Showing posts with label দেশ. Show all posts
Showing posts with label দেশ. Show all posts

Tuesday, November 1, 2011

দীপু মনির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর গত ৩৪ মাসে তিনি প্রায় ১৩ মাস কাটিয়েছেন বিদেশের মাটিতে

বিদেশ সফরে সেঞ্চুরি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ১০১তম সফরে তিনি গতকাল রাতে সৌদি আরব গেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর গত ৩৪ মাসে তিনি প্রায় ১৩ মাস কাটিয়েছেন বিদেশের মাটিতে। রেকর্ড গড়া এই বিদেশ সফরে দেশের জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য অর্জন নেই। বাংলাদেশের আগের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বিদেশ সফরের রেকর্ড অনেক আগেই ভেঙেছেন ডা. দীপু মনি। শুধু রেকর্ড গড়া বিদেশ সফর নয়, নানা কারণে আলোচিতও তিনি। বিভিন্ন সময়ে দায়িত্বহীন বক্তব্য দিয়ে সমালোচিত হয়েছেন তিনি। বিদেশ ভ্রমণ ছাড়া তার আর কোনো কাজ আছে কিনা—এমন প্রশ্ন হরহামেশাই তোলা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে। তাতেও তিনি দমে যাননি। বিরামহীনভাবে দেশে দেশে ঘুরছেন। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দেশের স্বার্থরক্ষায় ব্যর্থ এ মন্ত্রীর দিল্লিকে খুশি রাখার চেষ্টায় কোনো কমতি নেই। ভারতের চাহিদা অনুযায়ী সবকিছু উজাড় করে দেয়ার পরও বাংলাদেশের ন্যায্য অধিকারগুলো নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর এ ব্যর্থতার দায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীরই।
ডা. দীপু মনির এই ১০১ বার বিদেশ সফরের মধ্যে তিনি মাত্র ১৫-১৬ বার গেছেন দ্বিপক্ষীয় সফরে। বাকি সফরে গিয়েছেন তিনি বিভিন্ন সম্মেলন, সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামে যোগ দিতে।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিদেশ সফর সম্পর্কে বলেন, আমরা এখন আর কোনো হিসাব রাখি না।
৯৭তম সফর পর্যন্ত হিসাব ছিল। এখন আর রাখছি না। মন্ত্রী তো কোনো একটা দাওয়াত পেলেই বিমানে চড়ে বসেন। দেশের জন্য তেমন কোনো ফল আসে না এসব সফর থেকে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০০৯ সালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩৪ বার বিদেশ সফর করেন। ১ বছরে বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটা ছিল রেকর্ড সংখ্যক বিদেশ সফর। ওই ৩৪ বার বিদেশ সফরে তিনি প্রায় ৪ মাস বিদেশের মাটিতে কাটান। কাকতালীয়ভাবে ২০১০ সালেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৩৪ বার বিদেশ সফর করেন।
তবে এসব সফরে তিনি ১৪৬ দিন অর্থাত্ প্রায় ৫ মাস বিদেশের মাটিতে কাটান। চলতি বছর গত ১০ মাসে ডা. দীপু মনি ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জার্মানি, রাশিয়া, চীন, মিয়ানমার, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব, মিসর, তিউনিসিয়া, কুয়েত, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশ অন্তত ৩৩ বার সফর করেছেন। সৌদি আরব, ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রে তিনি সফর করেছেন একাধিকবার।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর ডা. দীপু মনি ভারতের সঙ্গে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তোলার ঘোষণা দেন। গত ৩ বছরে ভারতকে রীতিমতো সবকিছু উজাড় করে দিয়েছে বর্তমান সরকার। ফ্রি ট্রানজিট, করিডোর সুবিধা, বিদ্রোহ দমনে বাংলাদেশকে সঙ্গী করা, উলফা নেতাদের ভারতের হাতে তুলে দেয়া, বন্দর ব্যবহারসহ দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ভারত যা যা চেয়ে আসছিল তার সবই পূরণ করা হয়েছে। ভারতের জন্য ট্রানজিট সুবিধা সঠিকভাবে কার্যকরের জন্য অবকাঠামো তৈরি করতে উচ্চ সুদে ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিতেও কোনো কুণ্ঠাবোধ করেনি সরকার। যদিও এই ঋণ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি। সন্ত্রাস দমনে ভারতকে সহায়তা দিতে ভারতের প্রস্তাবিত ৩টি চুক্তিও সই করেছে বাংলাদেশ।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরের সময়ে বাংলাদেশকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারত একটি ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট সই করিয়ে নিয়েছে।
অন্যদিকে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন, সীমান্ত হত্যা বন্ধের মতো বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোতে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে রীতিমতো ঢাকার সঙ্গে প্রতারণা করেছে দিল্লি। এরপরও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারত বন্দনার শেষ নেই। কোনো ফি ছাড়াই ভারতের পণ্য এখন বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে। অথচ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদেশের স্বার্থরক্ষায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে বলেছেন, ভারতের কাছ থেকে সব চার্জ আদায় করা হচ্ছে।
তবে অনেক ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উপেক্ষিত থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর দুই উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান এবং ড. গওহর রিজভী পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাদ দিয়েই অনেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তাই বার বার প্রশ্ন উঠছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চালায় কে?
শুধু ভারতকে খুশি করতে গিয়ে বাংলাদেশ এখন বন্ধুহীন হয়ে পড়ছে। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশে জনশক্তি রফতানিতে ধস নেমেছে। বার বার সৌদি আরব সফর করেও বাংলাদেশী শ্রমিকদের আকামা সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয়নি। মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রফতানির দুয়ার এখনও বন্ধ। গ্রামীণ ব্যাংকসহ নানা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এক অবনতিশীল সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশকে আস্থায় নিতে পারছে না চীন।
সব মিলিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার চিত্রই ফুটে উঠছে। পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত পর্যন্ত এতো ঘোরাঘুরি করেও বাংলাদেশের ইমেজ রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন হলো, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নেতিবাচকভাবে আলোচিত হচ্ছে বাংলাদেশ। পদ্মা সেতু নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে অর্থায়ন বন্ধ করেছে বিশ্বব্যাংক, এডিবি ও জাইকা। দুর্নীতির ব্যাপারে কড়া সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো অব্যাহতভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে সক্ষমতা হারাচ্ছে বাংলাদেশ। যুদ্ধাপরাধের বিচারে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হওয়ার বিষয় নিয়েও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। অর্থাত্ আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের বদনাম বাড়ছে আর বাড়ছে।
বিদেশ ভ্রমণ আর দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার পাশাপাশি উদ্ভট সব মন্তব্য এবং কাজের জন্য সব সময়ে আলোচনায় আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০০৯ সালের জানুয়ারি মাসে ডা. দীপু মনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ফেব্রুয়ারি মাসে ভারতের তত্কালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি ঢাকা সফরে আসেন। তখন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এক ভারতীয় সাংবাদিক বাংলাদেশকে পাকিস্তানের বাফার স্টেট বলে মন্তব্য করেন। সেদিন বাংলাদেশের সাংবাদিকদের তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেন। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সেদিন বলেছিলেন, ভারতীয় সাংবাদিকদের মন্তব্যের গুরুত্ব বোঝেননি দীপু মনি।
গত ১৯ অক্টোবর ফটোগ্রাফার হিসেবে ডা. দীপু মনিকে দেখা গেছে। তিনি ছবি তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনবিঘা করিডোর দিয়ে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যান। প্রধানমন্ত্রী সেখানে বিদ্যুত্ সঞ্চালন কার্যক্রম, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন এবং ১০ শয্যার একটি হাসপাতাল উদ্বোধন করেন। এছাড়া তিনি তিনবিঘা করিডোরে ১৫ মিনিটের এক চা-চক্র অনুষ্ঠানে অংশ নেন। দেখা যায়, এ সময় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ছবি তোলার দৃশ্য কয়েকটি টিভি চ্যানেলে প্রচার হয়। এটা নিয়ে বেশ আলোচনাও হয়েছে। এর একদিন আগে গত ১৮ অক্টোবর তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজের এলাকার শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়েছেন। এ ঘটনাও পত্রিকার শিরোনাম হয়েছে।
এর আগে একবার বিদেশের মাটিতে তিনি সবার নজর কাড়েন অটোগ্রাফ শিকারি হিসেবে। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লি সফরে যান। ওই সফরে প্রধানমন্ত্রীকে ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার দেয়া হয়। ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল রাষ্ট্রপতি ভবনে ওই পুরস্কার প্রদান করেন। ওই অনুষ্ঠানে দীপু মনিকে দেখা গেল অটোগ্রাফ শিকারি হিসেবে। সেই ভরা মজলিসে সবাই দেখলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিভা পাতিল, সোনিয়া গান্ধী এবং ড. মনমোহন সিংয়ের অটোগ্রাফ সংগ্রহ করছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেদিন অটোগ্রাফগুলো নিয়েছিলেন আমন্ত্রণপত্রের ওপর। এছাড়া সম্প্রতি তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তির ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি গণক নই। এই গণক নিয়ে এখনও আলোচনা হয়। তবে তিনি গণক না হলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি যে ব্যর্থ তা বিভিন্ন মহল থেকে উচ্চারিত হচ্ছে। অনেকে তাকে ভ্রমণপ্রিয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন


Click This Link

Read more ...

ইলেকট্রিক ডিভাইস দিয়ে খুব সহজেই নির্ধারণ করুন আপনার টাকা আসল না জাল?

জাল টাকা হাতে পাননি জীবনে এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম । আজ আমি এখানে জাল টাকা ধরা যায় এ রকম একটি সস্তা ইলেকট্রিক ডিভাইস নিয়ে কথা বলবো । আগের যে কোন সময়ের থেকে এখন জাল টাকার পরিমাণ বেশী । খুব সাবধান না হলে যে কেউ প্রতারণার স্বীকার হতে পারেন । বিশেষ করে ১০০০ টাকার নোট এখন অনেক বেশী পরিমাণে জাল হচ্ছে । মূলত আমাদের অসচেতনতা এবং অজ্ঞতার কারণেই জাল টাকা নির্ধারণ করতে পারি না । অনেক গুলো বিষয় আছে যা দ্বারা জাল টাকা ধরা যায় তবে ইলেকট্রিক ডিভাইস সবচেয়ে নির্ভুল এবং সহজ পদ্ধতি । আমি এখানে আপনি কিভাবে ইলেকট্রিক ডিভাইস ব্যবহার করে জাল টাকা নির্ধারণ করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবো । প্রথমে আসুন আমরা জেনে নিই আমাদের টাকায় জাল টাকা নির্ধারণের জন্য কি কি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে ।

বাংলাদেশী নোটগুলোর সিকিউরিটি ব্যবস্থা –


০১. নোটগুলো অসমতল (আপনি হাত দিয়ে নাড়লে বুঝতে পারবেন) কারণ এগুলো সিনথেটেক ফাইবার মিশ্রিত কাগজে তৈরি করা হয় ।

০২. ১০০০ টাকার নোটে শেখ মুজিবের বাম পাশে ৪ মি.মি হলোগ্রাফিক সুতা আছে যা রং পরিবর্তনশীল । সরাসরি তাকালে সাদা এবং ৯০ ডিগ্রী অ্যাংগেলে কালো রং প্রদর্শন করবে

০৩. ১০০০ টাকার নোটের (অন্যান্য নোটেও) উপরের ডান পাশে রং পরিবর্তনশীল টাকার সংখ্যা লেখা আছে (১০০০,৫০০…….)

০৪. শেখ মুজিবের ডানপাশে ঠিক নিচে দেখেবেন বর্ডারের মাঝে লুকানো অবস্থায় ১০০০ টাকা লেখা আছে ।

ডিভাইস কিভাবে আপনাকে সাহায্য করবে টাকা জাল না আসল –


মূলত আপনি সচেতন থাকলে হয়তো ডিভাইস বাদেও জাল টাকা ধরতে পারবেন তবে এটা সময়সাধ্য আর প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে বিষয়টা কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিনে দিনে । জাল টাকা ধরার জন্য বিভিন্ন রকম ইলেকট্রিক ডিভাইস আছে । এগুলোর দাম খুবই কম । আমি আপনাদের ডিভাইসগুলো নিয়ে বেসিক একটা ধারণা দিচ্ছি ।

Counterfeit Detector Pen


সাধারণত যারা জাল টাকা তৈরি করে এরা কাঠ দিয়ে তৈরি কাগজ ব্যবহার করে কিন্তু আসল টাকা তৈরি হয় সিনথেটিক ফাইবার মিশ্রিত কাগজ দিয়ে । Counterfeit Detector Pen এই বিষয়টা ফোকাস করে টাকা জাল না আসল এটা নির্ধারণ করে । Counterfeit Detector Pen এ ব্যবহার করা হয় iodine এবং starch নামক দুই ধরনের কেমিক্যালের মিশ্রণ যা সিনথেটিক ফাইবার কাগজে কোন রং পরিবর্তন করে না । ধরুন এ কলম দিয়ে আপনি ১০০০ টাকার নোটের উপর লিখলেন কিন্ত এর ফলে টাকার কালারের কোন পরিবর্তন হবে না কারণ সিনথেটিক ফাইবার মিশ্রিত কাগজে এরা বিক্রিয়া করে না । কিন্ত আপনি যখন জাল টাকায় যেগুলো সবসময় wood based কাগজ দিয়ে তৈরি করা হয় এটা ব্যবহার করবেন লেখার সাথে সাথে টাকার রং এর পরিবর্তন ঘটবে এবং একধরনের অমোচনীয় কালো রং এর দাগ পড়বে । এই ডিভাইস দ্বারা বাংলাদেশের সব টাকা পরীক্ষা করে দেখেতে পারবেন । ডিভাইসটির দাম খুবই কম । দাম এবং কেনার জন্য আপনি এই (click here) সাইটে যেতে পারেন ।

আলোর সাহায্যে জাল টাকা নির্ধারক ডিভাইস –


আসল টাকা সবসময় অসমতল এবং আমাদের টাকার উপরে ডান পাশে রং পরিবর্তনশীল সংখ্যা ব্যবহার করা হয় । এই দুইটা বিষয়ের উপর ফোকাস করে মূলত এই ডিভাইস কাজ করে । কারণ জাল টাকা কখনোই অসমতল না, আপনি যখন UV Counterfeit ডিভাইসটি দিয়ে টাকার উপর আলো ফেলবেন এটা যদি অসমতল হয় তাহলে নীল আলোর মাধ্যমে আপনায় জানিয়ে দিবে টাকাটা আসল । আর যদি টাকা অসমতল না হয় সেক্ষেত্রে আপনার জন্য লাল বাতি অপেক্ষা করবে । একই ভাবে আপনি রং পরিবর্তনের বিষয়টা ধরতে পারবেন । এই ডিভাইসটিও অনেক সস্তা । দাম এবং কেনার জন্য আপনি এই (click here) সাইটে যেতে পারেন ।

সবশেষে কিছু কথা বলি, টাকা আসল না জাল এটা আমরা কষ্ট করে হয়তো ধরতে পারবো তবে সবসময় এটা সম্ভব না । সেক্ষেত্রে এই ডিভাইসগুলো আপনায় অনেক প্রকারের বিপদ থেকে উদ্ধার করবে । যে কোন প্রকার ভুলের কারণে “দু:খিত” । ভাষার ভুল থাকলে দয়া করে বলবেন আমি আপডেট করে দিব ।


Read more ...

Monday, October 31, 2011

ডেসটিনি এবং কিছু অভিজ্ঞতা (ফান পোষ্ট).



এক.
একদিন শুক্রবার গেলাম এক বড় ভাই এর দাওয়াত এ। কিন্তু এই দাওয়াত যে ডেস্টিনির, তা বুঝতে পারছি, "তোমার নাম কি? ইয়েস, ইয়েস" শুনে। এদের নাম জিগাইলেও ইয়েস, ইয়েস করতে থাকে। বাংলার তামাম বেকুব গুলান মনে হয় এইখানেই গিয়া একত্রীত হয়।

দুই.
৬ মাস ডেসটিনিতে থেকে অন্যের কাছে ছোট হওয়া, সবাইকে পন্য মনে করা, নিজের পার্সোনালিটি বিকিয়ে দেবার পর বুঝেছি, আর বেশি দিন থাকলে আমি ভোদাই ই হয়ে বেরুতাম, নিজের এলাকায় নিজের ইজ্জত শুন্যের কোঠায় নেমে গিয়েছিল -Emran Ahmed

তিন.
আমাদের মত হুযুগে মাতাল দেশের লোকজনদের সাথে বাটপারি করে শালারা হাজার কোটী টাকা কামিয়ে নিচ্ছে...বিনিময়ে অসহায় মানুষগুলু পাচ্ছে অপূর্ণ Destiny cycle আর মানুষের গালাগালি...আমি খুব অবাক হই যখন দেখি কিছু শিক্ষিত মানুষও নিজের অল্প লাভের জন্য এসব বাটপারির সাথে নিজেকে জরাচ্ছে এবং অন্যদের convince করছে...আমার কথা হচ্ছে আপনারা অন্যকে convince করতে গিয়ে যে সময় ফালতু ব্যাপারে চাপাবাজি করে নস্ট করছেন্‌।।সে সময়টা কোন productive কাজ করে তার চেয়ে বেশি income করতে পারবেন...আর যদি destiny করতেই হয় তাহলে অন্নের জন্য চাপাবাজি না করে নিজেই একটা mlm খুলে নিজের জন্য চাপাবাজি করেন...।
-Musafir Ali

চার.
অশিক্ষিত পোলাপাইন যখন টাই পইরা ঘুরে তখন মনডা চায় টাইয়ের মাথাডা সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়ির পিছে বাইন্ধা দেই। ওই বিল্ডিঙ্গে যাওয়ার মর্মান্তিক অভিজ্ঞতা আমার ও হইছিলো!!! -Rifatul Islam Chayon

পাঁচ. undefined
প্রথম ব্যাক্তি: আমাকে ১০ হাজার টাকা ধার দাও প্লিজ।
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: আচ্ছা দিব না হয়, কিন্তু কবে ফেরৎ দিবেন?
প্রথম ব্যাক্তি: বেশি না, মাত্র ১২ বছর পর, কিন্তু তুমার আরেকটা শর্ত/সুযোগ আছে..
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: কি শর্ত?
প্রথম ব্যাক্তি: তুমি যদি এরকম দু'জন লোক যেগাড় করে দিতে পার যারা আমাকে ১০ হাজার টাকা করে ধার দিতে পারবে, তাহলে তোমাকে ৬০০ টাকা ফেরৎ দিয়ে দিব।
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: আর বাকিটা?
প্রথম ব্যাক্তি: তোমাকে এরকম ৩৩ জন লোক যোগাড় করে দিতে দিতে হবে যার আমাকে ১০ হাজার টাকা করে (৩৩*১০০০০=৩৩০,০০০) টাকা দিবে, তাহলে তোমার পুরা টাকাই ফেরৎ দিয়ে দিব।
দ্বিতীয় ব্যাক্তি: (দ্বিতীয় ব্যাক্তি মহাখুশি হয়ে পকেট থেকে ১০ হাজার টাকা বের করে দিল)
এই দুই ব্যাক্তিকে আপনি কি বলবেন? মহা উন্মাদ? আরে না! এদের একজন ডেসটিনি কর্মী, আরেকজন নব্য যোগ দেয়া ডিস্ট্রিবিউটর।

ছয়.
উইক এন্ড-এ সবাই নিশ্চয়ই দেরি করে উঠেছেন। এই নিন.. চা অথবা কফি যেটা ভালো লাগে।

পুনশ্চঃ চা-কফি খাওয়ানোতে আমাদের আর ডেস্টিনি রোগীদের মধ্যে পার্থক্য জানেন? আমরা সবাই খাওয়াই নিঃস্বার্থভাবে, ভাবি, 'জীবনটাতো খারাপ না'। আর ওরা ভাবে 'একবার যদি তোরে ফাঁদে ফেলতে পারি তাহলে কমিশন তো তুলবই, চায়ের বিলটাও তুলব'।

সাত.
Boy: Marry me.. ?
Girl: Do you have a house.. ?
Boy: No..
Girl: Do you have a BMW car.. ?
Boy: No..
...Girl: How much is your salary.. ?
Boy: No salary.. but,..
Girl: But?
Boy: I am a distributor of DESTINY. I will have everything in 2012. I will do everything...
Girl:O accha...!! Tui tahole destiny vo***? Sha**... dure giya mor!

আট.
বাঙালীর আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখা যতদিন থাকবে ততদিন ডেস্টিনি থাকবে।৯০% সদস্য যারা ধরা খাওয়ার পর খামোশ হইয়া যায় তখন বাকী ১০জন সেই টাকায় কোটিপতি হওয়ার লাইনে থাকে। ৯০জনের দলে যারা থাকে তারা মামলা-হামলা কিছুই করতে যায় না,মনে করে হারাইছি তো হারাইছি,আর যামুনা।আর বাটপাড় ১০জন চিরকালই আরো ৯০০জনকে স্বপ্ন দেখাইয়া চলে।৯০জনের ডেস্টিনি(ভাগ্য) নিয়া ১০জনে নিজের ডেস্টিনি গড়ে।
আপনি যদি তুরুদ্দুম বাটপাড় হয়া থাকেন তবে আপনার জন্যই ডেস্টিনি।

নয়.
১ম ব্যাক্তি: কিছুদিন থেকে আমার পেছনে লাগছে এই বাহিনী। আঠারমত .. বলে ৬ মাস পর নাকি ৫০ হাজার করে ইনকাম করা যাবে।

২য় ব্যাক্তি: ওদের মধ্যে ৬ মাস আগে যারা ঢুকছে তাদের কাছে ৫০০০ টাকা ধার চান!! ツ ツ ツ


বি:দ্র: ইন্টারনেট অবলম্বনে (ফেসবুক)

Read more ...

Saturday, October 29, 2011

যে কারনে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা !

বাংলাদেশে যে কারনে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা !
বিশ্লেষন করে দেখলাম আসলেই বাংলাদেশে ছেলে মেয়ে বন্ধু হতে পারেনা!
ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে :-
1. ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে তাদের বন্ধু বান্ধবরা তাদের ক্ষেপায়।
2. তাদেরকে প্রেমিক প্রেমিকা ভাবা শুরু হয়।
3. ছেলে মেয়ে বন্ধু হলে মেয়েটিকে ভালো চোখে দেখা হয়না।
4. মেয়ের সংগে ছেলে কথা বললে মেয়ে মনে করে ছেলে মতলববাজ এবং ছেলের সংগে মেয়ে কথা বললে ছেলে মেয়েটিকে ভালো চোখে দেখেনা।
5. আমাদের সমাজে একধরনের মানুষ আছে (মানুষ বিশেষনটি মনে হয় এদের বেলায় খাটে না) যারাছেলে মেয়ের বন্ধুতকে সহজ ভাবে নিতে চান না এবং বন্ধুত হতে দেখলে মেয়েটির চরিত্র খারাপ প্রমান করার চেষ্টা করেন যার ফলাফল মেয়েটিকে সারা জীবন বহন করতে হয়
6. মানুষ বদলাচ্ছে পৃথীবি বদলাচ্ছে, সময়ের পরিবর্তন এসেছে কিন্তু এই সহজ সত্যিটা মেনে নেয়ার মত সাহস খুব কম বাবা মার-ই আছে। তারা সব কিছু বিবেচনা করেন তাদের মান্ধাতা আমলের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে । তাই বাংলাদেশে অভিভাবক্দের দৃষ্টিভঙ্গি যতদিন পরিবর্তন হবে না ততদিন এই সম্যাসার সমাধান হবে না !
আপনাদের কি আরো কোনো মতামত আছে?
বিঃদ্রঃ আমি এখানে দুপক্ষ বিশ্লেষণ করে নিরেপেক্ষ মতামত প্রকাশ করেছি।

Read more ...

Thursday, October 27, 2011

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জাল পেতেছে সাইবার ক্রিমিনালরা।

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জাল পেতেছে সাইবার ক্রিমিনালরা। বিভিন্ন অফিসেও তারা সক্রিয়। সাইবার ক্রিমিনালদের জালে আটকা পড়ে এরই মধ্যে অনেকেই খুইয়েছেন সম্ভ্রম। কেউ কেউ মান-সম্মান হারিয়ে এখন দিকভ্রান্ত।রাজধানীতে সক্রিয় এমন শহস্রাধিক সাইবার ক্রিমিনাল।


বিশেষ করে তাদের নজর টিনএজদের দিকে।বিভিন্ন কৌশলে, চাপ প্রয়োগ করে, ভয় দেখিয়ে, গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও করে নগ্নচিত্র ইন্টারনেটে ছাড়া হচ্ছে।ব্ল্যাকমেইল করে আদায় করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের অর্থ। এছাড়া নগ্ন ছবি প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করা হচ্ছে ভুক্তভোগীকে। উদ্দেশ্য হাসিলের পর নগ্ন ভিডিও চিত্র বিভিন্ন ব্লগেও লিংক দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। ফলে মুহূর্তেই সেগুলো ছড়িয়ে পড়ছে দেশে-বিদেশে।


গত ১৭ই সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ২ সাইবার ক্রিমিনাল হাবিবুর রহমান ও আশিকুর রহমানকে। তাদের কম্পিউটার থেকে ১২ নারীর একান্ত মুহূর্তের নগ্ন ভিডিওচিত্র উদ্ধার করা হয়। র‌্যাব বলছে, সব নারীকে ব্ল্যাকমেইল করে দীর্ঘদিন ধরে ধর্ষণ করা হয়েছে। কিন্তু সম্মান হারানোর ভয়ে কেউই মুখ খোলেনি।


র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে ওই দুই সাইবার ক্রিমিনাল বিস্তারিত বর্ণনা দেয় তাদের অপকর্মের। জানায়, একের পর এক নারীকে কিভাবে গার্মেন্টসে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলতো তারা। তারপর গোপন ক্যামেরায় নগ্নচিত্র ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতো। গত ২৪শে সেপ্টেম্বর ৮ম শ্রেণী পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর অশ্লীল ভিডিওচিত্র ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে তাদের ২ বছর করে কারাদণ্ড দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা।


৮ম শ্রেণীর ওই ছাত্রীকে পারভেজ সরকার নামের এক প্রতারক উত্তরায় তার এক বন্ধুর মেসে নিয়ে যায়। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই ছাত্রীর নগ্ন ভিডিওচিত্র ধারণ করে। পরে ওই নগ্ন চিত্র প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ওই ছাত্রী র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করলে র‌্যাব পারভেজ সরকারকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তার দুই সহযোগী মাহবুর হাসান ও উদয় শর্মা ওরফে উৎসকেও গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদেরকে একটি নামী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে দাবি করে। গত ১০ই সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয় রফিকুল ইসলাম জুয়েল নামের এক বড় মাপের সাইবার ক্রিমিনালকে। প্রেমের অভিনয় করে সিদ্ধেশ্বরী কলেজের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করে সে। একান্ত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ওই ছাত্রীকে মাসের পর মাস ধর্ষণ করা হয়। ওই মেয়েটি র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করলে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।


র‌্যাব জানায়, লেখাপড়ার পাশাপাশি মোবাইল ফোনের ফ্লেক্সিলোডের ব্যবসা করতো প্রতারক জুয়েল। তার কাছে রিচার্জ করতে আসা সুন্দরী মেয়েদের মোবাইল নম্বর নিয়ে সে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতো। পরিকল্পনা অনুযায়ী মেয়েটির নগ্নচিত্র ধারণ করত। তার দোকানে থাকা কম্পিউটার থেকে শ’ শ’ নগ্ন ভিডিওচিত্র উদ্ধার করা হয়।


গত ২৯শে এপ্রিল তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে ইমন নামের এক প্রতারককে। ইমন এক তরুণীকে ধর্ষণ করে এবং ওই চিত্র মোবাইল ফোনের ভিডিওতে ধারণ করে। পরে ওই তরুণীর পিতার কাছে ধারণ করা অশ্লীল ভিডিওচিত্র পাঠিয়ে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।


গ্রেপ্তারের পর ইমন বিডিক্যাম্পাসনিউজ.কম কে জানায়, সে প্রথমে ওই তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি তার পিতা। পরে তার সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে যায় সে। সেখানে ওই তরুণীকে ইয়াবা সেবন করানো হয়। তরুণীটি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে ইমন।


গত বছর ১৪ই অক্টোবর নারিন্দা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পেশাদার সাইবার ক্রিমিনাল জাহাঙ্গীর আলম রাজুকে। মুগদা এলাকার এক তরুণীর নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। রাজু তরুণীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে নগ্ন ছবি তোলাসহ নানা অপকর্মের জন্য নারিন্দার ২১ নম্বর বাড়িটি ব্যবহার করতো।


বাড়িটির চার তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে সেখানে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংযোগ নিয়ে, কক্ষের বিভিন্ন স্থানে গোপন ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন করে সে। এরপর প্রেমের অভিনয় করে, বায়িং হাউজে চাকরি দেয়ার নামে, সিনেমা-নাটকে অভিনয়ের সুযোগ করে দেয়ার কথা বলে তরুণীদের ফুঁসলিয়ে নিজের ভাড়া করা ফ্ল্যাটটিতে নিয়ে তুলতো। একবার সেখানে গেলে রাজুর হাত থেকে মুক্তির আর কোন উপায় থাকতো না। র‌্যাবের গোয়েন্দারা বলছেন, তারা রাজধানীতে সহস্রাধিক পেশাদার ক্রিমিনালকে শনাক্ত করেছেন।


মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও নামী স্কুলগুলোতে পর্নোগ্রাফি হচ্ছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেরা এসবে জড়িয়ে পড়ছে। বান্ধবী বা ঘনিষ্ঠ কোন আত্মীয়কে তারা ব্ল্যাকমেইল করছে। বড় ধরনের সাইবার অপরাধের খবর আসে এ বছর ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া মডেল কন্যা প্রভা’র পর্নোগ্রাফি থেকে।


এরপর আরও অনেক মডেল ও চিত্র তারকার পর্নোগ্রাফি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।


নাইট ভিসন প্রোগ্রাম:
কম্পিউটারের একটি সফটওয়ারের ম্যাধ্যমে পোশাক পরা যে কোন নারীর ছবি নগ্ন করে ফেলা সম্ভব বলে জানিয়েছে র‌্যাবের গোয়েন্দা সূত্র। এ ধরনের প্রোগ্রাম অনেক সাইবার ক্রিমিনালের হাতে চলে গেছে। সাইবার ক্রিমিনালরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের লাইভ পিকচার ধারণ করে সেটিকে নগ্ন করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সূত্র বলছে, সাইবার ক্রিমিনালদের প্রথম টার্গেট কমবয়সী নারী।


সহজলভ্য পর্নোচিত্র:
মুঠোফোনে পর্নো ভিডিও চিত্র রাখাও অপরাধ। কিন্তু আইনের প্রয়োগ না থাকায় মোবাইল পর্নোগ্রাফি এক মোবাইল থেকে আরেক মোবাইলে ছড়িয়ে পড়ছে দেদার। অনেকটা প্রকাশ্যেই গান ও রিংটোন লোডের দোকানে দেশীয় পর্নোচিত্র মোবাইলের মেমোরি কার্ডে লোড করে দেয়া হচ্ছে।

এমনকি অনেক পুলিশ কর্মকর্তার মোবাইল ফোনেও পর্নো ভিডিও রয়েছে। মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের চালানো একটি জরিপে বলা হয়েছে, শতকরা ৭৭ ভাগ তরুণ এসব পর্নোগ্রাফির দর্শক।


সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ কোন উদ্যোগও নেই। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এখনও তা চালু হয়নি। বিচ্ছিন্নভাবে কয়েকজন কর্মকর্তাকে বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল।

কিন্তু তাদের অনেককেই পুলিশের সাধারণ ইউনিটগুলোতে বদলি করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ বিডিক্যাম্পাসনিউজ.কম কে বলেন, সাইবার ক্রিমিনালদের প্রতিরোধের সবচেয়ে বড় উপায় হলো জন সচেতনতা। তবে কোন নারী যদি ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার হন তার উচিত বিলম্ব না করে পুলিশের সহায়তা নেয়া।


র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান বিডিক্যাম্পাসনিউজ.কম কে বলেন, দেশীয় পর্নোসাইটগুলো বিশ্লেষণ করে ইতিমধ্যে এগুলোকে দু’টি ক্যাটিগরিতে ভাগ করা হয়েছে। একটি পেশাদার যৌনকর্মীদের দ্বারা তৈরি পর্নোগ্রাফি, অন্যটি গোপনে ধারণ করা নারীর একান্ত মুহূর্তের নগ্ন ভিডিওচিত্র।

এসব ভিডিওচিত্র নিয়ে কাজ করছে র‌্যাব। র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনোয়ার পাশা বলেন, সাইবার ক্রিমিনালদের হাত থেকে বাঁচতে উঠতি বয়সী মেয়েদের বেশি করে সচেতন হতে হবে। তাদেরকে সহজে কোথাও যাওয়া চলবে না। এমনকি কাউকে ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর, ই-মেইল, আইডি বা ব্যক্তিগত ছবিও দেয়া যাবে না। এরপরও অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু হলে সঙ্গে সঙ্গে অভিভাবকদের জানাতে হবে।

Read more ...

ফাস্ট ফুড যদি খেতেই হয়.....

আজকের দিনে কাউকে যদি ফাস্ট ফুড খেতে নিষেধ করি, তবে সে অল্প বিস্তর মন:ক্ষুন্ন হবেই। পিৎজা , বার্গার, স্যান্ডউইচ আমাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ঢুকে গেছে । বন্ধুদের আড্ডায়, অফিসগামীদের লাঞ্চে বা বাচ্চার স্কুলের টিফিনে - এই ফাস্ট ফুডগুলো আমরা প্রতিনিয়ত গ্রহণ করছি । তৈরির ঝামেলা কম ও শুষ্ক বলে এবং বহন করতে সুবিধা হওয়াতে ”জাঙ্ক ফুড” বলে অভিহিত এই ফাস্ট ফুড গুলোকে মোটেও এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না । কিন্তু স্বাস্থ্যের প্রতি ও তো খেয়াল রাখতে হবে।

তাই এখন সময় এসেছে কিভাবে ফাস্ট ফুডগুলোকে কিছুটা হলেও স্বাস্থ্যকর খাবারে রূপান্তর করা যায় তা ভেবে দেখার। প্রশ্ন হল ফাস্ট ফুড খেতে কেন আমাদের এত ভালো লাগে ! কারণ হচ্ছে - এগুলোতে প্রচুর পরিমান ফ্যাট জাতীয় উপাদান ব্যবহার করা হয়। ফ্যাট খাবারকে সুস্বাদু ও রুচিকর করে, দেহ ও মনে ’তৃপ্ত’ বোধ তৈরী করে।

কিন্তু এই ফ্যাটজাতীয় উপাদান যেমন- মাখন, মেয়োনেজ,পণির, ইউর্গাড, ঘি, তেল ইত্যাদি যদি প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে খাওয়া হয় তবে স্থুলতা, হৃদরোগসহ আনুসাঙ্গিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি এবং তা সব বয়সীদের ক্ষেত্রেই সমান। এক্ষেত্রে একটু সচেতনতা সবাইকে এসকল রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে।

তাই বন্ধুদের সাথে কোন ফাস্ট ফুডের দোকানে গিয়ে খাবার অর্ডার করার সময় একটু সচেতন হতে হবে। যেমন পিৎজা, স্যান্ডউইচ অর্ডার সময় তাতে পণির, মাখন, মেয়োনেজ যেন কম দেয়া হয়, তা উল্লেখ করে দিতে হবে। এতে খাবারে ফ্যাটের পরিমান বেশ কমে আসবে। এর সাথে green salad অর্ডার করা হলে Vitamin ও Minerals এর চাহিদা পূরণ হবে। তবে সালাদে ড্রেসিং বা গ্রেভি যেন যুক্ত করা না হয় সেদিকে ও লক্ষ্য রাখতে হবে। কেননা এগুলোতে ও প্রচুর মেয়োনেজ দেয়া হয়। এছাড়া অনেক ফাস্ট ফুডের দোকানে নিজের ইচ্ছামত Extra Topping যুক্ত করার সুযোগ থাকে। এক্ষেত্রে black olive, sweet corn,capsicum, tomato, pineapple
ইত্যাদি সব্জি ও ফল বেছে নিতে হবে। সব সময় beef / chicken অর্ডার না দিয়ে মাঝে-মধ্যে শুধুমাত্র সবজি বা মাছ দিয়ে তৈরী পিৎজা , বার্গার, স্যান্ডউইচ খেতে হবে।
অফিসে লাঞ্চে যদি ফাস্ট ফুড খেতেই হয় তবে এই নিয়ম মেনে খাবার অর্ডার করলে cholesterol level কম রাখতে সহায়ক হবে। এর সাথে খেতে হবে সালাদ ও সবজি। এছাড়া mid-morning এ যেকোন ধরনের একটি ফল, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি খেলে vitamin এর চাহিদা পূরণ হবে।
বাচ্চাদের টিফিনে বার্গার বা স্যান্ডউইচের সাথে বাচ্চার পছন্দ অনুযায়ী যে কোন একটি ফল দিতে হবে। তা ২টি ছোট আকারের কলা বা ৪/৫ কোয়া কমলা বা ৫/৬ টুকরা গাজর ও হতে পারে।
একটু ভেবে-চিন্তে যদি আমাদের খাবার মেন্যু re-arrange করি তবে ফাস্ট ফুডের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে কিছুটা হলেও আমরা মুক্ত থাকতে পারব।

Read more ...

Wednesday, October 26, 2011

বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নায়ক(!) সাকিব খান আসলেই খুব জনপ্রিয়।কতটা জনপ্রিয়

বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নায়ক(!) সাকিব খান আসলেই খুব জনপ্রিয়।কতটা জনপ্রিয় তা আপনারা ফেসবুকের এ পেজগুলোর নামের মাধ্যমেই বুঝতে পারবেন আশা করি:

* আমি একজন দুই পায়ের গরু - ছাকিপ কান
* ছেড়ে দে শয়তান , তুই আমার দেহ পাবি কিন্তু মন পাবিনা - ছাকিপ কান
* চৌদুড়ী সাহেব , সাস্থ্য বা শরীর দিয়ে "ছাকিপ কান" কে বিবেচনা করবেন না
* ছাকিপ কান = আবাল খান
* বড়ই লজ্জা পাই ; যখন কেউ বলে , তুই ১টা "ছাকিপ কান"
* "ছাকিপ কান " এর সব ছিঃনেমাই হিট& হট (দর্শক কারা সেইটা আর কইলাম না )
* টম & জেরী ও মি . বিন থেকে "ছাকিপ কান "এর বাংলা ছবি বেশী হাস্যকর
* "ছাকিপ কান "এর ছিঃনেমা দেখলেই আমার টয়লেট চাপে
* শাখিব খান অভিনীত সকল ছেনেমাকে অস্কার দেওয়া দরকার
* "ছাকিপ কান " ১জন নায়ক আর "গান্ধি পোকা " ১টা পাখি !
* ছাকিপ কানের ছিঃনেমা!!! ওয়াক থু :/

Read more ...

Monday, October 24, 2011

লিভ টুগেদার’ বাড়ছে: ধ্বংস হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ


‘লিভ টুগেদার’ বাড়ছে: ধ্বংস হচ্ছে পারিবারিক মূল্যবোধ ।:-*
রাজধানীতে ‘লিভ টুগেদার’ প্রবণতা উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। বিয়ে ছাড়া ‘দাম্পত্য’ সম্পর্ক তৈরি করে বছরের পর বসবাস করছেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। এদের মধ্যে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, চাকরিজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, শিল্পী, সাহিত্যিক, ও সাংস্কৃতিক জগতের অনেকই রয়েছেন। এছাড়া ভিন্ন ধর্মাবলম্বিদের মধ্যে ধর্মান্তরিত না হয়ে বিয়ে করতে সমাজে বাধা থাকায় অনেক ...জুটি লিভ টুগেদার করছে। ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যেও লিভ টুগেদারের প্রবণতা অতিমাত্রায় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিয়ে না করে তারা বাসা বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিচ্ছেন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। আবার লিভ টুগেদারের নামে অনেক সময় প্রতারণার ঘটনাও ঘটছে। সিথি ও সৈকত। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএর শিক্ষার্থী। কাঁঠালবাগান এলাকায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন। দুটি রুম সাবলেট দিয়েছেন ছাত্রী ও কর্মজীবী মহিলাদের। ভাড়াটিয়াদের একটি সূত্র জানায়, সিথি ও সৈকত লিভ টুগেদার করছেন। সিথির দায়িত্ব বাসা ভাড়ার টাকা দেয়া। দুই রুমের ভাড়া মাসে ১২ হাজার টাকা পান। আর আড়াই হাজার টাকা নিজের থেকে দিয়ে ফ্ল্যাটের সাড়ে ১৪ হাজার টাকা ভাড়া পরিশোধ করেন। সৈকত খাওয়া, জামাকাপড়সহ সংসারের যাবতীয় খরচের যোগান দেন। এভাবেই চলছে তাদের বিয়ে ছাড়া ‘দাম্পত্য’ জীবন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী এবং একজন এডভোকেট (যিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র) ২০০৮ সালের ১৫ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিনমাস লিভ টুগেদার করেন। ২০১০ সালের ৫ জুলাই তাদের মধ্যে সর্বশেষ দৈহিক সম্পর্ক হয়। এরপর একে অপরের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগে দু’জনই লিভ টুগেদারের বিষয়টি উল্লেখ করেন। শাহবাগ থানায় ২০১০ সালের ৫ আগস্ট একটি জিডিও করেন ওই ছাত্রী। অভিযোগে ছাত্রী লিখেছেন, ২০০৮ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ওই ছাত্র উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে এক বাসায় নিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এরপর তাকে মেনে নেয়ার চেষ্টা করেন ওই ছাত্রী। এক পর্যায়ে মৌখিকভাবে কলমাও পড়েন দু’জন। এরপর ওই ছাত্রী একদিন জানতে পারেন ওই আইনজীবী আগেও একটি বিয়ে করেছিলেন। ওই স্ত্রী তার বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন। মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। অভিযোগে ছাত্রী আরো বলেন, সবকিছু জেনেও আমি মেনে নিয়ে তাকে মানসিক ও আর্থিক সবদিক থেকে সাহায্য করেছি। এক পর্যায়ে সে ব্যবসার নামে আমার কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা নেয়। কিন্তু সে টাকা দিয়ে কোন ব্যবসা তো করেই নি বরং আমার কাছ থেকে আরো টাকা পয়সা নিয়ে যায়। সে টাকাও ফেরত দেয়নি। সংসার করতে হলে ন্যূনতম একটা আর্থিক সাপোর্ট লাগে তা তার ছিল না। তাকে যে কোন একটি কাজ খুঁজে নেয়ার তাগাদা দেয়ায় সে আমাকে সন্দেহ করতে শুরু করে। এক পর্যায়ে আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমি এতোটা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি যে তার সঙ্গে সংসার করার আর কোন ইচ্ছাই নেই। সে ১১ জুলাই মৌখিকভাবে তালাকও দিয়েছে। অন্যদিকে ওই সাবেক ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এক অভিযোগে লিখেছে ওই ছাত্রী তার স্ত্রী। বিয়ের আগে তিনমাস তারা লিভ টুগেদার করেছে। গত কয়েকমাস ধরে সে ল-নপ্রবাসী সহপাঠীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। তা আমি জানার পর দু’জনের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায়ই এরকম লিভ টুগেদারের অভিযোগ জমা পড়ছ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র প্রণব দাস বাবলুর সঙ্গে ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্রী ফারাহ বিনতে রশিদ অপর্ণার পেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০১০ সালের ১৫ মে আজিমপুরের শেফালী গার্ডেনের তৃতীয় তলার একটি বাসা ভাড়া নিয়ে লিভ টুগেদার শুরু করে। অর্পণার পরিবার জানতো সে আজিমপুরের একটি ছাত্রী হোস্টেলে থাকে। অর্পণা ও বাবলু ভিন্ন ধর্মাবলম্বি হওয়ায় দু’জনের মধ্যে সন্দেহ লেগেই থাকতো। অপর্ণা বাবলুকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার বলত। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেয়। গত ১৫ অক্টোবর ওই বাসায় বাবলুর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অপর্ণাসহ ৫জন গ্রেফতার হওয়ার পর প্রকাশ পায় লিভ টুগেদারের কাহিনী। সূূত্র জানায়, ইদানিং লিভ টুগেদারের ধরন পাল্টেছে। আগে দু’জন একসঙ্গে থাকতেন। এর বাইরে আর কোন সম্পর্ক রাখতেন না। এখন অনেকেই একাধিক সম্পর্ক রাখছেন আবার লিভ টুগেদার করছেন। যখন যাকে ভালো লাগছে তার সঙ্গেই থাকছেন। আবার অনেকে অর্থের অভাবে ও বয়সের কারণে বিয়ে করতে না পেরে লিভ টুগেদার করছেন। অপর একটি সূত্র জানায়, লিভ টুগেদার করা জুটির মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ সংসারের অধিকাংশ খরচ বহন করে। কোন কোন ক্ষেত্রে নারী সঙ্গীও খরচ ভাগাভাগি করেন। লিভ টুগেদার যারা করেন তাদের বেশিরভাগই পরিচয় গোপন করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিচ্ছে। বাসা ভাড়া নেয়ার সময় তারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেয়। কোথাও ধরা পড়ার আশঙ্কা থাকলে তারা ওই বাসা ছেড়ে দেয়। উচ্চ আকাঙ্খা বেশি এমন মেয়েদের মধ্যে লিভ টুগেদারের প্রবণতা বেশি। আর পুরুষরা মানসিক ও জৈবিক শান্তির জন্য নির্ঝাঞ্ঝাট সঙ্গীর সঙ্গে লিভ টুগেদার করে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, বর্তমানে লিভ টুগেদার অনেক বেড়ে গেছে। ১৫-২০ বছর পর এটি এমন পর্যায়ে যাবে যা বিয়ে নামক সম্পর্ককে ব্যাপক ধাক্কা দেবে। এখন মানুষ সাংসারিক জীবনে আবদ্ধ হয়ে নিজের ক্যারিয়ার নষ্ট করতে চায় না। একই সঙ্গে তারা জীবনকে উপভোগ করতে চায়। এ কারণে বিয়ে না করে তারা লিভ টুগেদার করছে। তবে আধিপত্য, ক্ষমতার বৈষম্য ও আর্থিক বিষয়গুলো চলে এলে সম্পর্ক নষ্ট হয়। ঘটে আত্মহত্যা ও হত্যাসহ নানা অপরাধঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী বলেন, লিভ টুগেদার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌছেছে। লিভ টুগেদার করে নর-নারী জীবনকে সাময়িক উপভোগ করে থাকেন। কিন্তু এটি স্থায়ী কোন সমাধান নয়। এর ফলে মানুষ পরিবার বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। বিয়ের মাধ্যমে নর-নারীর সুশৃঙ্খল দাম্পত্য জীবন যাপনের পরামর্শ দেন তিনি।

Read more ...

Saturday, October 22, 2011

সাদা পোশাকের রহস্যময় মানবরা!

সাদা পোশাকের রহস্যময় মানবরা!
কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকের এসব রহস্যময় মানুষের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুন মাসে বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমকেও এভাবেই সাদা পোশাকধারীরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা কম হবে না। মাইক্রোবাসে চেপে একদল সাদা পোশাকধারী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকের খোঁজখবর নেয়_এ ধরনের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ আছে জনমনে
সম্প্রতি দিল্লির বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সিলেটের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কয়েকজন ইন্টার্ন ডাক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এই ডাক্তারদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ভারত অধ্যুষিত কাশ্মীরের নাগরিক এবং তাঁদের বাংলাদেশি বন্ধুবান্ধব আছেন। এ কলেজের এক শিক্ষার্থী কাশ্মীরের ওয়াসিম আকরামকে ওই বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ভারতে ডেকে নিয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে যেসব শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের কোন কর্তৃপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে? সংবাদকর্মীরা এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি, সরকারের তরফ থেকেও বিষয়টি খোলাসা করা হয়নি। শুধু জানা যাচ্ছে, একদল সাদা পোশাকধারী লোক বাংলাদেশে অবস্থিত এই তরুণ চিকিৎসকদের ৫ ও ৬ অক্টোবর ধরে নিয়ে গেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ফেরত দিয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো বাহিনী এই গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দায়দায়িত্ব স্বীকার করেনি।
দেখা যাচ্ছে, কয়েক বছর ধরে সাদা পোশাকের এসব রহস্যময় মানুষের আনাগোনা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের জুন মাসে বিএনপি নেতা কমিশনার চৌধুরী আলমকেও এভাবেই সাদা পোশাকধারীরা ধরে নিয়ে গিয়েছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের নিখোঁজ হওয়া মানুষের সংখ্যা কম হবে না। মাইক্রোবাসে চেপে একদল সাদা পোশাকধারী ঢাকা শহরের বিভিন্ন বাসায় গিয়ে বাড়ির মালিকের খোঁজখবর নেয়_এ ধরনের কথা আজকাল প্রায়ই শোনা যাচ্ছে। রাস্তায় পড়ে থাকা বেওয়ারিশ লাশের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়েও উদ্বেগ আছে জনমনে।
সব মিলিয়ে সাদা পোশাকের এই বিশেষ রহস্যময় বাহিনী নিয়ে সন্দেহ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের নিয়মিত বাহিনীতে সাদা পোশাকে তদন্ত করার ব্যবস্থা আছে। কিন্তু মানুষকে ধরে নিয়ে যাওয়ার এই রহস্যময় বাহিনীর সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যোগাযোগ আছে কি না, সেটি সরকারের তরফ থেকে পরিষ্কার করা হয়নি। তারা যদি সরকারের কোনো বিশেষ বাহিনীর লোকও হয়ে থাকে, তবু প্রয়োজন ছাড়া কোমরে পিস্তল গুঁজে কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এই সুযোগে দুষ্কৃতকারীরাও নিজেদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে মানুষকে অপহরণ করে নিতে পারে। সরকারের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা। কারণ রাষ্ট্রে এসব রহস্যময় সাদা পোশাকের মানুষের উপস্থিতি কারো জন্যই কল্যাণকর হবে না।
মূল লেখা...

Read more ...

Friday, October 14, 2011

আসুন প্রতিবাদ করি................

আমরা মনে হয় প্রতিবাদ করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। সব জায়গায় এত...এত ,অন্যায়....কয়টা অন্যায়র প্রতিবাদ করা যায়??? একদিকে সরকার, অন্যদিকে ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, শিক্ষক, বাসার মালিকদের সীমাহীন অন্যায় আর দূর্নীতির চাপে পড়ে আমরা সাধারণ জনগন আজ পিস্ঠ!!!............জনগনই বলীর পাঠা।

এই ধরুন ঈদে ....বাসমালিকরা তাদের খেয়ালখুশি মত ভাড়া বাড়াল, আর আমরা অভাগা জনগন তা চুপচাপ মেনে নিলাম। সেদিন এই আমি প্রতিবাদ করেছিলাম.....কিন্তু অদ্ভুদ ব্যাপার হচ্ছে ... কারও সাড়া শব্দ পেলাম না। সবাই হয়তো চিন্তা করেছিল...ভাড়া বেশি নিক, যেতে পারছি এটায় বড় কথা। বর্তমানে বাস ভাড়া বেড়েছে দ্বিগুন, চাল, ডাল, এমনকি সব্জি এর দামও বেড়ে গেছে...........সব সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিন কত মানুষ অভুক্ত থাকে তার কোন হিসেব নেই। অনেক মানুষ না খেয়ে মারা যাচ্ছে, শেয়ার বাজারে ধশের কারনে অনেক পরিবার নি:স হয়ে যাচ্ছে। এককথায় আমরা সাধারন জনগন রোলার স্টীমের তলায় পতিত হয়েছি।

আসলে এইযে আমরা এত অন্যায় মাথা পেতে নিচ্ছি তাতে কিন্তু ওরা আরো অন্যায় করার সাহস পাচ্ছে।আমরা নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি করছি। এভাবে আর কত??? কত অন্যায় সহ্য করা যায়???
আমরা সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করি তাহলে মনে হয় বাংলাদেশে আর এত অন্যায় সম্ভব হবে না।....তবে তা ব্লগ, সভা, সেমিনার বা ম্যাগাজিনের মধ্যে আবদ্ব না থেকে সত্যিকার প্রতিবাদ করতে হবে। ৮ বাংলাদেশী সৌদিতে ফাঁসির কাস্টে ঝুলেছে। জাতি হিসেবে এটা আমাদের জন্য চরম অপমানজনক। তবে আমাদের দেশে যদি অপরাধীদের জন্য এরকম শাস্তির ব্যবস্তা করা হতো তাহলে বাংলাদেশের চেহারা বদলে যেত।

সামনের মাস হতে আমার বাসা ভাড়া কোন কারন ছাড়া বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এখন প্রতিবাদ যদি আমি একাই করি তাহলে আমাকেই বাসা ছাড়তে হবে।..........আমি প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলছি। এখন কি করি??? এসব অন্যায় দেখার কি কেউ নেই??? এভাবে আর কতদিন আমরা অন্যায় সহ্য করব??? এসব আইনের তোয়াক্কা না করা বাড়ী মালিকদের কি কোন বিচার হবেনা??? সবার বিবেকের কাছে প্রশ্ন রইল........

Read more ...

Thursday, October 6, 2011

একটি মেয়ে তার স্বামী ছেড়ে চলে গেছে এক রিক্সাওয়ালার সাথে।

আমাকে আমার কাছে বেশ কয়েক দিন ধরে পাগল পাগল মনে হচ্ছে,

সেদিন বাজারে চা পান করতে গেলে দেখি অনেক মানুষ।আমার জানার আগ্রহে একজন বল্ল ভাই ঘটনা খারাপ , আমি বল্লাম কি? সে বল্ল একটি মেয়ে তার স্বামী ছেড়ে চলে গেছে এক রিক্সাওয়ালার সাথে।

আমার আর একটু জানতে ইচ্ছে করল। অনিচ্ছা সত্যেও ভালবাসা , প্রেম , সেক্স এসবে শুনতে কেমন যেন সবসময় একটি আগ্রহ থাকে।

জেনে দেখি ছেলিটির একটি বাচ্চা আছে আবার চালায় রিক্সা । একটি মেয়ে যার এখনো বিয়ে হয়নি সে চলে গেল বেচারা রিক্সাওয়ালার সাথে।

আমার মাথায় ঠেকেনা মেয়েটি ছেলেটির সাথে কেন গেল। এখানে কি আবেগ বা প্রেম বলতে কিছু আছে নাকি একটু মজা লেগেছে তাই চলে গেছে।

এমন ভুল করা ঠিক নয়। এখন সমস্যা হলো দুই পক্ষের অভিভাবকের কারন পুলিশ ঘুরছে দুজনকে খুজে বের করতে। ঘটনাটি ঘটে আমার গ্রামে।

Read more ...

গরমে শরম থাকে না

কে বলে বাংলাদেশ ছয় ঋৃতুর দেশ এখন তো শুধু গরম আর গরম । কারেন্ট টা চলে গেলেই বারোটা বেজে যায় । শহরের বাড়ি গুলো যেন গরম চুলা হয়ে থাকে । ছেলেদের বোধ হয় একটু বেশিই গরম লাগে, কারেন্ট চলে গেলেই গেঞ্জি খুলে ফেলতে হয়, তা না হলে হয়তো ঘামাচি হয়ে একাকার হয়ে যেত। এক্ষেত্রে মেয়েদের ধৈর্য আমকে বিষ্মিত করে, মেয়েদের সত্যি অনেক বেশি কষ্ট সহ্য করতে হয়, শারিরিক গত কারনেই হোক অথবা সামাজিক কারনে অথবা লজ্জার কারনে হোক তারা গরমে আমাদের মতো আচারন করে না, আর এই গরমে রান্না করার সময় কি অবস্থা হয় তারাই বলতে পারবে, তাছাড়া শারিরিক কত কারনে একটা নির্দিষ্ট সময়ে মেয়েদের অস্বাভাবিক গরম অনুভব করে সম্ভাবত মনোপোজ প্রিয়ড, সে রকম যদি ছেলেদের হতো তাহলে দেখা যেত ছেলেরা নগ্ন হয়ে রাস্তায় হঠাৎ হঠাৎ দৌড়া দৌড়ি করছে । এটাও হতে পারে তাদের আসলেই একটু কম লাগে । বিদেশিদের কথা আলাদা সেখানে মেয়েরা অনেক বেশি স্বাধীনতা পেয়ে থাকে । আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম এক্ষেত্রে মেয়েদের মতো ধৈর্য ধারন করতে , ঠিক করেছিলাম যতই গরম লাগুক গেঞ্জি খুলব না , খুব বেশি হলে এক ঘন্টা আমি আমার কথায় টিকে থাকতে পেরেছি । সত্যি মেয়েদের ধৈর্য অনেক বিষয়ে অসীম তাদের ধৈর্য ছেলেদের মতো হলে হয়ত সংসার একটা বাজার হয়ে যেত । তারপরও গরমতো গরমই ছেলে হোক আর মেয়ে হোক সবাই কে ঘামিয়ে দেয়, শরম ভুলে খালি গা থাকতে বাধ্য করে ।

Read more ...

হাইরে বিউটি পার্লার.......

এদিকে গোপন ক্যামেরা নিয়ে হৈ চৈ পড়ায় সৌন্দর্য সচেতন নারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিনে পারসোনার গুলশান, বনানী, মিরপুর ও উত্তরাসহ সবকটি শাখাতেই সেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা কমেছে। অন্য বিউটি পার্লারে যেতেও অনেকে ভয় পাচ্ছেন।
গুলশানের একটি খ্যাতনামা বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পারসোনা যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাতে এ শিল্পে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ শুধু স্পা করতেই নয়, বেশকিছু রূপচর্চা করতেও নারীদের পোশাক পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু আপত্তিকর ভিডিওচিত্র কোনো গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হতে পারে এ ভয়ে গত কয়েকদিন ধরে সেবা নিতে আসা নারীরা পরিধেয় কাপড় সামান্য আগলা করতেও চাইছেন না।

Read more ...

Wednesday, October 5, 2011

এর দায় কে নিবে ? আমি তো চুরি করি নাই .. কিন্তু tax দেই | খানকির পোলাদের কে কি করা যায় ?

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সরকার গত বছর বেশ ঘটা করে দেশের ৩৮টি জেলায় যে এক কোটি পাঁচ লাখ এনার্জি সেভিং বাল্ব বিনা মূল্যে বিতরণ করেছিল, এর ৮০ শতাংশই নষ্ট হয়ে গেছে বাতি জ্বালানোর এক সপ্তাহের মধ্যে। জলে গেছে ১০৩ কোটি টাকার প্রায় পুরোটাই। ভেস্তে গেছে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সাধের প্রকল্পটির প্রথম পর্ব। অথচ প্রতিটি বাতির আয়ুষ্কাল ছিল ১০ হাজার ঘণ্টা, যা একনাগাড়ে চললেও ৪১৬ দিন পর্যন্ত টিকে থাকার কথা। অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের বাল্ব কেনার কারণেই এ কাণ্ড ঘটেছে।বিস্তারিত

Read more ...

Monday, October 3, 2011

লিবিয়া ফেরত রিক্সা চালক

আজ সকালে বাসা থেকে বের হয়ে । রিক্সা নেব ভাবছি । এমন সময় একটা রিক্সাকে ডাক দিলাম ভাই যাবেন ?
কোথায় যাবেন ।

রিক্সাঅলার কথা শুনে একটু অবাক লাগল সাধারনত রিক্সাঅলার এরকম করে কথা বলে না । বললাম আসাদগেট যাবো, যাবেন ।
রিক্সা অলা বলল ভাই আমি আস্তে চালামু জোরে চালাইতে পারুম না।
রিক্সায় উঠেই বুঝলাম ইনি নতুন চালায় । যারা নিয়মিত রিক্সা চালায় তাদের পায়ের পেশি অত্যাধিক শক্ত থাকে । দুবার এক্সিডেন্ট করতে করতে বেচে গেল।

শেষে বাধ্য হয়ে বললাম ভাই আপনি আস্তে চালান । জোরে চালানো লাগবে না ।
কিছু ক্ষন চুপ করে থেকে রিক্সাঅলা বলে ভাই । আমি লিবিয়া থেকে আসছি ১১ দিন । সারে চার লাখ টাকা খরচ করে লিবিয়া গেছি । যুদ্ধের কারনে ফিরা আইতে হইল । কিছু না পায়া এখন রিক্সা চালাইছি । খুব কষ্ট হইতাছে।

শুনে মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। লোকটা ইন্টার পাশ । একটা ফার্মে জব করত । সেখানে তার বদলে লোক নেওয়া হয়েছে।

হায় রে আমাদের দেশ।

Read more ...