Friday, May 28, 2010

ফেসবুক কথপকথন 2010

বাহ! বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। ভাবতে ভালোই লাগে। ভেবে দেখুন, দেশে মশা-মাছির মতো ফেসবুকের জনপ্রিয়তাও চক্রবৃদ্ধি হারে বেড়েই চলেছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকে একটা অ্যাকাউন্ট নেই, কিন্তু ফেসবুকে বেশ কয়েকটা অ্যাকাউন্ট আছে (নকল আইডিসহ) এমন লোকের সংখ্যাও খুব একটা কম নয় rolling on the floor আর ফেসবুকের যে ব্যাপক উপকারিতা, তাতে জনপ্রিয়তা না বেড়ে উপায় কী? এমনিতে আপনার পাঁচ পয়সাও দাম নেই broken heart সমাজে নেই কোনো মানমর্যাদা। কিন্তু এ নিষ্ঠুর সমাজ না বুঝলেও ফেসবুক আপনাকে ঠিকই বুঝবে hypnotized কারণ ফেসবুকে আর কিছু থাক বা না থাক, আপনার একটা ‘স্ট্যাটাস’ আছে। শুধু তাই না, একটা বাড়ির জন্য মানুষ কত কষ্ট করে, অথচ ফেসবুকে বাড়ি অর্থাৎ হোম আছে। লগইন করলেই দেখতে পাবেন হোম পেইজ 69 ফেসবুক কথপকথন... একটু মজার জন্য ;) |
বিয়ে কিংবা চাকরি যেটাই করতে চান, কাজি না লাগতে পারে, অফিস না লাগতে পারে, কিন্তু সব জায়গাতেই আপনার একটা প্রোফাইল লাগবে thinking সেটাও ফেসবুকে আছে।

আর মানুষ সামাজিক জীব, সে একা বাস করতে পারে না, তার বন্ধু প্রয়োজন—এসব তো সবাই জানে। কিন্তু বন্ধু পাবেন কোথায়? কোথায় আর, এই ফেসবুকে। আহা, কী দুনিয়া আইল রে ভাই! এক ফেসবুকে বন্ধু, প্রোফাইল, হোম, স্ট্যাটাস—সবই পাচ্ছেন big grin জনপ্রিয়তা তো বাড়বেই। তবে কয়েকটি বিশেষ মহল ফেসবুকের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো শুরু করেছে। তাদের ধারণা, ফেসবুকের কারণে টেক্সটবুকের ব্যবহার কমে আসছে। এহ! ফেসবুক আসার আগে সবাই মনে হয় টেক্সটবুক পড়ে একেবারে আইনস্টাইন হয়ে গিয়েছিল pirate* এ দেশের ছাত্রছাত্রীদের কাছে পাঠ্যবইয়ের গুরুত্বটা কেমন, তা কি আমরা জানি না ভেবেছেন? silly আসলে ভালো জিনিস নিয়ে অপপ্রচার হবেই। এটাই নিয়ম। অতএব যে যা-ই বলুক, ফেসবুক একটা ভালো জিনিস।
Powered By Plug N Play

Read more ...

Monday, May 10, 2010

আপনার এন্টি ভাইরাস কতটুক কার্য্যকর ?

আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে,। প্রায় সব কম্পিউটারেই এন্টিভাইরাস ইনস্টল করে থাকি, কিন্তু আমরা জানতে পারি কি যে আমার ইনষ্টল করা এন্টি ভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে কিনা ?। তো আসুন আজ ছোট একটি পরীক্ষা দ্বারা জেনে নেই আমাদের ইনষ্টল করা এন্টিভাইরাসের কার্যকারিতা কতটুকু বা কাজ করছে কিনা । এজন্য নোটপ্যাড খুলে
X5O!P%@AP[4\PZX54(P^)7CC)7}$EICAR-STANDARD-ANTIVIRUS-TEST-FILE!$H+H*
লিখে
Virustest.bat
নামে সেভ করতে হবে। এবার ফাইলটি এন্টিভাইরাস দ্বারা স্ক্যান করুন এবং দেখুন ফাইলটিকে আপনার কম্পিউটারের এন্টিভাইরাসটি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করে কিনা। যদি চিহ্নিত করে তাহলে বুঝবেন আপনার এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে, আর যদি চিহ্নিত না করে তাহলে বুঝবেন এন্টিভাইরাসটি ঠিকমত কাজ করছে না। ধন্যবাদ সবাইকে।

Read more ...

কই মাছের প্রাণ : এরশাদের গোপন ডায়েরি

আমাকে নিয়ে আমার এই রসিকতায় মনে হয় না কেউ খুব একটা আশ্চর্য হবে। সারাজীবন তো নিজেকে নিয়ে রসিকতাই করে গেছি, সেরসিকতা দেশ ও জনগণের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। কিন্তু আমি ছিলাম বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অংশের সবচেয়ে ক্ষমতাবান প্রতিনিধি। তাই আমার রসিকতা ও আমার ক্ষমতা দুয়ে মিলে আমি হয়েছি – বিশ্ববেহায়া। এখন আমার ক্ষমতা নেই, তাই আমার এখনকার রসিকতা আর দেশ ও জনগণের ক্ষতি করে না। আমার নিজের কই মাছের প্রাণটা আমি উপভোগ করি – এই যে গুরুতর অসুস্থতা থেকেও এই আশি বছর বয়সেও ফিরে এলাম – এ তো উপভোগ করার মতোই ঘটনা। মুজিব মরল, জিয়া মরল – কিন্তু আমি বেঁচে আছি, এরশাদ বেঁচে আছে। এই শব্দটাও আমাকে খুব মানায় – ঠ্যাঁটা, শঠতার চূড়ান্তে পৌঁছতে চেয়েছি আমি – পৌঁছেছি দাবী করব না – কিন্তু বাংলার সেরা শঠদের সেরা সারিতে থাকব, এতে কোনো সন্দেহ নেই আমার। আমার ও রওশনের সন্তান ছিল না, সন্তান দত্তক নিয়েছিলাম, কিন্তু সন্তানসম্ভবা বলে রওশনকে হাসপাতালে ভর্তি করালাম, তার বাচ্চা হল, আমরা বাবা-মা হলাম। সারাদেশকে জোর করে আনন্দে ভাসানো হল, ঘনিষ্ঠরা শুধু জানে, রওশন ছাড়া পৃথিবীতে আর কেউ সম্ভবত রাতারাতি সন্তানসম্ভবা ও সন্তানের মা হয়নি। ১৯৭১ সালে আমি পাকিস্তান আর্মিতে নিশ্চিন্তে কাজ করে গেছি, ছুটি নিয়ে বাবা-মাকে দেখেও গেছি, আর কোনো কিছুর সঙ্গে নিজেকে জড়াইনি, এতো উদাসীন ছিলাম, কোনো কিছুই স্পর্শ করত না, আজো করে না, তাই হয়তো বেঁচে আছি। জিয়ার জীবনের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি ছিল তিনি বাংলা ভাষাটাই ঠিক মতো জানতেন না। দেশের প্রেসিডেন্ট দেশের ভাষা না জানলে জিন্নার মতো এক বছর চলে যায়, কিন্তু বছরের পর বছর চলা যায় না, আর তাই জিয়া আমাকে আবিষ্কার করলেন – আর আমার জীবনের সবচেয়ে বড় গুণটাকে আমি, বাংলা ভাষাজ্ঞানের দিকটাকে আমি জিয়ার সেবায় বিলিয়ে দিলাম – দিনে রাতে জিয়ার ড্রাফট লিখতে লিখতে আমার মনে হয়েছিল, আরেকজনের ড্রাফট লেখার জন্য আমার জন্ম হয়নি – এগিয়ে গেলাম – জিয়া মারা গেলেন – আমার কী কপাল! – তারপর তো কত লোক আমার কবিতাগান লেখার জন্য লাইন দিল। রসিকতা আর শঠতা কাকে বলে! একটা কথা না বললে খুব অন্যায় হবে, ইসলামের সাথে আর কেউ রসিকতা ও শঠতা করেছিল কি না আমার জানা নেই – কিন্তু আমি করেছিলাম – চূড়ান্ত অনৈতিক জীবনযাপন ও রগরগে ভোগবিলাসের মধ্যে থেকেও আমি রাষ্ট্রধর্মে ইসলামকে অভিষিক্ত করেছিলাম, শুক্রবারের ছুটি এনেছিলাম, পীরের লালসা নিয়ে মোনাজাতে মোনাজাতে চারিদিক আকুল করে তুলেছিলাম। ছিলাম পেশাদার মুসলমান, আমার সাথে প্রতিযোগিতা হতে পারে জামাতিদের, একটা রিয়েলিটি শো হলে দেখা যেত – কে হারে, কে জেতে – তবে এই যে আমরা পেশাদার মুসলমানেরা, আমাদের সবার বাবা ‘কায়দে আজম’ জিন্না – ভাগ্য ভাল তার কই মাছের প্রাণ ছিল না, থাকলে হয়তো আমাকে আর ‘বিশ্ববেহায়া’ হতে হত না।

Read more ...

Tuesday, April 20, 2010

গ্রামীণ ফোন সেন্টারের গ্রাহক সেবা

গ্রামীণফোনের বহুল বিজ্ঞপিত মডেম ক্রেতার সাথে সেলস্ম্যানের কথোপকথন।
স্থান : গ্রামীণ ফোন সেন্টার, নাবিস্কো, ঢাকা। তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০১০।

ক্রেতা : সুন্দর একটা নাম্বার দিন।
সেলসম্যান : সুন্দর নাম্বার দিয়ে কি হবে ? ভয়েস কল আউটগোয়িং বা ইনকামিং তো হবে না।
ক্রেতা : কল সুবিধা না রাখার কারণ ?
সেলসম্যান : আপনাদের সুবিধার্থে। যেমন ধরুন কোন কিছু ডাউরলোড করার সময় কল ইনকামিং হলে ডাউনলোড ক্যান্সেল হয়ে যাবে। নতুন করে ডাউনলোড করতে হবে।
ক্রেতা : নতুন করে ডাউনলোড করবো কেন ? আজকাল প্রায় সব ডাউনলোডেই resume সুবিধা আছে। তাছাড়া আমি গ্রামীণ সিম দিয়ে যে ফোন সেট (htc) ব্যবহার করি তা দিয়ে ইন্টারনেটে থাকা অবস্থায় ভয়েস কল আউটগোয়িং ইনকামিং- দুটোই হচ্ছে। কোন সমস্যা তো হচ্ছে না। আসলে এ সিমে ভয়েস কল সুবিধা না রাখায় গ্রামীণ ফোনের অন্য কোন দুনম্বরী ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য আছে।
সেলসম্যান : উত্তর নেই।
ক্রেতা : নতুন সিমে জং ধরা দাগ কেন ? ০১৭১১১ সিরিয়ালের কতো বছরের পুরনো সিম, এখনো চকচক করে !
সেলসম্যান : উত্তর নেই।
ক্রেতা : ঠিক আছে। p-6 এক্টিভেট করে মডেমটি চেক করে দিন।
সেলসম্যান : মডেম চেক করার ব্যবস্থা নেই। ১ বছরের ওয়ারেন্টি তো আছে। চেক করার দরকার কি ?
ক্রেতা : এতগুলো কম্পিউটার, মডেম চেক করার ব্যবস্থা নেই কেন ?
সেলসম্যান : সবগুলো কম্পিউটারই অথরাইজড করা। কোন কিছু ইনষ্টল করার ব্যবস্থা নেই।

সারমর্ম : ১। নিলে নাও। না নিলে বাদ দাও।
২। কাছে থাকো আর নাই থাকো। কিচ্ছু যায় আসে না।
Powered By Plug N Play

Read more ...

Monday, April 5, 2010

লিনাক্সঃ বাংলাদেশের প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ


Read more ...

ফায়ারফক্সের গতি বাড়ান খুব সহজেই!

বাংলাদেশের স্লো ইন্টারনেটের কারনে আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। এজন্য আমরা অনেকেই Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহার করে থাকি। তবে অনেকেই হয়তো খেয়াল করেননা যে, Opera ব্রাউজারের Turbo ব্যবহারের ফলে যারা ১ গিগাবাইট বা ৩ গিগাবাইট এর মত লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তারা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হয়। কারন Turbo ব্যবহারের ফলে ইন্টারনেট খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

কিন্তু আমরা চাইলে কোন ঝামেলা ও অ্যাডিশনাল সফটওয়্যার ছাড়া খুব সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারি। এজন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র Mozilla Firefox ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং মাইক্রোসফট উইন্ডোজের যে কোন অপারেটিং সিস্টেম। তবে ফায়ারফক্সের সর্বশেষ ভার্সনগুলো থাকলে ভাল হয়।

খুব সহজেই ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর পদক্ষেপ সমূহঃ-

১. প্রথমে Mozilla Firefox ব্রাউজারটি Open করুন।

২. এবার Address Bar -এ যেয়ে about:config লিখে Enter করুন।

৩. এরপর একটি Warning Messsage দেখাবে। সেখানে I’ll be careful -এ দিয়ে Enter করুন।

৪. এরপর about:config -এর Page টি আসবে। সেখানে Filter এ Pipelining লিখে Search দিন অথবা
Pipelining এর অপশনগুলো খুজে নিন।

৫. এবার সেখান থেকে network.http.pipelining -এর Value পরিবর্তন করে false থেকে true করে দিন
এবং network.http.pipelining.maxrequests -এর Value পরিবর্তন করে 4 থেকে 10 করে দিন।

৬. লক্ষ্য রাখতে হবে যে network.http.pipelining.maxrequests -এর Value কখনোই 10 এর
বেশি দেয়া যাবেনা। সেক্ষেত্রে ফায়ারফক্স ফ্রিজ হবার সম্ভাবনা থাকে।

৭. এবার ফায়ারফক্স এর File এ যেয়ে Exit দিন।

৮. তারপর আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ম্যানেজার -এ যান।

৯. সেখান থেকে আপনার default connection অর্থাত আপনি যে connection টি ব্যবহার করেন, তার Properties এ যান।

১০. সেখানে প্রথমেই থাকা General ট্যাব এর Configure -এ ক্লিক করুন।

১১. এবার Maximum speed (bps) পরিবর্তন করে সর্বোচ্চ মান অর্থাত 921600 -এ দিয়ে OK দিয়ে
বেড়িয়ে আসুন।

১২. তারপর আপনার কম্পিউটারটি Restart করুন।

এবার আপনি নিজেই Mozilla Firefox এর সাহায্যে ইন্টারনেটে ব্রাউজ করে দেখুন গতি কতটা বেড়েছে!

Powered By Plug N PLay

Read more ...

Saturday, April 3, 2010

শাহী মির্জা,যেভাবে হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

অনেক দিনপর বাংলার একজন হ্যাকারের কথা মনে পড়লো।যে কিনা হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।কিন্তু বেচারা।২৪ ঘন্টার আগেই ধরাপড়ে র‌্যাবের হতে।আমি আজ সেই হ্যাকারে হ্যাকিং করা ও পরিচয় আপনাদের সামনে তুলে ধরবো।
২০০৮ সালের ৫ ই সেপ্টেম্বর,শাহী মির্জা নামের একজন ছাত্র হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট ।সে হ্যাকিং এর পর সকল প্রশাসনের মাথার টনক নড়ে ওঠে।আজ আমি আপনাদের সে হ্যাকিং এর কিছু কাহিনী তুলে ধরবো।
কে এই শাহী মির্জা

Shahee+Mirza শাহী মির্জা,যেভাবে হ্যাকিং করেছিল র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

শাহী মির্জার আসল নাম হল আবু মুর্জা কামরুজ্জামান শাহী। শাহী মির্জার বাড়ি হলো সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এ।সে মিরপুর-৬ নম্বর সেকশনে অবস্থিত বেসরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সাইক ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট টেকনোলজির কম্পিউটার সায়েন্সের ৪র্থ সেমিস্টারের ছাত্র।এ পর্যন্ত সে দেশ-বিদেশের ১৮ টি ওয়েবসাইট করেছে।তার হ্যাকিংয়ের তালিকায় ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওয়েব সাইট, সরকারের পরিকল্পনা কমিশনেরওয়েব সাইট ও অনলাইন বিডি নিউজের ওয়েব সাইট।
যেভাবে হ্যাকিং করা হয় র‌্যাবের ওয়েব সাইট।

শাহী মির্জা ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৮ সময়ে সে র‌্যাবের ওয়েব সাইটের প্রবেশ করে।প্রথমে সে লিনাক্স নামে একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের লাইনে।ওয়েব সাইট হ্যাকিং এর জন্য প্রথমেই খুঁজে বের করে র‌্যাবের ওয়েব সাইটের বিভিন্ন তথ্য যেমন, ওয়েব সাইটটি কোথায় হোস্টিং করা আছে, এর মালিক কে, কতদিন মেয়াদ আছে ইত্যাদি। পরে সবগুলো তথ্য নেবার পরে সে তার আইপি না পরিবর্তন কই প্রবেশ করে gov.bd সার্ভারে।এর জন্য সে ব্যবহার করে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ হ্যাকিং সফটওয়্যার।অবশ্য সেগুলো সম্পর্কে র‌্যাবে কিছুই বলে নি।
নিচে হ্যাকিং করা র‌্যাবের ওয়েব সাইটের অবস্থা



GOVERNMENT DOES NOT TAKE ANY STEP FOR ICT DEVELOPMENT.
BUT PASSED A LAW ABOUT ANTI-CYBER CRIME.
YOU DOES NOT KNOW WHAT IS THE CYBER SECURITY OR
HOW TO PROTECT OWNSELF.

LISTEN..HACKERS R NOT CRIMINAL , THEY R 10 TIME BETTER THAN YOUR EXPERT.
……………………….WE ARE GINIOUS THAN YOU CANT THINK………………………………..
MAIL: SHAHEEMIRZA [AT] YAHOO.COM



যেভাবে গ্রেফতার হয় শাহী মির্জা

র‌্যাব তদন্ত করে দেখতে পায়,বাংলাদেশের আইপি নম্বর থেকে এই হ্যাকিং করা হয়েছে। তারা হ্যাকিং করা ইন্টারনেটের আইপি নম্বর সংগ্রহ করে।পরে তা ফিল্টারের মাধ্যমে জানতে পরে ঢাকার মিরপুর থেকে হ্যাকিং করা হয়েছে।র‌্যাব তদন্তে করে শনিবার রাতে মিরপুর থেকে শাহী মির্জাকে গ্রেফতার করে।হ্যাকিং করার ক্ষেত্রে সে নিজের ইন্টারনেট লাইন ব্যবহার করেছে। হ্যাকিংয়ে সে নিজের পরিচয় গোপন করেনি।ফলে মাত্র ১২ ঘন্টায় গ্রেফতার হয় শাহী মির্জা।তবে তার হ্যাকিং এর ঘটনার পর সবার মাথার টনক নড়ে উঠে।সবাই বুঝতে পারে বাংলার হ্যাকারা ও কমে ছাড়ে না। তাদের ও মেধা আছে হ্যাকিং করার মত।
এখন শাহী মির্জা মুক্ত।কিন্তু কে জানে আবার না হ্যাকিং করে অন্য কোন সাইট।টিউনটি দেখার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

Read more ...

ফোল্ডার ব্যকগ্রাউন্ডে ব্যবহার করুন আপনার ইচ্ছেমত ইমেজ…

ছোট্ট একটি সফটয়্যার দিয়ে আপনি চাইলেই আমার কম্পিউটারের ফোল্ডারে ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ বসাতে পারেন। আপনার পছন্দমত ইমেজ ফোল্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ডে বসিয়ে আরো আকর্ষনীয়, দৃষ্টি নন্দন করে তুলতে পারেন আপনার কম্পিউটারকে। তবে মনে রাখবেন সফটয়্যারটি উন্ডোজ এক্সপি’তে কাজ করবে।


ফোল্ডারের ব্যাকগ্রাউন্ডে ইমেজ ব্যবহার করতে ৩টি অপশন পাবেন :-

* নিচের লিঙ্ক থেকে সফটয়্যারটি ডাউনলোড এবং ইন্সটলের পর সফটয়্যারটি দ্বারা প্রথমে ফোল্ডার’টি সিলেক্ট করুন।
http://www.mediafire.com/?fezygmmmyuz

* তারপর পছন্দমত ইমেজ সিলেক্ট করুন।
* সর্বশেষে এ্যাপ্লাই করে দিন।

Read more ...

সিডি অটোরান বন্ধ করুন সহজেই!

প্রথমেই বলে যারা আমার মত কম জানেন তাদের জন্য। বিষয়টি অতি সাধারন সুতরাং কেউ আগে জেনে থাকলে দয়াকরে কিছু মনে করবেন না।

http://www.askmehelpdesk.com/attachments/utilities/614d1139593417-custom-autorun-options-cruzerautorun.jpg

অনেক সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ, বিপদ জনক অথবা গোপনিয় সিডি/ডিভিডি ডিক্স যখন আমরা রোম এ প্রবেশ করাই তখন সিডি ড্রাইভ ফোল্ডারটি একা একাই খুলে যায়। যদি আমাদের পিসিতে সিডি অটোরান বন্ধ করা থাকে তাহলে আর এই বিরম্বনায় পড়তে হবে। আর সেই কারণেই আমার আজকের এই টিউনটি।
সিডি অটোরান বন্ধ করতে নিম্নের পদ্ধতি অনুসরণ করুন

http://gbpvr.com/pmwiki/uploads/Manual/DisableAutoPlay.jpg

* প্রথমে মাই কম্পিউটারে প্রবেশ করুন।
* CD ROM এর উপর Right click করে Properties এ যান।
* Auto Play ট্যাব-এ ক্লিক করুন।
* drop down box এ পছন্দ মত অপশনটি যোগ করুন।
* বন্ধ করতে চাইলে চিত্রের ন্যয় Take no Action select করুন।

অথবা

https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEhYBND3Yg1ziwhtuq2T32ZEK_iws05BFbagxoV5kB0YCjo_JN6I1Houn4dZ71T5G5TBD1s-9xlolB3RU59iSercVIWgyD0-kiAiNjLiE3Z8CS1V1GTcoRFaMlFLW1dPpMHKR5ru_IGUa3Qd/s400/Turn+off+Autoplay.jpg

1. প্রথমে Start মেনুতে যান।
2. Run-এ ক্লিক করুন এবং gpedit.msc টাইপ করে এন্টার করুন।
3. Computer Config – যান।
4. Administrative Template থেকে System ট্যাবে ডাবল ক্লিক করুন
5. Turn off Autoplay তে ক্লিক করুন
6. সব শেষে Enable it করুন ।
7. এরপর দেখুন অটোপ্লে হয় কি না।
Powered By Plug N Play

Read more ...

আপনার নোকিয়া ফোনটি কি অরজিনাল? এখনি দেখুন।

নোকিয়া। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটা মোবাইল কোম্পানি। যেটা একন বিভিন্ন ভাবে নকল হচ্ছে। আপনি কি বুঝতে পারেন আপনার নোকিয়া ফোনটি আসল কিনা নকল। পারলে খুবই ভালো আর না পালে আমার এই টিউন আপনাকে শেখাবে কিভাবে নোকিয়া ফোন যাচাই করবেন। প্রত্যেক মোবাইলেরই একটা নিজস্ব আইমেল নাম্বার থাকে। আইমের নাম্বার মানে হচ্ছে IMEI (International Mobile Equipment Identity)। এটাই হচ্ছে আপনার ফোনটি চেক করবার প্রধান হাতিয়ার। তবে চলুন দেখা যাক কিভাবে চেক করবেন আপনার ফোনটি আসল কি নকল।

আপনার নোকিয়া মোবাইল থেকে *#06# প্রেস করুন। আপনি আপনার ফোনের IMEI number(serial number) দেখতে পাবেন।

এখান থেকে আপনাকে ৭ (7th )এবং ৮ (8th) নং ডিজিটদ্বয় লক্ষ করতে হবে।

Phone serial no. x x x x x x ? ? x x x x x x x

এবার আসুন,

* যদি আপনার মোবাইলের সাত ও আট নম্বর সংখ্যা 02 অথবা 20 থাকে তাহলে বুজবেন এটা তৈরি হয়েছে Emirates থেকে যেটা নোকিয়ার জন্য খারাপ কোয়ালিটি।
* যদি আপনার মোবাইলের সাত ও আট নম্বর সংখ্যা 08 অথবা 80 থাকে তাহলে বুজবেন এটা তৈরি হয়েছে Germany থেকে যেটা নোকিয়ার জন্য একটা ফেয়ার কোয়ালিটি।
* যদি আপনার মোবাইলের সাত ও আট নম্বর সংখ্যা 01 অথবা 10 থাকে তাহলে বুজবেন এটা তৈরি হয়েছে Finland থেকে যেটা নোকিয়ার জন্য খুবই ভালো কোয়ালিটি।
* যদি আপনার মোবাইলের সাত ও আট নম্বর সংখ্যা 00 থাকে তাহলে বুজবেন এটা তৈরি হয়েছে অরজিনাল নোকিয়ার সেন্টার থেকে এবং এটাই সবচেয়ে বেস্ট কোয়ালিটি।
* যদি আপনার মোবাইলের সাত ও আট নম্বর সংখ্যা 13 থাকে তাহলে বুজবেন এটা তৈরি হয়েছে Azerbaijan থেকে যেটা নোকিয়ার জন্য সবচেয়ে খারাপ কোয়ালিটি।
Powered By Plug N Play

Read more ...

Saturday, March 27, 2010

Internet ar Hisab Nikas

ঘটনাবহুল ২০০৯ সালকে পেছনে ফেলে আমরা ২০১০ এ পা দিয়েছি আরো তিন মাস আগে। কিন্তু তাই বলে তো আর ২০০৯ কে ভুলে গেলে চলবে না। তাই আসুন আজকের টিউনে জানার চেষ্টা করি আইটি ক্ষেত্রে কেমন গিয়েছে ২০০৯ সাল।
ইমেইল

* ২০০৯ সালে মোট ৯০ ট্রিলিয়ন ইমেইল পাঠানো ও রিসিভ করা হয়।

* গড়ে প্রতিদিন ইমেইল পাঠানো হয় ২৪৭ বিলিয়ন।

* বিশ্বে মোট ইমেইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৪০ কোটি।

* মোট ইমেইলের ৮১ ভাগই ছিলো স্পাম বা অবাঞ্চিত মেইল।

* ২০০৮ সালের তুলনায় ২০০৯-তে স্পামের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ২৪ শতাংশ।

* প্রতিদিন গড়ে স্পাম মেইল পাঠানো হয় ২০০ বিলিয়ন।

ওয়েবসাইট

* ডিসেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত ওয়েবসাইটের সংখ্যা ছিলো ২৩ কোটি ৪০ লক্ষ।

* ২০০৯ সালে মোট ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে মোট ৪ কোটি ৭০ লক্ষ নতুন ওয়েব সাইট যুক্ত হয়।

ওয়েব সার্ভার

* ২০০৯ সালে অ্যাপাচি সার্ভারে চলা সাইট বৃদ্ধি পায় ১৩.৯ শতাংশ।

* আই.আই.এস সার্ভারে চলা সাইট কমে যায় ২২.১ শতাংশ।

* গুগল জিএফই সার্ভারে চলা সাইট বৃদ্ধি পায় ৩৫ শতাংশ।

* এনজিংক্স সার্ভারে চলা সাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ৩৮৪.৪ শতাংশ।

* লাইটপিডি সার্ভারে চলা সাইট কমে যায় ৭২.৪ শতাংশ।

ডোমেইন নাম

* ২০০৯ এর শেষ নাগাদ .com সংযুক্ত ডোমেইনের নামের সংখ্যা ছিলো ৮ কোটি ১৮ লক্ষ।

* .net ছিল ১ কোটি ২৩ লক্ষ।

* .org ছিল ৭৮ লক্ষ।

* কান্ট্রি কোড টপ লেভেল ডোমেইনের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লক্ষ।

* ২০০৮ এর তুলনায় ডোমেইনের নামের সংখ্যা বাড়ে ৮ শতাংশ।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী

* ২০০৯ এর সেপ্টেম্বর মাসের শেষ নাগাদ পৃথিবীতে মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ১৭৩ কোটি।

* ২০০৮ এর তুলনায় ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ১৮ শতাংশ।

* এশিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল- ৭৩,৮২,৫৭,২৩০

* ইউরোপে- ৪১,৮০,২৯,৭৯৬

* উত্তর আমেরিকা- ২৫,২৯,০৮,০০০

* দক্ষিণ আমেরিকা/ ক্যারিবিয় অঞ্চল- ১৭,৯০,৩১,৪৭৮

* আফ্রিকা- ৬,৭৩,৭১,৭০০

* মধ্যপ্রাচ্য- ৫,৭৪,২৫,০৪৬

* ওশেনিয়া/অস্ট্রেলিয়া- ২,০৯,৭০,৪৯০

সোশ্যাল মিডিয়া


* মোট ব্লগের সংখ্যা ছিল- ১২ কোটি ৬০ লক্ষ।

* সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর শতকরা ৮৪ ভাগেরই পুরুষ ব্যবহারকারীর চাইতে নারী ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল বেশী।

* নভেম্বর,২০০৯ পর্যন্ত টুইটারে মোট টুইট হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লক্ষ।

* ২০০৯-এ ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারী ছিল ৩৫ কোটি।

* ফেসবুক ব্যবহারকারীর মোট ৫০ ভাগই প্রতিদিন একবার হলেও লগইন করেছেন।

* ফেসবুকের অ্যাক্টিভ অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা ছিল ৫ লক্ষ।

ছবি শেয়ারিং

* অক্টবর,২০০৯ পর্যন্ত ফ্লিকারে সংরক্ষিত ছবির সংখ্যা ছিল ৪০০ কোটি।

* ফেসবুকে প্রতিমাসে আপলোড করা হয়েছে ২৫০ কোটি।

* প্রতিমাসে ২৫০ কোটি হিসেবে বছরে মোট আপলোডকৃত ছবির সংখ্যা ৩০০০ কোটি!

ভিডিও শেয়ারিং

* দিনে ইউটিউবে মোট ভিডিও দেখা হয় ১০০ কোটি।

* নভেম্বর,২০০৯ পর্যন্ত প্রতিমাসে কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে দেখা ইউটিউব ভিডিওর সংখ্যা ১২০০ কোটির বেশি।

* একজন ইন্টারনেট ইউজার প্রতিমাসে গড়ে ৮২ টি অনলাইন ভিডিও দেখেন।

* যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন ভিডিওর বাজারে ইউটিউবের অংশীদারিত্ব ছিল ৩৯.৪ শতাংশ।

ওয়েব ব্রাউজার


* ওয়েব ব্রাউজারের জগতে এক্সপ্লোরার এখনো রাজত্ব করলেও ফায়ারফক্স তার অগ্রযাত্রা ধরে রেখেছে।

* অন্যদিকে ক্রোম বয়সে নবীন হলেও ধীরে ধীরে বাজারে তার শেয়ার বাড়াচ্ছে।

Read more ...

Thursday, March 25, 2010

পেন ড্রাইভ দিয়ে কিভাবে উইন্ডোজ ভিস্তা সেভেন কিভাবে সেটাপ করবে

যা যা লাগবে

*
একটি ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ (৪ জিবি+)
*
ভিস্তা/৭ অপারেটিং সিস্টেম ডিস্ক বা ফাইল (যদি পিসিতে কপি করা থাকে)
*
ভিস্তা/৭ এ চলছে এমন একটি কম্পিউটার

প্রথম ধাপ: ফ্লাশ ড্রাইভ ফরম্যাট করা

এই ধাপে আমরা উইন্ডোজের diskpart কমান্ড ব্যবহার করে ফ্লাশ ড্রাইভ ফরম্যাট করবো (সতর্কতা: ফ্লাশ ড্রাইভের সব ফাইল মুছে যাবে)।

*
ইউএসবি ড্রাইভটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করুন।
*
এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে কমান্ড প্রমপ্ট খুলুন (Start > All Programs > Accessories > Command Prompt এ মাউসের ডান বোতাম চেপে “Run as administrator” এ ক্লিক করুন)।

select

*
কমান্ড প্রমপ্টে নিচের কমান্ড গুলো লিখে আপনার ফ্লাশ ড্রাইভটি খুজে নিন।

diskpart
list disk

command

ধরুন আমার ডিস্কটি হচ্ছে disk 1

*
এখন নিচের কমান্ডগুলো লিখে আপনার ড্রাইভটি ফরম্যাট করে নিন।

select disk 1
clean
create partition primary
select partition 1
active
format fs=NTFS
assign
exit

সবকিছু শেষ হবার পর আপনার ফরম্যাটেড ফ্লাশ ড্রাইভ তৈরী হয়ে গেলো।


দ্বিতীয় ধাপ: ফ্লাশ ড্রাইভকে বুটেবল করা

এই ধাপে আমরা bootsect কমান্ড ব্যবহার করবো যা উইন্ডোজ ভিস্তা/উইন্ডোজ ৭ ডিস্কে আছে (আমি অনুমান করছি যে আপনারা আগের কমান্ড উইন্ডো বন্ধ করেন নি)।

* আপনার উইন্ডোজ ভিস্তা/উইন্ডোজ ৭ ডিস্কটি ড্রাইভে প্রবেশ করান (হতে পারে তা সত্যিকারের ডিস্ক আবার হতে পারে virtual ডিস্ক)।
* কমান্ড প্রমপ্টে ডাইরেক্টরি পরিবর্তন করে ডিভিডি ড্রাইভের বুট ডিরেক্টরি তে যান (আমার ডিভিডি ডিস্ক হচ্ছে G:)

g:
cd g:\boot

* এখন আমরা bootsect কমান্ডটি ব্যবহার করবো (আমি ধরে নিচ্ছি আপনার ফ্লাশ ড্রাইভটি হচ্ছে h। নিচের কমান্ডগুলো প্রয়োগ করুন:

bootsect /nt60 h:

* এখন আপনি কমান্ড প্রমপ্ট বন্ধ করতে পারেন, কমান্ড প্রমপ্টের কাজ শেষ।


তৃতীয় ধাপ: ইন্সটলেশন ডিস্ক থেকে ফাইল কপি করা


আপনার উইন্ডোজ ভিস্তা/উইন্ডোজ ৭ ডিস্কের সবকিছু কপি করে আপনার সদ্য তৈরী করা ফ্লাশ ড্রাইভে পেস্ট করে দিন। ব্যস আপনার বুটেবল ফ্লাশ ড্রাইভ তৈরী হয়ে গেলো।

চতুর্থ ধাপ: বায়োসকে ইউ এস বি ডিস্ক থেকে বুট করার জন্য সেট করা

বিভিন্ন বায়োসের সেটিং বিভিন্ন রকম, তাই আপনার বায়োসে ঢুকে আপনি সেট করে নিন।

Read more ...

Wednesday, March 24, 2010

ফ্লাশ ড্রাইভ থেকে উইন্ডোজ ভিস্তা বা উইন্ডোজ ৭ ইনন্সল করবেন কিভাবে?

যা যা লাগবে

*
একটি ইউএসবি ফ্লাশ ড্রাইভ (৪ জিবি+)
*
ভিস্তা/৭ অপারেটিং সিস্টেম ডিস্ক বা ফাইল (যদি পিসিতে কপি করা থাকে)
*
ভিস্তা/৭ এ চলছে এমন একটি কম্পিউটার

প্রথম ধাপ: ফ্লাশ ড্রাইভ ফরম্যাট করা

এই ধাপে আমরা উইন্ডোজের diskpart কমান্ড ব্যবহার করে ফ্লাশ ড্রাইভ ফরম্যাট করবো (সতর্কতা: ফ্লাশ ড্রাইভের সব ফাইল মুছে যাবে)।

*
ইউএসবি ড্রাইভটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করুন।
*
এ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে কমান্ড প্রমপ্ট খুলুন (Start > All Programs > Accessories > Command Prompt এ মাউসের ডান বোতাম চেপে “Run as administrator” এ ক্লিক করুন)।

select

*
কমান্ড প্রমপ্টে নিচের কমান্ড গুলো লিখে আপনার ফ্লাশ ড্রাইভটি খুজে নিন।

diskpart
list disk

command

ধরুন আমার ডিস্কটি হচ্ছে disk 1

*
এখন নিচের কমান্ডগুলো লিখে আপনার ড্রাইভটি ফরম্যাট করে নিন।

select disk 1
clean
create partition primary
select partition 1
active
format fs=NTFS
assign
exit

সবকিছু শেষ হবার পর আপনার ফরম্যাটেড ফ্লাশ ড্রাইভ তৈরী হয়ে গেলো।


দ্বিতীয় ধাপ: ফ্লাশ ড্রাইভকে বুটেবল করা

এই ধাপে আমরা bootsect কমান্ড ব্যবহার করবো যা উইন্ডোজ ভিস্তা/উইন্ডোজ ৭ ডিস্কে আছে (আমি অনুমান করছি যে আপনারা আগের কমান্ড উইন্ডো বন্ধ করেন নি)।

* আপনার উইন্ডোজ ভিস্তা/উইন্ডোজ ৭ ডিস্কটি ড্রাইভে প্রবেশ করান (হতে পারে তা সত্যিকারের ডিস্ক আবার হতে পারে virtual ডিস্ক)।
* কমান্ড প্রমপ্টে ডাইরেক্টরি পরিবর্তন করে ডিভিডি ড্রাইভের বুট ডিরেক্টরি তে যান (আমার ডিভিডি ডিস্ক হচ্ছে G:)

g:
cd g:\boot

* এখন আমরা bootsect কমান্ডটি ব্যবহার করবো (আমি ধরে নিচ্ছি আপনার ফ্লাশ ড্রাইভটি হচ্ছে h। নিচের কমান্ডগুলো প্রয়োগ করুন:

bootsect /nt60 h:

* এখন আপনি কমান্ড প্রমপ্ট বন্ধ করতে পারেন, কমান্ড প্রমপ্টের কাজ শেষ।

তৃতীয় ধাপ: ইন্সটলেশন ডিস্ক থেকে ফাইল কপি করা

আপনার উইন্ডোজ ভিস্তা/উইন্ডোজ ৭ ডিস্কের সবকিছু কপি করে আপনার সদ্য তৈরী করা ফ্লাশ ড্রাইভে পেস্ট করে দিন। ব্যস আপনার বুটেবল ফ্লাশ ড্রাইভ তৈরী হয়ে গেলো।

চতুর্থ ধাপ: বায়োসকে ইউ এস বি ডিস্ক থেকে বুট করার জন্য সেট করা

বিভিন্ন বায়োসের সেটিং বিভিন্ন রকম, তাই আপনার বায়োসে ঢুকে আপনি সেট করে নিন।

Read more ...

দুনিয়ার বয়স কত?

দুনিয়ার বয়সটাকে একবছর ধরা হলে, কসমিক ক্যালেন্ডারের একেবারে শেষ সেকেন্ডে আমাদের অবস্হান। অর্থাৎ এখন সময় ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ রাত ১১টা ৫৯মিনিট ৫৯ সেকেন্ড। বড় বড় যুদ্ধ, সভ্যতার উথ্থান-পতন, ধর্মপ্রণেতাদের আগমন,বিজ্ঞানের জয়যাত্রা এসবই ঘটেছে গত কয়েক সেকেন্ডে।

মানুষের আবির্ভাব হয়েছে, তাও বেশিক্ষণ হয়নি, ঘন্টাদুয়েক আগে সে প্রথম সোজা হয়ে হাঁটতে শুরু করেছে, মিলিয়ন বছর কসমিক ক্যালেন্ডারে প্রায় ঘন্টার সমান। এরপরে কয়েকটা বরফযুগ পেরিয়ে, ভূপৃষ্ঠের জৈববৈচিত্রের নানা বিবর্তনের পর মানুষ আজকের অবস্হানে এসে পৌঁছেছে।

তারপরে শেষ মিনিটে এসে মানুষ লিখতে শেখে, গুহাচিত্র আঁকে, নিজেকে প্রকাশ করার আকাংখা তীব্র হয়,সেসবই এখনও টিকে আছে। এ ঘটনাগুলোযখন ঘটেছে তা কিন্তু বেশিদিন আগের কথা নয়,মহাবিশ্বের হিসেবে চোখের পলক ফেলার মত সময়।

বাঙালীকে মানুষ ইতিহাস অসচেতন, বিস্মৃতিপরায়ণ বলে। আমার মনে হয় সারা দুনিয়ার মানুষই তাদের নিজেদের ইতিহাস নিয়ে বিস্মৃতিপরায়ণ, বছরের শেষদিনের শেষ মিনিটের ঘটনার উত্তেজনা সামলাতে পারছে না। বর্তমানে এমনভাবে মজে আছে যে এদের ঘুম ভাঙাবে কার সাধ্য? লিখিত ইতিহাস আসার পরে মানুষ তার অতীত ভুলে গেছে, বেশিদিন আগের কথা না অথচ বরফযুগ, বরফযুগপূর্ব স্মৃতি আজ তার মনে আর উঁকি দেয় না।

Read more ...

Monday, March 22, 2010

ছবিকে TEXT এ রূপান্তরিত করবেন কিভাবে?

আজকাল আমরা অনেক হ্যাকিং সাইট থেকে অনেক প্রোগ্রাম ডাউনলোড করি। সেই সব প্রোগ্রামের সাথে অনেক সময় অনেক Text ফাইল থাকে যেখানে খুব সুন্দর করে Text দিয়ে লিখা অনেক ছবি দেখা যায়। আবার কোন বাক্যকে অনেক অক্ষর দিয়ে আর্ট করা থাকে। আমি নিজে অনেক চেষ্ঠা করেছি নিজে নিজে বানানোর। কিন্তু খুব ভালো হয় না। এরপর ইন্টারনেটে সার্চ করার পর ভালো একটা প্রোগ্রাম পেয়েছি যেটা দিয়ে আপনারা আপনাদের যে কোন ছবি সাদা-কালো অথবা রংগিন Text ফরমাটে রূপান্তরিত করতে পারবেন।

প্রোগ্রামটির নাম ASCII Generator dotNET । এই প্রোগ্রামটি ব্যবহার করে আপনি আপনার ছবিকে নিজের পছন্দমত ইংরেজি লেটার দিয়ে সাজাতে পারেন।
প্রোগ্রামটি ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।

প্রোগ্রামটি ব্যবহার করতে কোন সমস্যা হলে আমাকে জানান।

Read more ...

Tuesday, March 16, 2010

PDF ফাইলকে ওয়ার্ড ফাইল,Text ফাইল,প্লেইন Text এ কনভার্ট করবেন কিভাবে?

এবার আপনাদেরকে যে সফটওয়্যারটি ফ্রিতে ডাউনলোড করার সুযোগ দিবো সেটা হলো PDFZilla ।তাহলে চলুন আগে দেখে নেই এই সফটওয়্যারটি দিয়ে কি করা যায়।
* খুব সহজে যেকোন পেইজকে PDF এ কনভার্ট করতে পারবেন
* যেকোন PDF ফাইলকে ওয়ার্ড ফাইল,Text ফাইল,প্লেইন Text এ কনভার্ট করতে পারবেন
* যেকোন PDF ফাইলকে ইমেজ ফাইলে কনভার্ট করতে পারবেন
* এছাড়া PDF to HTML,PDF to HTML files,PDF to SWF,PDF to Shockwave Flash Animation files করতে পারবেন।
এই্ সফটওয়্যারটির দাম প্রায় ৩০ ডলার কিন্তু আপনারা কিছুদিনের জন্য এটি ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন ।
এজন্য প্রথমে এই লিংক হতে
ডাউনলোড করে নিন তারপর W134286MN5F1CDA এই কোডটি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে নিন।

ব্যাস আপনার কাজ শেষ ।

Read more ...

দরকারি ফাইল বা ফোল্ডার লক করবেন কিভাবে?

কম্পিউটারের একাধিক ব্যবহারকারী থাকলে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা ফোল্ডারের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত থাকতে হয়। ফোল্ডার পাসওয়ার্ড দ্বারা লক করার বিভিন্ন ফ্রি সফটওয়্যার আছে, তবে এগুলোর মধ্যে ইজি ফাইল লকার অন্যতম এবং বেশ নির্ভরযোগ্য। মাত্র ২২৬ কিলোবাইটের ফ্রিওয়্যার এই সফটওয়্যারটি http://freeandfreeware.hlogspot.com/ 2009/07/easy-file-locker.html থেকে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে System মেনু থেকে পাসওয়ার্ড সেট করে নিন। এবার ফোল্ডার লক করতে Edit মেনু থেকে Add Folder এ ক্লিক করুন এবং Setting ডায়ালগ বক্স থেকে ব্রাউজ বাটনে ক্লিক করে যে ফোল্ডারটি লক করতে চান, সেটি নির্বাচন করুন। এবার Accessahle, Writeahle, Deleteahle, Visihle থেকে দরকারি অপশনগুলো নির্বাচন করে ঙশ করুন। ব্যাস, আপনি যদি Accessahle নির্বাচন না করেন, তাহলে ওই ফোল্ডার কেউ পড়তে পারবে না। এভাবে আপনি ইচ্ছামতো ফাইল বা ফোল্ডার বিভিন্নভাবে লক করে রাখতে পারবেন। পরে সেট করা ফাইল/ফোল্ডারের এই সেটিংস পরিবর্তন বা মুছতে পারবেন। আরেকটি দারুণ ব্যাপার হচ্ছে, সফটওয়্যারটি পাসওয়ার্ড ছাড়া আনইনস্টল করা যাবে না।

Read more ...

Monday, March 15, 2010

পর্দা জুড়ে ব্রাউজার করবেন কিভাবে?

ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার (ব্রাউজার) সাধারণমনিটরের পুরো পর্দা জুড়ে দেখা যায় না।কিন্তু অনেক সময় ওয়েবপেইজের স্ক্রিন শট নেওয়ার জন্য বা অন্য কোনো কাজে ওয়েবপেইজ ফুল স্ক্রিন করতে হয়। মজিলা ফায়ারফক্স বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার দিয়ে ওয়েবপেইজ খুলে কিবোর্ড থেকে F11 কি চেপে খুব সহজেই ওয়েবপেইজ ফুল স্ক্রিন করা যায়। একইভাবে F11 কি চেপে আবার আগের অবস্থায়ও ফিরে আসা যায়।

Read more ...

আইপি টু আইপি টেলিফোনে কথা বিনা পয়সায় বল্ব্বন কিভাবে?

দেশ-বিদেশে কম রেটে আলাপ করার প্রযুক্তি আইপি টেলিফোনি (Internet Protocol Telephone) ছাড় করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রন কমিশন (BTRC)। অতি সীঘ্রই এটি গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। দেশের নামকরা এক হোটেলে একই সাথে ১৬টি আইপি টেলিফোনি কোম্পানী তাদের সেবা দেয়ার ঘোষনা দেবে। এ নিয়ে চলছে এখন আয়োজন ও তোড়জোড়। গত বছর ৩২টি আইএসপি প্রতিষ্ঠানকে এই সেবাটি চালুর জন্য অনুমোদন দেয়া হয় এবং এর জন্য ব্যাংক গ্যারা3CX ip pbx overview আইপি টু আইপি টেলিফোনে কথা হবে বিনা পয়সায় | ন্টিসহ নেয়া হয় ২৫ লাখ টাকা। তখন অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানের তরফে বলা হচ্ছিল এ সেবা চালু হতে ৩মাসের মত সময় লাগবে। এরপরই বাংলাদেশ যুক্ত হবে টেলিকম সেবার আরেক নতুন দিগন্তে। তবে কিছুটা দেরিতে হলেও Bandwidth এর সাহায্যে একমাত্র টেলিকম সেবা দেবে আইপি টেলিফোনি অপারেটররা গ্রাহকের কাছে যাচ্ছেন এ মাসেই। প্রাথমিক ভাবে আইপি টেলিফোনি টু আইপি টেলিফোনি কলের ক্ষেত্রে কোনো চার্জই নেয়া হবে না। কেবল ১০০ টাকা নেয়া হবে রেজিষ্ট্রেশন ফি হিসাবে। তবে আইপি টেলিফোনি থেকে মোবাইল ফোনে কল করার জন্য চার্জ নেয়া হবে মিনিট প্রতি ৬৫ পয়সা আর দেশের বাইরে কল করার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত রেটের সাথে আরো ১সেন্ট যুক্ত হবে। ল্যান্ডফোন ও পিএসটিএন অপারেটরে কথা বলার রেট এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এই শুরুটা সম্পূর্ন দেশী উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে গড়ে উঠছে। দেশের ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপিরা এ লাইসেন্স পেয়েছেন। এই আইপি টেলিফোনির মাধ্যমে যে সব সেবা পাওয়া যাবে তাহলো ভয়েস ও ডেটা এবং গ্রাহকরা দেশে ও বিদেশে কল করতে পারবেন। আর এর জন্য শুধু সরকারের চার্জ সরকারকে বুঝিয়ে দিলেই হলো। আইপি টেলিফোনি ব্যবহার করার জন্য গ্রাহকদের আইডি নম্বর দেয়া হবে। বিভিন্ন কোম্পানির আইএসএন’র কোডগুলো হলো- মঞ্জুর কোড ০৯৬০২, বিডিকমের কোড ০৯৬৬৬, ঢাকা কমের কোড ০৯৬১১, লিঙ্ক থ্রি’র ০৯৬৭৮ ও অগ্নির কোড ০৯৬০৬। কোড ও গ্রাহক আইডি নম্বর মিলে পুরো আইডি হবে ১১ সংখ্যার। এটি হ্যান্ডসেট, ফিক্সড সেট ও কম্পিউটারে ব্যবহার করা যাবে। তবে কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ব্যবহার করতে হলে হেডসেট লাগবে। এই সার্ভিসটি আগেও ছিল কিন্তু তা ছিলো অবৈধ। তখনকার বিদেশের কল গুলো ভেঙে ভেঙে আসত কিন্তু এখন সেই সমস্যাগুলো আর থাকবে না। এখনকার আইপি টেলিফোনিতে সরাসরি ও ক্লিয়ার ভয়েস পাওয়া যাবে। এটি ব্যবহারের জন্য বিশেষ ধরনের হ্যান্ডসেট লাগবে। এই সার্ভিস চালু হলে তা বাংলাদেশের বাজারে সহজেই মিলবে। হ্যান্ডসেটের দাম জিএসএম হ্যান্ডসেটের চেয়ে খানিকটা বেশি হতে পারে কারন এতে দুই রকমের সুবিধা পাওয়া যাবে। আইপি টেলিফোনি যে হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা যাবে, সেই সেটে আবার পাবলিক সুইচড টেলিফোন নেটওযার্ক বা পিএসটিএন সেবাও নেয়া যাবে। অর্থাত আইপি টেলিফোনিও পিএসটিএন’র মতো সিডিএমএ প্রযুক্তির সেবা। এ ছাড়াও জিএসএম বা সিডিএমএ এর অনেক উন্নতমানের হ্যান্ডসেটে আইপি ডায়ালার রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আইপ ডায়লার ব্যবহার করেও আইপি টেলিফোনি সেবা নেয়া যাবে। কম্পিউটারের ব্যবহারের ক্ষেত্রে এখন ইন্টারনেট ব্যবহারের ডায়ালআপের যে সিস্টেম সে সিস্টেমেই এটি ব্যবহার করা যাবে। চলমান গ্রাহকরা যেসব হ্যান্ডসেট ব্যবহার করেছেন এসব হ্যান্ডসেটে জিপিআরএস ও এজ থাকলে এতেও আইপি টেলিফোনি সেবা গ্রহন করা যাবে। পুরো বাংলাদেশেই নাকি এটি ব্যবহার করা যাবে। বিটিআরসি তাদের সর্বোচ্চ আইপি টু আইপি চার্জ নির্ধারণ করেছে ২০ পয়সা। এটি আপাতত তারা না নিলেও পরে নিবেন। উদ্যোক্তারা বলেছেন এই সেবাটি সাশ্রয়ী ও দ্রুততম সময়ে এটি ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব। তবে এ বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটর বা পিএসটিএন অপারেটরদের পক্ষ থেকে নাকি কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Read more ...

ভাইরাসের উপস্থিতি টের পাবেন কিভাবে?

কম্পিউারে ভাইরাসের সংক্রমণ হলে কিছু বিষয় লক্ষ রাখলে কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না তা জানা সম্ভব। যার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলে temp ফাইল মুছবে না।
Add or remove programme অপশন থেকে কোনো প্রোগ্রাম বাদ দিতে চাইলে বাদ দেওয়া যাবে না, Ctrl+Alt+Delete চেপে বের করা টাস্ক ম্যানেজার খুলবে না,
Tools/Folder Option থেকে কোনো হিডেন ফাইল প্রদর্শন করতে চাইলেও তা প্রদর্শিত হবে না, উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের
Registry Editor খুলবে না এবং কমান্ড অপশন কাজ করবে না। এগুলো পরীক্ষা করে জানা যাবে আপনার কম্পিউটারে ভাইরাস আছে কি না।

Read more ...