Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts
Showing posts with label বিশ্ব. Show all posts

Wednesday, November 9, 2011

আজব কিন্তু গুজব নয়..........!!!!!!!!!

আজব কিন্তু গুজব নয়..........!!!!!!!!!
.
.
.

2/ আমেরিকার হাইওয়েতে গাড়ি চলে ১২৩,০০০,০০০টি।
3/ ব্রাজিলে অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম সড়ক'মনুমেন্টাল এক্সিস'-এ একসঙ্গে ১৬০টি গাড়ি চলাচল করতে পারে।
4/ আমেরিকায় ১,৫২৫,০০০,০০০ মাইল টেলিফোনের তার ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।
5/ আমেরিকার কলেজগামী ছাত্রদের শতকরা ২৭ জনই মনে করেন 'জীবন মানে হলো ক্রমবর্ধমান দোজখ'!
6/ একটি বিড়ালের প্রতিটি কানে ৩২টি করে মাংসপেশি রয়েছে।
7/ প্রত্যেক বছর ৫৬,০০০,০০০ খেলোয়াড় বেসবলের মেজর লীগে অংশ নেন।
8/ মাথা কাটা গেলেও একটি তেলাপোকা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত বেঁচে থাকে।
9/ জিরাফ তার একুশ ইঞ্চি জিভটি দিয়ে নিজেরকান নিজেই পরিষ্কার করতে পারে।
10/ গোল্ডফিশের স্মৃতিশক্তির স্থায়িত্ব মাত্র ৩ সেকেন্ড।
11/ একটি সজারুর প্রতি মিনিটে গড়ে ৩০০ বারহৃদস্পন্দন ঘটে।
12/ হামিংবার্ডের ওজন একটি পয়সার চেয়েও কম।
13/ ইন্ডিয়ানার সাউথ বেন্ডে ধূমপানের অপরাধে বানরকে সাজা দেওয়া হয়েছিল।
14/ গর্ভবতী গোল্ডফিশকে 'টুইট' বলে ডাকা হয়।
15/ হাঙ্গর একমাত্র মাছ, যে কি-না দু'চোখেরই পলক ফেলতে পারে।
16/ প্রায় ৩০০০ বছর আগে অধিকাংশ মিসরীয় নাগরিকই মারা যেত ৩০ বছর বয়সে।
17/ ১৮৪৫ সালের ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী আত্মহত্যার প্রচেষ্টাকে একটি বড় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
18/ আমেরিকায় প্রত্যেক বছর চিঠি আদান-প্রদান হয় ১৬৬,৮৭৫,০০০,০০০টি ।
19/ প্রতি বছর আমেরিকায় ৮৫,০০০,০০০ টন কাগজ ব্যবহৃত হয়।
20/ ফড়িংয়ের আয়ু ২৪ ঘণ্টা।
21/ একজন পরিশ্রমী পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন ৪ গ্যালন সমপরিমাণ ঘামে। তবে সে বোঝার আগেই এর বেশিরভাগটুকু বাষ্প হয়ে মিলিয়ে যায়।
24/ জেলিফিশের শরীরের শতকরা ৯৫ ভাগই পানি।
25/ একটি জাম্বো জেট টেক অফ করার সময় ৪,০০০গ্যালন তেল খরচ করে।
26/ পৃথিবীতে প্রতিদিন গড়ে ১২টি নবজাতককেভুল মা-বাবার কাছে তুলে দেওয়া হয়।
27/ জন্মগ্রহণকালে নবজাতকের হাঁটুর হাড় থাকে না। ২-৬ বছর বয়সে এর অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।
বাবল গামে রাবার থাকে।
28/ বালুঝড় থেকে চোখকে রক্ষা করার জন্য উটেরতিনটি চোখের পাতা থাকে।
29/ কানাডা একটি ভারতীয় শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ 'বড় গ্রাম'।
30/ বিড়াল তার গলার স্বর ব্যবহার করে প্রায় একশ' রকমের আওয়াজ করতে পারে। কিন্তু কুকুর পারে মাত্র দশটির মতো।
31/ পেঁয়াজ কাটার সময় চুইংগাম চিবালে চোখ দিয়ে পানি বের হবে না।
32/ সজারু জলে ভাসে।
33/ প্রাচীন মিসরীয়রা পাথরের তৈরি বালিশেঘুমাত।
34/ একজন মানুষ দিনে প্রায় পনেরো বার হাসে।
35/ একটি ইগুয়ানা টানা ২৮ মিনিট পানির নিচে থাকতে পারে।
36/ উটপাখির চোখের দৈর্ঘ্য এর মস্তিষ্কেরচেয়েও বড়।
37/ নিউইয়র্কে ক্যাথলিক গির্জার পর দ্বিতীয়সর্বোচ্চ জমির মালিক হলো কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।
38/ ডলফিন এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়।
39/ ফিনল্যান্ডে 'ডোনাল্ড ডাক' কমিকস্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, কারণ এই কার্টুন চরিত্রটি প্যান্ট পরত না!
40/ পূর্ণবয়স্ক মানুষ সারা জীবনে প্রায় ৬০,০০০ পাউন্ড খাবার খায়, যা ছয়টি হাতির ওজনের সমান।
41/ '১০১ ডালমেসিয়ান' ও 'পিটার প্যান'_ ডিজনিরএ দুটি কার্টুন চরিত্রেরই কেবল মা-বাবা দু'জনই আছে এবং শেষ পর্যন্ত তারা জীবিত থাকেন।
42/ নয় বছর বয়সে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন নির্ভুলভাবে কথা বলতে পারতেন না; ফলে তার বাবা-মা তাকে প্রতিবন্ধী ভেবেছিলেন।
43/ চাহিবামাত্র স্বামী যদি কফি দিতে অস্বীকার করে তাহলে স্বামীকে তালাক দেওয়ারআইনি অধিকার রাখে সৌদি নারীরা।

Read more ...

Tuesday, November 1, 2011

৭০০ কোটি জনসংখ্যার পৃথিবীতে আপনি কততম?

৭০০ কোটি জনসংখ্যার পৃথিবীতে আপনি কততম?

বিশ্বের জনসংখ্যা এখন ৭০০ কোটি ছাড়িয়ে গেলেও প্রতিমুহূর্তে জনসংখ্যা বাড়ছেই। বিবিসি এ নিয়ে দারুণ এক অনলাইন সফটওয়্যার তৈরি করেছে । এ সফটওয়্যার আপনার জন্মতারিখের ভিত্তিতে বলে দেবে ৭০০ কোটি জনসংখ্যার বিশ্বে আপনি কততম। সীমাবদ্ধতাও রয়েছে যেমন, জন্মবছর ১৯১০ সালের আগে হলে এ নিরীক্ষা আপনাকে কাউন্টিংয়ে সমর্থ্য হবে না। www.bbc.co.uk/news/world-15391515
এ লিঙ্কে আপনার জন্মতারিখ নিবন্ধন করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করলেই মুহূর্তেই মিলবে আপনার জন্মসংখ্যা। এবং দেশভিত্তিক অবস্থান জানতে পরের নেক্সট ক্লিক করে ‘কান্ট্রি’ অপশনে দেশের নাম লিখে ইন্টার বাটন ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন দেশের জন্মসংখ্যায় আপনি কততম।

বিবিসি জনসংখ্যা সফটওয়্যারের হিসাব মতে বাংলাদেশে প্রতিঘণ্টায় ৩৫৫ মানবসন্তান জন্ম নিচ্ছে, মারা যাচ্ছেন ১০৩ জন আর প্রবাসী হচ্ছেন ৬৬ জন। এ গণনা চক্রের সমীকরণে বাংলাদেশে বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার ১.১ ভাগ।

Read more ...

Friday, October 14, 2011

উসামা বিন লাদেনকে নিয়ে একটি অসাধারণ ডকুমেন্টারী,

উসামা বিন লাদেনকে নিয়ে একটি অসাধারণ ডকুমেন্টারী, আল জাজিরা থেকে......তার জীবন, ব্যবহার ও আদর্শ নিয়ে কথা বলেছেন যারা তাকে খুব কাছে থেকে দেখেছেন................




Read more ...

Saturday, September 24, 2011

অ্যামাজনের বিস্ময়!

অ্যামাজনের বিস্ময়!

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী আমাজন। দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৭০ লক্ষ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে আাঁাকাবাকা পথে বয়ে চলেছে রহস্যাবৃত আমাজন জঙ্গলের এই নদীটি। কিন্তু শুধু এটুকুই না। আরও অনেক বিস্ময় এতদিন লুকিয়েই রেখেছিল আমাজন। নদীটির ভূমিপৃষ্টের চার কিলোমিটার নিচে আরও বড় আয়তনের একটি নদী বয়ে চলেছে বলে সম্প্রতি এক গবেষণায় দাবি করেছেন ব্রাজিলের বিজ্ঞানীরা। রিও ডি জেনিরোতে গত সপ্তাহে জিওফিজিক্যাল সোসাইটির এক সম্মেলনে এই বিস্ময়কর দাবিটি করেন ব্রাজিলের ন্যাশনাল অবসারভেটরির জিওফিজিক্স বিভাগ।

আমাজন ভূপৃষ্ঠের ৪ কিলোমিটার নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া এই নদীটির নামকরণ করা হয়েছে এই গবেষক দলের প্রধান ভালিয়া হামজার নাম অনুসরণে। নবআবিস্কৃত এই হামজা নদীটি বয়ে চলেছে আমাজনের মতোই পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে। আমাজন ও হামজা, দুই নদীই দৈর্ঘ্যে সমান (৬ হাজার কিলোমিটার) হলেও প্রস্থে অনেক গুন বড় ভূগর্ভস্থ নদীটি। আমাজন প্রবাহিত হয় প্রস্থে ১ কি.মি থেকে ১০০ কি.মির মধ্যে। যেখানে কোথাও কোথাও হামজার প্রস্থ একশ গুনেরও বেশি। প্রায় ২০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটার। ব্রাজিলের আক্রে প্রদেশ থেকে শুরু হয়ে সালিমোস, আমাজোনাস ও মারাজু শাখানদীগুলো দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এই নদীটি। শেষ হয়েছে আটলান্টিক মহাসমুদ্রে। তবে আমাজনের তুলনায় হামজা নদীর পানিপ্রবাহের গতি অনেক ধীর। আমাজন নদীতে পানিপ্রবাহের গতি সেকেন্টে ১,৩৩,০০০ মিটার৩। আর হামজা নদীর গতি সেকেন্ডে ৩,৯০০ মিটার৩।

তেল উত্তোলনের জন্য আমাজন অঞ্চলে স্থাপন করা ২৪১টি অকার্যকর গভীর কুপের তাপমাত্রা তারতম্যের কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে সম্প্রতি এই ভূগর্ভস্থ নদীটির সন্ধান পায় ব্রাজিলের জিওফিজিক্স বিভাগ। ১৯৭০ ও ১৯৮০-র দশকে এই কুপগুলো স্থাপন করেছিল দেশটির পেট্রো-কেমিকেল কোম্পানি পেট্রোব্রাস।

আমাজন নদীর মুখগুলোতে লবন সল্পতার কারণ হিসেবে এই হামজা নদীর উপস্থিতিই বড় ভূমিকা পালন করেছে বলে অনুমান করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এখনও এই নদীর বৈশিষ্ট্য, প্রকৃতির উপর এর অবদান ইত্যাদি বিষয়ে পরিস্কার করে কিছু বলতে পারছেন না তাঁরা। আমাজনের এই নতুন বিস্ময়ের স্বরুপ বুঝতে আরও তিন/চার বছর সময় লাগতে পারে বলে ধারণা গবেষকদের।— টেলিগ্রাফ


Read more ...

Monday, September 19, 2011

ডিভি ভিসার সুযোগ হারাল বাংলাদেশ

বাংলাদেশীদের জন্য ডিভি ভিসার দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হওয়ার লক্ষ্যে ২০১৩ সালের ডিভি লটারিতে অংশ নেয়ার আর সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশীরা। এই প্রথম ডিভি ভিসা কার্যক্রম থেকে বাংলাদেশীরা বাদ পড়ল। আমেরিকা যাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকরা হতাশ। গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ২০১৩ সালের ডাইভারসিটি ইমিগ্রান্টদের জন্য প্রচারিত ১৬ পৃষ্ঠার এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়। এতে জানানো হয়, আগামী ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া এ লটারিতে বাংলাদেশ ছাড়া আরও ১৮টি দেশের নাগরিকরা অংশ নিতে পারবেন না।
তবে এ সুযোগ কতদিনের জন্য বাংলাদেশ হারাল তার কোনো ব্যাখ্যা না থাকায় বাংলাদেশীদের মাঝে হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। ওয়েবসাইটে বাংলাদেশীরা যে ডিভি লটারিতে মোটেও অংশ নিতে পারবেন না তা আলাদাভাবে বলা আছে। অন্য দেশের ক্ষেত্রে এভাবে বলা নেই।
এ ব্যাপারে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ নির্দেশনার ব্যাখ্যা সম্পর্কে এখনও কিছু জানি না। বিস্তারিত জানতে কয়েকদিন সময় লাগবে’। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও কিছু জানে না।
ডিভি ভিসার সুযোগ হারানোর কারণ হিসেবে ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘গত পাঁচ বছরে যেসব দেশের ৫০ হাজার নাগরিক আমেরিকায় অভিবাসী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, সেসব দেশের নাগরিকরা ২০১৩ সালের ডিভি লটারিতে অংশ নিতে পারবেন না’। তবে বাংলাদেশের ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ আবুল কাশেম বিবিসিকে জানান, মার্কিন কর্তৃপক্ষ যদিও বলছেন বাংলাদেশীদের ডিভিতে যাওয়ার সংখ্যা ৫০ হাজার হয়ে গেছে, আসলে এ পরিসংখ্যানটি ঠিক নয়। ডিভি ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন ৪০ হাজার বাংলাদেশী।
অবশ্য ডিভি ভিসার সুযোগ বাংলাদেশসহ বাদপড়া দেশের নাগরিকরা আবার পাবেন কিনা অথবা কবে নাগাদ পেতে পারেন সে ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি। তাই বাংলাদেশের নাগরিকরা হতাশ হয়েছেন। তারা গতকাল টেলিফোনে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এ সিদ্ধান্তের কারণ ও নির্দেশনাটির আওতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছেন। তাদের কেউ কেউ এটাও আশঙ্কা করছেন, বাংলাদেশীদের জন্য ডিভির দরজা হয়তো বন্ধ হয়ে গেল।
তাদের ডিভি ভিসার আশঙ্কার অন্যতম একটাই কারণ—নির্দেশনায় যে ১৮টি দেশের নাম দেয়া হয়েছে তার বাইরেও বাংলাদেশী নাগরিকরা (যে দেশেই অবস্থান করুক না কেন) লটারিতে মোটেও অংশ নিতে পারবেন না—এটা আলাদাভাবেও বলা হয়েছে, যা অন্য কোনো দেশের ক্ষেত্রে বলা হয়নি। তবে এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ সুদান ও পোল্যান্ডের নাগরিকরা ডিভি লটারির জন্য আবেদন জানাতে পারবেন।
ডিভি ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় যাওয়া বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয়। গত ২০ বছর ধরে হাজার হাজার বাংলাদেশী ডিভি ভিসায় আমেরিকায় অভিবাসী হয়েছেন। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞ আবুল কাশেম বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ডিভি ভিসায় আমেরিকা যাওয়ার কোটা ছিল ৩ হাজার ৭৫০ জন। যদিও প্রতি বছর আমেরিকায় বাংলাদেশী নেয়া হয়েছে আড়াই হাজার, ২ হাজার ৮শ’ এমন সংখ্যায়। ডিভি লটারি পাওয়ার আশায় প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ২০ থেকে ৩০ লাখ দরখাস্ত পড়তো। টানা পাঁচ বছর ধরে ডিভি লটারির জন্য দরখাস্ত করেছেন সিলেটের আইনজীবী নিলেন্দ দেব। তিনি ডিভি ভিসা বাংলাদেশীদের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে শুনে বিবিসির কাছে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, আমাদের আমেরিকা যাওয়ার সুযোগটা চলে গেল। একটি মডার্ন দেশে যাওয়ার, স্বপ্নের সেই দেশটাকে দেখার খুব আগ্রহ ছিল। সেই আশাটা বুঝি আর পূরণ হলো না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবার ডিভির সুযোগ থেকে যেসব দেশের নাগরিকদের বঞ্চিত করছে সেগুলো হলো—বাংলাদেশ, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, কলম্বিয়া, ডমিনিকান রিপাবলিক, ইকুয়েডর, এল সালভেদর, গুয়াতেমালা, হাইতি, ভারত, জ্যামাইকা, মেক্সিকো, পাকিস্তান, পেরু, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন (উপনিবেশসহ) ও ভিয়েতনাম। চীনের মূল ভূখণ্ডের নাগরিকরা ডিভির আবেদনের সুযোগ হারালেও হংকং, ম্যাকাউ ও তাইওয়ানের নাগরিকরা আবেদন করতে পারবেন। চলতি বছর ৫০ হাজার আবেদনকারী ডিভি ভিসা পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতি বছর এ ভিসা কর্মসূচিটি পরিচালনা করে। এটা সাধারণভাবে গ্রিনকার্ড নামে পরিচিত।
নির্দেশনা অনুযায়ী আফ্রিকার ৫৪টি দেশের নাগরিক বা এসব দেশের অভিবাসীরা এবারের ডিভির জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। তবে এশিয়ার দেশ ফিলিস্তিনের গাজার অধিবাসীরা আফ্রিকান দেশ মিসরের মাধ্যমে আবেদনের সুযোগ পাবেন। এশিয়া থেকে সুযোগ পাবেন ৩২ দেশ। এবার এশিয়া থেকে বাদ গেছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের নাগরিকরা। অন্যদিকে ইউরোপের ৫৭টি দেশের নাগরিকরা ডিভির সুযোগ পাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, মধ্য এশিয়ার আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, কিরঘিজিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান ও তুরস্কের নাগরিকরা ইউরোপ মহাদেশের ক্যাটাগরিতে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া ডিভি ভিসার জন্য ব্রিটেন ও তার বেশ কিছু উপনিবেশের নাগরিকরা আবেদন জানানোর সুযোগ না পেলেও আয়ারল্যান্ডের নাগরিকরা বিশেষ বিবেচনায় আবেদন জানানোর সুযোগ পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনায় এটাও বলা হয়েছে, ‘ডাইভার্সিটি ভিসা (ডিভি) প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে যেসব দেশের অভিবাসী কম সেসব দেশ থেকে প্রতি বছর ৫০ হাজার জনকে স্থায়ী অধিবাসী ভিসা দেয়া হয়।’


Read more ...

Sunday, September 18, 2011

LHC প্রজেক্টঃ ডেকে আনবে কি পৃথিবীর ধ্বংস নাকি সমাধান করবে মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য

পৃ্থিবী।আমাদের বসবাসযোগ্য একমাত্র গ্রহ।এরকম আরো গ্রহ এবং সূর্য নামের নক্ষত্র নিয়ে গঠিত আমাদের এ সৌরজগত। এছাড়াও মাহাকাশে রয়েছে ছায়াপথ,নিহারীকা,গ্রহাণু আরো কত কি!!!
আর এ সব কিছু নিয়েই গঠিত হয়েছে এ মহাবিশ্ব।কিন্তু এর সৃষ্টি সম্পর্কে যে তত্ত্ব সর্বাধিক প্রচলিত তা হল বিগব্যাং(Bigbang) যা সম্পর্কে আমরা সকলেই কমবেশী জানি।এখন কথা হচ্ছে এই তত্ত্ব কতটুকু সঠিক।হ্যাঁ,এই তত্ত্বের সঠিকতা বা মহাবিশ্ব সৃষ্টির আসল রহস্য সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের গবেষণার অন্ত নেই আর এর জন্য তারা করে চলেছেন বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা আর তাদের গবেষণার সুবিধার্থে তারা তৈরি করেছেন বিভিন্ন ধরণের যন্ত্রপাতি।তারই ফলশ্রুতিতে তারা এমনই একটি যান্ত্রিক ব্যবস্থা আবিষ্কার করেছেন যার সংক্ষিপ্ত নাম LHC.এর মাধ্যমে এবার পৃথিবী সৃষ্টির আসল রহস্য এবং প্রক্রিয়া এবং সর্বাপেক্ষা পেছনের সময়,যতটুকু পর্যন্ত আমাদের জানার পরিসীমায় রয়েছে তারও পেছনের সময়ের মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে বলে বিজ্ঞানীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

LHC কি: LHC একটি সংক্ষিপ্ত নাম যার পূর্ণ অভিব্যক্তি হল Large Hadron Collider.এটি পৃথিবীর সর্ববৃহত মেশীন যার ওজন ৩৮০০০ টন এবং দৈর্ঘ্য ২৭ কিলোমিটার।এটি একটি বৃত্তাকার টানেল বা সুড়ঙ্গ যা সুইডেন এবং ফ্রান্সের সীমান্ত বরাবর ১০০ মিটার মাটির নিচে অবস্থিত।এই প্রজেক্টটি পরিচালনা করছে ইউরোপীয় নিউক্লিয়ার গবেষনা প্রতিষ্ঠান CERN(European Council for Nuclear Research) আর এর পেছনে কাজ করছে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানী,প্রকৌশলী এবং বহু আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন,এই মহাবিশ্ব উদ্ভব হয়েছে বিগব্যাং এর মাধ্যমে এবং তখন থেকে এখন পর্যন্ত ক্রমাগত ঠান্ডা হতে হতে তা শক্তি নিঃসরন করে চলেছে।তাদের মনে করা ধারনাকে সুনিশ্চিত করার জন্য তৈরি হল LHC.

LHC প্রজেক্টে মূলত তিনটি অংশ আছে
কোলাইডারঃএটি একটি টানেল যার মধ্য দিয়ে দুটি রশ্মি প্রবাহিত হবে।(এ সম্পর্কে একটু পরেই আলোচনা করা হবে
ডিটেক্টরঃ টানেলের চার কোণায় চারটি ডিটেক্টর যুক্ত থাকবে।
্রীডঃ এটি হল বিশ্বব্যাপী একটি কম্পিউটার নেটয়ার্ক যার মাধ্যমে ডিটেক্টর কতৃক রেকর্ডকৃ্ত ডাটা প্রসেসিং করা হবে।
LHC প্রজেক্টের মাধ্যমে উচ্চগতিসম্পন্ন পারমানবিক কণাগুলোর মধ্যে প্রচন্ড সংঘর্ষ ঘটানো হবে আর এর ফলে উতপাদিত হবে অতি উচ্চ শক্তি।সংঘর্ষের মাত্রা যত বেশি হবে শক্তির পরিমানও তত বেশী হবে এবং ততই পেছনের সময়ের মহাবিশ্ব সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে।LHC প্রজেক্টের আগেও এর মতই আরো কিছু প্রজেক্ট নিয়ে বিজ্ঞানীরা কাজ করেছিলেন তবে এবার যে পরিমান শক্তির উদ্ভব হবে তার মাত্রা হবে আগের অন্যান্য প্রজেক্টের থেকে ৭গুন বেশী।
আসুন এবার জেনে নিই LHC কীভাবে কাজ করবে।আগেই বলেছি,LHC একটি টানেল বা সুড়ঙ্গ।অসংখ্য পারমানবিক কণার সমন্বয়ে গঠিত দুটি রশ্মিকে ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সুড়ঙ্গের ভেতর দিয়ে পরস্পর বিপরীত দিক থেকে চালনা করা হবে অতি উচ্চ গতিতে।সময়ের সাথে এই গতি বাড়তে থাকবে আর যখনই গতি সর্বোচ্চ হবে তখনই এই বিপরীত দিক থেকে আসা এই রশ্মি দুটির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটবে অর্থাত এই রশ্মি দুটিতে অবস্থিত কণাগুলো পরস্পরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। এ ধরণের সংঘর্ষের ফলে পারমাণবিক কণাগুলো ভেঙ্গে আরো অসংখ্য নতুন কণার সৃষ্টি হবে।টানেলের চারটি পয়েন্টে চারটি ডিটেক্টর সেট করা থাকবে।এগুলো সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট কণার গতি,প্রকৃ্তি,সংখ্যা এবং সংঘর্ষ পরবর্তী সৃষ্ট কণার বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি ফোকাস করবে।এ ধরণের এক একটি ডিটেক্টর লক্ষ লক্ষ কণার সংঘর্ষ ফোকাস করতে সক্ষম।আর এ সংঘর্ষের ফলে যে বিপুল পরিমান শক্তি উতপন্ন হবে,তার উপর ভিত্তি করেই বিজ্ঞানীরা মহাবিশ্বের মৌলিক গঠন এবং ঐ সময়ে মহাবিশ্ব সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন।শক্তির পরিমান যত বেশি হবে,ততই মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কিত অতীতের তথ্য জানতে পারা যাবে।

এটি টানেলের অগ্রভাগ(উপরে)।


এটি টানেলের বহির্ভাগ(উপরে)।


এটি টানলের ভিতরের ছবি (উপরে) ।

ম্যাগনেটিক ফিল্ড (উপরে) ।

উল্লেখ্য,২০১২ সালে LHC প্রজেক্টটিতে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষাটি চালাবেন।এর আগে ২০০৮ সালে একবার এই পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিলো কিন্তু টানেলের অভ্যন্তরীন কিছু সমস্যার কারণে ঐ পরীক্ষাটি তখনই স্থগিত করা হয়।
LHCপ্রজেক্টের মাধ্যমে যে সকল বিষয় জানতে পারা যাবে
১)পৃথিবী সৃষ্টির প্রকৃ্ত রহস্য
২)বিগব্যাং এ প্রকৃ্তপক্ষে কি হয়েছিল
৩)পারমাণবিক কণার ভর সম্পর্কিত তথ্য
৪)মৌলিক উপাদান যা দিয়ে পৃথিবী তৈরি
এই LHC প্রজেক্ট পৃথিবীবাসীকে করেছে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন।কেউ কেউ মনে করছেন এই প্রজেক্টে দুটি রশ্মির মধ্যে সংঘর্ষের ফলে যে পরিমান শক্তির উদ্ভব হবে তার ফলে পৃথিবীর মাঝেই সৃষ্টি হবে আরেকটি মহাবিশ্ব এবং এই মহাবিশ্বের মতই পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে বড় হবে।
কিন্তু বিজ্ঞানীরা এর সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়ে বলেন যে,তারা এই প্রজেক্টের মাধ্যমে খুবই কম সময়ের জন্য বিগব্যাং এর সময়ের শক্তি এবং সে সময়ের অবস্থা সষ্টি করবেন তবে তা বিগব্যাং এর মুহুর্তকে সৃষ্টি করার মত যথেষ্ট নয়।সুতরাং মহাবিশ্ব সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

LHC প্রজেক্টটি মাটির নিচে করা পরিচালনা হবে বলে অনেকেই সন্দেহ করছেন যে,CERN কোনো গোপণীয় পরীক্ষা চালাতে যাচ্ছে।এই ব্যাপারে CERN এর অভিমত এই যে,ভূপৃষ্ঠের শিলা প্রাকৃ্তিক শীল্ড হিসেবে কাজ করে যার ফলে বিভিন্ন প্রাকৃ্তিক বিকিরণ থেকে ডিটেক্টরগুলো নিরাপদ দূরত্বে থাকবে।ফলে এই সকল বিকিরণের সাথে পারমাণবিক কণার সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট বিকিরণের উপরিপাতন হবে না।ফলে ডিটেক্টর কতৃক ধারণ করা ডাটার মান ভুল থাকার কোনো সম্ভাবনাও থাকবে না।তাই এই প্রজেক্টটি মাটির নিচেই চালনা করা হবে।
আরেকটি প্রশ্ন যা সবার মনেই জাগে তা হল,এই প্রজেক্টের মাধ্যমে যে উচ্চ শক্তির সৃষ্টি হবে তা কতটুকু ভয়াবহ এবং কোনো ত্রুটি হলে তা কতটা বিপজ্জনক হবে।
এ ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা বলেন,LHC খুবই উচ্চ শক্তি সৃষ্টি করবে কিন্তু তার পরিমান খুবই কম।এতে দুটি রশ্মির সংঘর্ষের মাধ্যমে প্রতি সেকেন্ডে প্রচুর পরিমান উচ্চ শক্তির কণা সৃষ্টি হবে।কিন্তু ডিটেক্টরের মাধ্যমে সব কণার গতিকেই নির্দিষ্ট সময় পরে থামিয়ে দেয়া হবে।তবে পরীক্ষা পরিচালনায় কোনো ত্রুটি হলে তাতে LHC মেশীনের নিজেরই ক্ষতি পারে।যেহেতু রশ্মির কণাগুলো খুবই উচ্চশক্তিসম্পন্ন ফলে রশ্মির গতিশক্তি এবং LHC এর ম্যাগনেটিক সিষ্টেমকে বিচ্যুত করার ক্ষমতা এর আছে।তবে সিষ্টেমের বাইরে ক্ষতির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে তারা জানিয়েছেন।
তবে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি সবার মনে ভীতির সৃষ্টি করে তা হল,LHC প্রজেক্টের ফলে পৃথিবী ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাবে কিনা।আগেই বলেছি কোলাইডারে লক্ষ লক্ষ পারমাণবিক কণার সংঘর্ষ ঘটানো হবে।এর ফলে কোলাইডারের ভেতরে ব্ল্যাক হোল বা কৃশ্নগহবরের সৃষ্টি হবে।আর এই গহবরের ভেতরে উদ্ভব হবে মহাশক্তির।আর এর ফলে সৃষ্টি হবে বিগ ব্যাং এর সময়ের তাপ।এই তাপ দিয়ে বিগ ব্যাং এর সময়ের তাতক্ষনিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন।এই তাপ চার ট্রিলিয়ন (৪০০০০০০০০০০০০) ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়েও বেশী হবে যা আমাদের চেনা মহাবিশ্বে এর আগে কখনো তৈরি হয়নি।যেহেতু,এর ভেতরে ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি হবে সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই এর মাধ্যাকর্ষণ বল হবে কল্পনার চেয়েও বেশী।আর এর সাথে রয়েছে প্রচুর তাপ।এই বিরূপ পরিস্থিত কোলাইডার নামের এই সুড়ঙ্গের ভেতর দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা যাবে কিনা এ নিয়ে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছেন।যা পৃথিবীর জন্য হূমকি স্বরূপ।হয়ত ব্ল্যাক হোল তার মাধ্যাকর্ষণ বলের মাধ্যমে সমগ্র পৃথিবীকেই তার কেন্দ্রে টেনে আনবে। যদিও CERN সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা এ ব্যাপারে আশ্বস্তের বানীই শোনাচ্ছেন।সর্বোপরি বলতে গেলে, এ ব্যাপারে সন্দেহ সবার মনে থেকেই যাচ্ছে।


Read more ...

Wednesday, September 14, 2011

মিস ইউনিভার্স হলেন অ্যাঙ্গোলার লাইলা


এবারের মিস ইউনিভার্স-২০১১ হয়েছেন মিস অ্যাঙ্গোলা লাইলা লোপেজ। বিজয়ীর মুকুট পরে ২৫ বছরের এ তন্বী বললেন ‘ব্ল্যাক ইজ বিউটিফুল।’ বিশ্বের আরও ৮৮ সুন্দরীকে ম্লান করে খেতাব জিততে হয়েছে কৃষ্ণকলী লাইলাকে। সোমবার রাতে ব্রাজিলের সাও পাওলোর ক্রেডিকার্ড হলে বিশ্বের অন্যতম জাঁকজমকপূর্ণ এ প্রতিযোগিতার ৬০তম আসর বসে। গ্রান্ড ফিনালের জমকালো আসরে শীর্ষ ১৫ সুন্দরী একে-একে বিকিনি ও সান্ধ্যকালীন পোশাক পরে বিচারকদের সামনে আসেন। নানা প্রশ্নের বুদ্ধিদীপ্ত উত্তরও দিতে হয় তাদের। বিট্রেনে বিবিএ পড়-য়া এ সুন্দরীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন গতবারের মিস ইউনিভার্স মিস মেক্সিকো হিমেনা নাভারেতি। এ আসরে প্রথম রানার আপ হন মিস ইউক্রেন ওরেসা স্টিফানকো এবং দ্বিতীয় রানার আপ মিস ব্রাজিল প্রিসিলা মাকাডো। রয়টার্স











Read more ...