Showing posts with label তথ্যপ্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label তথ্যপ্রযুক্তি. Show all posts

Tuesday, November 8, 2011

ওয়াই-ফাই টেকনোলজির এ টু জেড

গোটা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয় এসে পড়েছে প্রযুক্তির এক অভাবনীয় ছোঁয়ায়। প্রযুক্তি ছাড়া আধুনিক বিশ্বে জীবন-যাপনের কথা চিন্তা করা যায় না। প্রতিনিয়ত আবিষ্কৃত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক-এর ধারনা মোটেই নতুন নয়। কিন্তু এই ওয়্যারলেস টেকনোলজি নিয়ে এক ভিন্নধর্মী উপস্থাপন করা হচ্ছে যা বর্তমানে আলোচিত বিষয় হিসেবে গণ্য। বর্তমানে দাম কমে আসার ফলে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক এখন অনেকেই বাসায় স্থাপন করছেন। আসুন এখানে আমরা ওয়্যারলেস টেকনোলজির আদ্যপ্রান্ত জেনে নিই।

ওয়াই-ফাই কি?
Wi-Fi অথবা Wireless Fidelity একটি স্বাধীন নেটওয়ার্ক যা আপনাকে বাড়ীতে, হোটেল রুম, কনফারেন্স রুম সর্বত্রই তারবিহীন অবস্থায় নেটওয়ার্ক (এরিয়াভিত্তিক অথবা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক) জগতে প্রবেশের অনুমতি দেয়। কিভাবে তা সম্ভব? এই ওয়াই-ফাই একটি ওয়্যারলেস টেকনোলজি যা সেলফোনের মতো কাজ করে। ওয়াই-ফাই যে কোন স্থানে বেইজ স্টেশনের আওতায় আপনার কম্পিউটারকে দ্রুততা সম্পন্নভাবে ডেটা আদান-প্রদানে কার্যক্ষম রাখে দ্রুতগতি সম্পন্ন ক্যাবল মডেমের তুলনায়।

আপনার কম্পিউটার একটি ওয়াই-ফাই সার্টিফাইড রেডিও(একটি পিসি কার্ড অথবা সমজাতীয় ডিভাইস)-এর সহিত কনফিগার করা হলে তা যে কোন স্থানে একটি প্রকৃত স্বাধীন কানেকশন প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। ওয়াই-ফাই সার্টিফিকেশন-এর অর্থ ওয়াই-ফাই সার্টিফাইড প্রোডাক্টের মাধ্যমে বাড়ীতে, অফিসে অথবা কর্পোরেট ক্যাম্পাস অথবা এয়ারপোর্ট, হোটেল, কফি শোপ এবং অন্যান্য পাবলিক এরিয়া যে কোন স্থানে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কানেকশন পাওয়া।

ওয়াই-ফাই যা আপনাকে করতে দেয়
বাসার যে কোন স্থানে বসে আপনি আপনার ল্যাপটপ হতে ই-মেইল চেক করতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় তথ্য দেখে নিতে পারেন। আপনি এয়ারপোর্ট অথবা কফিশপ হতে অফিস নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারেন-এটা অভাবনীয় বটে! এমনকি কর্পোরেট নেটওয়ার্ক হতে ফাইল দেখা, উপস্থাপন করা, ইন্টারনেট ব্রাউজ করা, সহকর্মীদের নিকট ইনস্ট্যান্ট ম্যাসেজ পাঠানো এবং এসবের সবই করতে পারেন কনফারেন্স রুম অথবা কোম্পানী ক্যাফটেরিয়া হতেও।  আর এটি করা সম্ভব সহজ ও দ্রুততা সম্পন্নভাবে এই ওয়্যারলেস টেকনোলজির সুবাদে। এই হচ্ছে ওয়াই-ফাই, ওয়্যারলেস টেকনোলজি। আপনার সমগ্র অফিস স্থানান্তর ছাড়াই, নেটওয়ার্কিং ইনস্টল-এর ইনভেস্টমেন্টের কোন ঘাটতি ছাড়াই এমনকি অতিরিক্ত স্টাফ ছাড়াই ওয়াই-ফাই টেকনোলজিতে সংযুক্ত হতে পারেন।

ওয়াই-ফাই টেকনোলজি
এটি খুব শক্তিশালী। ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক রেডিও টেকনোলজি ব্যবহার করে যা IEEE 802.11b অথবা 802.11a নামে পরিচিত। এটি সিকিউর, রিলেবল যা দ্রুত ওয়ারলেস কানেক্ট করতে সক্ষম।

ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের আদ্যপ্রান্ত
টেকনোলজি নির্ভর পৃথিবী দিন দিন ছোট হয়ে আসছে। আর ওয়্যারলেস জগতে প্রবেশের ফলে পৃথিবীকে আপনার হাতের মুঠোয় পেয়ে যাবেন। আপনি মোবাইল কম্পিউটটিং হতে এর সকল সুবিধা নিতে পারেন।

ওয়াই-ফাই কে ব্যবহার করতে পারবেন
বিশ্বের যে কোন স্থান হতে যে কেউ ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারেন। হোম ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক মাল্টিপল কম্পিউটারে একে অন্যের সহিত কানেক্ট করতে পারে। একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক তার ফ্যামিলি কম্পিউটারের সহিত যেমন হার্ডওয়্যার, সফট্ওয়্যার রিসোর্স, প্রিন্টার এবং ইন্টারনেট শেয়ার করে। এর অর্থ ফ্যামিলির মধ্যে যে কেউ ফাইল, ফটো, ডকুমেন্ট এবং প্রিন্ট শেয়ার করে কোন ক্যাবল সংযোগ ছাড়াই। হোম অথবা হোম অফিসে ওয়াই-ফাই সার্টিফাইড ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করে এই ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক আপনাকে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট শেয়ার করার ক্ষমতা দেয়। একটি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে দশটি অথবা তার অধিক কম্পিউটার সংযুক্ত হতে পারে।

ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কি করতে সক্ষম
রেডিও ব্যান্ড-এর নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি অনুসারে ওয়াই-ফাই ডিভাইসসমূহ একে অন্যের সহিত সিগনাল রিসিভ করে। এই কম্পোনেন্ট সরাসরি একে অন্যের সহিত কানেক্ট হয় (যাকে পেয়ার টু পেয়ার বলা যায়) একটি গেটওয়ে বা এক্সেস পয়েন্টের মাধ্যমে। এই নেটওয়ার্কে ওয়াই-ফাই রেডিও সংযুক্ত হয় আপনার ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ এবং মোবাইল ডিভাইসসমূহ। এক্সেসপয়েন্ট অথবা গেটওয়ে বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করে। এটি সিগনাল সেন্ড অথবা রিসিভ করে ওয়াই-ফাই রেডিও হতে বিভিন্ন কম্পোনেন্ট একে অন্যের সহিত ইন্টারনেটে কানেক্ট করতে।  একটি সিঙ্গেল ইন্টারনেট কানেকশনের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সকল কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার অথবা ফাইল বিনিময় করে। কোন্টি প্রয়োজন পেয়ার টু পেয়ার নেটওয়ার্ক অথবা একটি বেইজ স্টেশন(একটি এক্সেস পয়েন্ট অথবা গেটওয়ে) একটি পেয়ার টু পেয়ার নেটওয়ার্ক ওয়াই-ফাই ইকুইপমেন্টসহ কম্পিউটারসমূহ বেইজ স্টেশন ছাড়াই সংযুক্ত হতে পারে। সকল ধরণের ওয়াই-ফাই সার্টিফাইট ইকুইপমেন্ট এই ধরণের ওয়ারলেস সেটআপ সাপোর্ট করে যা কম্পিউটারসমূহের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে অথবা একটি রুমের মধ্যে কতকগুলি কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে সক্ষম। যদি সীমিত বাজেটের কথা চিন্তা করেন সেক্ষেত্রে পেয়ার টু পেয়ার ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক ভাল সলিউশন প্রদান করতে পারে। আর এতে সহজেই ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারেন।

ল্যাপটপ, ডেস্কটপ ও পিডিএ-এর জন্য কি ধরণের ওয়াই-ফাই রেডিও অপশন
ল্যাপটপ
অনেক ল্যাপটপ কমিউটার এবং মোবাইল কম্পিউটিং ডিভাইসের মধ্যে ওয়াই-ফাই রেডিও বিল্টইন থাকছে। আর এগুলি ওয়্যারলেস অপারেটের জন্য প্রস্তুত। আবার অনেক ল্যাপটপে ওয়াই-ফাই রেডিও ইমবেডেড যা একটি পিসি কার্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়।
ডেস্কটপ
বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডেস্কটপ কম্পিউটারে এই নেটওয়ার্ক সংযুক্ত হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পিসি কার্ডের জন্য স্লট প্রোভাইড করে না। এর সহজতর মেথড হচ্ছে ইউএসবি ডিভাইস। এই ইউএসবি পোর্ট ডেস্কটপ কম্পিউটারের জন্য প্লাগ ইন। আপনার সিস্টেমে ইউএসবি পোর্ট না থাকলে আপনি পিসিআই অথবা আইএসএ বাস সলিউশন ইনস্টল করতে পারেন।
পিডিএ
পারসোনাল ডিজিটাল এ্যাসিস্ট্যান্ট যা পকেট পিসি নামে পরিচিত। এতে ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য কম্প্যাক্ট ফ্লাশ বিদ্যমান রয়েছে।

এক্সেস পয়েন্ট এবং গেটওয়ে-এর জন্য প্ল্যানিং
ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্ট অথবা গেটওয়ে ফাংশন নেটওয়ার্কে বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করে। এটি সকল ওয়্যারলেস ক্লায়েন্ট ডিভাইসসমূহ ল্যাপটপ কম্পিউটার, পিডিএ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ওয়্যারলেস পেরিফেরালস যেমন প্রিন্টার এ সেন্ট্রাল কানেকশন প্রতিষ্ঠা করে। বেইজ স্টেশন রেডিও সিগনাল ওয়াই-ফাই রেডিও হতে ল্যাপটপ অথবা পিসিতে পাঠায় ও গ্রহণ করে এবং নেটওয়ার্কে অন্যান্য ইউজারের মধ্যে ইন্টারনেট শেয়ার করে। এক্সেস পয়েন্ট ও গেটওয়ের মধ্যে একটি ওয়াইড রেঞ্জ ফিচার এবং দক্ষতা বিরাজমান রয়েছে কিন্তু তারা সকলেই বেসিক নেটওয়ার্ক কানেকশন সার্ভিস প্রোভাইড করে।

কতজন ইউজার একটি সিঙ্গেল এক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করতে পারে
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কতজন ইউজার একটি সিঙ্গেল এক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করে। একটি ৮০২.১১বি নেটওয়ার্ক প্রতিটি ইউজার এর জন্য ১১ এমবিপিএস ব্যান্ডউইথ প্রোভাইড করে। তত্ত্বীয়ভাবে, যদি ১০ জন ইউজার একইসময়ে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে তবে প্রতি ইউজার ১ এমবিপিএস অথবা এরূপ স্পিড পায়। নেটওয়ার্ক শেয়ার খুব সহজতর নয়। কারণ, এটি নির্ভর ইউজারের আচরণ বা ব্যবহারের প্রকৃতির উপর। কতজন ইউজার নেটওয়ার্কে কানেক্ট রয়েছে এবং তারা নেটওয়ার্কে কিভাবে কাজ করছে, কিরূপ স্পিড প্রয়োজন সবকিছুর উপর এই এক্সেস পয়েন্ট নির্ভর করে।

আপনার নেটওয়ার্কের জন্য কম্পনেন্ট পছন্দ করা
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক সেটআপ করতে হলে সে অনুযায়ী কম্পনেন্ট নির্ধারণ করতে হয়।

মোট ইউজার এবং কম্পিউটার নির্ধারণ করা
অধিকাংশ বাসায় সাধারনত তিনটি কম্পিউটার থাকে, স্মল বিজনেসের ক্ষেত্রে এ সংখ্যা ১৫ তে দাঁড়ায়। প্রতিটিতে একটি ওয়াই-ফাই রেডিও প্রয়োজন। কাজেই সে অনুযায়ী নির্ধারণ করুন কতটি ওয়াই-ফাই রেডিও দরকার। যদি আপনার ল্যাপটপে ওয়াই-ফাই রেডিও ইমবেডেড না থাকে সেক্ষেত্রে ওয়াই-ফাই পিসি কার্ড রেডিও-এর প্রয়োজন।
ল্যাপটপের সংখ্যা
-পিসি কার্ড
-ইন্টারনাল ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক কার্ড
ডেস্কটপ কম্পিউটারের সংখ্যা
-ইউএসবি অ্যাডাপটারের জন্য ইউএসবি জ্যাক
-পিসিআই অথবা আইএসআই অ্যাডাপটার
-পিসি কার্ড স্লট
পিডিএ-এর সংখ্যা
-পিসি কার্ড
-কম্প্যাক্ট ফ্লাশ ব্যবহার
-ওয়াই-ফাই রেডিও কম্পনেন্ট এর সর্বমোট সংখ্যা

ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য স্থান নির্বাচন
প্রতিটি কম্পিউটারের ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য স্থান নির্বাচন করুন। প্রতিটি কম্পিউটার বা কম্পনেন্টের জন্য ওয়াই-ফাই রেডিও ইনস্টল করুন যার মাধ্যমে আপনি নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারছেন।

বেইজ স্টেশনের সংখ্যা নির্ধারণ করা
নেটওয়ার্কে সেন্ট্রাল বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করার জন্য আপনার প্রয়োজন ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্ট অথবা গেটওয়ে। একটি টিপিক্যাল ওয়াই-ফাই এক্সেস পয়েন্টে ১৫ হতে ২০জন ইউজার কাজ করতে সক্ষম। খুব বৃহৎ পরিসরের নেটওয়ার্কের জন্য আপনি ডখঅঘ এ যেতে পারেন। এর বেসিক নিয়ম হচ্ছে ভিতরে ১০০ হতে ৩০০ ফুট পর্যন্ত এবং বাইরে ২০০০ ফুট পর্যন্ত। বিল্ডিং এর ধরণ অনুযায়ী এই রেঞ্জ ওঠানামা করতে পারে।

কতজন ইউজার আছে এবং তাদের কাজের ধরন
টিপিক্যাল ইউজার : (ই-মেইল পাঠানো, ইন্টারনেটে সার্চ করা এবং মাঝে মাঝে বড় ফাইল সেভ ও অপেন করা) এর জন্য সমাধান=সিঙ্গেল এক্সেস পয়েন্ট।
আরো চাহিদা সম্পন্ন ইউজার : (প্রায়ই বড় ফাইল বিনিময় করা, ভিডিও ব্যবহার করা) এর জন্য সমাধান=মাল্টিপল এক্সেস পয়েন্ট।
বৃহৎ পরিসরে : (৩০০ ফুটের উপরে একটি ওয়্যারহাউজ অথবা বৃহৎ অফিসে) এর জন্য সমাধান=মাল্টিপল এক্সেস পয়েন্ট।
মোট বেইজ স্টেশনের সংখ্যা নির্ধারণ করা।

কিভাবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হতে ইন্টারনেটে প্রবেশ করবেন
আপনি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে হাইস্পিড ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন ধরণের ইন্টারনেট কানেকশন রয়েছে, যেমন- ব্রডব্যান্ড, এডিএসএল, ওয়াইম্যাক্স প্রভৃতি। এই ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকশন হতে গেটওয়ে অথবা এক্সেস পয়েন্টে কানেক্ট হতে পারেন এবং ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে তা ডিস্ট্রিবিউট করা যায়।

ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক হতে কিভাবে প্রিন্টার কাজ করবে
যদি প্রিন্টার শেয়ার করতে চান তবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে কানেক্টের মাধ্যমে প্রিন্টার শেয়ার করতে পারেন এজন্য একটি প্রিন্টার সার্ভার ঠিক করুন যার কাজ হচ্ছে নেটওয়ার্কে প্রিন্ট সার্ভিস প্রদান। একটি ওয়্যারলেস প্রিন্ট সার্ভার একটি ছোট কম্পিউটার এবং একটি সিঙ্গেল বক্সে ওয়াই-ফাই রেডিও বিল্টইন থাকে। একটি ওয়াই-ফাই প্রিন্ট সার্ভার অথবা একটি ওয়াই-ফাই ইকুইপড প্রিন্টার নেটওয়ার্ক হতে প্রিন্টার এক্সেস করতে দেয়।

নেটওয়ার্ক হতে ডিভাইসসমূহ শেয়ার করা
ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ডিভাইস শেয়ারের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সাশ্রয়ী হতে পারেন। যেমন প্রতিটি কম্পিউটারে সব সময় নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই, এক্ষেত্রে ল্যাপটপ বা পিসির পিসি কার্ড, মোবাইল কম্পিউটটিং-এর ইউএসবি রেডিও/এ্যাডাপ্টার শেয়ার করা যায়।

ইকুইপমেন্টের ধরণ
বর্তমানে দুই ধরণের ওয়াই-ফাই কম্পনেন্ট রয়েছে। বাড়ীতে বা অফিস নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট মেশিনে ওয়াই-ফাই রেডিও ডিভাইস (ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, পিডিএ প্রভৃতি) এবং এক্সেস পয়েন্ট বা গেটওয়ে যা বেইজ স্টেশন হিসেবে কাজ করে।
পিসি কার্ড রেডিও ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক একটি রেডিও ব্যান্ড ব্যবহার ছাড়াও অন্যান্য ওয়াই-ফাই এনাবলড ইকুপমেন্ট এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট ডিভাইস হিসেবে পিসি কার্ড ওয়াই-ফাই রেডিও। ওয়াই-ফাই পিসি কার্ডে বিল্টইন এন্টেনা থাকে।
ইউএসবি অ্যাডাপ্টার অধিকাংশ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ওয়াই-ফাই রেডিও-এর জন্য পিসি স্লট নেই। এ সমস্যার সমাধানে পিসিআই/আইএসএ বাস অ্যাডাপ্টার অথবা ইউএসবি অ্যাডাপ্টার ব্যবহার করা যায়।
কম্প্যাক্ট ফ্লাশ কম্প্যাক্ট ফ্লাশ পিডিএ এবং অন্যান্য মোবাইল কম্পিউটিং এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি ওয়াই-ফাই কার্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

এক্সেস পয়েন্ট এবং গেটওয়ে
কার্যকরভাবে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে একটি সেন্ট্রাল বেইজ স্টেশন প্রয়োজন যা যোগাযোগে সংযোগ সাধন করে। দুই ধরণের ওয়াই-ফাই ওয়্যারলেস বেইজ স্টেশনঃ একটি গেটওয়ে এবং অন্যটি এক্সেস পয়েন্ট। বিশ্বে ওয়্যারলেস টেকনোলজি এখন ক্রমশঃ সম্প্রসারিত হচ্ছে। এর ফলে মানুষ তার যোগাযোগ নেটওয়ার্কে আরো বেশি গতিশীলতা আনতে পেরেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশও এই ওয়্যারলেস টেকনোলজিতে সম্পৃক্ত হয়েছে। একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড কোম্পানী তাদের সার্ভিসে অতি সম্প্রতি এই নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করেছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন পেশার মানুষ তার প্রফেশনাল কাজে স্মার্ট ও দক্ষতা ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এই প্রযুক্তির সুবিধা থেকে পিছিয়ে থাকবো কেন?


Read more ...

Thursday, October 27, 2011

এ সপ্তাহের কম্পিউটার যন্ত্রাংশের খুচরা বাজারদর

এ সপ্তাহের কম্পিউটার যন্ত্রাংশের খুচরা বাজারদর
শুক্রবার ২৮ অক্টোবর ২০১১ প্লাগ এন প্লে



প্রসেসর:
ইন্টেল কোর টু ডুয়ো (২.৯৩ গি.হা) ৮,৭০০, ইন্টেল সেলেরন ১.৮ গি.হা ২,৮০০; ইন্টেল কোর আই-৫ ২.৯ গি.হা. ১৫,৫০০;ইন্টেল কোর আই-৩-২১০০ ৩.১০গি.হা. ৯,৮০০;ইন্টেল কোর আই-৭-২৬০০ ৩.৪গি.হা. ২৫,৯০০ টাকা। পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর২.৮ গি.হা. ৪,৯০০ টাকা।

মাদারবোর্ড:
গিগাবাইট জিএ৪১এমটি-ডি৩ ৪,২০০; জি৪১এমকমবো ৪,২০০;এইচ৬৭এমএ ৭,৯০০;জিএ-জেড৬৮এমএ ১২,২০০টাকা। ইন্টেল ডিজি৪১ডব্লিভভি ৪,৩৫০;ডিএইচ৬৭সিএল ৯,৪০০; ডিজি৩৫ইসি ৪,০০০টাকা। আসুস পি৫জি-৪১টি-এমজি৪১ ৩,৯০০। ফক্সকন এইচ৫৫এমএক্সভি ৫,০০০; পি৩৫এএক্স-এস ৩,৬০০;জি৪১এমএক্সভি ৩,৭০০টাকা

র‌্যাম:
২ গি.বা. ডিডিআর-২ ১,৯০০, ২ গি.বা. ডিডিআর-৩ ১,১০০ টাকা।

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
৩২০ গি.বা. ৩,০৫০; ৫০০ গি.বা. ৩,৬০০ টাকা। হিটাচি ১ টেরাবাইট ৫,৬০০; ; ৫০০ গি.বা. ৩,৯০০ ২ টেরাবাইট ৮,৭০০ টাকা।
HDD এর বাজারে আগুন জলতাছে ...।।এই মাসে কেও HDD না কিনা এ ভালো হবে


পেনড্রাইভ:
অ্যাপাসার ৪ গি.বা. ৪২৫, ৮ গি.বা. ৭৫০ থেকে ১,৩৫০।

এলসিডি মনিটর:
স্যামসাং ১র্৭র্ ৮,২০০; ১৮.র্৫র্ ৭,৯০০; ২র্০র্ ১১,২০০; ২১.র্৫র্ ১৩,২০০; ২র্৪র্ ২৪,২০০ টাকা। ফিলিপস ১৮.র্৫র্ ৮,১০০টাকা।ডেল ১৮.র্৫র্ ৭,৯০০ টাকা।এলজি ১৮.৫র্ র্ ৭,৯০০; ১৭র্ র্ ৭,৪০০; ২১.৫র্ র্ ১৪,৪০০ টাকা। হাইউন্দাই; ১৮.৫র্ র্ ৮,৯০০, ১র্৯র্ ৮,৭০০; ২র্৩র্ (এইচডি) ২৪,০০০ টাকা। গ্রাফিকস কার্ড: গিগাবাইট এইচ ডি-৫৫৭০ ১গি.বা. ৫,৫০০, গিগাবাইট৫৮৩০ ১গি.বা. ১৫,৫০০ টাকা। এক্সএফএক্স এইচ ডি-৫৪৫০ ১গি.বা.৪,০০০ টাকা। আসুস: ৫১২ গি.বা. ৩,৭০০, এক্সএফএক্স এইচডি৪৫৫০ ১ গি.বা. ৩,৯০০ টাকা।

ডিভিডি রাইটার/রি-রাইটার:
স্যামসাং ৫২x২৪x৫২এক্স ১,৪৫০ টাকা।আসুস ৫২x৩২x৫২এক্স ১,৭৫০ টাকা। সনি ডিভিডি-আরডব্লিউ ১,৭৫০ টাকা।

কেসিং:
১,৪০০ থেকে ১২,০০০ টাকা।

মাউস:
২০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। কি-বোর্ড: সাধারণ ২৫০ থেকে ১,৫০০ টাকা। মাল্টিমিডিয়া ৫৫০ টাকা।

স্পিকার:

মাইক্রোল্যাব (২:১) ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা। ক্রিয়েটিভ এসবিএস(২:১) ২৫০০ থেকে ৩,২০০টাকা। গোল্ডেন ব্রিজ এফটি৮০৫ (২:১) ১,৩০০ টাকা।

জিপিআরএস মডেম:
মোবিডেটা ইডিজিই ১০০ইইউ ২,৩৫০; এইচএসডিপিএ ১০০এইচইউ ৩,১০০ টাকা। টেকনো টিএম০০৮ ২,১০০ টাকা। মোবিডাটা ২,৪০০ টাকা (ইউএসবি)।

টিভি কার্ড:
এভারমিডিয়া ইন্টারনাল ২,৭৫০; এক্সটারনাল ডাব্লিউ৭ ৪,৪০০ টাকা।রিয়েলভিউ আরভি ১,৮০০ টাকা।

প্রিন্টার:
ক্যানন পিক্সমা আইপি-২৭৭২ ২৮,০০ টাকা। এইচপি২০৫০ ডেস্কজেট ৫,০০০ টাকা। এপসন টি৬০ ১২,০০০ টাকা। এইচপি লেজার পি-১১০২ ৮,১০০ টাকা এইচপি১৬৬০ ইনজেট ২,৬০০ টাকা। ব্রাদার এইচএল ৫৩৪০ডি ১৬,৭০০ টাকা। স্যামসাং এমএল ১৬৬৬ (লেজার) ৫,৩০০। ডেল ৮,৯০০ থেকে ২১,০০০ টাকা।

পোর্টেবল হার্ডডিস্ক:
ট্রানসেন্ড ৩২০ গি.বা ৪৬০০; ৫০০ গি.বা ৫,৭০০; ৬৪০ গি.বা ৬,২০০, ২ টেরাবাইট ৯,৩০০ টাকা। এডেটা ৫০০ গি.বা. ৫,৩০০।

ইউপিএস:
ডিজিটেক ৬৫০ ভিএ ২,৪০০ টাকা ; ৮০০ ভিএ ২,৯০০ টাকা ১২০০ ভিএ ৪,৮০০ টাকা , ৩কেভিএ ৩৬,০০০ টাকা, ১০ কেভিএ ১,০৫,০০০টাকা।

বিশেষ দ্রবষ্ট্য : এখানে শুধু যন্ত্রাংশের দাম দেওয়া হয়েছে। পুরো কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে সংযোজন খরচ ও সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে। দাম উঠা নামা করা সাভাবিক বেপার ।

Powered By Plug N Play

Read more ...

Wednesday, October 26, 2011

কিছু বড় বড় ওয়েবসাইটের মালিকের নাম, না জানলে জেনে নিন...

কিছু বড় বড় ওয়েবসাইটের মালিকের নাম, না জানলে জেনে নিন...

● Google - এর প্রতিষ্ঠাতা: Sergey Brin, Larry Page

● Facebook - এর প্রতিষ্ঠাতা: Mark Zuckerberg, Dustin Moskovitz, Chris Hughes, Eduardo Saverin (এবার জাহাঙ্গীর নগরের বানিজ্য বিভাগে এ প্রশ্নটা আসছে!!)

● Wikipedia - এর প্রতিষ্ঠাতা: Jimmy Wales, Larry Sanger

● Youtube - এর প্রতিষ্ঠাতা: Steve Chen, Chad Hurley, Jawed Karim

● Twitter - এর প্রতিষ্ঠাতা: Evan Williams, Biz Stone, Jack Dorsey

● eBay - এর প্রতিষ্ঠাতা: Pierre Omidyar

● Orkut - এর প্রতিষ্ঠাতা: Orkut Buyukkokten

● MySpace - এর প্রতিষ্ঠাতা: Tom Anderson, Chris DeWolfe

● Friendster - এর প্রতিষ্ঠাতা: Jonathan Abrams

● Yahoo - এর প্রতিষ্ঠাতা: David Filo, Jerry Yang

● Hotmail - এর প্রতিষ্ঠাতা: Sabeer Bhatia

● Wikileaks - এর প্রতিষ্ঠাতা: Julian Assange

Read more ...

আপনি কি জানেন ফেসবুকে আপনি কতটুকু নিরাপদ ? না জানলে জেনে নিন !

ফেসবুক বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় ও সর্বাধিক ব্যবহৃত একটি সোশাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট।হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির ১৯ বছরবয়সী মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুকের অভিষেক ঘটান। ফেব্রুয়ারিতেই হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির আন্ডারগ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেক ফেসবুকে রেজিস্ট্রেশন করেন। বর্তমানে ফেসবুকের রয়েছে ১৪০ মিলিয়নেরও (১৪কোটি) বেশি ব্যবহারকারী।পরিসংখ্যানে দেখা যায়,বিশ্বব্যাপী ফেসবুকের গতবছরের মাসিক ক্রমবৃদ্ধি ১১৮%।বিখ্যাত এ সেবাটি ব্যবহারসম্পূর্ণ বিনামূল্যে হলেও ফেসবুক ব্যবহারকরা কতোটা নিরাপদ, একবার ভেবে দেখেছেন কি ? মনে হতে পারে, এতো বড় একটি সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটে কোনো গলদতো থাকতেই পারে না। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার একান্ত ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে ব্যবসা করছে ফেসবুক?তারচেয়েও মজার ব্যাপার হলো,আপনিই আপনার নিজের অজান্তে তাদের অনুমতি দিচ্ছেন আপনার তথ্যনিয়ে ব্যবসা করার।রেজিস্ট্রেশনের সময় টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস এবং প্রাইভেসি পলিসিরসঙ্গে একমত পোষণ করা মানেই আপনার ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর ফেসবুকের হস্তক্ষেপের অধিকার সমর্থন করা। আসুন বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে জনপ্রিয়ও বহুল ব্যবহৃত এ সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটস ম্পর্কে এমন কিছু চমকপ্রদতথ্য জেনে নিই যা জানলে ফেসবুক ব্যবহার করা কেন শুরু করলেন, এ আফসোস করতে পারেন অনেকেই।

ফেসবুক ব্যবহার করার মধ্যদিয়ে আপনার ব্রাউজারে বেশ কিছু কুকি জমা হচ্ছে। এসব কুকি ফেসবুকই আপনার ব্রাউজারে জমা করছে। এসব কুকি আপনার ব্রাউজার ব্যবহার করে অন্যান্য ওয়েবসাইট ব্যবহার করার সময় আপনার ফেসবুক একাউন্টকে আইডেন্টিফাই করে দেয়।আপনি যদি ব্রাউজারে কুকি ডিজঅ্যাবল করে রাখেন,তাহলে আপনি ফেসবুকে ঢুকতেই পারবেন না। ১০ বিলিয়নেরও বেশি সংখ্যকছবি রয়েছে ফেসবুকে, যা আপনারমতোই সাধারণব্যবহারকারী কর্তৃক আপলোডকৃত। অর্থাৎ ফেসবুক শুধু সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইটই নয়,বরং বিশ্বের এক নাম্বার ফটো শেয়ারিং ওয়েবসাইটই বটে! কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়হচ্ছে, ফেসবুকের প্রাইভেসি পলিসি মতে, ব্যবহারকারী ছবি আপলোডের মাধ্যমে ছবির সব অধিকার ফেসবুককে দিয়ে দিচ্ছেন।অর্থাৎ ফেসবুক আপনার ছবি নিয়ে যা ইচ্ছা তা করতে পারবে।আপনি কি জানেন, ফেসবুক আপনার ব্যক্তিগত তথ্য এবং ফেসবুকে আপনার কর্মকা-সব সংরক্ষণ করে?এমনকি আপনি যদি আপনার একাউন্ট ডিলিটও করে ফেলেন,তবুও ফেসবুকের কাছে আপনার সব তথ্য সংরক্ষিতথাকবে। ফেসবুকের বর্তমানে নিযুক্ত ব্যারিস্টার টেড আমেরিকার সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) সাবেক অ্যাটর্নি ছিলেন।বলা বাহুল্য, তিনি সিআইএর ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’অভিযানে প্রাইভেসি ইস্যুনিয়ে ঘাঁটাঘাঁটিতে বিখ্যাত ছিলেন। অর্থাৎফেসবুকে ব্যবহারকারীদের
ব্যক্তিগত তথ্যাদি নিয়ে ঘাঁটা ঘাঁটিরকাজে নিয়োজিত আছেন একজন বিখ্যাত সিআইএ অ্যাটর্নি। ৪০টি বড় ধরনের ওয়েবসাইটে আপনার কর্মকাের ব্যাপারে অবগত আছে ফেসবুক,যাদের সঙ্গে ফেসবুকের পার্টনারশিপ আছে। সেসব৪০টি সাইটের কোনোটা না কোনোটা হয়তো আপনি ব্যবহার করেন। ব্যবহারের সময় সেসব সাইট আপনার ফেসবুক একাউন্টকে আইডেন্টিফাই করে ফেসবুক কর্তৃক আপনার ব্রাউজারে জমা করা কুকির মাধ্যমে। ফেসবুকের মালিক মার্কজুকারবার্গ ফেসবুককে বিক্রি করার একটি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রস্তাবে ফেসবুকের দাম ৯৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত উঠেছিল। ফেসবুক যদি বিক্রি করা হয়,তাহলে ক্রেতার কাছে ফেসবুকের সব ব্যবহারকারীর সব ব্যক্তিগত তথ্যও হস্তান্তর হয়ে যাবে। এমনকি যাদের একাউন্ট ডিলিট করা হয়েছে বা যারা ইচ্ছা করেই ফেসবুক ত্যাগ করেছেন, তাদের তথ্যও! এর মানে হচ্ছে এই যে,আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যা একবার ফেসবুকে দেয়া হয়েছে,এগুলোকে শেষ করার কোনো উপায় নেই। এ ক্ষেত্রে আপনি একবার ফেসবুকে প্রবেশ করেছেন তো আপনি ফেসবুকে অমর হয়ে থাকবেন! ফেসবুক ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ তাদের কোম্পানির ১.৬ শতাংশস্টেক মাইক্রোসফটের কাছে ২৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করতে সম্মত হয়। অর্থাৎ এক্সক্লুসিভ থার্ড পার্টি কোম্পানি হয়েও মাইক্রোসফট ফেসবুকের সব প্রোফাইলের যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্যাদি পেয়ে যাবে।ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৩০ শতাংশ ব্যবহারকারীই বিশ্বের সবচেয়ে অল্পবয়সী বিলিওনেয়ার বা শতকোটিপতি (১.৫ বিলিয়নডলারের অধিকারী)! সাইবার স্পেসে ব্যক্তিগত তথ্যাদি অত্যন্ত মূল্যবান এবং এসব গোপন রাখা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ফেসবুকে দেয়া প্রত্যেকটি গোপনীয়ও ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুক আজীবন সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজনে তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রির অধিকারও সংরক্ষণ করে। আপনি কি কখনো লক্ষ্য করেছেন,ফেসবুক ব্যবহারের সময়পাশে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনগুলো আপনার পছন্দের সঙ্গে মিলে যায়? ফেসবুকের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া সাইবারস্পেসে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত কার্যক্রম প্রত্যক্ষ ও বিশ্লেষণ করে যাতে ব্যক্তিগত তথ্যগুলোকে আরো মূল্যবান করে তোলা যায়। অর্থাৎ,ফেসবুকের একটি গোপন চোখ সবসময়ই আপনার একান্ত ব্যক্তিগত কার্যক্রমের ওপর নজর রেখে চলেছে!প্রণীত আইনঅনুসারে, আপনি যে দেশে অবস্থান করছেন,সে দেশে ফেসবুকের কোনো কার্যালয় না থাকলে ফেসবুকের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারেননা। কারণ, আপনার কোনো অভিযোগ গ্রহণ করা হবে না।তুমুল বিতর্কের পর ফেসবুকের প্রধান মার্ক স্বীকার করেন,ফেসবুক থার্ডপার্টি ওয়েবসাইট থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করে।এমনকি মুছে দেয়া প্রোফাইলের ব্যবহারকারীর তথ্যও ফেসবুক সংগ্রহ ও সংরক্ষণ অব্যাহত রাখে। ফেসবুক তৈরিতে মার্কহার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অন্য ছাত্রদের আইডিয়া চুরি করেছেন, এমন একটি দাবি এবং এ নিয়ে আইনি জটিলতাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য ফেসবুক ২০০৮ সালের জুনে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে রাজি হয়, এ টাকার পরিমাণ কখনো প্রকাশ করা হয়নি।আপনি যদি আপনার নাম, ই-মেইল ঠিকানা,ঠিকানা ইত্যাদি পরিবর্তনও করে ফেলেন, তবুও ফেসবুকের‘ফ্রেন্ড ফাইন্ডার’অপশনে আপনার সবপুরনো তথ্যাদির রেকর্ড সংরক্ষিত থাকে। আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে আপনার মোবাইল নাম্বার ‘টাইপ করা’ মোবাইল স্প্যামিং বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।গত বছর ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দ্বারা প্রায় ১হাজার ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন ব্যানকরা হয়েছে। ফেসবুকের অ্যাপ্লিকেশনগুলো পুরোপুরিই সাধারণ ব্যবহারকারীদের দ্বারা তৈরি এবং এগুলো ব্যবহার করা মোটেই নিরাপদ নয়।সুতরাং, ফেসবুক অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার সময় সতর্ক থাকুন এবং ব্যক্তিগত তথ্যাদি দেয়া থেকে বিরত থাকুন। সম্প্রতি ফেসবুকের নতুন সংস্করণ উন্মুক্ত হয়েছে।কিন্তু বেশকিছু কারণে ৭০লাখেরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী নতুন ফেসবুকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বা আপত্তি জানানোর উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি গ্রুপগুলোতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন। এফবিআইয়ের পরামর্শ মতে,গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত লোকজনের (যেমন পুলিশ অফিসার)উচিত ফেসবুক থেকে ব্যক্তিগত তথ্যাদি মুছে ফেলা। কারণ,ফেসবুক থেকে ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার খুব সহজেই করা সম্ভব এবং এমনটা হয়ে থাকে। ফেসবুক দাবি করে, তাদের সম্ভাব্য সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রয়েছে। কিন্তু এমআইটির (ম্যাসাচুসেটসইন্সটিটিউট অফ টেকনোলোজি) দুজন ছাত্র স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটেড স্ক্রিপ্টব্যবহার করে ৭০ হাজারেরও বেশি ফেসবুক প্রোফাইল ডাউনলোড করতে সক্ষম হয়েছিল।এতে বোঝা যায়, ফেসবুকের দাবি সঠিক নয় এবং ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকে প্রকাশকরা বা দেয়া অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ফেসবুকের একটি বড় সংখ্যক প্রোফাইলই পেশাদার জালিয়াতদের দ্বারা তৈরি।এসব প্রোফাইলের মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে বন্ধুত্বের আবেদন পাঠায় এবং আবেদন গৃহীত হওয়ার পর প্রোফাইলে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেয়। তাই অপরিচিত কারো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করার আগে দশবার চিন্তা করুন! ৪ হাজারেরও বেশি বন্ধু আছে এমন ফেসবুক একাউন্টগুলো প্রায়ই কোনো প্রকার কারণ দর্শানো বা কারণ ব্যাখ্যা করা ছাড়াই বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ব্যাপারে ফেসবুকের টার্ম অফএগ্রিমেন্টে কিছু উল্লেখ করা নেই। ফেসবুক ব্যবহারের মধ্য দিয়ে আপনি বৈশ্বিক সাইবার অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন! কেননা আপনার ব্যক্তিগত তথ্যাদি ফেসবুকের অন্যান্য পার্টনারদের কাছে ট্রান্সফার করা হচ্ছে,যাদের ব্যাপারে আপনার হয়তো কোনো ধারণাই নেই। সম্প্রতি ফেসবুক বেশকিছু ভয়াবহ ভাইরাস শনাক্ত করেছে,যা ব্যবহারকারীকে বিনামূল্যে ভিডিওর কথা বলে আক্রমণ করে। অতএব,ফেসবুকে প্রাপ্ত কোনো লিংকে ক্লিক করার সময় সতর্ক থাকুন। ক্লিক না করাই নিরাপদ থাকার শ্রেষ্ঠ উপায়। ফেসবুক থেকে প্রায়ই চুক্তিপত্রের নীতিমালা লঙ্ঘনের নামে ছবি মুছে দেয়া হয়ে থাকে।তবে এসব ছবি চুক্তিপত্রের ঠিক কোন ধরনের লঙ্ঘনের কারণে মুছে দেয়া হয়েছে,তা কখনোই ব্যবহারকারীকে জানানো হয়না। অর্থাৎ ফেসবুকে আপনার ছবি অকারণেই ডিলিট বা অপব্যবহারের শিকার হতে পারে। ফেসবুক বিশ্বব্যাপী তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও এটি ব্যবহার যে সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, তা কিন্তু ফেসবুক নিজেই উল্লেখ করে রেখেছে তাদের টার্মস অফ এগ্রিমেন্টএবং প্রাইভেসি পলিসিতে।কিন্তুসাধারণত কোথাও রেজিস্ট্রেশনের সময় ব্যবহারকারীরা এগ্রিমেন্টে রসঙ্গে একমত পোষণ করে রেজিস্ট্রেশন করলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়,ব্যবহারকারী জানেনই না সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নীতিমালা কী বা গোপনীয়তার নীতি কী। ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তারই পরিণাম ভোগ করতে হবে নিজেদের ব্যক্তিগত তথ্য পাচার হয়ে যাওয়ার মাধ্যমে।সুতরাং, ফেসবুকে কোনোক্রমেই ব্যক্তিগত ও গোপনীয় তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়।অন্যথায় আপনার তথ্য নিয়ে ব্যবসা চালাতে থাকবে ‘জনপ্রিয়’ ও ‘বিশ্ববিখ্যাত’ এই নেটওয়ার্কটি।

Read more ...

Saturday, October 22, 2011

পুরো ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া অথবা আবার চালু করার ক্ষমতা আমেরিকান সরকারের হাতে

ইন্টারনেট আবিস্কার হয় ১৯৬০ সালে, আমেরিকা সরকার প্রথম ইন্টারনেট ব্যবহার করত তাদের সেনাবাহিনীর জন্য, পরে আস্তে আস্তে অনন্য বিভাগে ইন্টারনেট এর ব্যবহার শুরু করে। ২০০৯ এর গবেষণায় পৃথিবীর ৪ ভাগের ১ ভাগ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। ২০০০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যবহার কারীর সংখা বেড়েছে ৩৯৪ মিলিয়ন থেকে ১.৮৫৮ বিলিয়ন।
- পুরো ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া অথবা আবার চালু করার ক্ষমতা আমেরিকান সরকারের হাতে, ICANN's security scheme নামের একটি সরকারী সংস্থা এটার প্রধান authority . ওরা পৃথিবীর সাত জন বিশ্বস্ত ইন্টারনেট ব্যবসায়ী -কে DNSSEC Root Key বহন করার দায়িত্ব দিয়েছেন , যারা ইচ্ছা করলে সর্বনিম্ন ৫ জন একসাথে হয়ে আমেরিকার ১ টি গোপন স্থানে DNSSEC Root Key দিয়ে পুরো ইন্টারনেট বন্ধ করে দিতে পারবে। এই সাত জন মানুষের অবস্থান : ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বুর্কিনা ফাসো,ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, কানাডা, চীন, চেক প্রজাতন্ত্র।

Read more ...

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে ‘আইডিয়া চোর’ বলেই জানতেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠা স্টিভ জবস।

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে ‘আইডিয়া চোর’ বলেই জানতেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠা স্টিভ জবস। এ ছাড়া তিনি গুগল উদ্ভাবিত অ্যান্ড্রয়েডের ওপর যারপরনাই ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি মনে করতেন, প্রযুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘চুরি’ এই অ্যান্ড্রয়েড। এটাই ছিল তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ। আমৃত্যু তিনি বিশ্বাস করতেন, নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান গুগল অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে আইফোনের অপারেটিং সিস্টেম নকল করে। অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাপারে তাঁর এই মনোভাব জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল ছিল। তিনি চেয়েছিলেন যেকোনো মূল্যে অ্যান্ড্রয়েডকে ধ্বংস করে দিতে।
২৪ অক্টোবর স্টিভ জবসের বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত আত্মজীবনী গ্রন্থ প্রকাশিত হবে। সেই গ্রন্থের কিছু চুম্বক অংশ হাতে এসেছে বার্তা সংস্থা এপি ও হাফিংটন পোস্ট নামের একটি পত্রিকার মাধ্যমে। সেই চুম্বক অংশগুলো শুক্রবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ও বার্তা সংস্থার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কিছু বিষয়ে বিশেষত মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্পর্কে স্টিভ জবসের চিন্তাভাবনা ও মনোভাব ফুটে উঠেছে।
অ্যান্ড্রয়েড একটি ‘চুরির পণ্য’
স্টিভ জবস মনেপ্রাণেই বিশ্বাস করতেন অ্যান্ড্রয়েড একটি ‘চুরির পণ্য’। গুগল এই চুরিটা করেছে আইফোন অপারেটিং সিস্টেম (আইওএস) থেকে। তিনি অ্যান্ড্রয়েডকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দরকার হলে আমি অ্যান্ড্রয়েডকে পৃথিবী থেকে বিদায় করতে অ্যাপলের রিজার্ভ ৪০০ কোটি ডলারের পুরোটাই খরচ করব।’
সম্প্রতি অ্যাপলের সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে বিভিন্ন মোবাইল-প্রযুক্তি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যেমন স্যামসাং, মটোরোলা, এইচটিসির বিভিন্ন দেশে আইনি লড়াই চলছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, অ্যাপল এখনো অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে গুগলের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। স্টিভ জবস তাঁর আত্মজীবনী লেখক ওয়াল্টার ইসাকসনকে বলেছিলেন, তিনি যেকোনো মূল্যে অ্যান্ড্রয়েডের কবল থেকে রেহাই চান। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি অ্যান্ড্রয়েডকে ধ্বংস করে ছাড়ব। কারণ এটি একটি চুরির পণ্য। এর বিরুদ্ধে ‘থার্মোনিউক্লিয়ার’ যুদ্ধেও আপত্তি নেই আমার।’ জবস ইসাকসনকে বলেন, ‘গুগল অ্যাপলের আইডিয়া মেরে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। এখন কেউ যদি এর বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করার জন্য আমাকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারও ঘুষ প্রস্তাব দেয়, তা-ও আমি প্রত্যাখ্যান করব। আমি শুধু অ্যান্ড্রয়েড নামের এই প্রতারণার শেষ দেখতে চাই।’ তবে অ্যান্ড্রয়েডের বিরুদ্ধে এই মনোভাব পরিবর্তনের জন্য কেউ তাঁকে ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছিল কি না, ইসাকসনের কাছে জবস তা পরিষ্কার করেননি।
বিল গেটস সম্পর্কে স্টিভ জবস
বিল গেটসকে একেবারেই পছন্দ করতেন না স্টিভ জবস। তিনি মনে করতেন গেটস যা কিছু করেছেন, সবই অন্যের আইডিয়া চুরি করে। বিল গেটস সম্পর্কে জবসের ধারণা ছিল, ‘এই লোকটি আসলে একজন অচিন্তাশীল ব্যক্তি।’ তিনি বলতেন, ‘তাঁর কাজই হচ্ছে, নির্লজ্জের মতো অন্যের আইডিয়া মেরে দেওয়া।’
বার্তা সংস্থা এপির বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, বিল গেটসকে অপছন্দ করতেন বলেই তাঁর আমন্ত্রণে কোনো প্রকার দাতব্য কার্যক্রমে অংশ নেননি জবস। তিনি বলেছিলেন, বিল গেটস খুব ভালো করেই জানেন, তিনি অন্যের আইডিয়া মেরে দিয়েছেন। তাই তাঁর মধ্যে সব সময় একটা খচখচানি কাজ করে। আর সে কারণেই দানে তাঁর এত আগ্রহ।
অন্যদিকে বিল গেটস কিন্তু জবসকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান সব সময় দিয়ে এসেছেন। ২০০৭ সালে একটি অনুষ্ঠানে বিল গেটস স্টিভ জবসকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের উদ্ভাবনকারী হিসেবেই অভিহিত করেছিলেন। জবস কিন্তু সেই প্রতিদান দেননি কখনোই।
বারাক ওবামা সম্পর্কে জবস
২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন স্টিভ জবস । তিনি ওবামাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন অ্যাপলের কমিউনিকেশন উইং ওবামার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব পেতে আগ্রহী। ওবামার তত্কালীন প্রধান কৌশল প্রণয়নকারী ডেভিড অ্যাক্সেলরডের কারণেই সেই দায়িত্ব পাননি জবস। তবে মৃত্যুর আগেও তাঁর ইচ্ছা ছিল ওবামার ২০১২ সালের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বটি তিনিই পাবেন।
২০১০ সালে বারাক ওবামার সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল জবসের। সেখানে ওবামার মুখের ওপরই একটি অপ্রিয় কথা বলে ফেলেছিলেন জবস। তিনি ওবামাকে বলেছিলেন, ‘আমি আপনার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছি না।’
অন্যান্য বিষয়ে জবস
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের মতো করেই ভাবতেন স্টিভ জবস। ২০০৪ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মৃত্যু তাঁর চিন্তাভাবনার অনেকটাই আচ্ছন্ন করেছিল। জীবন সম্পর্কে তিনি ইসাকসনকে বলেছিলেন, ‘প্রতিটি মানুষই খুব অল্প সময়ের জন্য পৃথিবীতে আসে। কেউ জানে না কত দিনের জন্য আসলে আমরা পৃথিবীতে থাকার অধিকার পেয়েছি। তবে এই সময়ের মধ্যে অনেকেই ভালো কিছু কাজ করে।’ নিজের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, তরুণ বয়সেই কিছু ভালো কাজ করার সুযোগ আমি পেয়েছিলাম।’
জবস চেয়েছিলেন, তাঁর সন্তানেরা তাঁকে ভালোভাবে জানুক। স্বভাবে নিভৃতচারী জবস সে কারণেই আত্মজীবনীর ব্যাপারে উত্সাহী ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চাই আমার সন্তানেরা ভালো করে জানুক, আমি পুরো জীবনে কী করেছি। কীভাবে এই জায়গায় এসেছি।’

Read more ...

Monday, October 17, 2011

অবশেষে ৮.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলারে স্কাইপির মালিকানা কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট

অনেক গুজব আর আলোচনার পর অবশেষে ইন্টারনেট ভিডিও চ্যাট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্কাইপিকে কিনে নিয়েছে মাইক্রোসফট।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে প্রতিষ্ঠান দুইটির অংশগ্রহনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এর দায়িত্ব বুঝে পান মাইক্রোসফট।

উল্লেখ্য, চুক্তিবদ্ধ হওয়ার প্রায় পাচঁ মাস পর চুড়ান্ত এই ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট। সূত্র মতে, ৮.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলারে স্কাইপির মালিকানা নিয়েছে মাইক্রোসফট।

এ মুহূর্তে মাইক্রোসফট আশাবাদী যে মোবাইল ফোন, ডিজিটাল ভিডিও, সামাজিক মাধ্যমসহ টেকনোলজি এবং মিডিয়ার জনপ্রিয় বাজার ধরার কাজে স্কাইপির গুরুত্ব প্রচুর। এছাড়া এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে স্কাইপির চাহিদার বিষয়টি। গত বছর স্কাইপির প্রায় ১৭০ মিলিয়ন ব্যবহারকারী ২০৭ বিলিয়ন মিনিটের ভয়েজ এবং ভিডিও কল করেছে। যা কয়েক বছরেও এই সীমারেখায় পৌঁছানো দুসাধ্য। এদিকে মাইক্রোসফট বলছে স্কাইপি বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার বাজারের একটি অংশ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

এরইমধ্যে স্কাইপির সিইও টনি বেটস এই সেবা পরিচালনার জন্য মাইক্রোসফটে যোগ দিয়েছেন। অতিশীঘ্রই মাইক্রোসফটের

সিইও স্টিভ বেলমারকে এ বিষয়ে প্রতিবেদন পেশ করার কথা জানান টনি বেটস।

সুত্র:http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=fd7d8e1d9691a087a12a2eb5afcfe8a0&nttl=2011101702500463568&toppos=7

Read more ...

Saturday, October 1, 2011

কুমিল্লা, জেলার কম্পিউটার ক্রয়-বিক্রয় জোন

[ পিসি নেট কম্পিউটার ] ডি/৭ টাউন হল সুপার মার্কেট (১ম তলা) কান্দিরপাড়, কুমিল্লা। ফোনঃ ০৮১-৬২৪২৯, ০১৭১১৩৯২৩৫৮. [ আইটি প্যালেস ] ছাত্তার খাঁন কমপ্লেক্স (৪র্থ তলা) কান্দিরপাড়, কুমিল্লা। ফোনঃ০৮১-৭১২৭০, ০১৭১১৩৮৮২৮৬। [ হোসেন ইলেকট্রনিক এন্ড কম্পিউটার ] কান্দিরপাড়, দীপিকা সিনেমা হল এর বিপরীতে, কুমিল্লা। ফোনঃ ০৮১-৬৫৯৫৭, ০১৭১৫১৯২৪৬৬। [ ডেস্কটপ আইটি ] হাউজিং এষ্টেট, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১১৩৪৮১৯৩, ০১৮১৯৫০২৬১৩। [ আনন্দ কম্পিউটার ] ৩/৪০, ইষ্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা (৩য় তলা), কুমিল্লা। ফোনঃ ০৮১-৭৭৪৭০, ০১৭১১১০১০৮৩। সফট্‌ লিংন্‌ক ১/এ, টাউন হল সুপার মর্কেট (২য় তলা), কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১১০৬৩৭৮। লুনিক আইটি কুমিল্লা টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স (নীচ তলা) লাকসাম রোড, কুমিল্লা। মোবাইলঃ ০১৭১১৮১০৪৯৮ । [ বিজন্যাস সলিউশন টেকনোলজী ] হাউজিং এষ্টেট, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১১৩৪৮১৯৩, ০১৮১৯৫০২৬১৩। [ এমএসএন কম্পিউটার ] টমছমব্রীজ, কুমিল্লা। ফোনঃ ৬৩৩৫৬, ০১৭১৫২৬৩৩৫৬। [ কম্পিউটার জোন ] ৩/২১, ইষ্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা, ৩য় তলা, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১৩১৬১১১৫। [ ইলিট টেকনোলজি ] ১০৭, কুমিল্লা টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স (নীচ তলা) লাকসাম রোড, কুমিল্লা। মোবাইলঃ ০১৭১১১৮২৬৫৬ Email:rzmahmud@gmail.com [ প্লাগ এন প্লে ] ৩/২৮ ইর্ষ্টাণ ইয়াকুব প্লাজা, (৩য় তলা) কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৬৭৪৪৪৫০৩৩. [ ওবাইকেন আইটি ] চাঁপাপুর, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১৪৪৬৩৩৭২

[ প্লাগ এন প্লে ] ৩/২৮ ইর্ষ্টাণ ইয়াকুব প্লাজা, (৩য় তলা)

Read more ...

Sunday, September 18, 2011

ডোমেইন অথবা হোস্টিং কিনতে চান? কেনার আগে যে সব বিষয় ভেবে দেখবেন।

অনেকেই ব্যক্তিগত ওয়েব সাইট অথবা প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়েব সাইট খুলতে চান। এজন্য প্রথমেই দরকার একটি ডোমেইন নেম। তারপর ডোমেইনটি হোস্ট করার জন্য ওয়েব স্পেস।পৃথিবীতে হাজার হাজার কোম্পানি আছে ডোমেইন এবং হোস্টিং সেবা প্রদানের জন্য। কিন্তু সবগুলোই ভাল সার্ভিস প্রদান করে না। অনেকেই আছেন যারা হুট করে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ফেলেন। পরে এটি থেকে নিজের মনের মতো সুবিধা না পেলে দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া কিছু করার থাকে না।তাই যে সব বিষয় সম্পর্কে অবগত না হয়ে ডোমেইন এবং হোস্টিং কেনা উচিত না বলে আমি মনে করছি তা আগেই জেনে নিন।

ডোমেইন কেনার আগে যা ভাববেন-
১. ডোমেইন নেম কেমন হবে-

  • মানুষ ডোমেইন মানেই ডট কমকে মনে করে থাকে। তাই সব সময় ডট কমকেই প্রাধান্য দিতে হবে।
  • সহজে মনে রাখা এমন হতে হবে।
  • যেন সহজে বানান করা যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • যেন শ্রুতিমধুর হয়, উদ্ভদ কোনো ডোমেইন পছন্দ করে পাঠকে ভড়কে দেবার প্রয়োজন নেই।
  • ডোমেইন যথা সাধ্য ছোট রাখার চেষ্টা করতে হবে।
  • যেন অন্য কোনো প্রতিষ্টিত ওয়েবসাইটের নামের সাথে গুলিয়ে না যায় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

২. ডোমেইন রেজিস্ট্রার পছন্দ করবেন যেভাবে-

  • যেহেতু বাংলাদেশে পেপাল ও ক্রেডিট কার্ড এর সুবিধা নাই, সেহেতু বাংলাদেশি ডোমেইন রেজিস্ট্রার থেকেই কিনতে হবে।ডোমেইন কেনার আগে কয়েকটা রেজিস্ট্রারের তালিকা তৈরি করুন। তারপর তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
  • সবাইকে জিজ্ঞাসা করুন ডোমেইনের ফুল কন্ট্রোল প্রদান করে কি না। ফুল কন্ট্রোল ছাড়া ডোমেইন কিনবেন না।
  • ডোমেইনের দামের ব্যাপারে চিন্তা করুন। অনেকেই ২০০-৪০০ টাকায় ডোমেইন অফার করে থাকে। এদের পরিহার করুন। কারন ICANN ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ফি ১৮ সেন্ট আর .com এবং .net verisign এর মাধ্যমে রেজি করতে হয়। তাদের প্রাইস ৫০০ টাকার উপরে। তাই বাংলাদেশি রিসেলাররা কিভাবে এই টাকায় দিবে চিন্তা করুন।
  • কমদামে ডোমেইন কিনে পরে প্রতারিত হওয়ার সম্ভবনা বেশি। যেমন- রিনিউ করার সময় আপনার কাছ থেকে বেশি টাকা দাবী করা হতে পারে। অথবা সাইট জনপ্রিয় হলে ডোমেইনটি হাইজেক করা হতে পারে।

হোস্টিং কেনার আগে যা ভাববেন-

ডোমেইন পছন্দ করা এবং কেনা শেষে ডোমেইনটা হোস্ট করতে হবে। হোস্টিং ছাড়া ডোমেইন দিয়ে কোন কাজ হবে না। তাই হোস্টিং প্রোভাইডার নির্বাচন করার আগে কি কি বিষয় ভেবে দেখতে হবে তা জেনে নেই।
১. বাজেট-

  • প্রত্যেকেরই একটা আনুমানিক বাজেট থাকে যার মধ্যে সে হোস্টিং কিনবে। একই সাথে ভাল মানের এবং কম টাকার মধ্যে কিনতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাজার ঘুরে দেখতে হবে। আপনার বাজেট নির্ধারণ অবশ্যই বাস্তব সম্মত হতে হবে।একটা কথা মনে রাখতে হবে যেমন টাকা পে করবেন তেমন সার্ভিস পাবেন। আপনি যেমন ডিমের দামে মুরগী পাবেন না তেমনি হোস্টিং এর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের প্রাইস ১৫০-৫০০ ডলার প্রতি মাসে এখন আপনি যদি ৫০ জিবি স্পেস ২ ডলার মাসে চান তাহলে আপনাকে ডাউনটাইম, সাইট স্লো লোডিং এসব বিষয় সহ্য করতে হবে। তাই কেনার আগে এ বিষয়টি ভেবে দেখুন। সস্তার তিন অবস্থা এই কথাটি মাথায় রাখুন।

২.ডিস্ক স্পেস-

  • আপনাকে স্পেস এর কথা চিন্তা করতে হবে। আপনার ওয়েব সাইটের জন্য কতটুকু স্পেস লাগবে তা হিসাব করে নিন। আপনি যদি ব্যক্তিগত ওয়েব সাইট করতে চান যাতে শুধু কয়েকটা পেজ থাকবে তাহলে ৫০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর যদি চিন্তা ব্যক্তিগত ব্লগ টাইপের ওয়েব সাইট হবে তাহলে ২০০-৫০০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর আপনি যদি চিন্তা করেন ছবি, গান, ভিডিও রাখবেনতবে আপনাকে বড় ওয়েব স্পেসের দিকে নজর দিতে হবে। অনেকেই দেখা যায় ১০০ এমবি হোস্টিং যথেষ্ট সাইট হোস্ট করার জন্য কিন্তু কিনে ফেলেন ১-৫০ জিবি। বছর বছর টাকা দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু ব্যবহার করতেছেন ১০০ এমবি। তাই অযথা স্পেসের জন্য অতিরিক্ত টাকা না দিয়ে সবচেয়ে ছোট প্লান থেকে শুরু করুন। আপনার যদি স্পেস বেশি প্রয়োজন পড়ে তাহলে পরবর্তী প্লানে আপগ্রেড করে নিবেন। এবং প্রায় সব কোম্পানিই আপগ্রেড সুবিধা দিয়ে থাকে।
  • আনলিমিটেড স্পেসের ফাঁদে পা দিবেন না। এটা একটা মার্কেটিং ট্রিকস। কোন কোম্পানিরই আনলিমিটেড স্পেস দেয়া সম্ভব না। একবার চিন্তা করুন তো আপনি মার্কেটে আনলিমিটেড হার্ডডিস্ক দেখেছেন কি না। সার্ভারও আমাদের পিসির মতোই।

৩. ব্যান্ডউইথ-

  • প্রতিবার পাঠক / দর্শক যতগুলো পেজ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে, ততগুলো পেজ, ছবি, গান, ভিডিও অর্থাৎ ওইসব পেজে যা কিছু আছে সবগুলোই পাঠকের কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়। প্রাথমিক অবস্থায় একটা সাইটের ১ জিবি ব্যান্ডউইথ ও যথেষ্ট। পারসোনাল সাইটের জন্য এর চেয়ে বেশি লাগার কথা না। আর আপনার সাইটে যদি প্রচুর ইমেজ, ভিডিও ইত্যাদি থাকে তাহলে প্রচুর ব্যান্ডউইথ লাগতে পারে। ১০-১০০ জিবি অথবা তারচেয়ে ও বেশি।

৪. আপটাইম/SLA গ্যারান্টি-

  • একটি ওয়েবসাইটের জন্য আপটাইম বিষয়টি খুবই জরুরি। হোস্টের সার্ভার যতক্ষন সচল থাকবে, আপনার ওয়েবসাইটও ততক্ষন সক্রিয় থাকবে। এটা কেবলমাত্র পাঠকের জন্যই গুরুত্বর্পূণ নয়, বরং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনেও অনেক গুরুত্ববহন করে। পাঠক একবার আপনার ওয়েবসাইটে আসে দেখলো আপনার ওয়েবসাইট কাজ করছে না, তখন তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে এবং সে ভবিষ্যতে নাও আসতে পারে। ঠিক তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের বট ইনডেক্সের সময় ওয়েবসাইট ডাউন থাকলে, সে ফিরে যাবে এবং আপনি আপনার ওয়েবসাইট ইনডেক্স হওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।এখন প্রতিটি হোস্টিং কোম্পানিই ৯৯.৯% টাইম সক্রিয় থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু এদের প্রকৃত আপটাইমের হিসেব পাওয়া সম্ভব নয়। তাই কেনার আগে গুগলে যে কোম্পানি থেকে কেনার কথা চিন্তা করছেন সে কোম্পানির নামের সাথে আপটাইম শব্দটি লাগিয়ে সার্চ দিন। যেমন- socheaphost uptime লিখে সার্চ দিলে আপনি socheaphost.com এর আপটাইম সম্পর্কে জানতে পারবেন।আর কোম্পানি যদি কোন মাসে আপটাইম গ্যারান্টি রক্ষা না করতে পারে তাহলে সে জন্য ক্রেডিট প্রদান করে কি না চেক করে নিতে হবে। কোম্পানির ওয়েব সাইটে টার্মস অব সার্ভিসেস লিংকে এ সম্পর্কিত বিস্তারিত লেখা থাকে।

৫. মানিব্যাক গ্যারান্টি-

  • মানিব্যাক গ্যারান্টি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। অনেক কোম্পানিই ৩০ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন কোম্পানি মানিব্যাক গ্যারান্টি দিচ্ছে কিনা।

৬. প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা-

  • হোস্টিং কেনার আগে হোস্টিং কোম্পানি ভাল না মন্দ তা জেনে নেয়ার চেষ্টা করুন। কোম্পানি সম্পর্কে ইউজারদের দৃষ্টি ভঙ্গি কেমন তা কোম্পানির রিভিউ দেখলেই বুঝতে পারবেন। যেমন- গুগলে গিয়ে socheaphost review লিখে সার্চ দিলে socheaphost সম্পর্কে ব্যবহারকারিদের মতামত জানতে পারবেন।
  • কোম্পানি যেসব বিলিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা বৈধ্য উপায়ে করে কি না। নাকি চোরাই সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা নিশ্চিত হয়ে নিন। যারা চোরাই স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে সার্ভিস দেয় তাদের থেকে ভাল কিছু আশা করা ঠিক হবে না।

৭. সাপোর্ট-

  • আজকের দুনিয়ায় সাপোর্ট একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার সার্ভার যদি কখনো ডাউন হয় আর যদি তা জানাতে এবং উত্তর পেতে কয়েক দিন লেগে যায় তাহলে লক্ষ ভিজিটর হারাতে পারেন। আর যদি আপনি রিসেলার ক্লাইন্ট হোন তবে তো মহা বিপদে পড়বেন। আপনার ক্লাইন্টকে কোন উত্তর দেয়ার মতো কিছু থাকবে না। তাই কোম্পানির সাপোর্ট কত দ্রুত তা নিশ্চিত হয়ে নিন। হোস্টিং কোম্পানি জিজ্ঞাসা করুন তাদের গ্যারান্টেড সাপোর্ট রেসপন্স টাইম কেমন। এবং কি কি মাধ্যমে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।

৮. হোস্টিং ফিচার-

  • হোস্টিং প্লানগুলোর মধ্যে কোন লিমিটেশন থাকলে সেটা অনেক সময় ভালভাবে উল্লেখ করা থাকে না। তাই প্লানগুলোর তুলনা করে আপনার চাহিদার সাথে বেপারগুলো মিলে কিনা তা দেখে নিন। আপনি যদি এএসপি ডট নেটে সাইট বানাতে চান তাহলে আপনার উন্ডডোজ হোস্টিং লাগবে। লিনাক্স হোস্টিং এ চলবে না। আপনার যে যে ফিচার প্রয়োজন তা তারা দিতে পারছে কি না দেখে নিন।

৯. লিমিটেশন জেনে নেওয়া-

  • আপনি আপনার হোস্টিং এ কি কি হোস্ট করতে পারবেন এবং কতটুকু স্পেস, ব্যান্ডউইথ, সিপিউ ব্যবহার করতে পারবেন তা টার্মস অব সার্ভিসেস পেজে দেয়া থাকে। তাই কোম্পানির টার্মস অব সার্ভিসেস পড়ে নিতে হবে।

১০. কন্ট্রোল প্যানেল-

  • আপনার ওয়েব সাইট ম্যানেজ করার জন্য কন্ট্রোল প্যানেল প্রয়োজন। কন্ট্রোল প্যানেলের সাহায্যে আপনি আপনার ওয়েব সাইট সহজেই ম্যানেজ করতে পারেন। ওয়েব হোস্টিং এ সব চেয়ে সহজ এবং অধিক ফিচার সমৃদ্ধ কন্ট্রোল প্যানেল হচ্ছে সিপ্যানেল। তাই সবসময় সিপ্যানেল হোস্টিং নেয়ার কথা চিন্তা করুন।

১১. সার্ভার লোড-

  • সাভার ওভার লোড কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন। আপনি হোস্টিং কোম্পানিকে সার্ভারের টোটাল কোর এবং প্রসেসর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন। যদি সার্ভার কোর ৮টা হয় এবং তাদের সার্ভার লোড ৮ এর উপরে হয় তাহলে সার্ভার ওভারলোড। এবং ওভারলোড সার্ভারে সাইট হোস্ট করলে সাইট লোড হতে বেশি সময় নিবে।

এসব বিষয় খেয়াল রেখে ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনলে আশাকরি ভাল মানের হোস্টিং কিনতে পারবেন।


Read more ...

ওয়াইম্যাক্স যেভাবে কাজ করে !!

ওয়াইমেক্স হচ্ছে ‘ওয়ার্ল্ড ইন্টারঅপারেবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েব এক্সেসস’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি বিশেষ পদ্ধতির টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি। যার মাধ্যমে পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট থেকে শুরু করে পূর্ণাঙ্গ মোবাইল সেলুলার ইত্যাদি বিভিন্ন রকমের তারবিহীন যন্ত্রে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। আইইইই ৮০২.১৬ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রণীত এর অপর নাম ওয়ারল্যাসম্যান। ২০০১ সালে স্টান্ডার্ড অনুযায়ী প্রযুক্তিটির বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত ওয়াইমেক্স ফোরাম ওয়াইমেক্স নামটি দিয়েছে। ওয়াইমেক্স হচ্ছে প্রচলিত কেবল বা ডিএসএল এর একটি বিকল্প প্রযুক্তি যা শেষ মাইল পযন্ত তারবিহীন ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।

ওয়াইমেক্স কী

বর্তমানে প্রচলিত ইন্টারনেট কানেকশনের বিকল্পগুলোর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ডায়াল আপ এক্সেস-এ সাধারণত স্পীড স্লো হয়ে থাকে। পিক আওয়ারে অনলাইনে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়ে। মডেম বা ডিএসএল এর মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড এক্সেস সার্ভিস দেয়া হয় বলে এই পদ্ধতিতে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড এক্সেস পেতে খরচ বেশি হয়।টেলিফোনের ল্যান্ডলাইন ছাড়া এধরণের সংযোগ সম্ভব নয়। এছাড়া মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক অর্থাৎ জিএসএম প্রযুক্তি তৈরী হয়েছিলো টেলিফোনের জন্য। পরে কিছু নতুন টেকনিক্যাল অপশন যুক্ত করার মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিসের সুবিধা প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতের নেট ব্যবহারের মাত্রা যে হারে বাড়ছে, তাতে এই কম্পাটিবল অপশন দিয়ে কাজ চলবে না একথা নিশ্চিত। ব্যান্ডউইথের সীমাবদ্ধতা ছাড়াও অন্যান্য টেকনিক্যাল কারণে জিএসএম পদ্ধতিতেও উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ সম্ভব নয়। চেষ্টা করলে মিডিয়াম স্পীডের সংযোগ দেয়া যায়। কিন্তু তাতে খরচ অত্যন্ত বেশি।

ওয়াইফাই হচ্ছে একটি সীমিত এলাকায় ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক জোন তৈরী করে ওয়াইফাই রয়টারের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রাহককে নেট সুবিধা প্রদান করার একটি ব্যবস্থা। নানা ধরণের সীমাবদ্ধতা পেরিয়ে সমাজের উচ্চ শ্রেণী থেকে নিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিকট সহজে এবং কম খরচে ইন্টারনেটকে সহজলভ্য করার লক্ষে যাত্রা করা উচ্চগতির বিশেষ ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক হচ্ছে এই ওয়াইম্যাক্স।
প্রকারভেদ
ওয়াইম্যাক্স সার্ভিস প্রাথমিক পর্যায়ে দুই প্রকারের হতে পারে…

নন লাইন অফ সাইট

এ’জাতীয় সার্ভিস ব্যবহার করার মাধ্যমে লোয়ার ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ ২গিগা হার্য থেকে ২২গিগা হার্য পর্যন্ত লোয়ার ওয়েভলেন্হ ট্রান্সমিশন সবধরণের বাঁধা কাটিয়ে ওয়াইম্যাক্স রিসিভারে পৌছে দেয়া সম্ভব হয়।

লাইন অফ সাইট

হাইয়ার ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জে এই সার্ভিস ব্যবহার হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে বেশি পরিমানে ডাটা আদান-প্রদান করা যায়। তবে একটা বিশেষ ধরণের সমস্যা ব্যাপারটাকে কষ্টসাধ্য করে তুলেছে। আর সেটা হচ্ছে, এ জাতীয় সার্ভিসে ওয়াইম্যাক্স টাওয়ার এবং ব্যবহারকারীর রিসিভিার এন্টেনার মাঝে কোন প্রতিবন্ধকতা দূর করার কাজ।
বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ওয়াইম্যাক্সকে আবারো দুই ভাগে ভাগ করা যায়
ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স

ফিক্সড ওয়াইম্যাক্স আইইইই ৮০২.১৬ডি স্টান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।এ’ক্ষেত্রে গ্রাহক প্রান্তে একটি রিসিভার টাওয়ার (এন্টেনা) বসানো হয়। ব্যবহৃত হয় ১০গিগা হা. থেকে শুরু করে ৬৬গিগা হা. পর্যন্ত হাই ফ্রিকেয়েন্সি রেঞ্জ। ফিক্সড ওয়াইম্যাক্সের রেঞ্জ এবং ব্যান্ডউইথ ক্যাপাসিটি বেশি হলেও মোবিলিটি নেই বলে এই পদ্ধতি সাধারণ ব্যবহারকারীদের নিকট জনপ্রিয়তা পায়নি।

মোবাইল ওয়াইম্যাক্স

মোবাইল ওয়াইম্যাক্স আইইইই ৮০২.১৬ই স্টান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।এক্ষেত্রে গ্রাহক প্রান্তে এজ মডেমের মতো একটি ওয়াইম্যাক্স মডেম ব্যবহারের প্রয়োজন হয়। ২গিগা হা. থেকে শুরু করে ১১গিগা হা. পর্যন্ত লো ফ্রিকেয়েন্সি রেঞ্জে ট্রান্সমিশন হয় বলে ঘিঞ্জি এলাকার গলির প্যাচ অথবা সূর্যের আলোহীন অন্ধকার কোন বাসায় ওয়াইম্যাক্স সিগন্যাল অনায়াসে ওয়াইম্যাক্স মডেম দিয়ে রিসিভ করা সম্ভব হয়। ফিক্সড ওয়াইম্যাক্সের তুলনায় মোবাইল ওয়াইম্যাক্সের ইনডোর ইউনিট অর্থাৎ মডেমের ক্ষেত্রে ইউজারকে ওয়াইম্যাক্স বেজ ষ্টেশনের কাছাকাছি থাকতে হয়।নাহলে রেডিও সিগন্যাল লস হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইফাই এর পার্থক্যঃ

ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইফাই একই পর্যায়ের প্রযুক্তি। তবে এদের মধ্যে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। ওয়াইফাইয়ের কাভারেজ ৩০ থেকে ১০০ মিটার। আর ওয়াইম্যাক্সের কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার। ওয়াইম্যাক্স এবং ওয়াইফাইয়ের চেয়ে বেশি ইউজার একসাথে ব্যবহার করতে পারে। ওয়াইফাই অপারেট করে আইইইই ৮০২.১৬ স্টান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে। এর রেঞ্জ সর্বোচ্চ ৩০০ ফুট ব্যাসার্ধ। মাক্সিমাম স্পীড ৫৪ এমবিপিএএস। অপরদিকে আইইইই ৮০২.১৬স্টান্ডার্ড অনুযায়ী ওয়াইম্যাক্স এর রেঞ্জ সর্বোচ্চ ৩০মাইল ব্যাসার্ধ। ডাটা ট্রান্সফার রেট ম্যাক্সিমাম ৭০এমবিপিএস।

ওয়াইম্যাক্স এর সুবিধাঃ

ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি তুলনামূলক কম ব্যান্ডউইথ ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়। একটি বেজ ষ্টেশন দিয়ে ৪থেকে ৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় তারবিহীন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায়। বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষতার এই সময়ে শহর-বন্দর-গ্রাম, বিচ্ছন্ন জনপদ আর দুর্গম এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌছে দিতে হবে প্রযুক্তির আলো। এ’ক্ষেত্রে ওয়াইম্যাক্স হতে পারে আমাদের ধ্রুপদ বাহন। আগামি প্রজন্মের জন্য সুন্দর, সুস্থ, মানবিক একটি বাসস্থান হয়ে উঠুক পৃথিবী নামক এই গ্রহটি। এই কামনায় আজ এ’পর্যন্তই।

Read more ...

বয়স্ক পুরুষদের সাথে কমবয়সী মেয়েদের সম্পর্ক বেড়ে যাওয়ার দায় ইন্টারনেটের!

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় অসম বয়সীদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির প্রবণতা বেড়ে গেছে। বয়স্ক পুরুষের সঙ্গে তরুণী মেয়েদের এমন সম্পর্ক গড়ে ওঠার পেছনে ইন্টারনেট সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে বলেই অস্ট্রেলিয় একটি প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থা দাবী করেছে। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

অস্ট্রেলিয়াতে বয়স্ক পুরুষ এবং কমবয়সী মেয়েদের মধ্যে সম্পর্ক তৈরির গড়পড়তা প্রায় ৮০টি কেস প্রতিবছর গোয়েন্দাদের কাছে আসছে। আর এসব ঘটনায় অসম সম্পর্ক তৈরির পর মেয়েরা প্রায়শই লাপাত্তা হয়ে যাচ্ছে।

লায়ন্সউড ইনভেস্টিগেশনস নামের একটি প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক ওয়ারেন ম্যালার্ড জানিয়েছেন, ‘গত দশক থেকেই অসম সম্পর্ক তৈরির ঘটনা বেড়ে গেছে। বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার কারণে অভিভাবকরা কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। আর এমন সমাজ ব্যবস্থায় কোনো কিছুই আর গোপন থাকছে না।’

ওয়ারেন ম্যালার্ড আরো জানিয়েছেন, ‘এখন বয়স্কদের সঙ্গে কমবয়সী মেয়েদের পালিয়ে যাবার ঘটনা স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তিই এ অসম সম্পর্ক তৈরির ঘটনা বাড়িয়ে দিয়েছে। এমনকি পালিয়ে যাবার পর শিশুদের বিক্রি করে দেয়া বা অর্থ হাতিয়ে নেবার ঘটনাও ঘটছে। আর ঘটনার তিন-চারদিন পর মেয়েরা ধোঁকা খেয়ে আবার বাড়িতে ফিরে আসছে।’


Read more ...

সৌরজগতে মিলেছে নতুন চাঁদের সন্ধান

ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (নাসা) গবেষকরা সম্প্রতি সৌরজগতে নতুন একটি চাঁদের সন্ধান পেয়েছেন। গ্রহ তালিকা থেকে বাদ পড়া বামন প্লুটোর চারপাশে ঘুরছে নতুন আবিষ্কৃত এই চাঁদটি। জানা যায়া, হাবল স্পেস ব্যবহার করে নতুন এ চাঁদটির সন্ধান পেয়েছেন নাসার গবেষকরা। এটি প্লুটোর চতুর্থ চাঁদ। বামন হিসেবে প্লুটোতে কোনো ‘রিং’ আছে কি না সেটি পরীক্ষা করতে গিয়ে নতুন এ চাঁদের খোঁজ পেলেন জ্যোতির্বিদরা।
পৃথিবী থেকে প্লুটো ৩শ কোটি মাইল দূরে অবস্থিত। নতুন চাঁদটি ছাড়াও প্লুটোর তিনটি চাঁদ হচ্ছে-শ্যারন, নিক্স এবং হাইড্রা। নতুন চাঁদটি আকারে খুবই ছোট। এর ব্যাস মাত্র ২১ মাইল।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গবেষকরা এখনও এ চাঁদটির কোনো নাম দেননি। তবে পরিচিতি হিসেবে ‘পি ৪’ নামেই একে ডাকছেন তারা।

Read more ...

বিস্ময়কর এক গ্রহের দুই সূর্য


altইউকেবিডি ডেস্ক :: একটি গ্রহ আবর্তন করছে একটি নয়, দুটি সূর্যকে। কেপলার টেলিস্কোপের মাধ্যমে এই প্রথম দেখা গেছে একটি গ্রহ একই কক্ষপথে দুটি সূর্যকে আবর্তন করছে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এ কথা জানায়। খবর বিবিসির।

বিষয়টি যেন কাকতালীয়ভাবে স্টার ওয়ারস সিনেমার টেটুন গ্রহের সঙ্গে মিলে গেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সিনেমার কাল্পনিক চরিত্র লুক স্কাইওয়াকারের মতো কেউ হয়তো গ্রহটিতে নাও থাকতে পারেন।


পৃথিবী থেকে ২০০ আলোকবর্ষ দূরে এই গ্রহটিতে দুটি সূর্য থাকায় সেখানে সূর্যাস্তও হয় দুবার। তবে কেপলার-১৬বি নামের এ গ্রহটির দুটি সূর্যই আমাদের সূর্যের চেয়ে ছোট। আমাদের সূর্যের তুলনায় একটির আয়তন ৬৯ শতাংশ ও অপরটি ২০ শতাংশ ছোট। সেখানে উপরিভাগের তাপমাত্রা মাইনাস ৭৩ থেকে মাইনাস ১০১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রহটি একই কক্ষপথে প্রতি ২২৯ দিনে একবার সূর্যদ্বয়কে প্রদক্ষিণ করে।


গবেষণা দলের সহযোগী অ্যালান বস বলেন, ‘কেপলারের মাধ্যমে এটি সত্যিই একটি অবিশ্বাস্য পর্যবেক্ষণ।’


এ গ্রহটিতে শনি গ্রহের মতো বসবাসের অনুপযোগী ঠান্ডা গ্যাস থাকতে পারে। আগে ধারণা করা হতো, কোনো গ্রহের হয়তো দুটি সূর্য থাকতে পারে। কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে এটাই প্রথম নিশ্চিত করা হয়েছে।

Read more ...

Saturday, September 17, 2011

জ্বালানী ছাড়াই বিদ্যুৎঃ এই দেশীয় প্রযুক্তি

আমাদের দেশের অনেক আবিষ্কার মাটির তলায় চাপা পড়ে যাই। সেই কবে মারকনি রেডিও আবিষ্কার করেছিল কিন্তু তার আগে আমরা সেটা তৈরি করেছিলাম। কিন্তু আমরা প্রচার বিমুখ তাই কেও জানেনি। যায় হোক আমি একটা খবর পড়লাম আমাদের দেশের দুই যুবক একটি প্রোজেক্ট করেছে যেটাই জ্বালানী ছাড়াই বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। কি চমকে গেলেন?? আসলে তাদের তৈরি এই প্রোজেক্ট এ যতটুকু জ্বালানী লাগবে পাওয়া যাবে তার থেকে অনেক বেশি। আরও বিস্তারিত বলি। এখানে দুইতা মোটর দিয়ে একটা জেনারেটর এর কয়েল ঘুরানো হবে। মোটর চালাতে যেই বিদ্যুৎ লাগবে সেটা তাদের মতে ৮০০ ওয়াট । আর জেনারেটর থেকে পাওয়া যাবে ৩৬০০ ওয়াট। খরচ বাদ দিলে থাকে ২৮০০ ওয়াট। জানিনা কতটুকু সফল। কিন্তু এইরকম প্রযুক্তির স্বপ্ন ছোটবেলাই দেখতাম। যদি তারা পুরোপুরি সফল হয় তাহলে তা মানব জাতির অনেক উপকার হবে।

বিস্তারিত নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করলে জানা যাবে।

http://www.somewhereinblog.net/blog/monir_rj/29449380


Read more ...

Friday, September 16, 2011

সিনেমায় ডিরেক্টরস কাট কি?

আমরা যারা ইন্টারনেট ঘেটেঘুটে সিনেমা ডাউনলোড করি, তাদের অনেকের কাছেই ‘ডিরেক্টরস কাট’ শব্দটা পরিচিত। শব্দটা গ্যাঞ্জাম তৈরী করে যদি ‘কাট’ এর মানে জানা থাকে এবং সিনেমায় এর প্রয়োগ সম্পর্কেও। ডিরেক্টর শ্যুটিং এর সময় ‘কাট’ বলে চিৱকার করেন, আবার এডিটিং প্যানেলে বসেও কাটা কুটি চলে। যেহেতু ডিরেক্টরই একটি সিনেমার সব কিছু, তাই ডিরেক্টরস কাটের পর কিছু থাকতে পারে সে বিষয়ে সন্দেহ জাগে বৈকি।

সিনেমার শ্যুটিং শেষে এক্সপোজড ফিল্মগুলো এডিটিং প্যানেলে নিয়ে আসা হয় এবং স্ক্রিপ্ট অনুসারে এডিটর সেটা কাটাকুটি করে ফেলেন – এর নাম হলো রাফ কাট। রাফ কাটের সাথে আরো হাবিজাবি যোগ হয় – স্পেশাল ইফেক্ট, সাউন্ড, মিউজিক ইত্যাদি ইত্যাদি। ডিরেক্টর সাহেব এই জায়গায় এডিটরের সহায়তায় খবরদারি করেন, তার শিল্পীমনের বুরুশ চালান। শেষে যে সিনেমাটি তৈরী হয় এটিই ডিরেক্টরস কাট, এডিটরস কাটও বলা হয়। তবে যেহেতু সিনেমাকে একটি ডিরেক্টরস মিডিয়া হিসেবে বেশী মূল্যায়ন করা হয়, তাই এডিটর চাপা পড়ে যান ডিরেক্টরের নিচে।

আমাদের দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচালক, প্রযোজক ইত্যাদি শব্দগুলোর একটা গতানুগতিক ব্যাখ্যা আছে – কোথাও কোথাও সেটা অপব্যাখ্যায় রূপ নিয়েছে। যেমন – প্রোডিউসারের বাংলা হয়েছে প্রযোজক, অর্থ্যাৱ যিনি টাকা লগ্নি করেন। হলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে কিন্তু প্রোডিউসারের কাজ টাকা লগ্নি করা নয় – অনেক ক্ষেত্রে প্রযোজক পরিচালকের চেয়েও বেশী ক্ষমতাবান। একটা সহজ উদাহরণ দেই – একজন পরিচালক সারা দিন সিনেমার শ্যূটিং শেষ করে সন্ধ্যার পর স্ক্রিনের সামনে বসলেন প্রযোজকসহ – উদ্দেশ্য কি করলেন সেটা দেখা। প্রযোজক যদি এক্ষেত্রে সন্তুষ্ট না হন তবে হয়তো পরিচালককে আবারও সেটা শ্যুট করতে হবে – অবশ্যই এখানে আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয়। সাধারণভাবে আমরা যে সিনেমা দেখি, সেটাই থিয়েটারিকাল ভার্সন, তাই আলাদা করে বলতে হয় না।

এই প্রোডিউসার শব্দটিও আমাদের দেশের সিনেমা দর্শকদের মাঝে মধ্যে দোটানায় ফেলে দেয় – সিনেমার ট্রেলারে বলা হলো, অমুকের সিনেমা, কিন্তু সিনেমার শুরুতে দেখা গেল – পরিচালক অন্য কোন ব্যক্তি। মনে হয়, ভাওতাবাজী করা হয়েছে সিনেমায় – কিন্তু তা নয়, একজন গুনী পরিচালককে আরেকজন গুনী পরিচালক প্রযোজনায় সাহায্য করতেই পারেন – যেমন আগামীতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অব টিনটিন: দ্য সিক্রেট অব দ্য ইউনিকর্ণ’ সিনেমাটি যেখানে পরিচালক স্টিভেন স্পিলাবার্গ এবং প্রযোজেক/প্রোডিউসার হলেন পিটার জ্যাকসন।

ডিরেক্টর তার মনের মাধুরী মিলিয়ে যে সিনেমাটা নির্মান করলেন, সেখানে হয়তো শেষ পর্যন্ত প্রোডিউসার কিংবা প্রোডাকশন কোম্পানীর সিদ্ধান্তই প্রধান হয়ে যায়। ফলে ডিরেক্টরস কাটের পরে এসে দাড়ায় ‘থিয়েটারিকাল কাট’ – এখানে এসে ডিরেক্টর কাট ও কাটা পড়তে পারে। প্রায় সব সিনেমাই ডিরেক্টর কাটের তুলনায় একটু ছেটে ছুটে থিয়েটারিকাল কাট তৈরী করা হয় যা পরবর্তীতে সিনেমা হলগুলোতে প্রদর্শন করা হয়। কখনো কখনো এই কাটাকুটির পরিমান বেশ বড়ই হয় – যেমন, রিডলি স্কটের ‘কিংডম অব হ্যাভেন’ সিনেমার ডিরেক্টরস কাট তার থিয়েটারিকাল কাটের তুলনায় প্রায় ৪০ মিনিট বেশী ছিল এবং মুসলমান সেনাপতি সালাউদ্দীনকে আরও বীর আরও শ্রদ্ধেয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু এত দীর্ঘ সিনেমা দর্শকদের মধ্যে বিরক্তি এবং অনাগ্রহ সৃষ্টি করতে পারে এই আশংকায় এই ‘ছাটায়ন।

ডিরেক্টরও এমন প্রস্ততি নিয়েই সিনেমার পরিচালনায় আসেন। যেমনটি হয়েছে দ্য বাটারফ্লাই ইফেক্ট সিনেমার ক্ষেত্রে। পরিচালক তার সিনেমার শেষে প্রায় সাতটি সমাপ্তি রেখেছিলেন – সবশেষে থেকে গিয়েছে একটি মাত্র। কোন কোন ক্ষেত্রে ডিরেক্টরস কাটের তুলনায় থিয়েটারিকাল কাট বেশী সফল হয়, কখনো তা হয় না। অনেক সময় পরিচালক থিয়েটারিকাল কাটে সন্তুষ্ট থাকেন, কখনো কখনো নয়।

থিয়েটারিকাল কাট থিয়েটারে দেখানো হলেও ডিরেক্টরস কাট কিন্তু ঠিক দর্শকের সামনে চলে আসে, বিশেষত: ফিল্ম ফেস্টিভাল আর ডিভিডির কল্যানে। রিডলি স্কটের সিনেমাটির থিয়েটারিকাল ভার্সনের তুলনায় ডিরেক্টরস কাট ভার্সনটিই সমালোচকদের কাছে বেশী প্রিয়।


Read more ...

Wednesday, September 14, 2011

গত দশকের ব্যর্থ ১০টি প্রযুক্তি

প্রযুক্তিগুলো বাজারে আসার আগেই এমন শোরগোল পড়েছিলো যে সবার ধারণা ছিলো এটিই হয়তো হতে যাচ্ছে চলতি দশকের সেরা প্রযুক্তি। বলা হয়, এসব প্রযুক্তিগুলো যখন বাজারে আসে তখন এগুলো বাজারে সমসাময়িক পণ্যের চেয়ে এগিয়েই ছিলো। তবে, জনপ্রিয়তার বিচারে চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয় এগুলো। এসব প্রযুক্তি এবং প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোসফটের ভিস্তা থেকে শুরু করে বর্তমানে জনপ্রিয় ইউটিউবের নামও।

মাইক্রোসফট ভিস্তা
৩০ জানুয়ারি ২০০৭-এ মাইক্রোসফট ভিস্তা বিশ্ববাজারে আসে। বিশ্বের সর্ববৃহৎ টেক জায়ান্টের সর্বাধুনিক পণ্য ছিলো এটি। পিসি অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য এটি তৈরি করা হয়। কিন্তু যে লক্ষ্য নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছিলো সেটিতেই ছিলো সমস্যা। এর নিরাপত্তা দিকগুলো উইন্ডোজের আগের সংস্করণের চাইতে খুব একটা ভালো ছিল না। এতে পুরোনো কম্পিউটারে ব্যবহৃত এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেড করার সুযোগ ছিলো না। বিশ্লেষকরা মত দেন, এটি কম্পিউটারের গতিও কমিয়ে দেয়। ভিস্তা বাজারে ছাড়ার সময় প্রযুক্তি সাইটগুলো এর ইতিবাচক রিভিউ লিখে পাতা ভরে ফেলেছিলো। কিন্তু জনপ্রিয়তার বিচারে এটি কখনও ওপরে উঠে আসতে পারেনি। তাই প্রযুক্তিপণ্য হিসেবে ভিস্তাকেই গত একদশকের ‘লুজার’ তালিকায় প্রথম স্থান নিতে হয়েছে।

গেটওয়ে
কোম্পানি হিসেবে গেটওয়ে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮৫ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের সফল পিসি নির্মাতা কোম্পানিগুলোর অন্যতম এটি। ১৯৯০ এর দিকে গেটওয়ে কম্পিউটার বিক্রির পরিমাণ তিনগুণ বেড়ে যায়। ২০০৪ এ এর অবস্থান দাঁড়ায় তিন নম্বরে। সেসময় খুচরা ব্যবসার ২৫ ভাগ কোম্পানিটির দখলে চলে আসে। কিন্তু ২০০৭-এ প্রতিষ্ঠানটির এমনই দুর্দশা হয় যে, এটি মাত্র ৭১ কোটি ডলারে বিক্রি হয়ে যায়। আর ক্রেতা হিসেবে জোটে এসার। আর হঠাৎ ধ্বস এবং ব্যর্থতার কারণ হিসেবে বলা হয়, গেটওয়ে ল্যাপটপ ব্যবসায় ঢুকতে চায়নি। কারণ তারা ভেবেছিলো তাদের কম্পিউটার ব্যবসা রমরমা. ল্যাপটপে যাওয়ার দরকারটা কি! দশকের প্রথমভাগে ডেক্সটপ ব্যবসায় সফল হলেও স্থানান্তরযোগ্য কম্পিউটার তৈরির দৌড়ে অন্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ে পিছিয়ে পড়ে গেটওয়ে। এ ছাড়াও এন্টারপ্রাইজ ব্যবসার দিকে ঝুঁকতেও ধীরগতির পরিচয় দেয় গেটওয়ে। এদিকে ডেল দাঁড়িয়ে যায়। এক সময় কম্পিউটারের বদলে ইলেকট্রনিক ভোগ্যপণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ে গেটওয়ে। কিন্তু এই ব্যবসায় লাভের পরিমাণ কম হওয়ায় এটি কোম্পানির মূলধনের ওপর চাপ ফেলে। ফলাফল হিসেবে ‘লুজার’ তালিকায় নাম উঠে যায় গেটওয়ের।

এইচডি ডিভিডি
এখন পর্যন্ত উৎপাদিত হাই ডেফিনেশন (এইচডি) ডিস্ক দু’টির একটি হলো- এইচডি ডিভিডি, অন্যটি ব্লুরে। ২০০২ সালে এইচডি ডিভিডি তৈরি হয় এবং তোশিবা ও এনইসির অর্থায়নে ২০০৬ সালে এটি বাজারে আসে। সে সময় এর বিক্রি ব্লুরের চেয়ে বেশি ছিল। তবে, এইচডি ডিভিডি ব্যবসায় লাভের মুখ দেখেনি তোশিবা। বিশ্লেষকদের মতে, ২০০৮ সালে ত্যাগ করার আগে পর্যন্ত তোশিবা মোট একশো কোটি টাকার মতো গচ্চা দেয়। সনির ব্লুরের কাছে এইচডি ডিভিডির এই হারের পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিলো। বড় ফিল্ম স্টুডিওগুলোকে সিনেমার হাই ডেফিনেশন সংস্করণ ব্লুরে ডিস্কে বাজারে ছাড়তে রাজি করাতে পেরেছিল সনি। সনি নিজেই অন্যতম বড় স্টুডিওর মালিক হবার কারণেই সনির পক্ষে এটি সহজ হয়। অন্যদিকে এইচডি ডিভিডির হারের কারণ হিসেবে তোশিবারও রয়েছে নিজস্ব কিছু ব্যাখ্যা। ডিজিটাল ভিডিও ডাউনলোডকে এই হারের অন্যতম কারণ বলে মনে করে তারা।

ভন্টেজ
ভন্টেজ বা ভিজি ছিলো আসলে ভয়েস ওভার প্রটোকল বা ভিওআইপির আগের প্রজন্ম। বর্তমানে কেবল এবং স্কাইপির মতো কোম্পানিগুলোর লাভের মূল রহস্য হলো ভন্টেজের ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেয়া। প্রাথমিকভাবে স্কাইপির কথাই বলা যেতে পারে- ২০০৮ সালের শেষ নাগাদ এর রেজিস্টার্ড ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে ৪০কোটিরও ওপরে । এ সময় এর আয় বেড়ে দাড়ায় ৫৫কোটি দশ লাখ ডলারে। পরের বছর স্কাইপির জন্মদাতা ইবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ভিওআইপি কোম্পানি হিসেবে আত্ম প্রকাশের। আর একই বছরের প্রথম ৩ মাসে মধ্যে ভন্টেজ তার ২২ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ তুলতে ব্যর্থ হয়। আগের কোম্পানি হিসেবেই ২০০০ সালে ভন্টেজ ব্যবসা চালিয়ে যায়। এরপর অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই ভন্টেজ আগ্রাসীভাবে তার ডায়াল আপ ফোনের বিকল্প সেবা দিতে শুরু করে। ২০০৬ সালে কোম্পানিটি সফলভাবে আইপিও খাত থেকে ৫ কোটি ৩১০ লাখ ডলার আয় করতে সমর্থ হয়। এ সময় এর নূন্যতম সেবার দাম রাখা হয় মাত্র ৭ ডলার। আর ডিসেম্বর নাগাদ দুর্বল আয় আর প্রতিযোগী কেবল কোম্পানিগুলোর চাপে এর শেয়ারের মূল্য এক ডলারে এসে ঠেকে। পাশাপাশি কিছু মামলাও জোটে ভন্টেজের ভাগ্যে। যার ক্ষতিপূরণ হিসেবে গুণতে হয় কোটি কোটি ডলার। এরপর থেকে ভন্টেজ-এর ভাগ্যে লাভের মুখ দেখা আর হয়ে ওঠেনি। ফলে চরম ব্যর্থ হয় ভন্টেজ।

ইউটিউব
ভিডিও শেয়ারে বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয় ইউটিউবকেও গত দশকের ব্যর্থ প্রযুক্তির তালিকায় ফেলা হয়। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব। অনলাইন জরিপ প্রতিষ্ঠান কমস্কোরের মতে, ২০০৯ সালের মার্চ মাসে কেবল আমেরিকাতেই প্রায় ১০ কোটি লোক ইউটিউবে প্রায় ছয় হাজার কোটি ভিডিও দেখেছে। ২০০৬-এ গুগল ১৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারে ইউটিউব কিনে নেয়। একটি সার্চ ইঞ্জিনের পক্ষে এমন বড় ধরনের বিনিয়োগ না উঠে আসাই ছিলো স্বাভাবিক। অসংখ্য দর্শক আর কন্টেন্ট থাকার পরও বিজ্ঞাপন এবং প্রিমিয়াম কন্টেন্ট থেকে টাকা কামাই করার মডেল হিসেবে কখনই দাঁড়াতে পারেনি ইউটিউব। আর ইউটিউবের বেশিরভাগ ভিডিওর মানও খারাপ। তাই ব্যবসা জমেনি। তবে, গুগল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য হচ্ছে, ইউটিউব ভিডিওগুলোকে অর্থের মানদণ্ডে মাপা মোটেই ঠিক হবে না। ফোর্বসের এক গণনায় দেখা যায়, ২০০৮-এ সাইটটির থেকে আয় ছিলো ২০ কোটি ডলার। সম্প্রতি ক্রেডিট সুইসির এক হিসেবে দেখানো হয় সাইটটি চালাবার জন্য কেবল তথ্য মজুদ আর ব্যান্ডউইথ খাতেই এবছর ইউটিউবের খরচ হবে ৪৭ কোটি ডলার। হিসেবে দেখা গেছে, স্রেফ খরচ তুলতেই ইউটিউবকে আরও তিনগুণ বেশি আয় করতে হবে। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন অনুসারে, জনপ্রিয়তা স্বত্বেও ইউটিউবকে লাভের মুখ দেখতে এখনো অনেক লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আর এ ব্যর্থতাতে মুখ থুবড়ে ‘লুজার’ তালিকায় ইউটিউবের নামটিও যোগ হয়েছে।

সিরিয়াস এক্সএম
সিরিয়াস এক্সএম (এসআইআরআই) খুব চমৎকার একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস। স্যাটেলাইট রেডিও হিসেবে এতে একশোরও বেশি রেডিও স্টেশন শোনা যায়। এ ছাড়াও এর পোর্টেবল সংস্করণও বের হয়েছে। শুরুর দিকে সিরিয়াস এক্সএম নিয়ে কোন ব্যবসায়িক চিন্তা ছিলো না এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের। সিরিয়াস এক্সএম এবং এক্সএম স্যাটেলাইট রেডিও নামের দুটি কোম্পানি এক হয়ে ২০০১-এ এই সেবা প্রদানের কাজ শুরু করে। বছরের শেষ নাগাদ এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৮ হাজারে। ২০০২ সালে এই সংখ্যা দাঁড়ায় সাড়ে তিন লাখ এবং পরের বছর ৬০ লাখ। তবে, গ্রাহক বাড়লেও সিরিয়াস এক্সএমের বাজারজাত, বিপণন, ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য ব্যায়ের কারণে কোম্পানিটি শত কোটি টাকার ঋণের বোঝা বাড়ছিলো। আশা ছিলো একদিন লাভের মুখ দেখবে এটি। তবে যতো এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে তত দ্রুতই ধ্বস। অ্যাপলের তৈরি আইপড আর স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তাই সিরিয়াস এক্সএমকে লুজার তালিকায় স্থান করে নিতে অনেকটাই বাধ্য করেছে।

মাইক্রোসফট জুন
মাইক্রোসফটের আরো একটি পণ্য ব্যর্থতার তালিকায় রয়েছে। সেটি জুন প্লেয়ার। মাইক্রোসফট জুন বাজারে আসে ২০০৬ এর নভেম্বরে। অ্যাপলের আইপডের সঙ্গে প্রতিযোগিতার দৌড়ে নামতেই বাজারে এসেছিলো জুন প্লেয়ার। কিন্তু জুন চরম ব্যর্থ হয়। জুন বাজারে আসার সময় সারা বিশ্বে অ্যাপল দশ কোটি আইপড বিক্রি করে। আইপড বাজার দখল করতে এসে, অনেক বাজেটের জুন লুজার হয়েই মুখ লুকিয়েছে।

পাম
সঙ্গে রাখার মত হার্ডওয়ার ডিভাইস ও ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম মিলিয়ে তৈরি হয়েছিল পাম (পিএএলএম)। এটিই পামের স্মার্টফোন। পারসোনাল অরগানাইজার হিসেবেও একটি হার্ডওয়ার ডিভাইস ১৯৯৯ সালে বাজারে ছাড়ে পাম। এ ডিভাইসটির নাম পাম ভি। হ্যান্ডস্পিং এর বানানো পাম ট্রায়ো স্মার্টফোনটির স্বত্বও কিনে নেয় পাম। ২০০৫ এ প্রচুর পাম মোবাইল বিক্রি হয়। স্মার্টফোনের বাজার বলতে কেবল তখন পামই ছিলো। তবে, এর পরপরই পামকে প্রতিযোগতায় নামতে হয় অ্যাপল এবং ব্ল্যাকবেরির সঙ্গে। বিশ্লেষকরা বলেন, একই ডিভাইসের মধ্যে তারের জটিলতা এবং তথ্য রাখার বিষয়টি বুঝতে দেরি করে ফেলে পাম। এ সুযোগটি নিয়ে নেয় অ্যাপল। আর এই দেরিই শেষপর্যন্ত তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়। এ ব্যর্থতা মেনে নিয়ে এরপর নতুন আর কোন ডিভাইস নিয়ে বাজারে আসেনি পাম।

ইরিডিয়াম
undefinedমটোরোলা সমর্থিত গ্লোবাল স্যাটেলাইট ফোন কোম্পানি ইরিডিয়াম ১৯৯৯ সালে দেউলিয়া হয়ে যায়। কিন্তু তার আগে কোম্পানিটি বিশ্বব্যাপী ওয়্যারলেস ফোন সেবা দেবার জন্য উপগ্রহ অবকাঠামো সহ অন্যান্য খাতে ৫ লক্ষ কোটি ডলার খরচ করে। সে সময় আমেরিকায় সবচেয়ে বড় দেউলিয়া ঘোষণার তালিকায় এটি ছিল ২০তম ঘটনা। ঠিকঠাক কাজ চালাবার জন্য তাদের দরকার ছিল ৬৬ টি উপগ্রহের। এমন বড় ধরনের উপগ্রহ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গিয়ে কোম্পানিটি এক কোটি ৫০ লক্ষ ডলার ঋণের বোঝার মুখোমুখি হয়। কিন্তু মাঠে নেমে মাত্র দশ হাজার ক্রেতা পাওয়ার পর তাদের পুরোপুরি হতাশ হতে হয়। এর বড় আরেকটা কারণ ছিলো তাদের প্রথম হ্যান্ডসেটের কারিগরি ত্রুটি। ১৯৯৮ সালে ডার্টমাউথ বিজনেস স্কুলের এক গবেষণায় ভবিষ্যতবাণী ছিল, সে বছর ইরিডিয়ামের গ্রাহকের সংখ্যা ৫ লাখে পৌঁছাবে। কিন্তু অবকাঠামোর বেশিরভাগ উন্নত বিশ্বের বাইরে হওয়ায় কোম্পানিটি সেবার মূল্য বাড়াতে বাধ্য হয়। এই বিচারে ইরিডিয়াম সেটের দাম ৩’শ ডলার এবং টক টাইম মিনিটে ৫ ডলার ধার্য করা হয়। সেলুলার সেবা বেশিদূর পর্যন্ত না থাকায় এবং খরচ বেশি হওয়া ও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাদের এই সেবা কার্যক্রম জনপ্রিয়তা হারায়। ব্যবহারের সময় ফোনের এন্টেনা স্যাটেলাইট বরাবর হতে হয় বলে বাড়ি ও গাড়ির ভেতরে অবস্থানের সময় এবং অনেক শহর এলাকায় লোকজন এই ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে পড়ে।

সেগওয়ে
undefinedদু’চাকার ব্যক্তিগত যান সেগওয়ে ২০০২ সালে বাজারে আসে। সে সময় সেগওয়ে প্রধান বলেছিলেন, এটি একই সঙ্গে ঘোড়া এবং গাড়ির কাজ করবে। কিন্তু সেগওয়ের ঘোড়া-গাড়ি হয়ে ওঠা হয়নি, এটি মোটেও জনপ্রিয়তা পায়নি। এদিকে এ গাড়িটি তৈরি করতে সেগওয়ে প্রায় দশ কোটি ডলারের মত খরচ করে। কিন্তু তৈরির পেছনে এতো অর্থ ঢালার কারণেই বেকায়দায় পড়ে সেগওয়ে। গাড়িটি বিক্রির জন্য দাম হাঁকা হয় বেশি, যা ক্রেতার সাধ্যের নাগালের বাইরে ছিলো। পাশাপাশি এ গাড়িটি অনেক দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।

সূত্র- bdnews24.com


Read more ...

Tuesday, September 13, 2011

কিডনি বেচাকেনা ও বাস্তবতা Be Aware



সাম্প্রতিক সময়ে কিডনি বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারের পর এটি ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’তে পরিণত হয়। প্রশাসনসহ চিকিত্সক মহলকেও বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে। গত বৃহস্পতিবার কিডনি বেচাকেনা চক্রের সঙ্গে জড়িত জনৈক আজমকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। পরে জানা যায়, এই আজম দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে কিডনি বেচাকেনা করে আসছিল, সে-ই এ চক্রের মূল হোতা। এর আগে গত ২৮ আগস্ট জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার বহুতি গ্রামের আবদুস ছাত্তার (৪০), গোলাম মোস্তফা (৩৭) এবং আবদুল করিম ওরফে ফোরকান (৩৫) নামে কিডনি বেচাকেনা চক্রের চার দালালকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও গত ৬ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট জেলা থেকে সাইফুল মোল্লা নামে আরেক দালালকে আটক করা হয়। এরা পুলিশকে জানায়, তারা বহুদিন ধরে এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
কিন্তু আসলেই কি একজন চাইলেই আরেকজনের প্রয়োজনে কিডনি বিক্রি করতে পারে? এটা কি বিক্রয়যোগ্য বিষয়? এই বিষয়গুলোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী? এ নিয়েই আমাদের অনুসন্ধানী মূল প্রতিবেদন।
অঙ্গ সংযোজনের ইতিবৃত্ত
বিংশ শতাব্দীর একটি বিস্ময়কর চিকিত্সাপদ্ধতি মানবদেহে অঙ্গ সংযোজন। এর মাধ্যমে লাখ লাথ মরণাপন্ন মানুষের জীবন দীর্ঘায়িত করা ছাড়াও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা সম্ভব হয়েছে। মানবদেহে কিছু অত্যাবশ্যক অঙ্গ (ঠরঃধষ ঙত্মধহ) আছে, এর যে কোনো একটির কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেললে বা নষ্ট হয়ে গেলে জীবনাবসান অবধারিত। যেমন : ফুসফুস, হৃিপণ্ড, কিডনি, যকৃত্, অগ্ন্যাশয়, বোনম্যারো ইত্যাদি। তাই চিকিত্সা বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এসব বিকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সংযোজনে মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার এক যুগান্তকারী চিকিত্সা পদ্ধতি ট্রান্সপ্লান্ট বা সংযোজন। ১৯৫৪ সালে সর্বপ্রথম এক যমজ মানবসন্তানের কিডনি অপরজনের শরীরে সফল সংযোজনের মাধ্যমে পৃথিবীতে শুরু হয় কিডনি সংযোজনের পদযাত্রা। কিডনি সংযোজন সাধারণত দু’ভাবে করা যায়: মৃত ব্যক্তির কিডনি নিয়ে সংযোজন এবং নিকটাত্মীয়ের যে কোনো একটি কিডনি নিয়ে সংযোজন। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জীবিত আত্মীয়ের কিডনি সংযোজিত ব্যক্তিদের এবং ক্যাডাভারিক (মরণোত্তর) অরগান সংযোজক ব্যক্তিদের এক বছর বেঁচে থাকার হার যথাক্রমে ৯৫ এবং ৮৮ ভাগ। কিন্তু পাঁচ বছর বেঁচে থাকার হার প্রায় ৮৭ ভাগ।
কিডনি সংযোজনের শর্ত
দাতা হিসেবে একজন সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তার কোনো নিকটাত্মীয়, যার দুটো কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে, তাকে একটি কিডনি দান করতে পারেন। এই কিডনি সংযোজনকে জীবিত নিকটাত্মীয়ের মধ্যে কিডনি সংযোজন বা লাইফ রিলেটেড কিডনি প্রতিস্থাপন বলা হয়। কিডনি দেয়ার আগেই তাদের রক্তের গ্রুুপ ও টিস্যু টাইপ পরীক্ষা করিয়ে নেয়া হয়। যখন দেখা যায়, কোনো আত্মীয় দাতার সঙ্গে রোগীর মিল আছে, তখন আত্মীয় কিডনিদাতার সব রকম পরীক্ষা করা হয়। কিডনিদাতার বয়স অবশ্যই ১৮ বছর, অর্থাত্ এইজ অব কনসেন্টের ওপর বা ৬০ বছরের নিচে হতে হবে। তার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, লিভার ও কিডনি রোগ থাকা চলবে না এবং দুটো কিডনিই সম্পূর্ণ ভালো থাকতে হবে।

মানবদেহ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইনে যা আছে
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে গত এপ্রিল ১৯৯৯ ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯’ নামে একটি আইন পাস করা করা হয়। এতে বলা হয়েছে, সুস্থ ও সাধারণ জ্ঞানসম্পন্ন যে কোনো ব্যক্তি তার দেহের এমন কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যা বিযুক্তির কারণে তার স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ব্যাঘাত সৃষ্টির আশঙ্কা নেই তা কোনো নিকটাত্মীয়ের দেহে সংযোজনের জন্য দান করতে পারবেন। এখানে ‘অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ’ অর্থ মানবদেহের কিডনি, হৃিপণ্ড, যকৃত, অগ্নাশয়, অস্থি, অস্থিমজ্জা, চক্ষু, চর্ম ও টিস্যুসহ মানবদেহে সংযোজনযোগ্য যে কোনো অঙ্গ বোঝানো হয়েছে। ১৮ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সের কোনো ব্যক্তি অঙ্গ দান করতে পারবেন না। তবে রিজেনারেটিভ টিস্যুর ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা ভাই-বোন সম্পর্কের হলে এ শর্ত কার্যকর হবে না। আর গ্রহীতাকে ২ থেকে ৭০ বছর বয়সের মধ্যে হতে হবে। এদের মধ্যে ১৫ থেকে ৫০ বছরের ব্যক্তিরা অগ্রাধিকার পাবেন।
কিডনির ক্ষেত্রেও নিজ ইচ্ছায় কেবল মা-বাবা, ভাই-বোন, ছেলে-মেয়ে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে কিডনি দান করতে পারবেন। এদের মধ্যে কিডনি না পাওয়া গেলে আপন চাচা, মামা, ফুফু অথবা খালা কিডনি দিতে পারবেন। এর বাইরে কেউ কাউকে কিডনি বা অন্যান্য অঙ্গ দান করতে পারবেন না। তাছাড়া একজন কিডনিদাতার উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা কিডনিতে অন্য কোনো ধরনের অসুখ থাকা চলবে না। তার দুটি কিডনিই সুস্থ থাকতে হবে এবং তাকে স্বেচ্ছায় কিডনি দান করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। আইনে বলা হয়েছে, মানব দেহের যে কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ক্রয়-বিক্রয় বা এর বিনিময়ে কোনো ধরনের সুবিধা লাভ, কিডনিদাতার ওপর কোনো ধরনে চাপ প্রয়োগ, পত্রিকায় কিংবা টেলিভিশনে সেই উদ্দেশে কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদান বা অন্য কোনোরূপ প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো ব্যক্তি এই আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে অথবা লঙ্ঘনে সহায়তা করলে তিনি অনূর্ধ্ব সাত বছর এবং অন্যূন তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। আর কোনো চিকিত্সক এই আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে বা লঙ্ঘনে সহায়তা করলে তিনিও বর্ণিত এ দণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং এছাড়াও চিকিত্সক হিসেবে তার রেজিস্ট্র্রেশন বাতিলযোগ্য হবে। এছাড়াও এ আইনে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দাতা ও গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ ও টিস্যু টাইপসহ সব প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে একটি রেজিস্টার সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বাংলাদেশে কিডনি সংযোজনের প্রেক্ষাপট
১৯৮২ সালে তত্কালীন আইপিজিএমআর বর্তমানে বিএসএমএমইউ (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল ইউনিভার্সিটি)-তে কিডনি সংযোজনের মাধ্যমে দেশে প্রথম কিডনি সংযোজন শুরু হয়। অস্ত্রোপচারের পর তিন সপ্তাহের মধ্যে রোগী সুস্থ হয়ে উঠলেও দুর্ভাগ্যক্রমে পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সে রোগী মারা যায়। ১৯৮২ সালে আরও একজন রোগীর শরীরে কিডনি সংযোজন করা হয়, যিনি অস্ত্রোপচারের পর নয় মাস সুস্থ জীবনযাপন করেন। ১৯৮৮ সাল থেকে বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) কিডনি সংযোজন শুরু হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে ইব্রাহিম মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতাল বা বারডেমে, ২০০৬ সাল থেকে কিডনি ফাউন্ডেশনে, ২০০৮ থেকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি বা নিকডু’তে কিডনি সংযোজন চলছে। এসবের পাশাপাশি বর্তমানে ইউনাইটেড হাসপাতাল, এ্যাপোলো হাসপাতাল, পপুলার হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ল্যাবএইড হাসপাতাল, আল মারকাজুল হাসপাতালে কিডনি সংযোজন হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এতে সফলতার হার শতকরা ৮০-৯০ ভাগ।
বহির্বিশ্বে কিডনি বেচাকেনা
২০০৭ সালে পকিস্তান সরকার আইন করে নিষিদ্ধ করলেও পাকিস্তানের প্রত্যন্ত দরিদ্র গ্রামগুলোতে কিডনি কেনাবেচা চলে অবাধে। এক হিসেবে দেখা গেছে, পাকিস্তানে প্রতি বছর দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন হয়। এরকম প্রত্যঙ্গ বেচাকেনার হাট হিসেবে সারা দুনিয়ায় দুর্নাম কুড়ানোর কারণে ২০০৭ সালে সরকার অর্থের বিনিময়ে এ ধরণের কারবার আইন করে বন্ধ করে দেয়। এদিকে চীনেও জমজমাট হয়ে উঠেছে মানব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অবৈধ ব্যবসা। বিশেষ করে কিডনি। প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে চলছে নানা অঙ্গ-প্রতঙ্গের বেচাকেনা। জানা গেছে, কিডনি বিক্রেতার সিংহভাগ চরম দরিদ্র ও অভিবাসী শ্রমিক। চীনের কয়েকটি শহরে ব্যবসায়ী নেটওয়ার্কের তত্পরতা বেশি। এদের কোনোটিতে অঙ্গ বিক্রিতে ইচ্ছুকরা প্ল্যাকার্ড নিয়ে রাস্তার পাশে প্রকাশ্যে বসে থাকে। একে কেন্দ্র করে শহরগুলোতে গড়ে উঠেছে বিশেষ পর্যটন এলাকা। অঙ্গ সংস্থাপনে আগ্রহীরা বেড়ানোর নাম করে বিক্রেতার খোঁজ করে। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে যোগাযোগ করিয়ে দেয়ার প্রতিষ্ঠানও গজিয়েছে অনেক। অবৈধ এ ব্যবসায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহারও কম নয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কেনাবেচার প্রস্তাবও চলে। এদিকে ভারতও কিডনি বেচাকেনার অন্যতম নিরাপদ ক্ষেত্র। বলা যায়, সেখানে তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হয় না। কলকাতা, চেন্নাই, মাদ্রাজ, বোম্বেসহ ভারতের বিভিন্ন হাসপাতালে এ ধরনের অপরাধী চক্র রয়েছে। এরা বাংলাদেশ থেকেও কিডনি ক্রয়-বিক্রয় করে বলে এর আগে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
কিডনি সংযোজনে সতর্কতা ও করণীয়
অনেকেরই ধারণা, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করার পর রোগীর সুস্থ জীবনযাপনে আর কোনো বাধা নেই। আসলে এ ধারণা ঠিক নয়। কারণ, কিডনি সংস্থাপনের পর কিডনিটি যাতে শরীরের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে অর্থাত্ কিডনিটি যাতে শরীর থেকে বিয়োজিত হয়ে না যায় সেজন্য রোগীকে সারা জীবন বিশেষ কিছু ওষুধ গ্রহণ করতে হয়। এই ওষুধ গ্রহণ করা অনেকেরই সামর্থ্যের বাইরে থাকে। এতে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ইচ্ছে করলেই কেউ কাউকে কিডনি দান করতে পারে না।

দেশে মরণোত্তর কিডনি সংযোজন চালু হওয়া উচিত
—অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ
সভাপতি
কিডনি ফাউন্ডেশন ও
সোসাইটি অব অরগান ট্রান্সপ্লান্ট

আমার স্বাস্থ্য : কেউ ইচ্ছে করলেই কি কিডনি বিক্রি বা দান করতে পারে? অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ : কিডনি সংযোজনের জন্য যে কেউ ইচ্ছে করলেই কিডনি দান করতে পারেন না। এর সঙ্গে কিডনি দাতা ও গ্রহীতার রক্ত ও টিস্যু টাইপিং রিপোর্টের মিল থাকতে হয়। তাছাড়া ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, লিভার, কিডনি প্রভৃতি জটিল রোগ না থাকাসহ দাতার দুটো কিডনিই সম্পূর্ণ ভালো থাকতে হয়। ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯’ অনুযায়ী সরাসরি বা রক্তসম্পর্কীয় নিকটাত্মীয় হতে হয়। কিডনি বিক্রি করার তো সুযোগই নেই।
আমার স্বাস্থ্য : বাংলাদেশে সম্প্রতি গ্রেফতারকৃত কিডনি পাচারকারী চক্র ও তাদের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী?
অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ : গ্রেফতারকৃত অপরাধী চক্র মিডিয়ার সামনে যেসব তথ্য দিয়েছে তাতে আমরা রীতিমত অবাক হয়েছি। কিডনির মতো জিনিস যে বিক্রি হতে পারে এবং সেটা বিক্রির জন্য চক্র গড়ে উঠতে পারে এদেশেই, এ ব্যাপারে এর আগে আমরা এসব চিন্তাও করিনি। আমার জানা মতে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা হয় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন, ১৯৯৯’-এর ধারাগুলো পরিপূর্ণভাবে মেনে, সুস্থ নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকে কিডনি নিয়েই। এসব কিডনি সংযোজন উচ্চতর শিক্ষা ও অভিজ্ঞতাসমপন্ন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কিডনি ও ইউরোলজি ট্রান্সপ্লান্ট বিশেষজ্ঞদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়। এই যেমন : কিডনি ফাউন্ডেশনে সেপ্টেম্বর ২০০৬ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর ২০১১ পর্যন্ত মোট ট্রান্সপ্ল্যান্ট হয় ২২০টি। এসব কিডনি ডোনারদের মধ্যে বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী শতকরা ৭৫-৮০ ভাগ এবং আপন চাচা-মামা-খালা-ফুফু মিলিয়ে শতকরা ২০-২৫ ভাগ কিডনি দান করেছেন।
মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছি, গ্রেফতারকৃতরা দেশের স্বনামধন্য কিছু চিকিত্সকের নাম তাচ্ছিল্যভাবে বলেছে। আমার ধারণা, তারা শুধু নাম-ই শুনেছে যে, অমুক চিকিত্সক কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করান কিংবা কিডনির চিকিত্সা করান। তারা কোনোদিন দেখেননি। কারণ আমরা কোনো রোগীর ট্রান্সপ্লান্টের ব্যাপারে সেই রোগী কিংবা তার সঙ্গে থাকা তার আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গেই প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলি। এখানে দালাল বা অন্য কোনো লোকের সঙ্গে কথা বলার কোনো সুযোগই নেই। তাছাড়া সারা দেশে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট চিকিত্সায় মাত্র ১৫-১৮ জন বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক রয়েছেন। তারা কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়াও প্রতিনিয়ত নানা অপারেশনে প্রচুর ব্যস্ত সময় কাটান। তাদের পক্ষে কি এসব কাজে জড়িত থাকা সম্ভব? তাছাড়া বাংলাদেশে ট্রান্সপ্লান্ট করানো অধিকাংশ রোগীই দরিদ্র। তাদের পক্ষে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের ১-২ লাখ টাকা জোগাড় করাই কঠিন। সেক্ষেত্রে কারও কিডনি কিনে ট্রান্সপ্লান্ট কীভাবে সম্ভব তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমাদের ধারণা, যারা দেশের বাইরে গিয়ে ট্রান্সপ্লান্ট করান, সেক্ষেত্রে এরকম ঘটনা ঘটতেও পারে। তারপরও আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব, ভালোভাবে বিষয়টি যাচাই করা হোক। এতে কাউকে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে তাদের বিরুদ্ধে যেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।
আমার স্বাস্থ্য : আপনাদের পক্ষ থেকে নিকটাত্মীয় যাচাইয়ের জন্য কী কী পদক্ষেপ নেয়া হয়?
অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ : দেখুন, নিকটাত্মীয় প্রমাণের জন্য তদন্ত করতে হবে, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট আইনের কোথাও একথাটি লেখা নেই। তথাপিও আমাদের নিজেদের উদ্যোগেই বরং এ বিষয়ে অধিক স্বচ্ছতার জন্য যথাসাধ্য খোঁজখবর নিয়েই ট্রান্সপ্লান্টের প্রক্রিয়া করি এবং সেসব তথ্য সংরক্ষণও করা হয়। এক্ষেত্রে ডোনার ও রোগীকে আলাদা আলাদা জিজ্ঞাসা করা হয়। এক্ষেত্রে কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক খুঁজে না পেলে বা কোনোরূপ সন্দেহ হলে কিডনি সংযোজন করা হয় না। তবে কেউ পরিচয় গোপন করে এসব কাজ করলেও সরাসরি রক্ত সম্পর্কীয় বা ফার্স্ট ডিগ্রি রিলেশনের চেয়ে চাচা, মামা, ফুফু, খালার মধ্যে রোগীর আত্মীয়তার সম্পর্কের সত্যতা নির্ধারণে চিকিত্সকদের বেশ বেগ পেতে হয়। এখানেই হয়তোবা অপরাধী চক্ররা সুযোগ নেয়। এসব ঘটনার পর আমাদের এ বিষয়টি নিয়ে এখন নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, পত্র-পত্রিকা, টিভি চ্যানেলে আসার আগে যা আমরা চিন্তাও করতে পারিনি। তাই আমরা সরকারকে অনুরোধ করব, অঙ্গ সংযোজন আইনের ধারা থেকে চাচা, খালা, ফুফু, মামা অপশনটি বাদ দিয়ে এক্ষেত্রে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রীর কাছ থেকেই যাতে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে সংযোজন করতে পারে—আইনে তা যেন সংশোধন করা হয়।
আমার স্বাস্থ্য : বিদ্যমান কিডনি ডোনার সমস্যা ও কিডনি বিক্রি বন্ধ করতে আরও কী কী উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
অধ্যাপক ডা. হারুন আর রশিদ : বাংলাদেশে স্বল্পসংখ্যক কিডনি সংযোজনের প্রধান অন্তরায় হিসেবে দেখা যাচ্ছে, নিকটাত্মীয় কিডনিদাতার স্বল্পতা। এসব সমস্যার সমাধানে দেশে ক্যাডাভারিক (মরণোত্তর) কিডনি দান চালু হওয়া উচিত। একমাত্র চক্ষুর ক্ষেত্রে এটা চলমান থাকলেও এ প্রক্রিয়ায় কিডনি, হার্ট, লিভারসহ গুরুত্বপূর্ণ ৫টি অরগান দান করলে একজন মৃতপ্রায় মানুষ একসঙ্গে ৫ জন মুমূর্ষু লোককে বাঁচাতে পারবে। কিডনি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমরা এরই মধ্যে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করলেও শুধু ডোনার সঙ্কটের কারণে এটা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য প্রয়োজন কিডনি রোগ সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা, শিক্ষা ও মোটিভেশন। সরকারের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরও এগিয়ে আসা উচিত। এতে দেশে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনের হার আরও বৃদ্ধি পাবে। কেননা, দেশে সড়ক দুর্ঘটনাসহ বিভিন্ন কারণে অনেক রোগীই মুমূর্ষু অবস্থায় আইসিইিউতে ভর্তি থাকেন। তাদের যখন বাঁচার আর কোনো আশাই থাকে না তখন ‘ব্রেইন ডেথ’ কমিটির ঘোষণার মাধ্যমে তাদের দেহ থেকে এই ৫টি অরগান বিযুক্ত করে সংশ্লিষ্ট রোগীদের দেহে ট্রান্সপ্লান্ট করা সম্ভব। উন্নত দেশগুলোতে এ প্রক্রিয়ায় ৭০-৭৫ ভাগ সংযোজন হচ্ছে, যেখানে আমাদের দেশে এখনও শুরুই হয়নি।

Read more ...

জানার কোনও শেষ নেই Collection 1

১) ১৮১৭ সালে Baron von Drais প্রথম বাই সাইকেল তৈরি করেন যেটার কিনা চালানোর জন্য কোনও প্যাডেল ছিল না। মানুষ নিজে হেটে এটি চালাতও !

২) নিউজিল্যান্ড সর্বপ্রথম মহিলাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষমতা প্রদান করা হয়
৩) মিশরীয়রা বরাবরই বিড়ালভক্ত। প্রাচীন আমলে তারা বিড়াল এতোটাই ভালবাসতো যে, পোষা বিড়ালের মৃত্যুর শোকে চোখের ভ্রূ ফেলে দিতো

৪)সিগারেট লাইটার আবিষ্কার হয় ম্যাচ বক্স এর আগে !

৫)ডাকটিকেটের পেছনে প্রথম আঁঠা লাগানোর পদ্ধতি চালু করে সিয়েরা লিয়ন নামের আফ্রিকা মহাদেশের দেশটি। সালটা ছিলো ১৯৬৪।

৬)চা আবিষ্কার হয় চীনে, আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগে। ফুটন্ত পানিতে ভুলে কিছু চা পাতা পড়ে গিয়ে এই পানীয় তৈরি হয়ে যায়। নিউ ইয়র্কে ১৯০৯ সালে টমাস স্যুলিভান প্রথম টি-ব্যাগের প্রচলন করেন

৭)কম্পিউটারে সাথে ব্যাবহারের জন্য প্রথম মাউস আবিষ্কার করেন Douglas Englebart নামের ভদ্রলোক ,১৯৬৪ সালে সেটি বানানো হয়েছিলো কাঠ দিয়ে!

৮) ব্রিটেনের রানী ভিক্টোরিয়ার আমলে তৈ্রি একটি কেক পৃথিবীর সবচেয়ে পুরানো কেক হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।যা প্রায় ১১৩ বছর ধরে আজও অক্ষত আছে

৯) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা হোয়াইট হাউসে থাকেন। কিন্তু এ বাড়িটির নাম কেন সাদা বাড়ি? কেন এর রঙ সাদা? ১৮১৪ সালে আগুন লেগে ভবনটির ব্যাপক ক্ষতি হয়। গায়ে কালো এবং বাদামী ছোপ পড়ে গিয়েছিল। পরে সাদা রঙ করে ঢেকে দেয়া হয় কুৎসিত দাগগুলো। তারপর থেকে এ ভবন 'হোয়াইট হাউস' নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।

১০) বিখ্যাত ইংরেজ রসায়নবিদ অ পদার্থবিজ্ঞানী হেনরি ক্যাভেনডিশের (১৭৩১ - ১৮১০) কাছে তখনও তড়িৎ পরিমাপের কোন যন্ত্র ছিলনা। তিনি নিজের শরীরই বিদ্যুৎ সঞ্চালন করে তড়িৎ প্রাবাহের শক্তি উপলব্ধি করেন। তারপরও তিনি বেচেঁ ছিলেন অনেকদিন।

১১) প্রাচীন রোমে মানুষের মুত্র কাপড় ধোয়ার সাবানের বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে। মুত্রের অন্যতম উপাদান অ্যামোনিয়া ছিল এর কারণ।

১২) ১০০ বছর আগেও বোর্নিওতে মানুষের মাথার খুলি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো।


১৩) ব্যাংক অফ আমেরিকার আসল নাম ছিল ব্যাংক অফ ইতালি।

১৪) ১৬৮৭ সাল পর্যন্ত ঘড়িতে ঘন্টার কাঁটা ছাড়া অন্য কোন কাঁটা ছিলনা।

১৫) মোনালিসাকে নিয়ে অনেক রহস্য ঘিরে আছে। বলা হয় লিওনার্দো ডা ভিঞ্চি নাকি মোনালিসার ঠোট আঁকতেই ১০থেকে ১২ বছর কাটিয়েছিলেন !


১৬) প্রাচীন চীনে নারীদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক ধরনের নিষেধাজ্ঞা ছিল। চিকিৎসকরা মেয়েদের শরীরের কোন অংশ অনাবৃত করে দেখতে পারতেন না। অসুস্থ মহিলা রোগী দেখতে হলে প্রথমে হাতির দাঁতের উপর খোদাই করা একটি ছোট নারী মূর্তি আনা হোত। এরপর পর্দার ওপাশ থেকে রোগিনী তার শরীরের যে অংশে সমস্যা, মূর্তির সেই অংশ চিহ্নিতকরনের উপর নির্ভর করে চলত চিকিৎসা।

১৭) জার্মানির গুটেনবার্গ ১৪৪০ সালে মুভেবল টাইপ রাইটার উদ্ভাবন করেন। এই ছাপাখানায় তিনি ল্যাটিন ভাষায় ১৪৫৫ সালে বাইবেল ছাপেন। এটিই বিশ্বের প্রথম মুদ্রিত বই।

১৮) ভেসলিন আবিস্কারক Robert Chesebrough প্রতিদিন সকালে এক চামচ ভেসলিন খেতেন !

১৯) Nalanda পৃথিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় যা বর্তমানে পাকিস্তানে অবস্থিত। খ্রিস্টের ৪২৭ বছর পর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ।

২০) কোকাকোলা প্রথমে ছিল সবুজ ।

২১) ১৮৯৫ সালে এক্স-রে উদ্ভাবন করার পর উইলিয়াম রনজেন বিপদেই পড়ে গিয়েছিলেন। একদল সাংবাদিক লেখালেখি আরম্ভ করল যে এটি আসলে পিপিং টমের (যে চুরি করে অন্যের নগ্নতা দেখে) কাজ করবে। এই প্রচারনা এমন পর্যায় গেল যে নিউজার্সিতে এক আইন পাশ করে 'এক্স-রে অপেরা কাঁচ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হলো। ব্রিটিশরা আরেক কাঠি উপরে। লন্ডনের বাজারে 'এক্স-রে রোধক অন্তর্বাস ছাড়া হলো।


২২) টুথব্রাশ আবিস্কার হয় ১৪৯৮ সালে ।

২৩) বিদেশে প্রথম শহীদ মিনারঃ জাপানের রাজধানী টোকিওর ইকেবুকুরো পার্কে ২০০৬ সালের ১৬ জুলাই উদ্বোধন হয়।


২৪) গ্রিক সম্রাট মিতরিদাতিসের (১৩২-৬৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ভয় ছিল, কেউ তাকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করবে। সে রকম কিছু ঘটার আগেই অল্প অল্প করে বিষ সেবন করে নিজেকে বিষ প্রতিরোধক হিসেবে গড়ে তোলেন সম্রাট। পরে যখন আত্দহত্যার জন্য বিষ খেলেন, তখন আর ওটা কোনো কাজই করলো না! দিব্যি বিষ হজম করে ফেললেন রাজা!

২৫) বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের প্রথম অডিও রেকর্ডটি সম্প্রতি আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা। বিজ্ঞানীদের মতে, এখনও টিকে থাকা অডিও রেকর্ডের মধ্যে এটাই সবচেয়ে পুরোনো অডিও রেকর্ড। জানা গেছে, রেকর্ডটি এডিসনের পুরোনো আর্টিফ্যাক্ট ঘেঁটে উদ্ধার করেছেন গবেষকরা।
রেকর্ডটি টমাস এডিসনের জীবদ্দশায় ধারণকৃত। জানা গেছে, একটি শক্ত ধাতব পদার্থের গোলাকার চাকতিতে ফোনোগ্রাফ রেকর্ডটি ধারণ করা হয়েছিলো। এটি টমাস এডিসন ন্যাশনাল হিস্টোরিক্যাল পার্কে সংরক্ষিত ছিলো। এডিসন নিজেই ১৮৮৮ সালে রেকর্ডটি ধারণ করেছিলেন।

রেকর্ডটিতে একটি নারীকণ্ঠে ‘টুইংকেল, টুইংকেল লিটল স্টার কবিতাটি ধারণ করা হয়েছে।গবেষকরা জানিয়েছেন, কথা বলতে পারে এমন পুতুল বাজারজাত করতে এডিসন এ ফোনোগ্রাফটি ধারণ করেছিলেন। এ কাজে পেশাদার কণ্ঠশিল্পীদের ভাড়া করেছিলেন বিজ্ঞানী। আর বর্তমানে উদ্ধারকৃত এই পুতুলটিই এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া প্রথম অডিও রেকর্ডিং .

২৬) প্রাচীন মেসোপটেমিয়া বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদী-বিধৌত উপত্যকায় দোয়ার অঞ্চলে অবস্থিত। অধুনা ইরাক, সিরিয়ার উত্তরাংশ, তুরষ্কের উত্তরাংশ এবং ইরানের খুযেস্তান প্রদেশের অঞ্চল গুলোই প্রাচীন কালে মেসোপটেমিয়ার অন্তর্গত ছিল বলে মনে করা হয় । মেসোপটেমিয় সভ্যতা পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতার অন্যতম। খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ হতে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মধ্যে মেসোপটেমিয়ায় অতি উন্নত এক সভ্যতার উম্মেষ ঘটেছিল। সভ্যতার আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিত এই অঞ্ছলে ব্রোঞ্জ যুগে আক্কাদীয়, ব্যবিলনীয় এবং অ্যাসিরীয় সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল । পরে লৌহ যুগে নব্য-অ্যাসিরীয় এবং নব্য-ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য গড়ে উঠে । সপ্তম শতাব্দী পর্যন্ত এই অঞ্চল পারসিক শাসনে থাকে, এরপর মুসলিম শাসনামল শুরু হয় । মুসলিম খিলাফত শাসনে এই অঞ্চল পরবর্তীতে ইরাক নামে পরিচিতি লাভ করে ।


Read more ...

বেশি জানেন তাই ভুলে যান!

মানুষ, জায়গা বা অন্য কোনো জিনিসের নাম মনে করতে পারছেন না। কোনো একটা সংখ্যা মনে করতে গিয়ে প্রায়ই গলদঘর্ম হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে বুঝে উঠতে পারছেন না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কারণ হতে পারে আপনি বেশি জানেন সেটাই। তাঁদের মতে, কেউ যদি খুব বেশি জানে, তাহলে প্রয়োজনের মুহূর্তে মনে এসে ভিড় করতে পারে অপ্রাসঙ্গিক অনেক বিষয়। আর এ কারণে প্রয়োজনীয় বিষয়টি যথাসময়ে মনে পড়ে না। সম্প্রতি কানাডার মন্ট্রিলে অবস্থিত কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তাঁরা বলছেন, এ সমস্যা দূর করার জন্য মাঝেমধ্যেই মনকে ভারমুক্ত করা প্রয়োজন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, স্মৃতিবিভ্রাট নিয়ে গবেষণার জন্য স্বেচ্ছাসেবীদের কতগুলো বাক্য দেওয়া হয়। তাদেরকে বলা হয়, প্রতিটি লাইন যেন অর্থবোধক হয়। তাদের প্রতিটি বাক্যের শেষ শব্দ মনে রাখতে বলা হয়। পরে দেখা যায়, যাদের বয়স গড়ে ২৩ বছর তারা বেশি বয়সী স্বেচ্ছাসেবীদের চেয়ে ভালো করেছে।
এ ব্যাপারে গবেষক দলের প্রধান মারভিন ব্লেয়ার বলেন, বেশি বয়সী মানুষদের মধ্যে সাধারণত এমন সমস্যা বেশি হয়
.

Read more ...

“আইটি রিভিউ”-র ২য় সংখ্যা এখন অনলাইনে (ফ্রী ডাউনলোড করুন)


“প্রযুক্তির সাথে কথোপকথন…” স্লোগান নিয়ে গতমাস থেকে “সায়েন্সটেক” থেকে যাত্রা শুরু করেছে বাংলা ভাষার আইটি ও বিজ্ঞান বিষয়ক ফ্রী অনলাইন ম্যাগাজিন “মাসিক আইটি রিভিউ”। ম্যাগাজিনটি বিভিন্ন শ্রেণীর পেশাজীবী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে ( http://www.sciencetech.info/ ) ‘ই-বুক’ আকারে প্রকাশ করা হয়, যা অনালাইনে থেকে যে কেউ পড়তে বা বিনামূল্যে ডাউনলোড (PDF ফাইল) করতে পারবেন। এছাড়াও থাকছে, প্রতিমাসের কুইজের উত্তর দিয়ে একটি বিজ্ঞান বিষয়ক বইসহ একটি সনদপত্র জিতে নেয়ার সুযোগ।
“আইটি রিভিউঃ-র “সেপ্টেম্বর-২০১১” সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে। ফ্রী ডাউনলোড করতে ভিজিট করুনঃ http://www.sciencetech.info/


Read more ...