Showing posts with label বাংলা হিন্দী মুভি. Show all posts
Showing posts with label বাংলা হিন্দী মুভি. Show all posts

Friday, November 18, 2011

Rascals 2011 [Action | Comedy | Crime]

[Movie Title].......................[Rascals]
[Release Year].......................[2011]
[Genre]......................[Action | Comedy | Crime]
[Size]...........................[500MB]
[Resolution]....................[640 x 272]
[Format]..............................[MKV]
[Language]..............................[Hindi]
[Subtitle]................................[NA]
[Source]........................[DVD]
Screenshots
Trailer

MediaFire

[ Part 1 ] [ Part 2 ] [ Part 3 ]

Password
tinymoviez.com

How to Download???

1. Click on the download links
2. Wait for few seconds and then click on

Read more ...

Friday, October 28, 2011

রা ওয়ান Ra One 2011 DVDScr 600 MB

[Movie Title].......................[Ra One]
[Release Year].......................[2011]
[Genre]......................[Action | Adventure | Sci-Fi]
[Size]...........................[6000MB]
[Format]..............................[Mkv]
[Language]..............................[Hindi]
[Subtitle]................................[No]
[Source]........................[DVDScr]
Screenshots
http://img510.imageshack.us/img510/1212/demraonescrganoolcoms.jpg
Trailer

MediaFire

[ Part 1 ] [ Part 2 ] [ Part 3 ]

Read more ...

Thursday, October 27, 2011

Ra One 2011 PDVD ভালো প্রিন্ট

[Movie Title].......................[Ra One]
[Release Year].......................[2011]
[Genre]......................[Action | Adventure | Sci-Fi]
[Size]...........................[350MB]
[Format]..............................[Mkv]
[Language]..............................[Hindi]
[Subtitle]................................[No]
[Source]........................[PDVD]
Screenshots
http://img511.imageshack.us/img511/7594/vlcsnap2011102621h20m40.jpg
http://img851.imageshack.us/img851/5621/vlcsnap2011102621h23m02.jpg
http://img339.imageshack.us/img339/7384/vlcsnap2011102621h20m25.jpg
Trailer

MediaFire

[ Part 1 ] [ Part 2 ] [ Part 3 ] [ Part 4 ]

Password
tinymoviez.com


Read more ...

Wednesday, October 26, 2011

বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নায়ক(!) সাকিব খান আসলেই খুব জনপ্রিয়।কতটা জনপ্রিয়

বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নায়ক(!) সাকিব খান আসলেই খুব জনপ্রিয়।কতটা জনপ্রিয় তা আপনারা ফেসবুকের এ পেজগুলোর নামের মাধ্যমেই বুঝতে পারবেন আশা করি:

* আমি একজন দুই পায়ের গরু - ছাকিপ কান
* ছেড়ে দে শয়তান , তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবিনা - ছাকিপ কান
* চৌদুড়ী সাহেব , সাস্থ্য বা শরীর দিয়ে "ছাকিপ কান" কে বিবেচনা করবেন না
* ছাকিপ কান = আবাল খান
* বড়ই লজ্জা পাই ; যখন কেউ বলে , তুই ১টা "ছাকিপ কান"
* "ছাকিপ কান " এর সব ছিঃনেমাই হিট& হট (দর্শক কারা সেইটা আর কইলাম না )
* টম & জেরী ও মি . বিন থেকে "ছাকিপ কান "এর বাংলা ছবি বেশী হাস্যকর
* "ছাকিপ কান "এর ছিঃনেমা দেখলেই আমার টয়লেট চাপে
* শাখিব খান অভিনীত সকল ছেনেমাকে অস্কার দেওয়া দরকার
* "ছাকিপ কান " ১জন নায়ক আর "গান্ধি পোকা " ১টা পাখি !
* ছাকিপ কানের ছিঃনেমা!!! ওয়াক থু :/

Read more ...

Saturday, October 22, 2011

Hum Tum Shabana 2011 DVDRip 700MB

[Movie Title].......................[Hum Tum Shabana ]
[Release Year].......................[2011]
[Genre]......................[Comedy | Romance]
[Size]...........................[700MB]
[Resolution]....................[640*272]
[Format]..............................[Avi]
[Language]..............................[Hindi]
[Subtitle]................................[Yes]
[Source]........................[DVD]
Screenshots




Trailer

MediaFire

Password
tinymoviez.com

Read more ...

Wednesday, October 19, 2011

সর্বকালের সেরা ১০ বাংলাদেশী চলচ্চিত্র !!!!! মাষ্ট সি !!

সারাদিন মেতে থেকে থাকি হলিঊড নিয়ে। নিজের থেকেই ফিল করলাম বাংলা নিয়ে কিছু লিখতে। সরাসরি নিজের অভিজ্ঞতায় না গিয়ে,নেট ঘেটে ধার করে এই পোষ্ট করলাম। আশা করি ভালো লাগবে। বিস্তারিত কিছু বলছি না। শুধু একটা লিষ্ট দাড় করালাম।

সর্বকালের সেরা বাংলাদেশী চলচ্চিত্রঃ সমালোচক দৃষ্টিকোনে

বাংলাদেশে প্রচুর পরিমান মুভি মুক্তি পাচ্ছে নিয়মিত। যে কেউ স্বিকার করবে এখনকার মুভি কিছুই না। বাইরের কথা কি বলবো আমরা নিজেদের তুনলাই নিজেরা দিতে পারিনা এখন। যাই হোক দেখি সেরা মুভিগুলোর নাম। যা সমালোচকদের রায়ে নির্বাচিত হয়েছে।

১। তিতাস একটি নদীর নাম ১৯৭৩ - ঋত্বিক ঘটক

২। চিত্রা নদীর পাড়ে ১৯৯৯- তানভীর মোকাম্মেল

৩। নদীর নাম মধুমতি ১৯৯৪- তানভীর মোকাম্মেল

৪। সীমানা পেরিয়ে ১৯৭৭- আলমগীর কবীর

৫। বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না ১৯৮৯- তোজাম্মেল হক বকুল

৬। সূর্য দীর্ঘল বাড়ী ১৯৭৯- শেখ নিয়ামত আলী

৭। ধীরে বহে মেঘনা ১৯৭৩- আলমগীর কবীর

৮। রূপালী সৈকতে ১৯৭৯- আলমগীর কবীর

৯। শ্রাবণ মেঘের দিন ১৯৯৯ - হুমায়ুন আহমেদ

১০। সাত ভাই চম্পা ১৯৬৮- দীলিপ সোম

সর্বকালের সেরা বাংলাদেশী চলচ্চিত্রঃ দর্শকের দৃষ্টিকোনে
আগে মানূষ প্রচুর সিনেমা দেখতো। তসেসময়ে মুভি বেশ হিটও হতো। সেই দিক থেকে সেরা ১০।

১। তিতাস একটি নদীর নাম

২। সীমানা পেরিয়ে

৩। চিত্রা নদীর পাড়ে

৪। উত্তরা

৫। সাত ভাই চম্পা

৬। রূপালী সৈকতে

৭। লালসালু

৮। ধীরে বহে মেঘনা

৯। সুপ্রভাত

১০। জীবন থেকে নেয়া

Read more ...

মুভি পাগলা নেতারা কে কেমন মুভি পছ্ন্দ করেন (একটি কাল্পনিক পোস্ট)

:D শামীম ওসমান
ইনি আসলে দেশী বিদেশী ব্যাপক মুভির ভক্ত। তার মধ্যে যেই সব মুভি তার জন্য আদর্শ।
১.মাফিয়া।
২.গডফাদার।
৩.মার্ডার।
৪.কিলার।

:D আবুল মাল
১.টাকার চেয়ে প্রেম বড়।
২.ভালবাসার মুল্য।
৩.One bank

:D (যোগাযোগ আবুল)
১.ভন্ড।
২.মতি চোরা।
৩.পদদা নদীর মাঝি।

:D (শেখ হাসিনা) :P
১.আব্বাজান।
২.সপ্নের ঠিকানা।
৩.মনপুরা।
৪.গরীবের রাণী।

:D (খালেদা জিয়া)
১. ওগো আমার প্রানের স্বামী :P
২.ওরা আমাকে ভাল হতে দিলনা।
৩.এই ঘর এই সংসার।


:D (তারেক জিয়া)
১.বদলা।
২.আম্মাজান।
৩.হামলা।

:D (সাকা)
১.নুরা পাগলা।
২.খাইছি তরে।
৩.মাথা নষ্ট।

:D (এরশাদ)
১.প্রেমিক পুরুষ।
২.প্রেম মানেনা বাধা।
৩.বলবো কথা বাসর ঘরে।

:D (দিপু মণি)
১.Border
২.ফন্দিফিকির।
৩.ফায়ার।

:D (সাহারা)
১.The Ghost
২.পালাবি কোথায়?
৩.লাইলি মজনু।

:D (জয়)
১.Once.Upon.A.Time.In.America
২.Gullivers.Travels
৩.Pirates of the Caribbean
৪.The Lord of the ring1,2,3

Read more ...

Friday, September 16, 2011

প্রতিদিন একটি মুভি – ৪: The Namesake

আপনাকে যদি ১২২ মিনিটের একটি ফিল্ম বানাতে হয় যার মধ্যে ২৫ বছরের গুরুত্বপূর্ন ঘটনাগুলোকে উপস্থাপন করতে বলা হয়, তখন কি করবেন? “২৫ বছর পর” – টাইটেল দিয়ে পচিশ বছর পরের ঘটনা দেখানো খুব কঠিন কিছু নয়, কিন্তু সেতো ২৫ বছর পরের কিছু ঘটনা। মীরা নায়ারকে নিশ্চয়ই বেশ কিছুটা পরিশ্রম করতে হয়েছিল এই সমস্যা সমাধান করার জন্য। তিনি যে সফল হয়েছিলেন তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ “দি নেমসেক”।

নেমসেক ঝুম্পা লাহিড়ির উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। ঝুম্পা লাহিড়ি প্রথম আলোচনায় এসেছিলেন তার ‘ইন্টারপ্রেটার অব ম্যালাডিস’ বইয়ের কারনে। ইমিগ্রান্ট ইন্ডিয়ানদের কাহিনীকে, সমস্যাকে তুলে এনেছিলেন তার ছোট ছোট গল্পগুলোতে। নেমসেক এর কাহিনীতেও তাই। আসলে ব্রিটিশরা চলে যাবার পর থেকে যেসব ভারতীয় প্রবাসে বিশেষত: আমেরিকায় পাড়ি জমায়, তাদের পরবর্তী জেনারেশন এখন ব্যবসা বানিজ্য চালাচ্ছে, তৃতীয় জেনারেশনের অনেকেই তাদের জীবন শুরু করেছে। এই দ্বিতীয় জেনারেশন এর জীবনে যে জটিলতা, তা সহজে উপেক্ষা করার নয়। একই সাথে দুই দেশের সমাজ সংস্কৃতি, নিয়ম কানুন বজায় রেখে – একই সাথে বাবা মাকে সন্তুষ্ট রেখে, এগিয়ে যাওয়া, জীবনের কার্যাবলী পালন করতে গিয়ে প্রতিবাদী হয়ে ওঠা – সে তো মোটেই অস্বাভাবিক নয়। যেমন হয়েছে গোগলের বেলায়!

দ্য নেমসেক মুভির প্রধান চরিত্র কে? অসীমা (টাবু)? নাকি অশোক (ইরফান খান) নাকি গোগল (কাল পেন)? দ্বন্দ্বে পড়ে যাওয়া যায়। একজনের পাল্লা একটু ভারী হতে শুরু করলেই অন্য দুটি চরিত্র এসে যেনো ভীড় জমায়। এবং … সবাইকে ছাপিয়ে উঠে প্রধান চরিত্র হিসেবে জায়গা করে নেয় স্ট্রাগল, ক্রস কালচারাল স্ট্রাগল।

কাহিনীর শুরু সেই ১৯৭৭ সালে । অশোক যাচ্ছিলেন ট্রেনে চড়ে, পড়ছিলেন নিকোলাই গোগল। ঘটে গেল দুর্ঘটনা, পড়ে রইলেন হাত-পা ভেঙ্গে বিছানায়। কিন্তু দুর্ঘটনার আগে ট্রেনের ভদ্রলোক সেই যে বলে গেলেন দুনিয়া ঘুরে বেড়াতে, তাই হয়তো সুস্থ্য হয়ে চলে এলেন আমেরিকায়। তারপর আবার বে’ করতে আসলেন ইন্ডিয়ায়, বে’ করে নিয়ে গেলেন আসীমাকে। শুরু হয়ে গেল প্রথম জেনারেশনের বাকী জীবন।

একটি অসাধারন রোমান্টিক শট পাওয়া যাবে এখানে

নিকোলাই গোগলের প্রতি ভালোবাসা আর পুনর্জীবন লাভ করার স্মৃতিকে বাচিয়ে রাখার জন্য প্রথম ছেলের নাম রাখা হয় গোগল, পরবর্তীতে এই নামই গোগলের জন্য যন্ত্রনা হয়ে দাড়ায়। নানা ঘটনা তাকে দ্বিধাদ্বন্দে ফেলে দেয়। কোন কালচার আকড়ে ধরবে, জন্মস্থান আমেরিকা, নাকি শেকড় ইন্ডিয়া? দোটানার একটি চিত্র ধরা পড়ে তাজমহল দেখে আর্কিটেক্ট হবার সিদ্ধান্ত দেখে।

মীরা নায়ার খুব ভালোভাবেই দুই প্রজন্মের ব্যবধান গুলো দেখিয়েছেন। যেখানে অসীমা বিয়ের আগে অশোকের জুতোয় পা ঢুকিয়েছিলেন, সেখানে গোগল বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কে জুড়ে নিতে পিছপা হয় না। যেখানে অসীমা আর অশোকের সম্পর্ক টিকে ছিল আমৃত্যু সেখানে গোগলের সম্পর্ক ভঙ্গে দুবার, একবার বিয়ের আগে, অন্যটি বিয়ের পরে। হয়তো সব কিছুকে আঙ্গুল তুলে দেখিয়ে মীরা নায়ার এবং ঝুম্পা লাহিড়ি বলতে চেয়েছেন, আমেরিকা নয়, ভারতবর্ষই সেরা।

এত লম্বা সময়কে ১২২ মিনিটে ধরার চেষ্টা করা খারাপ লাগতে পারে, তবে ঘটনাপ্রবাহ সেটা ভুলতে সাহায্য করবে। আর নিজেকে বাঙ্গালী হিসেবে খুব ফিল করবেন যখন, অশোকের দেহভস্ম গঙ্গায় ছড়িয়ে দেবার সময় মাঝি গায় … … মাঝি বাইয়া যাওরে, অকূল দড়িয়ার মাঝে আমার ভাঙ্গা নাওরে মাঝি …

যারা প্রবাসে সেটলড হতে চাচ্ছেন, তারা বোধহয় একবার দেখে নিতে পারেন মুভিটি।


Read more ...

Wednesday, September 14, 2011

Life Partner (HD Hindi Movie) Download Now

বলিউড মুভি দেখতে কেনা পছন্দ করে। কিন্তু ছবিটি যদি হয় রোমাঞ্চকর আর মজার তাহলে তো কথাই নেই। আমার পছন্দের একটা মুভি হচ্ছে Life Partner। ছবিটি বেশ হাসির এবং রোমাঞ্চকর। ছবিটিতে মুলত তুলে ধরা হয়েছে বৈবাহিক অবস্থায় মানুষ কতটা সুখ বা কতটা দুঃখ অনুভব করে ;) । মুলত ছবিটি দিয়ে অনেক কিছু শেখা সম্ভব। বিশেষ করে নৈতিকতা ও সামাজিকতা শেখা সম্ভব। ছবিটির এক পর্যায়ে দেখা যায়, দাম্পত্য জীবনে তাদের বেশ সুখ। কিন্তু এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সৃষ্টি হয় কোলাহল। এবং এক সময় পরিণত হয় ডিভোজ (তালাক) এ। ছবিটিতে নায়কের ভুমিকায় অভিনয় করছেন ৩ জন। এবং নায়িকার অভিনয়ে আছেন ৩ জন। আসলে সত্যি বলতে আমি গোবিন্দা ছাড়া আর সোনাম কাপুর ছাড়া বাকি আর কারো নাম জানি না। তাই তাদের নাম বলতে পারবো না ;) তবে আমার বিশ্বাস ছবিটি আপনারা দেখে বেশ মজা পাবেন।

প্রয়োজনে এর একটা ট্রেলার দেখে নিতে পারেনঃ

ছবিটি HD কোয়ালিটির এবং সাইজটা মোটামুটি সামর্থ্যের ভেতরে রয়েছে। এই তো ৪০০ থেকে ৬০০ মেগাবাইটের মধ্যে। আপনাদের সুবিধার জন্য আমি অনেকগুলো Mirror দিলাম। এবং বেশ অনেকগুলো পার্ট এ রয়েছে। আপনাদের সেখান থেকে খুশি ডাউনলোড করে নিন।

Rapidshare: [RAR Password: NiCk]

Download [Part 1]
Download [Part 2]
Download [Part 3]
Download [Part 4]
Download [Part 5]

Megaupload:

Download [Part 1]
Download [Part 2]
Download [Part 3]


Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Bodyguard”

ধুর মিয়া। এইটা কিসু হইলো? টাইমটাই বরবাদ। ভাবলাম দেখি মুভিটা। এত ফাটাফাটি ব্যবসা করলো। সাথে আসে সাল্লু আর কারিনা। ভালা হইতেই হইবো। কিস্সু হয় নাই। পুরাই ফাউল। কিন্তু এতটা গালাগালি করলেও ভারতের চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম আলোচিত মুভি Bodyguard, এর কারণ হলো এটি একই মুভির তৃতীয় পুনর্নির্মাণ।
কাহিনী পুরাই ফাউল। এক গ্রাম না শহরের জমিদার হলো Sartaj Rana ( Raj Babbar) । তার কাছে খবর আসে গ্রাম থেকে কিছু মেয়েদের তুলে নিয়ে গেছে থাইল্যান্ডে বিক্রি করার জন্য। জমিদার সাহেব খবর দেয় বডি-গার্ড এর এজেন্সিতে । বডি-গার্ড পাঠায় তাদের বিখ্যাত সুপার হিরো Lovely Singh ( Salman Khan) কে। নায়কের নাম Lovely শুইন্যা পুরা ব্যাক্কল হইয়া গেসিলাম। বেশি গালিও দেওয়া যাবে না। হাজার হলেও এটা আমার মায়ের নাম। শুরু হয় ধুমধাড়াক্কা মারামারি। এক হাতে সব ভিলেন কাইত। তখন দেখে মজাই লাগছিল। মার্ভেল কমিকসের সুপার হিরো গুলার চাইতে তো ভালো। এই ঘটনার পর জমিদার সাল্লুরে ডাকে নিজের মেয়ে Divya ( Kareena Kapoor) এর হেফাজতের জন্য। এদিকে নতুন কাহিনী । ঐ জমিদার সাল্লুর মাকে বাঁচিয়েছিল, একারণে সালমান জমিদারের গোলামি করতে জান দিয়া দিবো।
শুরু হইলো বিরক্তিকর চাকরী পর্ব। সালমান খান, Kareena’র লাইফ ভাজা ভাজা করে ফেলে। জী ম্যাডাম, ইয়েস ম্যাডাম। কারিনা তখন ভাবে এইটার কাঠিন্য একটু কমাইতে হইবো। শুরু হইলো ফোনের পিরিতি। “ছায়া” নাম নিয়া কারিনা সালমানের লগে ফোনে পিরিত করে আর এদিকে নিজেই ভালোবেসে ফেলে। কিন্তু সালমান যদি জানে যে এইটা কারিনা তাহলে তো আর কিসুই হইবো না। মাঝে আবার ঢিসুম ঢিসুম। ভাবতে লাগলাম এই মুভি আমি ক্যান দেখতাসি? নাহ লাস্টে কী হয় দেইখা লই। মুভিটির সমাপ্তি গতানুগতিক না হলেও পুরাই মেজাজ গরম করা। ধুর!
মুভিটি মালায়ালম পরিচালক Siddique এর মুভি। তিনি ২০১০ মালায়লম ভাষায় তৈরি করেন Bodyguard। সুপার হিট হবার পর আবার ঐ বছরে ২য় রিমেক তামিল ভাষায় Kaavalan। আবার এই বছরে ৩য় রিমেক সালমান খানের হিন্দী Bodyguard। যেটি মুক্তির পরপরই Box office এ ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তবে Siddique ভাই হাপায় গেলেও অন্য আরেকজন এই মুভির ৪র্থ রিমেক করছে তেলেগু ভাষায় Ganga। মনে হয়তেসে ২-৩ বছরের মধ্যে নোয়াখাইল্যা , চাঁটগাইয়া , সিলোটি সব ভাষায় বডিগার্ডের রিমেক চলে আসবে। যত যাই হোক, ২ বছরের মধ্যে একই মুভির ৩ ভাষায় ৩ রিমেকের জন্য Siddique , বাহবা পেতেই পারেন।
মুভিটিতে Salman Khan এর চরিত্র শুধুমাত্র মাইর-ধর করা আর একটু পর পর জী ম্যাডাম বলা। সালমানের এটা কোন অভিনয়ই না। অভিনয় করা এই মুভিতে অপ্রয়োজনীয় হলেও ভালো অভিনয় করেছেন Kareena Kapoor কিন্তু এই ধরনের মুভি করতে থাকলে আর Kareena কে কেউ অভিনেত্রী বলে স্বীকৃতি দিবে না। সেই Jab We Met এর পর সকলেই কারিনার একটি ভালো মুভির জন্য বসে আছি।
মুভিটির সংগীত ভালো না। Himesh Reshammiya এর সুরের শুধু মাত্র Teri-Meri গানটি একটু ভালো। “Bodyguard” এবং “Desi Beat” শোনার পর মাথা ঠুকানোর জন্য দেয়াল খুঁজতেসিলাম।
মুভিটির একটি জিনিস অসাধারণ সেটি হলো Action। Vijayan Master কে এজন্য ধন্যবাদ দিতে হয়। Action দৃশ্যগুলি দেখে আসলেই মনে হয় সালমান খানের তুলনা নেই। মুভিটিতে আরো বেশি Action দিলে হয়তো ভালো হতো।
পুরা মুভিতে Tsunami Singh ( Rajat Rawail ) এর কমেডি এবং সালমানের “ট্যাও ট্যাও” রিং টোন জ্বালায় খাইসে। সব মিলিয়ে হতাশাজনক।

রেটিং- ০.৫ / ৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Peepli [Live]”

আমির খান যেই মুভিতে হাত দেয়, পুরা পিউর গোল্ড বানায়া ছাড়ে। এই কথা, শুধুমাত্র এই কথা ভাইবা কি মরতে দেখতে বইলামরে ভাই!!! ভালো লাগলো না আমির খানের ফকিরা এই মুভি। মুভি দেখি বলে কি যা তা দেখতে হবে নাকি?? মানুষের গরিবী নিয়ে মিডিয়া এবং উচ্চবিত্তদের লাফালাফি দেখে মেজাজটা পুরাই বিগড়ায় গেসে।
কাহিনী বলি। সবাই এক্কেরে কাথা বালিশ নিয়া পড়েন। কখন ঘুমায় পড়েন গ্যারান্টি নাই। Natha ( Omkar Das Manikpuri) এবং Budhiya ( Raghubir Yadav) দুই গরিব কৃষক ভ্রাতা। জমি বন্ধক হয়ে পড়ে আছে। পয়সা পাতি কিছুই নাই। বাসায় Natha’র দজ্জাল বউ আর বিছানায় পড়ে থাকা অলটাইম চিক্কুর পারা এক মহিলা যিনি Natha ভাইয়ার মা জননী। দুই ভাই মিলে সরকারের দুর্দান্ত এক কর্মকান্ডের থেকে চরম একখান আইডিয়া পায়। আত্মহত্যা!! নিজের জান নিজে দিয়া দাও। সরকার থেকে পয়সা নাও। কি মরতে Natha’র মুখ দিয়া যে বাইর হইলো: আমি মরমু!! তার পর থেকে জান শেষ। এক ক্ষুদ্র পত্রিকা থেকে শুরু করে দেশের নামি দামি নিউজ চ্যানেল এসে পিছে লাগে Natha’র । এক গরিবের মাটির বাসার সামনে কয়েক শ সাংবাদিক ও পুলিশের ভীড় !! পুরা দেশ তোলপাড়। মুভিটি যখন বিরক্তির শীর্ষবিন্দুতে চড়ে উঠে তখন আসে এক দারুন রোমাঞ্চকর মুহূর্ত!! সেটা কী?? Natha ভাইয়ার টয়লেট লাগে!!! তালি দেন তালি দেন!! বেচারা তার মলত্যাগের উদ্দেশ্যে খোলা মাঠের দিকে পালিয়ে যায়। তখন এক ক্যামেরা ম্যান ভাইয়ের ক্যামেরায় ধরা পড়ে এই অসাধারণ দৃশ্য। পাগলের মত সবাই ছুটে চলে মাঠের উদ্দেশ্যে কিন্তু সেখান থেকে Natha উধাও!! শুরু হয় বিরাট রাজনৈতিক মারামারি। সবশেষে এক দুর্ঘটনায় থেমে যায় সবকিছু। একজন মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। সেটা হয়তো Natha ই। সুতরাং আজকের সংবাদ এই পর্যন্তই। এদিকে যেহেতু এটি কোন আত্মহত্যা নয় সেকারণে Natha’র পরিবার একটা প্রাণ ম্যাংগো জুস পর্যন্ত পায় না!! কিন্তু নাথা আসলে বেচে আছে। শেষ দৃশ্যে এটি দেখিয়ে মনে হয় পরিচালক সিকুয়েলের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এমন ভাব যেন সারা দুনিয়া জেমস বন্ডের মতো Natha রে দেখবার জন্য এক্কেরে উতলা হইয়া আসে।
পরিচালক Anusha Rizvi ‘র কাজ সম্পর্কে বলবো: ম্যাডাম বহুত বোরিং মুভি। তবে আমার আশা তিনি ভালো পরিচালক হয়ে উঠবেন। মুভিটির কাহিনী আমার কাছে মোটেও ভালো বলে মনে হয়নি। দরিদ্র মানুষদের কষ্টের জীবন নিয়ে এরকম মশকরা মোটেও মজার বলে কারো মনে হবে কিনা জানি না। মুভিটির সংলাপ গুলি একটু গ্রামীণ হিন্দী ধরণের। এজন্য অনেকের অনেক বিরক্ত লাগবে। মুভিটি ১৯৯৭ এর Mad City এবং ২০০৬ সালের মালায়ালাম মুভি Pakal এর অনুকরণ হওয়ার অভিযোগ আছে। কিন্তু আসলেই নকল কিনা সেটা খতিয়ে দেখার ইচ্ছা আমার মোটেও নেই।
অভিনয় সকলের মোটামুটি মানের হয়েছে। আমির খানের প্রযোযিত মুভি হলেও সেরকম ভালো মানের নয়। চিত্রায়ণও খারাপ নয়। তবে এক কথায় বেশ বোরিং একটি মুভি।

রেটিং – ১.৫ /৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Golmaal 3”

হিন্দী মুভিতে প্রথম Trilogy। সেটা আবার কমেডি। এক কথায় একটি Brand এ পরিণত হয়েছে Golmaal। সেই Golmaal এরই তৃতীয় মুভি Golmaal 3। সবার প্রত্যাশা অনুযায়ী বলতে হবে হতাশ করেনি। হাসির ঠেলায় গালের মাংস ব্যাথা করতেই পারে।
Golmaal মুভির বিশেষত্ব হচ্ছে মুভিতে কিছু চরিত্র থাকে কিন্তু কাহিনী এবং চরিত্রগুলির মধ্যে সম্পর্ক থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এইবারো সেই ঘটনা। সেই Gopal (Ajay Devgan), Madhav (Arshad Warsi), Laxman (Shreyash Talpade) এবং Lucky ( Tusshar Kapoor)। তৃতীয় পর্বে Kareena Kapoor এসেছেন Daboo চরিত্রে। একজন অতিরিক্ত Laxman হিসেবে এসেছে Kunal Khemu।
কাহিনী জানা যাক। গোয়াতে সুখে কিন্তু অশান্তিতে বাস করেন Pritam ( Mithun Chakraborty) । বেচারা একজন স্কুল বাস ড্রাইভার। তার বদের হাড্ডি তিন পোলা। অতিচালাক Madhav, বোবা Lucky এবং কথায় কথায় উল্টা পাল্টা উপমাদাতা Laxman ( Kunal Khemu)। তারা যেই ব্যবসায় নামে সেটার ১২ টা বাজে এবং ধারের লোকেদের প্যাদানি খায়। এদিকে আরেক পরিবারে থাকেন Geeta ( Ratna Pathak Shah)। তার সাথে তার দুই পুত্র পাগলা Gopal এবং তোতলা Laxman ( Shreyash Talpade)। তাদের প্রতিবেশী হলো Daboo ( Kareena Kapoor)। কিন্তু আসল কাহিনী হলো Geeta আর Pritam পুরনো প্রেমিক-প্রেমিকা। তাদের সন্তানগুলি তাদের নিজেদের নয়। তাদের বিয়ে হয় কিন্তু দুই গ্রুপের মধ্যে লাগে ভয়াবহ ঝগড়া এবং হতে থাকে একের পর এক আজব আজব কান্ড-কারখানা।
নির্দেশক Rohit Shetty তার আগের Golmaal এর কমেডির ধাঁচ বজায় রেখেছেন। তার সাথে গাড়ী নিয়ে আজব আজব একশান তো আছেই। মুভিটির চিত্রনাট্য এবং সংলাপ দুর্দান্ত রকমের হাসির। যারা হিন্দী মুভি নিয়ে খোঁজখবর রাখেন তাদের এই মুভি দেখা Must। মুভিটির একটি ঝগড়ার দৃশ্য আছে যেটিতে কোন সংলাপ তো দূরের কথা কোন শব্দই নেই। কিন্তু অভ্যন্তরীণ অর্থ বেশ অশ্লীল হলেও চুড়ান্ত হাস্যকর। Censor Board এর কিছুই করার থাকবে না। আমার কাছে আরেকটি জিনিস মজার লেগেছে মুভিটিতে Kareena’র কুকুরের নাম থাকে Facebook।
কিন্তু মুভিটির অনেক খারাপ দিক আছে যে কারণে মুভিটিকে Golmaal Returns এর চেয়ে ভালো বলবো না। মুভিটির একশান দৃশ্য একটু বেশী মাত্রায়। শেষের দিকের কমেডিগুলি চিৎকার চেচামেচি ভরা। মুভির গানগুলি একেবারেই ভালো না। অভিনয়ের দিক দিয়ে বলবো চরিত্রগুলিকে ঠিকমত সাজানো হয়নি এবং অভিনেতাদের ঠিকমতো ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু Kunal Khemu’র সংলাপ গুলি দুর্দান্ত ছিল। ফ্ল্যাশব্যাক দৃশ্যতে মিঠুনের নাচ আবার সবাইকে নাচাতে সমর্থ হবে। মুভির সংলাপে ব্যবহৃত উপমাগুলি আসলেই প্রশংসনীয়। এছাড়া Johnny Lever এর Short term Memory loss এর চরিত্রটিও বেশ মজার।
সবমিলিয়ে একেবারে পারিবারিক মুভি এবং সব দর্শকই এখন Golmaal 4 এর অপেক্ষায় থাকবে।
রেটিং – ৩/৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Action Replayy”

মুভিটা কেমন সেটা বলার আগে বলি। মুভিটা দেখার সময় এক বন্ধূ ফোন দিয়ে বললো:”কী করিস দোস্ত??” আমি বলি :”কিছুই না“। আম্মা বললো:”এক হালি ডিম নিয়ে আয়। ও তুই তো সিনেমা দেখিস।”। “তেমন কোন সিনেমা না। ডিমটা আনতে আর কতক্ষণই লাগবে?“
মুভিটি নিয়ে প্রত্যাশা অনেক বেশী ছিল। সবকিছু মনে হচ্ছিল:” হমম!!! এরপর তো এটাই হবার কথা। সেটাই তো হচ্ছে!!” পরে মনে হলো :”ব্যাপারটা কী?? যা ভাবছি সেটাই হচ্ছে আবার মুভির কোন গভীরতা টের পাচ্ছি না!“
এভাবেই হতাশ করেছে Action Replayy। কাহিনী জানা যাক। Bunty ( Aditya Roy Kapoor) সবসময় বিয়ে থেকে ১০০ হাত দূরে। কারণ তার বাপ-মা এর অশান্তির সংসার। তার প্রেমিকা Tanya ( Sudeepa Singh) বারবার তাকে বিয়ের জন্য রাজী করাতে গিয়ে ব্যর্থ হয়। এদিকে Tanya’র দাদা বিরাট বিজ্ঞানী Anthony Gonsalves ( Randhir Kapoor) । তিনি একটি টাইম মেশিন বানিয়েছেন। সেই টাইম মেশিনের মাধ্যমে Bunty চলে যায় অতীতে। মিশন একটাই বাবা মায়ের মধ্যে যেন প্রেম থাকে যাতে পরবর্তীতে এরকম অশান্তির সংসারে তাদের থাকতে হয় না। কিন্তু অতীতে গিয়ে দেখে তার বাপ একটা মহা উজবুক Kishen ( Akshay Kumar) । এদিকে তার মা একজন মহিলা গুন্ডা টাইপ Mala ( Aishwarya Rai) । দুজন দুজনকে সহ্যই করতে পারে না। এদিকে Bunty দমে যাবার নয়। পুরা কাছা বাইন্ধা নেমে পড়ে মা-বাপের প্রেমের মিশনে।
একটি মুভি হতে মূলত ৩ টি জিনিস লাগে। কাহিনী, সংলাপ এবং চিত্রনাট্য। মুভি সংলাপ বেশ প্রশংসনীয় হলেও কাহিনী যে কপি মারা সেটা তো বোঝাই যায় আর চিত্রনাট্য অত্যন্ত নিম্ন মানের। কলাকুশলীদের অভিনয় ভালো হলেও সেটা কোন দিক দিয়ে বোঝার উপায় নেই। পরিচালক Vipul Shah মুভিটিতে ৭০ দশকের ফ্যাশন আনতে বেশ সক্ষম হলেও মুভিটির দুর্বল চিত্রনাট্য ৭০ দশকের ফ্যাশন দেখাবার জন্য “Om Shanti Om” এরই নাম নিবে।
অভিনয়ের দিক দিয়ে বলবো Akshay Kumar আসলেই ভালো করেছে। কিছু কিছু ব্যাপার আসলে তাকে ছাড়া একেবারেই সম্ভব না। Aishwarya’র অভিনয় মোটামুটি হলেও তার চরিত্রটি এক ধরণের Show Piece ই বলা চলে। Aditya Roy Kapoor এর অভিনয় ভালো হলেও তার কাকের বাসা চুলের স্টাইল দেখে Monitor বন্ধ করে দিতে ইচ্ছা করে। আর সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক ছিল আমাদের RannVijay Singh। এই ব্যক্তি আরো কয়েকটি মুভি করলে সবাই Roadies দেখাও ছেড়ে দিবে। Rajpal Yadav, Kirron Kher এবং Om Puri ‘র অভিনয় বেশ ভালো হয়েছে।
মুভিটির সংগীত তেমন ভালো বলা যায় না। কিছু কিছু দৃশ্যের সংলাপ বেশ হাসির তবে দম ফাটানো নয়। মুভিটির কাহিনী Back to the future এর তবে এত বড় ক্লাসিক মুভির সাথে Action Replayy’র নাম আসা খুব একটা শোভা পায় না।
মুভিটিতে কিছু দেখার মত থাকলে সেটা হলো Akshay Kumar। কিন্তু কেন জানি Akshay ফিরে পাচ্ছে না তার সাফল্যের ধারা। সবমিলিয়ে একেবারে সাধারণ মানের মুভি তবে Akshay এর জন্য দেখা যায়।

রেটিং – ১.৫ /৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Guzaarish”

এই প্রথম কোন মুভির রিভিউ লিখছি চোখ ভেজা অবস্হায়। যখন কোন মুভি মানুষের আবেগকে নাড়া দিয়ে সারা জীবনের জন্য মনে বাসা বেঁধে রাখে তখনই সে মুভিকে বলা হয় “Masterpiece “। এক অসাধারণ মুভির জন্ম দিলেন বলিউডের অন্যতম সেরা পরিচালক Sanjay Leela Bhansali । এই মুভির মাধ্যমে তিনি হিন্দী মুভিকে এক অসাধারণ উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যার কারণে তাকে আমি শুধু পরিচালক না বলে একজন চলচ্চিত্র শিল্পী বলতে চাই।
Ethan Mascarenhas ( Hrithik Roshan) একজন পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি। এক কালের দুনিয়ার সেরা জাদু শিল্পী। কিন্তু ১৪ বছর আগে এক দুর্ঘটনার কারণে তার অঙ্গগুলি থেকে সব ধরণের অনুভূতি চলে যায়। শুধুমাত্র মাথাটি সামান্য নাড়াতে পারে। এমনকি মল-মূ্ত্র বের হওয়ার সময়ও তার কোন অনুভুতি থাকে না। তখন থেকেই তার জীবন চলে একটি হুইল চেয়ারে। তবে সে সমাজে কোন শাক সবজির মত বেঁচে নেই। সে বর্তমানে গোয়ায় এক রেডিও শো এর রেডিও জকি হিসেবে কাজ করে। শো এর নাম “Radio ZindegI”। যেখানে সে মানুষকে জীবনকে কী তা জানতে শেখায়। গত ১২ বছর ধরে তার সেবা যত্ন করে আসছে তার সেবিকা Sofia ( Aishwarya Rai) । এভাবেই চলে যাচ্ছে জীবন।
একদিন Ethan তার আইনজ্ঞ বন্ধু Devyani ( Shernaz Patel) কে তার জীবনের শেষ গুজারিশ বা অনুরোধ জানাতে চায়। Ethanআদালত থেকে স্বেচ্ছায় মৃত্যু বা Euthanasia ‘র প্রার্থনা করে। কিন্তু ভারতীয় সংবিধানে এর কোন নিয়ম নেই। প্রথম দফায় খারিজ হয় তার আপিল। কিন্তু Ethan তার রেডিও সাহায্যে লোকজনের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করে। মুভিতে নতুন এক চরিত্রের আবির্ভাব হয়। Omar Siddique ( Aditya Roy Kapoor) আসে Ethan এর নিকট জাদুবিদ্যা শিখতে। এভাবে সে Ethan এর জীবনে জায়গা করে নেয়। এদিকে যথেষ্ট জনসমর্থন পাওয়ার পর দ্বিতীয় দফায় Ethan নিজেই বাসা থেকে বের হয়ে Court এ হাজির হয়। এভাবেই চলতে থাকে মামলা। মুভিতে ধীরে ধীরে বের হয়ে আসে Ethan কে ঘিরে সকল মানুষের ভালোবাসা এবং অনুভূতি। স্বেচ্ছায় মৃত্যুকে কেউ সমর্থন প্রথমত না করলেও ধীরে ধীরে Ethan এর কষ্টের সীমা দেখার পর সকল দর্শকই সজল চোখে তার সিদ্ধান্ত সঠিক বলেই মেনে নিবেন। একদিন আদালতের রায় চলে আসে । তবে সেটি সকলের জন্য সুখকর হয় না।
হিন্দী মুভি আমরা দেখতে বসি Hrithik এর মুভি , Aish এর মুভি দেখতেই হবে। তবে একবারের জন্যও মনে হয়নি যে আমি Hrithik বা Aish এর কোন মুভি দেখছি। সবসময় মনে হয়েছে যেন মুগ্ধ নয়নে একটি চিত্রকর্ম দেখছি যেটিতে এক পঙ্গু ব্যক্তি হুইল চেয়ারে জানালার দিকে তাকিয়ে অপেক্ষায় করছে মুক্তির। অসাধারণ মুভি মেকিংএ মন্ত্রমুগ্ধ হতে বাধ্য হয়েছি।
মুভিটি শুধু এবং শুধুমাত্রই Sanjay Leela Bhansali’র। সাধারণ থেকে সাধারণ দৃশ্য যেন এক জাদুর প্রয়োগে সকলের চোখে পানি এনে দেয়। Black মুভিটির মাধ্যমে হিন্দী মুভিকে এক দারুণ উচ্চতায় নিয়ে যাবার পর যখন Saawariya সকলকে হতাশ করেছিল তখন Guzaarish এরই দরকার ছিল তার শিল্পকর্মকে সঠিক মর্যাদা দেবার জন্য। জেনে রাখা ভালো যে মুভিটির জন্ম মূলত Saawariya’র পরবর্তী সময়ে Bhansali’র প্রতি মানুষের আচরণ থেকেই।
এক দৃশ্যে Omar যখন Ethan কে বলে:” তো আপনার প্রথম জাদু ছিল Raining Coins??” তখন Ethan জবাব দেয়: “ না! আমার জাদুটি ছিল আমার মায়ের হাসি।“ তখন কেন জানি এক অদ্ভুত অনুভূতির স্বাদ পাওয়া যায়।
অভিনয়ের ব্যাপারে সকলে Hrithik এর প্রশংসা করাটাই স্বাভাবিক কারণ Hrithik ছিল মূল চরিত্র। কিন্তু আমার মতে সকলের অভিনয় ছিল দুর্দান্ত। Hrithik পুনরায় প্রমাণ করেছে তার মত অভিনেতা বলিউডে নেই। বলে রাখা ভালো যে Ethan এর সাথে Koi Mil Gaya’র Rohit এর কোন মিলই পাওয়া যাবে না। Aishwarya’র চরিত্রের গুরুত্ব কিছুটা কম হলেও তাকে ছাড়া এই মুভি হওয়া সম্ভব ছিল না। এছাড়া Omar চরিত্রে Aditya, Devyani চরিত্রে Shernaz Patel, Dr. Nayak চরিত্রে Suhel Seth, Ethan এর মায়ের চরিত্রে Nafisa Ali দারুন অভিনয় করেছেন।
মুভিটির সংগীত পরিচালক আশ্চর্যজনকভাবে Bhansali নিজেই। সংগীত অসাধারণ না হলেও মুভিটির জন্য মানানসই। খুব দুঃখজনক ঘটনা হলো যে মুভিটি বক্স অফিসে ব্যবসা করতে পারে নি। তবে আমার বিশ্বাস সকলেই মুভিটিকে প্রশংসার মাধ্যমে সেরা মুভির তালিকায় রাখবেন। দয়া করে মুভিটি সবাই দেখবেন। এটাই আমার প্রতি সকলের Guzaarish।
রেটিং- ৪.৫/৫

Read more ...

হিন্দী/ইংলিশ/স্প্যানিশ(????!!!) মুভি বাংলা রিভিউ- “Kites”

মাঝে মাঝে আমার কিছু মুভির কথা বেশ অনেক দিন ধরে মনে থাকে। মনে মনে ভাবি এরকম বাজে মুভিটা দেখলাম কীভাবে?? মুভি দেখতে পছন্দ করি তাই বলে এই মুভি??
Kites মুভিটি ঠিক কোন ভাষায় নির্মিত মুভি সেটা নিয়েও এখনো জল্পনা-কল্পনা চলছে। কাহিনী আছে কিন্তু বিরাট আজগুবি। লাস ভেগাসের এক ড্যান্স শিক্ষক হচ্ছে J ( Hrithik Roshan) । তার সাথে তার আরেক ব্যবসা হলো মেয়েদের বিয়ে করে Green Card দিয়ে দেওয়া । টাকার জন্য যেকোন কিছু করতে রাজি সে। এরই মধ্যে তার এক ছাত্রী Gina (Kangana Ranaut) পড়ে যায় তার প্রেমে । Gina’র বাবা Bob ( Kabir Bedi) বিরাট এক প্রভাবশালী ব্যক্তি। ব্যস!! J কে আর পায় কে?? Gina কে বিয়ে করতে এক পায়ে খাড়া। কয়েকদিন পর Gina’র ভাই Tony (Nick Brown) এর Engagement । পাত্রী হলো মুভির প্রধান আকর্ষণ Barbara Mori। Tony’র সাথে বিয়ের সময় তার নাম Natasha । কিন্তু Green Card এর চক্করে যখন J এর সাথে তার বিয়ে হয়েছিল তখন নাম ছিল Linda।
সমস্যা একটাই । Linda, Spanish ছাড়া কিছুই বলতে পারে না। আর J , Spanish এর কিছুই বুঝে না। দেরীতে হলেও একে অপরকে তারা চিনতে পারে। শুরু হয়ে যায় প্রেম। যে প্রেম মানে না কোন ভাষার দেয়াল। পালিয়ে যায় তারা। Tony এই অপমান সহ্য করতে পারে না। ছুটে চলে তাদের পিছনে। টাকার জন্য মিথ্যে ভালবাসা থেকে বাঁচতে শুরু হয় J এবং Linda ‘র প্রাণপণ অভিযান।
মুভিটি রোমান্টিক হলেও জোর দেওয়া হয়েছে শরীর দেখানোর প্রতি। মুভিতে আবেগ বলতে কিছুই নেই। আমাদের সমাজে সাধারণত বঙ্গললনাদের চোখের এক দৃষ্টিই কাত করে দেবার জন্য যথেষ্ট। সেখানে Hrithik, Barbara Mori কে Bikini পরিহীতা অবস্হায় দেখে পুরাই টাশকি। আরে ব্যাটা! তুই কি লাস ভেগাস জামে মসজিদের খতিব নাকি যে Bikini পরা কাউকে দেখোস নাই?? এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে Barbara Mori কে আমার কাছে সেরকম আবেদনময় মনে হয়নি। তবে Hrithik এর স্টাইল ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
সবকিছু মেনে নিয়ে, ২ সেকেন্ড চোখ বন্ধ করে “আমি Hrithik এর Fan , আমি Hrithik এর Fan , আমি Hrithik এর Fan , ….” বলে মুভিটিতে মনোযোগ দেবার চেষ্টা করলেও হঠাৎ ধুম-ধারাক্কা আজগুবি অ্যাকশন দৃশ্য মেজাজটা একদমই খারাপ করে দেয়।
মুভিটির সংগীত খুব একটা ভালো নয়। সবকিছুর পরেও বলতে হবে যে Hrithik দুর্দান্ত অভিনয় করেছে। Hrithik এর নাচের দৃশ্যটি কেন জানি একঘেয়েমি ধরনের লাগছিল। কয়েকটি দৃশ্য দেখে মনে হচ্ছিল এই মুভিটি Anurag Basu ধরণের পরিচালক থাকলে এরকম ভালো দৃশ্য আরো থাকতো। আরে ব্যাটা! এই মুভির পরিচালক তো Anurag Basu ই !!! সত্যি বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল যে এই মুভিটির পরিচালকের নাম Anurag Basu ।
Vicky Cristina Barcelona দেখার পর Spanish শেখার বেশ শখ হয়েছিল। এই মুভি দেখে সব ইচ্ছা মাটি। Rakesh Roshan এর কাছে আরো ভালো কিছু আশা করেছিলাম। সব মিলিয়ে বেশ খারাপ মুভি তবে Hrithik এর জন্য দেখতে পারেন।
রেটিং – ০.৫ /৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Raavan”

আবার Mani Ratnam। আবার হতাশা। হিন্দী মুভিতে যেন জ্বলে উঠতে পারছেন না ভারতের অন্যতম সেরা এই পরিচালক। কিন্তু রামায়ণের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত এই মুভির জন্য সবাই যেন নিশ্চিত। এটাই হতে যাচ্ছে বছরের সেরা মুভি। কিন্তু হায় আফসোস। কিছুই হলো না। আমি Mani Ratnam এর যতগুলি মুভি দেখেছি সবগুলিতেই রোমান্টিক দৃশ্যগুলি দেখে অবাক হয়েছি। এতভালো করে কীভাবে ভালোবাসাকে প্রকাশ করা সম্ভব? কিন্তু কখনই তিনি পুরোদস্তুর রোমান্টিক মুভি বানাননি। এইবার ভেবেছিলাম এটা অবশ্যই রোমান্টিক মুভি। কিন্তু তা নয়। সে কারণে সব কিছুতেই ফ্লপ হলো Raavan।
কাহিনী রামায়ণের ই কিন্তু কিছুটা পার্থক্য আছে। “লাল মাটি “ হলো Beera Munda (Abhishek Bachchan) নামক এক প্রভাবশালী অদ্ভুত চরিত্রের রাজত্ব। কারও চোখে সে ভালো আবার কারো চোখে মন্দ। তার কথাতেই চলে সবকিছু।
সবাই বলে তার দশ মাথা, এ যেন লংকাধিপতি রাবণ । কিন্তু পুলিশের SP , Dev Pratap Sharma (Vikram) ‘র সাথে তার পুরনো শত্রুতা। তারই জের ধরে সে Dev এর স্ত্রী Ragini ( Aishwary Rai) কে অপহরণ করে সে। অপহরণের ১৪ ঘন্টা পর Beera , Ragini কে হত্যা করার জন্য উদ্যত হয়। কিন্তু Ragini নিজেই আত্মহত্যার চেষ্টা করে। উঁচু পাহাড় থেকে ঝাঁপ দেয় Ragini কিন্তু সেই Beera ই তাকে বাঁচিয়ে নিয়ে আসে। Ragini ‘র সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ হয়ে যায় Beera। এদিকে Dev খুঁজেই চলছে তার স্ত্রী কে। সাথে থাকে Sanjeevani ( Govinda) । ধীরে ধীরে Beera ‘র প্রেম বেড়েই চলে। কিন্তু Ragini ‘র মনে ঘৃণাও বৃদ্ধি পায়। কিন্তু একদিন Ragini জানতে পারে কেন Beera এত ক্রুদ্ধ তার স্বামীর উপর।
মুভি চলে যায় ফ্ল্যাশব্যাকে। Beera’র এক আদরের বোন Jamuni ( Priyamani) যখন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছিল তখন Dev আক্রমণ করে সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে। Beera গুরুতর আঘাত পেয়ে পালিয়ে গেলেও পুলিশ Jamuni কে ধরে নিয়ে তার উপর কয়েকদিন ধরে গণধর্ষণ চালায়। Jamuni যখন Beera কে এই ঘটনা বলে তখন সে নিজের অপমান সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে।
এই ঘটনা শোনার পর থেকেই Ragini ‘র মনে Beera ‘র প্রতি একটু কোমল অনুভূতি তৈরি হয়। এরই পরে মুখোমুখি হয় Dev এবং Beera । তারপরে কী হয় সেটা না হয় না ই বললাম।
মুভিটিতে সবচেয়ে বেশি যেটা চোখে পড়ে সেটা হলো Aishwarya Rai এর সৌন্দর্য। অসাধারণ সুন্দরী লেগেছে এই বিশ্বসুন্দরীকে । আগে থেকে বলে রাখি যারা তার অতিরিক্ত ভক্ত তারা এই মুভিটি একটু সাবধানে দেখবেন। Aishwarya’ র সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়লে অবাক হবো না। তা ছাড়া দুর্দান্ত অভিনয় করেছে Aishwarya। Beera চরিত্রে Abhishek দারুন অভিনয় করলেও Beera চরিত্রটি মোটেও রোমাঞ্চকর নয়। রাক্ষসের জায়গায় এরকম জঙ্গলী ধরণের লোকজন একদম ভালো লাগেনি। Dev চরিত্রে Vikram দারুন অভিনয় করেছে। কিন্তু মুভিটিতে পাগলাটে ধরণের দৃশ্য দেখতে দেখতে একদম মেজাজটাই বিগড়ে যায়। কি যে হচ্ছে আর কেনই বা হচ্ছে কিচুরই হদিস মিলে না। কিছুক্ষণ পর পর মুলতানি মাটি মেখে Abhishek এর “ চিখি চিখি চিখি” শব্দ শুনলে গা জ্বালা করে। মুভিটি দেখলে মনে হয় এটা কী দেখছি??
তবে মুভিটিতে অসাধারণ লোকেশান দেখানো হয়েছে । ভারতের অসাধারণ কিছু জায়গা দেখানো হয়েছে যেটা দেখলোAvatar মুভির পরিচালক James Cameron ভাববেন :” হায় হায় এত খরচ করে Pandora বানালাম??”
সংগীতে A.R.Rahman এর গানের কথা না বললেই নয়। বিশেষ করে Beera Beera গানটি আমার বেশ পছন্দের।
মুভিটি দেখে এতই খারাপ লাগে যে কি বলবো। বেশিরভাগ কাহিনীর অংশ যেন কোন কারণ ছাড়াই। রামায়ণের কাহিনীতে যেরকম আবেদন আছে তার ছিটেফৌঁটাও নেই। কেন Beera, Ragini কে অপহরণ করল? আবার কেন সঠিকভাবে প্রতিশোধ নিলো না, কিছুরই উত্তর পাওয়া যায় না। তবে শেষ দৃশ্যে বাজিমাত করেছেন পরিচালক Mani Ratnam। মুভিটির শেষ দেখে মনে হলো নাহ মুভিটি বেশ ভালোই। মুভিটিতে আজগুবি হলেও সমাপ্তি বেশ সুন্দর। তবে সবমিলিয়ে দর্শকদের মন জয় করার সামর্থ্য রাখে না।
রেটিং -১.৫/৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Anjaana Anjaani”

মুভিটির সাব লাইনের লেখা ছিল: “The Greatest and Strangest Love story”। Strangest এর ব্যাপারটা মেনে নিলেও দুঃখজনকভাবে Greatest বলে মানতে পারলাম না। মুভির পরিচালক হওয়া বেশ কষ্টকর। এত দুর্দান্ত পরিচালনার পরও যদি মুভির কাহিনীর কিছু অংশের জন্য পুরো মুভিটি ক্লাসিক হওয়া থেকে বঞ্চিত হয় তবে সেটা আসলেই দুঃখজনক।
কাহিনী জানা যাক। মুভির প্রথম দৃশ্যেই Aakash ( Ranbir Kapoor) নিউ ইয়র্কের ওয়াশিংটন ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। কিন্তু মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটায় আরেক আত্মহত্যার Candidate , Kiara ( Priyanka Chopra) । কিন্তু কোস্ট গার্ড ও পুলিশ দেখে ফেলে। পুনরায় Aakash গাড়ীর তলে চেষ্টা চালায় । অর্ধেক সফল। কারণ শুধু আহত হয়ে হাসপাতাল গমন। পুনরায় দেখা হয় Kiara’র সাথে। সেও আবার try মেরে Fail মারসে। দুজন মিলে ঠিক করে একে অপরকে সাহায্য করবে আত্মহত্যা করায়। বারবার চেষ্টা করে তারা বুঝতে পারে আসলে জীবনে করা হয়তো কিছু বাকি আছে। ঠিক করে ২০ দিন পর New Years Eve এ চেষ্টা চালাবে। এরই মধ্যে খোলাসা হয় তাদের আত্মহত্যার কারণ। Aakash বেচারা খাইসে Stock Market এর একটা বড় ধরা তার উপর ১২ মিলিয়ন ডলার এর Bank Loan।
আর Kiara’র কাহিনী কি বলেন তো?? একটু Try মারেন । হমম ... ঠিক হয়েছে ... খাইসে ছ্যাঁকা। যাই হোক দুজনেই নিজের শেষ ইচ্ছাপূরণের চেষ্টা করে। Aakash কে জিজ্ঞেস করে কী আশা ছিল জীবন থেকে??
এর আগে একটা কথা বলি। ক্লাস 9-10 এর ছেলেরা যখন স্কুল থেকে বের হয়ে রাস্তা পার হয় তখন গাড়ীর উদ্দেশ্যে একটি কথা বলে ফাইজলামি করে। সেটা হলো: ভাই আসতে আসেন ... বিয়া করি নাই।
Akash বিশাল গবেষণা করে শেষে কিছু না পেয়ে শেষে এইটাই বলে যে সে Virgin। কিন্তু আসল ইচ্ছাটা কি সেটা Kiara বুঝতে পারে । সেটা হলো Aakash তার জীবনে ভালোবাসা পায় নি। এবার Kiara’র ইচ্ছা । সেটা হলো আটলান্টিকে সাঁতার কাটা। সেটা করতে গিয়ে বহুত আকাম হয়। এদিকে Kiara তার আত্মহত্যার কারণ জানায়। Kiara বলে তার প্রথম প্রেম Kunal ( Zayed Khan) এর কথা। কীভাবে Kunal তাকে Cheat করেছে। সেটা মনে করতেই Kiara আত্মহত্যার চেষ্টা করে । হাসপাতালে নিয়ে যায় Aakash। তখনই Aakash এর মনে জীবনে বেঁচে থাকার কারণ জেগে উঠে যার নাম Kiara। Kiara সুস্থ হলে দুজন মিলে যায় লাস ভেগাসে তাদের গাড়ী Blush কে নিয়ে। সেখানে Aakash ও Kiara কিছুটা ঘনিষ্ঠ হলেও Aakash বুঝতে পারে Kiara আসলে আর কাউকে ভালোবাসতে পারবে না। সে কারণে Aakash , Kiara কে পৌছে দেয় San Francisco। চিরতরে বিদায় জানায় Aakash , Kiara কে। Kiara এরপর তার আকাশ বিহীন পৃথিবীতে বুঝতে পারে যে জীবনে সেই প্রকৃত ভালোবাসা। এরপর যা হবার তাই হয় ... শুভ সমাপ্তি।
মুভিটির সবচেয়ে বড় সমস্যা হল কাহিনী বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই Predictable। আর যে সব জায়গায় Predictable নয় সেগুলি বেশ আজগুবি এবং যুক্তিহীন। তবে মুভিটির নির্দেশনা, সম্পাদনা এবং সংলাপ সত্যিই দুর্দান্ত। সেকারণে মুভিটি ছেড়ে উঠা সম্ভব নয়। পরিচালক Siddhart Anand যুব সমাজের চাহিদা বেশ ভালোভাবেই বোঝেন। মুভিটির সব চেয়ে সেরা দিক হলো সংগীত। এক কথায় অসাধারণ। প্রত্যেকটি গান দারুণ। গানগুলির চিত্রায়ন আরো দারুন।Vishal- Shekhar এর জন্য সাধুবাদ জানাই।
অভিনয়ের দিক দিয়ে Ranbir Kapoor সব সময়ের মত ভালো করেছে। তবে Aakash চরিত্রের মধ্যে স্থীরতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সে আসলে কী ধরণের ছেলে গোমরামুখো নাকি হাসি-খুশি বোঝা যাচ্ছিল না। এই জন্য এটিকে Ranbir এর সেরা চরিত্রদের সাথে তুলনায় বলা যাবে না। কিন্তু মুভিটিতে বলতে হবে নায়িকার গুরুত্বই বেশী। যে কারণে প্রয়োজন ছিল শক্তিশালী একজন অভিনেত্রী যার জন্য Priyanka Chopra ‘র প্রয়োজন অত্যাধিক ছিল। তবে মুভিটির কাহিনীর ফাঁক-ফোকড় একটু কম হলে Kiara চরিত্রটিকে Jab We Met এর Geet এর ন্যায় সর্বকালের সেরা নালি চরিত্রের সাথে তুলনা করা যেত। তবে ভালো লেগেছে যে এখনো নারী চরিত্রে অভিনয়ের প্রয়োজনীয়তা এখনো নির্দেশকরা চান।
মুভিতে অনেক নতুনত্বের মধ্যে রয়েছে Ranbir এর Pole Dancing। Ranbir এর ফ্যানদের মুভিটি মিস করা একেবারেই অনুচিত। মুভিটিকে আমার সেরকম ভালো লাগে নাই এর কারণ হলো মুভিটি দুর্দান্ত শুরু করলেও শেষ দুর্দান্ত হয়নি। সে কারণে ভুলে যাওয়া হয় যে মুভিটি প্রথমে দুর্দান্ত লাগছিল। তবে একটা কথাই বলবো মুভিটি হিট না হওয়ার কোন কারণ নেই। সব মিলিয়ে উপভোগ্য একটি মুভি।

রেটিং – ৩/৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Dabangg”

একটি মুভিতে বরাবরই আমরা যেটা খুঁজে পাই সেটা হলো মানুষের সামাজিকতা এবং শিল্প সংস্কৃতির এক কাল্পনিক রুপ। যেই মুভিটি মানুষের মনের কাছাকাছি যেতে পারে সেটিকেই মানুষ বারবার দেখে। গেঁথে রাখে নিজের মনের ভিতর বছরের পর বছর। কিন্তু জীবন আজকাল খুব গোলমেলে হয়ে গেছে। মানুষ আজকাল চায় কিছু নতুনত্ব। কিছু অন্যরকম। তবে Dabangg মুভিটির সাফল্যের কারণে সত্যি ভয় হচ্ছে যে মানুষের মন মানসিকতা কী এতটাই পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে??
পুরো মুভিতে শুধুমাত্র ধুম-ধারাক্কা মারামারি। আর কিচ্ছু নেই। কিছু কিছু মারামারির দৃশ্য সত্যিই খুব বীভৎস রকমের। এই ফালতু মুভিতে কিছুটা কাহিনী ছিল যেটাকেই সহজেই ফুটিয়ে তোলা যেত অন্যভাবে। কিন্তু কিছুই করা হয়নি।
Dabangg এর কাহিনী পুরোটা জুড়েই আছে একজন যার নাম চুলবুল পান্ডে ( Salman Khan) । পেশায় একজন ঘুষখোর পুলিশ। নিজেকে রবিন হুড পান্ডে বলে জাহির করে। কারণ টাকা খায় শুধুমাত্র অসাধু লোকদের কাছে। পরিবারে আছে তার মা ( Dimple Kapadia), সৎ ভাই মাখনচাঁন ( Arbaaz Khan) এবং সৎ বাপ প্রজাপতি পান্ডে (Vinod Khanna) । সৎ বাপ ছোটবেলা থেকেই নিজের ছেলেকে একটু বেশী ভালবাসে। এজন্য দুচোখের বিষ তিনি চুলবুলের কাছে। এদিকে মাখন ভালবাসে নির্মলাকে (Mahi Gill)। মাখন শালা একটা গাধা কিসিমের পাবলিক। আর ওর বাপ একটা লোভী মানুষ। বিয়া দিমু নিজের পোলারে যাতে যৌতুকের টাকা দিয়ে কারখানাতে লাভ হয়। মুভিটির পরিচালকও যেন যৌতুক নেয়ার পক্ষপাতী। বেচারা মাখন। বাপ তো বাপ আবার মুভির কাহিনীও যৌতুকপন্থী?? কি আর করা?? চুরি করে নিজের বাড়ির আলমারি থেকে চুলবুলের টাকা। সেটা নিয়ে মেয়ের বাপকে দেয় । মেয়ের বাপও আরেক চিজ। আগে কইতো: আমি একজন শিক্ষক!! আমি যৌতুক দিমু না। কিন্তু চুরির টাকা দেখে বলে ঠিক আছে। এদিকে মাথা চাড়া দেয় এলাকার নামি দামি গুন্ডা ছেদী(ফুটা) সিং (Sonu Sood) । চুলবুলের জন্য তার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। ব্যস চুলবুলের বাড়িতে Attack। ফলাফল মায়ের মৃত্যু। চুলবুল চলে যায় বাসা থেকে। এদিকে মুভিতে হাজির হয় তার ভালবাসা রাজো ( Sonakshi Sinha)। রাজোর বাপের মৃত্যু দিনে চুলবুল হঠাৎ হাজির হয়ে বলে যাও যাও সবাই বাড়ি যাও এখন আমি বিয়া করুম। বিয়ার আবার যে ইশ্টাইল!! বিয়ে করে নিজের ভাইয়ের বিয়ের মঞ্চে!! ভাইয়ের বিয়ে হইলো না কিন্তু নিজের তো হইলো। চুলবুল শালা যেন একটা আসল পুরুষ। চান্স পাইলেই নিজের হাবাগোবা ভাইরে ধইরা পিটায়। এটাই এই মুভির একশান। এইভাবেই চলতে থাকে। সবশেষে যা হওয়ার তাই হয়। চুলবুল Vs ছেদীর যুদ্ধ। তারপর ভাইয়ের সাথে মিল।
মুভিটির দুজনকে বেশ ভালো লেগেছে। একজন হলো Sonu Sood । এখানে খল চরিত্রে অভিনয় করলেও দেখেই যেন মনে হয় সহজেই একটি Action Movie’র নায়ক হতে পারে। অপরজন হলো Sonakshi। খুবই রুপবতী এক নায়িকা। আশা করা যায় ভবিষ্যত বেশ উজ্জ্বল। Salman কে একটুও ভাল লাগে নাই। অনেকে মুভিটিকে Wanted এর সাথে তুলনা করলেও Wanted মুভিটি এর চেয়ে অনেক গুণে আনন্দদায়ক। কোন মুভিতেই নায়ক কখনোই চুলবুলের মতো ফালতু না। সংগীত মোটেও ভাল নয়। Arbaaz Khan আমার মতে বেশ Talented Actor কিন্তু এধরণের মুভি না করাই ভালো তবে অবশ্য প্রযোজক তিনি নিজেই। পরিচালক Abhinav Khashyap কে আরো অনেক কিছু শিখতে হবে নিজের ভাইয়ের কাছাকাছি যেতে। সবচেয়ে হাস্যকর ছিল Background Score। মাঝেমাঝেই Dark Knight এর Sound শুনতে পাওয়া যায়।
বুঝলাম ইন্ডিয়ান মাসালা মুভি। কিন্তু সব মুভিতেই কিছু না কিছু থাকে যেটাকে প্রশংসা করা যায়। এই মুভিতে কিছুই নেই। এক কথায় পুরাই ফাউল।
রেটিং – ০/৫

Read more ...

হিন্দী মুভি বাংলা রিভিউ- “Tees Maar Khan”

যাদের হিন্দী মুভি এবং যারা হিন্দী মুভি পছন্দ করে তাদেরকে দেখে গা রি রি করে তাদের উদ্দেশ্যে বলছি: “ভাই !! দেন গালি!! আরো গালি দেন ... গাইলায় আলুভর্তা বানায় দেন ... আজকাল আলুর দামও কিছুটা কমসে”। চলচ্চিত্র শিল্পকে খর্ব করার এক মুভি যার নাম Tees Maar Khan। আগে বলে রাখি অনেক হিন্দী মুভির মতো এটাও একটি নকল মুভি তবে একটি পার্থক্য আছে। যে মুভি থেকে এটি টুকলিফাই করা হয়েছে সেটি হলো ১৯৬৬ সনের ইতালীয় মুভি After The Fox (Caccia alla volpe) । অন্যান্য টুকলিফাইয়ের সাথে এটির পার্থক্য হলো যে After The Fox এর নির্মাতা যদি Tees Maar Khan দেখে তবে সকলের পা ধরে বলবে:”ভাই মাফ করেন। আমার মুভি এত খারাপ না। আর পচানি দিয়েন না। এই রকম বমি করা টাইপ মুভি সম্পূর্ণ অরিজিনাল!!”
মুভির কাহিনী বলি। একটা ট্রেনে করে সমগ্র ভারতবর্ষের বহুত সম্পত্তি হীরা মানিক সোনা-দানা এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় স্থানান্তরিত হবে। চুরি করার জন্য এক্কেরে রেডি জোহুরি ভ্রাতা (Rajiv- Raghu)। আর কাজটি তারা করাবে বিখ্যাত চোর ত্রিশটা মাইর খান থুক্কু Tees Maar Khan ( Akshay Kumar)। তারে পুলিশ ধরতেই পারে না। ধরলেও আটকাইতেই পারে না। তার GF হইলো বিখ্যাত Item কন্যা Anya ( Katrina Kaif) । Tees Maar Khan এর আসল নাম হলো Tabrez Mirza Khan এবং তার মায়ের চোখে সে একজন বিখ্যাত মুভি পরিচালক। জোহুরি ভ্রাতারা খুঁজে বের করে Tees Maar Khan কে । TMK এর মাথায় আসে এক দুর্দান্ত প্ল্যান চুরি করার। বানামু মুভি চোরামু টাকা। এদিকে দেশের অন্যতম সুপার ইষ্টার হইলো গর্দভের গর্দভ বলদের বলদ Atish Kapoor ( Akshaye Khanna) । দিন রাত Oscar Oscar বইলা খেইচা চিক্কুর পারে। কিন্তু Oscar পায় না। TMK বানানো শুরু করে তার মুভি যার মধ্যে একটি দৃশ্যে ট্রেনের মালামাল চুরির নামে সব হীরা মানিক চুরি করা হবে। শুরু হয় TMK এর কাজ এবং ঘটতে থাকে এমন সব ঘটনা যেগুলি দেখে সকল দর্শক আশে পাশের দেয়ালের মধ্যে মাথা ঠুকে আর বলে: “কী ছিল আমার অপরাধ??”
মুভিটির কাহিনী যেহেতু নকল সেহেতু খুব একটা খারাপ না কিন্তু সেই কাহিনীকে যাচ্ছে তাই করে ছেড়েছে বিখ্যাত পরিচালক Farah Khan এবং তার স্বামী Shirish Kunder। নিজেদেরকে আকাশচুম্বী তারকা মনে করে এই দুজন ভেবেছিল মুভিতে তাদের অগাধ প্রতিভা থাকলেই হয়। সেটাতে শাহরুখকে না নিয়ে অক্ষয়কে নিলেও হয়। কিন্তু আমার মতে Om Shanti Om এর মতো জঘণ্য মুভিটির মতো হয়তো শাহরুখ এটারো সিস্টেম করতে পারতো। কিন্তু যা হওয়ার তা হইসেই। বানা তোরা আরো মুভি বানা।
এই মুভিটিকে Loud Comedy না বলে বলা উচিত Foul Comedy। হাসির দৃশ্যের নামে যদি মানুষের মাথা ব্যথার উৎস তৈরি করা হয় তাহলে প্যারাসিটামল ফ্রীতে দেওয়া উচিত। Akshay Kumar এবং Akshaye Khanna তাদের মুভির ক্যারিয়ারের জঘণ্যতম অভিনয় করেছেন। আমার মতে Akshay Kumar এর এখন বোঝা উচিত যে পয়সা না দেখে আগে একটু কাহিনী দেখা দরকার। বাকি সবার অভিনয় যেমন হয় তেমনই হয়েছে। তবে মুভিটির একমাত্র দর্শনীয় দিক ছিলেন Katrina !! তার Sheila Ki Jawani তো এখনো সারা দুনিয়াকে পাগল করে বেড়াচ্ছেই তাছাড়া একমাত্র Katrina’র দৃশ্যগুলিই ছিল বেশ হাসির।
এছাড়া সংগীত বলতে Title Song এবং Sheila Ki Jawani বেশ ভালো। অন্যগুলি মোটামুটি মানের। অবাক করা বিষয় হলো সংলাপ কিন্তু বেশ বিচক্ষণ মানের হাসির কিন্তু চিত্রনাট্য এবং অভিনয় অতিরিক্ত মানের খারাপ। ভারতের লোকদের ভয় হওয়া উচিত যে এই মুভিটি বিদেশের মাটিতেও মুক্তি পাচ্ছে। তারা কী ভাববে??
সব মিলিয়ে Tees Maar Khan হলো মুভির নামে কলংক !!!
রেটিং- ০.৫ / ৫

Read more ...