Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label স্বাস্থ্য. Show all posts

Wednesday, November 2, 2011

দেখে নিন সুস্থ্য-সুন্দর চুলের জন্য কোন খাবার প্রয়োজন ......

সুস্থ্য-সুন্দর ঝলমলে চুল নারী-পুরুষ সবারই কাম্য।মাথা ভর্তি চুল বয়সের ছাপ কমিয়ে দেয় অনেক খানি। আমাদের দেশের আবহাওয়ার কারণে চুলে ময়লা জমে অনেক বেশী। সেই সাথে চুলের জন্য উপকারী খাবার খাওয়ার প্রতিও গুরুত্ব দেয়া হয় না । ফলশ্রুতিতে অল্প বয়সেই চুল পরার সমস্যা দেখা দেয় প্রকট ভাবে।

চুলের যত্ন নিতে হবে বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীন দু'ভাবেই। বাহ্যিক যত্নের জন্য আজকাল পার্লারগুলোতে বিভিন্ন সেবা রয়েছে। আর অভ্যন্তরীন যত্ন হল পুষ্টিকর খাবার, যা চুলকে ভিতর থেকে মজবুত করবে।
এখন দেখা যাক কোন খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য একান্ত প্রয়োজন:

* গাঢ় সবুজ সবজি ।এতে রয়েছে Vit-A, vit-C যা natural conditionar 'এর কাজ করে

*গাঢ় সবুজ শাক ।এতে আছে Vit-E

*বিভিন্ন ধরনের been যেমন-শিমের বিচী, মটর শুটি, বরবটি ইত্যাদি। এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। আরও আছে iron,Zinc, Biotin । Biotin চুল ভেঙ্গে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

*বিভিন্ন ধরনের বাদাম যেমন- কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, আখরোট। এগুলো natural conditionar 'এর কাজ করে।( তবে দৈনিক ১ মুঠের বেশি নয়।)

*চুল প্রোটিন দ্বারা তৈরী । তাই খাবার তালিকায় প্রথম শেনীর প্রোটিন রাখতে হবে, যেমন-মুরগী, ডিম।

*লাল চাল,লাল আটা অর্থাৎ whole grain খেতে হবে।এতে Zinc, Iron, Vit-B পাওয়া যায়।

* Low fat দুধ । এতে calcium আছে, যা চুলের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশকীয় উপাদান protein তো আছেই।

*গাজর।Vit-Aএর ভাল উৎস। প্রতিদিন Snacks /salad হিসেবে খাবার তারিকায় রাখুন।

* তিসি (Flax seed) চুলের জন্য ভীষণ উপকারী। মোটা গুড়া করে ১ চাচমচ পরিমান প্রতিদিন খাওয়া উচিত।(এতে omega -3 fatty acid আছে।)

*সূর্যমূখীর বীচি চুলকে মজবুত ও ঝলমলে করতে দারুন ভাবে কাজ করে।Dry roast করে ১মুঠ পরিমান খেতে পারেন। লক্ষ্য করুন: সূর্যমূখীর বীচি মশলার দোকান থেকে কিনবেন। গাছ/ফুলের চারার দোকান থেকে কিনবেন না, ওগুলোতে কীটনাশক দেয়া থাকে।
সবশেষ কথা হল, সুস্থ্য চুলের জন্য দরকার Balance Diet।Crash diet, very low calorie diet, FAD diet এর কারণে চুল পরে যায়, ভেঙ্গে যায়,রুক্ষ হয়ে যায়।

Read more ...

Thursday, October 6, 2011

মেদ তোমায় দিলেম ছুটি।

মুটিয়ে যাবার ভয় অনেকেরই থাকে। আর এই ভয়কে জয় করে একটা ফিট স্বাস্থ্য পেতে সচেষ্ট থাকেন কমবেশি সবাই। এজন্য কেউ জিমে ছোটেন আবার কেউবা কম খেয়ে দিন গুজরান করেন। যদিও পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে কার্যকর ডায়েট চার্ট কমিয়ে দিতে পারে মেদ ভাবনা। এই ফিচারে তুলে ধরা হলো মেদ কমানোর একটি ডায়েট চার্ট।

ডায়েট চার্টের পয়লা দিন
খাদ্যের প্রসঙ্গে পরে আসি। আগে বলি মনের কথা। এতোদিন যারা বেশ মজা করে তাড়িয়ে তাড়িয়ে রাজ্যের খাবার খেয়েছেন প্রথম দিনে তাদের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা হবে মনের সাথে যুদ্ধ। তবে এই যুদ্ধে যতোই কান্ত হয়ে পড়ুন না কেন প্রথম দিনে ফল ছাড়া আর কোনো খাদ্য সামগ্রীর দিকে কিন্তু ভুলেও হাত বাড়ানো যাবে না।

আবার মেদভুড়ির বন্ধু বলে ফলের এই তালিকাতে কোনোক্রমেই রাখা চলবে না কলাকে। এছাড়া যেসব ফলে পানির পরিমাণ বেশি যেমন তরমুজ, আম, পেপে, কমলা, আনারস প্রভৃতি যতোটা সম্ভব বেশি খেতে হবে। অন্যান্য ফল এবং ফলের রসও খাওয়া যাবে। তবে ডাবের পানিতে গলা ভেজানো যাবে না।

দিন নম্বর টু
ভাত-মাছ-মাংসের জন্য প্রাণ কাঁদলেও ওমুখো হওয়া যাবে না। আর সেই অভাব পূরণ করতে খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে সবজি। ভাত ছাড়া সবজি খেতে বলায় আমাদের পাগল ঠাওড়াতে পারেন। কিন্তু কি করবেন বলুন। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আর ডায়েট বিষয়ক বই-পুঁথিও যে একই কথা বলছে।
সে যাই হোক, দুঃখ বাদ দিয়ে বেশি বেশি সবজি খান। লাউ, মিষ্টিকুমড়া, ডাঁটা, বরবটি, করোলা, কাঁচা পেপে, টমেটো, শসা থেকে শুরু করে যতো ধরণের সবজি বাজারে পাওয়া যায় তার সব পদই চেখে দেখতে পারেন এদিন। সেই সাথে পানি খান প্রচুর পরিমাণে।

তৃতীয় দিনের কথা
প্রথম দিন ফল খেয়েছিলেন। দ্বিতীয় দিন খেয়েছিলেন সবজি। আর আজ খাবেন ফল ও সবজি দু’টোই। কি একটু হলেও নিশ্চয়ই মন ভাল লাগছে। তবে এ আনন্দে যতো ধরণের ফল আর সবজি-ই উদরস্থ করুন না কেন ভুলেও হাত বাড়াবেন না কলা কিংবা আলুর দিকে। পানির সাথে বন্ধুত্বটা তৃতীয় দিনে আরো বাড়ান। সেই সাথে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চেখে দেখতে পারেন ভেজিটেবল স্যুপ। এই স্যুপে সামান্য তেল দেয়া যেতে পারে, কিন্তু মসলা নয় মোটেও।

চার নম্বর দিন
সবকিছু ঠিক থাকলে তৃতীয় দিনের শুরুতেই শরীরের অতিরিক্ত মেদে ভাঙ্গন ধরবার কথা। কিন্তু শরীর যেন হঠাৎ করেই ভেঙ্গে না পড়ে তাই চতূর্থ দিনে মেদের কথা ভুলে কিছুটা পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে। আর এটা ভাবতে গিয়েই কলা খেতে হবে। হ্যাঁ, এতোদিন ধরে যেই ডায়েট চার্টের সাথে কলার সাপে-নেউলে সম্পর্ক চলছিল সেই কলাই আজ আপনাকে খেতে বলছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। তবে কলাভক্ত খাদকেরা আবার এই আনন্দে ডজনের পর ডজন কলা সাবার করে দেবেন না যেন। খুব বেশি ইচ্ছে হলে বড়জোর ২ হালি কলা খেতে পারেন। সেই সাথে খেতে হবে দুধ; কমপে তিন গ্লাস।

পঞ্চম দিনের খাবার
আজ আপনি গরুর মাংস খেতে পারবেন। চাই কি চেখে দেখা যাবে মুরগীর মাংস ও। ভাবছেন রসিকতা করছি। উহুঁ মোটেও নয়। সত্যি সত্যিই খানিকটা গরু কিংবা মুরগীর মাংস খেতে পারবেন ডায়েট চার্টের পঞ্চম দিনে। তবে শুধু শুধু মাংস না খেয়ে সাথে টমেটো কিংবা লাউ, কুমড়া দিয়ে রেঁধে খাবেন। মাংস রান্নার ক্ষেত্রে তেল-মসলা অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া মাংস খাবার সময় পরিমাণের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পানিও খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

ষষ্ঠ দিবসের ভাবনা
বেশ, বেশ, বেশ। আগের পাঁচদিন যদি সুবোধ বালক কিংবা বালিকার মতো সব পরামর্শ মেনে থাকেন তবে ষষ্ঠ দিনে পুরস্কার হিসেবে আপনি খেতে পারবেন সবজি এবং মাংস। তাও মেপে টেপে নয়, একেবারে উদরপূর্তি করে। অর্থাৎ এ দিন আপনার যতো খুশি মাংস ও সবজি খেতে পারবেন। তবে এই আনন্দে রুটিন মাফিক পানি খাবার কথা ভুলবেন না।

আজ শেষ (সপ্তম) দিন
আজ মনের আনন্দে খেতে পারবেন ফ্রুট জুস, সবজি ও ভাত। আহ! সবজি দিয়ে ভাত মেখে খাবার পর যদি দেখেন শরীরের ওজনটাও খানিকটা কমেছে তবে আনন্দের মাত্রাটা ষোলআনা হতে বাধ্য। সাধারণ হিসেবে সাতদিনের ডায়েট চার্টে আপনার ওজন কমবার কথা প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ কেজি। কিন্তু তাই বলে আবার ডায়েট চার্ট শেষ করবার আনন্দে তৎক্ষনাৎ গপাগপ বহুকিছু খেয়ে ফেলবেন না যেন। বরং ধীরে চলো নীতিতে পরিমাণমতো খাবার পথেই চলতে থাকুন। আর বাই-বাই বলুন মেদকে।

মনে রাখুন
১. সাতদিনে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। প্রতিদিন কমপে আট থেকে দশ গ্লাসতো বটেই।
২. ভুলেও অ্যালকোহলের ত্রি-সীমায় ঘেরা যাবে না।
৩. চা-কফি খেলেও তা খেতে হবে দুধ এবং চিনি ছাড়া।
৪. সপ্তম দিনের আগে কোনোভাবেই কোনো ফ্রুট জুস খাওয়া যাবে না।
৫. ডায়েট চার্ট ফলো করবার পাশাপাশি হালকা পরিশ্রমের কাজও চালিয়ে যান।

Read more ...

একজন মানুষের জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আপনার কি করণীয় ?

ধরুন,আপনার সামনে কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল বা মারা যাচ্ছে,তখন কি করবেন?একজন সচেতন মানুষ হিসেবে জানা উচিৎ নয় কি?এই পরিস্থিতিতে আপনার যে জিনিস্টি জানা থাকলে রোগীর জীবন রক্ষা হয়ে যেতে পারে তার নাম CPR(Cardiopulmonary Resuscitation)।উন্নত বিশ্বে প্রত্যেক নাগরিকের CPR শেখা বাঞ্চনীয়।

কাকে CPR দিবেন?

যাকে তাকে CPR দিলে কাজ হবে না।CPR দিবেন এই তিন ক্ষেত্রে-
cardiac arrest(যদি নাড়ী বন্ধ হয়ে যায়)
respiratory arrest(যদি শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হিয়ে যায়)
sudden death(যদি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হঠাৎ করে মৃত্যু পথযাত্রী হয় এবং ওই মুহুর্তে মৃত্যুর কারণ খুঁজে না পাওয়া যায়)

কতক্ষণের মাঝে CPR দিবেন?

চার মিনিটের মধ্যে CPR দিতে হবে কারণ তা নাহলে মস্তিস্কের নিউরনগুলো স্থায়ী ভাবে মারা যাবে।

কিভাবে CPR দিবেন?

রোগীকে একটি বিপদমুক্ত একটি স্থানে সরান।

রোগীকে ডাকুন।জিজ্ঞেস করুন,"কেমন আছেন?"আলতো করে নাড়া দিতে পারেন কিংবা কাধে হালকা ধাক্কা দিতে পারেন।



সাহায্যের জন্য আশেপাশে চিৎকার করে ডাকুন।ওখানে উপস্থিত কোন ডাক্তার আছে কিনা জিজ্ঞেস করুন।আমাদের দেশে তো ৯১১ বা sos কোন সার্ভিস নেই।সাথে মোবাইল থাকলে নিকটবর্তী হাসপাতালে কল করতে পারেন।



রোগীকে positioning করেন।চিত করে শোয়ান।যদি ধারণা করেন যে রোগীর spinal cord বা স্নায়ু রজ্জুতে আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে,তাহলে খুব সাবধানে দুইজন মিলে positioning করেন।



শ্বাসনালী খোলা রাখুন।এজন্য দুই আঙ্গুল দিয়ে থুঁতনি উপরের দিকে ঠেলা দিন(chin lifting)।সেই সাথে অপর হাত দিয়ে কপালে ঠেলা দিয়ে ঘাড় কিছুটা ভাঁজ করুন(head tilting)।



শ্বাস নিচ্ছে কিনা দেখুন,শুনুন এবং অনুভব করুন(look,listen,feel)।আপনার কান রোগীর নাকের কাছে আনুন।শ্বাসের শব্দ শোনার চেষ্টা করুন এবং অনুভব করুন।সেই সাথে বুক ও পেটের দিকে তাকান যে তা নড়ছে কিনা।মুখের ভিতর খাবার,বমি বা অন্য কিছু থাকলে হাত বের করে নিন।



নাড়ী দেখুন।যদি নাড়ী অনুভব না করতে পারেন,সেক্ষেত্রে বুঝবেন রোগীর cardiac arrest হয়েছে।সেক্ষেত্রে বুঝবেন রোগীকে CPR দিতে হবে।



যদি শ্বাস প্রশ্বাস না নেয়,সেক্ষেত্রে mouth to mouth respiration দিতে হবে।একটা রুমাল রোগীর ঠোঁটের উপর রাখুন।এরপর আপনার ঠোঁট দিয়ে রোগীর ঠোঁট চেপে ধরুন।রোগীর নাক দুই আঙ্গুল দিয়ে বন্ধ করুন।দুইটা rescue breath দিন।প্রতি শ্বাসের দৈর্ঘ্য হবে এক সেকেন্ড এবং বুকের নড়া খেয়াল রাখতে হবে।বুক না নড়লে বুঝতে হবে আপনার শ্বাস রোগীর ফুসফুসে পৌছাচ্ছে না।



চেস্ট কমপ্রেশন দিন।এক হাতের তালুর মাংসল অংশ বুকের মাঝখানে(over the sternum) রাখুন।অর্থাৎ দুই নিপলের মাঝখানে যে একটি সমতল হাড় রয়েছে সেখানে রাখুন,পাঁজরের হাড়ের উপর বা বাম পাশে নয়।অন্য হাতের হাতের তালু প্রথম হাতের উপরে রাখুন।হাত সোজা রাখুন।কনুই ভাজ করবেন না।
এবার কমপ্রেশন দিন।কমপ্রেশন দিন দ্রুত,এমন ভাবে দিন যেন বুক দেড় থেকে দুই ইঞ্চি ডেবে যায়।মনে মনে গুনুন,১,২,৩,৪,৫,......এভাবে ৩০ পর্যন্ত এবং ৩০ বার কমপ্রেশন চালিয়ে যান।এরপর আবার দুইটা rescue breath দিন।






এভাবে সি পি আর কন্টিনিউ করুন(অর্থাৎ ৩০ বার বুকে চাপ,তারপর ২টা rescue breath)।

Read more ...

Wednesday, October 5, 2011

ড্রাগস নিয়া ব্যাপুক গবেষনা.............. :-

সবচেয়ে কমন ড্রাগসঃ
১.হেরইনঃ

দাম ৫০-১৫০ টাকা পুরিয়া,৬০০-৮০০ টাকা গ্রাম।কেজি ৫০,০০,০০০-১ কোটি। ঢাকার কয়েকটা বড় স্পট (মাদক বিক্রির জায়গা) হল- আগারগাও বি.এন.পি. বস্তি, টঙ্গি ব্রিজ, সিটি পল্লি, চৌদ্দটুলি, মহাম্মদপুর টাউন হল।


২.ফেন্সিডিল

দাম ৫০০-৮০০ টাকা। ঢাকার বড় বড় স্পট নাসির স্পট, কমলাপুর, মিরপুর স্টেডিয়াম।তবে বেশিরভাগ সময়ে মোবাইলের মাধ্যমে বিক্রি হয়।

৩.পেথেডিনঃ

দাম ১০০-৪০০ টাকা।সহায়ক হিসেবে সেডিল,এভিল ব্যবহার করা হয়।বিক্রয় স্থান বিভিন্ন ফা্রমেসি এবং চাঙ্খারপুল।

৪.গাজাঃ

দাম ১০ টাকা পোটলা, ৫০-১০০ টাকা রোল, ১৫০০-২৫০০ টাকা কেজি।বিক্রয় স্থান কাওরান বাজার,কমলাপুর রেল লাইন,এবং প্রায় সব বাজার ও রেল ক্রসিং এ।

৫.মদঃ

দেশি মদের দাম,৫০০-১০০০ টাকা(কেরু),লোকাল-৮০-১০০ টাকা,বিদেশি-১৮০০-৪০০০ প্লাস, উপজাতি-২০০-৫০০ টাকা। বিক্রয় স্থান-ঢাকার বিভিন্ন লাইসেন্স করা দোকান যেমন-ওয়াইন ইম্পেরিয়াম,মগবাজার,ওজি করনার,গুলিস্তান ও বিভিন্ন বার এ। বনানি ও এয়ারপোর্ট এ কাস্টমস এর কর্মকর্তারাও বিক্রির সাথে জড়িত।

৬.ইয়াবাঃ

দাম ২৫০-৫০০ টাকা।আগে বিদেশ থেকে আস্লেও এখন দেশে তৈ্রি হয়।মুলত ফোনে বিক্রি হয়।ঢাকায় আসে সাধারনত টেকনাফ- কক্সবাজার হয়ে,বার্মা থেকে।

৭.বারবিচুরেটসঃ

বিভিন্ন ঘুমের ওষুধ যেমন- সেডিল, ট্রিপ্টিন, ডরমিকপ, ইপাম ইত্তাদি।দাম-পাতা ৫-১০০ টাকা।

৮.এক্সটেসিঃ

এর দাম অনেক। প্রতিটা ট্যাব্লেট প্রায় ১৫০০ টাকার উপরে। বানিজ্যিকভাবে এখনো চালু হয় নি। তবে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর থেকে নিয়ে আসে।

৯.মরফিনঃ

প্যাথেডিনের মত সিরঞ্জ দিয়ে পুশ করে নিতে হয়। সাধারনত ডাক্তাররা লোকাল এনেস্থেশিয়া হিসেবে ব্যাবহার করে। খুব ধ্রুত নার্ভ সাপ্লাই শান্ত করে দিতে পারে। সাধারনত ইন্ডিয়া থেকে ইম্পোর্ট করা হয়। তবে গনস্বাস্থ হতে জি-মরফিন নামে একটা প্রোভাইড করা হয় সরকারি হাস্পাতাল্গুলাতে।
দাম-১২০ টাকা।

এছাড়াও রয়েছে চরস, ভাং, আফিম, ড্রাগন বল, ডেন্ড্রাইট ইত্যাদি আরো হাজারো ড্রাগস।

কারন ও প্রতিকারঃ

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন হাতের কাছে খুব সহজেই বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাওয়া যায় বিধায় এটাও মাদকাসক্তের একটা বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত। তাই দেশের অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে পাশাপাশি মাদক সংক্রান্ত আইন যুগোপযোগী করা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।

প্রতিরোধঃ

১. সচেতনতা বাড়ানো: জীবনের যে কোনো ঘটনা বা সাইকো থেরাপির মাধ্যমে এই সচেতনতা আসতে পারে।
২. নিজেকে মূল্যায়ন করার চিন্তা ও আচরণের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির কি কি দক্ষতা আছে এবং সে আরো কি অর্জন করতে পারে, সে সম্পর্কে নিজেকে মূল্যায়ন করতে পারেন।
৩. সামাজিক ও পরিবেশগত পুনর্মূল্যায়ন: ব্যক্তির সামাজিক ও পরিবেশগত কোন পরিস্থিতি মাদকাসক্তির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় তা পুনর্মূল্যায়ন করে অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
৪. আত্মস্বাধীনতা: অল্প মাত্রায় আসক্ত আচরণ পরিবর্তনের পর ব্যক্তির মধ্যে স্বাধীন অনুভূতি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে এবং ব্যক্তি পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে করবে।
৫. সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি: ব্যক্তি সামাজিক দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে সামাজিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করবে।
৬. মাদকের চিন্তা প্রতিস্থাপন: মাদকদ্রব্য গ্রহণের পরিবর্তে অন্য যেসব জিনিস ব্যক্তির ভালো লাগে, যেমন বাগান করা, খেলাধুলা বা অন্যান্য কাজে নিজেকে নিযুক্ত করা।
৭. বাহ্যিক উপাদান নিয়ন্ত্রণ: যে সব জিনিসে বা দ্রব্যের উপস্থিতিতে ব্যক্তির মাদক নেয়ার চিন্তা আসে সে সব জিনিস পরিহার উপেক্ষা করা।
৮. নিজেকে উপহার দেয়া: ব্যক্তি যখনই মাদক গ্রহণ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে সক্ষম হচ্ছে তখনই নিজেকে নিজে কিছু উপহার দেয়া।
৯. সাইকোথেরাপির রাষ্ট্রীয় সাহায্যে নাটকীয় প্রশস্তি লাভ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে অনেক সময় ব্যক্তির মধ্যে এক ধরনো নাটকীয় প্রশান্তি পেতে দেখা যায়।
১০. যারা দীর্ঘদিন মাদক ব্যবহার থেকে মুক্ত থাকতে পেরেছে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব্ব অটুট রাখা এবং যেসব মনোবিজ্ঞানী তাকে সাহায্য করতে পারেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা।

প্রতিটি ড্রাগস স্পটের মালিকরা মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে থাকে কতৃপক্ষকে।আমাদের পরিচিত একজন মন্ত্রিকে ৬০ লক্ষ টাকা দামের গাড়ি কিনে দেয়া হয়েছে গত মাসে।নাম উল্লেখ করলাম না।আর পুলিস থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন ডিলারদের টাকায় কিনা এসি ছেড়ে। বলতে পারেন আমাদের ভবিষ্যতকে আমরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছি??

Read more ...

Tuesday, October 4, 2011

শরীর-মন ঠিক রাখতে খাদ্যের ভূমিকা।

foods

দিনে মন-মেজাজ চনমনে রাখতে খাদ্যের ভূমিকা আছে, তা জানেন কজন? অনেকে জানেন। এনার্জিও উজ্জীবিত হয়। কথায় আছে, ‘দিনে একটি আপেল খেলে ডাক্তার থাকে দূরে’। আমরা যা খাই, এর সঙ্গে আমাদের মেজাজ, অনুভূতি—এসবের সম্পর্ক নিয়ে ভাবছেন বিজ্ঞানীরা। প্রমাণ আছে, খাবারে পরিবর্তন আনলে বিপাককর্ম যায় বদলে, বদলে যায় মগজের রসায়ন; শরীরের এনার্জি মান ও মেজাজ—দুটোই হয় প্রভাবিত।
শুরু হোক: খাদ্য এনার্জির উজ্জীবন ঘটায় তিনভাবে। পর্যাপ্ত ক্যালরি জুগিয়ে, ক্যাফিনের মতো উদ্দীপক সরবরাহ করে, বিপাককর্মকে আরও বেশি জ্বালানি কার্যকরভাবে পোড়াতে সহায়তা করে। মেজাজ প্রসঙ্গে: শ্রেষ্ঠ খাবার হলো সেগুলো, যেগুলো রক্তের সুগারে সুস্থিতি আনে, নিঃসৃত করে সুখানুভূতি উদ্দীপক বস্তুর, যেমন—সেরোটনিন।
স্মার্ট শ্বেতসার: শ্বেতসার-শর্করা নিয়ে ভাবনা, তবে এনার্জি ও মেজাজ উজ্জীবনে এর ভূমিকা বড়। শরীর শ্বেতসারকে দহন করে জ্বালানি পেতে চায়। এ ছাড়া খেলে সেরোটনিন মানও বাড়ে। তাই মিষ্টিমণ্ডা না খেলে হলো, রক্তের সুগার উথাল-পাতাল হবে, তাই মেজাজেরও হবে চড়াই-উতরাই। ক্লান্তি ও বদমেজাজ; বরং গোটা শস্য, তুষ, ছাতু, আটার রুটি, লাল চাল, শস্য হলে হলো। ভালো। শরীর গোটা শস্যকে শোষণ করে ধীরে, তাই রক্তসুগার ও এনার্জি মান থাকে সুস্থিত।
কাজুবাদাম, বাদাম হেজেলনাট: এই বাদামগুলো কেবল যে প্রোটিনসমৃদ্ধ তা-ই নয়, এগুলোতে আছে ম্যাগনেশিয়াম। সুগারকে এনার্জিতে রূপান্তরে এর রয়েছে বড় ভূমিকা। দেখা গেছে, ম্যাগনেশিয়ামের ঘাটতি হলে শক্তি নিঃশেষিত হয়। ম্যাগনেশিয়াম আরও আছে গোটা শস্য, তুষ, হ্যালিবাট মাছেও।
ব্রোজিল নাটস: ব্রোজিল নাটস খেলে পাওয়া যাবে খনিজ সেলেনিয়াম। মেজাজ করে চনমনে। সেলেনিয়াম ঘাটতি হলে মেজাজ বিগড়ে যায়। মাংসে, সমুদ্রের খাদ্যে, বিনস ও গোটা শস্যেও আছে সেলেনিয়াম।
কচি মাংস: কচি মোরগ ও অন্যান্য মাংসে আছে, যেমন—কৃষ আমিষ, তেমনি অ্যামিনো এসিড টাইরোসিন। টাইরোসিন ডোপামিন ও নবইপিনেফ্রিন মান উজ্জীবিত করে মগজের এই রাসায়নিক মনকে করে সজাগ ও তীক্ষ। মাংসে আছে ভিটামিন বি১২, অনিদ্রা ও বিষণ্নতায় উপকারী।
সামুদ্রিক মাছ: তৈলাক্ত মাছ, যেমন—স্যামন মাছে আছে ওমেগা৩ মেদ-অম্ল, বিষণ্নতায় উপযোগী। হূৎ স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। বাদাম ও পত্রবহুল সবজিতেও আছে এই মেদ-অম্ল।
পত্রবহুল সবজি
বিষণ্নতা দূর করতে আরেকটি উপকরণ হলো ভিটামিন ‘ফলেট’; আছে পত্রবহুল সবজি, যেমন—পালংশাক, লেটুস-জাতীয় শাকে। ডাল, বাদাম ও কমলাতেও আছে বেশ।
আঁশ: আঁশ এনার্জিতে আনে সুস্থিতি। ধীর করে পরিপাক ক্রিয়া, এনার্জির ধীরস্থির জোগান সহায়তা করে, সারা দিন। বিনস, বাদাম, সবজি, আটার রুটি, ঢেঁকিছাঁটা চালের ভাত খান, আঁশ পাবেন।
পানি: নিরুদন ও ক্লান্তি চলে সঙ্গে সঙ্গে। হাত ধরে। এমনকি মৃদু নিরুদনও ধীর করে বিপাক; শুষে নেয় এনার্জি। সমাধান সহজ—প্রচুর পানি পান করুন।
তাজা ফল-সবজি: তরল ভরপুর সবজি খাবেন, খাবেন রসাল ফল। তাহলে সজল থাকা যাবে। প্যাকেট স্ন্যাকস নয়, তাজা ফল। ওটমিল। পায়েস, ফলের রস। শরবত, চিনি ছাড়া।
কফি: বেশ উদ্দীপক। ক্ষণকালের জন্য বেশ কাজের। তবে বেশি পান ঠিক নয়। সন্ধ্যা ও রাতে তো নয়, তাহলে ঘুমে বিঘ্ন হবে।
চা: ক্যাফিনের বিকল্প উৎ স হলো চা। গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ের মধ্যে ক্যাফিনও অ্যামিনো এসিড এল থিয়ানিন মনকে সজাগ করে; স্মৃতি উন্নত করে। ব্ল্যাকটি ভালো।
গাঢ় চকলেট: খেলে মগজ হয় চনমনে। ক্যাফিন ও থিওব্রোমিন।
প্রাতরাশ: এনার্জি ও মেজাজ উজ্জীবন করতে হলে প্রাতরাশ বাদ দিলে চলবে না। দেখা গেছে, যাঁরা প্রতিদিন নিয়মিত প্রাতরাশ খান, তাঁদের সারা দিন থাকে দেহমন শক্তিতে ভরপুর ও চাঙা। গোটাশস্য, আঁশ, ভালো চর্বি, কচি আমিষ—ভালো প্রাতরাশ।
বারবার খাওয়া, কম কম করে: রক্তের সুগার সুস্থিতির জন্য, এনার্জির সুস্থিতির জন্য, মেজাজ চাঙা রাখার জন্য এটি হলো কৌশল।
তিন থেকে চার ঘণ্টা পর ছোট ছোট খাবার বা নাশতা খাবেন, দিনে তিনবেলা বড় খাবার না খেয়ে, ভূরিভোজন না করে। স্ন্যাকস হতে পারে পিনাট বাটার, গোটা শস্য ক্যাকারস, কচি গোশত ও সালাদ। গোটা শস্য দুধ।
এনার্জি ড্রিংক ও জেল তেমন ভালো নয়।
ব্যায়াম করুন এনার্জির জন্য: জোরে হাঁটা আধাঘণ্টা, সাইকেল চালানো—কত ব্যায়াম, যা সয়ে যায়।

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস
বারডেম হাসপাতাল, সাম্মানিক অধ্যাপক ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, অক্টোবর ০৫, ২০১১


Read more ...

মাইগ্রেনের সমাধানে খাদ্য

মানুষ হয়ে জন্মেছেন অথচ মাথা ব্যথা হয়নি এমন মানুষ মনে হয় না পাওয়া যাবে। কাজের চাপে, টেনশনে, আবেগিয় নানা সমস্্যার প্রথম উপসর্গ মাথাধরা। মাথা ধরারই একটি চরমতম রুপ হল মাইগ্রেন এর যন্ত্রণা। বাংলায় যকে বলা হয় আধ কপালি ব্যথা।মাইগ্রেন শব্দটির উতপত্তি হয়েছে গ্রীক দুটি শব্দ থেকে যার অর্থ মাথার খুলির এক পাশের ব্যথা। একজন মাইগ্রেন ভুক্ত ভুগি মাত্রই জানেন এর যন্ত্রণা কত তীব্র।

মাইগ্রেন এর ব্যথার কিছু প্রধান কারন হল- টেনশন, অনিদ্রা, কাজের চাপ, ডিপ্রেশন, হরমনাল চেঞ্জ, অবসাদ, দীর্ঘ ভ্রমন, সময়মত না খাওয়া, ধুম্পান, দীর্ঘ সময় টিভি বা কম্পিউটারে কাজ করা, কড়া গন্ধ, বদ্ধ পরিবেশ, অতিরিক্ত আলো, কড়া সূর্যতাপ, প্রচণ্ড শব্দ ইত্যাদি।মোট কথা আধুনিক জুগের জীবন যাপনের সকল কুফলের একত্রীকরণ হল মাইগ্রেন।

এখন কথা হল এই অসম্ভব ব্যথাকে কিভাবে নিয়ন্ত্রনে রাখা যায়। মাইগ্রেন কে নিয়ন্ত্রনের অ্নেক উপায় আছে, মুঠো মুঠো বড়ি গেলা থেকে শুরু করে জীবনে যাপনের ধরন বদলানো পর্যন্ত অনেক কিছুই হতে পারে এর নিয়ন্ত্রক। কিন্তু সব সময় চাইলেই সব কিছু নিয়ন্ত্রন করা যায় না। তাই আমাদের প্রথমেই উচিত এমন কিছু ব্যবস্থা গ্রহন করা যা আমাদের দীর্ঘ মেয়াদেও উপকারে আসবে এবং আমাদের শরীরের জন্য কম ক্ষতিকারক। এই ক্ষেত্রে খাদ্দ দ্রবের মাধ্যমে পুরো বিষয়টা নিয়ন্ত্রন করা নিয়ে বেপক গবেষণা চলছে।

খাদ্য বা ডায়েট চার্ট এর মাধ্যমে মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রন এর জন্য প্রথমেই জানতে হবে মাইগ্রেন এর উদ্দিপক খাদ্যদ্রব্যগুলো কি কি! এক্ষেত্রে যেসব খাদ্য উদ্দিপকের কাজ করে তা হোল-
পনির
চকলেট
হট ডগ
ফ্যাটি ফুড
আইস্ক্রিম
কফি ও অন্যান্য কেফেইন জাতীয় খাদ্য
অ্যালকোহল
ধুমপান
শুকন ফল
পাকা কলা
মাশরুম
সয়া সস
দই
চিজ কেইক
বেগুন
বাদাম ও বাদামের মাখন
কেন্ড সুপ
পেয়াজ ইত্যাদি।

এখন কথা হোল যেহেতু মোটামুটি সব মজার খাবারেই মাইগ্রেনের বেথা ওঠে তাহলে কি সব খাওয়া বাদ দিয়ে দেবো! না অবশ্যই তা নয়, বরং সবই খাওয়া যাবে তবে পরিমিত মাত্র্রায়। কখনই পেট খালি রাখা যাবে না। কারন পেট খালি হলেই তা মাইগ্রেনের উদ্দিপকে পরিনত হবে। একটু একটু করে হলেও সারাদিন কিছুনা কিছু খাওয়া উচিত।

মাইগ্রেন প্রতিরোধ করে এমন কিছু খাবার হোল-
আদা
মাছ ও মাছের তেল
শাক শব্জি
অটমিল
গম
রসুন
আঙ্গুর ও আঙ্গুরের রস
টমেটো
কমলা
ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ খাদ্য
দুধ
আপ্রিকট
আপেল
পাস্তা


আজকের আলোচনায় যদিও শুধু খাদ্যের কথাই বলছি, কিন্তু পরিমিত আহারের সাথে সাথে ঘুম, ও ঔষধের প্রয়োগও অত্যন্ত জরুরী।আশা করছি আমার এই আলচনায় আপনার কিছু মাত্র উপকার হবে।অন্তত আগামি কয়েক দিন ব্যথা মুক্ত থাকুন। এই কামনায় শেষ করছি।


Read more ...

পেঁয়াজ মহৌষধ

পেঁয়াজের বাদামি আবরণ ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। স্পেনের মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি রসায়ন বিভাগ গবেষণায় দেখেছে, রান্নার সময় আমরা পেঁয়াজের গায়ে লেগে থাকা যে পাতলা বাদামি আবরণ ফেলে দিই তাতে মানবদেহের জন্য উপকারী বিশেষ যৌগ পদার্থ রয়েছে। গবেষকরা বলছেন, বাদামি আবরণ এবং পেঁয়াজের মোটা খোসাগুলো ফাইবার (আঁশ) এবং ফ্লাভোনয়েড সমৃদ্ধ। পেঁয়াজের ভেতরের নরম
অংশগুলো ফ্রাকটুনাস এবং সালফার যৌগ উপাদানে সমৃদ্ধ; যা মানবদেহে রোগ প্রতিরোধের সক্ষমতা বাড়ায়।
গবেষক ভেনেসা বেনিৎজ বলেন, আঁশ জাতীয় খাবার ক্যান্সার প্রতিষেধক। পেঁয়াজের মধ্যে এ গুণটি রয়েছে। তিনি বলেন, পেঁয়াজের বাদামি আবরণে ফেনোলিক যৌগ রয়েছে। যেমন কুয়েরসেটিক এবং অন্যান্য ফ্লাভোনয়েড রয়েছে। পথ্যগুণ সমৃদ্ধ আবরণের পরের মোটা দুটি খোসাতেও রয়েছে আঁশ এবং ফ্লাভোনয়েড। অন্যান্য আঁশ জাতীয় খাদ্যের মতো পেঁয়াজ খেলে হৃদরোগ, পেটের পীড়া, কোলন ক্যান্সার, স্থূলকায় রোগ এবং ডায়াবেটিসের (ধরন-২) ঝুঁকি হ্রাস পায়। ফেনোলিক যৌগের কারণে হৃৎপিণ্ডে রক্ত বহনকারী ধমনীর (করোনারি) জটিলতা বা রোগমুক্তির জন্য পেঁয়াজ অতুলনীয়। নিয়মিত পেঁয়াজ খেলে দেহের ভেতরকার যে কোনো বিষক্রিয়া থেকে উপশম পাওয়া যায়। দ্য মেইল।

Read more ...

Sunday, September 25, 2011

মস্তিষ্ক উন্নয়নে কিছু মজার টিপস……..

সালাম ও শুবেচ্ছা জানিয়ে শুরুকরছি একটি মজার টিউন যেটি আপনাদের প্রত্যেকের অবশ্যই কাজে লাগবে……কারণ সবাই চাই তার মস্তিষ্ক যেন সব সময় ঠিক থাকে বিকৃত না হয়….সুতারাং আমার মতে সবার উপকারে আসবে এই টিউনটি পড়লে …

আমাদের প্রত্যেকেই চায় যে আমাদের ব্রেইন যেন সব সময় সুস্থ থাকে সেই জন্য আমাদের সব চেয়ে যেটি প্রয়োজনীয় দেখার জিনিস সেটি হল আমাদের খাবার প্রণালী কারণ এটার উপর নির্ভর করে আমাদের ব্রেইনের সুস্থতা এবং উন্নতি ….নিন্মে দেয়া হল …

মস্তিষ্ক বিজ্ঞানীদের মতে, কোলিনসমৃদ্ধ খাদ্য খেলে মেধাশক্তি বাড়ে। প্রতিদিন মস্তিষ্কের জন্য ৪০০-৯০০ মিলিগ্রাম কোলিন প্রয়োজন। একটি হাঁস বা মুরগির ডিমে ৪০০ মিলিগ্রাম, ছোট দু’টুকরা মাছ থেকে ১০০ মি. গ্রা. ৪-৫টি যকৃতের টুকরায় ৬০০ মি. গ্রা. কোলিন থাকে। এছাড়াও ফুলকপি, বাঁধাকপি, সয়াবিন, দুধ, বাদাম ইত্যাদি খাদ্যে প্রচুর কোলিন থাকে। বিশেষ করে সয়াবিন নিয়মিত খেলে শেখার, বুঝার ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়। বৃদ্ধ বয়সে ভিটামিন ‘বি’-এর অভাব হলে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। ভিটামিন ‘বি’ রয়েছে ডাল, শস্যদানা, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, চাল, গম, কলা, গাজর, সামুদ্রিক মাছ ইত্যাদি খাদ্যে। ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবে মস্তিষ্কের বাস্তবের সাথে বুঝার ক্ষমতা অনেকাংশে লোপ পায়। ভিটামিন সি বেশি থাকে আমলকি, পেয়ারা, আমড়া, আম, লেবু, বাতাবি লেবু, জলপাই ইত্যাদিতে। মস্তিষ্কের শক্তি বাড়াতে আয়রনের প্রয়োজন। মস্তিষ্কের মধ্যে সবসময় শরীরে রক্তের প্রায় ২০ ভাগ রক্ত চলাচল করে। রক্ত শোধনের জন্য প্রয়োজন অক্সিজেন। রক্তের লাল রঙের উপাদান হিমোগ্লোবিন হলো অক্সিজেনের বাহক। আয়রন হচ্ছে হিমোগ্লোবিনের প্রধান সৃষ্টিকারী।

মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাব হলে মনোযোগ ও নতুন কিছু বুঝা বা শেখার আগ্রহ কমে যায় এবং মনের চঞ্চল ভাবটাও নষ্ট হয়। কথাবার্তায় আদব-কায়দা হ্রাস পায়। আয়রন বেশি থাকে কচুশাক, লালশাক, পালংশাক, কলা, নটেশাক, মূলাশাক, বরই, তরমুজ, বরবটি, গুড় ইত্যাদি খাদ্যে। এসব আয়রনসমৃদ্ধ খাবারের সাথে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার খেলে সহজেই হজম হয়। বোরন ও জিংক স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। আপেল, আঙ্গুর, ডাব, টমেটো, গম, দুধ এসব খাদ্যে বোরন ও জিংক থাকে। ১০ বছর বয়সের মধ্যে শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ালে স্মরণশক্তি বাড়ে। গর্ভবতী মহিলারা কোলিনসমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর খাদ্য খেলে গর্ভের শিশু মস্তিষ্ক গঠনের সময় স্মরণশক্তি ও বুদ্ধি বৃদ্ধির উপাদান সৃষ্টি হয়। বয়স্কদের জন্য মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তেল, চর্বি, ঘি জাতীয় খাদ্য স্মরণশক্তি হ্রাস করে। চর্বি জাতীয় খাদ্য উপাদান রক্তের সাথে মিশে গিয়ে মস্তিষ্কের অত্যন্ত সূক্ষ্মবাহী নালীগুলোর মধ্য দিয়ে রক্ত চলাচল ব্যাহত করে। খাবারে মিশ্রিত কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থও মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। অ্যালকোহল জাতীয় পদার্থ মানুষের স্মরণশক্তিকে মুছে ফেলে। মস্তিষ্কের প্রোটিন তৈরির সময় অ্যালকোহল বাধা দেয়। ফলে নতুন স্নায়ুকোষ জন্মাবার সম্ভাবনা চিরদিনের জন্যই বন্ধ হয়ে যায়। ঘুমের ওষুধ স্মরণশক্তি হ্রাস করে।

***মস্তিস্ক সুস্থ রাখতে যা করনীয় তা হচ্ছেঃ
০ প্রতিদিন স্বাস্থ্য সম্মত সুষম খাবার খেতে হবে।

০ প্রতিদিন অন্ততঃ ৮ গ্লাস পানি পানসহ টি, কফি খেতে হবে অথবা রং চা তথা দূধ ছাড়া ।

০ মানসিক চাপ কমাতে হবে এবং মাঝে মধ্যে মস্তিস্ককে অবসর দিতে হবে।

০ প্রতিদিন কোন ভালো ভিটামিন ও ব্রেইন সাপ্লিমেন্ট সেবন করা যেতে পারে।

০ প্রতিদিন মেসওয়াক করতে হবে জয়তুন গাছের ঢাল দিয়ে অথবা নিম গাছের ঢাল দিয়ে।

০সকালে নামাজের পর খোলা আকাশের নিচে কিছুক্ষণ হাটাহাটি করা কারণ মনিষীরা বলে যে সকালের হাওয়াটা মানুষের জ্ঞানী হওয়ার এক অমূল্য সম্পদ।

০ আমাদের মুখ ও নাক সব সময় পানি দিয়ে ধুয়ে পরিস্কার রাখতে হবে আমরা আরেকটি কথা হয়ত অনেকে জানি যে আমাদের শরীরের বাতাস আদান প্রদানে ফিল্টার মেশিন হল আমাদের নাকের লোম গুলো কেননা আমরা সারাদিন যে নিস্বাশ টানি তাতে বাহ্যিক হাওয়া আমাদের শরীরে আদান প্রদান নাকের মাধ্যমে হয় এক্ষেত্রে নাকের লোম গুলো এবং নাকের ভিতরে একটি পর্দা থাকে যেটি বাতাস ফিল্টার করে সুস্ক বাতাস আমাদের শরীরের ভেতর প্রবেশ করাতে সাহায্য করে….

***মস্তিষ্ক উন্নয়নে যা যা খেতে হবেঃ

০খাঁটি মধু প্রতিদিন সকালে এক চামচ করে খেতে হবে।

০ মিস্টি জিনিস তথা খেজুর, সাদা মিস্টি মাঝে মাঝে খেতে পারেন কারণ মেডিকেল সাইন্স বলে মিস্টি জিনিস ব্রেইন উন্নয়নে সাহায্য করে ।

০ রান্নাকৃত মসরের ডাল যাতে পানি বেশি থাকতে হবে অর্থাৎ ডালের পানি বেশি করে খেতে হবে।

০ পোড়া বাজা কম খেতে হবে এবং লাল মরিচ যুক্ত তরকারি কম খেতে হবে, এবং সবুজ শাক শবজি বেশি করে খেতে হবে।

এই নিয়ে পারলে পরে আরও কিছু টিউন লিখব………..সবাই ভাল থাকবেন এই কামনায় রইল……………

বিদ্রঃ কয়েকটি বই এবং বিভিন্ন জায়গা থেকে তখ্য সংগ্রহ করে লেখা হয়েছে….আসা করি কেউ এটাকে ভূল চোখে দেখবে না………..


Read more ...

Thursday, September 22, 2011

মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেন হলে

মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা যা অত্যন- কষ্টদায়ক। শতকরা প্রায় ২০ ভাগ লোক কোন না কোন সময়ে এই ধরনের মাথাব্যথায় ভূগে থাকেন। যাদের মাইগ্রেন নেই তারা ধারনাও করতে পারবেন না কতটা কষ্টদায়ক এই রোগ। মাইগ্রেন কথাটির অর্থ আধা মাথা ব্যথা। প্রচণ্ড মাথাব্যথার সাথে বমিও হতে পারে। মাইগ্রেন ব্যথার উপসর্গ ঃ মাইগ্রেনব্যথার সাথে বহু ধরনের উপসর্গ থাকতে পারে। এর মধ্যে প্রাধান হচ্ছে, চোখ অস্বচ্ছ দেখা, চোখের সামনে ছোট ছোট আলোর বিন্দু দেখা, বমি বমি ভাব, মাথার ভিতরে ধপ ধপ করা ইত্যাদি।
মাইগ্রেন ব্যথার কারণ: মাইগ্রেন মাথাব্যথার সঠিক কারণ আজ পর্যন- খুঁজে পাওয়া যায়নি তবে, বলা হয়ে থাকে যে, ব্রেনের ভিতরে রক্তবাহী নালীসমূহ কোন কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস-িষ্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। বমি না হওয়া পর্যন- এই ব্যথা কমে না। মাইগ্রেন মাথাব্যথা একবার শুরু হলে কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন- একাধারে চলতে পারে। এমন কি, স্বাভাবিক কাজ বা পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আমেরিকাতে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার সব চেয়ে বড় কারণ মাইগ্রেন।
মাইগ্রেন ব্যথা হওয়ার আগে: যাদের মাইগ্রেন ব্যথা আছে, তাদের অনেকগুলো পূর্বাভাস ব্যথা ওঠার আগে অনুভূত হতে পারে। টেনশন, পরীক্ষা বা চাকুরির অত্যন- চাপ, মানসিক অশান-ি, বাস বা গাড়ীতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশীক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত: খুব বেশী মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। ক্লাসিক মাইগ্রেনের ক্ষেত্রে ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই রোগী বুঝতে পারে যে, ব্যথা আসবে, কেউ কেউ চোখের সামনে আলোক বিন্দু দেখতে পান। আলো বিন্দুগুলো চোখের সামনে কাঁপতে থাকে এবং ধীরে ধীরে বড় হয়। কারো শরীরের একটা অংশ অবশ লাগতে পারে। এই ধরনের মাইগ্রেন যাদের থাকে, তাদেরপ্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে, বমি হয় এবং ব্যথা ২-৩ ঘন্টা বা তারও বেশী সময় থাকে। জটিল মাইগ্রেন যাদের হয়, তাদের মাথাব্যথার সাথে অন্যান্য নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ দেখা যায়। গুচ্ছ মাইগ্রেন সব মাথাব্যথা থেকে বেশী গুরুত্বর। প্রচণ্ড মাথা ব্যথার সাথে সাথে নাক দিয়ে পানি পড়া, চোখ দিয়ে পড়া, গাল লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকে। কয়েকদিন ধরে প্রতিদিন এই ব্যথা চলতে থাকে। কখনও এক বা দুই সপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছট ফট করেন বা ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়।
মাইগ্রেন রোগের চিকিৎসা: প্রথমেই বুঝতে হবে যে,কারো মাইগ্রেন থাকলে কোন ওষুধে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব নয়। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোন না কোন সময়ে কোন না কোন কারণে এই মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত: ব্যথার ওষুধ যেমন প্যারাসিটামল খেলেই কাজ হয়। যদি মাইগ্রেন বার বার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বার বার ব্যথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওযা হয়। কখনও কখনও সামান্য চশমার পাওয়ার দিতে হয়। মাইগ্রেনের মতো মাথাব্যথা অন্যান্য জটিল নিউরোলজিক্যাল রোগও হতে পারে। তাই যদি বার বার মাথাব্যথা হয় বা খুব বেশি মাথাব্যথা হয়, তবে কিছু পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে। ডাক্তার পরীক্ষা করে নিশ্চিত হলে এবং ওষুধ দিলে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে। শেষ কথা: মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা। শিশুদেরও মাইগ্রেন হতে পারে। যাদের মাইগ্রেন থাকে, তাদের মাঝে মাঝে মাথাব্যথা হবেই। যখন প্রয়োজন, যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু ওষুধ খেতে হবে কারণ সব ওষুধই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। মাইগ্রেন ধরা পড়লে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। তবে অন্যান্য অনেক রোগেও মাথাব্যথা হতে পারে। তাই মাইগ্রেন জাতীয় ব্যথা হলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখানো উচিত এবং সঠিক পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়ার পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়া উচিত। মাইগ্রেন ব্যথা কখনও অবহেলা করা উচিত নয়। সকল নিউরোলজিক্যাল, চক্ষু, নাক, সাইনাস, দাঁত ইত্যাদি পরীক্ষা করেই শুধুমাত্র নিশ্চিত হওয়া সম্ভব রোগটি মাইগ্রেন কিনা। এই রোগের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে করা উচিত। মাইগ্রেন ব্যথার জন্য বহু ধরনের ওষুধ রয়েছে। এক এক রোগীর এক এক প্রকারের ওষুধে ভাল কাজ হয়। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ মাত্রায় খাওয়া উচিত। জটিল বা হঠাৎ মাথা ব্যথা হলে সব পরীক্ষা করার পর নিশ্চত হলে তবেই আপনার ডাক্তার আপনাকে সঠিক ওষুধ দিতে পারবেন। অন্য কোন রোগের জন্য মাথা ব্যথা হলে তার চিকিৎসাও সঙ্গে সঙ্গে করা উচিৎ। মাথা ব্যথা হলে অবহেলা না করে আপনার ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

Read more ...

Monday, September 19, 2011

ঘাড়ে ও হাতে ব্যথা

‘দোস্ত, আমাকে বাঁচাও’ বলে হাত উঁচু করে, ঘাড় কাত করে দশাশই চেহারার মিরাজ ডাক্তারের চেম্বারে ঢোকে। তার এ অবস্থা দেখে ডাক্তার প্রথমে বিচলিত বোধ করলেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে চিকিৎসা শুরু করেন। কয়েক ঘণ্টা পর রোগী একটু স্বস্তি অনুভব করে। পরের দিন এমআরআই পরীক্ষা শেষে ঠিক হয়, আপাতত অপারেশন লাগছে না। বন্ধু মিরাজের স্ত্রী চেম্বারে এসে ছলছল নয়নে জানতে চায়, মিরাজের কী হয়েছে? উত্তরে তাকে ডাক্তার বুঝিয়ে বলেন, মাথার খুলি থেকে কোমরের নিচ পর্যন্ত স্পাইনাল কলাম বা মেরুদণ্ড ৩২টি ভার্টিব্রার সমন্বয়ে গঠিত, এর মধ্যে ঘাড়ের অংশ সাতটি স্রাভাইকাল ভার্টিব্রা। মেরুদণ্ডের ভেতর এক দীর্ঘ নলাকার জায়গা একে স্পাইনাল ক্যানাল বলে।
এই ক্যানালের ভেতরে স্পাইনালকর্ড থাকে, যার মাধ্যমে মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য অংশের ভেতরে তথ্যের আদান-প্রদান হয়ে থাকে। মেরুদণ্ডের ভার্টিব্রাগুলোর মাঝে ক্যারম বোর্ডের ঘুঁটির আকারের নরম ডিস্ক থাকে, যার জন্য মানুষ সামনে-পেছনে-পাশে বাঁকা হতে পারে। চলাফেরার সময় ডিস্ক স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে। প্রতি জোড়া ভার্টিব্রার মধ্যে স্পাইনাল ফোরামেন নামের এক জোড়া ছিদ্র থাকে, এ পথ দিয়ে প্রতি লেভেলে এক জোড়া করে স্পাইনাল নার্ভ বাইরে বেরিয়ে আসে। হাত পায়ের অনুভূতি (ঠান্ডা-গরম, ব্যথা), নাড়াচাড়া—সবকিছু স্পাইনাল কর্ড ও নার্ভের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। এক কথায় এটা শরীরের ইনফরমেশন সুপার হাইওয়ে। যদি কোনোভাবে এই নার্ভ কর্ডে চাপ পড়ে, তাহলে এ ধরনের ব্যথা হতে পারে। ভাই, এটা কি ক্যানসার, ও বাঁচবে তো? ডাক্তারের উত্তর, ভাবি, একদম নিশ্চিন্ত থাকেন, এটা কোনো ক্যানসার নয়, তবে ক্যানসার রোগীদের এমন ব্যথা হতে পারে। ক্যানসার থেকে হাড় বসে গেলে এমআরআইতে দেখা যেত। আমি আশা করছি, কিছুদিনের মধ্যে সে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে।

একটা ব্যাপার ভাই আমার মাথায় কিছুতেই আসছে না! কী ব্যাপার, বলুন? আপনি বলছেন ঘাড়ে সমস্যা, কিন্তু ওর ব্যথা তো হাতে। স্মিত হেসে ডাক্তার বলেন, আচ্ছা একটা কথা চিন্তা করুন, বিদ্যুৎ তৈরি হলো ঘোড়াশালে, বাতি জ্বলছে এখানে। কিন্তু মাঝপথে তার ছিঁড়ে গেলে কি হবে? সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর আসে, কেন এ রুমের বাতি নিভে যাবে। এই তো ঠিক বলেছেন, ব্রেন মূল কেন্দ্র ঘাড় হয়ে হাতের ভেতরে আসা নার্ভ বিদু্যুতের লাইন, তাই লাইনে চাপ পড়লে হাত-পায়ের ভেতরে লক্ষণ প্রকাশ পায়। শুরুতে ঘাড়ে কিছু ব্যথা থাকে, ঘাড় বাঁকা করে দীর্ঘ সময় কাজ করলে সে ব্যথা শিরশির করে হাতের আঙুল বরাবর নামে, কখনো অবশ বা ঠান্ডা-গরম বা পিঁপড়া হাঁটার মতো অনুভূতি হতে পারে। এরপর আসে তীব্র ব্যথা, তখনো চিকিৎসা না হলে হাত দুর্বল হয়ে যাওয়া, এমনকি মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।

এমন কি কোনো নিয়ম আছে, যাতে এ রোগ না হয়? অবশ্যই কিছু নিয়ম আছে, যেমন ভারী ওজন বহন করা যাবে না (হাতেও না, মাথায়ও না), পানি তোলা যাবে না, ঘাড় বাঁকা করে দীর্ঘ সময় কাজ করা যাবে না (ড্রাইভিং, ড্রিল মেশিনে কাজ করা, সেলাই করা, নিচু টেবিলে লেখা, ছবি আঁকা), বাটনা করা, কুলা দিয়ে ঝাড়া, দা-কোদাল-কুঠার-খন্তা প্রভৃতি দিয়ে কোপাকুপি করা, টিউবওয়েল চাপা নিষেধ। কম্পিউটারের মনিটর, টেলিভিশন প্রভৃতি চোখের লেভেলে নিয়ে আসতে হবে। মাথায় পাতলা বালিশ দিয়ে ঘুমাতে হবে। ম্যাসাজ করানো যাবে না, তবে গরম পানির সেঁক বেশ উপকারী। ব্যথা কমে গেলে ঘাড়ের ব্যায়ামে সুফল পাওয়া যায়। এসবের পাশাপাশি চলাফেরার সময়ে ঘাড়ে একটি কলার পরতে হবে ও ফিজিওথেরাপির প্রয়োজন হতে পারে। আর এ ধরনের চিকিৎসায় কাজ না হলে ঘাড়ে অপারেশন করে নার্ভের চাপ কমিয়ে দিলে অত্যন্ত সুফল পাওয়া যায়।


Read more ...

ওজন কমাতে জেনে নিন

২০ কেজি ওজন কমাতে সফল হলেন অতি পরিচিত টিভি অভিনেত্রী, মডেল, নৃত্যশিল্পি সাদিয়া ইসলাম মৌ। স্বামী সফল অভিনেতা সবার প্রিয় জাহীদ হাসান। তাদের দুই সন্তান, পুষ্পিতা ও জারীফ। বগুড়ার মেয়ে মৌ, সিরাজগঞ্জের ছেলে জাহীদ হাসান। বিয়ের পর থেকে মৌ’র একটু একটু করে ওজন বাড়তে থাকে এবং ২ সন্তানের জননী হবার পর মৌ আর আদর্শ ওজনে থাকতে পারেনি। যেটা সব মায়ের-ই হয়ে থাকে। পূরো গর্ভকালীন সময়ে একজন মায়ের ১২-১৫ কেজি পর্যন্ত ওজন বেড়ে যায়। এবং প্রসবের পর থেকে সে যদি তার সঠিক খাদ্য তালিকা বেছে নিতে পারে, তবে সে তার সদ্যজাত সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানের পাশাপাশি নিজের অতিরিক্ত ওজনও কমাতে সক্ষম হবেন।

মৌ’র ২ সন্তান, পুষ্পিতা ও জায়িফ হবার পর থেকে ওজন বাড়তে থাকে। সে অনুভব করে তার পায়ে ব্যথা। তখনই সে বুঝেন অতিরিক্ত ওজন তার পায়ের ব্যথার অন্যতম কারণ। সে সিদ্ধান্ত নেয় ওজন কমাবার। অতিরিক্ত ওজনের কারণে শুধু পায়ের ব্যথা কেন?
ফুড রিলেটেড ক্রনিক ডিজিজ গুলো হলো:
(১) ডায়াবেটিস
(২) উচ্চরক্তচাপ
(৩) ডিসলিপেডিমিয়া:
(ক) রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য
(খ) রক্তে ট্রাইগ্লিসেরাইডের আধিক্য।
(৪) ফ্যাটি লিভার
(৫) হূদরোগের ঝুকি বেড়ে যাওয়া
(৬) পায়ের ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা, কোমড়ের ব্যথা।
(৭) মহিলাদের মাসিকের সমস্যা
(৮) ক্যান্সার বিশেষ করে মহিলাদের ব্রেষ্ট ক্যান্সার এর জন্য ওবেসিটি একটি কারণ
(৯) দাম্পত্য সমস্যা
(১০) অতিরিক্ত ওজন মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব ও শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ
(১১) শরীরে ফাটা দাগ এবং অতিরিক্ত ওজন একজন নারী অথবা পুরুষের বাহ্যিক সৌন্দ্যকে নষ্ট করে। আত্ববিশ্বাস কমিয়ে, মানষিক চাপ বৃদ্ধি করে।

মৌ যেভাবে ওজন কমালেন:
(১) ওয়েট রিডিউসিং ডায়েট চার্ট
(২) হাঁটা।
এই দুই পদ্ধতি ছাড়া কোন কিছুই করতে হয়নি তাকে। তবে হ্যাঁ তার ছিলো অদম্য ইচ্ছা শক্তি, ইচ্ছা শক্তি ছাড়া যে কোন পদ্ধতি অকার্যকর। ওজন কমাতে গিয়ে তাকে যে ছকের মধ্যে পড়তে হয়েছে তা হলো:
(১) ১০০% ইচ্ছা শক্তি
(২) ধৈর্য্য
(৩) ১০০% ডায়েট চার্ট মেনে চলা
(৪) ডায়েট নির্দেশিকা মেনেচলা
(৫) প্রতিদিন নিয়ম করে ১ ঘন্টা হাঁটা।
(৬) নির্দিষ্ট সময় পর পর ফলো-আপ এ আসা।
এই চিকিত্সা সে সম্পন্ন করেছেন শমরিতা হাসপাতালের খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগে। ওজন কমানোর জন্য প্রত্যেককে কিছু নিয়ম মানতে হবে:
(১) নিজের ইচ্ছা বা আগ্রহ
(২) রোগ প্রতিরোধের আগ্রহ
(৩) রোগের ভয়াবহ পরীনতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ
(৪) ওজন কমানোর সঠিক পদ্ধতি বেছে নেয়া
(৫) হাঁটার অভ্যাস আয়ত্ব করা
(৬) খাদ্যের পুষ্টিমূল্য সম্পর্কে সাধারণ ধারণা নেয়া
(৭) নিজের সৌন্দর্য বোধ সম্পর্কে সচেতন হওয়া, এসবগুলো আনুভূতি মৌ এর মধ্যে এসেছিল বলেই সে ওজন কমাতে পিছপা হননি।
প্রথম ৩ সপ্তাহে সে যে প্রাণপণ ভাবে ডায়েট চার্ট মেনে চলেছে তাতে তার ফল আসে, ৬ কেজি ওজন কমে যায়, এতে তার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে যায় এবং উত্সাহিত হন। অনেকে মনে করেন, প্রথম ১ মাসে ৫-৬ কেজি ওজন কমানো ক্ষতিকর। সঠিক ধারণাটি হলো শরীরে যখন কোন ব্যক্তির অতিরিক্ত ২০-৩০ কেজি ওজন থাকে তখন তাকে ভিএলসিডি এর মাধ্যমে প্রথম ১ মাসে ৫-৬ কেজি পর্যন্ত ওজন কমে যায়। এটি উক্ত ব্যক্তির জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়। তখন শরীরে সঞ্চিত শক্তি খরচ হয়ে তার স্বাভাবিক চলাফেরা, কাজকর্মে সাহায্যে করে।
মৌ’র ওজন কমানোর পিছনে যে শক্তি কাজ করেছে তা হলো:
(১) তার নিজস্ব ইচ্ছা শক্তি
(২) ওজন কমানোর খাদ্য তালিকা সে ১০০% মেনে চলেছে
(৩) তাকে বেঁধে দেয়া নির্দিষ্ট সময়ে সে নিয়মিত হেঁটেছে
(৪) আমার এড্যাভাইস এর বাইরে খাদ্য তালিকা পরিবর্তন করেনি
(৫) লাঞ্চ ও ডিনার পার্টিতে উপস্থিত থেকেও পার্টি খাবার এড়িয়ে চলেছেন
(৬) নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা ও হাঁটার বাইরে তার ওজন কমানোর চিকিত্সার পিছনে অন্য কোন প্রোসিডিউর এর সাহায্য নিতে হয়নি
(৭) চিকিত্সা খরচ এত সহনীয় ছিলো যে, এটি যে কোন স্থূলো (অতিরিক্ত ওজন) ব্যক্তির জন্য সস্তিকর।

ওজন কমাতে সর্তকতা:প্রত্যেকের ওজন উচ্চতা, লিঙ্গ, বয়স, শারীরিক অবস্থা, পেশাগত অবস্থা, রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্যের পার্থক্য, দির্ঘ মেয়াদী বিভিন্ন রোগ যেমন:
(১) ডায়াবেটিস
(২) উচ্চরক্তচাপ
(৩) হূদরোগ
(৪) কিডনি রোগ ইত্যাদি তারতম্যের ভিত্তিতে প্রত্যেকের খাদ্য তালিকা হবে ভিন্ন। একজনের খাদ্যতালিকা অন্যজনের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। তাই এ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। তানা হলে একটুখানি অসর্তকতা সারা জীবনের কান্না হতে পারে। ওজন কমাতে “ব্যালেন্স এবং ডায়েট” একথা ভূলে গেলে চলবে না।
আপনার খাদ্য তালিকায় ৬টি পুষ্টি উপাদানের সমন্বয় থাকতে হবে:
(১) প্রোটিন
(২) ফ্যাট
(৩) কার্বোহাইড্রেট
(৪) ভিটামিনস
(৫) মিরা রেনাস
(৬) পানি। এদের যে কোন একটি বাদ পড়ে গেলে শরীরে পুষ্টির অভাব হবে।
স্বল্প ব্যয়ে, কোন রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া সর্বোচ্চ নিশ্চয়তায় ওজন কমানোর সূত্র হলো:
(১) নিজের ১০০% ইচ্ছা
(২) ধৈর্য্য
(৩) ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা অর্থাত্ ডায়েট চার্ট
(৪) হাঁটা
(৫) খাদ্য নির্দেশনা।

উপরোক্ত ৫টি নিয়ম মেনে মৌ ২০ কেজি ওজন কমালেন, অন্য কোন কিছুই করেনি সে। মৌকে আমার অভিনন্দন। অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। শুধু দরকার উপরোক্ত ৫টি পদক্ষেপ।


Read more ...

Sunday, September 18, 2011

ভূমিকম্প হলে কি করবেন ?

পোস্টটি আবার দিলাম.......স্টিকি করলে সবাই পড়তে পারতো। বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা শহরে বড় কোন ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী হবে, সেটা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। ভূমিকম্পের সময় জান বাঁচানোর জন্য কী করণীয় সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিলাম।এগুলো অনেক ওয়েবসাইট ঘেটে নানা জনের ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি।


১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২। উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪। অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫। ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬। চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭। বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।


ভালো থাকবেন। আপনার কোন মতামত থাকলে জানাবেন।বাংলাদেশে বিশেষত ঢাকা শহরে বড় কোন ভূমিকম্প হলে পরিস্থিতি কী হবে, সেটা চিন্তা করতেও ভয় লাগে। ভূমিকম্পের সময় জান বাঁচানোর জন্য কী করণীয় সে সম্পর্কে কিছু টিপস দিলাম।এগুলো অনেক ওয়েবসাইট ঘেটে নানা জনের ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি।


১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।

২। উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- বিল্ডিং ভেঙ্গে পড়ার সময় সিলিং যখন কোন অবজেক্টের ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা void-এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘ট্রায়াঙ্গল অফ লাইফ’। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন সোফা বা বড় কোন অবজেক্ট যেটা কম কম্প্রেস করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। কোন সোফা বা দুই নাম্বার পয়েন্টে যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন অবজেক্টের পাশে আশ্রয় নিন।

৪। অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নীচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নীচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নীচে থাকেন তবে সিলিং-এর নীচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫। ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘মোমেন্ট অফ ফ্রিকোয়েন্সী’ বিল্ডিং-এর চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় বিল্ডিং ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬। চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। বিল্ডিং-এর ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ ব্লক হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের ওয়ালের কাছাকাছি থাকলে ব্লক কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭। বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

৮। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন

সবচেয়ে বড় কথা একটি ভূমিকম্পের সময় যেটুকু সময় পাওয়া যায় সেসময় মাথা ঠান্ডা রাখা অসম্ভব হয়ে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা করতে হবে।

Read more ...

Saturday, September 17, 2011

ব্রেইনের জন্য ১০টি খারাপ অভ্যাস

ব্রেইন বসিয়ে রাখা যেমন ঠিক নয়, অতিরিক্ত চাপে রাখাও অনর্থ ঘটায়। খাবার, পরিবেশ এবং অভ্যাসও ব্রেইনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এমন ১০টি ক্ষতিকর বিষয় নিচে দেয়া হলো-

১. সকালে নাশতা না করা
অনেকেই ব্যস্ততার কারণে সকালের নাশতা না করেই বাসা থেকে বের হয়ে যাই। কিন্তু এই অভ্যাসটা ভালো নয়। কারণ সকালে নাশতা না করলে নিম্ন রক্তে গ্লুকোজস্বল্পতার কারণে ব্রেইন পর্যাপ্ত পুষ্টি পায় না। এতে ধীরে ধীরে ব্রেইন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সকালের নাশতা করতে ভুলে যাবেন না।

২. অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ
অনেক সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলি। মনে হয় মাঝেমধ্যে একটু বেশি খেলে কী আর হবে! কিন্তু অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের অভ্যাস আমাদের ব্রেইনের রক্তনালির ইলাস্টিসিটি নষ্ট করে দেয়। ফলে অনেক ধরনের মানসিক সমস্যার উৎপত্তি হতে পারে।

৩. ধূমপান
ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব বলে শেষ করা যাবে না। তাই যারা ধূমপান করেন, তাদের জন্য সতর্কতা-ধূমপানে কেবল ফুসফুস ক্যান্সার নয় বরং এতে করে ব্রেইন সংকুচিত হয়ে যায়। ফলে আলঝেইমারস নামের স্মৃতি বিলোপকারী রোগেরও উদ্ভব হতে পারে।

৪. অতিরিক্ত মিষ্টি গ্রহণ
অনেকের ধারণা মিষ্টি বেশি খেলে ব্রেইন ভালো থাকে। কিন্তু অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে সেটা আমিষ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পরিপাক ও শোষণে বাধা সৃষ্টি করে যা ব্রেইনের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ব্রেইনের বিকাশ সাধনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।

৫. বায়ুদূষণ
বায়ুদূষণের জন্য ব্রেইনের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যায়। দূষণের ফলে অক্সিজেনসমৃদ্ধ বাতাস আমাদের ব্রেইনে যেতে পারে না। ফলে ব্রেইন ধীরে ধীরে পুষ্টির অভাবজনিত স্বাভাবিক কার্যকর ক্ষমতা হারাতে থাকে। তাই বায়ুদূষণযুক্ত পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন এবং বায়ুদূষণরোধে নিজেও অন্যকে সচেতন করুন।

৬. নিদ্রাহীনতা
ঘুম ব্রেইনের বিশ্রামের জন্য জরুরি। তাই পর্যাপ্ত ঘুম ব্রেইন কোষের স্বাভাবিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যারা দীর্ঘদিন ধরে নিদ্রাহীনতায় ভুগছেন কিংবা কাজের ব্যস্ততার জন্য ঘুমানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন না-তারা সতর্ক হোন। কারণ নিদ্রাহীনতা ব্রেইনের কোষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। সুতরাং পর্যাপ্ত ঘুমকে কেবল সময় নষ্ট হিসেবে নয়, বরং ব্রেইনের বিশ্রামের জন্য দরকারি হিসেবেও নিন।

৭. ঘুমানোর সময় মাথা আবৃত করা
অনেকে লেপ, কাথা বা চাদরে মাথা মুড়ে ঘুমান। এটা ব্রেইনের জন্য ভালো নয়। কারণ মাথা আবৃত করে ঘুমালে নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড ঘনীভূত হয় এবং অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। এতে ব্রেইনের ক্ষতি হয়।

৮. অসুস্থ শরীরে অতিরিক্ত কাজ
যখন অসুস্থ হই, তখন উচিত কোনো পরিশ্রমী কাজ অথবা পড়াশোনা থেকে বিরত থেকে ব্রেইনকে বিশ্রাম দেয়া। তা না হলে অসুস্থতার সময় অতিরিক্ত চাপ ব্রেইনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ফলে ব্রেইনের দীর্ঘমেয়াদি মারাত্মক ক্ষতিসাধন হয়।

৯. চিন্তা না করা
বেশি বেশি চিন্তা করুন, ব্রেইন কোষের উদ্দীপনার জন্য চিন্তা-ভাবনা করা অত্যন্ত জরুরি। যত বেশি সৃষ্টিশীল চিন্তায় মনোযোগ দিতে পারবেন, তত বেশি আপনার ব্রেইন কোষ উদ্দীপিত হবে। আপনি আরও বেশি দক্ষ ও মনোযোগী হতে পারবেন যেকোনো কাজে। কারণ চিন্তাহীন ব্রেইন ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে ব্রেইনের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে দেয়।

১০. কথা কম বলা
চুপচাপ থাকাও ব্রেইনের জন্য ক্ষতিকর। কারণ যত বেশি বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনায় অংশ নিতে পারবেন, সেটা ব্রেইনের স্বাভাবিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তত কাজে লাগবে। তাই চুপচাপ নয় বরং কার্যক্ষেত্রে বেশি বেশি আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্রেইনকে সতেজ রাখুন।

Read more ...

কেন আপনি সফট এবং এনার্জি ড্রিংকস খাবেন না

মোটা হওয়া মানে শুধু দেখতে খারাপ বা শারীরিক অস্বস্তির ব্যাপারই নয়। ওজন বাড়লে আপনি খুব অনায়াসে যে অসুখগুলোতে আক্রান্ত হবেন তা হলো টাইপ টু ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেশার,স্ট্রোক, হার্ট এটাক, ক্যান্সার, গলব্লাডারে পাথর, আর্থ্রাইটিস। পরিণামে অকাল মৃত্যু। মোটা হওয়ার সঙ্গে সফট ড্রিংকস-এর একটা সরাসরি যোগাযোগ আছে। বোস্টনের শিশু হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগ এবং হার্ভার্ড স্কুল একসাথে গবেষণা করে যা বের করেছে তাহলো, একটি শিশু যদি প্রতিদিন একটা করে বাড়তি সফট ড্রিংকস খায় তাহলে তার ওজন বাড়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায় ৬০%। এক বোতল বা এক ক্যান সফট ড্রিংকসে ক্যালরির পরিমাণ হলো ১৬০ যা ১০ চামচ চিনির সমান। এ পরিমাণ ক্যালরি ঝরাতে সপ্তাহে আপনাকে ভারী ব্যায়াম করতে হবে সাড়ে ৪ ঘণ্টারও বেশি। কিন্তু আপনি কি তা করেন? তাহলেই বুঝুন পরিণতি!
কারণ আপনি আপনার দাঁত হলুদ বানাতে চান না

ধরুন, আপনি আপনার বন্ধুদের একটা জাদু দেখাতে চান। আপনার ধবধবে সাদা মুক্তোর মতো দাঁতগুলোকে আপনি ১ ঘণ্টার মধ্যে স্থায়ীভাবে হলুদ করে ফেলবেন। কিছুই না, এক ঢোক কোলা মুখে নিয়ে ১ ঘণ্টা ধরে রেখে দিন। ব্যস, এনামেল ক্ষয়ে দাঁতগুলো হলুদ হয়ে যাবে। সফট ড্রিংকসের ঝাঁঝালো স্বাদ বাড়ানোর জন্যে এতে ফসফরিক এসিড ব্যবহার করা হয়। এ এসিড এত শক্তিশালী যে, একটা নখ এর মধ্যে ডুবিয়ে রাখলে ৪ দিন পর আর আপনি নখটাকে খুঁজে পাবেন না। তাছাড়া সফট ড্রিংকসে যে চিনি ব্যবহার করা হয়, ব্যাকটেরিয়ার প্রভাবে এটাও এসিড তৈরি করে।
কারণ আপনি ভঙ্গুর হাড় চান না

ফসফরিক এসিডের আরেকটি কাজ হলো হাড়ের ক্যালসিয়ামকে ক্ষয় করা। ১৯৯৪ সালে টিনএজ মেয়েদের ওপর চালানো হার্ভার্ডের এক গবেষণায় দেখা যায়, যে মেয়েরা সফট ড্রিংকস পান করে অন্যদের তুলনায় তাদের হাড়ভাঙার প্রবণতা ৫ গুণ বেশি। পরবর্তীকালে অস্টিওপরোসিস নামক হাড়ের ক্ষয়জনিত একটি রোগ এদের হতে পারে। এ রোগে হাড়ের ঘনত্ব কমে এবং গঠন দুর্বল হয়ে যায়। ফলে হাড় সহজে ভেঙে যায়। সাধারণত বয়স্ক মহিলাদের এ রোগটি বেশি দেখা দেয় আর আশঙ্কার কথা হলো, ভাঙা হাড় আর সহজে সেরে ওঠে না। ২,৫০০ প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার ওপর এ ধরনের আরেকটি গবেষণা চালিয়ে দেখা গেছে, এমনকি যারা নিয়মিত দুধ বা অন্যান্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করেন তারাও কোলাজাতীয় ড্রিংকসের ক্ষতিকর এ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকেন নি।
কারণ আপনি আসক্ত হতে চান না

প্রতি বোতল সফট ড্রিংকসে ক্যাফেইন আছে ৫০ মিলিগ্রামের মতো। সফট ড্রিংকস কোম্পানিগুলোর দাবি- এটা তারা ব্যবহার করছে স্বাদ বাড়ানোর জন্যে। কারণ ক্যাফেইনের তেতো স্বাদ অন্যান্য ফ্লেভারকে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু জন হপকিন্স মেডিকেল ইনস্টিটিউটের রোলান্ড গ্রিফিথ বেশ কয়েকজন মানুষকে বাজারের সাধারণ সফট ড্রিংকস এবং ক্যাফেইন ছাড়া ড্রিংকস খেতে দিয়ে দেখেন, ৯২% জনই এ দুটোর পার্থক্য বুঝতে পারে নি। তার মানে ক্যাফেইনের স্বাদের ব্যাপারটি সঠিক নয়। তাহলে ক্যাফেইন দিয়ে কী হয়? ক্যাফেইন আসলে আসক্তি সৃষ্টি করে। আপনি একবার যখন এতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন আপনি তখন শুধু এটাই চাইবেন। আর সব আসক্তি সৃষ্টিকারী উপাদানের মতো ক্যাফেইনও সাময়িকভাবে আপনার মুডকে চাঙ্গা করলেও দীর্ঘমেয়াদে এর রয়েছে অনেকগুলো ক্ষতিকর দিক। যেমন, এক বা দুই বোতল সফট ড্রিংকসই আপনার অনিদ্রা, নার্ভাসনেস ও দ্রুত হৃৎস্পন্দন সৃষ্টির জন্যে যথেষ্ট। বেশি পরিমাণে খেলে তা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন থেকে শুরু করে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ প্রবণতা, পেশিতে টান লাগা, অসংলগ্ন কথাবার্তা, বিষণ্নতা এবং উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টি করতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভবতী মহিলা- যারা সফট ড্রিংকস খেয়েছেন তাদের গর্ভপাত, সময়ের আগেই প্রসব বা কম ওজনের বাচ্চা জন্ম দেয়ার ঝুঁকি বেশি। ক্যাফেইনের আরেকটি প্রভাব হলো, এটা প্রস্রাবের প্রবণতা বাড়ায় এবং দেহকে পানিশূন্য করে ফেলে। তার মানে প্রখর রোদের মধ্যে সফট ড্রিংকস খেয়ে আপনি হয়তো ভাবছেন- যাক, শরীর থেকে যে ঘাম ঝরে যাচ্ছে তা পূরণ করছেন। আসলে ফল তার উল্টো। তার চেয়ে বরং পানি খান।
কারণ আপনি বদহজমে ভুগতে চান না

আমরা অনেকেই রিচফুড খাওয়ার পর সফট ড্রিংকস খেতে চাই এ ধারণায় যে, এতে খাবার দ্রুত হজম হবে। অথচ এটা যে কত ভুল ধারণা তা একটু বললেই পরিষ্কার হবে। আমাদের দেহ সাধারণত ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় খাবার হজম করে থাকে। কিন্তু সফট ড্রিংকস যখন পরিবেশন করা হয়, তখন এর তাপমাত্রা থাকে ৩/৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাজেই খাবার গ্রহণের পর যখন ঠান্ডা কোমল পানীয় পান করা হয়, তখন হজমে তো সাহায্য করেই না, উল্টো তাতে পচন ধরায়। তাছাড়া এসিডিক হওয়ার কারণে সফট ড্রিংকস পাকস্থলীর সংবেদনশীল এলকালাইন ভারসাম্য নষ্ট করে ফেলে। ফলে পেট ব্যথা, ফুলে যাওয়া, বদহজম, গ্যাস, টক ঢেকুর ইত্যাদি নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়।
কারণ আপনি ডায়াবেটিস বাঁধাতে চান না

চিনি এবং ওজনে এর ভূমিকার কারণে সফট ড্রিংকস ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়। আমেরিকান ডায়াবেটিক এসোসিয়েশনের ৪ বছর ধরে চলা এক গবেষণায় দেখা গেছে, যে মহিলারা সফট ড্রিংকস বেশি খান, তাদের টাইপ টু ডায়াবেটিসের ঝুঁকি সাধারণ মহিলাদের চেয়ে ২ গুণ বেশি।
কারণ আপনি ক্যান্সারের রোগী হতে চান না

সফট ড্রিংকস দেহে অক্সিজেনের পরিমাণ কমিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। ক্যারামেলের রং আনার জন্যে সফট ড্রিংকসে পলি-ইথিলিন গ্লাইকোল নামে যে রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, তা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্যে দায়ী। মজার ব্যাপার হলো, ‘ডায়েট কোলা’ নামে লোভনীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে যে সফট ড্রিংকস বিক্রি হয় তাতে চিনির পরিবর্তে এসপার্টেম নামে একটি কেমিকেল ব্যবহার করা হয়। দেহের ওপর এ উপাদানটির রয়েছে ৯২ ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব। তার মধ্যে রয়েছে ব্রেন টিউমার, বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিস, মৃগী এবং মানসিক ভারসাম্যহীনতা।
কারণ কিডনি ডায়ালাইসিসকে আপনি খুব সুখকর কিছু মনে করেন না

সফট ড্রিংকস যাতে বরফের মতো জমে না যায় সেজন্যে এতে ইথিলিন গ্লাইকোল নামের একটি উপাদান ব্যবহার করা হয়। এটি প্রায় আর্সেনিকের মতোই একটি বিষ। কিডনির ওপর এর প্রভাব খুব ক্ষতিকর। ১ ঘণ্টায় আপনি যদি ৪ লিটার কোক খান তাহলে কিডনি ফেইলিওর হয়ে আপনার মৃত্যু নিশ্চিত। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন- যারা সফট ড্রিংকস খান না বা পরিমিত খান, তাদের তুলনায় যারা প্রচুর পরিমাণে খান, তাদের কিডনিতে পাথর জমার হার প্রায় তিনগুণ! সফট ড্রিংকসে যে স্যাকারিন ব্যবহার করা হয়, তাতে ইউরিনারি ব্লাডার ক্যান্সার অর্থাৎ মূত্রাশয়ের ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
কারণ আপনি শ্বাসকষ্টে ভুগতে চান না

সফট ড্রিংকসের তাৎক্ষণিক বিপদ হচ্ছে গলা বা শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি। আমাদের নাকে, গলায় তথা শ্বাসতন্ত্রের শুরুর দিকের অংশে থাকে অসংখ্য সিলিয়া। শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে আমরা প্রতিনিয়ত যে ধূলিকণা, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস গ্রহণ করি এই সিলিয়াগুলো সেগুলোকে শরীরের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। সফট ড্রিংক খেলে এসব সিলিয়াগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। শুরু হয় টনসিলাইটিস, ফেরিংজাইটিস, ল্যারিংজাইটিস, ব্রংকাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো শ্বাসজনিত রোগ।
কারণ কীটনাশককে আপনি খাওয়ার জিনিস মনে করেন না

২০০৪ সালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ ও ছত্তিশগড় রাজ্যে কৃষকরা কোকাকোলাকে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। এ প্রসঙ্গে অন্ধ্র প্রদেশের রামকৃষ্ণপুরমের চাষী গটু লখমাইয়া বলেন, আমার তুলা চাষের কয়েক হেক্টর জমি জুড়ে আমি সফট ড্রিংকস স্প্রে করেছি। কারণ আমি দেখেছি এতে পোকা মরে যায়। অন্য চাষীরাও বলেছেন, সফট ড্রিংকস প্রচলিত কীটনাশকের তুলনায় দামে যেমন সস্তা, তেমনি ব্যবহারকারীর ত্বকের জন্যেও নিরাপদ।
কারণ আপনি অকালে বুড়িয়ে যেতে চান না

ম্যাসাচুসেটসের ৫০ বছর বয়স্ক একদল নারী-পুরুষ যারা প্রতিদিন ১ ক্যান বা এর বেশি করে সফট ড্রিংকস পান করেছেন, তাদের ওপর ৪ বছর ধরে চালানো এক গবেষণায় দেখা গেছে, তাদের মেটাবলিক সিনড্রোম বেড়ে গেছে ৪৪%। মেটাবলিক সিনড্রোম বাড়লে ডায়াবেটিস, হৃদরোগের ঝুঁকি যেমন বাড়ে তেমনি অকালে বুড়িয়ে যায় দেহ।
আর আপনি মুসলিম হলে এটি আপনার জন্যে হালাল না-ও হতে পারে

গবেষক মার্ক পেন্ডারগ্রাস্ট কোকাকোলার ওপর দীর্ঘ গবেষণা করে লিখেছেন দীর্ঘ নামের একটি বই- ফর গড, কান্ট্রি এন্ড কোকাকোলা : ‘দ্য ডেফিনিটিভ হিস্ট্রি অফ দ্য গ্রেট আমেরিকান সফট ড্রিংক এন্ড দ্য কোম্পানি দ্যাট মেকস্ ইট’। এ বইতে তিনি শতাব্দীব্যাপী গোপন করে রাখা কোকের ফরমুলা প্রকাশ করে দিয়েছেন। এ ফরমুলার একটি উপাদান হলো এলকোহল। সুতরাং আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন, তাহলে চিন্তা করে দেখুন আপনি কী খাচ্ছেন আর আপনার সন্তানকেই বা কী খেতে উৎসাহিত করছেন।

Read more ...

"কলার যে এত গুন যাদের জানা নাই জেনে নিন"

হতাশাঃ কলা খেলে মন-মেজাজ ফুরফুরে থাকে, হতাশা কেটে যায়।
ভিটামিনঃ কলাতে ভিটামিন-এ,ভিটামিন বি-৬, ভিটামিন বি-১২, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম থাকে।
রক্তশূন্যতাঃ কলা রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ হয়।
উচ্চ রক্তচাপঃ উচ্চরক্তচাপ ও স্ট্রোকের সম্ভাবনা প্রায় ৪০% কমিয়ে দেয়।
কোষ্ঠকাঠিন্যঃ কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাবেন।
গ্যস্ট্রিকঃ যাদের গ্যস্ট্রিক রয়েছে তাদের জন্য কলা প্রাকৃতিক এন্টাসিড হিসাবে কাজ করবে।
পোকামাকড়ের কামড়ঃ পোকামাকড় কামড় দিলে কোন ঔষধ দেবার আগেই যদি কলা সেই জায়গাতে কলা দেয়া যায় তাহলে লাল হয়ে ফুলে যাওয়ার ভাবটা কমে যায়।
অতিরিক্ত ওজনঃ কলা অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণঃ গর্ভবতী মহিলাদের শারীরিক ও মানসিক যে চাপের জন্য উচ্চতাপমাত্রা হয়ে থাকে সেটা কলা খেলে ঠান্ডা এবং নিয়ন্ত্রণে আসে।
ধূমপান ও টোব্যাকো আসক্তিঃ যারা ধূমপায়ী তাদের ধূমপান ত্যগ করার জন্য কলা অন্যতম উপকারী ফল

Read more ...

আপনি কি জানেন আপনার দৈনিক কতটুকু পানি প্রয়োজন ?


পানি মানবদেহের একটি অপরিহার্য উপাদান । আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পানি প্রয়োজন । সাধারণত আমরা জানি আমাদের দৈনিক প্রায় ০৮ গ্লাস পানি পান করা দরকার । এখন প্রশ্ন হল সব বয়সের জন্যই কি এই পরিমান পানি পান করা উচিত ? আজ আপনাদের জন্য রয়েছে একটি অনলাইন ক্যালকুলেটর যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনার ওজন অনুযায়ী আপনার দৈনিক কত আউন্স/মিলিলিটার/গ্লাস পানি দরকার ।
তাহলে দেখে নিন আপনার প্রযোজনীয় পানির পরিমান -



ক্যালকুলেটারটি ওপেন করতে ক্লিক করুন

Read more ...

দাঁতের যত্ন


দাঁত এবং মুখের যত্নের ব্যাপারে আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে। আমরা যারা জানি তারা অন্যকে জানাতে হবে আর শুধু জানালেই হবে না, তা মানতেও হেব। দাঁতের ও মুখের রোগ থেকে আমরা কম বেশী ভালো থাকতে হলে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশী জরুরী, তা হলো দাঁতের ফাকে অথবা মুখের ভিতরে যাতে খাবার অনেকক্ষণ জমে না থাকে। জমে থাকা খাবারই পরবর্তীতে দাঁতের ও মুখের নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির কারণ।
আমরা শরীর সুস্থ রাখার জন্য যেমন নানা ধরনের ব্যায়াম করে থাকি। তেমনি দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখার ব্যাপারেও কতগুলো সাধারণ নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। শরীর সুস্থ থাকার নামই স্বাস্থ্য আর এর জন্য আপনার দরকার খাবার গ্রহণ করা। যার জন্য আপনার দরকার সুস্থ দাঁত। এই দাঁত ও মাড়িকে সুস্থ রাখতে হলে কতগুলো সাধারণ নিয়ম-কানুন মেনে চললে, দাঁতের অনেক রোগের আশংকা থেকে একটু হলেও আপনার সুস্থ জীবনকে আরো সুন্দর ও প্রাণব‘ করবেঃ-

১. নিয়মিত, সময়মত এবং ভালো ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে, যেমন-প্রত্যেক দিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে নাস্তা খাওয়ার পরে।

২.খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে, যেমন- (ক) আঠালো জাতীয় খাবার খাওয়ার পর, মুখ ভালো করে কুলি করতে হবে (খ) যাদের পান খাওয়ার অভ্যাস আছে, পান খাওয়ার পর ভালো করে কুলি করে ফেলতে হবে আর রাতে ঘুম থেকে ওঠে পান খাওয়া যাবে না বা ঘুমানোর সময় মুখে পান নিয়ে ঘুমানো যাবে না (গ) যাদের সাধারণত চা খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস, তারা অবশ্যই চা খাওয়ার পরে যখন দাঁতটা ঠান্ডা হয়ে যাবে, তখন এক গ্লাস পানি খেতে হবে। তাতে দাঁতের মাঝে জমে থাকা দুধ ও চিনি দূর হয়ে যাবে (ঘ) ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

৩.দাঁতের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে যেমনঃ- (ক) দাঁত দিয়ে সুতা বা তার জাতীয় কোন কিছু কাটা যাবে না (খ) পানীয়র বোতলের মুখ বা কর্ক দাঁত দিয়ে খোলার চেষ্টা করা যাবে না (গ) সিমের বিচি অথবা এরকম শক্ত জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে (ঘ) অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪. বৎসরে অন্ততঃ ১ বার যে কোন ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর কাছ থেকে স্কেলিং করিয়ে নিতে হবে। হাতুরে ডাক্তার পরিহার করার মন-মানসিকতা সবাইকে গড়ে তুলতে হবে। কারণ যারা নিজেরাই জানে না, তারা অন্যের কোন উপকারে আসতে পারে না।
সর্বপোরি আমাদের নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে, শুধু তাই নয়, অন্যকেও সচেতন করে তুলতে হবে। আমাদের যে কোন রোগই হউক না কেন আমরা ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর কাছে যাব এবং অন্যকেও যেতে উৎসাহী করব। কারণ আমাদের সুন্দর এই পৃথিবীতে কারও রোগ হলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে দরকার একজন ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। সুস্থ থাকার প্রত্যাশা নিয়েই আমরা বেঁচে থাকব ইনশাল্লাহ।

Read more ...

আজমল হাসপাতালঃ শহরের সেরা কসাইখানা

স্বপ্নের শহর ঢাকা,তবে স্বপ্ন না বলে দুঃস্বপ্ন বললেও বুঝি খুব একটা ভুল হবে না। কারণ সহজ, আমরা এমন একটি জায়গায় থাকি যেখানে জীবনের কোন নিশ্চয়তা নেই। আমরা ঢাকা কমার্স কলেজের প্রাক্তন ছাত্র, আজকে যখন শুনলাম যে আমাদের বাংলা বিভাগের শিক্ষিকা তৃষ্ণা গাঙ্গুলি ম্যাম আমাদের মাঝে নেই, আমরা স্বাভাবিক ভাবেই স্তম্ভিত হয়েছি। জীবনে অনেক কঠিন পরিস্থিতি তে নিজেকে শক্ত রেখেছি, কিন্তু ম্যাম এর মৃতদেহ দেখে কিছুতেই নিজের চোখের পানি আটকাতে পারিনি। স্তম্ভিত ত আমরা হয়েছিলাম ই, কিন্তু তখন বুঝিনি যে আমাদের স্তম্ভিত হওয়া মাত্র শুরু। আমরা জানতে পারলাম, ঢাকায় আজমল নামের এক হাসপাতাল রয়েছে। ওখানে ম্যাম এর এ অবস্থা হয়েছে। আর জানলাম মৃত্যুর কারণ বাচ্চা সিজার হওয়ার পর রক্ত শুন্যতা। ঢাকার মত একটা শহর, যেটাকে নাকি বলা হয় মেগাসিটি, সেখানে একটা মানুষ সিজার এর মত সিম্পল অপারেশন এ মারা যায় কিভাবে তা মাথাতে এলো না। অপারেশন এর আগে প্রয়োজনিয় রক্তের জোগান রাখা একটী মৌলিক কাজ, সেটাও কি তারা জানেন না? আরও শুনলাম তাদের ডিজিটাল এক্সরে যন্ত্র নেই এমন কি জ়রুরী বিভাগ অর্থাত আই.সি.ইউ ও নেই! ওখানে নাকি আগেও এভাবে অনেক রোগি মারা গেছেন। ডাক্তার রা কি বোঝেন না যে তাদের গাফিলতির জন্য আমাদের কত আপনজন কে আমরা হারাচ্ছি? আজ তৃষ্ণা গাঙ্গুলি ম্যাম মারা যান নি তাকে হত্যা করা হয়েছে। ডাক্তার দের বলছি আপনারা কসাই নন, যে টাকায় বেতন পান ওই টাকা আমাদের ই। আমরা বাচতে ওই টাকা দিয়েছি মরতে নয়। আজকে আজমল হাসপাতাল আমরা ধুলোয় মিশিয়েছি, এতে করেই বুঝে নেবেন কোন কিছুতে সহজে পার পাওয়া এত সহজ নয়।

Read more ...

Friday, September 16, 2011

এইমাত্র শুনলাম....MBBS(Doctor) মানে কি?

এইমাত্র ফার্মেসিতে গিয়েছিলাম ঔষধ আনতে...
ফার্মেসিতে এক মাঝ বয়সি লোক এক মুরব্বিকে বলছেন আপনি একজন MBBS(Doctor) দেখান না কেন?
উত্তরে মুরব্বি বললেন MBBS(Doctor) অর্থ জানেন?
MBBS(Doctor) অর্থ হচ্ছে...
মানুষ বাঁচানোর বৃথা সংগ্রাম।
মুরব্বির মুখে ফুটে উঠেছে চিকিৎসকদের অবহেলার কিংবা অতি মাত্রায় ব্যবসায়ীক মনোভাবের কথা।
যেটাই হোক ভাবলাম, আসলেই কি তাই আমাদের দেশের চিকিৎসকদের অবহেলায় আমরা মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছি?
যদি তাই হয়, কেন?

Read more ...

"নাকডাকা" অসচেতনতায় বড়মাপের অসুস্থতা।




মানুষ কেন নাক ডাকে?
যখন কারও নাক ডাকে, তখন তাকে লক্ষ্য করলে দুটো জিনিস দেখতে পাওয়া যায়। যার নাক ডাকছে সে চিত হয়ে শুয়ে আছে আর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। গভীর ঘুমের সময় শ্বাস-প্রশ্বাস খুব গভীর হয়। একে বলে গভীর শ্বাস। চিত হয়ে থাকার সময় আমাদের জিভ গলবিলের ভিতর ঠেলে যায়। ফলে বাতাসের পথ সংকীর্ণ হয়ে আসে। গভীরভাবে শ্বাস নেওয়ার সময় বাতাস ওই সংকীর্ণ পথে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায়। ফলে বাতাসের বেগ আরও বেড়ে যায়। তালুর পিছনে যে নরম তালু রয়েছে, বাতাসের চাপে তাতে কাঁপন হয়। এর ফলে যে শব্দের সৃষ্টি হয়, তাকেই আমরা নাসিকা গর্জন বা নাকডাকা বলে থাকি।
কেউ নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে_ভাবলেই মনে হবে আহ্ লোকটা কী শান্তিতে ঘুমাচ্ছে। কিন্তু নাকডাকা মোটেই কোনো শান্তির লক্ষণ নয়। নাকডাকার পেছনে বেশ কিছু অসুখ দায়ী। এর মধ্যে আছে প্রাণঘাতী অসুখও। আর যদি বিছানা কারো সঙ্গে শেয়ার করতে হয়, তাহলে নাকডাকার কারণে ওই সঙ্গীর ঘুমের বারোটা বেজে যেতে পারে। পাশ্চাত্যে অনেক বিয়ে ভেঙে যায় শুধু নাকডাকার কারণে। আমার স্কুল কলেজ জীবনের সহপাঠি ঘনিষ্ট বন্ধু মনির যে এখন আমার রুমমেট।তার নাকডাকার পরিমান এত বেশী যে আমার ঘুম আসতে খুবই কষ্ট হয়। গভীর সম্পর্কের কারনে কিছু বলতে ও পারি না। অনেকটা সহ্য করেই গভীর রাত পর্যন্ত জেগে কমপিউটার নিয়ে বসে থাকি।কয়েক দিন আগে তাকে নিয়ে ডাঃ কাছে গিয়েছিলাম ডাঃ কোন ঔষধ না দিয়ে কিছু পরামর্শ দেয়। কিন্ত পরামর্শে কোন কাজ হচ্ছে না। বরং আমার বন্ধু আমার জন্য কানের তুলি নিয়ে আসে যাতে ওর নাক ডাকার আওয়াজ আমার কানে না আসে।তারপরও কাজ হচ্ছে না। তার নাক ডাকার আওয়াজ এত বেশী যে তুলি ব্যবহারের পর হেড ফোন লাগিয়ে গান শুনলেও আওয়াজ আমার কানে আসে। তবে এই পদ্ধতিতে আমার বন্ধুর কোন উপকার না হলেও আমার কিছু উপকার হয়েছে অন্য কোন আওয়াজ না আসায় আমার সকাল বেলার ঘুম ভাল হয়।
যে অসুখে নাকডাকে
সাধারণত মুটিয়ে গেলে, নাকের সাইনাসে সমস্যা থাকলে, নাকে পলিপ থাকলে কিংবা অ্যালার্জির কারণে মানুষ যখন ঘুমিয়ে যায় তখন শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বিশেষ শব্দ হয়। এ শব্দই নাকডাকা। তাছাড়া স্লিপ অ্যাপনিয়া বা ঘুমের মধ্যে নিঃশ্বাস সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যাওয়া নামের একটি অসুখের কারণে বহু মানুষ নাকডাকে। এ অসুখের কারণে শ্বাস বন্ধ হয়ে ঘুমের মধ্যে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।জীবনের কোন একটা পর্যায়ে কমবেশি সবাই নাক ডাকায় অভ্যস্ত থাকে৷ বিশেষ করে শরীরের ওজন যাদের মাত্রাতিরিক্ত তাদের বেলায় এই প্রবণতা একটু বেশি৷ গবেষকদের মতে, পুরুষদের মধ্যে ৪০ এবং মহিলাদের মধ্যে ২৪ ভাগই নাক ডাকায় অভ্যস্ত৷ ঘুমের ঘোরে নাক ডাকলেও এদের কেউই তা টের পান না কিংবা টের পেলেও দোষের কিছু মনে করেন না তারা৷ কিন্তু আশেপাশে অবস্থানকারীদের এটি মহাবিরক্তির কারণ৷ স্বামীর নাকডাকা অভ্যাস সহ্য করতে না পেরে আলাদা বসবাস এমনকি বিয়ে বিচ্ছেদের মতো ঘটনার নজিরও চোখে পড়ে৷ চোখে পড়ে এর উল্টোটিও৷ এসবের কথা বাদ দিয়েই বিজ্ঞানীরা শুনিয়েছেন এ সংক্রান্ত এক ভয়ংকর তথ্য৷ তাদের মতে, উচ্চগ্রামে নাকডাকা অভ্যাসের সঙ্গে রয়েছে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের নিবিড় যোগসূত্র৷
হাঙ্গেরির একদল বিজ্ঞানী সম্প্রতি ১২ হাজার নারী-পুরুষের সাক্ষাতকার গ্রহণ করেন৷ এ সময় তাদের কাছে নাকডাকা অভ্যাস সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে বেরিয়ে আসে ভয়ংকর সব তথ্য৷ প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্তের উপর নির্ভর করে বিজ্ঞানীরা একটি নিবন্ধ রচনা করেন৷ ঐ নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, শরীরের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হলে নাকডাকার প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে৷ আর এ কারণেই ঘুমের ঘোরে যারা নাকডাকায় অভ্যস্ত অন্যদের তুলনায় তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকে ৩৪ ভাগ বেশি৷ পক্ষান্তরে, সাধারণ লোকের চেয়ে তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে ৬৭ ভাগ৷ গবেষকদের ভাষায়, উচ্চগ্রামে নাকডাকা ও শব্দ করে নিঃশ্বাস ফেলার প্রবণতা থেকে সহজেই হৃদরোগ সনাক্ত করা হয়৷ তাদের মতে, একেবারে নীরবে যারা শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ-বর্জন করেন তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি একেবারেই কম৷

বিজ্ঞান বলছে, ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা মানেই অসুস্থতা, তা কিন্তু নয়৷ বার্লিনের শারিটে ইউনিভার্সিটির স্লিপ মেডিসিন বিভাগের প্রধান গবেষক আলেকজান্ডার ব্লাউ বেশ দীর্ঘ গবেষণার পর জানিয়েছেন, অনেক ক্ষেত্রেই নাকডাকা কোন একটা অসুস্থতার লক্ষণ, কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা বাস্ততবসম্মত নয়।
কিন্তু ঘুমের মধ্যে নাক ডাকার কারণ সম্পর্কে জার্মান গবেষণাকেন্দ্র ডিজিএসএম- এর ইয়ান লোয়লার বলছেন, নাকের হাড়ের গঠনে বিচ্যুতি থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে মদ্যপান, নাক ডাকার কারণ একটি নয় অনেকগুলো। সেগুলোর ব্যাখ্যা দিয়ে তাঁর মন্তব্য, যে সমস্ত ব্যক্তির নাক ডাকে বিস্তর পরিমাণে, তাঁদের কিন্তু সতর্ক হওয়া দরকার, কারণ নাক ডাকা বড়মাপের অসুস্থতা ডেকে আনতে পারে।
ডিজিএসএম এর গবেষণা বলছে, যে সব মানুষ ঘুমের মধ্যে বিস্তর পরিমাণে নাক ডাকায় ভোগেন, তাঁদের চিকিৎসার পরিভাষায় বলা হয়, ম্যালিগন্যান্ট স্নোরিং। বিশদভাবে বললে, অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ আপনিয়া (Obstructive Sleep Apnea) বা সংক্ষেপে ওএসএ। যারা এই ওএসএ-র শিকার তাঁদের অনেকেই ভোগেন হার্টের সমস্যায়। এদের মধ্যে কারও যদি থাকে উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের মত রোগ, তাহলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে নাক ডাকতে ডাকতে অনেক সময় ত্রিশ সেকেন্ড পর্যন্ত কোন অক্সিজেন শরীরে পৌঁছায় না সেই ব্যক্তির। রক্তে কার্বনের পরিমাণ বাড়তে থাকে৷ সেটা তো মস্ত এক জটিলতা।
ডিজিএসএম তাদের গবেষণায় বলেছেন, যারা এই ওএসএ তে ভুগছেন, সচরাচর সারারাত নাক ডেকে ঘুমিয়েও পরের দিনটা তাঁরা অবসন্ন বোধ করেন, ঝিমুনি আসে, কাজে ছন্দ পান না। তার কারণটাও ওই রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াটা তাঁদের জন্য জরুরি।দ্রুত এই সমস্যা দূর করার উপায়ও বলেছে ডিজিএসএম। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমোতে যাওয়াটা জরুরি। ঘুমের আগে কোন অবস্থাতেই অ্যালকোহল পান না করা দরকার এবং সেইসঙ্গে চিকিৎসা তো অবশ্যই।
নিজস্ব চিকিৎসা পদ্ধতি:
* চিৎ বা উপুড় হয়ে না ঘুমিয়ে কাত হয়ে ঘুমান।
* মুটিয়ে গিয়ে থাকলে ওজন কমান।
* নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে নিশ্চিত হোন নাকে কোনো অসুখ আছে কি না।

স্লিপ অ্যাপনিয়া বা ঘুমের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হওয়ার রোগ আছে কি না, তা দেখান। দেশের বেসরকারি কয়েকটি হাসপাতালে এখন এ রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা হচ্ছে।
এর আগে যদিও বিজ্ঞানীরা সনাক্ত করেছিলেন যে, নাকডাকা অভ্যাসের সঙ্গে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের নিবিড় যোগসূত্র রয়েছে-এবারই হাঙ্গেরীয় বিজ্ঞানীরা এর সঙ্গে মুটিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হলেন৷ তবে আশার বাণীও শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ তারা জানান, পুরুষদের নাকডাকার প্রবণতা-৭০ বছর বয়সের পর ধীরে ধীরে কমতে থাকে৷ তাদের মতে, নাকডাকার মতো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা এড়াতে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত৷ এজন্য নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই৷ পাশাপাশি সুষম খাদ্যাভ্যাসও গড়ে তোলা জরুরী৷ তবে নাকডাকা প্রবণতা পরিহার করা যেতে পারে৷সুতরাং, আর হাসাহাসি নয়, নাকডাকা নিয়ে সচেতনতা বাড়ানো উচিত। নাক ডাকা থেকে অনেক রোগেরও সৃষ্টি হতে পারে। তাই ভালো করে ঘুমোতে চান, সুস্থ হয়ে বাঁচতে চান, তো নাকডাকা আগে কমান।
তথ্যসূত্র:
∙বাংলাটাইমস টুয়েন্টিফোর
∙ডা. সাঈদা ফাতেমা
∙গবেষণা, স্বাস্থ্য

Read more ...