Showing posts with label সমাজ. Show all posts
Showing posts with label সমাজ. Show all posts

Sunday, October 30, 2011

মানুষ কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় ?

মানুষ কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় ?

পৃথিবীর সব মানুষকে আমি প্রশ্ন করলাম- বলুনতো মানুষ কোথা থেকে আসে আর কোথায় যায় ? এর উত্তরে নানান জনের নানান মতামত ।
আমি কি বলি শুনুন ।" মানুষ কোথা থেকে আসে"-এই প্রশ্নের উত্তর দিই। আমরা প্রত্যেকেই জানি এবং দেখেছি যে মানুষ মায়ের গর্ভ থেকে আসে । মায়ের গর্ভ থেকে দু রকমের মানুষ আসতে পারে- নারী অথবা পুরুষ । আবার এই নারী বা পুরুষ মৃত বা জীবিত হতে পারে । যার সৃষ্টি নেই তার ধ্বংস নেই । আর সৃষ্টি হলেই ধ্বংস হবে- বিজ্ঞানীদের কথা নাকি । আমি আগে ছিলাম না , তাহলে আমার জন্ম মানেই আমার নতুন সৃষ্টি । আর মৃত্যু মানে কি আমার ধ্বংস ? আমি বলি -না । আমি বলি জন্ম মানে- দেহ এবং প্রাণের মিলন । দেহ এবং প্রাণ একত্রিত হয়ে মানুষের জন্ম । আবার দেহ আছে অথচ প্রাণ নেই এমন মানুষের জন্ম হতেই পারে।
আর মৃত্যুর অর্থ হলো- দেহ এবং প্রাণ আলাদা হয়ে যাওয়া । দেহ থেকে প্রাণ আলাদা হলেই মৃত্যু। মানুষের মৃত্যুর পর দেহটা আমরা দেখতে পাই। প্রাণটা দেখতে পাই না। দেহটাকে ধ্বংস করতে পারি। কিন্তু প্রাণ ধ্বংস করবো কি করে ? প্রাণ যেখান থেকে এসেছিল প্রাণটি সেখানেই ফিরে যাবে । তাই মৃত্যুর পর প্রাণ ভূত হয়ে ঘুরতে থাকে । তারপর এই প্রাণ-ভূত মানুষের শরীরে ঢোকে আবার বের হয় , এই রকম করতে করতে এক সময় প্রাণ-ভূত মায়ের গর্ভে ঢোকে ।

Read more ...

Saturday, October 29, 2011

যে কারনে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা !

বাংলাদেশে যে কারনে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা !
বিশ্লেষন করে দেখলাম আসলেই বাংলাদেশে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা!
ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে :-
1. ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে তাদের বন্ধু বান্ধবরা তাদের ক্ষেপায়।
2. তাদেরকে প্রেমিক প্রেমিকা ভাবা শুরু হয়।
3. ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে মেয়েটিকে ভালো চোখে দেখা হয়না।
4. মেয়ের সংগে ছেলে কথা বললে মেয়ে মনে করে ছেলে মতলববাজ এবং ছেলের সংগে মেয়ে কথা বললে ছেলে মেয়েটিকে ভালো চোখে দেখেনা।
5. আমাদের সমাজে একধরনের মানুষ আছে (মানুষ বিশেষনটি মনে হয় এদের বেলায় খাটে না) যারাছেলে মেয়ের বন্ধুতকে সহজ ভাবে নিতে চান না এবং বন্ধুত হতে দেখলে মেয়েটির চরিত্র খারাপ প্রমান করার চেষ্টা করেন যার ফলাফল মেয়েটিকে সারা জীবন বহন করতে হয়
6. মানুষ বদলাচ্ছে পৃথীবি বদলাচ্ছে, সময়ের পরিবর্তন এসেছে কিন্তু এই সহজ সত্যিটা মেনে নেয়ার মত সাহস খুব কম বাবা মার-ই আছে। তারা সব কিছু বিবেচনা করেন তাদের মান্ধাতা আমলের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে । তাই বাংলাদেশে অভিভাবক্দের দৃষ্টিভঙ্গি যতদিন পরিবর্তন হবে না ততদিন এই সম্যাসার সমাধান হবে না !
আপনাদের কি আরো কোনো মতামত আছে?
বিঃদ্রঃ আমি এখানে দুপক্ষ বিশ্লেষণ করে নিরেপেক্ষ মতামত প্রকাশ করেছি।

Read more ...

Monday, October 24, 2011

লিভ টুগেদার’ বাড়ছে: ধ্বংস হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ


‘লিভ টুগেদার’ বাড়ছে: ধ্বংস হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ ।:-*
রাজধানীতে ‘লিভ টুগেদার’ প্রবণতা উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। বিয়ে ছাড়া ‘দাম্পত্য’ সম্পর্ক তৈরি করে বছরের পর বসবাস করছেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। এদের মধ্যে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, চাকরিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, শিল্পী, সাহিত্যিক, ও সাংস্কৃতিক জগতের অনেকই রয়েছেন। এছাড়া ভিন্ন ধর্মাবলম্বিদের মধ্যে ধর্মান্তরিত না হয়ে বিয়ে করতে সমাজে বাধা থাকায় অনেক ...জুটি লিভ টুগেদার করছে। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও লিভ টুগেদারের প্রবণতা অতিমাত্রায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিয়ে না করে তারা বাসা বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিচ্ছেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। আবার লিভ টুগেদারের নামে অনেক সময় প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে। সিথি ও সৈকত। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী। কাঁঠালবাগান এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন। দুটি রুম সাবলেট দিয়েছেন ছাত্রী ও কর্মজীবী মহিলাদের। ভাড়াটিয়াদের একটি সূত্র জানায়, সিথি ও সৈকত লিভ টুগেদার করছেন। সিথির দায়িত্ব বাসা ভাড়ার টাকা দেয়া। দুই রুমের ভাড়া মাসে ১২ হাজার টাকা পান। আর আড়াই হাজার টাকা নিজের থেকে দিয়ে ফ্ল্যাটের সাড়ে ১৪ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করেন। সৈকত খাওয়া, জামাকাপড়সহ সংসারের যাবতীয় খরচের যোগান দেন। এভাবেই চলছে তাদের বিয়ে ছাড়া ‘দাম্পত্য’ জীবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী এবং একজন এডভোকেট (যিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র) ২০০৮ সালের ১৫ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিনমাস লিভ টুগেদার করেন। ২০১০ সালের ৫ জুলাই তাদের মধ্যে সর্বশেষ দৈহিক সম্পর্ক হয়। এরপর একে অপরের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে দু’জনই লিভ টুগেদারের বিষয়টি উল্লেখ করেন। শাহবাগ থানায় ২০১০ সালের ৫ আগস্ট একটি জিডিও করেন ওই ছাত্রী। অভিযোগে ছাত্রী লিখেছেন, ২০০৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ওই ছাত্র উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে এক বাসায় নিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরপর তাকে মেনে নেয়ার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। এক পর্যায়ে মৌখিকভাবে কলমাও পড়েন দু’জন। এরপর ওই ছাত্রী একদিন জানতে পারেন ওই আইনজীবী আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন। ওই স্ত্রী তার বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগে ছাত্রী আরো বলেন, সবকিছু জেনেও আমি মেনে নিয়ে তাকে মানসিক ও আর্থিক সবদিক থেকে সাহায্য করেছি। এক পর্যায়ে সে ব্যবসার নামে আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু সে টাকা দিয়ে কোন ব্যবসা তো করেই নি বরং আমার কাছ থেকে আরো টাকা পয়সা নিয়ে যায়। সে টাকাও ফেরত দেয়নি। সংসার করতে হলে ন্যূনতম একটা আর্থিক সাপোর্ট লাগে তা তার ছিল না। তাকে যে কোন একটি কাজ খুঁজে নেয়ার তাগাদা দেয়ায় সে আমাকে সন্দেহ করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এতোটা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি যে তার সঙ্গে সংসার করার আর কোন ইচ্ছাই নেই। সে ১১ জুলাই মৌখিকভাবে তালাকও দিয়েছে। অন্যদিকে ওই সাবেক ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এক অভিযোগে লিখেছে ওই ছাত্রী তার স্ত্রী। বিয়ের আগে তিনমাস তারা লিভ টুগেদার করেছে। গত কয়েকমাস ধরে সে ল-নপ্রবাসী সহপাঠীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। তা আমি জানার পর দু’জনের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায়ই এরকম লিভ টুগেদারের অভিযোগ জমা পড়ছ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র প্রণব দাস বাবলুর সঙ্গে ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্রী ফারাহ বিনতে রশিদ অপর্ণার পেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১০ সালের ১৫ মে আজিমপুরের শেফালী গার্ডেনের তৃতীয় তলার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে লিভ টুগেদার শুরু করে। অর্পণার পরিবার জানতো সে আজিমপুরের একটি ছাত্রী হোস্টেলে থাকে। অর্পণা ও বাবলু ভিন্ন ধর্মাবলম্বি হওয়ায় দু’জনের মধ্যে সন্দেহ লেগেই থাকতো। অপর্ণা বাবলুকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার বলত। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। গত ১৫ অক্টোবর ওই বাসায় বাবলুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অপর্ণাসহ ৫জন গ্রেফতার হওয়ার পর প্রকাশ পায় লিভ টুগেদারের কাহিনী। সূূত্র জানায়, ইদানিং লিভ টুগেদারের ধরন পাল্টেছে। আগে দু’জন একসঙ্গে থাকতেন। এর বাইরে আর কোন সম্পর্ক রাখতেন না। এখন অনেকেই একাধিক সম্পর্ক রাখছেন আবার লিভ টুগেদার করছেন। যখন যাকে ভালো লাগছে তার সঙ্গেই থাকছেন। আবার অনেকে অর্থের অভাবে ও বয়সের কারণে বিয়ে করতে না পেরে লিভ টুগেদার করছেন। অপর একটি সূত্র জানায়, লিভ টুগেদার করা জুটির মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ সংসারের অধিকাংশ খরচ বহন করে। কোন কোন ক্ষেত্রে নারী সঙ্গীও খরচ ভাগাভাগি করেন। লিভ টুগেদার যারা করেন তাদের বেশিরভাগই পরিচয় গোপন করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিচ্ছে। বাসা ভাড়া নেয়ার সময় তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়। কোথাও ধরা পড়ার আশঙ্কা থাকলে তারা ওই বাসা ছেড়ে দেয়। উচ্চ আকাঙ্খা বেশি এমন মেয়েদের মধ্যে লিভ টুগেদারের প্রবণতা বেশি। আর পুরুষরা মানসিক ও জৈবিক শান্তির জন্য নির্ঝাঞ্ঝাট সঙ্গীর সঙ্গে লিভ টুগেদার করে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, বর্তমানে লিভ টুগেদার অনেক বেড়ে গেছে। ১৫-২০ বছর পর এটি এমন পর্যায়ে যাবে যা বিয়ে নামক সম্পর্ককে ব্যাপক ধাক্কা দেবে। এখন মানুষ সাংসারিক জীবনে আবদ্ধ হয়ে নিজের ক্যারিয়ার নষ্ট করতে চায় না। একই সঙ্গে তারা জীবনকে উপভোগ করতে চায়। এ কারণে বিয়ে না করে তারা লিভ টুগেদার করছে। তবে আধিপত্য, ক্ষমতার বৈষম্য ও আর্থিক বিষয়গুলো চলে এলে সম্পর্ক নষ্ট হয়। ঘটে আত্মহত্যা ও হত্যাসহ নানা অপরাধঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী বলেন, লিভ টুগেদার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌছেছে। লিভ টুগেদার করে নর-নারী জীবনকে সাময়িক উপভোগ করে থাকেন। কিন্তু এটি স্থায়ী কোন সমাধান নয়। এর ফলে মানুষ পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। বিয়ের মাধ্যমে নর-নারীর সুশৃঙ্খল দাম্পত্য জীবন যাপনের পরামর্শ দেন তিনি।

Read more ...

Saturday, October 22, 2011

সাদা পোশাকের রহস্যময় মানবরা!

সাদা পোশাকের রহস্যময় মানবরা!
কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকের এসব রহস্যময় মানুষের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুন মাসে বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমকেও এভাবেই সাদা পোশাকধারীরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা কম হবে না। মাইক্রোবাসে চেপে একদল সাদা পোশাকধারী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকের খোঁজখবর নেয়_এ ধরনের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ আছে জনমনে
সম্প্রতি দিল্লির বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সিলেটের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কয়েকজন ইন্টার্ন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই ডাক্তারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভারত অধ্যুষিত কাশ্মীরের নাগরিক এবং তাঁদের বাংলাদেশি বন্ধুবান্ধব আছেন। এ কলেজের এক শিক্ষার্থী কাশ্মীরের ওয়াসিম আকরামকে ওই বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভারতে ডেকে নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে যেসব শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের কোন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে? সংবাদকর্মীরা এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি, সরকারের তরফ থেকেও বিষয়টি খোলাসা করা হয়নি। শুধু জানা যাচ্ছে, একদল সাদা পোশাকধারী লোক বাংলাদেশে অবস্থিত এই তরুণ চিকিৎসকদের ৫ ও ৬ অক্টোবর ধরে নিয়ে গেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরত দিয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো বাহিনী এই গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দায়দায়িত্ব স্বীকার করেনি।
দেখা যাচ্ছে, কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকের এসব রহস্যময় মানুষের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুন মাসে বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমকেও এভাবেই সাদা পোশাকধারীরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা কম হবে না। মাইক্রোবাসে চেপে একদল সাদা পোশাকধারী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকের খোঁজখবর নেয়_এ ধরনের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ আছে জনমনে।
সব মিলিয়ে সাদা পোশাকের এই বিশেষ রহস্যময় বাহিনী নিয়ে সন্দেহ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের নিয়মিত বাহিনীতে সাদা পোশাকে তদন্ত করার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়ার এই রহস্যময় বাহিনীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যোগাযোগ আছে কি না, সেটি সরকারের তরফ থেকে পরিষ্কার করা হয়নি। তারা যদি সরকারের কোনো বিশেষ বাহিনীর লোকও হয়ে থাকে, তবু প্রয়োজন ছাড়া কোমরে পিস্তল গুঁজে কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই সুযোগে দুষ্কৃতকারীরাও নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে মানুষকে অপহরণ করে নিতে পারে। সরকারের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা। কারণ রাষ্ট্রে এসব রহস্যময় সাদা পোশাকের মানুষের উপস্থিতি কারো জন্যই কল্যাণকর হবে না।
মূল লেখা...

Read more ...

Monday, October 3, 2011

লিবিয়া ফেরত রিক্সা চালক

আজ সকালে বাসা থেকে বের হয়ে । রিক্সা নেব ভাবছি । এমন সময় একটা রিক্সাকে ডাক দিলাম ভাই যাবেন ?
কোথায় যাবেন ।

রিক্সাঅলার কথা শুনে একটু অবাক লাগল সাধারনত রিক্সাঅলার এরকম করে কথা বলে না । বললাম আসাদগেট যাবো, যাবেন ।
রিক্সা অলা বলল ভাই আমি আস্তে চালামু জোরে চালাইতে পারুম না।
রিক্সায় উঠেই বুঝলাম ইনি নতুন চালায় । যারা নিয়মিত রিক্সা চালায় তাদের পায়ের পেশি অত্যাধিক শক্ত থাকে । দুবার এক্সিডেন্ট করতে করতে বেচে গেল।

শেষে বাধ্য হয়ে বললাম ভাই আপনি আস্তে চালান । জোরে চালানো লাগবে না ।
কিছু ক্ষন চুপ করে থেকে রিক্সাঅলা বলে ভাই । আমি লিবিয়া থেকে আসছি ১১ দিন । সারে চার লাখ টাকা খরচ করে লিবিয়া গেছি । যুদ্ধের কারনে ফিরা আইতে হইল । কিছু না পায়া এখন রিক্সা চালাইছি । খুব কষ্ট হইতাছে।

শুনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। লোকটা ইন্টার পাশ । একটা ফার্মে জব করত । সেখানে তার বদলে লোক নেওয়া হয়েছে।

হায় রে আমাদের দেশ।

Read more ...

Monday, September 19, 2011

জামাত-শিবিরের চরিত্র, ফুলের মত পবিত্র!!!

আজ বিকেল চারটার কিছু আগে জামায়াত যুদ্ধাপরাধীর অভিযোগে অভিযুক্তদের মুক্তির দাবীতে রাজধানীর কাকরাইলের মোড়ে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় মিছিল বের করে। মিছিলে কিছু উস্কানী মুলক শ্লোগান ও রাস্তায় জানজট সৃষ্টি হওয়ার কারনে পুলিশ বাধা দেয়। আর যেহেতু সময়টা ছিল অফিস শেষ করে বাড়ী ফেরা আগ মূহুর্ত। আর ঠিক সেই সময় তারা রাজধানীর ঐ ব্যস্ততম সড়কটিতে মিছিল বের করে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের বাধা দেয়াটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু তার জবাব তারা কিভাবে দিয়েছে একটু দেখুন:

এদের শরীরে বইছে জেহাদী রক্ত। এদের শপথ বাংলার জমিন হতে কাফের-মুশরিকদের বিতারিত করতেই হবে !!! জালিম হাসিনা সরকার ও তার দোসর, সমর্থক তথা স্বাধীনতার পক্ষ বলে যারা পরিচয় দেন, তারা ভারতীয় দালাল। তাই সবাইকে এই পবিত্র বাংলার জমিন ছাড়তে হবে। এদেশ আবার পাকিস্তান হবে। পাক-সাফ হবে। পুত-পবিত্র হবে !!!!

বিস্তারিত দেখুন: মানবজমিন এবং প্রথম আলো


Read more ...

পবিত্র হজ্ব ব্যবসা না তামাসা

প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য হজ্ব আদায় করা একটি ফরজ কাজ। সামর্থ থাকুক বা না থাকুক সবাই- চায় হজ্ব করতে। ইসলামে অবশ্য করণীয় হুকুম আহকামের মধ্যে হজ্ব চতৃর্থ। জীবনকে সঠিকভাবে চালাতে ও মন-মানসিকতাকে পরকালের জন্য তৈরী করতে পবিত্র হজ্ব খুবই গুরুত্ব বহন করে। মন ও জীবনকে পাপ ও পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত বিরতে রাখতে হজ্বের সফর বিরাট ভুমিকা রাখে। আমাদের কাছে হজ্ব যতটুকু গুরুত্ব বহন করে তেমনি আমাদের প্রতিপালক মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছেও হজ্ব অতীব মর্যাদা রাখে। ত্যাগ তিতিক্ষার এক সুমহান নিদর্শন পবিত্র হজ্ব। হজ্বের অভিধানিক অর্থ ঈমান আল গাযজ্বালী (রাঃ)’র মতে নিয়্যাত করে কোথাও যাওয়া বা পূণ্য সংকল্পে ভ্রমণে যাওয়া। হজ্বের সফরকে তাই আল্লাহ সুবানাহু তায়ালা অতীব গুরুত্ব ও মর্যাদার সাথে তুলনা করেছেন। সহীহ হাদিসেও পাওয়া যায় মাহবুবে মাওলা সরদারে দু’জাহান হযরত মোহাম্মদ (সঃ) ও হজ্বের সফরে অত্যাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনিই তাঁর জীবনের শেষ হজ্বে মানব জাতির জন্য ময়দানে আরাফাতে এক অমূল্য বক্তব্য দিয়েছেন যা বিদায় হজ্বেও ভাষণ হিসেবে সর্বত্র সমাদৃত। এই মূল্যবান ভাষণের প্রতিটি শব্দ প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য শিক্ষণীয়। তাই বিশ্বের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মুসলিম নর-নারীরা চেষ্টা করে প্রতি বৎসর হজ্বে যাবার। যার কোন সামর্থ নেই হজ্বে যাবার সেও মাওলা সুবাহানাহু তায়ালার কাছে আকুতি জানায় যেন তিনি যেন মৃত্যুর আগে একটি বার তাঁকে পবিত্র হজ্বে যাবার তৈফিক দান করেন। অনেকের আকুতি মহান আল্লাহ তায়ালা শুনেন। হজ্জে যাবার সুপ্ত বাসনা মনে পোষণ করেন না এমন লোক পাওয়া দুষ্কর। আমার জানামতে এমনও লোক আছে যারা হজ্বে যাবার জন্য নিয়্যাত করে সঞ্চয় করে। সমগ্র জীবনের সঞ্জয়কৃত পুঁজি দিয়েও মৃত্যুর আগে একবার পবিত্র বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করতে চায়। হজ্বের সফর যে একেবারে সহজসাধ্য তা নয়। এই সফর কষ্টের এবং পরিশ্রমের হয়। অতীতে যাতায়াত করতে গিয়ে অনেকের সেই দূরত্বকে কমিয়ে দিয়েছে আকাশযান। বর্তমান যুগে আকাশ পথেই যাত্রা বা যাতায়াত করেন হাজীরা। অতীতের মত ব্যবস্থাপনাও নেই এখন। সৌদিআরবে হাজীদের জন্য সকল প্রকার সুবিধাবাদী বিদ্যামান। আগের চাইতে বর্তমান হাজীদের জন্য ব্যবস্থাপনা অভাব পরিলক্ষিত হয় না। বৎসরে একবারই অনুষ্ঠিত হয় বিধায় হাজী সাহেবদের ভীর হয় প্রচুর, তা সামল দিতে সৌদি সরকারকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। তাই সরকারের পক্ষ থেকে কিছু নিয়ম নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা অগ্রীম জানিয়ে দেওয়া হয়। প্রত্যেক দেশ থেকেই যাতে হাজীরা সুষ্ঠভাবে হজ্ব কার্য সম্পাদন করতে পারেন। প্রায় সকল দেশেই তাদের এম্বেসীর মাধ্যেমে সেই নিয়মনীতির আলোকে ভিসা প্রতান করা হয়। ইদানীং ভার বেশি হওয়াতে দেশে দেশে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কতজন লোক হজ্ব পালনে যেতে পারবে। দেশ ভেদ কিছুটা সংখ্যায় ব্যতিক্রম রয়েছে। এক দেশ থেকে অন্য দেশ, ভাষায় ভিন্নতা ও ভিন্ন পরিবেশে যাওয়া তাই একার দ্বারা বিছু করা সম্ভব হয় না। এ ছাড়াও বহুবিধ সমস্যা থাকায় সরকারীভাবেই ব্যবস্থাপনা করা হয়। সেই থেকে বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশ সরকার হাজীদের জন্য প্রত্যেক বছর এই উদ্যেগ নেয়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার বরাবরই ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতা বিগত কয়েক বছর বহুগুন বেড়েছে। চলিত বছরে তা চরম আকারে ধারণ করেছে। হাজীদের আবেগ অনুভুতি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল একের পর এক তামাশা করে যাচ্ছে। সেই সুযোগে আরো কিছু এজেন্ট হাজীদের সাথে প্রতারণামূলক ব্যবসা করছে। মানুষের ঈমানী ও সরল অনুভুতিকে পুঁচি করে পাবত্র হজ্বকে নিয়ে তামাশা, ব্যবসা করার অধিকার কেউ দেয়নি সরকার কিংবা সরকার অনুমোদিত এজন্সীগুলোকে। হাজী ক্যাম্পে হাজীদের অবর্ণনীয় কষ্ট ও অব্যবস্থাপনার দরুণ আজ অনেকেই অতিষ্ঠ। এমনকি হাজী ক্যাম্পে হজ্ব যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। এতে করে গোটা দেশেল ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছে। বিশ্বেও মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে অন্যতম মুসলিম দেশ, সেখানে হজ্ব নিয়ে ব্যবসা ও তামাসা অনাকাঙ্খিত ও বেনাদায়ক। যেখানে হাজীদের সবাই মিলে সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও সাহায্য করা প্রয়োজন সেখানে ব্যর্থতা প্রতারণা, ব্যবসা ও তাদের অনুভুতি নিয়ে তামাশা করা কি উচিত? যতি তা না হয়, তা হলে কেন বারবার হাজীদের নিয়ে একই গছনার পুণরাবৃত্তি হয়। আমাদের আশেপাশের অমুসলিম দেশগুলো হজ্ব ব্যবস্থাপনা সম্পাদন করে মর্যাদা ও গুরুত্বের সহিত। আমাদের দেশ মুসলিম দেশ, হবার পরেও কেন এত ব্যর্থতা দেখায়, তা মোটেই বোধগম্য নয়। চলতি বছরে হজ্ব ব্যবস্থাপনায় সরকারকে সহায়তা করতে অনেক অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান সাহায্যোর হাত সম্প্রসারিত করার পরেও সরকারের সম্মতি মিলেনি বলে অবাক হয়েছি। এই অবস্থা অব্যহত থাকলে বাংলাদেশ থেকে আগামীতে হজ্বে যাবার জন্য অনেকেই সাহস করবে না হয়তো। সময় থাকতে হজ্বের ব্যাপারে সুষ্ঠ উদ্যেগ নেয়া প্রয়োজন মনে করছি এবং সেই উদ্যেগে যেন ব্যবসায়িক কোন ফন্দি না থাকে। ঈমানী দায়িত্ব সঠিকভাবে সম্পাদন করলে আল্লাহ’র সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। হজ্বের ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব পালন ঈমানী দায়িত্বের অন্তর্ভূক্ত বলে মনে করি সাথে সাথে সকল এজেন্টের প্রতিও নজর দেওয়া প্রয়োজন। ট্রেভেল এজেন্টদের ব্যবসায়িক নীতির জন্যও অনেক সময় বিপত্তি দেখা যায়। ট্রেভেল এজেন্টদের খামখেয়ালীর দরুণ এবারে ব্রিটেনেও হাজীরা কষ্টের সম্মুখীন হয়েছেন। গত বছরেও ভিসা জটিলতায় ব্রিটেন থেকে অনেকই হজ্বে যেতে পারেন নাই। অবশ্য ব্রিটেন সরকার কোন উদ্যেগ নেয় না, যা করার অুমোদিত ট্রেভেল এজন্টরাই করে। তাই অনেক এজেন্টই হাজীদের নিয়ে প্রতারণা করে। পবিত্র হজ্ব একটি ধর্মীয় বিধান এবং তা অবশ্যই করণীয় সামর্থবানদের জন্য। অনেকের জন্য হজ্ব খুবই গুরুত্বও রাখে। স্বয়ং রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরআনে সম্পূর্ণ একটি সুরা নাযিল করেছেন এবং সূরা হজ্ব নাম দিয়ে এই হজ্ব অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও গুরুত্ব মুসলমান নর-নারীদেও কাছে আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। সুতরাং পবিত্র হজ্বকে নিয়ে নিয়ে ব্যবসা-তামাশা করা উচিত নয়। এবারের হজ্ব যাত্রীদেও প্রতি আমি সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আল্লাহ সুবাহানাহু তায়ালা যেন সবাইকে সুষ্ঠভাবে হজ্ব সম্পাদন ও হজ্ব করার তাওফিক দেন।

Read more ...

Saturday, September 17, 2011

বিয়ে মানে কি পরাধীনতা? নাকি সু-সৃঙখল জীবন ?



জন্মগত ভাবে মানুষ সঙগ প্রিয় । বাবা-মা, ভাই-বোন, বন্ধু-বান্ধব, ও আত্বীয়-স্বজন সকলে নিয়েই মানুষের সামাজিক জীবন । আর এই সামাজিক জীবন কে পরিপূর্ণ ও সার্থক করতে প্রয়োজন বিবাহ । বিবাহ একটি পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনগত বৈধ বন্ধন । কিন্তু বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলী দেখে, শুনে ও শিক্ষা নিয়ে আজ অনেকেই বিয়ে করতে ভয় পায় । অনেকে বলছে-পরাধীনতা, একই বেড়াজালে জীবনযাপন, এক ঘেয়েমিতা । আমি এসবের সাথে মোটেও একমত নই । আমি বলি, বিয়ে মানে সু-সৃঙখল জীবনযাপনের মাধ্যমে নতুন কিছু সৃষ্টি, স্বপ্ন পূরন । বিয়ে মানে পারস্পারিক ভালোবাসা, দায়িত্ব, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, সম্মান, ও মূল্যায়ন। তবুও মানুষের মন বড় অস্থির । আমাদের কাছে মোবাইল আসার পর সেটা বুঝতে পারি একজন ছেড়ে দেই আরেক জন কে খুজে নিতে বেশি দিন সময় লাগছে না। বেড়েছে মিথ্যা বলার প্রবনতা । একজন অনেকের সাথে একসাথে সম্পর্ক বজায় রাখছে । স্বামী-স্ত্রী মাঝে মোবাইল সন্দেহ বাড়ছে কলহ । ভাংছে সংসার । অনেকের মতে; কেউ বলছে বিবাহ হল দিল্লিকা লাড্ডু, খাইলেও পস্তাই না খাইলেও পস্তাই। আবার কার মতে, পূরুষ মানুষের দুই রুপ; জীবিত আর মৃত। এগুলো ভয়, অশান্ত ও অসুখী জীবনের ছাপ ছাড়া কিছু না। তাই বলে কি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে না? মানসিক ও দৈহিক চাহিদা উপেক্ষা করা কঠিন । তবে বিয়েতে ভয় কিসের ?

বিয়ের পূর্বে করণীয়ঃ
মিল-অমিলঃ আমাদের সামাজিক জীবনে আজ মানুষ বড়ই অস্থির জীবনযাপন করছে । মানুষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছে কিন্তু বিয়ে পরবর্তী জীবনে পারস্পারিক বোঝাপড়া ও মিলের অভাবে চলছে টানা পোড়া । আগে নিজেকে ভালভাবে জানতে হবে। অতঃপর বিবাহের পূর্বে দুজনের উচিত পারস্পারিক মানসিকতা, বুঝাপড়া, চাওয়া-পাওয়া, স্বপ্ন, আর্থিক আবস্থান, সৌন্দর্য্য, ইমান-আমল, জীবন দর্শন ও মূল্যবোধের মিল-অমিল দেখে নেওয়া । দুজনের স্বপ্ন ও জীবন গন্তব্য যদি এক হয়ে সেক্ষেত্রে জীবন চলা অতি সহজ হয়। তবে আমার মনে হয় বিয়ে পরবর্তী জীবনে আর গরমিলের জন্য পারিবারিক জীবনে কোন অশান্তির সৃষ্টি হবে না ।

বিয়ে পরবর্তী জীবনঃ
পরিবর্তনশীলতাঃ
জীবনের একঘেয়েমিতা দূর করতে বিয়ে পরবর্তী জীবনে দুজনেরই উচিত নতুনত্ব খুজে নেওয়া, সব সময় নতুনভাবে পরস্পরকে উপস্থাপন করা যেন বিয়ে পরবর্তী জীবনে এক ঘেয়েমিতা না আসে ।

ভালোবাসা, দায়িত্ব, বিশ্বাস ও মূল্যায়নঃ
বিয়ে মানুষ কে দায়িত্বশীলতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়। বিয়ে বজায় থাকে বিশ্বাসের উপর । অনেক বড় দায়িত্বও । তাই লক্ষ্য রাখা উচিত দুজনের মধ্যে যেন বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সম্মান ও মূল্যায়নের কোন ঘাটতি না থাকে । সন্দেহ করা বা একজন আরেক জন কে ছোট করা বা ছোট হয়ে যায় এমন কাজ করা উচিত নয় ।

যত্নশীলতাঃ
দুজন দুজনের ভালোবাসার প্রতি যত্নশীল ও শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত । সকল কাজে সহযোগীতা করা উচিত। শত ব্যস্ততার মাঝেও ভালোবাসার মানুষকে সময় দেওয়া । ভালোবাসার অনেক বেশি যত্ন নেওয়া উচিত যেমন-সকালে দুজনে একসাথে হাটতে বের হওয়া, কোথাও ঘুরতে যাওয়া, বিশেষ বিশেষ দিনে উপহার দেওয়া ইত্যাদি ।

ধর্ম বিশ্বাস ও আমলঃ
মানুষের মন বড়ই অস্থির । যেখানে শান্তি ও সুখ মিলে সেখানে ছুটে চলে যায় । একমাত্র ধর্ম বিশ্বাস ও আমল মানসিক অস্থিরতা দূর করতে পারে এবং নানাবিধ সমাস্যা থেকে দূরে থাকা যায়, জীবন সুন্দর ও সামাজিক হয় । সেজন্য ধর্ম বিশ্বাস ও আমল করা উচিত যা পরবর্তী জীবনে সুখ, শান্তি ও সার্থক জীবন দান করতে পারে ।

আমি অবিবাহিত । বিবাহ বন্ধনের প্রতি আমার সবসময় সম্মান ও শ্রদ্ধা ছিল, এবং আছে । বিয়ে বলতে সু-সৃঙখল জীবনযাপনের মাধ্যমে নতুন কিছু সৃষ্টি, স্বপ্ন পূরন,পারস্পারিক ভালোবাসা, দায়িত্ব, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, সম্মান, ও মূল্যায়ন। এটাই বুঝি । আর আপনি কি মনে করেন ?

Read more ...

একটি খবর: জাতির কাছে আমার প্রশ্ন

"স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির বলেছেন, ‘ধর্মমতে মুসলমানদের কোনো অকালমৃত্যু নেই। তারেক (চলচ্চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদ) ও মিশুক (সাংবাদিক মিশুক মুনীর) তাদের জন্য নির্ধারিত সময়েই মারা গেছে। তাদের জন্য দুঃখ লাগতে পারে। তবে এটাই বাস্তব।’
গতকাল রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে ‘বাংলাদেশে জনসংখ্যানীতি যুগোপযোগীকরণ জাতীয় কর্মশালা’য় মজিবুর রহমান ফকির এসব কথা বলেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এই কর্মশালার আয়োজন করে। তিনি বলেন, মা-বাবা শিক্ষিত হলে সন্তান বেশি হলে সমস্যা নেই। তিনি তাঁর মা-বাবার নবম সন্তান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও তাঁর মা-বাবার নবম সন্তান ছিলেন। কিন্তু এসব পরিবারে কোনো সমস্যা হয়নি।"

এই খবরটা প্রথম আলো থেকে নেয়া।

লিংকটা এখানে

আপনারা বলুন, তবে বঙ্গবন্ধুর হত্যা নিয়ে এতো কথা কেন?? তার মৃত্যুও কি ঠিক সময়েই হয়নি? তাহলে, ইসলাম মতে, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা তো আজরাইলের কাজটা করে দিয়েছে।

রবীন্দ্রনাথের কথাই ঠিক-'যেখানে গুনীর কদর হয়না, সেখানে গুনী জন্মায় না।'

আমার ঘৃণা হয়, এমন অপরাজনীতিবীদরা আমার দেশ চালায় বলে।

Read more ...

প্যারিসের রাস্তায় এবার নামাজ নিষিদ্ধ।

সর্বপ্রথম হিজাব নিষিদ্ধ হয়েছিলো এই প্যারিসেই।এর পথ ধরে আরো কয়েকটি দেশে হিজাব নিষিদ্ধ হয়েছে।হিজাবের অনেক অপব্যাবহার হয়েছে এর ফলেই এই নিষেধাজ্ঞা দিতে তারা বাধ্য হয়েছিলো।এবং মুছলিমরা মেনেও নিয়েছিলো।কিন্তু রাস্তয় নামাজ সর্বদা সর্বত্র হয় না।রস্তায় নামাজ হয় সম্ভবত ঈদের দিনেই।বছরের দুদিনে এই নামাজ পড়ার নিষেধাজ্ঞা কতটুকু যুক্তিযুক্ত? প্রথমআলো দেখুন
যদিও আমাদের উচিত রাস্তায় নামাজ না পড়ে কোন উন্মুক্ত স্হান বা পার্কে এই ব্যাবস্হা করা উচিত ।
আমি ব্যাক্তিগতভাবে মনে করি বিধর্মীদের দেশে বিধর্মীদের বিরক্ত না করাই উত্তম।প্রয়োজনে নিজ ধর্মের কমিউনিটির সহায়তায় মসজিদ তৈরি করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।

Read more ...

আজমল হাসপাতালঃ শহরের সেরা কসাইখানা

স্বপ্নের শহর ঢাকা,তবে স্বপ্ন না বলে দুঃস্বপ্ন বললেও বুঝি খুব একটা ভুল হবে না। কারণ সহজ, আমরা এমন একটি জায়গায় থাকি যেখানে জীবনের কোন নিশ্চয়তা নেই। আমরা ঢাকা কমার্স কলেজের প্রাক্তন ছাত্র, আজকে যখন শুনলাম যে আমাদের বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা তৃষ্ণা গাঙ্গুলি ম্যাম আমাদের মাঝে নেই, আমরা স্বাভাবিক ভাবেই স্তম্ভিত হয়েছি। জীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতি তে নিজেকে শক্ত রেখেছি, কিন্তু ম্যাম এর মৃতদেহ দেখে কিছুতেই নিজের চোখের পানি আটকাতে পারিনি। স্তম্ভিত ত আমরা হয়েছিলাম ই, কিন্তু তখন বুঝিনি যে আমাদের স্তম্ভিত হওয়া মাত্র শুরু। আমরা জানতে পারলাম, ঢাকায় আজমল নামের এক হাসপাতাল রয়েছে। ওখানে ম্যাম এর এ অবস্থা হয়েছে। আর জানলাম মৃত্যুর কারণ বাচ্চা সিজার হওয়ার পর রক্ত শুন্যতা। ঢাকার মত একটা শহর, যেটাকে নাকি বলা হয় মেগাসিটি, সেখানে একটা মানুষ সিজার এর মত সিম্পল অপারেশন এ মারা যায় কিভাবে তা মাথাতে এলো না। অপারেশন এর আগে প্রয়োজনিয় রক্তের জোগান রাখা একটী মৌলিক কাজ, সেটাও কি তারা জানেন না? আরও শুনলাম তাদের ডিজিটাল এক্সরে যন্ত্র নেই এমন কি জ়রুরী বিভাগ অর্থাত আই.সি.ইউ ও নেই! ওখানে নাকি আগেও এভাবে অনেক রোগি মারা গেছেন। ডাক্তার রা কি বোঝেন না যে তাদের গাফিলতির জন্য আমাদের কত আপনজন কে আমরা হারাচ্ছি? আজ তৃষ্ণা গাঙ্গুলি ম্যাম মারা যান নি তাকে হত্যা করা হয়েছে। ডাক্তার দের বলছি আপনারা কসাই নন, যে টাকায় বেতন পান ওই টাকা আমাদের ই। আমরা বাচতে ওই টাকা দিয়েছি মরতে নয়। আজকে আজমল হাসপাতাল আমরা ধুলোয় মিশিয়েছি, এতে করেই বুঝে নেবেন কোন কিছুতে সহজে পার পাওয়া এত সহজ নয়।

Read more ...

Friday, September 16, 2011

হুমায়ুন আহমেদ কে কি দেখতে যাবেন শিলা আহমেদ !

সৃষ্টিকর্তা তার মঙ্গল করুক।
তিনি হুমায়ুন আহমেদ।
দেশের কৃতি লেখক।
তার প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন আহমেদ।
মেয়ে - শিলা আহমেদ, বিপাশা আহমেদ, পুত্র নুহাশ আহমেদ।

তার দ্বিতীয় স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন, হুমায়ুনের মেয়ে শিলা আহমেদের
ঘনিষ্ট বান্ধবী।
শিলা , শাওন কে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন হুমায়ুনের সাথে।
বলেছিলেন - বাবা , শাওন নাটকে অভিনয় করতে চায়।

সেই শুরু ........

শাওন কালনাগিনী হয়ে ছোবল দেয় গুলতেকিন, শিলা, বিপাশা , নুহাশ কে।

এর পরের ঘটনা সবার জানা - দেখা।

হুমায়ুন আহমেদ এখন জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা নিচ্ছেন
নিউইয়র্কে।
আর শিলা আহমেদ থাকেন সেই আমেরিকারই আরেক শহরে। আটলান্টায়।

শিলা কি হুমায়ুন কে দেখতে যাবেন ?

কিংবা নুহাশ কি নেবেন পিতার খোঁজ খবর ??


Read more ...

Thursday, September 15, 2011

পারিবারিক অশান্তি, কিছু বাস্তবতা ও ফ্যাক্ট

প্রাচীনকালে পরিবারগুলোর ভেতরে শান্তি কতটা ছিল জানি না তবে আমাদের নানা-নানু, দাদা-দাদি এবং বাবা-মা, খালা-খালুদের ভেতরে যে বাঁধনটা এখনো দেখতে পাই এখনকার বেশিরভাগ কাপলদের ভেতরে তার দশ শতাংশও দেখতে পাই না। এর কারণ কী কেউ কখনো ভেবে দেখেছেন? এর জন্য কেউ দায়ী করেন পরিবর্তনশীল সমাজকে, কেউ সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে। এই উভয় শ্রেণীই বিষয়টাকে খুব সীমিত দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করে থাকেন। যাহোক, আমি আমার কিছু পর্যবেক্ষন ও চিন্তাভাবনা তুলে ধরি। আলোচনা হতে পারে...

১) সম্পর্ক এমন একটা জিনিস যা তৃতীয় ব্যক্তির পক্ষে কখনো পুরোপুরি বোঝা সম্ভব না, তাই সম্পর্কের মাঝে তৃতীয় ব্যক্তির পরামর্শ বা হস্তক্ষেপ সব সময়ই খারাপ ফল বয়ে আনে।
২) সমস্যা যতটা নিজেদের ভেতরে রাখা যায় তত সহজে এবং সুন্দর ভাবে সেটার সমাধান হয়ে যায়।
৩) অনেকই পুরুষই জানে না সে কেন বিবাহ করছে বা জানলেও ভুল ভাবে জানে, তাদেরকে আগে বুঝতে হবে কেন সে বিয়ে করবে। অনেক মেয়েরও পুরুষদের সম্পর্কে স্টেরিওটাইপ কিছু ধারণা আছে যা সুন্দর একটা সম্পর্ক নির্মাণের জন্য বাঁধা স্বরুপ। এদের উভয়কেই বিষয়গুলো নিয়ে গভীর ভাবে ভাবতে হবে, জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে।
৪) বউ কোন সাপোর্ট টুল না বরং হিউম্যান অপারেটিং সিস্টেমের একটা মেজর আপডেট, এই ফ্যাক্টটা ছেলেদের এবং তাদের মা'দের মাথায় রাখা জরুরি।
৫) জামাই কোন বারোমাসি শস্যক্ষেত্র না। এটা বউদের এবং তার দিকের আত্মীয়দের মাথায় রাখা জরুরি।
৬) নারীদের উপরে পুরুষদের চাইতে অন্য নারীরাই বেশি নির্যাতন করে থাকে, পুরুষদের উচিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা।
৭) আমাদের বেশিরভাগ মা'য়েরা নিজের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির যে কাজগুলোর সমালোচনা করতে ছাড়ে না সেই কাজগুলো নিজের বউদের সাথে করতে একটুও কার্পন্যবোধ করে না। তাদের সামাজিক কাউন্সিলিং প্রয়োজন।
৮) অনেক মেয়ে আছে যারা শশুড়বাড়ির সকল কথা ও বিষয় নিজের বাড়িতে বা অন্য লোকের সাথে শেয়ার করে এবং পরামর্শ গ্রহণ করে সে অনুযায়ী কাজ করতে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে নিয়ে যায়। এদের জানা থাকা উচিত বাইরে থেকে একটা ফ্যামিলির কাজকর্ম যথাযথ মূল্যায়ণ কোনদিনও সম্ভব না সুতরাং পরামর্শ ভুল হতে বাধ্য যা তাদের জীবনকেই দূর্বিষহ করে ফেলে।
৯) অনেক শাশুড়ি আছেন যারা তাদের বউদের নামে পরিবারের বাইরের কোন সদস্যের কাছে ক্রমাগত নালিশ করতে থাকেন। এরা বোঝেন না ঐ ব্যক্তি বা পরিবার কোনদিনও তার জন্য টানা একমাসও কিছু করবে না, করলে বউ-ই করে যাবে পুরো জীবন। এদের হেদায়াত জরুরি।
১০) আমাদের দেশের মেয়েদের জন্য কিছু কাজের ব্যবস্থা করা জরুরি যাতে এরা অলস থাকতে না পারে। বেশিরভাগ পারিবারিক সমস্যার মূল কেন্দ্র এই অলস অলস নারীগোষ্ঠী।
১১) আমার পর্যবেক্ষন বলে, টিভি সিরিয়াল যে ফ্যামিলিতি যত জনপ্রিয় সেখানে অশান্তি তত বেশি। ছেলেদের উচিত বিয়ে করার আগে কৌশলে মেয়ে সিরিয়াল পছন্দ করে কিনা ও তার ফ্যামিলিতে সিরিয়াল কতটা জনপ্রিয় জেনে নেওয়া। সিরিয়াল ভক্ত মেয়ে বা ফ্যামিলিগুলো বাদ দিয়ে সম্পকর্ গড়লে সমসাময়িক অনেকগুলো সমস্যা/ক্যাচাল থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব (নিতান্তই ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষন ও মতামত এটা)।

আরো অনেক ফ্যাক্ট ও বাস্তবতা আছে এবং থাকতে পারে যেগুলো মাথায় রাখা জরুরি। সময় স্বল্পতা কারণে ও ব্লগের স্বল্প পরিসরে সেগুলো সব তুলে ধরা গেল না বা অনেক ফ্যাক্ট আমার নিজেরও জানা নাই। যারা এসব নিয়ে ভাবেন তাদের ভাবনা শেয়ার করলে ও আলোচনা করলে এই বিষয়গুলো আরো পরিষ্কার হতে পারে। যাই হোক, আমার একটা ব্যক্তিগত ভাবনা দিয়ে শেষ করছি, আমি বিশ্বাস করি- 'পৃথিবীর কোন মানুষই খারাপ না, বেশিরভাগ মানুষ অনেক কাজ ভাল ও সঠিক মনে করে করে কিন্তু অন্যের কাছে সেটা খারাপ। এটাকে আমরা কনসেপচ্যুয়াল এরর বলতে পারি। একটু সময় নিয়ে ও উদার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে খতিয়ে দেখলে অনেক সমস্যাই সমাধান করা খুব সহজ হয়ে যায়। এটা সকলের জন্যই প্রযোজ্য।

Read more ...

আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ থেকে ছাত্র রাজনীতি তুলে দেয়া উচিত?

দয়া করে লিংক এ গিয়ে ভোট দিন।
লিংক: Click Link


Read more ...

আমরা কি আসলেই স্বাধীন ????

মানুষকে চিহ্নিত করার একটা উপায়, সেটা হলো তার মানসিকতা। সেটাকে সে অনেক ভাবে নিয়ে যেতে পারে। আমরা শিক্ষা দিকে ধাবিত হচ্ছি। বিশেষ করে নারী শিক্ষা নিয়ে আমাদের দেশে যেভাবে প্রচারণা চলে সব জায়গায়। তাতে নারী স্কুল কলেজে যাওয়ার হার বেড়েছে। বেড়েছে নারীদের উচ্চ-শিক্ষার হারও। আমরা এতে খুশি না হয়ে পারি না।
কিন্তু যখন দেখি আমাদের দেশের উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা নারীরা এখনো সমাজে নির্যাতিত হচ্ছে পরিবার দ্বারা। তাতে আমাদের নারী শিক্ষা নিয়ে সংঙ্কিত হওয়া ছাড়া উপায় দেখি না।

তেমনি একজন মেয়ে যার নাম আরেফা পারভিন। সে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও ২০০৭ সালে মাস্টার্স পাশ করে। তার পরিবারের কথা ছিল মেয়ে পড়ালেখা শেষ করবে এবং তার বিয়ে দেওয়া হবে। চাকরী করা লাগবে না। এই মেয়ের পরিবার চাকরী বিরোধী এবং মেয়েদের স্বাধীনভাবে চলা-চল বিরোধী।
সে পরিবারের কথা অমান্য করে ঢাকায় থেকে পড়াশুনার পর একটা চাকুরী যোগা করে ২০১০ সালে জুন এর দিকে “আকসা ফুড ইন্ডাস্ট্রিতে’’ পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসাবে। এর পর সে বাড়ি যায় পরবর্তী ঈদ পালন করতে। কিন্ত আর সহসা ফিরে আসতে পারে না, তার পরিবারের চাপে। ফলে তার চাকুরী আর থাকে না। এর পর আবার সে কিছুদিন পর পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আসে যে সে একটা চাকুরী যোগার করে সে স্বাধীনভাবে থাকবে এবং নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে। এইটাই স্বাভাবিক এক জন স্বাধীনচেতা মানূষের।

কিছুদিন পর পঞ্চগড় থেকে ঢাকায় আসে যে সে একটা চাকুরী যোগার করে সে স্বাধীনভাবে থাকবে এবং নিজের পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে। তাই এই বছর জানুয়ারীতে জাইয়ান্ট গ্রুপের গ্লোবাল সাপ্লাই লিমিটেড এ তার বন্ধুদের দ্বারা একটা চাকুরী খুজে নেয়। সেখানে থাকা অবস্থায় তার মায়ের চাপাচাপিতে গত মার্চমাসে সে বাড়ি যায়, কিন্তু সেই বার পঞ্চগড় গেলে তাকে আর আসতে দেওয়া হয় না এবং তাকে আটকিয়ে রাখা হয় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। ফলে তার চাকুরীর আবার হ্যাম্পার হয়। যখন সে ফিরে আসে সে আবার তার অফিসে রিকোয়েস্ট করে চাকরীটা পূর্ণ বহাল রাখে।

এই সমস্ত পরিবারের চাপাচাপিতে সে এইবার ঈদে বাড়ি যেতে অনিচ্ছা প্রকাশ করে এবং বাড়িতে সে যায় না এবং তার পরিবারে জানায় সে তার পছন্দীয় একজনকে বিয়ে করেছে। পরিবার থেকে তেমন কিছু না বললেও ঈদের দুই দিন পর অথাৎ ৪-০৯-২০১১ তার ভাই তার হোস্টেলে ৩৩/১০ ব্লক – সি, তাজমহল রোড, মোহাম্মদপুর –এ এসে সকাল নয়টায় নাস্তা খাওয়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাকে মাইক্রো করে পঞ্চগড়, গ্রামঃ পুরাতন পঞ্চগড়। পোস্টঃ ধাক্কামারা, থানা ও জেলাঃ পঞ্চগড় এর বাসায় নিয়ে যায়।
এর পর তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে করা নিয়ে শারীরিক মানসিক টর্চার করা শুরু করে। সে যাকে বিয়ে করে সে মুসলিম ধর্মের না হওয়ায় তার উপর সেই এলাকার মসজিদ কমিটি মিটিং করে এই মেয়েকে দোর্‌রা মারা ও ইঞ্জেকশন দিয়ে মারার কথা লোক মুখে শোনা যায় যা সে তার আইনত স্বামীকে মোবাইল ফোনে বলে যে তাকে এই ভাবে মেরে ফেলবে।
আমাদের এই সমাজ নারীদের এখনো নিরাপত্তা দিতে পারেনা, পারে না শিক্ষা-দিক্ষা গ্রহণ করার পরও। নারীরা কবে এই সমাজের অংশ হবে, কবে তারা নিজেদের দ্বায়িত্ব নিজেরাই নিতে পারবে? আমাদের ভবিষত এর দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া আর কোন কি উপায় আছে????

Read more ...

Wednesday, September 14, 2011

আপনার দৃষ্টিতে কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা রাখে অথবা কার হাতে আমরা নিরাপদ ??

স্বাধীনতা প্রায় ৪০ বছর পাড়ি দিয়েও আমরা কাঙ্কিত দেশ পায়নি । অসভ্য, ভোগী শাসকদের কাছে জিন্মী হয়ে আছি আমরা ।
আমাদের দেশে এখনো প্রচুর অন্ধ মানুষ কেউ মুজিব কে দেখে আম্বালীগের সন্ত্রাসী কাজের অন্ধ ভক্ত, কেউ জিয়াকে দেখে দুর্নীতি প্রশ্রয় দিচ্ছে আর অনেকে ধর্ম আছে তাই ধর্ম ব্যবসাকে সমর্থন দিচ্ছে । আর অনেকে রাজনীতির পরিবর্তন খুজঁছেন । খুজেঁ বেড়াচ্ছেন নতুন নেতৃত্ব যেখানে ব্যক্তি অপেক্ষা দল বড় আর দল অপেক্ষা দেশ বড় হবে । আসলে এমন কেউ কি আছে আমাদের দেশে যে/যারা ক্ষমতার লড়ায়ে ঠিকতে পারবে আর পারলে দেশের জন্য লড়ে যাবে । আপনার মতে কে বর্তমানে এই দেশের প্রধানমন্ত্রীর যোগ্যতা রাখে অথবা কার হাতে আমাদের এই জন্মভূমি নিরাপদ ???

১। রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান
২। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
৩। বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া
৪। ওয়াজেদ জয়
৫। তারেক রহমান
৬। সাবেক রাষ্ট্রপতি হোসাইন মোঃ এরশাদ
৭। মতিউর রহমান নিজামী
৮। কর্ণেল অলি আহমেদ
৯।মুফতি ফজলুল হক (ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান )
১০। ডক্টর মোহাম্মাদ ইউনুছ
১১। আতিউর রহমান (গর্ভনর,বাংলাদেশ ব্যাংক)
১২। জেনারেল আব্দুল মুবীন (সেনাবাহিনী প্রধান)
১৩। এয়ার মার্শাল এস এম জিয়াউর রহমান (বিমান বাহিনী প্রধান )
১৪। মোঃ গোলাম রহমান ( চেয়ারম্যান, দুদক )
১৫। ফখরুদ্দীন আহমেদ ( সাবেক প্রধান উপদেষ্টা )
১৬। মইনুল আহমেদ ( সাবেক সেনা প্রধান )
১৭। এম সাখাওয়াত হোসেন
১৮। বিচারপতি খায়েরুল হক
১৯। আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক ( উপাচার্য, ঢাবি )
২০। প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমদ ( সাবেক ভিসি ঢাবি ও বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী)
২১।ড. আকবর আলী খান (সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ)
২২। সুরন্জিত সেন গুপ্ত ( আওয়ামিলীগ)
২৩।মতিয়া চৌধুরী ( আওয়ামিলীগ)
২৪। সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ( বি এন পি )
২৫।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ( বি এন পি )
২৬। এম এ মান্নান ( বর্তমান স্বতন্ত্র)
২৭। আন্দারিত চৌধুরী (জাতীয় পার্টি)
২৮। সৈয়দ আমিরুজ্জামান (ওয়াকার্স পার্টি)
আর মনে পড়ছে না । পেলেন পছন্দের ব্যক্তি ?? না পেলে দয়া করে আপনার দৃষ্টিতে যিনি তার নাম উল্লেখ করুন ।

Read more ...

ছবির মেয়েটি কে? পারলে বলুন তো দেখি???

ছবির মেয়েটি কে? পারলে বলুন তো দেখি???



Read more ...

Tuesday, November 23, 2010

১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা বেচা কেনা

Powered By plug n play
১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা বেচা কেনা
গতকাল থেকেই সারাদেশে ১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা অধিক দামে বেচাকেনার গুজব ছড়িয়ে পরে।এর উৎসস্থল খুব সম্ভবত হবিগঞ্জ জেলা[১]।গুজব ছড়ায় যে কৃষিব্যাংক এই মুদ্রা প্রতিটি ১৫০ টাকায় কিনে নেবে। আরেকটি গুজব হল এই কয়েন নাকি গোল্ড-প্লেটিং করা।অবশ্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটা পরিস্কার করেই জানিয়ে দিয়েছে যে এটা শুধুই গুজব।সরকার থেকেও এ মুদ্রা বাজার থেকে তুলে নেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি।

আজ সারাদিন ১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিভিন্ন জায়গায় এই বেচা-কেনা চলেছে।কিন্তু এই মুদ্রা দিয়ে আসলে কী হবে তা উদঘাটন করা সম্ভব হয় নি।তবে কোথাও কোথাও এ মুদ্রার দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকাও উঠেছে।

তবে সরকারের পুলিশ আর RAB গুজব প্রচারণা আর মুদ্রা কেনা-বেচা দমনে মাঠে নেমেছে।দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এ পর্যন্ত ১০ জন গ্রেফতার হয়েছে[২]।কারো কাছে এ মুদ্রা অতিরিক্ত পেলেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে যেন আপনার কাছে থাকলেই হাজত-বাসে যেতে হবে!!
আল্লাহ ই জানে এক টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা দাম আসলে এ কি ডলার আর দাম কে হার মানায় কি না?
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...

Wednesday, March 10, 2010

লিভ টুগেদার in বাংলাদেশ !?

কিছু দিন আগে মানবজমিন পত্রিকায় এই news টা দেখে কিছুটা অবাক না হয়ে পারলামনা;কারনটা না হয় পরেই বলি....।

বিয়ে ছাড়া দাম্পত্য সম্পর্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে আগ্রহ বাড়ছে নগরীতে।
এই রোগে জারা ভুগছেন: এভাবে যারা জুটি গড়ছেন- তাদের মধ্যে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, চাকরিজীবী যেমন আছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর, ছাত্রছাত্রী, সাংস্কৃতিক জগতের অনেকেই রয়েছেন, রয়েছেন শিল্পী, সাহিত্যিকও।

Traditional ধারণা: কেবল অবিবাহিত নারী-পুরম্নষ লিভ টুগেদার করে...

নতুন রোগি: বিবাহিত পুরুষ স্ত্রী, সন্তান থাকার পরও এবং বিবাহিত নারী স্বামী থাকার পরও সম্পর্কের ভিন্ন মাত্রায় লিপ্ত হচ্ছেন।স্টুডেন্টদের মধ্যেও লিভ টুগেদার করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
Source of এই ভাইরাস: ফেস বুক ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের ক্ষেত্রেই তা বেশি হচ্ছে। এখন ফেস বুকে পার্টনার খুঁজে পাওয়া অনেক সহজ। সেখানে গিয়ে বন্ধুত্ব.....এখান থেকেই শুরু...

ভিন্ন মাত্রা: সূত্র জানায়, লিভ টুগেদারের ধরনও এখন পাল্টাচ্ছে। আগে দু’জন একসঙ্গে থাকতেন এবং তারা বাইরে অন্য সম্পর্ক রাখতেন না। এখন তারা একাধিক সম্পর্ক রাখছেন আবার লিভ টুগেদারও করছেন। যখন যাকে ভাল লাগছে তার সঙ্গে থাকেন।

Reasons:
•অনেকে অর্থের অভাবে ও বয়সের কারণে বিয়ে করতে না পেরে লিভ টুগেদার করছেন।
•অনেকে বিয়ে করতে চায় কিন্তু পারিবারিকভাবে করতে দেয়া হয়না তখন বাধ্য হয়েই লিভ টুগেদার করছে, e.g.ছাত্র-ছাত্রী.
•কারণ হিসেবে একাধিক নারী-পুরম্নষ জৈবিক ও মানসিক শান্তির কথা বলেছেন
•ভিন্ন ধর্মের নারী-পুরুষের মধ্যে ধর্মান্তরিত না হয়ে বিয়ে করতে সমাজে বাধা থাকায় তারা লিভ টুগেদার করছে।
•এখন মানুষ কোন ঝামেলায় জড়াতে চায় না। সাংসারিক জীবনে আবদ্ধ হয়ে নিজের ক্যারিয়ারও নষ্ট করতে চায় না। সেই সঙ্গে তারা চায় জীবনটাকে উপভোগ করতে।
•পুরুষরা ঝামেলা এড়াতেই মানসিক ও জৈবিক শান্তির জন্য ঝঞ্ঝাট নেই এমন সঙ্গী খুঁজছেন।

Result: মেয়েরাই প্রতারিত হচ্ছে বেশি এবং পরে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়ার পর হত্যা ও আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটছে।

বুদ্বিজীবি analysis:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, নারী-পুরুষের সম্মতিতেই তারা লিভ টুগেদারের মতো সম্পর্কে লিপ্ত হচ্ছে। লিভ টুগেদার করলে কারও উপর কারও কোন চাপ থাকে না। তাদের যতদিন ভাল লাগলো ততোদিন তারা একসঙ্গে থাকলো। ভাল না লাগলে থাকলো না। তিনি বলেন, লিভ টুগেদার অনেক বেড়ে গেছে। আগামীতে আরও বাড়বে। ১৫-২০ বছর পর এটি এমন এক পর্যায়ে যাবে এটা বিয়ে নামক সম্পর্কে ব্যাপক ধাক্কা দিবে।তিনি বলেন, লিভ টুগেদারকে আমি পজিটিভ হিসাবেই দেখি।
আমার analysis: গত সাড়ে তিন বছর যাবত লন্ডনে থাকার ফলে এ জাতীয় ঘটনা আমাকে এখন আর অবাক করেনা.....but one things I am worried about is
দেশে প্রতিদিনই গড়ে প্রায় ২৫ জন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বর্তমানে নারী নির্যাতন ও সহিংসতার হার অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ প্রকাশিত নারী নির্যাতন সংক্রানত্ম তথ্য অনুসারে, দেশে মেয়েদের উত্ত্যক্ত বা ইভটিজিংয়ের ঘটনায় ২০০৫ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যনত্ম আত্মহত্যা করেছেন ১৬৫৯ জন নারী। source:মানবজমিন
LONDON: শতকরা ৩০-৪০% স্কুল পড়ুয়া মেয়েরা (বয়স ১২-১৫ বছর)becoming pregnenent without married?

Read more ...

Sunday, March 7, 2010

আমাদের দেশের ইন্টারনেটের যা আবস্থা!!! এর কি কোন প্রতিকার নেই???

আমরা বাংলাদেশী আমরা সব সময় একটু বেশী চাই কিন্তু আমরা যেটা পাবো সেটা তো পাইই….. না!!! আর যেটা চাই সেটার তো কথাই ওঠে না। বুঝতে একটু বোধহয় কষ্ট হল? আসলে আমি বলতে চাচ্ছি বাংলাদেশের Internet Speed এর কথা। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ, কিন্তু এটাকে আরো উন্নয়ন করতে গেলে আমাদের Internet খাত কে উন্নত করতে হবে। আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে গেলে IT Section কে আরও উন্নত করতে হবে। আর IT Section এর মেরুদণ্ড হল এই Internet। তো যাই হোক নিজের দেশের বদনাম করে তো আর লাভ নাই! আসুন বিষয়টা তে ফিরে আসি। আমাদের দেশের Internet Service Provider যারা এবং তাদের অবস্থা টা একটু মনযোগ লক্ষ্য করি-

High Speed Broadband: আমার বাড়ি খুলনাতে তাই খুলনার কথাটা আগে তুলে ধরলাম। আমাদের খুলনার ISP হল AKIZ Online, Khulna.Net, Radio Link এই ৩ উলুবনের খাটাশ রাজাদের speed হল ২০-৪০(কে.বে.পি.এস)। এখানেই শেষ না আরও আছে! আপনি এদের যে কোন একটা নিয়ে দেখুন ১ম ৬/৭ দিন খুব ভাল service দেবে। তারপর! আপনার speed ঐ ওরা একদম কমিয়ে দেবে। তখন আপনি ১০(কে.বে.পি.এস) ও পাবেন না। আমার কয়েকটা বন্ধু বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় থাকে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে ঐ একই কথা।

Wi-Max: এটা নতুন নতুন এসে যে ভাবটা দেখাল তাতে মনে হল যাক বাবা এবার বোধহয় একটু বাচাগেল। কিন্তু না এটা হল কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা! Wi-Max এর rate per month হল ৩৫০০-৫০০০টাকা। হ্যা এটা ঠিক যে এটাতে একটু ভাল speed পাওয়া যায়। কিন্তু rate??? এটা তো আমাদের মত লোকদের সাধ্যের বাইরে।

Grameen Phone: “গ্রামীনফোন কাছে থাকুন” এই dialog টির সাথে আমরা সবাই পরিচিত। এই company ও দিচ্ছে internet সেবা। Share IP যা দিয়ে আমাদের তেমন লাভ নেই। এই রক্তচোষা Company এর ও কিছু internet package আছে এগুলো হল-
P1= No Use No Pay (per kilobyte .02 paisa)
P2= Unlimited for one month (24hours) 977 with vat.
P3= Unlimited for one month (8hours) 348 with vat.
P4= Unlimited for one day 72 with vat.
P5= 3GB for one month 805 with vat.
P6= 1GB for one month 348 with vat.

Aktel: এবার আসা যাক এই company তে। এর ইন্টারনেট স্পিড ও মোটামুটি খারাপ না আবার ভাল ও না এক এক যায়গায় এক এক রকম স্পিড। এর ও কিছু internet package আছে এগুলো হল-
Unlimited for one day 65 with vat.
Unlimited for 1 month 760(24 hours) with vat (post-paid only)
Unlimited for 1 month 295 (8hours) with vat (post-paid only)
No Use No Pay (per kilobyte .015 paisa)
1GB for one month 275 with vat
3GB for one month 517 with vat.
5GB for one month 750 with vat.

Warid Telecom: এটা যেদিন বাংলাদেশে পা রেখে নেট কানেক্ট করল সেদিন জিপি ও এ্যাকটেল এর স্পিড একদম ডাউন হয়ে গেল। কারন এটা তার অরজিনাল শক্তি প্রকাশ করতে চাইল কিন্তু লাভ হল না। এর ও একটা কারন ছিল সেটা আমি বলব না। এজন্য আমাকে মাফ করবেন।
এর আছে দুইটা internet package আর তা হল-
No use no pay (per kilobyte .02 paisa)
Unlimited for 1 month (24 hours) 750 without vat (এটাও post-paid only)

Teletalk: এটা আমাদের দেশের সরকারী মোবাইল কোম্পানী আর আমরা ভাল করেই জানি যে সরকারী জিনিস কেমন হয়। এর যে প্যাকেজ আর তার যে স্পিড তা আমি উল্লেখ করে আমার পেজ এর যায়গা নষ্ট করতে চাচ্ছি না।

Citycell: এটা বাংলাদেশের সর্ব ১ম সি.ডি.এম.এ মোবাইল কো্ম্পানী। আমি যতদূর জানি এটা সার্ভিস ভাল দেয়। এটার স্পীড ও অন্যদের তুলনায় ভাল।

Banglalink: আমাদের দেশের জাতীয় পশু আর তাকে ট্রেডমার্ক বানিয়ে এই কোম্পানী কাজ করছে। বাঘের যে গতি তার তিল পরিমান ও নেই এই কোম্পানীর Internet Speed এ। বাংলাদেশের সব চেয়ে বাজে Internet Speed যদি কোন কোম্পনীতে থাকে তাহলে সেটা হল বাংলালিং। এক ঘন্টায় ২০ মেগাবাইট ও ডাউনলোড করা যাবে না।

যাক অনেক পরনিন্দা পরচর্চা করলাম, এবার একটা কথা বলি! আপনারা কি জানেন??? এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বেশী ইন্টারনেট এ বিল দিতে হয় আমাদের দেশে। মানে আমরা যে বিলটা মাসে দেই ইন্টারনেটের জন্য, তারপরেও যদি একটু স্পিড বেশী পেতাম তাহলে আমাদের একটু লাভই হত।

Read more ...