Showing posts with label Lifestyle. Show all posts
Showing posts with label Lifestyle. Show all posts

Saturday, September 24, 2011

ধূমপান ছাড়া এত কঠিন কেন?

ধূমপান ছাড়া এত কঠিন কেন?

সবাই জানে, ধূমপান স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। সিগারেটের প্যাকেটের গায়েও বেশ বড় বড় করে লেখা থাকে “ধূমপান ফুসফুস ক্যান্সারের কারণ”। কিন্তু তারপরও ধূমপায়ীরা এই সিগারেটের নেশাটা ছাড়তে পারেন না। ধূমপান ছাড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ব্যক্তিও ‘আজকেই শেষ’, ‘এটাই শেষ’ বলতে বলতে সিগারেটটা খেতেই থাকেন। প্রশ্নটা হচ্ছে কেন? কেন তারা ছাড়তে পারেন না এই সর্বনাশা নেশাটা?

সিগারেটে একবার টান দেওয়ামাত্রই প্রচুর পরিমাণ নিকোটিন মুহূর্তের মধ্যেই মস্তিস্কে ক্রিয়া-বিক্রিয়া শুরু করে। নিকোটিনের অনুগুলো মস্তিস্কের রিসেপটরগুলোকে আঁকড়ে ধরে এবং ডোপামিনের নিঃসরণ ঘটায়। যার ফলে ধূমপায়ীরা একটা সূখানুভূতি পেতে শুরু করে। ডোপামিন ছাড়াও এটি এন্ডোজেনাস ওপিওড নামক একটি রাসায়নিক মস্তিস্কে ছড়িয়ে দেয়। এতে করে ধূমপায়ীরা একটা ইতিবাচক অনুভূতি পেতে পারে। ২০০৪ সালে মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এসব তথ্য দেন।

সিগারেট কোম্পানিগুলোও ধূমপান ছাড়ার কাজটা অনেকগুন কঠিন করে দিয়েছে। ২০১০ সালে ইউএসএ টুডের একটি রিপোর্টে দেখা যায়, কোম্পানিগুলো সিগারেটে সেসব দ্রব্যের সংযুক্তি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন, যেগুলোর ফলে শুরুর দিকের ধূমপায়ীদের কাছে এটা অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। আর দীর্ঘদিনের ধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে নেশাটা আরও বেশি জাঁকিয়ে বসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় অ্যামোনিয়ার কথা। সিগারেটে এর উপস্থিতির ফলে নিকোটিন মস্তিস্কে পৌঁছায় অনেক তাড়াতাড়ি।

ধূমপানটা একেবারে ছেড়ে দিতে গেলে মস্তিস্কের নিকোটিন গ্রাহকগুলো সক্রিয় হওয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে ধূমপায়ীরা যে পরিমাণ ডোপামিন নিঃসরণে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে, তার যোগানটাও কমে যায়। তৈরি হয় একটা অহেতুক ‘ফাঁকা ফাঁকা’ ভাব। এমনকি ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজির একটি গবেষণা থেকে দেখা যায়, সিগারেট ছাড়ার পর একটা কৃত্রিম হতাশা ও দুশ্চিন্তা মস্তিস্কে কাজ করে প্রায় ৩১ দিন পর্যন্ত। ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সিগারেট ছেড়ে দেওয়ার কঠিন পণ করার পরও অনেকে আবার ধূমপান শুরু করেন।

নিকোটিনের প্রভাবটা কিশোরদের শরীরে অনেক বেশি। সেজন্যই প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগেই অনেকে সিগারেটে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের এক গবেষণা থেকে জানা যায়, প্রতিদিন প্রায় ৪,০০০ কিশোর-কিশোরী প্রথমবারের মতো সিগারেট খাওয়ার অভিজ্ঞতা নিতে যায়। আর এদের মধ্যে ১০০০ জনের ক্ষেত্রেই এটা নেশায় পরিণত হয়।


Read more ...

আমরা কেন এরকম হয়ে যাচ্ছি?

আমরা কেন এরকম হয়ে যাচ্ছি?

কয়েকদিন আগে বাসে একটা অদ্ভুত ঘটনা দেখে এই প্রশ্নটা মাথায় এল: আমরা কেন এরকম হয়ে যাচ্ছি? শাহবাগ মোাড় থেকে বাস ছেড়েছে, গেটের কাছে প্রচণ্ড ভীড়, বাইরেই ঝুলছে ৩-৪ জন। আর ঐ সময়টাতে রাস্তায় এত ভীড় যে, যে কোন সময়েই ঐ বাইরে ঝোলা মানুষগুলো একটা ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। অথচ ভেতরের দিকে বেশ খানিকটা জায়গা ফাঁকা। ভিতরের মানুষগুলো আরও কিছুটা ভিতরে চলে গেলেই একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব। কন্ট্রাকটরও ক্রমাগত সেই কথা বলে যাচ্ছে। এরকম একটা পরিস্থিতিতে এক মাঝবয়েসি ভদ্রলোক তাঁর পাশে দাঁড়ানো দুই ছেলের কাছে জানতে চাইলেন যে, তারা কোথায় যাবে। উত্তরটা গাবতলী শুনে তিনি ছেলেগুলোকে ভিতরে চলে যেতে বললেন। মোটামোটি ভদ্র পরিচ্ছিত পোশাক পরা এক ছেলে তার বন্ধুকে ইশারা করল না যেতে। আরেকজন কিছুক্ষণ পরে নিচুস্বরে বলল, “গ্যালেই বইস্যা পরব”। আমি তাদের ইঙ্গিতটা বুঝতে পেরে কিছুক্ষণ হতাবিহ্বল হয়ে বসে থাকলাম। তারা আসলে মনে করেছে যে, ঐ মাঝবয়েসি ভদ্রলোকটা একটা সিট দখল করার জন্য তাদেরকে ভেতরে ঠেলে দিতে চেয়েছে। বাসের ওপারে রাস্তাঘাটের চেহারাটা এমন, তারা ওখানে দাঁড়িয়ে থাকলে বাইরে যে দু-একজন মরেও যেতে পারে সেটাও তারা গ্রাহ্য করছে না। সামান্য একটা সিট দখলের জন্য তারা সেখানেই দাড়িয়ে থাকছে। অল্প কিছুক্ষণ আরাম করার জন্য তারা দুই হাত দূরের একটা লোকের জীবন-মরণ নিয়েও মাথা ঘামাচ্ছে না। আমরা কেন এরকম হয়ে যাচ্ছি? নিজের ছোট ছোট সুযোগ সুবিধা, আরাম আয়েশের জন্য আমরা বাকি দুনিয়ার কথা কিছুই ভাবছি না। বা অনেক সময় অগ্রাহ্য করছি। সামান্য সামান্য ব্যাপারে আমরা কেন এরকম স্বার্থপর আচরণ করছি?

মনুষ্য প্রজাতির কী এমনটা করার কথা? মানুষ না আশরাফুল মাখলুকাত? সৃষ্টির সেরা জীব? বহু সাধ-সাধনার পর নাকি এই মানব জন্ম পাওয়া যায়? এমনকি এই মানবজন্ম নেওয়ার জন্য নাকি দেব-দেবতারাও আরাধনা করেন??? এ যদি সত্যি হয় তাহলে এই মহামূল্যবান সময়টুকু কী আমরা এভাবে পার করে দেব? আচ্ছা মানব-জন্মের উদ্দেশ্য-বিধেয় যাচাই-বিচার তো আরও অনেক দূরের কথা। আমরা যদি শুধু নিজের কথাও ভাবি, তাহলেও কী এখন আমাদের একটু সমবেদনশীল, সহযোগিতামূলক মানসিকতা গড়ে তোলা দরকার না? আমরা যে খুব সংকটপূর্ণ একটা সময় পার করছি!!! আমরা এমন একটা সময় পার করছি, যখন আমাদের খোদ নিজের অস্তিত্বটাই বিপন্ন!


Read more ...

Sunday, September 18, 2011

স্মার্টলি কাজ করতে



ডিজিটাল যুগে শুধু কাজ করে গেলেই চলে না, তা করতে হয় স্মার্টলি এবং দ্রুততার সঙ্গে। আমরা কাজের মাধ্যমেই অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারি। সঠিক সময়ে নিভুর্লভাবে, আস্থার সঙ্গে কাজ করাটাই স্মার্টনেস। এখানে বাহ্যিক চেহারা বা পোশাকের তুলনায় মেধা এবং কাজের স্পৃহা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কয়েকটি বিষয় জেনে নিলে স্মার্টলি কাজ করা সহজ হয়ে যাবে। যেমন:

*গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোন সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে, মাথায় রেখে আগাম পরিকল্পনা করে নেওয়া
*স্বাচ্ছন্দে প্রযুক্তির ব্যবহার আমাদের কাজ সহজ করে দেয়
*স্মার্টলি কাজ করতে অন্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখাতে হবে
*পরদিনের কাজের তালিকা নোটবুকে লিখে রাখলে ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না
*সময়ের প্রতি বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। সময় মতো অফিসে যেতে হবে, যেন জরুরি মিটিংএ আমার জন্য দেরি না হয়
* দায়িত্ব পালনে সচেতন হতে হবে
*সহযোগিতামুলক মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে
*আপনার নেতৃত্বে কাজ করার সময় সহকর্মীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি করুন। এতে অন্যরা আপনার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ বোধ করবে
*অন্যদের কাজে উৎসাহ দিন
* প্রতিষ্ঠানের নিয়ম নীতি মেনে চলুন
*পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন, কর্মক্ষেত্রে কারও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না


লক্ষ্য স্থির করে আত্মবিশ্বাস নিয়ে স্মার্টলি কাজ করলে, কর্মক্ষেত্রে সফলতা পাওয়া...সময়ের ব্যাপার মাএ।

Read more ...

Saturday, September 17, 2011

অনেক মানুষের মৃত্যু ও অক্ষমতার কারণ হলো মানসিক সমস্যা



ইউরোপীয়দের মানসিক সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে? তিন বছর গবেষণার পর এমনটাই বলছে ইউরোপীয়ান কলেজ অব নিউরোসাইকোফার্মাকোলজি বা ইএনসিপি।
ইনসোমনিয়া, আলঝাইমার, ডিমেনশিয়া, পারকিনসন্স এইসব জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে ইউরোপীয়রা। দক্ষিণ এশিয়ায় এসব রোগে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা খুব বেশি নয়? কিংবা, রোগ নির্ণয়ের পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে অনেকে জানেনই না যে, তাদের এই রোগ রয়েছে। তবে অবসাদের সঙ্গে দুশ্চিন্তাগ্রস্ততা - এমন অনেককেই পাওয়া যাবে এ অঞ্চলে। গবেষণায় জানা গেছে, ইউরোপের শতকরা ৩৮ ভাগ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময় মানসিক সমস্যায় ভোগেন? ফলে একবিংশ শতাব্দীতে ইউরোপের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে একে দেখছেন গবেষকরা। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশও নরওয়ে, আইসল্যান্ড ও সুইজারল্যান্ডসহ মোট ৩০টি দেশের মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এসব দেশে জনসংখ্যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৫১ কোটি। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ প্রতি বছর মানসিক সমস্যায় ভোগে । অর্থাত্ প্রতি তিনজনে একজন। কিন্তু আশঙ্কার কথা হলো, অন্যান্য রোগের চিকিত্সা ব্যবস্থা দিন দিন যতটা উন্নত হচ্ছে সেখানে মানসিক রোগের চিকিত্সায় ততটা অগ্রগতি নেই। এছাড়া চিকিত্সা পেতেও অপেক্ষা করতে হয় অনেকদিন। খবর ডয়চে ভেলে।
জার্মানির ড্রেসডেন শহরের টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটির ইন্সটিটিউট অব ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি অ্যান্ড সাইকোথেরাপির পরিচালক হান্স-উলরিশ ভিটশেন। তিনি এই গবেষণা দলের প্রধান। মানসিক সমস্যা সমাধানে স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও ওষুধ কোম্পানিগুলোকে আরো এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ভিটশেন ও তাঁর দলের গবেষকরা। ভিটশেন বলেন, অনেকদিন মনে করা হতো সাইকোলজিক্যাল ও নিউরোলজিক্যাল সমস্যাগুলো কিছু নির্দিষ্ট মানুষের হয়ে থাকে। কিন্তু এই ধরনের চিন্তাভাবনা হাস্যকর বলে মনে করেন তিনি। গবেষকরা বলছেন, বিশ্বের অনেক মানুষের মৃত্যু ও অক্ষমতার কারণ হলো মানসিক সমস্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই আভাস দিয়েছে যে, ২০২০ সালের মধ্যে নানা রোগব্যাধির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে চলে আসবে ডিপ্রেশন বা অবসাদ ও বিষাদগ্রস্ততা।

মূল সংবাদ ও তথ্যসূত্র......
Click This Link

Read more ...

Thursday, September 15, 2011

পারিবারিক অশান্তি, কিছু বাস্তবতা ও ফ্যাক্ট

প্রাচীনকালে পরিবারগুলোর ভেতরে শান্তি কতটা ছিল জানি না তবে আমাদের নানা-নানু, দাদা-দাদি এবং বাবা-মা, খালা-খালুদের ভেতরে যে বাঁধনটা এখনো দেখতে পাই এখনকার বেশিরভাগ কাপলদের ভেতরে তার দশ শতাংশও দেখতে পাই না। এর কারণ কী কেউ কখনো ভেবে দেখেছেন? এর জন্য কেউ দায়ী করেন পরিবর্তনশীল সমাজকে, কেউ সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে। এই উভয় শ্রেণীই বিষয়টাকে খুব সীমিত দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করে থাকেন। যাহোক, আমি আমার কিছু পর্যবেক্ষন ও চিন্তাভাবনা তুলে ধরি। আলোচনা হতে পারে...

১) সম্পর্ক এমন একটা জিনিস যা তৃতীয় ব্যক্তির পক্ষে কখনো পুরোপুরি বোঝা সম্ভব না, তাই সম্পর্কের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তির পরামর্শ বা হস্তক্ষেপ সব সময়ই খারাপ ফল বয়ে আনে।
২) সমস্যা যতটা নিজেদের ভেতরে রাখা যায় তত সহজে এবং সুন্দর ভাবে সেটার সমাধান হয়ে যায়।
৩) অনেকই পুরুষই জানে না সে কেন বিবাহ করছে বা জানলেও ভুল ভাবে জানে, তাদেরকে আগে বুঝতে হবে কেন সে বিয়ে করবে। অনেক মেয়েরও পুরুষদের সম্পর্কে স্টেরিওটাইপ কিছু ধারণা আছে যা সুন্দর একটা সম্পর্ক নির্মাণের জন্য বাঁধা স্বরুপ। এদের উভয়কেই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর ভাবে ভাবতে হবে, জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে।
৪) বউ কোন সাপোর্ট টুল না বরং হিউম্যান অপারেটিং সিস্টেমের একটা মেজর আপডেট, এই ফ্যাক্টটা ছেলেদের এবং তাদের মা'দের মাথায় রাখা জরুরি।
৫) জামাই কোন বারোমাসি শস্যক্ষেত্র না। এটা বউদের এবং তার দিকের আত্মীয়দের মাথায় রাখা জরুরি।
৬) নারীদের উপরে পুরুষদের চাইতে অন্য নারীরাই বেশি নির্যাতন করে থাকে, পুরুষদের উচিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা।
৭) আমাদের বেশিরভাগ মা'য়েরা নিজের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির যে কাজগুলোর সমালোচনা করতে ছাড়ে না সেই কাজগুলো নিজের বউদের সাথে করতে একটুও কার্পন্যবোধ করে না। তাদের সামাজিক কাউন্সিলিং প্রয়োজন।
৮) অনেক মেয়ে আছে যারা শশুড়বাড়ির সকল কথা ও বিষয় নিজের বাড়িতে বা অন্য লোকের সাথে শেয়ার করে এবং পরামর্শ গ্রহণ করে সে অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে নিয়ে যায়। এদের জানা থাকা উচিত বাইরে থেকে একটা ফ্যামিলির কাজকর্ম যথাযথ মূল্যায়ণ কোনদিনও সম্ভব না সুতরাং পরামর্শ ভুল হতে বাধ্য যা তাদের জীবনকেই দূর্বিষহ করে ফেলে।
৯) অনেক শাশুড়ি আছেন যারা তাদের বউদের নামে পরিবারের বাইরের কোন সদস্যের কাছে ক্রমাগত নালিশ করতে থাকেন। এরা বোঝেন না ঐ ব্যক্তি বা পরিবার কোনদিনও তার জন্য টানা একমাসও কিছু করবে না, করলে বউ-ই করে যাবে পুরো জীবন। এদের হেদায়াত জরুরি।
১০) আমাদের দেশের মেয়েদের জন্য কিছু কাজের ব্যবস্থা করা জরুরি যাতে এরা অলস থাকতে না পারে। বেশিরভাগ পারিবারিক সমস্যার মূল কেন্দ্র এই অলস অলস নারীগোষ্ঠী।
১১) আমার পর্যবেক্ষন বলে, টিভি সিরিয়াল যে ফ্যামিলিতি যত জনপ্রিয় সেখানে অশান্তি তত বেশি। ছেলেদের উচিত বিয়ে করার আগে কৌশলে মেয়ে সিরিয়াল পছন্দ করে কিনা ও তার ফ্যামিলিতে সিরিয়াল কতটা জনপ্রিয় জেনে নেওয়া। সিরিয়াল ভক্ত মেয়ে বা ফ্যামিলিগুলো বাদ দিয়ে সম্পকর্ গড়লে সমসাময়িক অনেকগুলো সমস্যা/ক্যাচাল থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব (নিতান্তই ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন ও মতামত এটা)।

আরো অনেক ফ্যাক্ট ও বাস্তবতা আছে এবং থাকতে পারে যেগুলো মাথায় রাখা জরুরি। সময় স্বল্পতা কারণে ও ব্লগের স্বল্প পরিসরে সেগুলো সব তুলে ধরা গেল না বা অনেক ফ্যাক্ট আমার নিজেরও জানা নাই। যারা এসব নিয়ে ভাবেন তাদের ভাবনা শেয়ার করলে ও আলোচনা করলে এই বিষয়গুলো আরো পরিষ্কার হতে পারে। যাই হোক, আমার একটা ব্যক্তিগত ভাবনা দিয়ে শেষ করছি, আমি বিশ্বাস করি- 'পৃথিবীর কোন মানুষই খারাপ না, বেশিরভাগ মানুষ অনেক কাজ ভাল ও সঠিক মনে করে করে কিন্তু অন্যের কাছে সেটা খারাপ। এটাকে আমরা কনসেপচ্যুয়াল এরর বলতে পারি। একটু সময় নিয়ে ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খতিয়ে দেখলে অনেক সমস্যাই সমাধান করা খুব সহজ হয়ে যায়। এটা সকলের জন্যই প্রযোজ্য।

Read more ...

আমরা কি আসলেই স্বাধীন ????

মানুষকে চিহ্নিত করার একটা উপায়, সেটা হলো তার মানসিকতা। সেটাকে সে অনেক ভাবে নিয়ে যেতে পারে। আমরা শিক্ষা দিকে ধাবিত হচ্ছি। বিশেষ করে নারী শিক্ষা নিয়ে আমাদের দেশে যেভাবে প্রচারণা চলে সব জায়গায়। তাতে নারী স্কুল কলেজে যাওয়ার হার বেড়েছে। বেড়েছে নারীদের উচ্চ-শিক্ষার হারও। আমরা এতে খুশি না হয়ে পারি না।
কিন্তু যখন দেখি আমাদের দেশের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা নারীরা এখনো সমাজে নির্যাতিত হচ্ছে পরিবার দ্বারা। তাতে আমাদের নারী শিক্ষা নিয়ে সংঙ্কিত হওয়া ছাড়া উপায় দেখি না।

তেমনি একজন মেয়ে যার নাম আরেফা পারভিন। সে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও ২০০৭ সালে মাস্টার্স পাশ করে। তার পরিবারের কথা ছিল মেয়ে পড়ালেখা শেষ করবে এবং তার বিয়ে দেওয়া হবে। চাকরী করা লাগবে না। এই মেয়ের পরিবার চাকরী বিরোধী এবং মেয়েদের স্বাধীনভাবে চলা-চল বিরোধী।
সে পরিবারের কথা অমান্য করে ঢাকায় থেকে পড়াশুনার পর একটা চাকুরী যোগা করে ২০১০ সালে জুন এর দিকে “আকসা ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে’’ পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসাবে। এর পর সে বাড়ি যায় পরবর্তী ঈদ পালন করতে। কিন্ত আর সহসা ফিরে আসতে পারে না, তার পরিবারের চাপে। ফলে তার চাকুরী আর থাকে না। এর পর আবার সে কিছুদিন পর পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আসে যে সে একটা চাকুরী যোগার করে সে স্বাধীনভাবে থাকবে এবং নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে। এইটাই স্বাভাবিক এক জন স্বাধীনচেতা মানূষের।

কিছুদিন পর পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আসে যে সে একটা চাকুরী যোগার করে সে স্বাধীনভাবে থাকবে এবং নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে। তাই এই বছর জানুয়ারীতে জাইয়ান্ট গ্রুপের গ্লোবাল সাপ্লাই লিমিটেড এ তার বন্ধুদের দ্বারা একটা চাকুরী খুজে নেয়। সেখানে থাকা অবস্থায় তার মায়ের চাপাচাপিতে গত মার্চমাসে সে বাড়ি যায়, কিন্তু সেই বার পঞ্চগড় গেলে তাকে আর আসতে দেওয়া হয় না এবং তাকে আটকিয়ে রাখা হয় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। ফলে তার চাকুরীর আবার হ্যাম্পার হয়। যখন সে ফিরে আসে সে আবার তার অফিসে রিকোয়েস্ট করে চাকরীটা পূর্ণ বহাল রাখে।

এই সমস্ত পরিবারের চাপাচাপিতে সে এইবার ঈদে বাড়ি যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে এবং বাড়িতে সে যায় না এবং তার পরিবারে জানায় সে তার পছন্দীয় একজনকে বিয়ে করেছে। পরিবার থেকে তেমন কিছু না বললেও ঈদের দুই দিন পর অথাৎ ৪-০৯-২০১১ তার ভাই তার হোস্টেলে ৩৩/১০ ব্লক – সি, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর –এ এসে সকাল নয়টায় নাস্তা খাওয়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে মাইক্রো করে পঞ্চগড়, গ্রামঃ পুরাতন পঞ্চগড়। পোস্টঃ ধাক্কামারা, থানা ও জেলাঃ পঞ্চগড় এর বাসায় নিয়ে যায়।
এর পর তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করা নিয়ে শারীরিক মানসিক টর্চার করা শুরু করে। সে যাকে বিয়ে করে সে মুসলিম ধর্মের না হওয়ায় তার উপর সেই এলাকার মসজিদ কমিটি মিটিং করে এই মেয়েকে দোর্‌রা মারা ও ইঞ্জেকশন দিয়ে মারার কথা লোক মুখে শোনা যায় যা সে তার আইনত স্বামীকে মোবাইল ফোনে বলে যে তাকে এই ভাবে মেরে ফেলবে।
আমাদের এই সমাজ নারীদের এখনো নিরাপত্তা দিতে পারেনা, পারে না শিক্ষা-দিক্ষা গ্রহণ করার পরও। নারীরা কবে এই সমাজের অংশ হবে, কবে তারা নিজেদের দ্বায়িত্ব নিজেরাই নিতে পারবে? আমাদের ভবিষত এর দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোন কি উপায় আছে????

Read more ...

Monday, September 12, 2011

আপনার বয়স কি ৩৬ বছরের বেশী?

আপনার বয়স কি ৩৬ বছরের বেশী?
তাহলেই এই পোস্ট দেখুন, নাহলে অহেতুক সময় নষ্ট করবেন না।




এক এক সময় ভাবি, মানুষের জীবনেও যদি কম্পিউটারের মত "Crtl.+Z" অপশন টি থাকত, কি ভালই না হত।

আপনাদের কি নিজেদের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে?
তখন আমরা 'কেবল টিভি', 'ডিশ টিভি' কাকে বলে জানতাম না। বাড়ির ছাদে এ্যন্টেনা লাগিয়ে টিভি দেখতে হত।
আমরা বাংলাদেশি হলে কেবলমাত্র বিটিভি র অনুষ্ঠান দেখতাম,


বা, পশ্চিমবাংলার মানুষ হয়ে থাকলে কলকাতা দূরদর্শন-এর প্রোগ্রাম দেখেই সন্তুষ্ট থাকতাম।



এখনকার মতো তখন সারাদিন টিভি প্রোগ্রাম হতনা, প্রোগ্রাম চালু হবার কিছু আগে থাকতে আমরা অধীর আগ্রহে অনেকটা এইরকম দেখতে একটা স্ক্রীনসেভারের দিকে তাকিয়ে বসে থাকতাম।



তখন আমাদের গাড়ি, গাড়ির সিট বেল্ট, এয়ার ব্যাগ এসব ব্যাপারে ধারনাই ছিলনা। তবুও লোকজন অনায়াসে ৮০-৯০ বছর অবধি বেঁচে থাকতো।



সাইকেল চালানো ছিল জীবনে এক তাজা হাওয়ার মত অনুভুতি। সাইকেল চালাবার সময় আমাদের হেলমেট, নী-ক্যাপ কিছুই পরতে হতনা। এমনকি যদি ঢালু জায়গা দিয়ে নামবার সময় দেখতাম সাইকেলের ব্রেক কাজ করছেনা তাতেও আমরা একটুও ঘাবড়ে যেতাম না।



সেই সময় মিনারেল ওয়াটারের বোতল জীবনেও দেখিনি, রাস্তার ধারের টিউব-ওয়েল, ট্যাপ থেকে তৃষ্ণা মেটালেও শরীর খারাপ হবার চিন্তা থকতোনা।




আমরা কত শক্ত পোক্ত ছিলাম তখন, মাঠে দৌড়াতাম, গাছে চড়তাম,



নদী নালায় ঝাঁপাতাম, অথচ অসুস্থ হতাম না।



ঘন্টার পর ঘন্টা বাইরে খেলতে পারতাম, শুধু সন্ধ্যার আগে বাড়ি ফিরে আসতে পারলেই হত।
আমরা কেক, আইসক্রিম, চিনি দেওয়া মিষ্টি, শরবৎ, লজেন্স - যা পেতাম তাই খেতাম, তবুও তখন একটুও মোটা হতাম না।

মোবাইল ফোন তো দূর, অনেক বাড়িতেই তখন টেলিফোন পর্যন্ত ছিলনা, তবুও আমরা আমাদের বন্ধুদের সময়মতো ঠিক খুঁজে পেতাম।

আমাদের তখন ওরকূট, ফেসবুক, ক্যামেরা মোবাইল, এম.পি থ্রী, প্লে স্টেশন, ভিডিও গেম কোনো কিচ্ছু ছিলনা। না ছিল ইন্টারনেট বন্ধু বা ভার্চুয়াল ফ্রেন্ড।


কিন্তু আমাদের সত্যিকারের কিছু বন্ধু ছিল। যাদের সঙ্গে কথা বলা যেত, খেলা যেত, যাদের হাত দিয়ে স্পর্শ করা যেত।



আমাদের খেলবার জন্য দামী দামী খেলনাও লাগতনা; - ইঁট, বালি, মাটি, পাথর, কাঠের টুকরো – সব কিছু দিয়েই মহানন্দে খেলতাম।



আমরা বেশিরভাগই পায়ে হেঁটে স্কুলে যাতায়াত করতাম, কিন্তু তাতে আমাদের একটুও কষ্ট হতনা।

আমাদের মধ্যে কেউ কেউ পরীক্ষায় ফেল করত। কিন্তু এখনকার বাবা-মা দের মতো আমাদের কেউ তখন সাইকোলজিস্টের কাছে কাউন্সেলিং করাতে নিয়ে যেত না।

এখনকার বাচ্চাদের মতো তখন আমাদের অনেক কিছুই ছিলনা, কিন্তু মনে আনন্দ ছিল।

সব থেকে বড় কথা হল আমরা অন্যের মতকে গুরুত্ব দিতাম, বড়দের সন্মান দিতে জানতাম।

যাঁরা এখন ৩৬+ আছেন, যখন কোনো কঠিন সমস্যায় পড়ে চিন্তিত হয়ে বসে থাকবেন, সেই সমস্যাকে কিছুক্ষনের জন্য ভুলে থাকবার জন্য নিজের ছোটবেলার কথা একটু ভাবুন।

কিছু সময়ের জন্য হলেও আপনার মুখে একটু হাসি ফুটতে বাধ্য।

Read more ...

Wednesday, March 10, 2010

জীবনের সংগা কি ?

রাতের শেষ প্রহরে পিসি'র মনিটরের দিকে তাকাতে তাকাতে চোখ জ্বালা পোড়া করছে তারপরও মনিটরের পর্দা থেকে চোখ সরাতে ইচ্ছা করছেনা, আধো চোখে তাকিয়ে আছি অপলকে; কেউ কি নতুন কিছু দিলো ? হ্যা এইতো দুটো নোটিফিকেশন আর একটি মেইলের লাল আলোরা আমার অপেক্ষায় জ্বলে আছে। প্রথমে মেইলটা খুললাম অপরিচিত একজন মেইল করে অবিনীত ভাবে জানতে চাইলো জীবনের সংগা কি ? এই ছোট্ট একটা প্রশ্ন করে বেচারা হয়তো নাক ডেকে ঘুমুচ্ছে কিন্তু আমার মস্তিষ্কে যে প্রশ্নটা ঢুকিয়ে দিলো তার উত্তর বের করতে করতে ক্লান্ত রাতের ছুটি। সত্যিইতো জীবনের সংগা কি ? আমার প্রতিদিনের কাজ কর্মটাই কি জীবন নাকি এর বাহিরেও কিছু আছে যাকে জীবন বলে ? চোখের দুটি পাতার সহবাসে বাস্তবতাকে বিচ্ছিন্ন করে যে সাদা-কালো কিংবা আংশিক রঙ্গীন সময় টুকু বের হয়ে আসে সেটাই কি জীবন ? জানালার ফাঁক গলে ভোরের হিমেল বাতাসের সাথে স্বাস্থ্যকর সূর্যের রশ্মি আমার ছোট্ট কামরাটা ভরিয়ে দিলো আমি নবজাতক দিনটাকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখতে লাগলাম সেটাই কি জীবন ? একটা ভালোবাসা ছিলো, আমার হাতের দশটি আঙ্গুলের ভাজে আরো দশটি আঙ্গুলের শক্ত বাঁধন!! কথা ছিলো আমৃত্যু এই বাঁধন থাকবে অটুট আর এই সম্পর্ক ইতিহাস হয়ে অনুপ্রেরণা যোগাবে অনুজদের; বাঁধনের কথা তুলতে চাইনা তবে ইতিহাস তার কথা রেখেছে সম্পর্কটা ইতিহাস হয়েই গেছে !! কোন একটা বুকের আশ্রয়ে সম্পর্কটা আজ ইতিহাস হয়ে নামতা শেখায়। কখনো বেশ আয়োজন করে স্বপ্ন দেখি, কিছু স্বপ্ন পূরণ হয় আর কিছু থেকেই যায় সেই থেকে যাওয়া স্বপ্নটাও জীবন ? প্রযুক্তির কল্যাণে অজানাকে জানার অদেখাকে দেখার যথেষ্ট সুযোগ হয়েছে এইটাই প্রযুক্তির আশির্বাদ। প্রযুক্তির স্পর্শে থাকার সুবাদে অনেক দূরের মানুষরা খুব কাছে চলে এসেছে আবার খুব কাছের মানুষকে সময়ের ফারাকে দূরে চলে যাচ্ছে তাহলে এটাই কি জীবন ? সময়ের সঠিক সমন্বয় হয়না বলে প্রাণ প্রিয় বন্ধুদের সাথে সামনা সামনি বসে তেমন একটা প্রাণ খুলে কথা বলার সুযোগ ঘটেনা। হঠাৎ যদি ফুসরত মিলে তবে তাদের সাথে দেখা করতে যাওয়ার প্রাক্কালে বাবার ফোন, দরাজ কন্ঠে নির্দেশ দিলেন এক্ষুণি এই কাজটা করে দিতে হবে। যাওয়া হলোনা বন্ধুদের মিলন মেলায়। বাবার নির্দেশ উপেক্ষা করার সাধ্য আমার নেই তবে কি এই অসাধ্যটাই জীবন ? এরকম হাজারো বাক্যের সন্ধিতে জীবনের সংগা খুজে বেড়াই। কোনটাই মনঃপূত হয়না। তবে কি জীবনের কোন সংগা নেই ? জীবনটা কি সংগা বিহীন ? নাকি সময়ের সাথে সাথে জীবনের সংগা পাল্টে যায় ? ভাবতে ভাবতে একটা দীর্ঘশ্বাঃস ফেলি... কে জানে হয়ত এই ফেলে দেয়া দীর্ঘশ্বাসটাই জীবনের সংগা !!!

Read more ...

পৃথিবী বদলে যাচ্ছে,বদলে যাচ্ছে মেয়েরা!

শয়তান আগে শুধু এক প্রজাতিতে বন্দি ছিল,এখন সে ছাড়া পেয়ে গেছে। তার আর কোন বাঁধা কিংবা বাঁধন নেই। সে পুরুষ এবং মহিলা দুইজনের শরীরেই সমাবভাবে বিস্তার করতে পারছে। তবে আজকাল সে বোধহয় মেয়েদের শরীর নিয়ে খেলাধূলা করছে বেশী। তা না হলে আমাদের মুসলিম সমাজে মেয়েদের এই অধঃপতন কি কারণে খৃষ্টানদেরও ছাড়িয়ে যাচ্ছে তা আজকে গবেষণার বিষয়।
যখন আমাদের মুসলিম সমাজের মেয়েরা এত বেশী স্বাধীন ছিল না। বেঁচে থাকার মানে যখন তাদের ছিল শুধু মাত্র বিদ্যা চর্চা আর খুন্তি নাড়া দিয়ে শশুরবাড়িতে পৌছানো,তখন সমাজ ছিল আশাতিরিক্ত সুখি এবং সমৃদ্ধ।
যুগের হাওয়ার বাণে ভেসে গেল সেই মেয়েদের খোলস। পাল্টে গেল তাদের জীবনবিধি এবং আচরণ। এখন তাদের কারণে শুরু হয়েছে যত সব ফিতনা আর জাহেলী মার্কা কাজ-কারবার।
আমাদের পূর্বপুরুষেরা যে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন তা নিয়ে এখন আর আমার মনে কোন সন্দেহ নেই। তাঁরা মেয়েদের স্বাধীনতার স্বত্তাকে সম্পূর্ণরূপে বাবা-মায়ের হাতে রাখা শ্রেয় মনে করতেন। আজ বুঝছি,তাদের এই ব্যবস্থার মত যুক্তিসঙ্গত ব্যবস্থা এখন আর আমেরিকা-রাশিয়ার মত প্রেসিডেন্টরাও করতে পারবেন না।
যখন মেয়েরা পরাধীনভাবে বাবা-মায়ের ইচ্ছা অনিচ্ছার উপরে সব কিছু ছেড়ে দিত,তখন আমাদের মুসলিম সমাজের অনেক বিখ্যাত মনীষী এবং মহিয়সীগণ মেয়েদের এই পরাধীনতার খোলসটাকে দুঃখের সমুদ্র মনে করে আবেগে আপ্লুত হয়েছিলেন। যা ছিল মারাত্নক ভুল।
তাঁরা মেয়েদের দয়া করে এ জগৎ সংসারের হাল তাদের ঘাড়ে দিয়ে দিয়েছিলেন। ফল এখন আমরা সবাই দেখছি।
আগের মত আর কারো হায়া নেই। সব,সব্বাই বেহায়া,বেশরম,বেলাজা,বেত্তমিজ মুষ্টিমেয় কিছু সংখ্যা বাদে।
তাদের অসামাজিক বলেন আর বেসামাজিক বলেন সমস্ত কাজ-কারবার এখন প্রতি পদে পুরুষকে টেক্কা দিয়ে হচ্ছে। সেই দিন আর বেশী দেরী নেই,যেদিন রাস্তা –ঘাটে কুকুর বিড়ালের মত জ্বিনা করবে নর-নারীরা।
আগে প্রায় টিভিতে কিংবা সংবাদে খবর দেখা যেত অমুক মেয়ে ধর্ষণ হয়েছে। কিন্তু গত কয়েক বছরে তা আশাতিত হারে কমে গেছে। কারণ সহজ,মেয়েরা পুরুষের মত কামুকে জীবন শুরু করেছে। তারা বিয়ের আগে হানিমুন করছে।
আর গত বছর দুই ধরে স্বয়ং মুসলিম সমাজে শুরু হয়েছে পুরুষ ধর্ষণ!
আশ্চর্য হলেও সতি,সেদিন পাকিস্তানে তিন শিল্পপতির মেয়ে এক অসহায় অল্পবয়স্ক বাচ্চা ছেলেকে ধরে আনে। তারপর তিন বান্ধবী মিলে সারারাত ছেলেটির সাথে পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দময় খেলায় নিমজ্জিত হয়। ছেলেটি প্রথমে রাজী হয়নি,কিন্তু তাকে জোর করে ধর্ষণ করে সেই কাজ করার জন্য বাধ্য করা হয়। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। ছেলেটির যৌনাঙ্গ ফুলে ফেঁটে রক্ত বেড়িয়েছে এবং এই মূহুর্তে সে একটি হাসপাতালে চিকিৎসারত আছে।
আমরা অনেকে দিন বদলের গল্প শুনি। এই কি দিন বদল,এই কি পৃথিবীর বদলে যাওয়া?
সে প্রশ্ন পরেও করা যাবে। এখন পাকিস্তান থেকে ইন্ডিয়া এবং আমাদের দেশে আল্লাহ না করুন এই ধরণের ঘটনা না জানি ঘটে যায়!!
আমাদের বাবা-মায়েরা ছেলে-মেয়েদের প্রতি আরো বেশী সাবধান থাকবেন। ম্যাচিউড হলেও প্রয়োজন ছাড়া তাদের বাইরে বেরোতে দিবেন না।
কারণ একটি মেয়ে আরেকটি মেয়ের প্ররোচনায় পরে নষ্ট হয়। বাবা-মা ও ভাই-বোনেরা সাবধান।

Read more ...