Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts
Showing posts with label রাজনীতি. Show all posts

Tuesday, September 20, 2011

www.rajnoitik.com(রাজনৈতিক ডটকম): খবর-চিন্তা-আলাপ ও সক্রিয়তার অনলাইন ঠিকানা

রাজনৈতিক ডটকম বাংলাদেশ থেকে বাংলাভাষায় কৃষি, সমাজ, প্রাণ ও প্রকৃতি, রাষ্ট্র, পররাষ্ট্রনীতি, আঞ্চলিক, আন্তর্জাতিক, ভাব, দর্শন, চিন্তা, ইনসাফ, প্রতিরক্ষা, আইন ও বিচার, অর্থনীতি, শিল্প, ব্যবসা, উন্নয়ন, ইসলাম, শিল্পকলা, সাহিত্য ইত্যাদি বিষয়ে খবরাখবর-আলাপসালাপ-চিন্তাভাবনা-বিশ্লেষণ-মতামত-মন্তব্য-------------------------------------

ম্যাগাজিনে যেতে চাইলে ক্লিক করুন নীচে-----
http://www.rajnoitik.com

Read more ...

Monday, September 19, 2011

সাঈদী অসুস্থ, শুনানি হয়নি

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী অসুস্থ থাকায় তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়নি। বুধবার শুনানির পরবর্তী দিন ঠিক হয়েছে।

মঙ্গলবার নির্ধারিত শুনানির দিনে কারা কর্তৃপক্ষ জামায়াতে ইসলামীর নেতা সাঈদীকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে আনেনি।

ট্রাইবুনালের নিবন্ধক শাহীনুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অসুস্থতার কারণে সাঈদীকে কারাগার থেকে আদালতে আনা যাচ্ছে না। তাই শুনানি বুধবার পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির সাঈদীর আইনজীবী তাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ গঠনের শুনানিতে আসামির হাজির হওয়ার নিয়ম। কিন্তু আসামি অনুপস্থিত থাকায় শুনানি পিছিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগের মুখে থাকা সাঈদীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিলো ২০১০ সালের ২৯ জুন।

তিনিই প্রথম ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে একাত্তরে মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার মামলায় অভিযোগ গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাঈদী ছাড়াও জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ চার জন যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন-দলের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মো. মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামরুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্ল¬া।

এছাড়া দুই বিএনপি নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী আটক থাকলেও জিয়াউর রহমান আমলের মন্ত্রী আব্দুল আলীম শর্তসাপেক্ষে জামিনে রয়েছেন।

Read more ...

সাবাসসসসসসসস....বিএনপি সাবাস....সঠিক সময়ে সঠিক হরতাল...

বালের সরকারকে তামা তামা করে দে............।।X((X((X((

জ্বালানি তেল ও সিএনজির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি। মঙ্গলবার দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে হরতালের ঘোষণা দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বিএনপির অন্য দাবির মধ্যে রয়েছে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ও শেয়ারবাজারে অস্থিরতা রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মুক্তি দেওয়া।
বিএনপির জোট শরিক জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও ইসলামী ঐক্যজোটও আলাদাভাবে একই দিনে হরতালের কর্মসূচি দিচ্ছে বলে বিরোধী দলের নেতারা জানিয়েছেন।

বালের সরকারকে তামা তামা করে দে............।।X((X((X((
Click This Link

Read more ...

কুমিল্লায় পুলিশ-জামায়াত সংঘর্ষ, আটক ১৬

কুমিল্লা, সেপ্টেম্বর ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- কুমিল্লা শহরে জামায়াত-শিবির ও পুলিশের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩৫ জন আহত হয়েছে।

সোমবার শহরের চকবাজারে এ সংঘর্ষের পর ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাবার বুলেট, শটগানের গুলি ও টিয়ার গ্যাস শেল ছুঁড়তে হয়েছে।

আহত পুলিশ সদস্যদের কুমিল্লা পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াত ও শিবিরের আহত কর্মীদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে কান্দিরপাড় থেকে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।

এরপরও তারা মিছিল বের করলে পুলিশ লাঠিপেটা করে।

এ সময় মিছিলকারীরা পুলিশের প্রতি গুলি করে ও ইটপাটকেল নিক্ষোপ করে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহজাহান কবির জানান, সংঘর্ষে দুই অতিরিক্ত সুপারিনটেনডেন্টসহ ১০ জন পুলিশ আহত হয়েছে।

সংঘর্ষের সময় রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস সেল ও শটগানের গুলি করা হয়। সব মিলিয়ে অন্তত ৩শ' রাউন্ড গুলি ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করা হয় বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, সংঘর্ষ চলাকালে কান্দিরপাড় থেকে চকবাজার এলাকার ব্যাপক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। প্রায় দুইঘণ্টা এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা চকবাজারে ফার্স্ট সিকিউিরিটি ইসলামী ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকসহ দোকানপাট ও ৭-৮টি গাড়ি ভাংচুর করে।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঘটনার পর জামায়াত কর্মী সাইফুল ইসলাম, ওমর ফারুক, গোলাম সাদেক, মাইনুদ্দিন, এরশাদ মিয়া, মোখলেছুর রহমান মজুমদার, জাকির ভূইয়া, আবু বক্কর, আবদুল কুদ্দুস, শাহাদাত হোসেন, কামরুল, রবিউল্লা, এ আই মহসিন, আবদুল হালিম, মামুন, সরওয়ার আলমকে আটক করা হয়।

আহত পুলিশ সদসদের মধ্যে রয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট সাজিদ হোসেন, টুটুল চক্রবর্তী, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিউদ্দিন মাহমুদ, টিএসআই নুরুন্নবী, এসআই মোমেন, এএসআই নকূল চন্দ্র বিশ্বাস ও হালিবলদার সাত্তার। বাকিদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

শিবিরের কুমিল্লা শহর শাখার প্রচার সম্পাদক মনির হোসেন জানান, তাদের অন্তত ২৫-৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/ডিডি/২২২০ ঘ.

Read more ...

আজহারুল-তাসনীম গ্রেপ্তার

ঢাকা, সেপ্টেম্বর ১৯ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনার পর জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম এবং প্রচার সম্পাদক তাসনীম আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশের রমনা বিভাগের উপ কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।

ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমীর রফিকুল ইসলাম খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে আজহারুল ইসলামের সঙ্গে প্রচার সম্পাদক তাসনীম আলমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে।

এর আগে বিকেলে বিজয়নগর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের গাড়িসহ অন্তত ১৫টিতে আগুন এবং ২৫টি গাড়ি ভাঙচুর করে জামায়াত কর্মীরা।

এ ঘটনায় পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। রাত ৯টা পর্যন্ত শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পল্টন থানার দায়িত্বরত কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সোমবার বিকেলে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি পালনে মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াত কর্মীরা। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু হয়।

পল্টন ময়দানে চারদলীয় জোটের ঘোষিত সমাবেশের আট দিন আগে গ্রেপ্তার হলেন জামায়াতের এই দুই শীর্ষ নেতা। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২৭ সেপ্টেম্বর ওই সমাবেশ থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে বিরোধী দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বিভিন্ন অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পাঁচ নেতা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় হত্যা, লুণ্ঠনসহ বিভিন্ন অভিযোগে জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লার বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলায় গত বছর ২৯ জুন নিজামীকে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে, দেলওয়ার হোসেন সাঈদীকে শহীদবাগের বাসা থেকে এবং মুজাহিদকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাদের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এছাড়া একাত্তরে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় গত বছর ১৩ জুলাই জামায়াতে ইসলামীর দুই সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও কাদের মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীকে স¤প্রতি চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।



বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/

Read more ...

Thursday, September 15, 2011

আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ থেকে ছাত্র রাজনীতি তুলে দেয়া উচিত?

দয়া করে লিংক এ গিয়ে ভোট দিন।
লিংক: Click Link


Read more ...

শেখ হাসিনার আমও গিয়েছে, ছালাও গিয়েছে


বাক সংযমে অনভ্যস্ত শেখ হাসিনা কেন নীরব? হতে পারে, শেষ মুহূর্তে তিনিও হয়তো বুঝতে পেরেছেন নায়ক মনমোহন সিং তার সঙ্গে বিট্রে বা বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। ইনডিয়া তাকে আছাড় দিয়েছে।
কারণ?
কারণ ইনডিয়া হয়তো মনে করছে, শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা ক্ষয়ে যাওয়ার ফলে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারকে পরবর্তী নির্বাচনে ব্যাগ ভর্তি টাকা ও উপদেশ দিয়েও জেতানো সম্ভব হবে না। সুতরাং শেখ হাসিনাকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে আওয়ামী লীগের কোনো বি-টিমকে ক্ষমতাসীন করার প্রক্রিয়া এখনই শুরু করতে হবে।
তাই যদি হয় তাহলে বলতে হবে, শেখ হাসিনার আমও গিয়েছে, ছালাও গিয়েছে। শেখ হাসিনা ইনডিয়ানদের আস্থা হারিয়েছেন। বাংলাদেশিদের বিশ্বাস হারিয়েছেন।
হাউ স্যাড!
শেখ হাসিনার শাসন আমলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মহড়া হচ্ছে।
প্রশ্ন হচ্ছে, পরবর্তী শাসন আমলে শেখ হাসিনা এবং তাকে সমর্থন দাতাদের দেশদ্রোহিতার অপরাধে বিচার হবে কি না?

শফিক রেহমানের লেখা থেকে...মুল পোষ্ট এর লিংক..
Click This Link


Read more ...

Wednesday, September 14, 2011

এলাকাবাসীর অর্থে নির্বাচিত চেয়ারম্যান অতঃপর কোটিপতি!


'এডা বাড়ি না, মজিদ চেয়ারম্যানের স্বর্ণমঞ্জিল। এ রকম বাড়ি এই গেরামে আর একটাও নাই। আশপাশের দশ গেরামেও নাই। আগে তেমুন কিছু আছিল না। এমপিও তাঁক ভালোবাসে, তাই এত কিছু করতে পারিছে। আবদুল মজিদের এই বাড়ির কোনো নাম দেওয়া না হলেও এলাকাবাসী বাড়িটিকে স্বর্ণমঞ্জিল নামে ডাকে।'
এলাকাবাসীর অর্থ সাহায্যে উপজেলা নির্বাচন করলেও চেয়ারম্যান হওয়ার পর প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে দুর্গাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল মজিদ তাঁর গ্রামের বাড়ি দুর্গাপুরের ব্রহ্মপুরে একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। হঠাৎ কোটিপতি হওয়ায় গত রবিবার এভাবেই অভিমত ব্যক্ত করেন মজিদেরই প্রতিবেশী শাহানারা বেগম।
উল্লেখ্য, মজিদ চেয়ারম্যান দুর্গাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি। গত উপজেলা নির্বাচনে মজিদ তাঁর হিসাব বিবরণীতে নগদ ৩০ হাজার টাকার সম্পদের কথা উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু এই দেড় বছরের মধ্যেই কিভাবে তিনি কোটি টাকা ব্যয়ে দুর্গাপুরের ব্রহ্মপুর গ্রামে একটি বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন, তা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।
তবে কোটি টাকা ব্যয়ের কথা অস্বীকার করে দুর্গাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ বলেন, '১৫-২০ লাখ টাকা ব্যয় করে বাড়িটি নির্মাণ করেছি। আমার নিজস্ব ২৫ বিঘা জমি আছে। এ ছাড়া দুটি পুকুর আছে। সেখান থেকে প্রতিবছর অন্তত তিন লাখ টাকা আয় হয়। সেই টাকা দিয়েই বাড়ি নির্মাণ করেছি।'
অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুর্গাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ সর্দারের পৈতৃক ভিটা, দুটি পুকুর আর কিছু ফসলি জমি ছাড়া দেড় বছর আগেও কিছুই ছিল না। কিন্তু সেই মজিদ চেয়ারম্যান এখন কোটিপতি। সমপ্রতি তিনি কোটি টাকা ব্যয় করে তাঁর গ্রামের বাড়ি দুর্গাপুরের ব্রহ্মপুরে পাঁচতলা ফাউন্ডেশনের একতলা একটি বাড়ি নির্মাণ করেছেন। অথচ ২০০৯ সালের ২২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্য এই মজিদকে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে টাকা দিয়েছিল নির্বাচনে ব্যয় করতে। এরপর নির্বাচনে জয়ী হয়ে মাত্র দেড় বছরের মাথায় কোটি টাকা ব্যয়ে বাড়ির নির্মাণকাজ শুরু করেন তিনি।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কফিল উদ্দিনসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরো অনেকেই জানান, এলাকার লোকজনের সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন। সেই নির্বাচনে জয়ী হন।
তিনি টিআর, কাবিখাসহ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ ও অন্যান্য উপকরণ আত্মসাৎ এবং প্রকল্প থেকে কমিশন বাণিজ্য করে লাখ লাখ টাকা অবৈধভাবে আয় করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ৭২ জন সাব-ডিলার নিয়োগ দিয়ে তিনি প্রায় ৫০ লাখ টাকা কামিয়েছেন ওই সব ডিলারের কাছ থেকে।
কফিল উদ্দিন আরো জানান, মজিদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এ ধরনের নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রায় পাঁচ মাস আগে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কফিল উদ্দিন নিজেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি ফ্যাঙ্ পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলে, এই বাড়ির যে আসবাবপত্র তা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি বড় মেহগনি গাছ কেটে করা হয়েছে। মজিদ চেয়ারম্যানের চাচাতো ভাই খবির উদ্দিন বলেন, 'ব্রহ্মপুর গ্রামে মজিদের নিজস্ব কোনো বাড়ি ছিল না। ২০০১ সালের আগে সে তাঁর বড় ভাইয়ের বাড়িতেই থাকত। এরপর বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে সে রাজশাহীতে পালিয়ে গিয়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকত। সেখান থেকে সমপ্রতি মজিদ তার নিজের করা ব্রহ্মপুরের নতুন বাড়িতে এসে উঠেছে। এক বছর আগে সে এক কোটি টাকারও বেশি খরচ করে বাড়িটি নির্মাণ করেছে। এ বাড়িতেই এখন সপরিবারে বসবাস করে মজিদ।'
বাড়ি নির্মাণ সম্পর্কে আবদুল মজিদ আরো বলেন, 'দল ক্ষমতায় গেলে ব্যবসা-বাণিজ্য করার কিছু সুযোগ থাকে। পাশাপাশি সেটিও করি। সেখান থেকেও অনেক টাকা আয় হয়।' তবে কী ব্যবসা করেন জানতে চাইলে তিনি সেটা বলতে চাননি।
বাড়ি নিয়ে এলাকাবাসীর কৌতূহল এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে মজিদ বলেন, 'ভালো কিছু করতে গেলে এলাকার কিছু লোকজন সব সময় বিরোধিতা করে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কেউ কোনো অভিযোগ দিয়েছে কি না, তা আমার জানা নাই।'


Read more ...

আপনার দৃষ্টিতে কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা রাখে অথবা কার হাতে আমরা নিরাপদ ??

স্বাধীনতা প্রায় ৪০ বছর পাড়ি দিয়েও আমরা কাঙ্কিত দেশ পায়নি । অসভ্য, ভোগী শাসকদের কাছে জিন্মী হয়ে আছি আমরা ।
আমাদের দেশে এখনো প্রচুর অন্ধ মানুষ কেউ মুজিব কে দেখে আম্বালীগের সন্ত্রাসী কাজের অন্ধ ভক্ত, কেউ জিয়াকে দেখে দুর্নীতি প্রশ্রয় দিচ্ছে আর অনেকে ধর্ম আছে তাই ধর্ম ব্যবসাকে সমর্থন দিচ্ছে । আর অনেকে রাজনীতির পরিবর্তন খুজঁছেন । খুজেঁ বেড়াচ্ছেন নতুন নেতৃত্ব যেখানে ব্যক্তি অপেক্ষা দল বড় আর দল অপেক্ষা দেশ বড় হবে । আসলে এমন কেউ কি আছে আমাদের দেশে যে/যারা ক্ষমতার লড়ায়ে ঠিকতে পারবে আর পারলে দেশের জন্য লড়ে যাবে । আপনার মতে কে বর্তমানে এই দেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা রাখে অথবা কার হাতে আমাদের এই জন্মভূমি নিরাপদ ???

১। রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান
২। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৩। বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
৪। ওয়াজেদ জয়
৫। তারেক রহমান
৬। সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোঃ এরশাদ
৭। মতিউর রহমান নিজামী
৮। কর্ণেল অলি আহমেদ
৯।মুফতি ফজলুল হক (ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান )
১০। ডক্টর মোহাম্মাদ ইউনুছ
১১। আতিউর রহমান (গর্ভনর,বাংলাদেশ ব্যাংক)
১২। জেনারেল আব্দুল মুবীন (সেনাবাহিনী প্রধান)
১৩। এয়ার মার্শাল এস এম জিয়াউর রহমান (বিমান বাহিনী প্রধান )
১৪। মোঃ গোলাম রহমান ( চেয়ারম্যান, দুদক )
১৫। ফখরুদ্দীন আহমেদ ( সাবেক প্রধান উপদেষ্টা )
১৬। মইনুল আহমেদ ( সাবেক সেনা প্রধান )
১৭। এম সাখাওয়াত হোসেন
১৮। বিচারপতি খায়েরুল হক
১৯। আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক ( উপাচার্য, ঢাবি )
২০। প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমদ ( সাবেক ভিসি ঢাবি ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী)
২১।ড. আকবর আলী খান (সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ)
২২। সুরন্জিত সেন গুপ্ত ( আওয়ামিলীগ)
২৩।মতিয়া চৌধুরী ( আওয়ামিলীগ)
২৪। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ( বি এন পি )
২৫।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ( বি এন পি )
২৬। এম এ মান্নান ( বর্তমান স্বতন্ত্র)
২৭। আন্দারিত চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)
২৮। সৈয়দ আমিরুজ্জামান (ওয়াকার্স পার্টি)
আর মনে পড়ছে না । পেলেন পছন্দের ব্যক্তি ?? না পেলে দয়া করে আপনার দৃষ্টিতে যিনি তার নাম উল্লেখ করুন ।

Read more ...

ছবির মেয়েটি কে? পারলে বলুন তো দেখি???

ছবির মেয়েটি কে? পারলে বলুন তো দেখি???



Read more ...