক্সি লাগছে না। দারা তোর একটা ছবি তুলি।


-শিমু, একদম ভাল হবে না বলে দিলাম।


-আরে দ্বারা না…ক্লীক…ক্লীক


-দ্বারা শিমু তাহলে তোরও একটা ছবি তুলি


-তোল


এই নাদিয়া তোরও একটা ছবি তুলি, দেনা? তুই এত মিন মাইন্ডেড কেন বলত?নিজেকে আপগ্রেড কর বুঝলি.


ক্লীক…ক্লীক


সামিয়া, শিমু, নাদিয়া তিন বান্ধবি হাসতে হাসতে দেখতে লাগল স্বল্প বসনে তাদের ছবি।


শিমুর পিঠা পিঠী বড় ভাই রুমেল বোনের ল্যাপটপ ব্রাউস করতে গিয়ে আবিস্কার করল আনারি ব্যাবস্থাপনায় হিডেন করে সংরক্ষন করা এইসব অর্ধনগ্ন ছবি।শুধুমাত্র বোনের ছবিগূলো বাদ দিয়ে ওর বান্ধবিদের ছবিগুলো চালান করে দিল নিজের পেন ড্রাইভে।


নাদিয়ার বয়ফ্রেন্ড জুনায়েদ


-এই কক্সবাজারে কি কি ছবি তুলেছ দেখাও না নাদিয়া। মোবাইলের গুলোই দেখাও।


-এখন দেখান যাবে না। পারসনাল কিছু ছবি আছে।ওগুলো ডিলেট করে নেই তার পর দেখো।


-আরে আমি পারসনাল ছবি গুলো দেখবনা।যেগুলো তোমার সেগুলো দেখব।


-সত্যি তো


-একদম সত্যি


নাদিয়া জানতেও পারল না ব্লু-টুথ টেকনোলজি ব্যাবহার করে কোন এক ফাকে কয়েকটা ছবি ঠিকই জুনায়েদ ট্রান্সফার করে ফেলেছে শুধু নাদিয়ারগুলো ছারা।


ঘটনা-৩


জুনায়েদের বোন ইমি। ভার্সিটি হলের রুমে ঘুমিয়ে আছে। রুমে এই মাত্র প্রবেশ করলো মিরা।ঘুমন্ত ইমিকে দেখে তার মনে জেগে উঠল প্রতিশোধের আগুন। এই ইমির জন্য সে তার পছন্দের মানুষটিকে পায়নি।দ্বারা ঘুমন্ত অবস্থায় এই আলুথালু বেশের ছবি তুলে সে ছরিয়ে দিবে সব ছেলেদের মধ্যে।ক্লিক…ক্লিক


-এই বাবু তোর জন্য একটা এক্সলুসিভ জিনিস আনছি


-কি আনছস মিরা


-তোমারে ছেকা দেওয়া ইমির হাই প্রোফাইল ছবি


-দেখি…।দেখেই মাথায় আগুন চাপল বাবুর। এই ইমি তার প্রেমের অফার প্রত্যাক্ষান করে আরেকজনকে ভালবেশেছে। আজকে তার প্রতিশোধ নেয়ার পালা।


হাসছে মিরা।আজ চরম একটা প্রতিশোধ নেয়া গেল।কিন্তু আক্ষেপ একজায়গায়।মিরা ফাজিলটাকে ছবিতে নায়িকাদের মত সেক্সি দেখা যাচ্ছে।তাকেও কি এমন লাগেবে? পরিক্ষা করেই দেখা যাক।বাথরুমের আয়নার সামনে যেয়ে পোশকটা সরিয়ে তুলে ফেলল নিজের একটা ছবি। ভাবল “নাহ আমার ফিগারটাও খারাপ না”


সেদিনই মার্কেটে যাওয়ার সময় মিরার মোবাইলটা ব্যাগসহ চুরি হয়ে গেল


ঘটনা ৪


বাবুর বোন বিন্দু আর দুলাভাই নিয়াজ। আজকে নিয়াজ একটা নতুন ঝকঝকে সাইবার শট মোবাইল কিনেছে।প্রথম দিনেই মাথায় ভুত চাপল তার নিজের ও স্ত্রীর কিছু রগরগে হলিউডি মার্কা ছবি ও ভিডিও তুলবে। বিন্দুর শত আপত্তি সত্তেও রাতে তার ইচ্ছাটা পুরন করলো নিয়াজ। সকালে অফিসটাইম তারাতারি হওয়ায় সিদ্ধান্ত নিল রাতে এসে সব ভিডিও ও ছবি কম্পিউটারে ট্রান্সফার করতে হবে।সারাদিন অফিসে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু ছবি দেখে তার বউয়ের সৌন্দর্য নিয়ে বেশ তৃপ্তি পেল সে। আর সন্ধ্যায় বাসায় আসার সময় ছিন্তাইকারীর হাতে পরে মোবাইল খোয়াল সে!


ইমন,তুহিন, রুমেল,জুনায়েদ, মিরা, বাবু, নিয়াজ কয়েকদিন পর আবিস্কার করল তাদের যার যার বোন বা কাছের মানুষের ছবি কয়েকটি পর্ন সাইটে আপলোডেড অবস্থায়।মাথায় হাত দেয়া ছার কিছুই করতে পারল না তারা।সাইটগুলোতে যত ভিজিটর বাড়তে থাকল তাদের বুকে যেন ততগুলো শেল এসে বিধল।শুধু তা একসাইটে না ছরিয়ে পরল আরো অনেক সাইটে।এমনকি খুব কাছের কিছু মানুষের পিসি বা মোবাইলেও। রুমেল,জুনায়েদ কিছুতেই বুঝে উঠতে পারল না কক্সবাজারের ছবিগুলোতে তাদের বোনদের ছবি আপলোড করল কে । ওগুলোতো তারা আপলোড করে নাই। তবে সবাই তারা একটা কথা বুঝলো যে পাপ তারা অন্যের বোন বা প্রিয়তমার সাথে করেছে সেই পাপ আজ তাদের নিজেদের ঘাড়ে এসে পরেছে।


আর এভাইবেই আমাদের অসচেতনতার জন্য জানা বা না জানা উপায়ে আমাদের প্রিয় মানুষগুলোর ছবি বা ভিডিও চলে যাচ্ছে পর্ন সাইটে আর তার দর্শক হচ্ছে অসংখ্য বিকৃত মস্তিস্কের মানুষ। আপাতত দৃস্টিতে যা আপনার বোন, মা বা প্রিয়তমার ক্ষেত্রে যে ছবিটি শোভন তা অন্যের কাছে হয়ত ভয়াবহ বিকৃত আনন্দের খোরাক।


তাই বলে কি স্বাভাবিক চলাচল বা স্বাভাবিক আনন্দ থেকে নিজেকে বিরত রাখব।না, অবশ্যই না।তাই সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে আসুন আমরা সবাই একটু সচেতন হই। আমাদের দেশের সামাজিক রীতিনীতি বা ধর্মীয় অনুশাসনকে পশ্চিমা কালচারের বড়াই করে বুড়ো আঙ্গুল না দেখাই কিংবা অভিহিত না করি “মিন মাইন্ডেড, ব্যাক ডেটেট, ক্ষেত” ইত্যাদি উপমায়। কিংবা জালাতন বা উৎপাত না করি উক্ত অনুশাসন মান্যকারিদের। নিজেরা নিজেরদের আচরন সংযত করি। সবার হয়ত ইমন,তুহিন, রুমেল,জুনায়েদ, মিরা, বাবু বা নিয়াজদের মত অভিজ্ঞতা নাও হতে পারে। তবে হতে কতক্ষন।




দেশে ছয়কোটি মোবাইল গ্রাহকের এককোটিও যদি ক্যামেরা মোবাইলে ব্যাবহার করে থাকে তাহলে প্রতি মুহুর্তে আপনাকে আমাকে তারা করে বেরাচ্ছে এককোটি সুযোগসন্ধানি হিডেন ক্যামেরা লেন্স। সুযোগটাযে কখন আসবে... মূল সমস্যা হোল আজকে আমি মোবাইলে যে ছবি রাখছি তা বেহাত হতে পারে বিভিন্ন কারনে। যেমন আমার মোবাইল ছিনতাই হতে পারে, নষ্ট হলে তা দোকানে দিয়ে আসতে হতে পারে ইত্যাদি। আবার কম্পিউটার নষ্ট হলে তা সার্ভিসিং সেন্টারে দিতে হয়। মূলত এভাবেই মানুষের ব্যক্তিগত মুহুর্তগুলোর ভিডিও/ছবি সর্বত্র ছড়িয়ে পরে আর ভুক্তভোগী মেয়টিকে হয়তো আত্নহত্যার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। খুব সাধারন একটি ভুল বিশাল বিপদের কারন হয়ে দাঁড়ায়।

Read more ...

Wednesday, October 19, 2011

আপনি কি বলেন ? /:)

বিশ্বব্যাংক বলে , "যতক্ষণ আবুল মন্ত্রী ততক্ষণ আমরা টাকা দিমু না।" B-)


উইকিলিক্স বলে , "আবুল দুর্নীতি কইরা কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।" :D


বিরোধীদলীয় নেত্রী বলে , "আওয়ামিলীগ পদ্মা সেতুর ডাকাতি করেছে।" B:-/


প্রধানমন্ত্রী বলে , "বিএনপির দুর্নীতির কারণেই পদ্মা সেতু হচ্ছে না।" :-<



জনগণ বলে, "আমরা যামু কই ?" |-)

Read more ...

Friday, October 14, 2011

আসুন প্রতিবাদ করি................

আমরা মনে হয় প্রতিবাদ করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। সব জায়গায় এত...এত ,অন্যায়....কয়টা অন্যায়র প্রতিবাদ করা যায়??? একদিকে সরকার, অন্যদিকে ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, শিক্ষক, বাসার মালিকদের সীমাহীন অন্যায় আর দূর্নীতির চাপে পড়ে আমরা সাধারণ জনগন আজ পিস্ঠ!!!............জনগনই বলীর পাঠা।

এই ধরুন ঈদে ....বাসমালিকরা তাদের খেয়ালখুশি মত ভাড়া বাড়াল, আর আমরা অভাগা জনগন তা চুপচাপ মেনে নিলাম। সেদিন এই আমি প্রতিবাদ করেছিলাম.....কিন্তু অদ্ভুদ ব্যাপার হচ্ছে ... কারও সাড়া শব্দ পেলাম না। সবাই হয়তো চিন্তা করেছিল...ভাড়া বেশি নিক, যেতে পারছি এটায় বড় কথা। বর্তমানে বাস ভাড়া বেড়েছে দ্বিগুন, চাল, ডাল, এমনকি সব্জি এর দামও বেড়ে গেছে...........সব সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিন কত মানুষ অভুক্ত থাকে তার কোন হিসেব নেই। অনেক মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে, শেয়ার বাজারে ধশের কারনে অনেক পরিবার নি:স হয়ে যাচ্ছে। এককথায় আমরা সাধারন জনগন রোলার স্টীমের তলায় পতিত হয়েছি।

আসলে এইযে আমরা এত অন্যায় মাথা পেতে নিচ্ছি তাতে কিন্তু ওরা আরো অন্যায় করার সাহস পাচ্ছে।আমরা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছি। এভাবে আর কত??? কত অন্যায় সহ্য করা যায়???
আমরা সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করি তাহলে মনে হয় বাংলাদেশে আর এত অন্যায় সম্ভব হবে না।....তবে তা ব্লগ, সভা, সেমিনার বা ম্যাগাজিনের মধ্যে আবদ্ব না থেকে সত্যিকার প্রতিবাদ করতে হবে। ৮ বাংলাদেশী সৌদিতে ফাঁসির কাস্টে ঝুলেছে। জাতি হিসেবে এটা আমাদের জন্য চরম অপমানজনক। তবে আমাদের দেশে যদি অপরাধীদের জন্য এরকম শাস্তির ব্যবস্তা করা হতো তাহলে বাংলাদেশের চেহারা বদলে যেত।

সামনের মাস হতে আমার বাসা ভাড়া কোন কারন ছাড়া বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এখন প্রতিবাদ যদি আমি একাই করি তাহলে আমাকেই বাসা ছাড়তে হবে।..........আমি প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলছি। এখন কি করি??? এসব অন্যায় দেখার কি কেউ নেই??? এভাবে আর কতদিন আমরা অন্যায় সহ্য করব??? এসব আইনের তোয়াক্কা না করা বাড়ী মালিকদের কি কোন বিচার হবেনা??? সবার বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল........

Read more ...

দূর্গাপুজা মন্ডপে হাসিনার বক্তব্য ও সৌদি বাদশার ক্রস পরিধান


পুজামন্ডপে হাসিনার বক্তব্য নিয়ে জামাতিরা হৈচৈ করছে। ধর্মীয় শুড়শুড়ি দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। এরা সম্ভবত সৌদি বাদশার ক্রস পরিধানের ছবি দেখে নাই। ক্রস পরিধানের জন্য কি সৌদি বাদশা খ্রীষ্টান হয়ে গিয়েছিলেন? রূপক অর্থে মানুষকে খুশী করতে নেতারা, রাজা বাদশারা অনেক কিছু করে থাকেন।

দেশে বহু ধর্মের মানুষের বাস। কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতারা কোন ধর্মের মানুষরা পছন্দ করবে বা প্রভাবিত হবে - এমন বক্তব্য দিতে পারেন।

হাসিনা হিন্দু ধর্মের অনুষ্ঠানে তাঁর দেশের ফসল ভাল হওয়ার জন্য হিন্দুদের ঈশ্বরের কৃপাদৃষ্টির কথা বলেছেন। গজে চড়ে দূর্গা এসেছেন বলে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাতে নিশ্চই হিন্দুরা খুশী হয়েছেন।

এ নিয়ে চরমোনাই পীর ও জামাতিরা মাঠ গরমের যে ব্যর্থ চেষ্টা করছে তাতে তাঁদের ডিম পড়া দিয়ে শান্ত করা উচিত!

Read more ...

মেয়েরা কেন মন্দ ছেলেদের প্রেমে পড়ে

ছেলেরা কেন মেয়েদের আর মেয়েরা কেন ছেলেদের প্রেমে পড়ে—এ নিয়ে কথা হয়েছে অনেক। কিন্তু মেয়েরা কেন মন্দ ছেলেদের প্রেমে পড়ে, এবারের গবেষণা সেটা নিয়েই। পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন্ডিভিজ্যুয়াল ডিফারেন্সেস সাময়িকীতে প্রকাশিত ওই গবেষণাটি করেছেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আদ্রিয়ান ফার্নহাম। তিনি জানিয়েছেন, মন্দ বৈশিষ্ট্যের ছেলেরাও অনেক মেয়ের কাছে আকর্ষণীয়।
নতুন গবেষণা অনুযায়ী, মন্দ চরিত্রের পুরুষেরা রোমাঞ্চবিলাসী বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হওয়ায় অনেক নারী তাদের প্রতি বেশি আকর্ষণ বোধ করে থাকে। এ ছাড়া কর্মক্ষেত্রে কারও আলোকিত দিকের চেয়ে খারাপ দিকও অনেক সময় অন্যের মনে সহানুভূতি সৃষ্টি করে। এ ধরনের পুরুষ কোনো পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ কিংবা হিসাব নিরীক্ষা-সংক্রান্ত কাজে ভালো হতে পারে—এটি গবেষণায় দেখিয়েছেন আদ্রিয়ান ফার্নহাম। তারা অনেক ক্ষেত্রেই সৃষ্টিশীল এবং ভালো বক্তা। আর তাই তাদের প্রতি স্বভাবতই নারীরা একটু বেশি ঝোঁকে।
গবেষণায় আরও দেখানো হয়, খামখেয়ালিপূর্ণ, রোমাঞ্চবিলাসী, খুঁতখুঁতে এবং আগ্রাসী মনোভাবের ছেলেদের অনেক মেয়ে পছন্দ করে থাকে। পারসোনালিটি অ্যান্ড ইন্ডিভিজ্যুয়াল ডিফারেন্সেস সাময়িকীর বরাত দিয়ে যুক্তরাজ্যের ডেইলি স্টার পত্রিকায় এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

Read more ...

Thursday, October 6, 2011

২১ শতকের পোলাপানদের ২১টি প্রিয় কিছু কাজ :

১.পড়াতে ফাঁকি মারা ।

২.পাশের বাড়ির মেয়েকে ছাদ থেকে দেখার চেষ্টা করা ।

৩.যেকোন বয়সের মেয়েকে জানালা দরজার ফাঁক ফোঁকর দিয়ে দেখার জন্য হিডেন ক্যামেরার মত নিজের চোখকে ব্যবহার করা ।

৪.পার্কের প্রতি আসক্তিবোধ

৫.সিগারেটের প্রতি আসক্তি

৬.ফেসবুক প্রীতি

৭.পর্ন প্রীতি

৮.চটি বই বালিশের তলায় লুকিয়ে রাখা

৯.ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়ে ফলহীন তর্ক

১০.বি এন পি আওয়ামীলীগ নিয়ে অনায্য তর্ক করা

১১.প্রেম করার প্রানান্তকর চেষ্টা

১২.ফেসবুকে পেজ তৈরী করা

১৩.বিয়া বাড়িতে টাংকি মারা

১৪.ক্রিকেট মাঠে খেলতে গেলে রাস্তা দিয়ে মেয়ে যাচ্ছে দেখলেই , ঐদিকেই চার ছয় আর না হলে হাত দিয়ে বল ছুড়ে মারা , মাঝে মাঝে লেগ সাইডের বল টেনে অফ সাইডে পাল্টি শর্ট মারা ।

১৫.ফুটবল খেলতে গিয়ে কোন মেয়েকে দেখলে পায়ে যত ল্যাং ই লাগুক ,স্টং ছেলের মত পড়ে না যাওয়া ।

১৬.কোন মেয়ের কাছে ছ্যাঁকা খেলে ,সে মেয়ের সামনে সিগারেট টানা ।

১৭.বাথরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকা আর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করা।

১৮.মাঠে খেলা দেখতে গেলে যেসব জিনিষ নিয়ে যাওয়া যায়না সেগুলো জাঙ্গার ভিতরে নিয়ে পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে মাঠে নিয়ে যাওয়া ।

১৯.বাসে কমলাপুর থেকে সিটিকলেজের ভাড়া দিয়ে মোহাম্মাদপুর গমন করা ।

২০.যার গাছই হোক , ফল ধরলে ঢিল মারতেই হবে ।

২১.ঈদ পুজোতে যতই পটকা মারা নিষেধ করুক , যে বাড়ির মালিকরা খেলার মাঠে সমস্যা করে ,(যেমন ,বাড়ির ভিতর বল পড়লে না দেয়া , প্রতিদিন খেলা নিয়ে ঝামেলা করা) তার বাড়িতে লাগাতার সারারাত পটকা মারা ।
Plug N Play Exclusive Link

Read more ...

পারসোনা কিংবা কানিজ আলমাসকে নিয়ে কী করা যায়, কী করা যায় না...

পারসোনায় হিডেন ক্যাম পাওয়া নিয়ে ব্লগ ও ফেসবুকে সবাই সরব। সবকিছু মিলিয়ে পুরো ঘটনার একটি সারাংশ তৈরি করেছি আমি, একদমই নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে।

অভিযোগ কী?
পারসোনার বনানী শাখায় একটি সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া গেছে, যার মুখ একটি বিশেষ কক্ষের দিকে ফেরানো ছিল।

কী করা যায় এখন?
১. পারসোনা বন্ধ করে দেওয়া।
২. কানিজ আলমাসকে বিচারের মুখোমুখি করা।
৩. পারসোনার বিপক্ষে জনসচেতনতা তৈরি করা।

কেন করা যায় না?
১. চাপ দিয়ে পারসোনা বন্ধ করা যাবে না, যেহেতু সেটা একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। সরকারি বিধিবিধান মেনে প্রতিষ্ঠানটি চলে।
২. বিচারের মুখোমুখি করার জন্য একটি মামলা লাগে। কিন্তু আমরা দেখছি যে চিকিৎসক ভদ্রমহিলা অভিযোগটি করেছিলেন, তিনি মামলা করতে আগ্রহী নন। এমনকি আজকে কানিজ আলমাস এবং ওই মহিলার স্বামীর একটি যৌথ বিবৃতি সংবাদপত্র অফিসগুলোতে গেছে। যাতে দুজনেই বলেছেন, "সেদিনের ঘটনা নিছকই ভুল বোঝাবুঝির ফল। বিষয়টি ঘটনাস্থলেই মীমাংসা হয়ে যায়। এমনকি আমরা উভয়পক্ষই পুরো বিষয়ে সন্তুষ্ট থাকায় কেউ কারো বিরুদ্ধে কোথাও কোন অভিযোগও করিনি।" পুলিশও বলছে, তাদের জব্দ করা হার্ডডিস্কে আপত্তিকর কিছু পাওয়া যায়নি।
৩. অনলাইনে পারসোনার বিপক্ষে বিস্তর প্রচার-প্রচারণা চললেও এমনকি সেই অভিযুক্ত বনানী শাখায় ঠিক আজকেই রূপচর্চাপ্রেমী বিপুল মহিলার ভিড় দেখা গেছে। ফলে জনসচেতনতা আদৌ তৈরি হচ্ছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ আছে আমার।

তাহলে কী হবে এখন?
সবমিলিয়ে আমার মনে হচ্ছে, পারসোনা এবং কানিজ আলমাস খান এই যাত্রায় পার পেতেই চলেছেন। এর মূল কারণ, ঘটনার ব্যাপারে আমাদের কাছে যথেষ্ট তথ্য নেই। হাতে প্রমাণ নেই। ফলে প্রধান প্রধান সংবাদপত্র এবং টেলিভিশন চ্যানেলে ঘটনাটিকে গুরুত্ব দেয়নি। আবার এমনও মনে করার কারণ নেই যে, সব সংবাদপত্রই পারসোনার কাছে বিক্রি হয়েছে। সেটা অসম্ভবই বলতে গেলে। আর এমনিতে একটি প্রতিষ্ঠান তার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য সিসিটিভি ব্যবহার করতেই পারে। কিন্তু যেহেতু ভুল হোক, সঠিক হোক পারসোনার বিরুদ্ধে অনৈতিকতার একটি অভিযোগ এসেছে, সুতরাং কানিজ আলমাস খানের উচিত পারসোনার সবগুলো শাখা থেকে পুরুষ কর্মীদের সরিয়ে সেখানে নারী কর্মী নিয়োগ দেওয়া। পুরুষ কর্মী যদি থাকেও, তারা অবশ্যই পার্লারের বাইরে থাকবে এবং সিসিটিভি অপারেশনের মতো কাজে তাদের কোনোভাবেই নিয়োগ দেওয়া চলবে না। এই ইস্যুতে আমরা কানিজ আলমাস খানের ওপর চাপ রাখতে পারি সবাই মিলে।

Read more ...

পারসনার চেয়ে বড় সমস্যা আমাদের স্পা নিয়ে


এবার আপনাদের রুচিশিল নতুন ছবিতে

পারসনা, কানিজ আলমাস নিয়ে বিকল্প মিডিয়া, ফেইসবুক, টুইটার ব্লগে সমাজের প্রকৃত শিক্ষিত, মর্ডান ও সচেতন মহলে ব্যপক আলোচনা সমালোচনা হয়েছে ঘটনাটি নিয়ে আমিও শুরু থেকেই স্বরব থাকলেও আমার ভেতর অন্য একটি ডাইমেনশন প্রথম থেকেই খোঁচাচ্ছিল।কোন ভাবেই বিষয়টি ইগনোর করতে পাচ্ছি না।বিষয়টি হলোঃ

১. স্পা জিনিষটা কি ?
২. একটি গড় মানের স্পার জন্য নূন্যতম চার্য কত ?
৩. পারসনার বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্পা'র মূল্য তালিকাটা কেমন ?
৪. এই স্পা কারা করে ?
৫. কোথায় পায় এরা এত টাকা ?
৬. যে দেশে আজও একজন সাধারন নারীকে ইট ভেঙ্গে, মাটি কেটে, জুগাইল্লা দিয়ে সন্তানের ও নিজের জন্য অন্ন জোগার করতে হয়ে সেই ভাঙ্গাচোরা দেহের নারীর দেশে এরা কোন নারীরা যারা স্পা করে ঘুরে বেড়ায়, সপ্তাহে একদিন কানিজ আলমাসের সময় কেনে ও ব্যয় করে ?
৭. এদেশের নারীরা কেন উপরের ছবিটির মত কুৎসিত একটা বডি ম্যাসাজ করাবে ?
৮. এরা কোন স্বামীর নারীরা যাদের স্পা লাগে ?
৯. এরা কারা, এরা নিজেদের ব্যক্তিগত বিলাস বাসনায় সমাজে আর কি কি ঢোকাচ্ছে ?
১০. দেশের মেরুদন্ড গ্রামের ঐ হাসু বিবির সাথে এদের কোন আত্মার সম্পর্ক আছে কি ?
১১. কোন কোন স্পা করতে নাকি ৫০ হাজার থেকে লাখ টাকাও বিল দিতে হয় ?
....
....

এরা এরা এরা এমন আরও একশত প্রশ্ন।

সেই সাথে এই ডাইমেনশনের অপারেটর গ্রুপ যারা নিজেদের ব্যাবসায়ীক স্বার্থে এগুলি ঢোকাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য লক্ষ্য কত গভীর, কতটুকু অর্জন করে ফেলেছে এরই মধ্য এমন আরও একশ প্রশ্ন সহ মোট দুইশ প্রশ্ন।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেলে আপনার মনে হবে পারসনা আপনাদের নির্লজ্জতা ভিডিও করে উচিত কাম করেছে।এই ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়া উচিত।জাতির দেখা উচিত মানুষের গরু বেচা ক্ষেত বেচা টাকায় আপনারা কিভাবে উলংগ হয়ে দেহ টিপান।এদের স্পা লাগে।এদের আরও অনেক কিছু লাগে।এদের অনেক টাকা।এদের চাহিদা মিটাতেই এসব রাজাবাদশার বিলাসিতা এদেশে প্রবেশ করে।এদের ফলো বা অনুকরন করে এসব জিনিষ সমাজের গভিরে ঢুকতে থাকে।এদের কর্ম ও জীবনাচার বাকি পটেনশিয়াল প্রতিযোগির জন্য জাতে উঠার ধাপ।এদের গাড়ি লাগে এসি লাগে বাথরুমে দশ লাখ টাকার ফিটিংস লাগে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক লাগে।এদের এই টাকার উৎস এখন জনগণ জানে।এরা সব বড়বড় চোরের পরিবারের সদস্য।এরা সমাজের কেনসার।এদের একএকটা কাজ কর্ম দেখে উৎসাহিত হয়ে আজ গ্রামেগঞ্জে এসব পর্নোগ্রাফি সহ সকল অপসংস্কৃতি ঢুকছে।

অন্যদিকে পারসনা, কানিজ আলমাস মিডিয়া এরা এদেরই মূলধারার সদস্য।এরাই একএক সময় একএক ক্ষেত্রে উদ্দোক্তা।এরা এদের ভেতরের শক্তিশালি কোর গ্রুপ।এরা যদি পারে পুরো দেশটাই সাফ কাউলা করে বিক্রি করে দেয়।এরা ব্যাবসার জন্য করতে পারে না এমন কোন কাজ নেই।

এদের দুই দলের উভয়ের কাহিনী ও ভিডিও উন্মোচন হওয়া উচিত।এটা আমাদের মত সাধারনের দাবী, তৃতীয় শক্তির দাবি।নিচের ছবিতে আমাদের ৯৫ শতাংশ নারীর প্রতিনিধী যাদের রোদে পোড়া দেহে কোনদিন স্পা লাগবে না।
আপনার অবস্থান কোথায় স্পা গ্রুপ, পারসনা গ্রুপ নাকি আম গ্রুপ নাকি কোন দুই গ্রুপের শংকর।

Read more ...