Thursday, October 6, 2011

মেদ তোমায় দিলেম ছুটি।

মুটিয়ে যাবার ভয় অনেকেরই থাকে। আর এই ভয়কে জয় করে একটা ফিট স্বাস্থ্য পেতে সচেষ্ট থাকেন কমবেশি সবাই। এজন্য কেউ জিমে ছোটেন আবার কেউবা কম খেয়ে দিন গুজরান করেন। যদিও পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে কার্যকর ডায়েট চার্ট কমিয়ে দিতে পারে মেদ ভাবনা। এই ফিচারে তুলে ধরা হলো মেদ কমানোর একটি ডায়েট চার্ট।

ডায়েট চার্টের পয়লা দিন
খাদ্যের প্রসঙ্গে পরে আসি। আগে বলি মনের কথা। এতোদিন যারা বেশ মজা করে তাড়িয়ে তাড়িয়ে রাজ্যের খাবার খেয়েছেন প্রথম দিনে তাদের সবচেয়ে বড় যুদ্ধটা হবে মনের সাথে যুদ্ধ। তবে এই যুদ্ধে যতোই কান্ত হয়ে পড়ুন না কেন প্রথম দিনে ফল ছাড়া আর কোনো খাদ্য সামগ্রীর দিকে কিন্তু ভুলেও হাত বাড়ানো যাবে না।

আবার মেদভুড়ির বন্ধু বলে ফলের এই তালিকাতে কোনোক্রমেই রাখা চলবে না কলাকে। এছাড়া যেসব ফলে পানির পরিমাণ বেশি যেমন তরমুজ, আম, পেপে, কমলা, আনারস প্রভৃতি যতোটা সম্ভব বেশি খেতে হবে। অন্যান্য ফল এবং ফলের রসও খাওয়া যাবে। তবে ডাবের পানিতে গলা ভেজানো যাবে না।

দিন নম্বর টু
ভাত-মাছ-মাংসের জন্য প্রাণ কাঁদলেও ওমুখো হওয়া যাবে না। আর সেই অভাব পূরণ করতে খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে সবজি। ভাত ছাড়া সবজি খেতে বলায় আমাদের পাগল ঠাওড়াতে পারেন। কিন্তু কি করবেন বলুন। পুষ্টি বিশেষজ্ঞ আর ডায়েট বিষয়ক বই-পুঁথিও যে একই কথা বলছে।
সে যাই হোক, দুঃখ বাদ দিয়ে বেশি বেশি সবজি খান। লাউ, মিষ্টিকুমড়া, ডাঁটা, বরবটি, করোলা, কাঁচা পেপে, টমেটো, শসা থেকে শুরু করে যতো ধরণের সবজি বাজারে পাওয়া যায় তার সব পদই চেখে দেখতে পারেন এদিন। সেই সাথে পানি খান প্রচুর পরিমাণে।

তৃতীয় দিনের কথা
প্রথম দিন ফল খেয়েছিলেন। দ্বিতীয় দিন খেয়েছিলেন সবজি। আর আজ খাবেন ফল ও সবজি দু’টোই। কি একটু হলেও নিশ্চয়ই মন ভাল লাগছে। তবে এ আনন্দে যতো ধরণের ফল আর সবজি-ই উদরস্থ করুন না কেন ভুলেও হাত বাড়াবেন না কলা কিংবা আলুর দিকে। পানির সাথে বন্ধুত্বটা তৃতীয় দিনে আরো বাড়ান। সেই সাথে স্বাদে বৈচিত্র্য আনতে চেখে দেখতে পারেন ভেজিটেবল স্যুপ। এই স্যুপে সামান্য তেল দেয়া যেতে পারে, কিন্তু মসলা নয় মোটেও।

চার নম্বর দিন
সবকিছু ঠিক থাকলে তৃতীয় দিনের শুরুতেই শরীরের অতিরিক্ত মেদে ভাঙ্গন ধরবার কথা। কিন্তু শরীর যেন হঠাৎ করেই ভেঙ্গে না পড়ে তাই চতূর্থ দিনে মেদের কথা ভুলে কিছুটা পুষ্টির কথাও ভাবতে হবে। আর এটা ভাবতে গিয়েই কলা খেতে হবে। হ্যাঁ, এতোদিন ধরে যেই ডায়েট চার্টের সাথে কলার সাপে-নেউলে সম্পর্ক চলছিল সেই কলাই আজ আপনাকে খেতে বলছেন পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা। তবে কলাভক্ত খাদকেরা আবার এই আনন্দে ডজনের পর ডজন কলা সাবার করে দেবেন না যেন। খুব বেশি ইচ্ছে হলে বড়জোর ২ হালি কলা খেতে পারেন। সেই সাথে খেতে হবে দুধ; কমপে তিন গ্লাস।

পঞ্চম দিনের খাবার
আজ আপনি গরুর মাংস খেতে পারবেন। চাই কি চেখে দেখা যাবে মুরগীর মাংস ও। ভাবছেন রসিকতা করছি। উহুঁ মোটেও নয়। সত্যি সত্যিই খানিকটা গরু কিংবা মুরগীর মাংস খেতে পারবেন ডায়েট চার্টের পঞ্চম দিনে। তবে শুধু শুধু মাংস না খেয়ে সাথে টমেটো কিংবা লাউ, কুমড়া দিয়ে রেঁধে খাবেন। মাংস রান্নার ক্ষেত্রে তেল-মসলা অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়া মাংস খাবার সময় পরিমাণের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। পানিও খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।

ষষ্ঠ দিবসের ভাবনা
বেশ, বেশ, বেশ। আগের পাঁচদিন যদি সুবোধ বালক কিংবা বালিকার মতো সব পরামর্শ মেনে থাকেন তবে ষষ্ঠ দিনে পুরস্কার হিসেবে আপনি খেতে পারবেন সবজি এবং মাংস। তাও মেপে টেপে নয়, একেবারে উদরপূর্তি করে। অর্থাৎ এ দিন আপনার যতো খুশি মাংস ও সবজি খেতে পারবেন। তবে এই আনন্দে রুটিন মাফিক পানি খাবার কথা ভুলবেন না।

আজ শেষ (সপ্তম) দিন
আজ মনের আনন্দে খেতে পারবেন ফ্রুট জুস, সবজি ও ভাত। আহ! সবজি দিয়ে ভাত মেখে খাবার পর যদি দেখেন শরীরের ওজনটাও খানিকটা কমেছে তবে আনন্দের মাত্রাটা ষোলআনা হতে বাধ্য। সাধারণ হিসেবে সাতদিনের ডায়েট চার্টে আপনার ওজন কমবার কথা প্রায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ কেজি। কিন্তু তাই বলে আবার ডায়েট চার্ট শেষ করবার আনন্দে তৎক্ষনাৎ গপাগপ বহুকিছু খেয়ে ফেলবেন না যেন। বরং ধীরে চলো নীতিতে পরিমাণমতো খাবার পথেই চলতে থাকুন। আর বাই-বাই বলুন মেদকে।

মনে রাখুন
১. সাতদিনে অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে। প্রতিদিন কমপে আট থেকে দশ গ্লাসতো বটেই।
২. ভুলেও অ্যালকোহলের ত্রি-সীমায় ঘেরা যাবে না।
৩. চা-কফি খেলেও তা খেতে হবে দুধ এবং চিনি ছাড়া।
৪. সপ্তম দিনের আগে কোনোভাবেই কোনো ফ্রুট জুস খাওয়া যাবে না।
৫. ডায়েট চার্ট ফলো করবার পাশাপাশি হালকা পরিশ্রমের কাজও চালিয়ে যান।

Read more ...

পারসনার চেয়ে বড় সমস্যা আমাদের স্পা নিয়ে


এবার আপনাদের রুচিশিল নতুন ছবিতে

পারসনা, কানিজ আলমাস নিয়ে বিকল্প মিডিয়া, ফেইসবুক, টুইটার ব্লগে সমাজের প্রকৃত শিক্ষিত, মর্ডান ও সচেতন মহলে ব্যপক আলোচনা সমালোচনা হয়েছে ঘটনাটি নিয়ে আমিও শুরু থেকেই স্বরব থাকলেও আমার ভেতর অন্য একটি ডাইমেনশন প্রথম থেকেই খোঁচাচ্ছিল।কোন ভাবেই বিষয়টি ইগনোর করতে পাচ্ছি না।বিষয়টি হলোঃ

১. স্পা জিনিষটা কি ?
২. একটি গড় মানের স্পার জন্য নূন্যতম চার্য কত ?
৩. পারসনার বিভিন্ন ক্যাটাগরির স্পা'র মূল্য তালিকাটা কেমন ?
৪. এই স্পা কারা করে ?
৫. কোথায় পায় এরা এত টাকা ?
৬. যে দেশে আজও একজন সাধারন নারীকে ইট ভেঙ্গে, মাটি কেটে, জুগাইল্লা দিয়ে সন্তানের ও নিজের জন্য অন্ন জোগার করতে হয়ে সেই ভাঙ্গাচোরা দেহের নারীর দেশে এরা কোন নারীরা যারা স্পা করে ঘুরে বেড়ায়, সপ্তাহে একদিন কানিজ আলমাসের সময় কেনে ও ব্যয় করে ?
৭. এদেশের নারীরা কেন উপরের ছবিটির মত কুৎসিত একটা বডি ম্যাসাজ করাবে ?
৮. এরা কোন স্বামীর নারীরা যাদের স্পা লাগে ?
৯. এরা কারা, এরা নিজেদের ব্যক্তিগত বিলাস বাসনায় সমাজে আর কি কি ঢোকাচ্ছে ?
১০. দেশের মেরুদন্ড গ্রামের ঐ হাসু বিবির সাথে এদের কোন আত্মার সম্পর্ক আছে কি ?
১১. কোন কোন স্পা করতে নাকি ৫০ হাজার থেকে লাখ টাকাও বিল দিতে হয় ?
....
....

এরা এরা এরা এমন আরও একশত প্রশ্ন।

সেই সাথে এই ডাইমেনশনের অপারেটর গ্রুপ যারা নিজেদের ব্যাবসায়ীক স্বার্থে এগুলি ঢোকাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্য লক্ষ্য কত গভীর, কতটুকু অর্জন করে ফেলেছে এরই মধ্য এমন আরও একশ প্রশ্ন সহ মোট দুইশ প্রশ্ন।

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেলে আপনার মনে হবে পারসনা আপনাদের নির্লজ্জতা ভিডিও করে উচিত কাম করেছে।এই ভিডিও ইন্টারনেটে ছাড়া উচিত।জাতির দেখা উচিত মানুষের গরু বেচা ক্ষেত বেচা টাকায় আপনারা কিভাবে উলংগ হয়ে দেহ টিপান।এদের স্পা লাগে।এদের আরও অনেক কিছু লাগে।এদের অনেক টাকা।এদের চাহিদা মিটাতেই এসব রাজাবাদশার বিলাসিতা এদেশে প্রবেশ করে।এদের ফলো বা অনুকরন করে এসব জিনিষ সমাজের গভিরে ঢুকতে থাকে।এদের কর্ম ও জীবনাচার বাকি পটেনশিয়াল প্রতিযোগির জন্য জাতে উঠার ধাপ।এদের গাড়ি লাগে এসি লাগে বাথরুমে দশ লাখ টাকার ফিটিংস লাগে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক লাগে।এদের এই টাকার উৎস এখন জনগণ জানে।এরা সব বড়বড় চোরের পরিবারের সদস্য।এরা সমাজের কেনসার।এদের একএকটা কাজ কর্ম দেখে উৎসাহিত হয়ে আজ গ্রামেগঞ্জে এসব পর্নোগ্রাফি সহ সকল অপসংস্কৃতি ঢুকছে।

অন্যদিকে পারসনা, কানিজ আলমাস মিডিয়া এরা এদেরই মূলধারার সদস্য।এরাই একএক সময় একএক ক্ষেত্রে উদ্দোক্তা।এরা এদের ভেতরের শক্তিশালি কোর গ্রুপ।এরা যদি পারে পুরো দেশটাই সাফ কাউলা করে বিক্রি করে দেয়।এরা ব্যাবসার জন্য করতে পারে না এমন কোন কাজ নেই।

এদের দুই দলের উভয়ের কাহিনী ও ভিডিও উন্মোচন হওয়া উচিত।এটা আমাদের মত সাধারনের দাবী, তৃতীয় শক্তির দাবি।নিচের ছবিতে আমাদের ৯৫ শতাংশ নারীর প্রতিনিধী যাদের রোদে পোড়া দেহে কোনদিন স্পা লাগবে না।
আপনার অবস্থান কোথায় স্পা গ্রুপ, পারসনা গ্রুপ নাকি আম গ্রুপ নাকি কোন দুই গ্রুপের শংকর।

Read more ...

একটি মেয়ে তার স্বামী ছেড়ে চলে গেছে এক রিক্সাওয়ালার সাথে।

আমাকে আমার কাছে বেশ কয়েক দিন ধরে পাগল পাগল মনে হচ্ছে,

সেদিন বাজারে চা পান করতে গেলে দেখি অনেক মানুষ।আমার জানার আগ্রহে একজন বল্ল ভাই ঘটনা খারাপ , আমি বল্লাম কি? সে বল্ল একটি মেয়ে তার স্বামী ছেড়ে চলে গেছে এক রিক্সাওয়ালার সাথে।

আমার আর একটু জানতে ইচ্ছে করল। অনিচ্ছা সত্যেও ভালবাসা , প্রেম , সেক্স এসবে শুনতে কেমন যেন সবসময় একটি আগ্রহ থাকে।

জেনে দেখি ছেলিটির একটি বাচ্চা আছে আবার চালায় রিক্সা । একটি মেয়ে যার এখনো বিয়ে হয়নি সে চলে গেল বেচারা রিক্সাওয়ালার সাথে।

আমার মাথায় ঠেকেনা মেয়েটি ছেলেটির সাথে কেন গেল। এখানে কি আবেগ বা প্রেম বলতে কিছু আছে নাকি একটু মজা লেগেছে তাই চলে গেছে।

এমন ভুল করা ঠিক নয়। এখন সমস্যা হলো দুই পক্ষের অভিভাবকের কারন পুলিশ ঘুরছে দুজনকে খুজে বের করতে। ঘটনাটি ঘটে আমার গ্রামে।

Read more ...

স্টিভ জবস্ যদি বাংলাদেশের হয়ে মারা যেতেন তবে এমন হতে পারত......




সরকারী দল: ইন্নালিল্লাহে........................রাজিউন, দেশ তার মত এমন দক্ষ রাজনীতিবিদ, প্রশিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও দেশদরদী নেতা ও প্রযুক্তিবিদকে হারল, দোয়েলের নির্বাহী থাকাকালীন বিরোধীদল তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। তদন্ত কমিটি গঠন করা হল!

বিরোধী দল: সরকারের এ মন্তব্য ভুয়া, অভিযোগ ভিত্তিহীন, স্টিভ জবস্ ছিলেন একজন গুনী ব্যক্তি, এই সরকার সবসময় তাকে নজরদারিতে রাখতো, তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিলনা। এছাড়া তাকে ভাল চিকিৎসা দিতে সম্পুর্ন ব্যর্থ। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই, আর কোন জবস্ কে এভাবে হারাতে চাইনা। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই!

সুশীল সমাজ: স্টিভ জবস্ বাংলাদেশের একজন সম্পত্তি নয় সম্পদ, তাকে হারিয়ে আমরা দিশেহারা। আও্য়ামীলীগ ও বিএনপি ঠিক না হলে আমরা এমন অনেক জবস্ হারাব।

মিডিয়া: জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও দোয়েলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস্ আর নেই, তিনি আজ............................. গেছেন। এদিকে স্টিভ জবস্ এর মৃত্যুর ঘটনায় জঙ্গি গোষ্ঠী জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করা যাচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির এর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে ঢাবি রণক্ষেত্র।

উইকিলিকস্: মার্কিন তারবার্তা থেকে প্রকাশিত গোপন নথিতে জানা গেছে, স্টিভ জবস্ এর মৃত্যুর খবর মার্কিন প্রশাসন আগেই জানত!

মানবাধিকার কমিশন: স্টিভ জবস্ এর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।

জনগন: হায় হায় বাংলাদেশ, স্টিভ জবস্ এর মৃত্যু নি্যে রাজনীতি!

Read more ...

একজন মানুষের জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আপনার কি করণীয় ?

ধরুন,আপনার সামনে কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে গেল বা মারা যাচ্ছে,তখন কি করবেন?একজন সচেতন মানুষ হিসেবে জানা উচিৎ নয় কি?এই পরিস্থিতিতে আপনার যে জিনিস্টি জানা থাকলে রোগীর জীবন রক্ষা হয়ে যেতে পারে তার নাম CPR(Cardiopulmonary Resuscitation)।উন্নত বিশ্বে প্রত্যেক নাগরিকের CPR শেখা বাঞ্চনীয়।

কাকে CPR দিবেন?

যাকে তাকে CPR দিলে কাজ হবে না।CPR দিবেন এই তিন ক্ষেত্রে-
cardiac arrest(যদি নাড়ী বন্ধ হয়ে যায়)
respiratory arrest(যদি শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হিয়ে যায়)
sudden death(যদি সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হঠাৎ করে মৃত্যু পথযাত্রী হয় এবং ওই মুহুর্তে মৃত্যুর কারণ খুঁজে না পাওয়া যায়)

কতক্ষণের মাঝে CPR দিবেন?

চার মিনিটের মধ্যে CPR দিতে হবে কারণ তা নাহলে মস্তিস্কের নিউরনগুলো স্থায়ী ভাবে মারা যাবে।

কিভাবে CPR দিবেন?

রোগীকে একটি বিপদমুক্ত একটি স্থানে সরান।

রোগীকে ডাকুন।জিজ্ঞেস করুন,"কেমন আছেন?"আলতো করে নাড়া দিতে পারেন কিংবা কাধে হালকা ধাক্কা দিতে পারেন।



সাহায্যের জন্য আশেপাশে চিৎকার করে ডাকুন।ওখানে উপস্থিত কোন ডাক্তার আছে কিনা জিজ্ঞেস করুন।আমাদের দেশে তো ৯১১ বা sos কোন সার্ভিস নেই।সাথে মোবাইল থাকলে নিকটবর্তী হাসপাতালে কল করতে পারেন।



রোগীকে positioning করেন।চিত করে শোয়ান।যদি ধারণা করেন যে রোগীর spinal cord বা স্নায়ু রজ্জুতে আঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে,তাহলে খুব সাবধানে দুইজন মিলে positioning করেন।



শ্বাসনালী খোলা রাখুন।এজন্য দুই আঙ্গুল দিয়ে থুঁতনি উপরের দিকে ঠেলা দিন(chin lifting)।সেই সাথে অপর হাত দিয়ে কপালে ঠেলা দিয়ে ঘাড় কিছুটা ভাঁজ করুন(head tilting)।



শ্বাস নিচ্ছে কিনা দেখুন,শুনুন এবং অনুভব করুন(look,listen,feel)।আপনার কান রোগীর নাকের কাছে আনুন।শ্বাসের শব্দ শোনার চেষ্টা করুন এবং অনুভব করুন।সেই সাথে বুক ও পেটের দিকে তাকান যে তা নড়ছে কিনা।মুখের ভিতর খাবার,বমি বা অন্য কিছু থাকলে হাত বের করে নিন।



নাড়ী দেখুন।যদি নাড়ী অনুভব না করতে পারেন,সেক্ষেত্রে বুঝবেন রোগীর cardiac arrest হয়েছে।সেক্ষেত্রে বুঝবেন রোগীকে CPR দিতে হবে।



যদি শ্বাস প্রশ্বাস না নেয়,সেক্ষেত্রে mouth to mouth respiration দিতে হবে।একটা রুমাল রোগীর ঠোঁটের উপর রাখুন।এরপর আপনার ঠোঁট দিয়ে রোগীর ঠোঁট চেপে ধরুন।রোগীর নাক দুই আঙ্গুল দিয়ে বন্ধ করুন।দুইটা rescue breath দিন।প্রতি শ্বাসের দৈর্ঘ্য হবে এক সেকেন্ড এবং বুকের নড়া খেয়াল রাখতে হবে।বুক না নড়লে বুঝতে হবে আপনার শ্বাস রোগীর ফুসফুসে পৌছাচ্ছে না।



চেস্ট কমপ্রেশন দিন।এক হাতের তালুর মাংসল অংশ বুকের মাঝখানে(over the sternum) রাখুন।অর্থাৎ দুই নিপলের মাঝখানে যে একটি সমতল হাড় রয়েছে সেখানে রাখুন,পাঁজরের হাড়ের উপর বা বাম পাশে নয়।অন্য হাতের হাতের তালু প্রথম হাতের উপরে রাখুন।হাত সোজা রাখুন।কনুই ভাজ করবেন না।
এবার কমপ্রেশন দিন।কমপ্রেশন দিন দ্রুত,এমন ভাবে দিন যেন বুক দেড় থেকে দুই ইঞ্চি ডেবে যায়।মনে মনে গুনুন,১,২,৩,৪,৫,......এভাবে ৩০ পর্যন্ত এবং ৩০ বার কমপ্রেশন চালিয়ে যান।এরপর আবার দুইটা rescue breath দিন।






এভাবে সি পি আর কন্টিনিউ করুন(অর্থাৎ ৩০ বার বুকে চাপ,তারপর ২টা rescue breath)।

Read more ...

IDM protable 6.07 Final Full :D:D:D

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন আর IDM এর কথা জানেন না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। যারা ব্যবহার করেন তারা তো ভালভাবেই জানেন এর সুবিধা। আর পোর্টেবল ভার্সন এ সুবিদা হল উইন্ডোজ ইন্সটল দিলেও আপনার ফাইল গুলা থাকবে।
download link--
Click This Link

ফাইলটা ডাউনলোড করে তারপর এক্সট্র্যাক্ট করে শুধু Internet Download Manager.exe ফাইলটা চালালেই হবে। ব্যস! ডাউনলোডের জন্য প্রস্তুত আপনার Internet Download Manager!

হ্যাপি ডাউনলোডিং!
ইন্টারনেট ব্যবহার করেন আর IDM এর কথা জানেন না এমন লোকের সংখ্যা খুবই কম। যারা ব্যবহার করেন তারা তো ভালভাবেই জানেন এর সুবিধা। আর পোর্টেবল ভার্সন এ সুবিদা হল উইন্ডোজ ইন্সটল দিলেও আপনার ফাইল গুলা থাকবে।
download link--
Click This Link

ফাইলটা ডাউনলোড করে তারপর এক্সট্র্যাক্ট করে শুধু Internet Download Manager.exe ফাইলটা চালালেই হবে। ব্যস! ডাউনলোডের জন্য প্রস্তুত আপনার Internet Download Manager!

হ্যাপি ডাউনলোডিং!

Read more ...

সিমবিয়ান হ্যাকিং

প্রয়োজনীয় ফাইল ডাউনলোডঃ

প্রথমে নিচের ফাইলদুটি আপনার ফোনে ডাউনলোড করে নিন-

হ্যাকিং-

১। প্রথমে "1. NortonSymbianHack" ফাইলটি আপনার ফোনে ইন্সটল করুন। এরপর এপ্লিকেশনস এ গিয়ে Norton Security নামের এপ্লিকেশনটি রান করুন।

২। এর পর Options > Anti-Virus এ যান এবং Quarantine list এ ক্লিক করুন। এরপর Options থেকে Restore এ ক্লিক করুন এবাং Yes করুন।

৩। এরপর Exit করে বের হয়ে আসুন এবং এপ্লিকেশনটি আপনার ফোন থেকে রিমুভ করে দিন। (এপ্লিকেশন ম্যানেজার থেকে রিমুভ করলে Symantec Symbian Hack নামের এপ্লিকেশনটি রিমুভ করুন)

৪। এরপর "1. RomPatcherPlus_3.1.sisx" ফাইলটি আপনার ফোনে ইন্সটল করুন। ইন্সটল শেষে এপ্লিকেশনটি চালু করুন। এবং নিচের মত Install Server RP+ এবং Open4all RP+ প্যাচদুটিতে ট্যাপ দিয়ে টিক চিহ্ন দিয়ে দিন।

এরপর Options এ গিয়ে Patch দুটিকে Add to Auto তে দিয়ে দিন।

ব্যাস এখন আপনার ফোনটি সফলভাবে হ্যাক হয়ে গিয়েছে। :D এখন আপনি আপনার ফোনে ইচ্ছামত যেকোন সাইন/আনসাইন/ক্রাক/রিপ্যাক সকল প্রকার এপ্লিকেশন ইন্সটল করতে পারবেন।

সফল হলে অবশ্যই মন্তব্যের মাধ্যমে জানাবেন

----------------------------------------

নোটঃ যদি কারো টিক চিহ্ন না হয়ে ক্রস চিহ্ন আসে তাহলে আমার পরবর্তী টিউনটির জন্য অপেক্ষা করুন-


Read more ...

পরীক্ষার আগের দিনঃ

পরীক্ষার আগের দিনঃ
সকাল ১০টা- ঘুম থেকে উঠলাম
১১টা- নাস্তা
১২টা- A+ পাওয়ার চিন্তা করতেসি
১টা- একটু কম্পুটারে নেট ইউজ করলে পড়ালেখায় ক্ষতি হয় না!;)
...২টা- দূর একটা ঘুম দেই;)
৪টা- আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ক্রিকেট খেলতে যাই
৭টা- A+ হবে না, A পাওয়ার চিন্তা করতেসি
৮টা- বই খুজতেসি!
৯টা- এখনো বই পাইনি, যাই কারো থেকে ফটুকপি নিয়া আসি
১০টা- রাতের খাবার
রাত ১১টা- ও আল্লাহ কোনরকম পাশ করায় দিও

পরীক্ষা পর- ৩৩ পাইলেই কাম হইসে;

একবার ৩২ পেয়ে ফেইল করসিলাম;'( সবার থেকে যা যা শুনতে হইসে-

বাবাঃ আমার ঘর থেকে বের হয়ে যা নালায়ক!
মাঃ তরে মিছা মিছাই বড় করলাম!
গার্লফ্রেন্ডঃ আমার এক্স সবসময় ভাল রিসাল্ট করত!
...ফ্রেন্ডঃ আব্বে শালা তুইও;)

Read more ...

আনথিংক্যাবল: যে মুভিটি আপনাকে ভাবাবে



There is no H. and Younger... there's only victory and defeat. The winner gets to take the moral high-ground, because they get to write the history books. The loser... just loses. The only miscalculation in your plan... was me.

আনথিংক্যাবল আমি দেখেছি ২০১০-এর মাঝামাঝি সময়ে। এক বসায় দেখা শেষ করে যে কথাটা মাথায় এসেছে তা হলোঃ এই মুভিটির অবশ্যই অস্কার জেতা উচিত, কিন্তু দুর্ভাগ্য এটা কখনোই অস্কার জীতবেনা।

সিনেমার কাহীনি বেশ সহজ সরল। ইউসুফ একজন কনভার্টেড আমেরিকান মুসলিম যার নাম ছিল স্টিভেন আর্থার ইয়াংগার। আমেরিকার বিভিন্ন স্থানে তিনি তিনটি নিউক্লিয়ার বোমা প্লান্ট করেছেন এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও টেপ এফবিআই-এর হাতে এলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বোম গুলো কোথায় আছে তা জানতে ইন্টারোগেশনে আসেন সিআইএ-এর একজন এক্সপার্ট যার নাম এইচ। এফবিআই এজেন্ট হেলেন ব্রডি-র উপরে সার্বিক দায়িত্ব দেয়া হয় বোমা/বোমাগুলো খুঁজে বের করার।

পুরো সিনেমাজুড়ে ইউসুফের ভুমিকায় মাইকেল শীন, এইচ-এর ভূমিকায় স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন এবং এজেন্ট ব্রডি-র ভূমিকায় ক্যারী-অ্যান মসের অভিনয় ছিল অনবদ্য। এইচ-ইউসুফ, ব্রডি-ইউসুফের কথোপকথন, ইউসুফের দর্শন, একজন ইন্টারোগেটরের ব্যক্তিজীবন, আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি (মুসলিম সংক্রান্ত) বিষয়গুলো সিনেমা না দেখলে বোঝা কঠিন।

মুভিটির আইএমডিবি রেটিং ৭.১/১০, রটেন টমেটো খুব একটা পজিটিভলি নেয়নি মুভিটিকে, ক্রিটিক রিভিউ রয়েছে মাত্র তিনটি! আবার একজন এটিকে টরচার পর্নো হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন।

মুভিটি দেখলে আপনিও ভাববেন, আপনাকে ভাবাবে...

Read more ...

গরমে শরম থাকে না

কে বলে বাংলাদেশ ছয় ঋৃতুর দেশ এখন তো শুধু গরম আর গরম । কারেন্ট টা চলে গেলেই বারোটা বেজে যায় । শহরের বাড়ি গুলো যেন গরম চুলা হয়ে থাকে । ছেলেদের বোধ হয় একটু বেশিই গরম লাগে, কারেন্ট চলে গেলেই গেঞ্জি খুলে ফেলতে হয়, তা না হলে হয়তো ঘামাচি হয়ে একাকার হয়ে যেত। এক্ষেত্রে মেয়েদের ধৈর্য আমকে বিষ্মিত করে, মেয়েদের সত্যি অনেক বেশি কষ্ট সহ্য করতে হয়, শারিরিক গত কারনেই হোক অথবা সামাজিক কারনে অথবা লজ্জার কারনে হোক তারা গরমে আমাদের মতো আচারন করে না, আর এই গরমে রান্না করার সময় কি অবস্থা হয় তারাই বলতে পারবে, তাছাড়া শারিরিক কত কারনে একটা নির্দিষ্ট সময়ে মেয়েদের অস্বাভাবিক গরম অনুভব করে সম্ভাবত মনোপোজ প্রিয়ড, সে রকম যদি ছেলেদের হতো তাহলে দেখা যেত ছেলেরা নগ্ন হয়ে রাস্তায় হঠাৎ হঠাৎ দৌড়া দৌড়ি করছে । এটাও হতে পারে তাদের আসলেই একটু কম লাগে । বিদেশিদের কথা আলাদা সেখানে মেয়েরা অনেক বেশি স্বাধীনতা পেয়ে থাকে । আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম এক্ষেত্রে মেয়েদের মতো ধৈর্য ধারন করতে , ঠিক করেছিলাম যতই গরম লাগুক গেঞ্জি খুলব না , খুব বেশি হলে এক ঘন্টা আমি আমার কথায় টিকে থাকতে পেরেছি । সত্যি মেয়েদের ধৈর্য অনেক বিষয়ে অসীম তাদের ধৈর্য ছেলেদের মতো হলে হয়ত সংসার একটা বাজার হয়ে যেত । তারপরও গরমতো গরমই ছেলে হোক আর মেয়ে হোক সবাই কে ঘামিয়ে দেয়, শরম ভুলে খালি গা থাকতে বাধ্য করে ।

Read more ...

হাইরে বিউটি পার্লার.......

এদিকে গোপন ক্যামেরা নিয়ে হৈ চৈ পড়ায় সৌন্দর্য সচেতন নারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েকদিনে পারসোনার গুলশান, বনানী, মিরপুর ও উত্তরাসহ সবকটি শাখাতেই সেবা গ্রহণকারীর সংখ্যা কমেছে। অন্য বিউটি পার্লারে যেতেও অনেকে ভয় পাচ্ছেন।
গুলশানের একটি খ্যাতনামা বিউটি পার্লারের স্বত্বাধিকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, পারসোনা যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাতে এ শিল্পে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। কারণ শুধু স্পা করতেই নয়, বেশকিছু রূপচর্চা করতেও নারীদের পোশাক পরিবর্তন করতে হয়। কিন্তু আপত্তিকর ভিডিওচিত্র কোনো গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা হতে পারে এ ভয়ে গত কয়েকদিন ধরে সেবা নিতে আসা নারীরা পরিধেয় কাপড় সামান্য আগলা করতেও চাইছেন না।

Read more ...

‘ক্ষুধার্ত এবং বোকা’ একজন অসামান্য মানুষ

তাঁর নাম স্টিভ জবস। ‘অ্যাপল’ কোম্পানির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। প্রযুক্তির দুনিয়ায় স্বনামধন্য। সম্প্রতি দশকের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্প-কর্তা মনোনীত। কিন্তু তাঁর সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁর জীবন ভাবনায়। কেমন সেই ভাবনা?
---লিখেছেন বাসব চৌধুরী (কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার)




২০০৫সালের ১২জুন আমেরিকার প্রসিদ্ধ স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের উদ্দেশ্যে অভিভাষণ দিয়েছিলেন এক বক্তা। অভিভাষণে গম্ভীর কথাবার্তা বিশেষ ছিল না। নিজের জীবনের গল্প, গভীর উপলব্ধির কিছু কথা বক্তা স্নাতকদের সামনে তুলে ধরেছিলেন। মূলত তিনটি গল্প বলেছিলেন তিনি।

১নম্বর গল্পঃ এক অবিবাহিতা ছাত্রীর গর্ভে আমার জন্ম। জন্মের পরে সেই নারী, জীবন বিজ্ঞান-নির্ধারিত আমার সেই অপরিণত বয়স্কা মা, ঠিক করেছিলেন কোনও নিঃসন্তান দম্পতির হাতে আমার সব দায়িত্ব সঁপে দেবেন। দত্তক দেওয়া বা নেওয়ার ব্যাপারে একটিই শর্ত ছিলঃ যাঁরা আমাকে পুত্র হিসেবে গ্রহণ করবেন, তারা যেন স্নাতক হন। যিনি দত্তক দেবেন এবং যাঁরা দত্তক গ্রহণ করবেন, এই শর্ত তাঁদের যারপরনাই বিড়ম্বনায় ফেলেছিল। শেষকালে এক মুচলেকা দিয়ে আমাকে গ্রহণ করেছিলেন আমার বাবা-মা। তাঁরা কথা দিয়েছিলেন, উপযুক্ত সময়ে আমাকে তাঁরা কলেজে পাঠাবেন।

১৭বছর বয়সে আমি কলেজ়ে গিয়েছিলাম। তবে, মাস ছয়েকের মধ্যেই আমার মোহভঙ্গ হয়। তখন মনে হয়েছিল, আমার বাবা-মা কত কষ্ট করে, কত পরিশ্রম করে পয়সা সঞ্চয় করেছেন। আমি কলেজে পড়ছি, তার জন্য কত খরচ হচ্ছে! এটা কি ঠিক হচ্ছে? সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে আমি পড়া ছেড়ে দিলাম। তখন হাতে অফুরন্ত সময়। কিন্তু, থাকার জায়গা নেই। বন্ধুদের ঘরে কোনও রকমে রাত কাটাতাম, খাওয়াদাওয়া জুটত অনেক কষ্টে। আর, সপ্তাহে একদিন সাত মাইল হেঁটে পৌঁছতাম হরেকৃষ্ণ মন্দিরে। সেখানে বিনা পয়সায় ভূরিভোজ আমাকে পরের ক’দিন বেঁচে থাকতে সাহায্য করত।

তখন আমি ক্যালিগ্রাফি শিখেছিলাম। কী সুন্দর শিল্প! সেই শিল্প-সুষমা আয়ত্ত করার জন্য আমি প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলাম। বিষয়টি তখন কাজ়ে আসেনি বটে, কিন্তু প্রায় দশ বছর পরে ক্যালিগ্রাফি-জ্ঞানের কল্যাণে আমরা শিল্পে যুগান্তর আনতে পেরেছিলাম। সারা পৃথিবী সেই জ্ঞানের, সেই শিল্প-সুষমার আশীর্বাদধন্য। আজ মনে হয়, আঠারো বছরের সেই দুঃসহ স্পর্ধা, কলেজ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত বোধহয় ভুল ছিল না। জীবনে এগিয়ে যাওয়ার পথের বিন্দুগুলো তো সামনে থেকে জুড়ে দেওয়া যায় না! জুড়তে হয় ক্রমশ পিছনের দিকে। আজকের সিদ্ধান্ত ঠিক বা বেঠিক, বুঝতে গেলে ভবিষ্যতের কোনও একটা সময় থেকে ক্রমশ পিছিয়ে এসে দেখতে হয় আজকের সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় কি না। এ এক গভীর অনিশ্চয়তা, যার অপর নাম বোধহয় জীবন।

২নম্বর গল্পঃ তখন আমার কোম্পানির অবস্থা খুব ভাল। ৪,০০০কর্মী। ব্যবসা বাড়ানোর জন্য আমি একজন খুব প্রভাবশালী ব্যক্তিকে আমার সহকারী হিসেবে কোম্পানিতে নিয়ে এলাম। উদ্দেশ্য ছিলঃ আমরা দু’জনে মিলে কোম্পানি পরিচালনা করব, ব্যবসাক্ষেত্র বাড়বে, ইত্যাদি। প্রথম বছরটি ভালই চলল। কিন্তু তারপর, ওই যা হয়, খানিকটা মতান্তর। কোম্পানি সম্পর্কে আমাদের দুজনের ‘ভিশন’ খানিকটা আলাদা। পরিচালনমন্ডলীর সভা বসল। আলাপ-আলোচনার পরে দেখা গেল, পরিচালকরা বা অধিকর্তারা আমার সহকারীর পক্ষে। আমাকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হল। সে এক অদ্ভুত অবস্থা-তিল তিল করে গ্যারেজ থেকে যে-কোম্পানি যুবক হয়েছে, সেই কোম্পানির স্রষ্টাকে, প্রতিষ্ঠাতাকে সরে যেতে হল! তখন আমার বয়স ত্রিশ। সমাজ়ে গণ্যমান্য আমি, সকলে আমাকে চেনেন-সেই অবস্থায় আমি আবার রাজপথে পথিক হয়ে গেলাম! যে বিন্দু থেকে বৃত্তাঙ্কন শুরু হয়েছিল, আমি আবার সেই বিন্দুতে! প্রথম কয়েক মাস ভেবেছি, কোথায় যাব, কী করব! ভাবতে ভাবতে মনে হল, কে যেন আমার মাথা থেকে সাফল্যের ঊষ্ণীষখানি সরিয়ে দিয়ে অসাফল্যের মুক্ত আকাশে আমার একান্ত পরমপ্রিয় ডানা দুখানি মেলতে দিয়েছে।

আবার চলতে শুরু করলাম। নতুন কোম্পানি, নতুন ভাবনা নিয়ে। আরও প্রাপ্তি ছিল। একজন অসামান্যা নারীর সঙ্গে পরিচয় হল, পরিণয় হল। সেই নারী আজ আমার স্ত্রী। আমার সুখ-দুঃখের সঙ্গী, আমার আশ্রয়স্থল।

৩নম্বর গল্পঃ বন্ধুরা, অনেক্ষণ ধৈর্য ধরে আমার কথা শুনছেন। আর একটু শুনুন। তবে, তার আগে একটি কথা বলে নিই। জীবনে চলার পথে থিতু হবেন না। খুঁজ়ে চলুন, খুঁজুন সেটি, যেটিতে আপনার পরম প্রেম, পরম মমতা। পরম প্রেমের কাজটি খুঁজ়ে পেলে, পরম প্রয়াস উৎসারিত হবে হৃদয় থকে। তখন কর্ম আর প্রেম মিলেমিশে একাকার হয়ে যাবে। সৃষ্টি হবে শ্রেষ্ঠ কর্ম ফল, যেখানে মস্তিস্ক, হৃদয়, হাত-সকলের অপূর্ব সহাবস্থান। বন্ধুরা, তেমন কর্ম খুঁজে চলুন। যতক্ষণ খুঁজে না পান, ততক্ষণ আপনাদের পথ চলা যেন না থামে।

আমার যখন সতেরো বছর বয়স, তখন কোথাও পড়েছিলামঃ “প্রত্যেকদিন যদি এমন ভাবে বাচোঁ, এমন মনে করে বাঁচো যে, সেই দিনটি তোমার জীবনের অন্তিম দিন, তবে একদিন, জেনো একদিন তুমি ঠিকঠাক বাঁচবে।” কথাটা খুব ভাল লেগেছিল। সেই থেকে প্রতিদিন সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই, আর নিজেকে প্রশ্ন করিঃ এ সকাল যদি শেষ সকাল হয়, তবে যে কাজ করে চলেছি, সেই কাজটি আজও করব কি না। যদি পর পর কিছুদিন অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে উত্তর আসে, না, এ কাজ আর নয়, তা হলে নিরাপত্তার গহ্বর থেকে নিজেকে ছিন্ন করে আমি আবার ডানা মেলি অসাফল্যের আকাশে।

এই ভাবে আমার পথ চলা। আর, এই ভাবে চলতে চলতে একদিন হঠাৎ জানতে পারি, আমি ক্যান্সার-আক্রান্ত। তখনও জানি না, প্যাংক্রিয়াস ঠিক কোথায়, ক্যান্সার ঠিক কী। আমার চিকিৎসক আমাকে পরীক্ষা করেন, তারপর বলেন, গুছিয়ে নিন। কাজ ফেলে রাখবেন না। অদ্ভুত অনুভূতি তখন আমার মনে। কতকিছু বলার আছে ছেলেদের! দশ বছরেও সব বলা হবে না। কিন্তু হাতে সময় বড় কম! কয়েকদিন পরে বায়োপসি হয়। জানা যায় যে, দুরূহ ক্যান্সার হয়েছে আমার। তবে, কালো আকাশে একটুখানি আলো এই -অস্ত্রোপচার করে শেষ চেষ্টা করা যেতে পারে। আমি ভাগ্যবান, আজও বেঁচে আছি, আজও পথ হেঁটে এসেছি আপনাদের আমার জীবনের গল্প বলার জন্য।

বন্ধুরা, কেউ মরতে চায় না। যাঁরা বার বার স্বর্গে যেতে চান, তাঁরাও না। তবু বলব, মৃত্যু হল ঈশ্বরের শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার, যার চিন্তা ও চেতনায় জীবন নব নব দিশা পায়। আজ আপনারা যুবক, কিছুদিন পরে বার্ধক্য আপনাদের গ্রাস করবে, যেমন আজ আমাকে করেছে।

হাতে সময় বড় অল্প, তাই don't waste it living someone else's life. Don't be trapped by dogma — which is living with the results of other people's thinking. Don't let the noise of others' opinions drown out your own inner voice. And most important, have the courage to follow your heart and intuition. They somehow already know what you truly want to become. Everything else is secondary.

বন্ধুরা, জীবনের একটি পর্যায়ে জেনেছিলাম Stay Hungry. Stay Foolish. আজ আপনাদের বলি, অন্বেষণের প্রয়াসে ক্ষুধার্ত থাকুন আজীবন। অসীম কৌতূহলের পৃথিবীতে বোকা হয়ে থাকুন। আমার নিজের জীবনে আমি তেমনই hungry ও foolish থাকতে চেয়েছি। আপনাদের জীবনে সেই সত্য হোক।

গল্পকারের গল্প শেষ। তাঁর সঙ্গে পাঠককুলের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দায়টুকু নিশ্চয়ই প্রবন্ধ রচয়িতার। শত কোটি নমস্কার জানিয়ে নামটি লিখব- স্টিভ জবস্‌।

Apple কোম্পানির চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার স্টিভ জবস্‌কে ‘ফরচুন’ ম্যাগাজিন গত বৃহস্পতিবার, ৬নভেম্বর CEO of the decade নির্বাচিত করেছেন। ঘোষণাটি হয়েছে আমেরিকার সানফ্রান্সিসকো শহরে। বলা হয়েছে, চারটি চাকার উপর নির্ভর করে হেনরি ফোর্ড যেমন মানব সভ্যতাকে গতিময় করেছিলেন, তেমনই কম্পিউটার, সঙ্গীত, চলচ্চিত্র এবং সেল ফোনকে সংযুক্ত করে জবস্‌ এক অসাধারণ শিল্প–সুষমা সৃষ্টি করেছেন, যার তুলনা ইতিহাসে বিরল। সত্যিই বিরল।

আজকের প্রতিযোগিতার যুগে ছোট ছোট শিশুরাও যখন বলে, ফ্রাসট্রেশনে ভুগছে, তখন তাদের স্টিভ জবস্‌-এর জীবন থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে বলব। ‘Showman’ বলে নয়, ‘born salesman’ বলে নয়, “magician who creates a famed reality-distortion field ” বলে নয়, “tyrannical perfectionist” বলে নয়, একজন অসামান্য উদ্ভাবনপ্রিয় মানুষ বলে।।

Read more ...

ভবঘুরে থেকে করপোরেট সম্রাট



আপেল গাছ না চিনলেও স্টিভ জবসকে চেনেন না এমন মানুষ কমই আছেন। বিশ্বের এক নম্বর প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাপলকে দাঁড় করিয়ে ২৪ আগস্ট ঘোষণা দিয়ে অ্যাপলের সিইও পদ থেকে অবসরে গেলেন তিনি।
দত্তক শিশু থেকে প্রযুক্তিবিশ্বের যীশু
স্টিভেন পল জবস ১৯৫৫ সালের ২৪ ফেব্র“য়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সান ফ্রান্সিসকোতে জš§গ্রহণ করেন। বাবা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবদুল ফাত্তাহ জন জানদালি (সিরিয়ান মুসলিম) এবং মা জোন সিম্পসন জšে§র পর জবসকে দত্তক দেন নিুমধ্যবিত্ত পল ও ক্লারা জবস দম্পতির কাছে। ছেলেবেলায় তিনি বেড়ে ওঠেন ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে। এক সময় এই সিলিকন ভ্যালি ছিল ই-বর্জ্য ফেলে রাখার জায়গা। বহু প্রকৌশলী সেখানে গড়ে তুলেছিলেন তাদের গ্যারেজ।
জবস পড়েছিলেন কুপারটিনো জুনিয়র হাইস্কুল এবং হামস্টিড হাইস্কুলে। স্কুল পাস করে ১৯৭২ সালে লিবারেল আর্টসের ওপর ব্যয়বহুল কলেজ রিডে ভর্তি হলেন তিনি। তাঁর নতুন বাবা-মা খুব একটা সচ্ছল ছিলেন না। দত্তক নেয়া জবসের বাবা-মাকে কথা দিয়েছিলেন, তাঁদের ছেলেকে ভালো রাখবেন। তাই বেশ কষ্ট করেই জবসকে পড়তে পাঠালেন ব্যয়বহুল রিড কলেজে। কিন্তু বাউন্ডুলে জবসের কলেজে ভর্তির পর পড়ালেখার ইচ্ছা উবে গেল। এক সেমিস্টার পরই কলেজ থেকে ঝরে পড়লেন তিনি। হিউলেট-প্যাকার্ড বা এইচপি কোম্পানির লেকচারগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন প্রায় নিয়মিত। সেখানে খণ্ডকালীন কর্মচারী হিসেবে কাজও করেছিলেন। এছাড়া ক্যালিওগ্রাফিসহ আরও নানা ধরনের বেশ কিছু ক্লাসে উপস্থিত থেকেছেন বিভিন্ন সময়ে।
সংগ্রামী জীবনের সূচনালগ্ন
পায়ের নিচে যার শস্য দানা সে কি ঘরে রয়! মাত্র ১৯ বছর বয়সে ঘর ছেড়ে হয়ে পড়েছিলেন ভবঘুরে। কিছুদিন সাধু সন্তুর জীবন কাটান ভারতে। সহজিয়ায় আসক্ত হয়ে রপ্ত করেছিলেন ভিন্ন ধারার জীবনযাপন। যে জীবনযাপন করতেন বৌদ্ধ ভিক্ষুরা। কখনও খেয়ে না খেয়ে কেটেছে তার বেলা। ভালো খাবারের জন্য অনেক দিন অপেক্ষা করতে হতো ছেলেবেলায়। সেই চর্চার ধারাবাহিকতাই যেন এটা। ফলমূল খেয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন অনেকটা দিন। স্বাস্থ্যটাও তার হয়ে পড়ে শীর্ণ। ধার ধর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন বৌদ্ধ ধর্মকে।
অ্যাপল কম্পিউটার ইনকরপোরেটেড
১৯৬৯ সালে স্টিফেন ওজনিয়াক নামের এক তরুণের সঙ্গে পরিচয় হয় জবসের। নিজের চেয়ে পাঁচ বছরের বড় ওজনিয়াকের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে জবসের শুধু ইলেকট্রনিকসের প্রতি দু’জনের সমান আগ্রহের জায়গা থেকেই। পরে একসঙ্গে এইচপি কোম্পানিতে কাজও করেছিলেন তারা। একসময় ভবঘুরে জীবন থেকে আবারও ইলেকট্রনিকসের গোরস্থান সিলিকন ভ্যালিতে ফেরেন জবস। বন্ধু ওজকে সঙ্গে নিয়ে সার্কিট বোর্ড বানাতে শুরু করেন। তাদের বানানো সার্কিট বোর্ডের প্রসংশা করে সবাই। জবস ছেলেবেলা থেকেই ব্যবসায়িক মানসিকতার। তাঁদের বানানো বোর্ডটি বিক্রির চিন্তা ঘুরতে থাকে জবসের মাথায়। ওজনিয়াক শুরু করলেন কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ তৈরি ও সেগুলো অ্যাসম্বলিং। এভাবেই কিছুদিনের মধ্যেই তৈরি হলো ‘অ্যাপল-২’। এটিই ছিল অ্যাপলের জš§কথা। আনুষ্ঠানিকভাবে স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক এবং রোনাল্ড ওয়েন মিলে ১৯৭০ সালে অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করলেন। ইন্টেল করপোরেশনের সাবেক এক কর্মকর্তার কাছ থেকে আড়াই লাখ ডলার ধার নিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের কাজ। এরপর ১৯৮০ সালের ডিসেম্বরে মাত্র ২৫ বছর বয়সে স্টিভ জবসের সম্পদের পরিমাণ ২০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেল।
১৯৮৫ সালের শেষের দিকে প্রাতিষ্ঠানিক চক্রান্তে নিজের প্রতিষ্ঠান অ্যাপল ছেড়ে আর এক প্রতিষ্ঠান ‘নেক্সট’ প্রতিষ্ঠা করেন জবস। চেষ্টা করেন আরও উন্নতমানের ও জটিল বৈজ্ঞানিক কাজের উপযোগী কম্পিউটার তৈরির। বিফল হলেন। হার্ডওয়্যারের বদলে তখন শুরু করেন সফটওয়্যার তৈরি। ‘নেক্সট’ বাজারে টিকতে ব্যর্থ হওয়ায় অ্যাপল একসময় ৪৩ কোটি ডলারে কিনে নিল কোম্পানিটি। এরপর আবারও অ্যাপলে ফিরলেন জবস।
গ্যারেজ থেকে স্পেসশিপ
সিলিকন ভ্যালির গ্যারেজে শুরু করা অ্যাপলের হেডকোয়ার্টার তৈরি হবে নতুন করে, এমনটিই স্বপ্ন ছিল জবসের। তাই স্পেসশিপ আকারের হেডকোয়ার্টার তৈরির কাজে হাত দিয়েছে অ্যাপল। কুপারটিনোর এ হেডকোয়ার্টার দেখে মনে হবে মহাশূন্য থেকে কোনো মাদারশিপ নেমে এসেছে পৃথিবীতে! আর এই সৃষ্টিশীল স্থাপনা স্টিভ জবসকে বিশ্ববাসীর কাছে অমর করে রাখবে। ১৫০ একর এলাকাজুড়ে তৈরি হবে অ্যাপলের নিজস্ব এই হেডকোয়ার্টার কাম ক্যাম্পাস। চারতলা এ ভবনটিতে ১৩ হাজার মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ভবনটির মাটির নিচে এক হাজার সিটের একটি অডিটোরিয়াম, ৩ লাখ বর্গফুট এলাকাজুড়ে গবেষণাগার এবং গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। এর মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নিজস্ব পাওয়ার প্ল্যান্ট থাকবে।
সাফল্যের মুকুটে সোনালি পালক
অ্যাপলের কোষাগারে যে পরিমাণ সম্পদ রয়েছে তা যুক্তরাষ্ট্র সরকারেরও নেই। এমনটিই এখন বিশ্বব্যাপী প্রচলিত। একপর্যায়ে জানা গেল, যুক্তরাষ্ট্রের কোষাগারে খরচ করার মতো অর্থ রয়েছে ৭৩.৭ বিলিয়ন ডলার, আর অ্যাপলের রয়েছে ৭৬.৪ বিলিয়ন ডলার। সাফল্যের এ সর্বোচ্চ শিখরে অবস্থানের জন্য বন্ধুর দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে অ্যাপলকে। আর এ দীর্ঘ পথের কাণ্ডারি ছিলেন স্টিভ। কম্পিউটারের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক পণ্য নিয়ে সাফল্যের সঙ্গেই শুরু হয় অ্যাপলের জয়যাত্রা। স্টিভ জবসের নেতৃত্বে দূরদর্শীতায় কম্পিউটিং পণ্য হিসেবে সাফল্যের মুকুটে একে একে যুক্ত হয় সোনালি পালকÑ পাওয়ার ম্যাক, আইম্যাক, ম্যাকবুক, আইপড, আইফোন, আইপ্যাড। সম্প্রতি অ্যাপলের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ম্যাক ওএস এক্স লায়ন বাজারে এসেছে। আরও এসেছে ম্যাকবুক এয়ার, ম্যাক মিনিসহ পাতলা ডিভাইস সংস্করণ। বাজারে আসার কথা রয়েছে আইফোন ৫ এবং আইফোন ৪-এর কমদামি সংস্করণ। আইপ্যাডের জনপ্রিয়তা এমন পর্যায়ে পৌঁছল যে চীনা এক তরুণকে আইপ্যাড-২ কেনার জন্য কিডনি পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়েছে। এমনকি অ্যাপলের পণ্য পাওয়ার জন্য কুমারিত্ব বিসর্জনের ইচ্ছে পোষণ করেছেন এক তরুণীÑ এ সংবাদও সবার জানা। প্রায় ৯০টি দেশে ২০ কোটিরও বেশি আইফোন, আইপ্যাড এবং আইপড ব্যবহারকারী রয়েছেন।
অ্যাপল পণ্যের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য দিতে এর প্রতিটি পণ্যের সঙ্গে একটা করে ইংরেজি ছোট হাতের ‘আই’ দিয়েই শুরু করার প্রচলন করেন জবস। ব্র্যান্ড হিসেবে দাঁড়িয়ে যায় সেটিÑ আইপড, আইফোন, আইম্যাক। আর একটু হলেই তার বায়োগ্রাফিটিরও নাম হতে যাচ্ছিল ‘আইস্টিভ : দ্য বুক অব জবস’। তবে লেখক আইজ্যাকসন বইটির নাম বদলে সহজ নাম রাখেন ‘স্টিভন জবস’। বইটির প্রচ্ছদেও রয়েছে সহজিয়ার ছাপ। এছাড়া স্টিভ জবসকে নিয়ে লেখা হয়েছে কমিকস। ব্লুওয়াটার প্রোডাকশন্সের কমিক বইটির নাম ‘স্টিভ জবস : কো-ফাউন্ডার অব অ্যাপল’।
প্রযুক্তির নতুন পথে পাড়ি জমাতে পথপ্রদর্শকের ভূমিকায় ছিলেন জবস। নতুন আইটেম যোগ আর পুরনোকে বিনা আবেগে ত্যাগ করতেন তিনি। তাই তিনিই প্রথম অ্যাপলের ম্যাক মিনি কম্পিউটার থেকে ডিভিডি অপশনটি সরিয়ে ফেলেন। ১৯৯৮ সালে অ্যাপলই প্রথম তাদের ডিভাইসে ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার বন্ধ করেছিল।
অ্যাপলের নামে ৬ হাজারেরও বেশি পেটেন্ট রয়েছে। এছাড়া একক ও যৌথভাবে ৩৩৮টি পণ্যের পেটেন্ট রয়েছে জবসের নিজের। পিক্সার স্টুডিও নামে একটি প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছিলেন তিনি। গত বছর পর্যন্ত জবসের মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৮৩০ কোটি ডলার।
প্রকাশ্যে দান করার প্রচার না থাকলেও মহান এই ব্যক্তি এইচআইভি পরীক্ষা, চিকিৎসা এবং কাউন্সেলিং বাবদ ১০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি খরচ করেছেন। ইউটু ব্যান্ডের গায়ক বনো প্রতিষ্ঠিত ‘রেড’ নামের একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে ২০০৬ সাল থেকে সাহায্য করছে অ্যাপল। এমনকি লাল রঙের বিশেষ ধরনের আইপড মডেলটি এইডস বিষয়ে কাজ করা এ দাতব্য প্রতিষ্ঠানটির জন্যই তৈরি করিয়েছিলেন স্টিভ। আফ্রিকায় এইডসের বিরুদ্ধে অ্যাপলের অবদান অমূল্য বলে উল্ল্যেখ করেছিলেন গায়ক বনো।
ব্যক্তি জবস
১৯৯১ সালে লরেন পাওয়েলকে বিয়ে করেন। পাওয়েলের গর্ভে জšে§ তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে। এছাড়া এক প্রেমিকার গর্ভে জšে§ছিল একটি কন্যা সন্তান।
২০০৪ সালে জবসের শরীরে টিউমার ধরা পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্রোপচার না করায় বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে অস্ত্রোপচারে সুস্থ হন তিনি। কিন্তু ২০০৮ থেকে আবার শরীর-স্বাস্থ্য ভাঙতে শুরু করে জবসের। প্যানক্রিয়েটিক ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ফলে ২০০৯ সালে পাকস্থলী প্রতিস্থাপন করতে হয়।
কর্তৃত্বপরায়ণ নেতা
অ্যাপলের প্রযুক্তি নকল করায় স্যামসাং, নকিয়া, মটোরোলার মতো সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছিল অ্যাপল। এ যেন জবসের এক কঠোর রূপ। রীতিমতো ‘একনায়ক’ খেতাব পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। কোম্পানি চালানো ছাড়াও ক্যান্টিনে খাবারের মেনু থেকে শুরু করে অ্যাপল পণ্যের বিকিকিনি কোনটাই তার নজর এড়াত না। অ্যাডমিনেস্ট্রেটর হিসেবে এই কঠোরতাই হয়তো তাকে করপোরেট দুনিয়ায় সাফল্য এনে দিয়েছিল। পান থেকে চুন খসলেই স্টিভের এক মুহূর্ত লাগেনি কঠিনতম সিদ্ধান্ত নিতে। ২০০৮ সালে আইফোন থ্রিজি এবং মোবাইলমি সার্ভিস ব্যর্থ হলে অ্যাপলের সম্মান নষ্ট হচ্ছে বলে স্টিভ জবস কোন কিছুর তোয়াক্কা না করেই একক সিদ্ধান্তে এই সার্ভিসের সঙ্গে জড়িত সবাইকে চাকরিচু্যুত করেছিলেন।
যোগ্য উত্তরসূরি
শরীরের সঙ্গে যখন আর পেরে উঠছিলেন না তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অব্যাহতির। জবস অব্যাহতি নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাজারে অ্যাপলের শেয়ারের দর ৫ শতাংশ কমে যায়।
প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান কার হাতে রেখে চলে গেলেন তিনি? এ ব্যাপারে নিশ্চয়ই অবিবেচক হতে পারেন না এই বোদ্ধা প্রযুক্তিবিদ। নিজের মতো এক নেতা তৈরি করে তার হাতে অ্যাপলকে সঁপে দিয়েছেন তিনি। যদিও সিইও পদ থেকে বিদায় নিয়েছেন কিন্তু ছায়া হয়ে তিনি রয়ে গেলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক হিসেবে। আর প্রধান নির্বাহী হিসেবে রেখে গেলেন কাজ পাগল টিম কুককে। যিনি দীর্ঘদিন স্টিভের সংস্পর্শে থেকেছেন, তাঁর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব সামলেছেন। তিনি হয়তো স্টিভের মতো না হলেও ঠিকই অ্যাপলকে সামলে রাখবেন বলেই বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Read more ...

কেন আপনার পিসিতে Graphics Crad লাগবে……?


মনিটরে ভালোমানের ছবি দেখতে চাইলে ভালো একটা গ্রাফিক্স কার্ডের অনেক প্রয়োজন । সাধারণত এটা অতিরিক্তভাবে কিনে লাগাতে হয় । আর যারা গেম খেলেন (গেমার) তাদের জন্য তো গ্রাফিক্স কার্ড খুবই প্রয়োজনীয় । বাজারে নানা ব্রান্ডের গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া যায়, আপনি ইচ্ছা করলে যে কোন গ্রাফিক্স কার্ড কিনতে পারেন । তবে কোন গ্রাফিক্স কার্ড কেমন, দাম কতো এ বিষয়ে ধারণা থাকলে আপনার জন্য অনেক সুবিধা হবে ।
Gigabyte 1GB DDR3 PCI Express Graphics Card এর ফীচারসমূহ –

০১. Full HD (1920*1200p resolution সমর্থন করে )
০২. ধারণক্ষমতা(MB) – 1GB
03. DVI and HDMI Output – সাপোর্ট করে
০৪. Directx 11 পর্যন্ত সাপোর্ট করে
০৫. Open GL 2.3 এ সমর্থন করে
০৬. Dual Stream – HD+SD দুইটাতেই চালানো যাবে
০৭. Operating System – Windows XP/Vista and 7

System Requirement যা লাগবে –
০১. PCI Expressed নির্ভর পিসিতে X16 lane graphics slot মাদারবোর্ডে লাগবে
০২. সর্বনিম্ন 1GB DDR2/DDR3 Ram লাগবে ।

ভাল লাগলে এই গ্রাফিক্স কার্ডটি বাংলাদেশের বাজার থেকেও স্বল্প দামে কিনতে পারেন ।

Read more ...

স্টিভ জবস্ আর নেই..... বিদায় বন্ধু..........


আপডেট আসছে.......
অ্যপলে'র সহ প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস্ আর নেই........ মাত্র ৫৬ বছর বয়সে (১৯৫৫-২০১১) জটিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। অ্যাপল সূত্র, বিবিসি ও সিএনএন নিশ্চিত করেছে.....

মাউস নিয়ন্ত্রিত আইকন ভিত্তিক ব্যক্তিগত কম্পিউটার, আইপ্যাড এবং আইফোন উদ্ভাবনার মাধ্যমে স্টিভ জবস বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। ২০০৪ সাল থেকে অগ্ন্যাশয়ের জটিল ক্যান্সারে ভুগছিলেন স্টিভ জবস।

ছবিতে স্টিভ জবস'র জীবনগাঁথা : ।। বিবিসি ।। সিএনএন ।।

২০০৫ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন বক্তা হিসেবে তাঁর অসাধারণ বক্তৃতাটি এখানে : ইউটিউব ভিডিও ।। মূল ইংরেজী বক্তৃতা ।। বাংলা অনুবাদ ।।

স্টিভ জবস ছিলেন মাইক্রোসফটের অন্যতম সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং বিল গেটসের প্রাণপ্রিয় বন্ধু। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ ছাড়াও বিশ্বপ্রযুক্তি অঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিরা স্টিভ জবসের মৃত্যুতে গভীর প্রকাশ করেছেন|

বন্ধুর অকাল প্রয়াণের শোকবার্তায় বিল গেটস বলেন, হৃদয়ের গভীর থেকেই স্টিভকে মিস করছি। আমি সৌভাগ্যবান বলেই স্টিভের মতো এমন বহুগুণী এবং ভবিষৎদ্রষ্টার সঙ্গে কাজ করার সুয়োগ পেয়েছি। পুরো আট বছর একান্তেই জটিল ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন স্টিভ। কিন্তু তাঁর উদ্ভাবনী শক্তিকে মোটেও দমিয়ে রাখতে পারেনি ক্যান্সার। অদম্য সাহস আর ধৈর্য্য নিয়ে তিনি গত আটটি বছর অ্যাপলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। বিশ্বকে দিয়েছেন একের পর চমক। বিশ্ব পরিবর্তনের রূপকার হিসেবে তাঁকে এ কালের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি উপাধীও দেওয়া হয়। এরই মধ্যে পুরো বিশ্বপ্রযুক্তি অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। কেউই যেন স্টিভের এ অকালে চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারছেন না।

ফেসবুক সিইও মার্ক জুকারবার্গ তার ফেবু স্ট্যাটাসে লিখেছেন : Steve, thank you for being a mentor and a friend. Thanks for showing that what you build can change the world. I will miss you.


বিশ্বের কোটি কোটি অ্যাপল ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে স্টিভ এখন স্মৃতির মনিকোঠায়। স্টিভ শুধু অ্যাপলের সম্পদ ছিলেন না। বরং পুরো বিশ্বই আজ (৬ অক্টোবর) হারালো বিশ্বপ্রযুাক্তির এক অপূরণীয় মহানায়ককে। মৃত্যুকালে স্টিভ স্ত্রী, এক ছেলে এবং দুই কন্যা রেখে গেছেন।


এক নজরে স্টিভ জবস :
১৯৫৫: স্টিভ জবসের জন্ম ২৪ ফেব্রুয়ারি, সানফ্রান্সিসকো। ক্যালিফোর্নিয়ার মাউনটেন ভিউ অঞ্চলে পল ও ক্লারা জবস শিশু স্টিভকে দত্তক নেন।

১৯৭৪: ভিডিওগেম কোম্পানি অ্যাটারি ইনকর্পোরেশনে চাকরি নেন। তবে কয়েক মাস পর ইস্তফা দিয়ে ভারতে বেড়াতে যান।

১৯৭৫: বন্ধু স্টিভ ওজনিয়াকের সঙ্গে স্টিভ জবস নিজেদের পারিবারিক গ্যারেজে আদি কম্পিউটারটি তৈরি করেন।

১৯৭৬: নিজেদের মেশিনপত্র বিক্রির জন্য জবস ও ওজনিয়াক অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। এবারই প্রথম অ্যাপল-১ কম্পিউটারটি পরিচিতি পায়।

১৯৭৭: অ্যাপল-২ বাজারে আসে। এই প্রথম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে কম্পিউটারটি বিক্রি হয়। টানা ১৬ বছর এটি উৎপাদনে থাকে।

১৯৮০: অ্যাপল-৩ বাজারে আসলেও তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়। কম্পিউটারটির নির্মাণে ত্রুটি ছিল। এটিকেই বলা হয় অ্যাপলের দ্বিতীয় কম্পিউটার।

১৯৮৩: লিসা নামের পারসোনাল কম্পিউটার (পিসি) বাজারে ছাড়ে অ্যাপল। মাউস দিয়ে এটি চালানো সম্ভব হয়। তবে এ প্রচেষ্টাও বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়।

১৯৮৪: ম্যাকিনটশ কম্পিউটার বাজারে ছাড়ে অ্যাপল। এটি ব্যাপক মনোযোগ কাড়ে। তবে বিক্রিবাট্টা কম হয়।

১৯৮৫: অ্যাপল ছয়টি কারখানার তিনটিই বন্ধ করে এবং ১২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে। বোর্ডরুম বৈঠকে জন স্কালির কাছে হেরে কোম্পানি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন স্টিভ জবস

১৯৮৬: লুকাসফিল্ম লিমিটেডের গ্রাফিকস বিভাগ কিনে নেন জবস। প্রতিষ্ঠানটির মালিক স্টার ওয়ারস চলচ্চিত্রের পরিচালক জর্জ লুকাস। এখানে পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওস নামের একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৮৭: ম্যাকিনটশ-২ বাজারে আসে।

১৯৮৮: নেক্সট কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন জবস। আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেনি। মাত্র ৫০ হাজার কম্পিউটার বিক্রি হয়।

১৯৯৫: পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের প্রধান নির্বাহী থাকাকালীন টয় স্টোরি বের হয়। কম্পিউটারে অ্যানিমেশন করা পূর্ণদৈর্ঘ্যরে ছবি। চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া পায়।

১৯৯৬: অ্যাপলের কাছে ৪২ কোটি নয় লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয় নেক্সট। জবসের প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন শুরু করে। এতে সফটওয়্যারও নিজেদের নির্মিত।

১৯৯৭: জবস অ্যাপলের অন্তর্বর্তী প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পান।

১৯৯৮: স্বয়ংসম্পূর্ণ কম্পিউটার আইম্যাক বাজারে ছাড়া হয়। এর সঙ্গে মনিটরও জুড়ে দেওয়া হয়। এর ফলে অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বীরা অনেক পেছনে পড়ে যায়।

২০০১: অক্টোবরে প্রথমবারের মতো আইপড বাজারে ছাড়া হয়। এতে সাফল্য আসে।

২০০৩: এপ্রিলে আইটিউনস গানের ডিভাইস বাজারে ছাড়া হয়।

২০০৭: প্রথমবারের মতো আইফোন বাজারে ছাড়া হয়। অ্যাপলের নামে কম্পিউটার যন্ত্রাংশ উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন স্টিভ জবস।

২০১০: এপ্রিল আইপ্যাড বাজারে ছাড়া হয় এবং ৮০ দিনের মধ্যে এটি ৩০ লাখ কপি বিক্রি হয়। বছর শেষে দেড় কোটি আইপ্যাড বিক্রির খবর পাওয়া যায়। অ্যাপলের বাৎসরিক আয় ছয় হাজার ৫০০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। ২০০০ সালে এ আয় ছিল ৮০০ কোটি ডলার।

২০১১: বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় অ্যাপল নতুন পণ্য ছাড়ে। এর মধ্যে আছে, আইপ্যাড২, আইফোন৪ এবং সর্বশেষ আইফোন৪এস।



বিশ্ব পরিবর্তনের রূপকার, এ কালের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি :
এমন অনেক মানুষের কাহিনীই আমরা জানি, যারা তাদের জীবনের নানা প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে উঠে এসেছেন সাফল্যের শীর্ষে। কিন্তু অ্যাপেল কম্পিউটরসের এর সিইও স্টিভ জবস এদের সবার থেকে একটু আলাদা। প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে নয়, তিনি সাফল্য আর খ্যাতির চূড়ায় উঠেছেন তার প্রতিবন্ধকতাকে সঙ্গে নিয়েই। তার একক প্রচেষ্টায় নিছক খালি ভাঁড়ার নিয়ে শুরু হওয়া 'অ্যাপেল কম্পিউটারস' আজ মাইক্রোসফট-এর মতো কোম্পানিকে পেছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বর জায়গা দখল করে নিয়েছে। জীবনে বহু প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছেন জবস। কিন্তু তিনি কখনো হাল ছাড়েননি। সমস্যা যত বড়ই হোক নিজেকে বুঝিয়েছেন, 'আমি হারব না'। সত্যি তিনি হারেননি। কখনো হারেননি। ২০০৪ সালে তার লিভারে এক বিশেষ ধরনের টিউমার ধরা পড়ে। এই টিউমার থেকেই ধরা পড়ে ক্যান্সারের সংক্রমণ। ডাক্তাররা জানান, 'টিউমার অপারেশন করলে স্টিভ-এর বাঁচার আশা খুবই ক্ষীণ। আবার অপারেশন না করলেও রয়েছে প্রাণসংশয়।' তখন মুহূর্তের জন্য থেমে গিয়েছিল স্টিভ-এর পৃথিবী। তার নিজের তৈরি করা সাম্রাজ্য একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছিল চোখের সামনে থেকে। শুধু একটাই কথা মনে হচ্ছিল তার, 'তাহলে কি সব শেষ? সারা জীবনের পরিশ্রম, সব মেহনত কি নিমেষে শেষ হয়ে যাবে? 'অ্যাপেল'কে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানে নিয়ে যাওয়ার যে স্বপ্ন আমি দেখেছি তা কি তাহলে আর কোনোদিন সম্পন্ন হবে না?' তাকে ঘিরে থাকা মানুষের সবাই যখন ভেঙে পড়েছেন, হারিয়ে ফেলেছেন লড়াই করার ক্ষমতা তখনই স্টিভ উঠে দাঁড়ান। সিদ্ধান্ত নেন, হেরে যাওয়ার আগে শেষ একবার অস্ত্র হাতে তুলে নেবেন। লড়ে নেবেন শেষ লড়াইটা। হার বা জিত যা হওয়ার হবে। তবে এটা ছিল স্টিভ-এর জীবনযুদ্ধের ইতিহাসের একটা অধ্যায়।

সব ডাক্তারই যখন তার বাঁচার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, তখন স্টিভ বেছে নেন এক বিকল্প চিকিৎসার পথ। ২০০৪ সালে 'হুইপল প্রোসিডিওর'-এর মাধ্যমে তার টিউমার অপারেশন করেন ডাক্তাররা। কোনো ক্যান্সারনিরোধক প্রয়োগের প্রয়োজনও হয়নি। তবে এতকিছু করেও ক্যান্সারের কামড় আটকানো যায়নি। ততদিনে তার শরীরে থাবা বসিয়ে দিয়েছে ওই মারণ রোগ। এবার একটু একটু করে স্টিভকে ঠেলে নিয়ে যাবে মৃত্যুর দিকে। নিজের জীবনের অন্তিম সত্যিটাকে সঙ্গে নিয়েই স্টিভ এগিয়ে চলা শুরু করেন শীর্ষের পথে। চিকিৎসার জন্য সাময়িক বিরতির পর তিনি ফিরে আসেন অ্যাপেল-এর দুনিয়ায়। নিজের হাতে তুলে নেন সংস্থার দায়িত্বভার। একে একে 'হার্ডল' পেরিয়ে অ্যাপেল এগোতে থাকে সাফল্যের চূড়ায়। প্রথম লড়াই তাকে লড়তে হয়েছিল শৈশবেই। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ সালে সান ফ্র্যান্সিসকো-এ জন্ম হয় স্টিভেন পল জবস-এর। অবিবাহিত বাবা-মায়ের সন্তান স্টিভকে দত্তক নেন পল এবং ক্লারা জবস্। স্টিভ- নামটিও তাদেরই দেওয়া। বাবা-মায়ের অভাবে বেড়ে ওঠাই ছিল স্টিভ-এর প্রথম লড়াই। ক্যালিফোর্নিয়ার হোমস্টেড হাই স্কুল-এ লড়াইয়ের শুরু। ক্যালিফোর্নিয়ার হোমস্টেড হাইস্কুল-এ পড়ার সময় স্টিভ একটি সফ্টওয়্যার সংস্থা হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ পান। সেখানেই হয় তার কর্মজীবনের সূত্রপাত। এরপর 'আতারি' নামে একটি সংস্থার হয়ে তিনি ভিডিও গেম তৈরি করেন। তবে এসবই ছিল শুরুর শুরু। ১৯৭৬ সালে স্টিভ তার দুই বন্ধু স্টিফেন ওজনিক, রোনাল্ড ওয়েনকে নিয়ে 'অ্যাপেল কম্পিউটারস্'-এর সূচনা করেন। না ছিল কোনো ফান্ড, না কোনো পরিকাঠামো। শুধু ছিল অসীম ইচ্ছা। সফল হওয়ার ইচ্ছা। আর এটাই এগিয়ে নিয়ে যায় স্টিভ বাহিনীকে। ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৪ সালে জবস বাজারে আনেন বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার 'ম্যাকিনটশ'। এর জনপ্রিয়তাই অ্যাপেল-এর বিশ্বাসযোগ্যতাকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু সব হয়েও কিছুই হলো না। বাড়ানো গেল না অ্যাপেল-এর বাজারদর। বাড়ল না ক্রেতার সংখ্যাও।

অন্যদিকে বিশ্ব-বাজারে ছেয়ে গেল মাইক্রোসফটের নিত্যনতুন পণ্য। বাজার দখলের লড়াইয়ে অ্যাপেলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে যায় মাইক্রোসফট; কিন্তু তখনও হাল ছাড়েননি স্টিভ। চালিয়ে যেতে থাকেন লড়াই। এগিয়ে যেতে থাকেন চূড়ান্ত সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে। তবে সাফল্যের রাস্তা একাকী। সেই রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে মানুষ অনেক সময়ই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। স্টিভও হয়েছিলেন। তার মনের মুক্তি তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন বৌদ্ধধর্মের মধ্যে। সেই টানে তিনি ছুটে এসেছিলেন এই ভারতের মাটিতেও। বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নিয়ে ফিরে গিয়েছিলেন নিজ দেশে। আজীবন নিজের ভাগ্যের সঙ্গে সংগ্রাম করেছেন স্টিভ। আর তার এই লড়াই গোটা বিশ্বের মানুষকে জোগাচ্ছে বাঁচার ইচ্ছা। স্টিভ আমাদের দেখিয়েছেন, যারা লড়াই করেন তারা কখনো হারেন না। আর এই পৃথিবী শুধু জয়ীদেরই স্যালুট করে।

Read more ...

Wednesday, October 5, 2011

দেখে নেই বাংলায় ফান বেইজড ‘ফ্যান পেজ’ গুলোর নাম

বর্তমানে ফেসবুকে ফান পেজের ছড়াছড়ি। ফান পেজ খোলার ট্রেন্ডটা এখন মনে হয় একটু বেশিই। বাংলা ভাষার ফান পেজগুলোর কথাই বলছি। এগুলোর নামগুলোও অনেক মজার। আবার কিছু পিকুইলিয়ার টাইপের কিংবা অনেক আঁতলামো টাইপের নামও আছে। এই পোষ্টটি সেসকল ফানপেজগুলোর নামের সংকলন বলতে পারেন।

বর্ণমালার ক্রমানুসারে দেয়ার চেষ্টা করেছি।

……………………………………………………………………………….
অলস মস্তিষ্ক শয়তানের চায়ের দোকান

অপদার্থের দল(League of Extraordinary Morons)

আইনস্টাইন এর মাথায় এমন কি ছিল যা আমাদের মাথায় নাই?

I study for MINUTES and take a break for HOURS

অ্যাডোবি ফোটো সপ বিশ্বের এক নং ফেয়ার্নেস ক্রিম

আমি জীবন এ ও ভাবিনি আশরাফুল ভাই মমতাজ এর এত বড় ফ্যান

“আমি ১টা Page” আমাকে Like করুন

আমি সাকিব খান, আমাকে Like করুন

আমি ভাল STUDENT, কারণ আমি চশমা পড়ি ।।

আমি ছেলে ভালো বাট মাঝে মাঝে Dj Party আর বার-এ যাই

আমি অনেক ভালো, আম্মু হুদাই বকা দেয়

আমি উইকিপিডিয়ার ছোট ভাই গুজবপিডিয়া

আমি একটা ক্ষ্যাত, কারন আমি বাঙ্গালী হয়েও হিন্দী জানিনা

আমি নরমালি কম পড়ি। তয় একবার সিরিয়াস পড়া শুরু করলে খবর আছে, সব উইড়া যাইব

আমার স্ট্যাটাস এ কেউ লাইক/কমেন্ট করে না, আমি পুলা এইডাই কি আমার অপরাধ

আমার Sim এর সংখ্যা, আমার Girlfriend এর সংখ্যার সমানুপাতিক হারে বৃদ্ধি পায়

আমাকে একটি সুন্দর বউ দাও, আমি তোমাদের একটি সুন্দর জাতি উপহার দেব

আমরা ছেঁকা খাই না, ছেঁকা দেই।

আমরা মেয়েদের পেছনে ঘুরি না. মেয়েরা আমাদের সামনে ঘোরে।

আমরা সেইরকম স্মার্ট আর জিনিয়াস, কারো স্ট্যাটাস কপি করিনা

আমরা মজা দিয়া মজা খাই

আমরা শক্তি আমরা বল আমরা বদের দল

Amra Paglami Korleo Manush Valo ( আমরা পাগলামি করলেও মানুষ ভাল )

আমরা আজাইরা মাইয়াগোরে friend request পাডাইনা

আমরা চাপা মাইরা Item Clear করি।

আমরা ফেসবুক এ একে অন্যকে বাঁশ দিতে পছন্দ করি

আমরা পড়ি মেডিক্যাল-এ, রেজাল্ট হয় পাস আর ফেল-এ

আমরা Back বেঞ্চে বসলেও Student খারাপ না

amra marks k0m pai kintu student kharap na…….

আমরা সিগারেট কে বিড়ি বলি

আমরা বিড়ি টানতে পারি,তয় মানুষ খারাপ না < ফেইসবুক বিড়িখোর কল্যাণ সমিতি >

আমরা স্টুডেন্ট খারাপ হইতে পারি , কিন্তু আমাদের ব্যাসিক অস্থির ।

আমরা ভাব লইয়া চলি, মাইয়ারা মিস্ কল দিলেই ব্যাক করি না

আমরা সব ফাউল পোলাপাইন

আমরা অন্যের চরকায় তেল দেই

আমরা সবাই শান্তশিষ্ট লেজ বিশিষ্ট

আমরা মামা অলিগলির ব্যাঙের ছাতার মত গজানো ডিজে.

: Amra Fajil, But Amader Dil ta Ekkebare Sada Fokfokaa..!

আমরা সারা বছর পড়ালেখা করি না, পরিক্ষার আগের দিন পড়ে ভাল রেসাল্ট করি! /:ড\

আমরা তো ভাল থাক তেই চাই, কিন্ত স্যার রা তো আমাদের ভাল থাক তে দেয় না।

আমরা দেখতে বেকুব এর মতো,কিন্তু বেকুব না B-)

আমরা বড়লোক বাপের গরীব সন্তান

আমরা কাটা ঘায়ে চিনির ছিটা দিয়ে থাকি

আমরা সেইরকম স্মার্ট আর জিনিয়াস, কারো স্ট্যাটাস কপি করিনা

=> [ আমরা প্রতিদিন ভার্সিটি যাই; কিন্তু ক্লাসে যাই না ]

আমরাও পড়ালেখা করি! তাই বইলা তোগো মতো মাইয়া পটানোর লাইগা আতলামি করি না

আমরা এই যুগেও সিঙ্গেল আছি

আমার সবচেয়ে বড় অপরাধ,আমার টাকা নাই,

আমরা বাংলা ছিনামা না দেখলেও বাংলা ছিনামার নামের বিরাট পাংখা(মানে Big Fan)

আমরা ভাজা মাছ উল্টাইয়া খাইতে জানি না

আমরা আগে গাধা ছিলাম, স্যারেরা আমাদের পিটিয়ে মানুষ করেছেন।

আমরা MULTI-TALENTED পোলাপান, কিন্তু পড়তে গেলেই পেরেশান

আমরা পরীক্ষা হলে লুজ শিট জমাই আর বাসায় আসি খাতা বানাই

আমরা একবার বাঁশ খাইলে দুইবার বাঁশ দেই

Amra Shobai বাংলা Cinemar Pagla Fanzzzzzzzz

আমাদের বাড়ি-গাড়ী -নারী নেই, কিন্তু দাড়ি আছে

আম্মা বিয়া করুম; বউ খুঁজো। একা একা আর ভালো লাগে না ๏̯̃๏

আসুন ৩২ টা দাঁত বের করে হাসি তবে দাত যেন খুইল্লা না পরে ।

আসুন গনহারে ফেইল করি,সাকসেস এর পিলার গাড়ি!!:p

আসেন পার্ট মারি,ফেসবুক চ্যাটে কেউ নক দিলে চুপ থাকি :@:@

আসেন, Airtel সিম দিয়া কুত-কুত খেলি.

আসেন, গ্রামীনফোনের মোডেম দিয়া ডাঙগুলি খেলি

আসেন নিজের ঢোল নিজে পিটাই

আসেন সব পেইজ মিলা-মিশা আমরা পেইজ এর মেম্বার জমা করি ।

আসলে আমরা সবই পারি, কিন্তু পড়া ধরলে কিছুই মনে পরে না

আজাইরা প্যাঁচাল ,জেইডা ইচ্ছা হেইডা কন কোনো Problem নাই

আগের রাতে পইড়াই পাস করি সারা সেমিস্টার পড়লে না জানি কি হইত

আগামী মাসের ৩২ তারিখ বিয়ে ! (agami masher 32 tarikh biye)

আপনে আমাত্তে বেশী বুঝেন ?

আজকাল আমার পকেট খালিই থাকে

আর ডিসটার্ব দিয়েন না, এমনেই অনেক পেইনে আসি :\

আর কিছু না হোক ,নাচ দেখার জন্য আশরাফুল কে দলে চাই

আঁতলামিরও একটা সীমা আছে। আর আমরা সেই সীমা বহু আগেই পার হইছি।।

ইস মেয়েটা কি আনস্মার্টের মত হিন্দি সিরিয়াল দেখে

ইশিরে আর মাত্র ১ এর জন্য ১০০ পাইলাম না Result ১০০ তে oo

If যদি Is হয় But কিন্তু What কি ?

We r nt only Pola bt also Aguner Gola ( পোলা তো নয় মোরা আগুনের গোলা )

We r sInGle ( প্রেম-টেম কইরা ঝামেলা বাড়াই না )

Eida Kisu Hoilo?

উত্ত্যক্ত হওয়া বেহায়া মেয়েদের মৌলিক অধিকার, আসুন তাদের অধিকার সংরক্ষণ করি

উল্টা-পাল্টা ড্রেস পরিহিত মেয়েদেরকে ইভ-টিজিং করার অনুমতি দেওয়া হোক।

Ulta palta korle Laitthai Libya te pathai dimu!!!=p

এ জীবনে প্রেম হল না ।

একা একা আর ভালো লাগে না ๏̯̃๏

Airtel ভালো হয়ে থাকিস, নইলে লাথি মেরে ইন্ডিয়ায় পাঠাইয়া দিমু

এই শোন, আজ আমি তোমাকে যে না বলা কথাটি বলে দিতে চাই তা হল I love you.

এই কথা কি কাউরে কওন যায়? ঃ( ঃ( ঃ(

এইডা কিন্তু বেশি বাড়াবাড়ি হইতেছে কইলাম

এর বেশী ছ্যাকা খাওয়া যায় না

“ঐ আমারে চিনস!! হাত ভাইঙ্গা ঠ্যাঙ্গে ঝুলায়া দিমু !!”

ওয়ান্চ আফন অ্যা টাইম Alif Laila দেখতাম

ওরা এমন ভাবে তাকায় যেন আমরা তাদের পুরাতন প্রেমিক

ওই ! ওই মাইয়াডার পার্ট দ্যাখ , উরি বাবা , কি স্টাইল

Kobe Biya Kormu….?!?!?

কয় cycle হলে ডেচটিনি আমাকে বাংলা বিহার উড়িষ্যার নবাব ঘোষনা করবে. ツ ツ ツ

“কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া / ‘পড়ুয়া’ হইব আমি ফেইসবুক ছাড়িয়া” :-/

ক্লাসের পেছনের দরজাতো বানানোই হইছে পালানোর জন্য

ক্লাসের পরীক্ষা ফেসবুকে নেয়া যায়না?

কৃষ্ণ করলে লিলা খেলা আর আমি করলে Character ঢিলা

করিনা দেইখ্যা মনে কইরো না আমরা পারি না ; চেষ্টা করলে আমরা সব ই পারি ।

কইনি বলে যে কবনা তা না, এবার কব

কিভাবে তোমাদের Propose করব, হে মহান নারী?

খেতে চিলুম, খেতে আছি, খেতে থাকিব !

::খাইয়া-দাইয়া তো আর কাজ নাই ; তাই ফেইসবুকই গুতাই::

খাইতে পাই আর না-ই পাই,স্টাইল আমাগো করতেই হইব

খালি একবার লাইক দেন, আর জিন্দেগীতে কমুনা

খালি এই সেমিস্টারটা যাক, পরের সেমিস্টার এ দেখাইদিমু আমি কি জিনিস

“খোদা! আমারে উডায় নাও! নাইলে দড়ি ফালাও, বায়া উডি যাই!”

গাধা কি গাছে ধরে ? চরিত্রে বুঝা যায়।

গার্লফ্রেন্ড অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন

“ঘুমিয়ে আছে কুবের মাঝি সব প্রেমিকের অন্তরে |”

চাচা চৌধুরীর মগজ কম্পিউটারের চেয়েও প্রখর

চাইলাম আমের জুস পাইলাম কুমড়ার রস।চাইলাম শীলা পাইলাম ইভা।

চা না খাইলে জুইত পাই না (Cha na khaile juit paina)

Chole geso tate ki, Notun akta peyesi

Cheler 99% e valo.shudhu majhe moddhe ektu night club e jay r ki

চুরি করে বিয়ে খাওয়ার মজাই আলাদা ! :পি

চৌধুরী সহেব, আমরা ইতর হতে পারি কিন্তু ছুডুলোক নই

চৌধুরী সাহেব, Poke মারতে CGPA লাগে না

চৌধুরী সাহেব, GPA দিয়ে কখনো মানুষ বিবেচনা করবেন না

ছেলেটি বাদাম ছিলছিল আর মেয়েটি চাবাইতেছিল,বাদাম শেষ মেয়েটিও নিরুদ্দেশ।

ছেড়ে দে শয়তান, তোর ঘরে কি মা বোন নেই?

ছোট ছোট জামা-কাপড় পরলেই স্মার্ট মেয়ে হওয়া যায় না

ছিঃ জনাব, GP Internet কে গরুর গাড়ির সাথে তুলনা করবেন না ( ‘-’ )

ছি!! মাত্র ৩ ঘন্টার পরীক্ষা দিয়ে কিভাবে আপনি আমার মেধা যাচাই করবেন? :-|

ছিঃ কোন দুঃখে আমরা ইন্ডিয়া-পাকিস্তান ক্রিকেট টিম সাপোর্ট করি?

জিপি ইন্ঠারনেঠ!!এতো স্পিড!!ধরে রাখায় কষ্ট!!১ সেকেন্ডে চাঁন্দে পাঠায় দিবো

জিপিএ জিগাইলে বাশ দিয়া পিটামু

জিপিএ ৫ পাইলেই ভাল কলেজ,ভার্সিটি তে ভর্তি হুওয়া যায়না

“Gpa5 পাইনাই >4.75< পাইসি তাই বলে কি আমার মেধা নাই ?"

জীবন একখান বাঁশবাগান ।খালি বাঁশ আর বাঁশ

জীবনে ১০০টা নিয়া ঘুরমু ১০ টার লগে প্রেম করমু কিন্তু বিয়া করমু ১টার লগে

জীবনে একটা প্রেম করতে পারলাম না!!! আফসুস

জানতে হলে fail করতে হবে আর fail নাই তো শেখা নাই

জুতা খুইলা মুজা দিয়া পিডামু ! ( :@ )

টাংকি মারতেও যোগ্যতা লাগে ( Tanki martew joggota lage )

~tanki mari r jai kori True love ak joner shatei kori~

Taak, theke jak (টাক , থেকে যাক ।)

Disturb করবেন না, সামনে EXAM

তুমি পাচ মিনিট দাড়াও, আমি আধা ঘন্টার মধ্যে আসতাছি।

তোরা রিকোয়েস্ট অ্যাড ও করস না রিজেক্ট ও করস না, পেন্ডিং রাখিস কেন?

তোরা আমার গান হুনস আর নাই হুনস আমি গান গাইয়াই যামু - ইভা রহমান

থাপড়াইয়া গালের দাঁত ফালাইয়া দিমু - সামনের দুইটা, যাতে পানি না খাইতে পারস

দোস্ত ১ মিনিট দাড়া ,আমি ২ মিনিটের মধ্যে আইতাছি

ধনধান্য পুষ্পে ভরা, পুষ্প দিয়ে খাইছি ধরা

ধুর খালি খিদা লাগে

ধুর!!!!ঘুমাইলে আর উঠতে মনে থাকেনা

নভজোৎ সিং সিধু হেইট ক্লাব

নান্টু ঘটক.

নাম্বার কম পাইলে কি হইছে ? ?পরীক্ষার হলে তো আমরাই সবার আগে খাতা জমা দি

নারীর প্রকৃত সৌন্দর্য আবরনে, নগ্নতায় নয়

"নেশা না, আড্ডাই আমার জীবনটারে খাইল."

~~ Pora-shuna kora mela koshter kaam, ami korum na, tui-o bad de ~~*~~

Pure gadha (আমি একটা Pure গাধা)

পদ্মা নদীর মাঝি : কপিলা ও কুবেরের লীলাখেলা

প্যান্টের উপর আন্ডারওয়্যার পরলেই সুপারম্যান হওয়া যায় না

পাঁচমিশালী (A Mix Of Everything)

পাগলে কিনা বলে আর ছাগলে কিনা খায়।

পরীক্ষার পর এটা করব ওটা করব পারলে একবার মঙ্গল গ্রহেও যাব

পরীক্ষার আগের রাতে বিটিভি'র ৮ টার সংবাদও দেখতে ভাল লাগে

পরীক্ষা তো ফাটায়া দিসি, কিন্তু নম্বর কেন কম পাইলাম বুঝলাম না

পরীক্ষা আমি ভাল ই দিই, শুধু result এক টু খারাপ হয়

পরীক্ষা এলে ঘুম বেড়ে যায়

পড়তে পড়তে জীবন এর ১৬ আনাই বৃথা,তবুও পড়তেই হয়।

পড়াশুনা না করলে কি হইছে !! আমরা তো সব পরীক্ষাই দি

"পড়াশুনা সবতো আগেই চান্দে গেছিল, এখন মঙ্গলে যাইবার উপক্রম করতাছে"

পড়াশোনা করার চেয়ে জঙ্গলে বাস করা অনেক ভালো

পড়ালেখা ছাইরা দিয়া রিকশা চালামু ভাবতেসি, ওইটাও অনেক শান্তির কাম

পুলাপান তুরা এতু কারাপ কেনু?

পোক মারলেই সালফিউরিক এসিড খাওয়ামু

Prem mane na senior-juneor(প্রেম মানে না সিনিয়র জুনিয়র)

প্রেম করার চেয়ে মুরগি পালা ভাল চলেন মুরগি পালি

প্রেম-ভালোবাসার খেতা পুরি!!! :@

প্রতিভার পাগলা ঘোড়া

ফ্যান পেজে লাইক দিমুই দিমু, কেউ দাবাইতে পারতো না

FAN PAGE দৌড়া বাঘ আইলো - Run The Tigers Are Coming

ফাইজলামী করার আর কোন জায়গা পাই নাই,তাই ফেইসবুকে আসছি,

ফেসBook এ টাংকি মারা নিষেধ

ফেসবুক একখান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হইলে,আমি ১০০ % attendance পামু!!:p:p

৩২টা থাপ্পড় দিয়া ১টা দাঁত ফালাইয়া দিমু

১২ টা বছর পড়াশুনা করসি ,varsity লাইফ এ আবার কি পরমু?:p:p

বড়বাবুদের কৌতুক; ছোটবাবুরা খেলতে যাও

বাতাস বৃষ্টি আলোর সব আয়োজনই ব্যর্থ হয়ে যায় যদি ফেইসবুক পাশে না থাকে,

বাবারা, লাইনে থাকিস.

বাবার হোটেলে খাই, ঘুমাই আর ফেসবুক ইউজ করি ।

বান্দর হইতে লেজ লাগে না, কিন্তু মানুষ হইতে মন লাগে

বাঁশ ও বাঙালি মানিকজোড় সম্পর্ক , আমরা একবার বাঁশ খাইলে দুইবার বাঁশ দেই

বাঙ্গালি পোলার গর্ব "লুঙ্গি" - লুঙ্গি রক্স

বাংলাদেশ প্রতিদিন : ২ টাকায় এর চেয়ে ভালো টিস্যু হয় না

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ইসলামী ছাত্রলীগ

বাংলাদেশে ঋতু দুই প্রকার ১,লোডশেডিংএর ঋতু ২,লোডশেডিং ছাড়া ঋতু

বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা মুখে দেশের চিন্তা,অন্তরে অর্থ ও ক্ষমতার চিন্তা করে

বিপদে পইরা আসছো?দেখি কি করা যায়?(আমার আবার মাথা ভর্তি আইডিয়া আছে!)

বিটিভির পরিবার পরিকল্পনা অনুষ্ঠান দেইখা আমার বিয়া করতে মুন্চায়

বেশি করে ছ্যাকা খান, ভাতের উপর চাপ কমান

বৃক্ষ তোমার নাম কি ? ফলে পরিচয় । ফল ই তো দেহি না , নাম কমু কেমনে ?

ভাবমারা পাব্লিকরা- যা ফুট !! তোগো বেইল নাই.

ভাই পরীক্ষার দারুণ প্রস্তুতি নিছি। প্রশ্নে যা আসবো তা ছাড়া পুরো বই পড়ছি।।

Valo Hoite Poisha Lage Na

ভাল হইতে পয়সা লাগে না ( Valo Hoyte poysha lage na )

ভাল ছাত্রী হলেই ভালো পাত্রী হওয়া যায়না

ভালোবাসা নাই আর খাঁটি, মজনু গেলে কুদ্দুস আসে হাঁটি ~~

ভালবাসার গোষ্ঠী কিলাই

ভােলাবাসা িক আর আেগর মত আেছ? িক পিরবরতন হইেলা

ভালবাসার কচকচানি ভাল্লাগে না আর, তোরে নিয়া স্বপ্ন দেখার পরছে ঠ্যাকা কার?

মশকারি আর বেয়াদ্দবি এক না

মনে রাখবেন বাড়িওয়ালা আংকেল, আপনিও ব্যাচেলর হয়ে জন্মেছিলেন

মজাদার জোকস্; বাচ্চারা দূরে থাকো

মমতাজের নান্টু ঘটক গানের একমাত্র ফ্যান=মোহাম্মদ আছড়াফুল

মা-বাবা, একদিন ঠিকই গর্বিত করবো তোমাদের (Mom-Dad 1day i'll make you proud)

মাইরি বলজি দাদা , খুউব মজা পেলুম

•↑মাইর চিনেন, মাইরের উপর ওষুধ নাই↓•

"মাইয়া তোমরা অনেক ভাল but মনটা pure না"

মাইয়া তোর ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট accept করছি, তাই বইলা ভাবিসনা তোরে আমি like করি

মাইয়া তোরে আমি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাইছি, প্রেমপএ না

মাইয়া তোরে পাত্তা দিলে আমার পেসট্রিজ নষ্ট হইব ।যা ভাগ :-D

মাইয়া তোরে আমার ফ্রেন্ড লিস্ট থাইক্যা বাদ দিছি মানে তোরে ছ্যাঁকা দিছি

মাইয়া তোরে ভালবাসছি বইলা নিজেরে বেচি দি নাই ...তর ভাব তর লগে রাখ...।

মাইয়ারা এমন কী জিনিস যে ইতাগো পাত্তা দেয়ন লাগব

মেয়েদের মনের চাইতে 'আমাজানের বন' ভালো

মেয়ের ৯৯% ই ভালো, শুধু লজ্জাশরম একটু কম আর কি. আধুনিক মেয়ে তো

মেয়েরা যখন যে পাত্রে থাকে তখন সেই পাত্রের আকার ধারন করে

মেয়েরা ছেলেদের দিকে ডেবডেব করে তাকায় না কিন্তু চোখ পিটপিট করে তাকায়

Made in China, বেশি দিন যায়না।

মামুর বেটা এবার অর্ধেক মিষ্টির পুরোটা তোমাকে খেতেই হবে বুলছি

মাথায় কত প্রশ্ন আসে

"মামণি বেড়ে তো উঠছি বিয়ে করবো কবে?"

মানিব্যাগ রক্ষায় গার্লফ্রেন্ড বর্জন করুন

মানুষ মাত্র ভুল (Man Is Mortal)

মানুষ মইরা গেলে পইচা যায় , আর বাইচা থাকলে খালি পার্ট লয়

মেঘমুক্ত মাঠ, কর্দমাক্ত আকাশ,মাঠ চলে গেল বলের বাইরে

মোবাইল অপারেটর থেকে মেসেজ আসলেই নগদে ডিলিট- পড়ার সময় নাই

যদি কিছু মনে না করেন

যতই চাপাচাপি করেন স্যার,সিরিয়াস আমি হমু না

যায় দিন ভালো আসে দিন খারাপ

যান,তালগাছটা আপনারেই দিলাম

"যা ফুট, দূরে গিয়া মর"

যা বলবি বাংলায় বলবি , ইংলিশ কৈইলে থাপ্পর খাবি

"যা বলার বাংলায় বলবি , হিন্দি কইলে থাপ্পর খাবি"

যাদের কাম কাজ নাই তারা ফেইসবুকে এইসব আযাইরা ফ্যান পেইজ এ লাইক দেয়

যারা হিন্দিতে স্ট্যাটাস দেয়, আমি তাদের সুন্দর করে হোমপেজ থেকে হাইড করে দিই

রঙ দেখেছো চান্দু রঙের ডিব্বা দেখনাই

Rong Tamasha (রঙ্গ তামাশা)

রিমৌট একবার পাইলে হয় গুতাইতে গুতাইতে চ্যানেলের গুষ্টি উদ্ধার কইরা দিই

লাইক দিবি কিনা বল্

Lecture ক্লাসে ঢুকলেই ঘুম পায়, তাই বলে কিন্তু আমি খারাপ Student নই ツ

(love)জিনিসটা অনেকটা ফ্রেঞ্জফ্রাই এর মত,শুনতে অনেক হাইফাই,আসলে আলুভাজি

Love Marriage মানে নিজের GF, আর Arrange Marriage মানে আরেকজন এর GF।

শুনে হই মর্মাহত, মেয়েটা বিবাহিত

SAVE Paper, BAN Examination

সবার জন্য ফেসবুক চাই; ফেসবুক আমাদের মৌলিক অধিকার

SIR ONEK PORAISEN....AJKE R NAH....

স্যার আমার খাতা না পরেই নাম্বার দিছে,নয়লে আরো বেশি নাম্বার পাইতাম

স্যার, আপনিও কিন্তু একদিন ছাত্র ছিলেন, প্রশ্ন করার সময় এই কথাটা মনে রাইখেন

সবকিছুই সরকারী/বিরোধীদলের ষড়যন্ত্র

♥♥♥Sotti Bolchi Tomakey R Valobashi Na...........♥♥♥

***Samne EXAM, Asen Golpo Kori***

সবাই প্রেম করে তাই আমিও করমু

Sokhi Valobasha KARE koy?

সাবধান গতকাল তুই চৌধরীর মেয়ে চিলি আজকে তুই আমার বৌ

সিগ্রেট খায়া মারা যান, ভাতের উপর চাপ কমান

সিগারেটের দাম না কমাইলে কিন্তু সিগারেট খামু না

সিগারেট আর বাইক চালাইলেই স্মার্ট হয়া যায় না

স্ট্যাটাসেই বংশের পরিচয়

হাসলে আয়ু বাড়ে ( Laughter is the greatest medicine )

হাসবেন না?এক্কেরে হাসায় ছাইড়া দিমু কইলাম

হায়রে Airtel

হিন্দি সিরিয়ালের গুষ্টি কিলাই - ফালতু জিনিষ

হুমম,আর কিছু? নাহ! খুব ভালো!সেইরাম? আবার জিগস! সেটাই(common dialogues)

হেইয়া ! উই খ্যান্ঠ রাইঠ ইন ইংলিশ ! দ্যাট ইজ হোয়াই উই রাইট ইন বাংলা লেটারস

হ্যান্ডস আপ ! আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না


Read more ...

এর দায় কে নিবে ? আমি তো চুরি করি নাই .. কিন্তু tax দেই | খানকির পোলাদের কে কি করা যায় ?

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সরকার গত বছর বেশ ঘটা করে দেশের ৩৮টি জেলায় যে এক কোটি পাঁচ লাখ এনার্জি সেভিং বাল্ব বিনা মূল্যে বিতরণ করেছিল, এর ৮০ শতাংশই নষ্ট হয়ে গেছে বাতি জ্বালানোর এক সপ্তাহের মধ্যে। জলে গেছে ১০৩ কোটি টাকার প্রায় পুরোটাই। ভেস্তে গেছে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সাধের প্রকল্পটির প্রথম পর্ব। অথচ প্রতিটি বাতির আয়ুষ্কাল ছিল ১০ হাজার ঘণ্টা, যা একনাগাড়ে চললেও ৪১৬ দিন পর্যন্ত টিকে থাকার কথা। অভিযোগ উঠেছে, দুর্নীতির মাধ্যমে নিম্নমানের বাল্ব কেনার কারণেই এ কাণ্ড ঘটেছে।বিস্তারিত

Read more ...

আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের কিছু বানী?

আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের কিছু বানী?
১.আমি হয়তো আছি তাই বাংলাদেশ নিরাপদে আছে। আমার চোখ বন্ধ হলে কী হবে তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জানেন”। - শেখ হাসিনা
২.আমার চেয়ে বেশী দেশপ্রেমিক আর কে আছে”? - শেখ হাসিনা
৩.শেয়ার মার্কেটে কোন ইনভেস্টর নাই, সব জুয়াড়ি”-আবুল মাল আব্দুল মুহিত
৪.আপনারা কম খান কোন সমস্যা থাকবেনা” -ফারুক খান।
৫.একদিন বাজারে না গেলেই সব ঠিক হয়ে যাবে”-আবুল মাল আব্দুল মুহিত।
৬.সড়কে ঝুঁকি নেই সেটা আমি বলবো না, তবে কোনো সড়কই চলার অনুপযোগী অবস্থায় নেই'' - আবুল হোসেন
৭.“জিয়া মুক্তিযুদ্ধ করলেও মন থেকে করেন নি”- মতিয়া চৌধুরি
৮.পেঁয়াজ না খেলে কি হয়?” -ফারুক খান
৯."আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই কেবল দেশে শান্তি থাকে। আর এখন কৃষক কে আর সার খুজতে হয়না, সার ই কৃষক কে খুজে" -স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
১০.আমার বেয়াই রাজাকার হলেও যুদ্ধাপরাধী নয়--শেখ হাসিনা।
১১.বঙ্গবন্ধু জন্মের সাথে সাথেই না কেদেঁ জয়বাংলা বলে উঠেছেন--স্বরাষ্ট্র পতিমন্ত্রী টুকু।
১২.শেখ হাসিনা ছাড়া সৌদি বাদশা আর কারো সাথে দেখা করেননি কোনোদিনও---পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিপুমনি।
১৩.আমার নেত্রী জীবনে কখনো কোনদিন মিথ্যা কথা বলেননি।-জিল্লুর রহমান।
১৪.সারাদিন মেকাপ নিয়ে ব্যস্ত থাকলে দিন বদল দেখবে কেমনে---------মতিয়া চৌধুরী/খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে
১৫.দেশের পরিস্থিতি যে কোন সময়ের চেয়ে ভালো” সাহারা খাতুন।
১৬.বাসা বাড়িতে গ্যাস সরবরাহ বন্দ করা উচিত-আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

courtesy : সিগারেট আর বাইক চালাইলেই স্মার্ট হয়া যায় না

(কাউকে ইঙ্গিত নয়,নিছক তাদের হাস্যকর বানির দিকে দৃষ্টি প্রদান এটি :(

Read more ...

ড্রাগস নিয়া ব্যাপুক গবেষনা.............. :-

সবচেয়ে কমন ড্রাগসঃ
১.হেরইনঃ

দাম ৫০-১৫০ টাকা পুরিয়া,৬০০-৮০০ টাকা গ্রাম।কেজি ৫০,০০,০০০-১ কোটি। ঢাকার কয়েকটা বড় স্পট (মাদক বিক্রির জায়গা) হল- আগারগাও বি.এন.পি. বস্তি, টঙ্গি ব্রিজ, সিটি পল্লি, চৌদ্দটুলি, মহাম্মদপুর টাউন হল।


২.ফেন্সিডিল

দাম ৫০০-৮০০ টাকা। ঢাকার বড় বড় স্পট নাসির স্পট, কমলাপুর, মিরপুর স্টেডিয়াম।তবে বেশিরভাগ সময়ে মোবাইলের মাধ্যমে বিক্রি হয়।

৩.পেথেডিনঃ

দাম ১০০-৪০০ টাকা।সহায়ক হিসেবে সেডিল,এভিল ব্যবহার করা হয়।বিক্রয় স্থান বিভিন্ন ফা্রমেসি এবং চাঙ্খারপুল।

৪.গাজাঃ

দাম ১০ টাকা পোটলা, ৫০-১০০ টাকা রোল, ১৫০০-২৫০০ টাকা কেজি।বিক্রয় স্থান কাওরান বাজার,কমলাপুর রেল লাইন,এবং প্রায় সব বাজার ও রেল ক্রসিং এ।

৫.মদঃ

দেশি মদের দাম,৫০০-১০০০ টাকা(কেরু),লোকাল-৮০-১০০ টাকা,বিদেশি-১৮০০-৪০০০ প্লাস, উপজাতি-২০০-৫০০ টাকা। বিক্রয় স্থান-ঢাকার বিভিন্ন লাইসেন্স করা দোকান যেমন-ওয়াইন ইম্পেরিয়াম,মগবাজার,ওজি করনার,গুলিস্তান ও বিভিন্ন বার এ। বনানি ও এয়ারপোর্ট এ কাস্টমস এর কর্মকর্তারাও বিক্রির সাথে জড়িত।

৬.ইয়াবাঃ

দাম ২৫০-৫০০ টাকা।আগে বিদেশ থেকে আস্লেও এখন দেশে তৈ্রি হয়।মুলত ফোনে বিক্রি হয়।ঢাকায় আসে সাধারনত টেকনাফ- কক্সবাজার হয়ে,বার্মা থেকে।

৭.বারবিচুরেটসঃ

বিভিন্ন ঘুমের ওষুধ যেমন- সেডিল, ট্রিপ্টিন, ডরমিকপ, ইপাম ইত্তাদি।দাম-পাতা ৫-১০০ টাকা।

৮.এক্সটেসিঃ

এর দাম অনেক। প্রতিটা ট্যাব্লেট প্রায় ১৫০০ টাকার উপরে। বানিজ্যিকভাবে এখনো চালু হয় নি। তবে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুর থেকে নিয়ে আসে।

৯.মরফিনঃ

প্যাথেডিনের মত সিরঞ্জ দিয়ে পুশ করে নিতে হয়। সাধারনত ডাক্তাররা লোকাল এনেস্থেশিয়া হিসেবে ব্যাবহার করে। খুব ধ্রুত নার্ভ সাপ্লাই শান্ত করে দিতে পারে। সাধারনত ইন্ডিয়া থেকে ইম্পোর্ট করা হয়। তবে গনস্বাস্থ হতে জি-মরফিন নামে একটা প্রোভাইড করা হয় সরকারি হাস্পাতাল্গুলাতে।
দাম-১২০ টাকা।

এছাড়াও রয়েছে চরস, ভাং, আফিম, ড্রাগন বল, ডেন্ড্রাইট ইত্যাদি আরো হাজারো ড্রাগস।

কারন ও প্রতিকারঃ

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন হাতের কাছে খুব সহজেই বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পাওয়া যায় বিধায় এটাও মাদকাসক্তের একটা বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত। তাই দেশের অভ্যন্তরে মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করতে হবে, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আটক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে পাশাপাশি মাদক সংক্রান্ত আইন যুগোপযোগী করা এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে।

প্রতিরোধঃ

১. সচেতনতা বাড়ানো: জীবনের যে কোনো ঘটনা বা সাইকো থেরাপির মাধ্যমে এই সচেতনতা আসতে পারে।
২. নিজেকে মূল্যায়ন করার চিন্তা ও আচরণের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির কি কি দক্ষতা আছে এবং সে আরো কি অর্জন করতে পারে, সে সম্পর্কে নিজেকে মূল্যায়ন করতে পারেন।
৩. সামাজিক ও পরিবেশগত পুনর্মূল্যায়ন: ব্যক্তির সামাজিক ও পরিবেশগত কোন পরিস্থিতি মাদকাসক্তির সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় তা পুনর্মূল্যায়ন করে অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
৪. আত্মস্বাধীনতা: অল্প মাত্রায় আসক্ত আচরণ পরিবর্তনের পর ব্যক্তির মধ্যে স্বাধীন অনুভূতি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে এবং ব্যক্তি পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য নিজেকে উপযুক্ত মনে করবে।
৫. সামাজিক দক্ষতা বৃদ্ধি: ব্যক্তি সামাজিক দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে সামাজিক কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করবে।
৬. মাদকের চিন্তা প্রতিস্থাপন: মাদকদ্রব্য গ্রহণের পরিবর্তে অন্য যেসব জিনিস ব্যক্তির ভালো লাগে, যেমন বাগান করা, খেলাধুলা বা অন্যান্য কাজে নিজেকে নিযুক্ত করা।
৭. বাহ্যিক উপাদান নিয়ন্ত্রণ: যে সব জিনিসে বা দ্রব্যের উপস্থিতিতে ব্যক্তির মাদক নেয়ার চিন্তা আসে সে সব জিনিস পরিহার উপেক্ষা করা।
৮. নিজেকে উপহার দেয়া: ব্যক্তি যখনই মাদক গ্রহণ থেকে নিজেকে বিরত রাখতে সক্ষম হচ্ছে তখনই নিজেকে নিজে কিছু উপহার দেয়া।
৯. সাইকোথেরাপির রাষ্ট্রীয় সাহায্যে নাটকীয় প্রশস্তি লাভ সাইকোথেরাপির মাধ্যমে অনেক সময় ব্যক্তির মধ্যে এক ধরনো নাটকীয় প্রশান্তি পেতে দেখা যায়।
১০. যারা দীর্ঘদিন মাদক ব্যবহার থেকে মুক্ত থাকতে পেরেছে তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব্ব অটুট রাখা এবং যেসব মনোবিজ্ঞানী তাকে সাহায্য করতে পারেন তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা।

প্রতিটি ড্রাগস স্পটের মালিকরা মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে থাকে কতৃপক্ষকে।আমাদের পরিচিত একজন মন্ত্রিকে ৬০ লক্ষ টাকা দামের গাড়ি কিনে দেয়া হয়েছে গত মাসে।নাম উল্লেখ করলাম না।আর পুলিস থেকে শুরু করে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন ডিলারদের টাকায় কিনা এসি ছেড়ে। বলতে পারেন আমাদের ভবিষ্যতকে আমরা কোথায় নিয়ে যাচ্ছি??

Read more ...

একটা চিড়িয়াখানা খুলতে চাই

একটা চিড়িয়াখানা খুলতে চাই...
ইভা রহমানের মত সুকণ্ঠী গায়িকা, সাকিব খানের মত মহা নায়ক, সাহারা আন্টির মত মমতাময়ী, তারেক জিয়ার মত সৎ, আবুলের মত বুদ্ধিমান, প্রভার মত চরিত্রবান, পরিমলের মত আদর্শবান এবং কানিজ আলমাছ এর মত ব্যাবসায়ী মনা প্রানীদের জন্য একটা চিড়িয়াখানা খুলতে চাই...!!
আর কি কি প্রানী চিড়িয়াখানার এই লিস্টে ঢুকানো যায় বইলা আপনার মনে হয়??

Read more ...