Showing posts with label কমপিউটার. Show all posts
Showing posts with label কমপিউটার. Show all posts

Thursday, November 17, 2011

সবার সাধ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল ডিজিটাল ক্যামেরা নিয়ে a to z তথ্য (Sony Cybershot DSC W310)

ক্যামেরা নিয়ে কিছু লিখবো এটা বেশকিছুদিন থেকে ভাবছিলাম । নিজের ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার অভিজ্ঞতা থেকে এটা এখন আরও ভালোভাবে লিখতে পারবো আশা করি । এখন অনেকেই ডিজিটাল ক্যামেরা কিনছে, এক্ষেত্রে সবাই মূলত ২টা বিষয় বিবেচনা করে এক দাম আর অপরটি হচ্ছে ব্রান্ড । ব্যক্তিভাবে আমি মনে করি ২টা বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ । সবচেয়ে ভাল ক্যামেরা যেটা সবার কেনার সাধ্যের মধ্যে আছে, সেটা কি ? অনেকেই অনেক রকমের উত্তর দিবেন (ধারণা করছি) তবে আমি বলবো Sony Cybershot DSC W310 ডিজিটাল ক্যামেরার নাম । আসুন আমরা এটা সম্পর্কে বিস্তারিত জানি, যে কোন কিছু কেনার আগে সেটা সম্পর্কে জানা থাকলে অনেক কিছুই আপনার জন্য সহজ হবে ।

ওভারভিউ


প্রতিদিন ব্যবহার করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ক্যামেরা হচ্ছে Sony Cybershot DSC W310 । বিশেষ করে যারা ক্যামেরা ফাংশন নিয়ে expert না তাদের দিকটা এখানে ভালোভাবে দেখা হয়েছে । এককথায় মানেটা হচ্ছে যে কেউ সহজেই এই ডিজিটাল ক্যামেরাটা ব্যবহার করতে পারবে, অনেক কিছু জানতে হবে না । অনেকগুলো ফিচার আছে Sony Cybershot DSC W310 এ যা দিয়ে আপনি ইচ্ছামতো আপনার HD ছবি capture করতে পারবেন । এ ক্যামেরাটা সবচেয়ে উপযুক্ত যারা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করতে চান । চলুন Sony Cybershot DSC W310 এর physical বিষয়ে বিস্তারিত জানি ।

ইনটেলিজেন্ট অটো মুড (iAuto Mode)


এটা Sony Cybershot DSC W310 ক্যামেরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিচার । iAuto Mode এমন একটা ফিচার যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার scene, আলোর অবস্থা এবং ফেস চিহ্নিত করতে সক্ষম । আপনাকে নিজের থেকে কোন কিছু করতে হবে না । ধরুন শীতের কুয়াশার মাঝে আপনি ইমেজ ক্যাপচার করছেন তখন যে bright, contrast …. এর প্রয়োজন আবার সন্দ্যা বা রাতে অন্য bright, contrast …. দিতে হবে । ম্যানুয়ালি এটা করা খুবই ঝামেলাকর একটা বিষয় আর ছবির মানও ঠিক থাকবে না যদি না আপনি এ বিষয়ে খুব ভাল করে জানেন । এ কারণে iAuto Mode আপনাকে নিশ্চিত করবে সবোর্চ্চ মানের HD image সব পরিস্থিতিতে ।

Image sensor


ক্যামেরার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিচার এটি । আমরা যারা মোবাইলে ছবি তুলি এক্ষেত্রে সাধারণত ভাল একটা মোবাইলের ইমেজ সেন্সর থাকে সর্বোচ্চ ৫-৬ মেগাপিক্সেল । আর ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য এটা মিনিমাম ১০ মেগাপিক্সেল (না হলে টাকা দিয়ে কেন কিনবেন) । image sensor যদি ভাল না হয় তবে আর কোন ফিচার আপনার কাজে লাগবে না । তবে Sony Cybershot DSC W310 এর image sensor নিয়ে চিন্তার কারণ নাই । আপনি পাবেন 12.1 MP এর CCD (যা কিনা সব সময়ে একই স্কেলে কাজ করে) ইমেজ সেন্সর । আপনি A3 কাগজেও আপনার ছবি প্রিন্ট করতে পারবেন, কাটতে (cropping) পারবেন ।

নিচের ফিচারটা দেখুন, আপনি Sony Cybershot DSC W310 এর পা থেকে মাথা পর্যন্ত সব তথ্য জানতে পারবেন ।

Body type
Body typeUltracompact
Sensor (ইমেজ সেন্সর নিয়ে বিস্তারিত)
Max resolution4000 x 3000
Other resolutions4000 x 2672, 4000 x 2248, 3264 x 2448, 2592 x 1944, 2048 x 1536, 640 x 480
Image ratio w:h4:3, 16:9
Effective pixels12.1 megapixels
Sensor size1/2.3" (6.17 x 4.55 mm)
Sensor typeCCD
Image (ইমেজের বিভিন্ন ফরম্যাট এবং ধরন সম্পর্কিত তথ্য)
ISOAuto, 100, 200, 400, 800, 1600, 3200
White balance presets7
Custom white balanceNo
Image stabilizationSensor-shift
Uncompressed formatNo
JPEG quality levelsFine, Standard
Optics & Focus (অপটিক এবং ফোকাস)
Focal length (equiv.)28 – 112 mm
Optical zoom4×
AutofocusContrast Detect (sensor), Multi-area, Center, Single, Live View
Digital zoomYes (8x)
Manual focusNo
Normal focus range50 cm (19.69")
Macro focus range5 cm (1.97")
Number of focus points9
Screen / viewfinder (প্রিভিউ স্ক্রীন কেমন, কিভাবে কাজ করবে)
Articulated LCDFixed
Screen size2.7"
Screen dots230,400
Touch screenNo
Live viewNo
Viewfinder typeNone
Photography features
Maximum apertureF3.0 - F5.8
Minimum shutter speed1 sec
Maximum shutter speed1/2000 sec
Aperture priorityNo
Shutter priorityNo
Manual exposure modeNo
Subject / scene modesYes
Built-in flashYes
Flash range3 m
External flashNo
Flash modesAuto, On, Off, Slow syncro
Continuous driveYes (1.07 fps)
Self-timerYes (2 sec or 10 sec)
Metering modesMulti, Center-weighted, Spot
Exposure compensation±2 EV (at 1/3 EV steps)
Videography features
FormatMotionJPEG
Audio channelsMono
Resolutions640 x 480 (30 fps), 320 x 240 (30 fps)
Storage
Storage typesSD/SDHC, Memory Stick Duo / Pro Duo / Pro HG-Duo, Internal
Storage included6 MB Internal
Connectivity
USBUSB 2.0 (480Mbit/sec)
HDMINo
Remote controlNo
Physical (বিশেষ করে ব্যাটারি সম্পর্কিত তথ্য)
Environmentally sealedNo
BatteryBattery Pack
Battery descriptionLithium-Ion NP-BN1 battery & charger
Weight (inc. batteries)137 g (0.30 lb / 4.83 oz)
Dimensions95 x 55 x 19 mm (3.74 x 2.17 x .75")
PRICE and Shopping Store
Cureent BD PriceClcik here for currents BD market price and location

বর্তমান বাজার দাম

এখানে ক্লিক করে জেনে নিন বর্তমান বাজার দাম



Read more ...

Tuesday, November 8, 2011

এএমডির ”ফিউশন” প্রযুক্তির মাইক্রো-প্রসেসর BULLDOZER

এএমডি (Advance Micro Device) কোন নতুন প্রসেসর নির্মাতা কোম্পানি নয়। কমদামে ভালমানের প্রসেসর নির্মাণের জন্য সমগ্র ইউরোপ এ এএমডির প্রসেসর এর জনপ্রিয়তা আছে। এতদিন বাংলাদেশে এএমডির প্রসেসর খুব একটা পাওয়া না গেলেও ২০১০ সালে UCC (United Computer Centre) সর্বপ্রথম ব্যাপক আকারে এএমডির প্রসেসর বাজারে আনে। তারপর একে একে Smart Technologies BD Ltd. এবং Computer Source বাজারে এএমডির সব নতুন প্রসেসর বাজারে আনে।

২০১১ সালে চিপ জায়ান্ট ইন্টেল বাজারে আনে ২য় প্রজন্মের মাইক্রো-প্রসেসর যার কোডনাম Sandy-Bridge। কিন্তু এএমডি কি বসে আছে? এই বছরে তারা বাজারে আনছে 2nd Generation AMD BULLDOZER যা ইন্টেল এর Core i7 980extreme থেকে ৭৭% বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন। এই প্রসেসর সম্পর্কে এএমডি তেমন কিছু বলেনি। তবে যতটুকু জানা গেছে তা হচ্ছে

Name:- AMD BULLDOZER
Clock Speed:- 4.00GHz
Number Of Cores:- 8 (Hexa Core)
GPU:- 4 Way Built In Graphics
Cache Memory:- 16MB
Voltage:- 95-125w.
Architechture:- 32nm
এই প্রসেসর এ গ্রাফিক্স বিলট ইন দেয়া আছে যা বিশ্ববিখ্যাত গ্রাফিক্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এটিআই এবং এএমডি এর যৌথ প্রয়াস। এটি ৪ ওঁয়ে গ্রাফিক্স যা খুব শক্তিশালী। এর ফলে আলাদা কোন গ্রাফিক্স কার্ড লাগবেনা। প্রতিষ্ঠান দুটি একত্র হবার পর থেকে ”ফিউশন” নামে যে পরিকল্পনা নেয়া হয় তার ফসল হচ্ছে বুলডজার। ”ফিউশন” নামের সবগুলো প্রসেসর এ শক্তিশালী গ্রাফিক্স দেয়া থাকবে। এ প্রসেসর এর ক্যাশমেমোরি ১৬ মেগাবাইট। এটি খুব কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার করবে এবং এটি নতুন AM3+ সকেট ব্যাবহার করবে যা আগের সকেট থেকে বেশি পিনসমৃদ্ধ। সত্যি কথা বলতে কি Ultimate Computing এর পরিপূর্ণ স্বাদ আপনি পাবেন এই প্রসেসর এ।

BULLDOZER নিয়ে এএমডির মহাপরিকল্পনা আছে। ২০১২ সালের শেষের দিকে ২০ কোর এর চিপ বাজারে আনবে এএমডি যা ইন্টেল এর মত চিপ জায়ান্ট কে ধাক্কা দেবার জন্য অনেক বেশি যথেষ্ট। যারা ৮০-৯০ দশকের Computing দেখেছেন তারা জানেন যে অতিতে বহুবার ইন্টেল, এএমডির কাছে পরাজিত হয়েছে। বিশেষত ১৯৯১ সালে এম৩৮৬ প্রসেসর বাজারে এএমডি আনলে মাত্র ৯ মাসে ১০লক্ষ কপি বিক্রি হয়। এর পর ১৯৯৬ সালে এএমডি কে৫ সিরিজের এক্স৮৬ বাজারে আসে। এর পরের বছর আসে এএমডি কে৬ সিরিজ যার কাছে হার মানে ইন্টেল পেন্টিয়াম ২ সিরিজ। তারপর থেকে এএমডি Athlon, Duron, Sempron, Athlon64, Opteron, Phenom, Athlon 2, Phenom 2 যা প্রতিবারই ইন্টেল কে ধাক্কা দিয়ে এসেছে। BULLDOZER প্রসেসর ইন্টেল কে যে মারাত্মক কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে ইতিমধ্যে ফেলে দিয়েছে তা প্রযুক্তিবিদরাও স্বীকার করেছেন। হয়তবা এ প্রজন্ম আরও একবার এই কানাডাভিত্তিক পৃথিবীর সর্ব-বৃহৎ সেমি-কনডাকটর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এর জাদু আরও একবার দেখতে পাবে। বরাবরই এএমডির গ্রাফিক্স প্রশংসার দাবীদার। সিপিউ ও জিপিউ সমৃদ্ধ ”ফিউশন” প্রযুক্তির এই প্রসেসর এর মাধ্যমে এএমডি ৯০ দশকের পর আবারো তাদের অভিজ্ঞতা এবং গ্রাফিক্স এর জাদু কে কাজে লাগিয়ে ২য় প্রজন্মের মাইক্রো-প্রসেসর বাজারে আনছে যা দ্বারা তারা ৯০ দশকের চেয়ে বেশি সাড়া পাবার আশা করছে এবং যা হবে সত্যিকারের এক্সট্রিম Computing।


Read more ...

Sunday, October 30, 2011

Dell Inspiron N5030 – সাধ্যের মধ্যে বাজারের সবচেয়ে ভাল ল্যাপটপ


ডেল এর ল্যাপটপ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নাই । মানুষ ল্যাপটপ কিনতে গেলে প্রথমে ডেল এর ল্যাপটপ দেখে । প্রবল জনপ্রীয়তার কারণ হচ্ছে এদের ব্রান্ডের ল্যাপটপে তেমন একটা তাপ উৎপন্ন করে না । ব্যাটারি ব্যাকআপ অন্য সব কোম্পানির থেকে অনেক বেশী । আজ আমি একটা কথা বলব Dell Inspiron N5030 ল্যাপটপ নিয়ে । আপনারা নিজেরাই নিচের ফিচার দেখতে বুঝতে পারবেন কেন আমি Dell Inspiron N5030 কিনতে বলছি । তার আগে বলে নিই এই ল্যাপটপে আপনি বাংলাদেশর যে কোন জায়হায় ১বছরের ওয়ারেন্টি পাবেন । সুতারং নিশ্চন্তে কিনতে পারেন –

Dell Inspiron N5030 এর ফিচার (বিস্তারিত……………)
PROCESSOR ---ইন্টেল পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর
RAM ---৪GB, DDR3
Hard Disk ---৩৬0GB
Display ---15.6" LED
Optical Drive ---DVD Writer
Graphics Card---Intel New HD 300MB
Networking ---LAN/WLAN/WiFi
Webcam ---yes
Battery ---6 hours Backup
Price in Bangladesh ---click here for current price
OS- --- ORIGINAL windows Seven
বাংলাদেশে এই ল্যাপটপের দাম ---বর্তমান বাজার দর জানতে এখানে ক্লিক করুন


Read more ...

Thursday, October 27, 2011

এ সপ্তাহের কম্পিউটার যন্ত্রাংশের খুচরা বাজারদর

এ সপ্তাহের কম্পিউটার যন্ত্রাংশের খুচরা বাজারদর
শুক্রবার ২৮ অক্টোবর ২০১১ প্লাগ এন প্লে



প্রসেসর:
ইন্টেল কোর টু ডুয়ো (২.৯৩ গি.হা) ৮,৭০০, ইন্টেল সেলেরন ১.৮ গি.হা ২,৮০০; ইন্টেল কোর আই-৫ ২.৯ গি.হা. ১৫,৫০০;ইন্টেল কোর আই-৩-২১০০ ৩.১০গি.হা. ৯,৮০০;ইন্টেল কোর আই-৭-২৬০০ ৩.৪গি.হা. ২৫,৯০০ টাকা। পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর২.৮ গি.হা. ৪,৯০০ টাকা।

মাদারবোর্ড:
গিগাবাইট জিএ৪১এমটি-ডি৩ ৪,২০০; জি৪১এমকমবো ৪,২০০;এইচ৬৭এমএ ৭,৯০০;জিএ-জেড৬৮এমএ ১২,২০০টাকা। ইন্টেল ডিজি৪১ডব্লিভভি ৪,৩৫০;ডিএইচ৬৭সিএল ৯,৪০০; ডিজি৩৫ইসি ৪,০০০টাকা। আসুস পি৫জি-৪১টি-এমজি৪১ ৩,৯০০। ফক্সকন এইচ৫৫এমএক্সভি ৫,০০০; পি৩৫এএক্স-এস ৩,৬০০;জি৪১এমএক্সভি ৩,৭০০টাকা

র‌্যাম:
২ গি.বা. ডিডিআর-২ ১,৯০০, ২ গি.বা. ডিডিআর-৩ ১,১০০ টাকা।

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
৩২০ গি.বা. ৩,০৫০; ৫০০ গি.বা. ৩,৬০০ টাকা। হিটাচি ১ টেরাবাইট ৫,৬০০; ; ৫০০ গি.বা. ৩,৯০০ ২ টেরাবাইট ৮,৭০০ টাকা।
HDD এর বাজারে আগুন জলতাছে ...।।এই মাসে কেও HDD না কিনা এ ভালো হবে


পেনড্রাইভ:
অ্যাপাসার ৪ গি.বা. ৪২৫, ৮ গি.বা. ৭৫০ থেকে ১,৩৫০।

এলসিডি মনিটর:
স্যামসাং ১র্৭র্ ৮,২০০; ১৮.র্৫র্ ৭,৯০০; ২র্০র্ ১১,২০০; ২১.র্৫র্ ১৩,২০০; ২র্৪র্ ২৪,২০০ টাকা। ফিলিপস ১৮.র্৫র্ ৮,১০০টাকা।ডেল ১৮.র্৫র্ ৭,৯০০ টাকা।এলজি ১৮.৫র্ র্ ৭,৯০০; ১৭র্ র্ ৭,৪০০; ২১.৫র্ র্ ১৪,৪০০ টাকা। হাইউন্দাই; ১৮.৫র্ র্ ৮,৯০০, ১র্৯র্ ৮,৭০০; ২র্৩র্ (এইচডি) ২৪,০০০ টাকা। গ্রাফিকস কার্ড: গিগাবাইট এইচ ডি-৫৫৭০ ১গি.বা. ৫,৫০০, গিগাবাইট৫৮৩০ ১গি.বা. ১৫,৫০০ টাকা। এক্সএফএক্স এইচ ডি-৫৪৫০ ১গি.বা.৪,০০০ টাকা। আসুস: ৫১২ গি.বা. ৩,৭০০, এক্সএফএক্স এইচডি৪৫৫০ ১ গি.বা. ৩,৯০০ টাকা।

ডিভিডি রাইটার/রি-রাইটার:
স্যামসাং ৫২x২৪x৫২এক্স ১,৪৫০ টাকা।আসুস ৫২x৩২x৫২এক্স ১,৭৫০ টাকা। সনি ডিভিডি-আরডব্লিউ ১,৭৫০ টাকা।

কেসিং:
১,৪০০ থেকে ১২,০০০ টাকা।

মাউস:
২০০ থেকে ৩৫০০ টাকা। কি-বোর্ড: সাধারণ ২৫০ থেকে ১,৫০০ টাকা। মাল্টিমিডিয়া ৫৫০ টাকা।

স্পিকার:

মাইক্রোল্যাব (২:১) ১,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা। ক্রিয়েটিভ এসবিএস(২:১) ২৫০০ থেকে ৩,২০০টাকা। গোল্ডেন ব্রিজ এফটি৮০৫ (২:১) ১,৩০০ টাকা।

জিপিআরএস মডেম:
মোবিডেটা ইডিজিই ১০০ইইউ ২,৩৫০; এইচএসডিপিএ ১০০এইচইউ ৩,১০০ টাকা। টেকনো টিএম০০৮ ২,১০০ টাকা। মোবিডাটা ২,৪০০ টাকা (ইউএসবি)।

টিভি কার্ড:
এভারমিডিয়া ইন্টারনাল ২,৭৫০; এক্সটারনাল ডাব্লিউ৭ ৪,৪০০ টাকা।রিয়েলভিউ আরভি ১,৮০০ টাকা।

প্রিন্টার:
ক্যানন পিক্সমা আইপি-২৭৭২ ২৮,০০ টাকা। এইচপি২০৫০ ডেস্কজেট ৫,০০০ টাকা। এপসন টি৬০ ১২,০০০ টাকা। এইচপি লেজার পি-১১০২ ৮,১০০ টাকা এইচপি১৬৬০ ইনজেট ২,৬০০ টাকা। ব্রাদার এইচএল ৫৩৪০ডি ১৬,৭০০ টাকা। স্যামসাং এমএল ১৬৬৬ (লেজার) ৫,৩০০। ডেল ৮,৯০০ থেকে ২১,০০০ টাকা।

পোর্টেবল হার্ডডিস্ক:
ট্রানসেন্ড ৩২০ গি.বা ৪৬০০; ৫০০ গি.বা ৫,৭০০; ৬৪০ গি.বা ৬,২০০, ২ টেরাবাইট ৯,৩০০ টাকা। এডেটা ৫০০ গি.বা. ৫,৩০০।

ইউপিএস:
ডিজিটেক ৬৫০ ভিএ ২,৪০০ টাকা ; ৮০০ ভিএ ২,৯০০ টাকা ১২০০ ভিএ ৪,৮০০ টাকা , ৩কেভিএ ৩৬,০০০ টাকা, ১০ কেভিএ ১,০৫,০০০টাকা।

বিশেষ দ্রবষ্ট্য : এখানে শুধু যন্ত্রাংশের দাম দেওয়া হয়েছে। পুরো কম্পিউটার কেনার ক্ষেত্রে সংযোজন খরচ ও সার্ভিস চার্জ যুক্ত হবে। দাম উঠা নামা করা সাভাবিক বেপার ।

Powered By Plug N Play

Read more ...

উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন মাত্র কয়েক মিনিটে

অনেক কারনেই আমাদের উইন্ডোজ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কয়েক ঘন্টা ব্যায় করে উইন্ডোজ এবং অনান্য এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম ইনষ্টল করতে হয়। কিন্তু কয়েক মিনিটেই যদি উইন্ডোজসহ সকল এ্যাপলিকেশন ইনষ্টল করা যায় তাহলে কেমন হয়! হিরেন বুট সিডি দ্বারা আপনি কয়েক মিনিটেই উইন্ডোজসহ উক্ত ড্রাাইভে ইনষ্টল করা সকল এ্যাপলিকেশন ইনষ্টল করতে পারেন। এজন্য উইন্ডোজের ড্রাইভ ইমেজ করে রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে তা রিস্টোর করলেই হবে। ৯৫ মেগাবাইটের ফ্রি সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে আনজিপ করে সিডিতে রাইট করুন। আর হিরেন বুট সিডির বিস্তারিত তথ্য (সকল দরকারি টুলসের বর্ণনা) পাওয়া যাবে http://www.hiren.info/pages/bootcd এই সাইটে।
ইমেজ তৈরী করা: এখন একটি ড্রাইভে নতুন করে উইন্ডোজ ইনষ্টল করুন এবং দরকারী সকল এ্যাপলিকেশন, ড্রাইভার ইনষ্টল করুন (পূর্বে ইনষ্টল করা থাকলেও হবে)। এরপরে এবার সিডিটি প্রবেশ করিয়ে সিডি থেকে বুট করুন। তাহলে Hiren’s All in 1 BootCD আসবে যেখানে কীবোর্ড দ্বারা Disk Clone Tools… নির্বাচন করে এন্টার করুন। পরবর্তী স্ক্রিন থেকে Acronics Image Enterprise Server নির্বাচন করে এন্টার করলে কিছুক্ষণের মধ্যে গ্রফিক্যাল মুডে Acronics Image Enterprise Server উইন্ডো আসবে, যেখানে মাউস ব্যবহার করা যাবে।
এবার Create Image এ ক্লিক করে Next করুন তাহলে হার্ডড্রাইভগুলো দেখা যাবে। ধরি C: ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করা আছে এবং আপনি C: ড্রাইভ ইমেজ করতে চাচ্ছেন। তাহলে C: ড্রাইভ নির্বাচন করে Next করুন এবং Information মাসেজ আসলে Ok করুন। এবার যে ড্রাইভে ইমেজটি সেভ করতে চাচ্ছেন সেই ড্রাইভ নির্বাচন করে ফাইলের নাম লিখে Next করুন। এখন Create Image Mode উইন্ডো থেকে Create the full backup Image Archive অপশন নির্বাচিত রেখে Next করুন এবং Image Archive Splitting উইন্ডোতে Automatic অপশন রেখে Next করুন এবং Compression Level উইন্ডোতে এ Maximum (এতে ইমেজের সাইজ কমে যাবে কিন্তু তৈরী এবং ইনষ্টল করতে একটু বেশী সময় লাগবে, আর Normal নির্বাচন করলে ইমেজ সাইজ বড় হবে এবং সময় কম লাগবে।) নির্বাচন করে Next করুন। এরপরে Image Archive protection এ ইচ্ছা করলে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। এবার Next করে Image Archive Comments Next করুন। এখন Proceed বাটনে ক্লিক করলে ইমেজ তৈরী হবে।
ইমেজ রিস্টোর করা: যখন আপনার উইন্ডোজ ইনষ্টল করার প্রয়োজন হবে তখন এই ইমেজটি রিস্টোর করে দিলেই হবে। আপনি যে ড্রাইভে ইনষ্টল করবেন সেই ড্রাইভ ফরম্যাট করতে হিরেন বুট সিডি থেকে Partition Tool থেকে Partition Magic Pro 8.05 এর মাধ্যমে ড্রাইভটিকে ফরম্যাট করতে পারেন।
ইমেজটি রিস্টোর করার জন্য পূর্বের নিয়মে গ্রফিক্যাল মুডে Acronics Image Enterprise Server উইন্ডো আনুন। এবার Restore Image এ ক্লিক করে Next করুন এবং Image Archive Selection উইন্ডো থেকে আপনার তৈরী করা ইমেজ নির্বাচন করে Next করুন। এবার Verify Archive Before The Restoring উইন্ডো থেকে No. I do not want to verify নির্বাচিত রেখে Next করে Partition or Disk to Restore থেকে Disk নির্বাচন করে Next করুন। এবার যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনষ্টল করতে চান সেই ড্রাইভ নির্বাচন করে Restore Partition Type উইন্ডো থেকে পার্টিশন (সি ড্রাইভ হলে প্রাইমারী, আর অনান্য ড্রাইভ হলে লজিক্যাল) নির্বাচন করে Next করুন এবং Restore Partition Size উইন্ডো থেকে ডিফল্ট রেখে Next করুন। এবার Next Selection এ No I do not image করে Proceed বাটনে ক্লিক করলে নির্দিষ্ট ড্রাইভে কয়েক মিনিটের মধ্যে সবকিছু হুবহু রিস্টোর হয়ে যাবে।
এবার নতুন উইন্ডোজটি চালু করে দেখুন সকল এ্যাপলিকেশন প্রোগ্রাম ইনষ্টল অবস্থায় আছে|

Download Link:

http://depositfiles.com/en/files/4432884

http://w13.easy-share.com/1699997119.html

Read more ...

Tuesday, October 25, 2011

আজই কিনুন আপনার কাঙ্খিত ডোমেইন। তৈরী করুন আপনার ওয়েব সাইট।

একটি বিশেষ উপলক্ষে http://shafiul.com এর ৫০০ মেগা বা তার বেশি যে কোন মেগার ডোমেইন হোস্টিং প্যাকেজ এর উপর ৫০০ টাকার একটি বিশেষ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এবং এই ছাড়া শুধু মাত্র অক্টোবর ২৫, ২০১১ পর্যন্ত কার্যকর।

প‌্যাকেজ মূল্য দেখতেঃ http://shafiul.com/packages.phpএখানে দেওয়া মূল্যের উপরে প‌্যাকেজ ৪ এবং ৫ এ ৫০০ টাকা ছাড়, এবং প‌্যাকেজ ৩ এ ৩০০ টাকা ছাড়।


এছাড়া ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একটি বিশেষ সুযোগ সব সময়ের জন্য আছে। তা হল যে ২৫০ মেগাবাইটের প‌্যাকেজ বা তার বেশি মেগার যে কোন প‌্যাকেজের ৫০% মূল কেনার সময় পরিশেষ করে বাকি ৫০% টাকা ৯০ দিনের মধ্যে পরিশোষ করার সুযোগ। তবে এই সুযোগটি উপরোক্ত ছাড়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

===================================
এছাড়া ডোমেইন হোস্টিং এর বিষয়ে কিছু কথা পড়ুনঃ

এই ইন্টারনেটের যুগে বড় বড় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরণের প্রতিষ্ঠানেরই ওয়েব সাইট থাকে। বাংলাদেশেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের ওয়েব সাইট তৈরি করেছে, বা করছে। শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, এখন বেক্তি পর্যায়েও অনেকেই ওয়েব সাইট করছেন। কেউ কেউ আবার অনলাইনে আয়ের মাধ্যম হিসাবেও নিজের ওয়েব সাইট বা নিজের ব্লগকে বেছে নিচ্ছেন।

তবে অনেকেই আছেন হোষ্টিং কেনার আগে নিশ্চিত থাকেন না যে সার্ভিসের মান কেমন হবে। আপটাইম কেমন হবে, সার্ভার স্পিড কেমন হবে ইত্যাদি।

তাদের জন্য আমার এই বিশেষ কার্যক্রম। আমার কাছ থেকে হোষ্টিং নেবার আগে ফ্রিতে ১মাস ১০০মেগাবাইটের একটি হোস্টিং নিয়ে দেখুন। পেইড হোস্টিং এর সব রকম সুযোগ সুবিধা পাবেন। ১মাস পরে ইচ্ছা করলে পেইড হোষ্টিং এ যেতে পারেন, তবে কোন বাধ্যবাধকতা নাই।

ফ্রি ট্রায়ালটির সাথে মেইল ব্যবহারের সুবিধাও থাকছে, সুতরাং সম্পূর্ণ রূপে আমাদের সার্ভিস কেমন হবে তা বুঝতে পারবেন। এই ফ্রি ট্রায়ালে আপনি আমাদের অটো ইন্সটলার দিয়ে বিভিন্ন কনন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (যেমনঃ জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস, পিএইচপিবিবি, জেনকার্ট ইত্যাদি) ফ্রিতে এবং ঝামেলা ছাড়াই এক ক্লিকে ইন্সটল করে নিতে পারবেন।

আপনার ফ্রি ট্রায়াল পেতে মেইল করুনঃ sales@shafiul.com
এতে আপনার, নাম, প্রতিষ্ঠানের নাম (শুধু মাত্র প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে) ইমেইল এড্রেস, মোবাইল নম্বর, পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা দিতে হবে। আর শর্ত একটাই, কোন প্রকার অবৈধ কোন কিছু সাইটে রাখতে পারবেন না

আর প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ১মাসের ট্রায়ালকে সর্বচ্চো ৩মাস পর্যন্ত বর্ধিত করা যাবে।


ফ্রি ট্রায়াল শেষে আপনি ইচ্ছা করলে আপনার ডাটা ব্যাকআপ করে নিতে পারবেন, এতে আমাদের কোন বাধা থাকবে না। আর এর সাথে যেহেতু্‌ পার্কড, এডঅন এবং সাব ডোমেইন ব্যবহারের সুযোগ থাকছে, তাই আপনি ইচ্ছা করলেই আপনার ডোমেইনটি আমাদের হোষ্টিং এ কানেক্ট করে দেখতে পারেন।

আমাদের বিভিন্ন প‌্যাকেজ দেখতে এখানে ক্লিক করুন ।
এই অফারটি ১টি ডোমেইন এবং হোস্টিং এর সাথে। অর্থাৎ আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং নিলেই এই অফার কার্যকর হবে। আর হোস্টিং এর ক্ষেত্রে আমাদের থাকছে ২মাসের (৬০ দিনের) ১০০% মানিব্যাক গ্যারান্টি।

আর আমরা প্রতিটি ডোমেইনের সাথে ডোমেইন কন্ট্রোল প‌্যানেল দিয়ে দেই, তাও ফ্রিতে। মনে রাখবেন যে ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল এবং হোষ্টিং কন্ট্রোল প‌্যানেল কিন্তু আলাদা। অনেক প্রতিষ্ঠান হোস্টিং কন্ট্রোল প‌্যানেলকেই সব বলে চালিয়ে দেয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়ুন এখানে ।


প্রতিটি প্যাকেজের সাথে ফ্রিতে থাকছেঃ
১. একটি .com বা .org বা .net ডোমেইন
২. ফ্রি ssl সার্টিফিকেট
৩. আলাদা ডোমেইন কন্ট্রোল প্যানেল এবং হোস্টিং কন্ট্রোল প্যানেল
৪. হোস্টিং এর জন্য ৬০ দিন মানি ব্যাক গ্যারান্টি
৫. ফ্রি সাইট বিল্ডার
৬. অনেক ফ্রি কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (জুমলা, ওয়ার্ডপ্রেস ইত্যাদি)
৭. মানিবুকারস বা এলার্ট পে এর মাধ্যমে পেমেন্ট সুবিধা
৮. হোস্টিং সাইজের ঠিক ১০গুন ব্যান্ডওয়্যাইথ
৯. গুগুল মেইল (নিজের ডোমেইনের নামেই)
১০. গুগুল এনালিটিক্স ইন্সটল এবং হেল্প
১১. ইয়াহু সাইট এক্সপ্লোরার ইন্সটলেশন
১২. ২৪/৭ ফোন এবং মেইল সাপোর্ট
১৩. ইচ্ছামত সাবডোমেইন তৈরির সুবিধা
১৪. আরও বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা।


আশাকরি এই উদ্দোগটি আপনাদের ভাল লাগবে এবং কাজেও লাগবে।

বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ ০১৯১৪৪৭৫৫৩৪ বা ০১৮১৮০৭৭৯২২

সবাইকে ধন্যবাদ!!!

Read more ...

Sunday, October 23, 2011

Handycam Camcoder সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন (কিভাবে ব্যবহার করবেন বা কি সুবিধা পাবেন)


সবচেয়ে সহজে এবং উচ্চ রেজুলেশনে ভিডিও রেকর্ড করার জন্য Handycam Camcoder এর আলাদা সুনাম আছে । প্ররফশনাল এবং শখের বশে বা প্রয়োজনীয়তার জন্য যাদের রেকর্ড করতে হয় বিভিন্ন ভিডিও তাদের জন্য আমার মনে হয় Handycam Camcoder । এখন বেসিক প্রশ্ন হচ্ছে আপনি কেন এই ভিডিও ক্যামেরা কিনবেন, এতে কি সুবিধা আছে ? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনি সহজেই পাবেন নিচের ফিচার দেখে ।

Handycam Camcoder এর ফিচার –
০১. ৩.২ মেগাপিক্সেল ভিডিও এবং ৬.১ মেগাপিক্সেল স্টিল resolution পাবেন ।
০২. CMOS sensor এর মাধ্যমে ক্যামেরা automatically সময় নির্ধারণ করবে, আপনাকে ম্যানুয়ালি কিছু করতে হবে না ।
০৩. 10x অপটিক্যাল এবং 20x ডিজিটাল জুম সুবিধা
০৪. smooth slow recording সুবিধা পাবেন ।
০৫. HD/SD দুই ফরম্যাটেই আপনার চাহিদামতো রেকর্ড করতে পাবেন
০৬. super night shot এর মাধ্যমে সম্পূর্ণ উচ্চ resolution এর মাধ্যমে অন্ধকারের দৃশ্য ধারণ করা সম্ভব ।

এছাড়াও আরও অনেক গুলো সুবিধা আছে । বিস্তারিত পাবেন এখানে । আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে এর দামটা । আপনি আপডেট দাম জানতে পারবেন (বাংলাদেশের বাজার অনুসারে) এখানে ।

Read more ...

Saturday, October 1, 2011

Thumbs.db কি? কিভাবে Thumbs.db ডিলিট করতে হয়?

কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যাবহার করতে গিয়ে আমরা একটা জিনিষ থেকে সব সময় সাবধানে থাকি। নাম কি তাঁর! ভাইরাস! ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য কখনও আমরা নিজে নিজে কিছু ভাইরাস নামে পরিচিত ফাইল ডিলিট করি বা অ্যান্টি-ভাইরাস লাগায়। Thumbs.db ও ভাইরাস নামে বেশ পরিচিত। আমি আগে এটাকে ভাইরাস নামেই চিনতাম। কারন এটাকে ডিলিট করে দিলেও সাথে সাথে আবার একটা ফাইল তৈরি হয়ে যায়। আর সব ফটো ফোল্ডারের মধ্যেই থাকে এই ফাইলটা। আমার ধারনা আপনারাও মনে করেন। চলুন দেখি Thumbs.db আসলে কি?

Thumbs.db কি?

সাধারণত Thumbs.db প্রত্যেকটা ফটো ফাইল বা ফটো ফোল্ডারে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই তৈরি হয়। এটা আসলে উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে Thumbnail (ছোট প্রিভিউ) ভাবে দেখানোর জন্য ক্যাশ (cache) ফাইল। Thumbs.db খুব দ্রুত ফটোটাকে ছোট করে এবং প্রিভিউ এর জন্য ফটো গুলোকে রেডি করে রাখে এবং তা দেখানোর জন্য ক্যাশ করে রাখে।

তাই স্বাভাবিক ভাবেই, আপনি যখন একটা ফটো ফোল্ডার খুলেন, আপনি তখন ফটোগুলোর ছোট প্রিভিউ (থাম্বনেইল) দেখতে পাবেন। এই যে প্রিভিউটা আপনাকে দেখালো দেখুন সাথে সাথে আপনার ওই ফোল্ডারে Thumbs.db নামে একটা ফাইল তৈরি হয়ে গেছে, মানে এই প্রিভিউটা ওই ফাইলে সেভ হয়ে গেল। যাতে করে পরের বার দ্রুত আপনাকে প্রিভিউ দেখাতে পারে।

নোটঃ Thumbs.db ফাইল বেশির ভাগ সময়ই হিডেন অবস্থায় থাকে। দেখতে চাইলেঃ মাই কম্পিউটার -> টুলস -> ফোল্ডার অপশনস -> ভিউ -> শো হিডেন ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডার।

Thumbs.db এর অসুবিধাঃ যদিও এটা খুব প্রয়োজনীয় ও সাহায্যকারী ফাইল, কিন্তু এটা হার্ডডিস্কের অনেকটা জায়গা খায়। এটা ফটো ফাইল অনুযায়ী জায়গা খায়, আপনি যদি ৫-৬ টা ফটো রাখেন কোন ফোল্ডারে সেখানে Thumbs.db ফাইল তৈরি করবে ৭-৮ কেবি মতো। আর আপনি যদি ৫০০-৭০০ ফটো রাখেন তাহলে Thumbs.db ফাইল তৈরি করবে ৭০০-৯০০ কেবি (প্রায় ১এমবি) মতো। আর এর থেকে বেশি ফটো রাখলে আরও বেশি জায়গা নষ্ট করবে এই Thumbs.db। এই Thumbs.db তৈরি অপশন থেকে বন্ধ করে এবং পূর্বের সব Thumbs.db ফাইল ডিলিট করে দিলেই আপনার কম্পিউটার হয়ে যাবে Thumbs.db ছাড়া। চলুন দেখি যেভাবে Thumbs.db ডিলিট করতে হয়।

যেভাবে Thumbs.db ডিলিট করতে হয়

  • মাই কম্পিউটার বা যেকোনো ফোল্ডার ওপেন করুন
  • টুলসে (উপরে, মেনু বারে) ক্লিক করুন
  • ফোল্ডার অপশনে ক্লিক করুন (ফোল্ডার অপশন না পেলে বা ভাইরাসের কারনে ডিলিট হয়ে গেলে, দেখে নিনঃ যেভাবে ফোল্ডার অপশন ফিরিয়ে আনতে হয়)

  • ভিউ ট্যাবে ক্লিক করুন
  • ডু নোট ক্যাশ থাম্বনেইলসে (Do Not Cache Thumbnails) টিক মেরে, অ্যাপ্লাই করে ওকে করুন।

এর পর থেকে আর Thumbs.db তৈরি হবে না। কিন্তু, যেহেতু আগে থেকে অপশনটা চালু ছিল তাই আগে অনেক Thumbs.db ফাইল আপনার কম্পিউটারে আছে ওই গুলো সার্চ দিয়ে ডিলিট করে দিন। নতুনদের জন্য সার্চ করার পদ্ধতিটা দেখাচ্ছি, যারা জানেন তারা প্লিজ মাইন্ড কইরেন না।

যেভাবে Thumbs.db সার্চ দিয়ে ডিলিট করবেন?

  • স্টার্ট মেনু -> সার্চ
  • অল ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডারে ক্লিক করুন
  • “অল ওর পার্ট অফ দা ফাইল নেম” বক্সে Thumbs.db লিখুন এবং লোকাল হার্ড ড্রাইভসে সব গুলো ড্রাইভ সিলেক্ট করে সার্চে ক্লিক করুন
  • দেখুন অনেক গুলো Thumbs.db ফাইল খুঁজে পেয়েছে, সিলেক্ট অল করে ডিলিট করে দিন।

Thumbs.db ফাইল খুব একটা ক্ষতিকর কিছুই না। এখন এটা ডিলিট করা না করা সম্পূর্ণ আপনার ইচ্ছা।


Read more ...

কুমিল্লা, জেলার কম্পিউটার ক্রয়-বিক্রয় জোন

[ পিসি নেট কম্পিউটার ] ডি/৭ টাউন হল সুপার মার্কেট (১ম তলা) কান্দিরপাড়, কুমিল্লা। ফোনঃ ০৮১-৬২৪২৯, ০১৭১১৩৯২৩৫৮. [ আইটি প্যালেস ] ছাত্তার খাঁন কমপ্লেক্স (৪র্থ তলা) কান্দিরপাড়, কুমিল্লা। ফোনঃ০৮১-৭১২৭০, ০১৭১১৩৮৮২৮৬। [ হোসেন ইলেকট্রনিক এন্ড কম্পিউটার ] কান্দিরপাড়, দীপিকা সিনেমা হল এর বিপরীতে, কুমিল্লা। ফোনঃ ০৮১-৬৫৯৫৭, ০১৭১৫১৯২৪৬৬। [ ডেস্কটপ আইটি ] হাউজিং এষ্টেট, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১১৩৪৮১৯৩, ০১৮১৯৫০২৬১৩। [ আনন্দ কম্পিউটার ] ৩/৪০, ইষ্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা (৩য় তলা), কুমিল্লা। ফোনঃ ০৮১-৭৭৪৭০, ০১৭১১১০১০৮৩। সফট্‌ লিংন্‌ক ১/এ, টাউন হল সুপার মর্কেট (২য় তলা), কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১১০৬৩৭৮। লুনিক আইটি কুমিল্লা টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স (নীচ তলা) লাকসাম রোড, কুমিল্লা। মোবাইলঃ ০১৭১১৮১০৪৯৮ । [ বিজন্যাস সলিউশন টেকনোলজী ] হাউজিং এষ্টেট, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১১৩৪৮১৯৩, ০১৮১৯৫০২৬১৩। [ এমএসএন কম্পিউটার ] টমছমব্রীজ, কুমিল্লা। ফোনঃ ৬৩৩৫৬, ০১৭১৫২৬৩৩৫৬। [ কম্পিউটার জোন ] ৩/২১, ইষ্টার্ণ ইয়াকুব প্লাজা, ৩য় তলা, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১৩১৬১১১৫। [ ইলিট টেকনোলজি ] ১০৭, কুমিল্লা টাওয়ার শপিং কমপ্লেক্স (নীচ তলা) লাকসাম রোড, কুমিল্লা। মোবাইলঃ ০১৭১১১৮২৬৫৬ Email:rzmahmud@gmail.com [ প্লাগ এন প্লে ] ৩/২৮ ইর্ষ্টাণ ইয়াকুব প্লাজা, (৩য় তলা) কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৬৭৪৪৪৫০৩৩. [ ওবাইকেন আইটি ] চাঁপাপুর, কুমিল্লা। ফোনঃ ০১৭১৪৪৬৩৩৭২

[ প্লাগ এন প্লে ] ৩/২৮ ইর্ষ্টাণ ইয়াকুব প্লাজা, (৩য় তলা)

Read more ...

Saturday, September 24, 2011

কিছু অপারেটিং সিস্টেম, যার কথা আপনি কখনো শুনেন নি!

অপারেটিং সিস্টেম বলতে আমারা Windows, Linux, Mac কেই বুঝি। কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরও কিছু অপারেটিং সিস্টেম আছে যেগুলোর কথা আমরা অনেকেই শুনি নি। বহু মানুষ আছে প্রচুর আগ্রহ নিয়ে এগুলো ব্যবহার করে। এগুলো কোনটাই Windows, Linux বা Mac এর মত বিশ্বময় ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তৈরি করা হয়নি, প্রতিটি Develop করা হয়েছে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারীর বা নির্দিষ্ট কোন কাজের কথা মাথায় রেখে। আসুন জেনে নেই এমন কিছু অপারেটিং সিস্টেম এর কথা।

১. রিয়েক্ট ওএস (React OS)

Address: www.reactos.org

প্রথমে এই অপারেটিং সিস্টেম এর নাম রাখা হয়েছিল Free Win95, কারণ ডেভলপারদের উদ্দেশ্য ছিল Windows 95 অপারেটিং সিস্টেমের মত হুবহু একটি ক্লোন ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা। ২০০৪ সালে এর ০.২.০ ভারসন রিলিজ হয়, যাতে মোটামুটি Windows এর সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে। আকারে প্রকারে ও ব্যাবহারে মোটামুটি এটা Windows এর মতই।

২. হাইকু (Haiku)

Address: www.haiku-os.org

১৯৯০ এর দশকের শেষের দিকে BeOS নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। পড়ে অবশ্য তারা মাইক্রোসফট এর কাছে হার মেনে কোথায় যেন হারিয়ে যায়। অনেক দিন পর BeOS এর মতই অনেকটা তৈরি হয় যার নাম হাইকু। অপারেটিং সিস্টেমটি ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে করা হয়েছে তাই এর ইন্টারফেসটি খুব সহজ ও সরল।

৩. অ্যারোস (Aros)

Address: www.aros.sourceforge.net

আজ থেকে প্রায় ২২ বছর আগে অ্যামিগা নামের অপারেটিং সিস্টেম মোটামুটি জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। কিন্তু নির্মাতা কোম্পানি কমোডোরকে দেউলিয়া ঘোষণা করা হয়। ফলে অ্যামিগা অপারেটিং সিস্টেম হারিয়ে যায়। পড়ে এই অ্যামিগা মত করে তৈরি করা হয় অ্যারোস। অ্যামিগা অপারেটিং সিস্টেম এর অনেক গুলো ভারসন আছে।

৪. আরানিম (Aranym)

Address: www.aranym.sourceforge.net

আরানিম একটি ভার্চুয়াল মেশিন যেটি 68040 CPU এবং আটারি হার্ডওয়্যারকে অনুকরণ করে। আরানিম এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা আপনি খুব সহজে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে একত্রে কাজ করবে। এর ইউজার ইন্টারফেস মটেও সুন্দর না তবে পারফরমেন্সের বিচার করলে এটি অবশ্যই বেশি নম্বর পাবে।

৫. সিলেবল (Syllable)

Address: www.syllable.org

সিলেবল একটি সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম, সম্পূর্ণ স্বাধীন অপারেটিং সিস্টেম। এটি অন্য সবগুলো থেকে ভিন্ন। ডেস্কটপ টি বৈচিত্র্য ও রঙবেরঙের ডিজাইনে বেশ সুন্দর। এর পারফরমেন্স ও বেশ ভালো।

৬. কোলিব্রিও ওএস (KolibriOS)

Address: www.kolibrios.org

এটা খুব উচ্চাকাঙ্খী অপারেটিং সিস্টেম। এটা সম্পূর্ণ অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা। এতে মাল্টিটাস্কিং, গ্রাফিক্যাল ডেস্কটপ, আইপি নেটওয়াকিং, ইউএসবি সাপোর্ট, মিডিয়া প্লে-ব্যাক সহ সমস্ত সুবিধা রাখা হয়েছে। সব মিলিয়ে আকারে প্রকারে ও কাজে এটি খুব সুন্দর একটি অপারেটিং সিস্টেম।

এমন হয়তো আরও বহু অজানা অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে যা আমরা জানি না।


Read more ...

Friday, September 23, 2011

প্রসেসরে গ্রাফিক্স ক্ষমতা বাড়ালো ইনটেল

প্রসেসরে গ্রাফিক্স ক্ষমতা বাড়ালো ইনটেল

চিপ জায়ান্ট ইনটেল কর্তৃপক্ষ স্যান্ডি ব্রিজ এবং আইভিব্রিজ প্রসেসরে গ্রাফিক্স ড্রাইভার আপডেট করেছে। ইনটেলের দাবী, নতুন সংস্করণের এ গ্রাফিক্স ড্রাইভারটি উইন্ডোজ ৭ এবং উইন্ডোজ ভিসতায় গেমের পারফর্মেন্স ৩৭ শতাংশ বাড়িয়ে দেবে। খবর সিনেট-এর।

স্যান্ডি ব্রিজ প্রসেসর ছাড়াও ইনটেলের আইভিব্রিজ প্রসেসরেও গ্রাফিক্স ড্রাইভারে আপডেট করা হয়েছে বলেই জানা গেছে।

ইনটেল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতি দিয়েছে, ‘গ্রাফিক্স ড্রাইভারে আপডেটের ফলে দ্বিতীয় প্রজন্মের ইনটেল কোর প্রসেসরে গেমিং পারফর্মেন্স আরো উন্নত হবে। ইউএলভি বা আল্ট্রা লো ভোল্টেজে চলা স্যান্ডি ব্রিজ এবং আইভিব্রিজ প্রসেসরগুলো বিদুৎসাশ্রয়ী এবং এর হাইডেফিশিন (এইচডি) ইমেজিং আরো বাড়বে।’

Read more ...

ওপেন সোর্সে যাচ্ছে স্যামসাংয়ের বাডা

ওপেন সোর্সে যাচ্ছে স্যামসাংয়ের বাডা

সম্প্রতি খবর রটেছে, গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমের ওপর জোর দিচ্ছে স্যামসাং। এ লক্ষে স্যামসাংয়ের অপারেটিং সিস্টেম বাডাকে ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্মে নেবার পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর।

নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমকে প্রাধান্য দিতে স্যামসাং কোনো সফটওয়্যার ফার্ম কিনতে পারে বলেও খবর রটেছে। নিজস্ব ব্র্যান্ডের অপারেটিং সিস্টেমকে আরো বেশি প্রাধান্য দিতে ওপেন সোর্স পদ্ধতিতে যাবে স্যামসাং।

এ বিষয়ে স্যামসাং এখনও মুখ খোলেনি।

বাডা অপারেটিং সিস্টেমে স্যামসাং ওয়েভ সিরিজের মোবাইল ফোনগুলো তৈরি হয়েছিলো। সম্প্রতি বাডানির্ভর নতুন তিনটি হ্যান্ডসেটের ঘোষণাও দিয়েছে কোরিয়ান এই মোবাইল জায়ান্ট।

Read more ...

Wednesday, September 21, 2011

ব্লক করে রাখুন যে কোন ওয়েবসাইট

আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে, বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখতে হয়। সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আজকে আমার এই পোস্ট। ব্রাউজারের কিছু সেটিংস পরিবর্তন করেই এটি করা সম্ভব। তাহলে আসুন জেনে নেই কিভাবে ব্লক করবেন যেকোনো ওয়েবসাইট?

Mozilla Firefox এ কোন সাইট ব্লক করতে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুন

Firefox এ কোন সাইট ব্লক করতে add-onর দরকার পড়ে, আপনি চাইলে Mozilla.org এ অনেক add-on পেতে পারেন, কিন্তু সবচেয়ে ভালো হয় যদি BlockSite নামের add-onটি ব্যাবহার করেন।
যা করতে হবেঃ
১. মজিল ফায়ারফক্স ওপেন করে Tools এ ক্লিক করুন।
২. Add-ons এ ক্লিক করুন।
৩.Get Add-ons এ ক্লিক করুন।
৪. Browse All Add-ons সিলেক্ট করে, search box এ blocksite লিখে সার্চ দিন।
৫. এই add-on দিয়ে আপনি যেকোনো সাইট ব্লক করতে পারেন।

Google Chromeএ কোন সাইট ব্লক করতে নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুন

1. আপনার Chrome Web Browser ওপেন করুন।
2. ডানপাশে উপরে সবারকোনায় wrench চিহ্নতে ক্লিক করুন।
3. Tools সিলেক্ট করে , Under the Hood ট্যাবটি ক্লিক করুন।
5. Change Proxy Settings সিলেক্ট করুন ।
6. Security ক্লিক করে , Restricted Sites ক্লিক করুন।
7. Sitesএ ডাবল ক্লিক করে , যে সাইটটি ব্লক করতে চান সেটা add করুন।

সব ব্রাউজারে কোন ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখতে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুনঃ

মনে করুন, আপনি www.facebook.com ওয়েবসাইটটি ব্লক করে দিতে চান, যাতে কেউ এই সাইটটি ভিজিট করতে নাপারে, হোক সেটা Limited/administrator অ্যাকাউন্ট থেকে এমনকি যেকোনো ব্রাউজার দিয়ে ।

প্রথমে, windows host ফাইলটি খুঁজে বের করুন। এজন্য C:\Windows\System32\drivers\etc টি ওপেন করুন।

এখন hosts লেখা ফাইলটির উপর রাইট ক্লিক করে, notepad দিয়ে ওপেন করুন।

সাধারন অবস্থায় আপনার ফাইলটি দেখতে নিচের ছবির মত হবে।

উদাহরনস্বরূপ, আপনি যদি www.facebook.com সাইটটি ব্লক করতে চান, তাহলে নিচের ছবির মত 127.0.0.1 localhost লেখাটির নিচে 127.0.0.1 www.facebook.com লেখাটি লিখুন।

এখন, ফাইলটি cltr+s চেপে সেভ করুন।

এরপর, আপনি আরও সাইট যুক্ত করতে চাইলে, ঠিক একইভাবে 127.0.0.1+সাইটটির address লিখে সেভ করুন নিচের ছবির মত।

এবং ফাইলটি সেভ করুন।
আগামীতে কিভাবে ব্লক করা সাইট ব্রাউজ করবেন সেটা নিয়ে লেখার ইচ্ছে আছে ইনশাল্লাহ। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।


Read more ...

ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু কৌশল

ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি অনেককে ক্ষতিগ্রস্থ করে। যখন আপনি আপনার পরিবার ও বন্ধুদের সাথেই আনন্দিত থাকতে পারেন, তখন কেন ঘন্তার পর ঘণ্টা কম্পিউটারের স্ক্রীনের সামনে সময় নষ্ট করছেন? এই আর্টিকেলটি আপনাকে ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে।

১। যখনই আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন, একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করুনঃ কখনই আজ ২ ঘণ্টা কাল ৩ ঘণ্টা আর পরশু ১ ঘণ্টা করলে চলবে না। অন্য ভাবে বলতে গেলে, এমনটি বলবেন না যে,”আজকে আমি কেবল ১ ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটাব।“ তারপর একটানা ৪-৫ ঘণ্টা কম্পিউটার এর সামনে বসে মনে মনে বলবেন যে আমি আজকে মোটামুটি ভাল করেছি। প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ১ ঘণ্টা যথেষ্ট, খুব প্রয়োজনে ২ ঘণ্টা ব্যবহার করা যেতে পারে। মনে রাখবেন, এই বিষয়ে সতর্ক না হলে আবারও ইন্টারনেট আসক্তির দাসে পরিণত হতে পারেন।

২। যদি আপনার ঘড়ি আপনাকে সময়ের মাঝে বেধে রাখতে না পারে, তবে একটি Parental control সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেনঃ কিছু সফটওয়্যার সময় বেধে দেয়া (time lock) সমর্থন করে। আপনার বাসার অন্য কাউকে পাসওয়ার্ডটি সেট করতে বলুন যাতে করে শুধুমাত্র জরুরী ক্ষেত্রেই (emergency) আপনি এইটিকে আনলক করতে পারেন, যখন ইচ্ছা তখন নয়।

৩। অপ্রয়োজনিয় অ্যাকাউন্ট সমূহ মুছে (Delete) ফেলুনঃ কতগুলো এমন ওয়েবসাইট আছে যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট রাখার কোন দরকারই নেই? ফেসবুক, মাইস্পেস, টুইটার, ইউটিউব… কখনও কখনও ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হতে পারে এমন বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথে যোগাযোগ রাখতে যারা আমাদের কাছে নেই। তবে ইউটিউব, মাইস্পেস, গুগল প্লাস ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট কেবলমাত্র সময়ের অপচয়ই নয় বরং আসক্তিকরও বটে। এই অ্যাকাউন্টগুলোতে এমন অনেক আলাপ হয়ে থাকে অপরিচিত লোকজনের সাথে। তারপরও, যদি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে না চান তবে পেজগুলো ব্লক করে দিন।

৪। আপনার পেজগুলোও মুছে ফেলুনঃ শুধুমাত্র সেই পেজগুলোই রাখুন যা আপনার কাজের জন্য দরকার (জেমনঃ homework, office work ইত্যাদি)। যদি ইউটিউব বা অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এগুলোর জন্য নিতান্তই প্রয়োজনীয় না হয় তবে মুছে ফেলতে দ্বিধা বোধ করবেন না।

৫। অনলাইন কাজ ব্যতীত অনেকগুলো অফলাইন কাজ রাখতে ভুলবেন নাঃ আপনি করে আনন্দ পান এমন অনেকগুলো কাজ করুন। যদি আপনার কোন শখ (hobby) না থাকে তাহলে আজই খুজতে শুরু করুন। এছাড়া অন্যকে সাহায্য করা বা সমস্যার সমাধান দেওয়াটা একটি অন্যতম উপায়। এটা আপনার মানসিক ও শারীরিক উভয় দিকের খেয়াল রাথে।

৬। অনলাইন বা অফলাইনে থাকা সম্পর্কে সচেতন থাকুনঃ আপনি কি বুঝতে পারেন না যে কখন আপনি অতিরিক্ত অনলাইনে সময় কাটাচ্ছেন? যদি তাই হয়, আপনার সমস্যা আছে!

৭। আপনি জানেন যে ইন্টারনেট আসক্তি আপনার বাস্তবিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারেঃ আপনাকে আপনার জীবন যাপন করতে হবে পুরোপুরি ভাবে, কম্পিউটার স্ক্রীনের সামনে থেকে নয়। বিশ্বাস করতে পারেন যে প্রতিদিন ১,০০০,০০০,০০০ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তথ্যটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আর গবেষক এবং ডাক্তারেরা দেখিয়েছেন যে কিভাবে প্রতিদিন মানুষেরা এতে আসক্ত হয়ে পরছে।

৮। তাই ইন্টারনেটকে আপনার জীবনে হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া বন্ধ করুনঃ এ মন নয় যে আপনি পুরোপুরিভাবে একে ত্যাগ করবেন বা আর কোনদিন ব্যবহার করবেন না, আপনাকে সুধু দেখতে হবে সঠিক সময়টি। জীবনের পূর্ণতাকে অনুভব করুন। বাইরে যান, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, আশেপাশে ঘুরতে যান এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে উপভোগ করুন। যা আপনার দৈহিক ও মানসিক উভয় দিক দিয়ে সাহায্য করবে।

৯। আপনি এখন তৈরি! আপনার নিত্য দিনের কাজ করুন সতাজতার সাথে। তবে অবশ্যই ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস তথা ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকবেন।


Read more ...

কিভাবে হবেন একজন কম্পিউটার এক্সপার্ট

কোন একটি বিষয়ে দক্ষ হওয়ার অর্থ হচ্ছে বিষয়টি আপনার হাতের নাগালে রাখা। আপনি যদি কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ হতে চান তাহলে আপনাকে কম্পিউটারের এলাকাগুলো (area) সম্পর্কে জানতে হবে। এটা একটি সময় এবং ধৈর্য সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু একবার আয়ত্তে আনতে পারলে জটিল থেকে জটিল সমস্যাও সাধারণ বলে মনে হবে।

১। কম্পিউটার দক্ষ একজন বাক্তিকে অবশ্যই কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ (hardware) সম্পর্কে ধারনা থাকতে হবে।

২। ধাপে ধাপে শিখতে শুরু করুন। উইন্ডোজের অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা শুরু করা ভাল। উইন্ডোজেরের সাধারণ (Basic) কাজ থেকে শুরু করুন এবং আগ্রহের সাথে চালিয়ে যান। সেই সাথে উইন্ডোজ রেজিসট্রি (windows registry) এর কাজ করতে শিখুন।

৩। তারপর আপনাকে অবশ্যই সাধারণ (basic) প্রোগ্রামিং ভাষা ‘C’-এ পূর্ণ জ্ঞান লাভ করতে হবে। কোন ভাবেই মাঝ পথে শেখা ছাড়বেন না, নতুবা এটি কোন কাজেই লাগবে না।

৪। তারপর উইন্ডোজ প্রোগ্রামিং করতে শিখুন ভিসুয়াল স্টুডিও (visual studio) 6.0 দ্বারা।

৫। এখন সময় হল উইন্ডোজকে বাদ দিয়ে লিনাক্সে ঢুকে পরা। ফেডোরা বা উবুন্টু দুইই ভাল অপশন।

৬। ভালভাবে শেল স্ক্রিপ্টিং শিখুন। যতটা সম্ভব কমান্ডগুলো মনে রাখার চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে ‘gedit’ এর মত GUI এডিটর এর পরিবর্তে ‘vi’ এডিটর ব্যবহার করুন।

৭। কম্পিউটারের গঠন প্রণালী ও অপারেটিং সিস্টেমের কাঠামো সম্পর্কে ধারনা নিন।

৮। আপনি যখন উপরের ধাপগুলো পেরিয়ে এসেছেন, এখন আপনি একটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বা নেটওয়ার্কিং কোর্সে যোগ দিতে প্রস্তুত।

৯। এখন আপনি নিজে নিজেই দক্ষ (expert) হওয়ার পথ বা বিষয় নির্বাচন করতে সক্ষম।

১০। উপরের সবকয়টি ধাপ পেরুনোর পর আপনি এখন কম্পিউটারের Basic Troubleshoot এবং প্রায় সব ধরনের সাধারণ কার্যাবলী সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন। আপনার চারপাশের লোকজনেরা নিজে থেকেই আপনাকে দক্ষ (expert) হিসেবে চিহ্নিত করবে।

কোনভাবেই হাল ছাড়বেন না। এতগুলো বিষয় শিখতে সময় লাগাটা স্বাভাবিক। চেষ্টা চালালে তা নিশ্চিতভাবে ভাল ফলাফল নিয়ে আসবে !!!


Read more ...

বিক্রি হচ্ছে ইয়াহু

ইন্টারনেট সার্ভিস কোম্পানি এবং সার্চ জায়ান্ট ইয়াহু বিক্রি হয়ে যেতে পারে। ইয়াহুতে নতুন সিইও যোগ দেবার আগেই হয়তো ইয়াহু কিনে নিতে পারে কোনো ক্রেতা। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সম্প্রতি, ইয়াহু’র সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে ব্যর্থ হবার কারণে বরখাস্ত করা হয়েছে সিইও ক্যারোল বার্টজকে। ইয়াহু বোর্ডের সদস্যরা ক্যারোল বার্টজকে অপসারণ করে প্রধান অর্থ বিষয়ক কর্মকর্তা টিম মোর্সেকে ভারপ্রাপ্ত সিইও হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন।

প্রায় আড়াই বছর এই প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ পদে থেকে দায়িত্ব পালনের পর অপসারিত হলেন বার্টজ। তবে, তাকে ১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণও দিয়েছে ইয়াহু।

বোর্ড পরিচালকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলেই ইয়াহু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

সমালোচকেরা মনে করেন, অনুসন্ধান ও সামাজিক যোগাযোগের যে আকর্ষণীয় বাজার ছিল, ইয়াহু তা ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ ব্যর্থতার দায়ভার কাঁধে নিয়েই সরে যেতে হলো ক্যারোল বার্টজকে।

সিইও অপসারণের পর আপাতত বিক্রি করে দেওয়াটাকে বুদ্ধিমানের কাজ মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।

এদিকে ক্রেতাও জুটে গেছে। জানা গেছে, ইয়াহু কেনার দৌড়ে এগিয়ে আছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট। তবে, মাইক্রোসফটও ইয়াহু কিনতে ধান্দা করতে পারে। কারণ, ২০০৮ সালে সফল ইয়াহুকে ৪৫ বিলিয়ন ডলারে কিনতে চেয়েছিলো মাইক্রোসফট। কিন্তু সে সময় বিক্রি করেনি ইয়াহু কর্তৃপক্ষ। এখন বিফল ইয়াহুর জন্য কম দর হাঁকতে পারে মাইক্রোসফট। এদিকে, এওএল-এর সাবেক প্রধান নির্বাহী জন মিলারও ইয়াহু কিনে নেবার চেষ্টা করছেন।

Read more ...

বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে 3G প্রযুক্তি

বাংলাদেশ সরকার উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্ম (3G) লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বছরের শেষদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিকম কোম্পানি Teletalk-কে 3G লাইসেন্স প্রদান করা হবে পরিক্ষামুলকভাবে গ্রাহকদের এই সেবা দেয়ার জন্য। এর ছয় মাস পর অন্যান্য মোবাইলফোন কম্পানিকে এর লাইসেন্স প্রদান করা হবে ব্যাবসায়িক ভাবে ব্যাবহারের জন্য।
পরিক্ষামুলক প্রকল্প শেষে Teletalk প্রায় ১৭ লাখ গ্রাহককে এই সেবা প্রদান করতে পারবে। তাছাড়া প্রায় ৪৭ লাখ গ্রাহককে 2.5G-র সেবা প্রদান করতে পারবে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে Teletalk-এর গ্রাহক সংখ্যা মাত্র ১২ লাখ। তাই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সরকার প্রায় ১৯শত কোঁটি টাকা বিনিয়োগ করছে, যার ৪২৪ কোঁটি টাকার যোগান দিচ্ছে সরকার নিজেই, ২ শতাংশ লোণ এবং অবশিষ্ট অংশ আসছে চীনের সাহায্য থেকে।
বাংলাদেশের সাধারন জনগনের কাছে এই সেবা পৌছাতে আরও এক বছর সময় লাগতে পারে।
3G ব্যাবহারের মাধ্যমে গ্রাহক কথা বলার পাশাপাশি ছবিও দেখতে পারে। এর মাধ্যমে যোগাযোগ বাবস্থা আরও ত্বরান্বিত হবে। এবং যেকোন জায়গা থেকে দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্যাবহার করা যাবে।

Read more ...

ছবি দেখে তথ্য দেবে সফটওয়্যার

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা এমন একটি সফটওয়্যার তৈরি করেছেন যা কোনো ব্যক্তির মুখের ছবি দেখেই তার পুরো তথ্য জানিয়ে দিতে পারে। আর এ সফটওয়্যারটি তৈরি হবার পরই তা কিনে নিয়েছে সার্চ জায়ান্ট গুগল কর্র্তৃপক্ষ। খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এ সফটওয়্যারটি তৈরি করেছেন কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটি (সিএমইউ)-এর গবেষকরা।

গবেষক আলেহান্দ্রো অ্যাকুয়িস্টি জানিয়েছেন, কোনো ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য পেতে তার ছবিটি কম্পিউটারের ক্যামেরার সামনে ধরলেই তার বিষয়ে অনলাইনে সব তথ্যই পাওয়া যাবে। সে তথ্য ঘেঁটে যেকোনো কিছু হ্যাকও করে ফেলা সম্ভব। তাই অনলাইনে ব্যাক্তিগত তথ্য কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা খুবই কঠিন।

গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ‘নিউ সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকীতে।

জানা গেছে, চলতি সপ্তাহে লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য ব্ল্যাক হ্যাট সিকিউরিটি কনফারেন্সে এ সফটওয়্যারটি বিষয়ে জানানো হবে।

Read more ...

Tuesday, September 20, 2011

Monday, September 19, 2011

"অবশেষে.....উইন্ডোজ ৮"- (Windows 8)___!!!!

টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফটের তৈরি অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ ৮ কে নিয়ে প্রযুক্তি বিশ্বে অনেকদিন ধরেই আলোচনা হয়েছে। অবশেষে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন এ অপারেটিং সিস্টেমের ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে নিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার বিল্ড ডেভেলপারস কনফারেন্সে উইন্ডোজ ৮ বাজারে আনার কথা জানিয়েছেন মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বিভাগের প্রেসিডেন্ট 'স্টিভেন সিনোফস্কি'।
কম্পিউটার, ট্যাবলেট এবং ল্যাপটপ প্ল্যাটফর্মের জন্য ব্যবহৃত হবে এ সংস্করণটি। এ সংস্করণটিতে নতুন কি কি থাকছে তা নিয়েই এই পোস্ট-
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বিভাগের প্রেসিডেন্ট 'স্টিভেন সিনোফস্কি' জানিয়েছেন, ‘আমরা উইন্ডোজকে নতুন করে সাজিয়েছি। উইন্ডোজ ৯৫ সংস্করণের পর অপারেটিং সিস্টেম আপগ্রেডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি উইন্ডোজ ৮ কেই গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।'
এবারের ‘বিল্ড’ নামে ডেভেলপার্স কনফারেন্সে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ এর বিভিন্ন ফিচার বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্টিভেন সিনোফস্কি বলেছেন, ‘অন্যান্য সংস্করণে মাল্টিটাস্কিং সুবিধার কথা বলা হলেও উইন্ডোজ ৮ এ পাওয়া যাবে আসল মাল্টিটাস্কিং-এর মজা। শুধু ট্যাবলেট নয়, এ অপারেটিং সিস্টেম ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপের জন্যও। উইন্ডোজ ৮ এ ব্যবহার করা হয়েছে হাইপার- ভি ভার্চুয়ালাইজেশন; যার ফলে উইন্ডোজ ৭ বা তার আগের সংস্করণের জন্য তৈরি অ্যাপ্লিকেশনগুলোও এখানে কাজ করবে। এতে থাকবে একটি অ্যাপ্লিকেশন স্টোর, যেখান থেকে ব্যবহারকারীরা নানান অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। ক্লাউড কম্পিউটিংভিত্তিক এ অপারেটিং সিস্টেমে ডেভেলপারদের অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য নানান টুলস দিয়ে দেয়া হয়েছে যা ইতোমধ্যেই ডেভেলপারদের কাছে প্রশংসা পেয়েছে। নতুন অনেকগুলো ফিচার রয়েছে উইন্ডোজ ৮-এ। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইউজার ইন্টারফেস, টাচ, স্কাইড্রাইভ, অ্যাপস্টোর, এআরএম প্রসেসর, টাস্ক ম্যানেজারসহ বেশ কিছু নতুন ফিচার।
টাচ কীবোর্ড:
উইন্ডোজ ৮ এ থাকছে দুটি টাচ কীবোর্ড। একটি বড়ো বাটনযুক্ত ফুল-সাইজ টাচ কীবোর্ড এবং আরেকটি থা¤^ কীবোর্ড। টাইপের গতি বাড়াতে এবং নিঁখুত করতে কীবোর্ড দুটিতেই একাধিক ফিচার রয়েছে। কোনো ওয়ার্ড টাইপ করতে শুরু করলে কীবোর্ড সেই শব্দটি অনুমান করে দেখাবে এবং শব্দটি বেছে নেয়া যাবে। সাধারণ মাউস এবং কীবোর্ড উইন্ডোজ সমর্থন করবে। কোন ভাষার কীবোর্ড ব্যবহার করা হবে সেটি ব্যবহারকারী পছন্দ করে নেবার সুযোগ পাবে। কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামের পরিবর্তে ইনপুট এবং ভাষা নির্বাচন করলে উইন্ডোজ সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরো কম্পিউটারের জন্য মেনে চলবে।
স্কাই ড্রাইভ:
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮ সংস্করণে যোগ হচ্ছে ক্লাউড সুবিধা। ক্লাউড সুবিধার এ পদ্ধতিটির নাম ‘স্কাই ড্রাইভ’।
এ ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে যেকোনো ব্রাউজার বা মেট্রো অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে কোনো ফাইল, ছবি, ডকুমেন্টে অ্যাকসেস পাওয়া যাবে।
অ্যাপ স্টোর:
অ্যাপ স্টোর প্রসঙ্গে স্টিভেন সিনোফস্কি জানিয়েছেন, ‘নতুন অপারেটিং সিস্টেমটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে অ্যাপ্লিকেশনের ওপর। উইন্ডোজ ৮ এ প্রথমবারের মতো যোগ হচ্ছে অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরের মতোই একটি অ্যাপ স্টোর। উইন্ডোজ ৭ এ যেখানে র‌্যাম লাগে ৪০৪ মেগাবাইট সেখানে উইন্ডোজ ৮ এ লাগবে মাত্রই ২৮১ মেগাবাইট। মুল অপারেটিং সিস্টেমেই আসল ক্ষমতা রয়েছে তাই আলাদা লেয়ার বসানোর প্রয়োজন পড়েনি। ফলে হার্ডওয়্যারের জন্য এটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এবং কম ব্যাটারি খরচ করে। স্টার্ট-আপ টাইমও কমে এসে মাত্র ৮ সেকেন্ডে ঠেকবে।
এআরএম প্রসেসর সমর্থন করে:
উইন্ডোজের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো উইন্ডোজ ৮ এরআরএম-এর তৈরি প্রসেসর সমর্থন করবে। এ ছাড়াও এএমডি এবং ইনটেলের চিপও এ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সমর্থনযোগ্য থাকছেই। এআরএম প্রসেসর সাধারণত ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোনে ব্যবহৃত হয়। এআরএম প্রসেসর সমর্থন করতে মাইক্রোসফটকে এনভিডিয়া, কোয়ালকোম এবং টেক্সাস ইনস্ট্রমেন্টস নামের হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী জায়ান্টদের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।
দ্রুতগতির বুটআপ:
মাত্রই আট সেকেন্ডের বুটআপ সময় লাগবে বলেই মাইক্রোসফট জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে সিনোফক্সি তার ব্লগে বলেছেন, ‘বুটআপের জন্য সারাদিন বসে থাকার প্রয়োজন হবে না। আমরা যখনই বুট করতে যাই, আমদের চাওয়া থাকে দ্রুতগতির বুট আপ। উইন্ডোজ ৮ এ সেটিই থাকছে।’
মেট্রো ইন্টারফেস:
উইন্ডোজ ৮ সংস্করণে থাকছে দুটি ইন্টারফেস। একটি সাধারণ কম্পিউটার ইন্টারফেস এবং আরেকটি হচ্ছে ‘মেট্রো’ নামের ট্যাবলেট কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য আলাদা ইন্টারফেস। মেট্রো ইন্টারফেস অনেকটাই উইন্ডোজ ৭ এ থাকা টাইলসভিত্তিক ইন্টারফেসের মতো। এ ইন্টারফেস ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য মানানসই। মেট্রো ইন্টারফেস টাচবান্ধব ইন্টারফেস হবার ফলে নেভিগেশন আরো সহজ হবে। এতে রয়েছে পার্সোনালাইজড লেআউট, যাতে স্বচ্ছ টপোগ্রাফি এবং অ্যানিমেশন ব্যবহার করা হয়েছে। দ্রুত চালু হবার জন্য সব ধরনের ইউজার অ্যাপ্লিকেশন স্টার্ট আপ স্ক্রিনের সামনেই দেখাবে মেট্রো ইন্টারফেস।
নিরাপত্তা:
অন্যান্য সংস্করণের চেয়ে উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা আরো গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে মাইক্রোসফট। ভাইরাস বা বাগ থেকে ফাইল বা সেটিংস রক্ষায় উইন্ডোজ ৮ কার্যকর হবে বলেই সিনোফস্কির মতো।
সুতরাং, সব কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে এগিয়ে আসছে 'উইন্ডোস ৮'।
তবে আগ্রহীদের আর একটু সময় ধৈর্য ধারন করতে হবে কারন, 'স্টিভেন সিনোফক্সি' জানিয়েছেন তারা এর মান নিয়ে আরও একটু চিন্তা করবেন তবে ২০১২-এর প্রথম বা মাঝামাঝি সময় এটি অবশ্যই বাজারে আসবে।


Read more ...