Wednesday, March 23, 2011

MS Word 2007 ছাড়াই docx file এর ডাটা খুলুন

আমি এখন ও অফিস ২০০৩ ইউজ করি , docx ফাইল খুলতে পারি না, ওয়েব ঘেটে কোন কাজের কিছু না পেয়ে শেষে এই পদধতি ধরেছি, docx টা কোন gmail/yahoo মেইলে পাঠান পরে অনলাইনে খুলে তা থেকে সেভ এজ বা কপি করে ২০০৩ তে পেসট করেন, ব্যস ল্যাঠা চুকে গেল।

Read more ...

Wednesday, March 16, 2011

ভাইরাসের কারণে ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেছে?

আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্যবহারকারীই অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ব্যবহার করে থাকেন। আর উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে ভাইরাস। মূলত ভাইরাস এখন আমাদের নিত্য দিনের সঙ্গী। যদিও একে একেবারে বর্জন করে চলার উপায় নেই। তবে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আমরা যতটা সম্ভব এর থেকে দূরে থাকতে পারি। কিন্তু আমরা যতই ভাইরাস থেকে দূরে থাকি, ভাইরাস তো আমাদের ছাড়ে না। অসাধানতার ফলে বিভিন্ন কারনে এটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে।

যাক এখন কাজে আসি, ভাইরাসের কারণে আপনার কম্পিউটারের ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে কী করবেন? ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন হয়ে গেলে আমরা বেশ বিপাকে পড়ি। আবার দেখুন ভাইরাসের কারণে উক্ত হিডেন হওয়া ফাইল বা ফোল্ডারগুলো সার্চ করেও পাওয়া যায় না। কী উপায় ফিরিয়ে আনতে! কোন চিন্তাই নেই সমস্যা যেহেতু আছে, সমাধানও আছে। নিচের উপায়গুলো দেখুনঃ

উপায় এক

প্রথমে Control Panel >>> Folder Options এ যান। এখানে Tools মেনু ট্যাবে Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files আনচেক করুন। এবার Advanced Options >>> Search hidden files and folders চেক করুন। এখন দেখবেন হিডেন ফাইলগুলো দেখা যাবে।

এবার আসুন ভাইরাসের কারণে হিডেন অপশন ডিজেবল হলে কী করবেন? তখন তো হিডেন অপশন কাজ করবে না। হিডেন অপশন এনাবল এবং আনচেক করতে পারবেন একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এর নাম এট্রিবিউট চেঞ্জার এবং এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে www.petges.lu । এর ইনস্টল করুন। এখন যে ফোল্ডারের এট্রিবিউট পরিবর্তন করতে চান তার উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করুন। এবার Change Attributes এ ক্লিক করুন। Folder Properties ট্যাব থেকে System, Hidden আনচেক করে Ok করুন। তাহলেই ফোল্ডার অপশন্সের হিডেন অপশন এনাবল হবে। এখন Show hidden files and folders এবং Hide protected operating system files চেক করুন এবং OK করে বেরিয়ে আসুন।

উপায় দুই

স্টার্ট মেনু থেকে রানে যান এবং লিখুন cmd. তাহলে কমান্ড প্রোম্পট খুলবে। এখন আপনার ড্রাইভে প্রবেশ করুন। এজন্য যে ড্রাইভ উক্ত ড্রাইভের নামে লিখুন, যেমনঃ ড্রাইভ E হলে E: লিখে এন্টার দিন, তাহলে ড্রাইভে প্রবেশ করবে।

এবার attrib -s -r -h -a /s /d লিখে এন্টার করুন। তাহলে আপনার হিডেন হওয়া ফোল্ডার বা ফাইল ফিরে আসবে।

বিশ্লেশণঃ

attrib = attribute, s = system file, r = read only, h = hidden, a = archive,
/d = directory, /s = sub directory

Read more ...

কম্পিউটার ফোল্ডার এ ঢুকার গতি বাড়ান সহজেই

আমাদের পিসি তে অনেক সময় ফোল্ডার এ ঢুকার সময় অনেক সময় নেয়। তবে আপনি চাইলে খুব সহজে এটা দূর করে পিসি এর গতি বাড়াতে পারেন।


কার্যপ্রনালিঃ

* প্রথমে আপনার কম্পিউটার এর উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার টি ওপেন করুন।
* এর জন্য আপনার কীবোর্ড এ clt+alt+del প্রেস করুন।
* এবার View প্রেস করুন এবং update speed -normal থেকে -high করুন।
* এবার উইন্ডোজ টাস্ক ম্যানেজার টি ক্লোজ করে কম্পিউটারটি restart করুন।

Read more ...

Monday, March 14, 2011

৭২০০ এবং ৫৪০০ RPM হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ থেকে কোনটি বেছে নিবেন?

আমরা সবাই কম বেশি একটা বেপার জানি যে হার্ড-ডিস্ক ড্রাইবে ডাটা ট্রান্সফার হয় এর মধ্যে থাকা গোল চাকতির ঘূর্ণনের মাধ্যমে। তো আমরা যারা ডেস্কটপ পিসি ইউজ করি তারা পিসি ক্রয় করার সময় খেয়াল করে থাকবেন যে হার্ডড্রাইভের প্যাকেটের গায়ে ৭২০০ RPM লিখা ছিল আর ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ৫৪০০ আর পি এম। এক্ষেত্রে RPM এর পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায় রেভলুশান পার মিনিট(Revolutions Per Minute )। এই আর পি এম বুঝায় যে হার্ড ডিস্কের ইন্টারনাল প্লেটটি/চাকতিটি/ডিসটি কত দ্রুত(ঘূর্নন গতি) ঘুরবে। যদিও দ্রুততাই পারফরমেন্সের জন্য ভাল, তবে ৫৪০০ আর পি এম ড্রাইভটি সিলেকশানের ও বেশ কিছু পজিটিভ কারন রয়েছে।

তো চলুন জেনে নিই ৭২০০ এবং ৫৪০০ আর পি এম এর মধ্যবর্তী সুবিধা-অসুবিধা সমূহ





1. ড্রাইভারের শক্তিঃ

কম ঘুর্ণন গতির ড্রাইভ ল্যাপটপে ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব জনপ্রিয় কারন ‘যত কাজ তত শক্তি ব্যায়’ হিসেবে দ্রুত ঘুর্ণনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন (খরচ) হবে; আর এক্ষেত্রে ল্যাপটপ যেহেতু ব্যাটারীর মাধ্যমে চলে, এবং যখন এর চার্জার আন-প্লাগড থাকবে তখন ব্যাটারীর চার্জ শেষ হবার পুর্বে দীর্ঘক্ষন ব্যবহার করা যাবে। তাই এক্ষেত্রে আরপিএম ব্যাস্তানুপাতিক ব্যাবহার কাল, মানে যত কম আর পি এম তত বেশি সময় ধরে ব্যবহার কাল। :D

2. অযাচিত শব্দ/নয়েজঃ

অনেক সময় ধরে পিসি চলার পর হার্ড-ডিস্কের পাশে কান রাখলে খেয়াল করবেন ৭৮০০ আরপিএমের ড্রাইভ গুলো কম শব্দ করলেও এর চেয়ে নিখুতভাবে ও স্বল্প শব্দে ঘুরে থাকে ৫৪০০ আরপিএম এর ড্রাইভগুলো।

3. কম্পন/ভাইব্রেশানঃ

দ্রুত গতির ড্রাইভার গুলো অনেক বেশি কম্পন সৃষ্টি করে থাকে। এমনকি এটা সিষ্টেমের পারফরমেন্সের ক্ষেত্রেও নেগেটিভ প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে বর্তমানে বহুল্ভাবে প্রচলিত মেকানিকেল সাটা(SATA) ড্রাইভের ক্ষেত্রে। :(

4. তাপক্রিয়া / হিটঃ

প্রচুর বৈদ্যুতিক শক্তি প্রবাহের ফলে অনেক তাপ সৃষ্টি হয়, যার ফলে ৭২০০ আরপিএম সিষ্টেমকে অপেক্ষাকৃত তাড়াতাড়ি উষ্ণ করে তুলে। অবশ্য এটা দূর করার একটা উপায়ও আছে, তা হল ঠিক ভাবে ফ্যান সেটা করে বা সঠিকভাবে বায়ু চলাচল ব্যবস্থা নিশ্চিত করার মাধ্যমে। :D

5. ব্যায় / কষ্টঃ

যেহেতু ৭২০০ আরপিএম কর্মক্ষম বেশি এবং এর ইলেক্ট্রিক সার্কিটটি অপেক্ষাকৃত জটিল তাই যথার্থ ভাবে ৫৪০০ আরপিএম ড্রাইভের চেয়ে এর দাম কিছুটা বেশি হওয়াটাই স্বভাবিক, এবং দামটা একটু বেশি বটেই। তবে পার্সোনাল(সিঙ্গেল পার্টস) ক্রেতাদের ক্ষেত্রে এটি খুব একটা বেশি না হলেও ব্যবসায়িদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি ডিফার করে।

Read more ...

বিনা মূল্যে ফটো এডিটিং সফটওয়্যার

বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ‘পিকাসা’। এই ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফটো এডিট করাসহ অনলাইনে ছবি শেয়ার করার জন্য স্লাইড শোও তৈরি করা সম্ভব। http://picasa.google.com/
ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে।

Read more ...

ফেইসবুকে ভিডিও চ্যাট করার দু’টি দারুন এপ্লিকেশন!

বন্ধু এবং আত্বীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যমগুলোর মধ্যে একটি এখন ফেইসবুক। দেশের বাইরে আসার পর অনেকের সাথেই আমার যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ফেইসবুক। ভয়েস এবং ভিডিও চ্যাট এর জন্য অন্য এপ্লিকেশন এতদিন ব্যবহার করলেও, এখন ফেইসবুকেই এসকল সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। ফেইসবুকে ভিডিও চ্যাট করার কিছু দারুন এপ্লিকেশন নিয়েই এই পোস্ট…

vChatter
http://www.facebook.com/vChatter

অন্যান্য এপস গুলোর চাইতে এটিই আমার বেশি ভাল লেগেছে। এটি দিয়ে অনলাইনে থাকা বন্ধুদের সাথে চ্যাট করার পাশাপাশি রয়েছে আরেকটি মজার ফিচার। সেটি হচ্ছে র‍্যানডম চ্যাট। অর্থাৎ ঐ এপ্লিকেশন ব্যবহারকারী অন্যান্য সদস্যদের সাথে চ্যাট আপনি চ্যাট করতে পারবেন।

আর এতে করে নতুন অনেকের সাথেই পরিচিত হতে পারবেন সরাসরি ভিডিও চ্যাট এর মাধ্যমে।


TinyChat
http://apps.facebook.com/tinychat/

TinyChat এর কথা আপনারা অনেকেই শুনে থাকবেন। অনেকে হয়তো ব্যবহারও করেছেন। TinyChat এর একটি ফেইসবুক এপ্লিকেশন রয়েছে, যেটি ব্যবহার করে আপনি বন্ধুদের সাথে ভিডিও চ্যাট করতে পারেন।

দুই মিলিয়ন এর বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে এই ফেইসবুক এপটিতে। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, এটি ব্যবহার করে গ্রুপ ভিডিও চ্যাট অথবা মিটিং করা যাবে। একই সাথে ১২ জন ব্রডকাস্ট করতে পারবেন। আর কি চাই? :D

Read more ...

ফটো ডিজাইন করার দারুন একটি সফটওয়্যার

আমরা প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে কত রকম ডিজাইনের ছবি এডিটিং করি। ছবি সম্পাদনা করার সব থেকে জনপ্রিয় সফটওয়্যার হচ্ছে এডোবী ফটোশপ। কিন্তু কয়জনে আর তা জানে। অনেকের ইচ্ছা থাকলেও ফটেশপ শিখতে পারছেন না। আবার অনেকে আছে পয়সা খরচ করে ফটোশপ শিখেও গুলিয়ে ফেলেছেন তাদের জন্য আমার এই লেখা। উপকার পাইলে মন্তব্য করতে ভুলবেন না। বকবক না করে কি সফটওয়ার সম্পর্কে লিখব সেটাই এখনো বলিনি ও হ্যাঁ ফটোশাইন সফট্ওয়্যার। সেটা এখান থেকে
http://www.picget.net/
(২নং সিরিয়ালে ফটোশাইন) ডাউনলোড করুন। ডাউনলোড হলে ওপর দিকে বাম পাশে বিভিন্ন ডিজাইন অপশন দেখা যাবে। এক একটি অপশনের উপর ক্লিক করলে সেটার কি কি ডিজাইন আছে সেটা নিচে দেখা যাবে। পছন্দ মত ডিজাইন সিলেক্ট করে কম্পিউটারে থাকা আপনার ছবিটি ওপেন করুন। বাম পাশ থেকে এবার ডিজাইনে ক্লিক করুন এবং মজা দেখুন। যদি ছবি ডান বামে সরানোর প্রয়োজন হয়। তবে ফটোস্প্রিনের উপর যে ছোট ছবিটি দেখা যাচ্ছে সেটার চার পাশে একটি লাল সিলেকশন বর্ডার দেখা যাবে উক্ত বর্ডার ছোট বড় করলে ছবি ছোট বড় হবে ।

Read more ...

ই মেইল করুন ই মেইল আইডি ছারাই


মনে করেন আপনে কাউকে মেইল করতে চাইছেন কিন্তু চাইছেন না যে আপনার মেইল আইডি তা সে জেনে যাক। ইনফেক্ট আপনি চাইছেন না কনো ধরনের ই মেইল আইডি ব্যাবহার করতে। বেপারটা কেমন আজগবি মনে হইতেছে না? হাহাহা চলেন তাহলে মজা টা শুরু করি কি বলেন? আজকে এমন ই একটা জিনিস দেখাবো যেটা ইউস করে যে কেউকে ই মেইল করতে পারেন নিজের কনো ধরনের আইডি না ইউস করে।


১। এখানে যান
http://www.enote.com/

২। Send To (এখানে যার কাছে মেইল করতে চান তার আইডি দিন)

৩। Your Email Address (এখানে কিছু দিবেন না জায়গা খালি রাখুন)

৪। Subject: (এখানে লিখার সাবজেক্ট দিন, নরমালি আপনে যা দিয়ে থাকেন আরকি কাউকে মেইল করতে গেলে)

৫। সাবজেক্ট এর পরে যে সাদা জায়গা অখানে যা খুশি লিখুন। মানে যা লিখে মেইল করতে চান আরকি। বুঝে নাই? হিহি

৬। Enter the Security Code এর ঘরে লিখে ফেলুন পাশে যেই সিকুরিটি ডিজিট গুলো দেয়া আছে।

৭। Send বাটনে ক্লিক করুন কাহিনি শেষ, যাকে মেইল করেছেন তার কাছে মেইলটি চলে গিয়েছে। যাকে মেইল করেছেন তার কাছে মেইল যাবে enote@enote.com এই আইডি থেকে।

Read more ...

শিক্ষা ও তথ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট

বাংলাদেশের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য দেশি-বিদেশি বৃত্তি, বিশ্ববিদ্যালয়, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, শিক্ষাঋণের তথ্য সেবা দিয়ে আসছে মিমডোর ডট কম নামের ওয়েবসাইট। এই সাইটে নিয়মিত বৃত্তি, উচ্চশিক্ষার তথ্য আপডেট করা হয়। তাছাড়া দেশের প্রায় সকল ব্যাংকের তথ্য যেমন ব্যাংকের সেবা, ব্যাংক ব্রাঞ্চের ঠিকানা, ফোন নম্বর, ওয়েবসাইটের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এই সাইটে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের সকল কাউন্সেলিং ফার্মের লিস্ট ও ফোন নম্বর ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে মিমডোর ডট কমে। বিস্তারিত জানার জন্য ব্রাউজ করুন।
www.mimdoor.com

Read more ...

Sunday, March 13, 2011

Kaspersky Internet Security 2011 এর ঝামেলা বিহিন ১০০%+ কার্যকরী কিই

Kaspersky Internet Security 2011 এর ঝামেলা বিহিন ১০০%+ কার্যকরী কিই পাইছি । আশা করি সামনে আর পাব । পেলে আপনাদের দেব । এই কী টা মার্চ মাস এর জন্য । খুব সহজে অ্যাক্টিভ করা যায় ।

১। internet ডিস্কানেক্ট করে ট্রায়াল ভার্সন ইন্সটল করুন ।

২। error দেখালে কী ফাইল ব্রাউস করুন ।

৩। done ! এবার নেট দিএ আপডেট দিন । উপভোগ করুন Kaspersky Internet Security 2011 ফুল ভার্সন ।

Key Download
http://www.mediafire.com/?ddwsn21b1d2z740

Read more ...

Adobe Photoshop CS5 Full Software with Crack

Adobe Photoshop CS5 Graphics এর দুনিয়ায় সাড়াজাগানো এক্তি সফটওয়্যার । এই নতুন এডিশন এ আছে অনেক সুবিধা । খুব ভাল এডিশন এটি । গ্রাফিক্স এর অনেক কাজই ফটোশপ এর ছারা ফুশ । সমস্যা অনেক বড় । প্রায় ৯৭২এমবি । এটা আপলোড করা তো মুখের কথা না । এডবি সাইট থেকে ডাউনলোড করে নিন । তবে ক্র্যাক টা আমি আপলোড করে দিছি । মাত্র -১ এমবি ।

Keygen photoshop এর ফোল্ডারে কপি করে পেচ করুন এবং সিরিয়াল দিন ।

Software
https://www.adobe.com/cfusion/tdrc/index.cfm?product=photoshop

Crack
http://www.mediafire.com/?074wa9qxf7laibv

Read more ...

ক্যাসপারস্কি ১০ বছরের লাইসেন্স

আমরা সবাই জানি যে কেসপারস্কি এন্টিভাইরাস ব্যাবহার করতে হলে আমাদের অনেক টাকা খরচ করতে হয়
এখন আমরা দেখব কি ভাবে বিনামূল্যে ব্যাবহার করা যায়।
তাহলে ভাবুন তো একবার
প্রথমে এখান থেকে ডউনলোড করে নিন kaspersky internet security 2011
http://www.kaspersky.com/internet_security_trial

তারপর এখান থেকে ক্র্যাক ডাউনলোড করে নিন Kaspersky2011Crack-3700 Day
http://www.mediafire.com/?umf3pgdatnzprum

এখন লাইসেন্স কি একটিভ লেটার দিয়ে ইনস্টল করুন
তারপর স্টারর্ট বারে ক্যাসপার আইকেন ডাবল ক্লিক করে Self Defenc Enable টিক চিন্হ উঠিয়ে দিন
তারপর স্টারর্ট বারে ক্যাসপার আইকনে রাইট বাটন ক্লিক করে এক্সিট করে ক্র্যাক ‌ইনস্টল করুন ব্যাস হেয় গেল
৩৭০০ দিন মেয়াদ তারপর আপডট করে নিন ভাল লাগলে মন্তব্য করবেন ধন্যবাদ সবাইকে।

Read more ...

পেপাল কি, পেপাল কেন প্রয়োজন ?

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো বাংলাদেশে পেপালের কোনো সার্ভিস নেই। অর্থাৎ একজন বাংলাদেশী নাগরিক পেপালে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন না। পেপাল না থাকার কারণে বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সাররা যেসব অসুবিধায় পড়ছেন সেগুলো হলো :

০১. যেকোনো আউটসোর্সিং সাইট থেকে আয় করতে না পারা। এমন অসংখ্য সাইট রয়েছে যারা শুধু পেপালের মাধ্যমে অর্থ দিয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কয়েকটি সাইটে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আমাদেরকে সীমাবদ্ধ থাকতে হয়।

০২. অন্যান্য সার্ভিস ব্যবহার করে উচ্চমূল্যে অর্থ উত্তোলন। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করলে ব্যাংক থেকে ব্যাংকে ওয়্যার ট্রান্সফার একটি চমৎকার পদ্ধতি। কিন্তু এই পদ্ধতিতে প্রতিবার উত্তোলনে ৪৫ ডলার খরচ পড়ে। আর পেওনার ডেবিট মাস্টারকার্ড মোট অর্থের ৩% কেটে রাখে, যা বড় অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে মোটেও ভালো পদ্ধতি নয়।

০৩. অন্যান্য সার্ভিসের মাধ্যমে ক্লায়েন্টের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ আনা যায় না। ফলে সবসময় একটি আউটসোর্সিং সাইটের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হয় এবং তাদেরকে ১০% থেকে ১৫% ফি দিতে হয়। গত তিন বছরে আমি বিভিন্ন দেশের অসংখ্য ক্লায়েন্টের কাছ থেকে কাজ পেয়েছি। আমার এমন কয়েকজন ক্লায়েন্ট রয়েছে যারা প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত আমাকে প্রতি মাসে কাজ দিচ্ছে। তারা এতটাই বিশ্বস্তা যে কাজ শেষে অর্থ পাওয়ার নিশ্চয়তা ছাড়াই আমি কাজ শুরু করে দিতে পারি। আবার অনেক সময় কাজ শুরুর আগেই প্রজেক্টের পুরো বা আংশিক টাকা পেয়ে যাই। মোট কথা হচ্ছে এক্ষেত্রে মধ্যবর্তী আউটসোর্সিং সাইটের সাথে আমার কোনো লেনদেন নেই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে ওই সাইটগুলোকে ১০% ফি দিয়ে অনেক পথ ঘুরিয়ে আমাকে অর্থ আনতে হয়। এভাবে প্রতি ১০০০ ডলারে ১০০ ডলার আউটসোর্সিং সাইটকে দিতে হচ্ছে। সাথে আরো ৩০ থেকে ৫৫ ডলার দিতে হচ্ছে পেওনার বা ব্যাংক ট্রান্সফারের জন্য। কিন্তু আমার যদি একটি পেপাল অ্যাকাউন্ট থাকত তাহলে হাজারপ্রতি এ অতিরিক্ত ১৩০ থেকে ১৫৫ ডলার দেশে নিয়ে আসতে পারতাম।

০৪. পেপাল না থাকা ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসায় করার প্রথম ও প্রধান অন্তরায়। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কবলে পড়ে এখন সবাই ই-কমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসায় করার দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আর এ পেপালের কল্যাণে আজ ই-কমার্স এতটা জনপ্রিয় এবং লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। শুধু পেপাল থাকলেই যে কত ধরনের ই-কমার্স ব্যবসায় করা সম্ভব তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, পেপাল থাকলে ফ্রিল্যান্সাররা আউটসোর্সিং সাইটগুলোতে নতুন প্রজেক্টের জন্য বসে না থেকে নিজের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি সফটওয়্যারগুলো বিক্রি করতে পারতেন। অন্যান্য রফতানি ক্ষেত্রে এই পেপাল আমাদের দেশের জন্য হতে পারত যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বাংলাদেশের পোশাক শিল্প আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। কিন্তু আমরা সেই পোশাককে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি বিদেশী কোনো ভোক্তার হাতে পৌঁছে দিতে পারি না। অথচ পেপাল থাকলে এরকম অসংখ্য ধরনের পণ্য রফতানি করে ঘরে বসেই প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যেত।

০৫. পেপাল না থাকার ফলে অনেকে আবার ভিন্ন পথ অবলম্বন করছেন। ইন্টারনেটে এমন অনেক ফোরাম রয়েছে যেখানে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকার বিনিময়ে পেপালের সার্ভিস পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে পেপাল অ্যাকাউন্ট আছে এমন কোনো ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দিলে তিনি তার পেপাল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে টাকা পেতে সাহায্য করেন। পরে তিনি ব্যাংক ট্রান্সফার বা ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে দেন। এই পদ্ধতিটি মোটেও নিরাপদ এবং গ্রহণযোগ্য নয়।

বাংলাদেশে পেপালের সার্ভিস না থাকার ব্যাপারে পেপালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, পেপাল সবসময় তার সার্ভিস বিভিন্ন দেশে সম্প্রসারণে ইচ্ছুক। একটি নতুন দেশে সার্ভিস দিতে সে দেশের বিভিন্ন আইনকানুন মেনে তাদেরকে একটি জটিল পরিবর্তনের মাধ্যমে যেতে হয়। আরও নতুন দেশে পেপালকে পৌঁছে দিতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। তবে ঠিক কত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে পেপালের সার্ভিস পাওয়া যাবে, এ ব্যাপারে তারা কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।

প্রকৃতপক্ষে পেপাল কবে বাংলাদেশে সার্ভিস দেবে সে অপেক্ষায় বসে না থেকে আমাদের নিজেদেরই উচিত তার আগমনের জন্য রাস্তা প্রশস্ত করে দেয়া। আশার কথা হচ্ছে, বর্তমান সরকার বাংলাদেশে ই-কমার্স চালুর বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত হবে পেপালের সাথে যোগাযোগ করে সমস্যাগুলো যথাযথভাবে চিহ্নিত করা এবং যেসব আইনের কারণে পেপাল তাদের সার্ভিস এদেশে নিয়ে আসতে পারছে না, প্রয়োজনবোধে তা পরিবর্তন বা সংশোধন করা। বাংলাদেশের তরুণরা আজ এতটাই অগ্রসর যে, শুধু এই সমস্যাটির সমাধান করতে পারলে নিজেরাই বাংলাদেশে ই-কমার্সের বিপ্লব ঘটিয়ে ফেলতে পারবেন।
আমরা সম্প্রতি পেপ্যাল ভেরিফাই চাই নামক পেজ ও Need paypal for bangladeshগ্রুপ চালু করেছি পেপাল আদায়ের লক্ষ্যে আপনিও আমাদের সাথে যোগ দিন ।
Link
http://www.facebook.com/paypalbd
http://www.facebook.com/home.php?sk=group_103062596443304

Read more ...

Thursday, January 27, 2011

আসুন একটু একটুকু জানার চেষ্টা করি – “ভাইরাস প্রোগ্রামে কী থাকে?”

আমরা যারা কম্পিউটার ইউজার তারা ভাইরাস এর নাম শুনিনি এমন একজন কেও খুজে পাওয়া খুব মুশকিল। তাই একটুকু জানার চেষ্টা করতে তো কোন দোষ নেই এই ভাইরাস কী আর তা কীভাবে কাজ করে।
ভাইরাস কী?
আর সাধারন দশটি প্রোগ্রামের মত ভাইরাস ও একটি প্রোগ্রাম। ইতিমধ্যে আমাদের টেকটিউনস এর অনেক টিউনার গন আমাদের ভাইরাস এর বিভিন্ন কোডিং প্রদান করেছেন। আমরা যারা একটু কম বুঝি তারা শুধু স্টেপ গুলো ফলো করেছি। আর যাদের প্রোগ্রমিং এর একটু ধারনা আছে তারাতো তা নিয়ে রিতিমত গবেষনা করে তার আপডেট করেছে।
ভাইরাস কিন্তু খুব ভাল প্রোগ্রামার কর্তৃক তৈরী হয়ে থাকে। কিছু কিছু ভাইরাস আছে যা একের প্রয়োজনীয় কাজের জন্য তৈরী হয় কিন্তু তা আবার অন্যকে ভোগায়। যেমন আপনি একটি প্রোগ্রাম তৈরী করলেন যার কাজ হল আপনার কম্পিউটার এর USB Storage কে ৩০মিনিট পর পর ব্লক করে দেয়া যা আপনার সিকিউরিটির জন্য প্রয়োজন। কিন্তু তা আমার জন্য এক ধরনের সমস্যা কারন আমাকে সার্বক্ষনিক কাজের সময় USB Storage এ ডাটা ব্যাকআপ রাখতে হয়। সাধারন দৃষ্টিতে এই জিনিষটি না জানার কারনে আপনার কাছে তা ভাইরাস মনে হতে পারে। কিন্তু এটি কিন্তু একজন প্রোগ্রামার এর চিন্তাশক্তির ফসল।
কিন্তু ভাইরাস প্রোগ্রমের কোডিং এমন ভাবে করা হয় যতে আমাদের উইন্ডোজ এর বিভিন্ন ফাইল এর সাথে লিংক হয়ে যায়। যার দ্বারা আমাদের নজরের বাইরে সে তার কাজ করে থকে।
আমার জানা মতে প্রথম ভাইরাসটি তৈরী হয়ে ছিল শুধুমাত্র মজা করার জন্য এবং কৌতুহল মেটানোর জন্য, আর সেটি হল একটি ফ্লপি কে একটি নির্দিষ্ট বার কপি করার পর (সম্ভবত ২০ বার) সে একটি মেসেজ দেখাতো। কিন্তু সেটি ছিল ডিস্ক অপারেটিং সিস্টমের আমলে। আমরা এখন গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেজ এর যুগে বসবাস করি, তাই আমাদের আমলের ভাইরাস অনেক কমপ্লেক্স।

ভাইরাস প্রোগ্রামে কী কী থাকে?

Repliction Engine : এর মাধ্যমে একটি অনুলিপি (Copy) তৈরী করে এবং অন্যান্য ফাইলে তা ছড়িয়ে দেয়।

Protection : এর মাধ্যমে একটি ভাইরাস তার কোডিং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফাইল এর কোডিং এর মাঝে লুকিয়ে রাখে।

Trigger : একটি ঘটনা বা সময় যার জন্য ভাইরাস ফাইলটি অপেক্ষা করতে থাকে। ঘটনা ঘটলে বা ঐ সময় এ পৌছলে সে নিজেকে একটিভ্যাট করে তোলে। এই সময়কে ভাইরাস কম্পউটার এর সিস্টেম এর ক্লক এর মাধ্যমে বুঝতে পারে, যেমন – সকাল ১০.৫০মিনিট অথবা একটি প্রোগ্রম চালু করার ১৫ মিনিট সময় অতিবাহিত হবার পরে। আবার এমন ও হতে পারে যেমন ব্যবহার কারী উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার দ্বারা wav ফরমেটের কোন অডিও চালালে ব্যাগগ্রউন্ডে ঐ প্রোগ্রাম চালাও -এমন।

Payload : এটি হল ভাইরাস চালানোর পরের অংশ। অর্থাৎ সে তার কাজ সম্পন্ন করার পর যা ঘটে থাকে। যেমন – একটি প্রোগ্রম রান করানোর কিছুক্ষন পর দেখা গেল আপনার ডেক্সটপে টুলটিপ এর বক্সে লেখা ভাসছে “Hacker’s Day, Countdown 1Day 15Hour” এরকম কিছু।

আজ এই পর্যন্তই। আশাকরি পরবর্তী সময় আপনাদের সাথে আমার ভাল সময় কাটবে।
আবার ও বলে রাখি আমি কম্পউটার এর টেকনোলজির সবজান্তা নই। আমি মানুষ, আমার ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমার ও অজ্ঞানতা রয়েছে।
তাই আমার ভুল গুলো যদি আপনারা ধরিয়ে না দেন তবে আমার ও যেমন অপূর্ণতা থেকে যাবে, তেমনি যারা এই টিউনটি পরবে তাদের ও জ্ঞান পিপাসা থেকে যাবে।
তাই আপনাদের আহোরিত জ্ঞান টুকু আমাদের সকলের সাথে সেয়ার করুন। এতে করে আপনিও জানতে পারবেন, আমাদের ও উপহার দিতে পারবেন।

সবাইকে ধন্যবাদ।

Read more ...

এলসিডি না এলইডি (সুবিধা অসুবিধা জেনে নিন এবং কিনুন)

LCD এর পুরো নাম Liquid Crystal Display আর LED এর পুরো নাম হলো Light Emitting Diode, মোটামুটি সবাই এইটুকু জানি। পাঠকের কৌতুহল ও জানার প্রয়োজনীয়তাকে বিবেচনায় রেখে এবার LCD ও LED গল্পের কিছুটা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করবো যাতে সাধারন জ্ঞানের পাশাপাশি এই দুই প্রযুক্তিতে পাঠকের একটু বিশেষ ধারনার জন্ম দেয়া যায়। সংগত কারনেই আলোচনায় বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক একক, সংকেত ইত্যাদির অবতারনা বাঞ্চনীয়, পাঠকের মধ্যে যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তারা খুব সহজেই সব বুঝে ফেলবেন সন্দেহ নেই। পাশাপাশি বিজ্ঞানের ছাত্র নন এমন পাঠকের বোধগম্য করে উপস্থাপন করা হয়েছে পুরো ব্যাপারটি।

LCD, LED এর বয়োজ্যোষ্ঠ। তাই শুরুতেই LCD কে আলোচনায় নিয়ে আশাটা যুক্তিযুক্ত।
LCD ডিসপ্লে

LCD ডিসপ্লেতে প্রতিটি পিক্সেল তিনটি সাবপিক্সেলে বিভক্ত যাদের একটি লাল, একটি সবুজ এবং অবশিষ্টটি নীল রং বিশিষ্ট। এদের একটি অপরটির সাথে বিভিন্ন ফিল্টার দ্বারা যুক্ত থাকে। যেমন পিগমেন্ট ফিল্টার, ডাই ফিল্টার এবং মেটাল অক্সাইড ফিল্টার। প্রতিটি সাবপিক্সেলের বর্ণ বিভিন্ন মাত্রায় পরিবর্তন করে পিক্সেলকে লাকখানেক রং প্রদান করা যায়। এভাবে প্রতি মিলিসেকেন্ডে বারবার রং পরিবর্তনের মাধ্যমে মনুষ্য জীবনকে রাঙিয়ে তুলছে LCD ডিসপ্লে।
LCD প্রযুক্তির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

গোড়া থেকে আজ অবধি LCD’র ইতিহাস জানার জন্য পাঠককে নিয়ে যাচ্ছি ১৮৮৮ সালে। যেখানে গাজর নিয়ে গবেষনা হচ্ছিল, গবেষকের নাম ফ্রিডরিক রেইনিটজার (১৮৫৮-১৯২৭)।

১৮৮৮: গাজর থেকে সংগৃহিত কোলেস্টেরল এর “লিকুইড ক্রিস্টালাইন বৈশিষ্ট্য” আবিষ্কার করেন ফ্রিডরিক রেইনিটজার এবং ১৮৮৮ সালের ৩রা মে তারিখে তিনি ভিয়েনা ক্যামিক্যেল সোসাইটির একটি মিটিংএ তাঁর গবেষনালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেন।

১৯০৪: “ফ্লুসিগি ক্রিস্টাল” (লিকুইড ক্রিস্টাল) নামে অট্টো লেহম্যান্ন এর গবেষনা লব্ধ ফলাফল প্রকাশিত হয়।

১৯১১: প্রথমবারের মতো লিকুইড ক্রিস্টালকে পাতলা লেয়ারের মধ্যে বন্দি করতে সমর্থ্য হন চার্লস ম্যাগুইন।

১৯২২: জর্জেস ফ্রিডেল লিকুইড ক্রিস্টালের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য বর্ননা করেন এবং একে তিনটি ভাগে ভাগ করেন (যেমন, নেমাটিকস, স্মেটিকস এবং কোলেস্টেরিকস্্)।

১৯৩৬: “দ্যা লিকুইড ক্রিস্টাল লাইট ভালভ্্” তৈরী করার মধ্যমে মার্কনী কোম্পানী এই প্রযুক্তির প্রথম ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখায়।

১৯৬২: ‘আর সি এ’ এর গবেষক রিচার্ড উইলিয়ামস্্ দেখলেন যে লিকুইড ক্রিস্টালের কিছু মজার ইলেক্ট্রো অপটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তিনি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ ব্যবহারের মাধ্যমে লিকুইড ক্রিস্টালের পাতলা লেয়ারের মধ্যে স্ট্রাইপ প্যাটার্ন তৈরী করতে সক্ষম হন এবং এভাবে তিনি একটি ইলেক্ট্রো অপটিক্যাল ইফেক্ট অনুভব করেন। এটি মূলত “ইলেক্ট্রো হাইড্রোডিনামিক ইস্ট্যাবিলিটি ফরমেটিং” এর ওপর ভিত্তি করে তৈরী হয়। যেটা বর্তমানে “উইলিয়ামস্্ ডোমেইনস্্” নামে পরিচিত।

১৯৬৪: জর্জ এইচ হেইলমিয়ার ‘আর সি এ’ তে কর্মরত অবস্থায় রিচার্ড উইলিয়ামের ইফেক্ট এ বর্ন পরিবর্তন ব্যবস্থা প্রদানে সক্ষম হন। কিন্তু এই নতুন ব্যবস্থার ব্যবহারিক প্রয়োগে কিছু সমস্যার ফলে তিনি এটা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। এবং শেষ পর্যন্ত তার হাত ধরেই প্রথমবারের মতো লিকুড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে আবিষ্কৃত হয়। তিনি প্রক্রিয়াটির যে নাম দেন তা হল ডিএসএম (ডিন্যামিক স্ক্যাটারিং মুড)। ফলে জর্জ এইচ হেইলমিয়ার কেই এলসিডি এর জনক বলা হয়।

১৯৭০: ডিসেম্বরের চার তারিখে সুইজারল্যান্ডের হফম্যান-লারোব কোম্পানী লিকুইড ক্রিস্টালের টুইস্টেড নেম্যাটিক ফিল্ড প্রভাব এর প্যাটেন্ট তৈরীর সিদ্ধান্ত নেয়। এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সুইজারল্যান্ড ও জাপানের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক কোম্পানিতে হাতঘড়িসহ বিভিন্ন পন্যে এলসিডি এর ব্যবহার শুরু হয়। সেখানে মুলত টিএস-এলসিডি (টুইস্টেড নেম্যাটিক-এলসিডি) ব্যবহার করা হয়।

১৯৭১: ফেরগ্যাসন ইলিক্সকো (বর্তমানে এলএক্সডি ইনকরপোরেটেড) প্রথমবারের মতো এলসিডি প্রস্তুত করে।

১৯৭২: যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম এ্যকটিভ-ম্যাট্রিক্স এলসিডি প্যানেল তৈরী হয়।

১৯৯৬: প্রথমবারের মতো মাল্টি-ডোমেইন এলসিডি তৈরী করে স্যামস্যাং কোম্পনী। যে ডিজাইন বাজারে এখন পর্যন্ত রাজত্ব করছে।

১৯৯৭: টিভি হিসেবে ব্যবহারের জন্য “ইনপ্লেন সুইচিং” বা আইপিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এলসিডি তৈরী করে হিটাচি।

২০০৭: এলসিডি টেলিভিশনের বিক্রি হার সিআরটি (ক্যাথোড রে টিউব) কে অতিক্রম করে।

এভাবে যুগ যুগ ধরে উন্নতির মাধ্যমে শতশত গবেষকের নিরলস গবেষনায় এলসিডি ডিসপ্লে মানুষের হাতের নাগালে আসে।
এলইডি ডিসপ্লে

এবারে জেনে নেব এলইডি এর সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্ত। মূলত দু ধরনের এলইডি প্যানেল রয়েছে। সাধারণ এবং এসএমডি (সারফেস মাউন্টেড ডিভাইস) প্যানেল, অধিকাংশ আউটডোর এবং খুব অল্প কিছু ইনডোর স্ক্রিণ সাধারণ প্যানেল ব্যবহার করে তৈরী করা হয়। যেখানে লাল নীল এবং সবুজ এই তিনটি বর্নের ডায়োড একটি পুর্ণ পিক্সেল তৈরীতে ব্যবহৃত হয়। পিক্সেলসমুহ পরষ্পর থেকে সামান্য দুরে অবস্থান করে। এ প্রযুক্তির প্রধান সুবিধা হল উপযুক্ত উজ্জলতা। বাইরে ব্যবহৃত স্ক্রিনসমুহে উজ্জলতা বেশি না হলে দিনের আলোতে ভাল দেখা যাওয়ার কথা না। এলইডি প্রযুক্তি ৫,০০০ লাক্স উজ্জলতা বিশিষ্ট ডিসপ্লে প্রদান করে। এই উজ্জলতা দিনে সুর্যের আলোর চেয়েও উন্নত। ফলে যত রোদই হোক না কেন খুব সহজেই স্ক্রিনে চলমান ছবি দেখা যায়। এ রিপোর্ট লেখার সময় পর্যন্ত সবচেয়ে বড় এলইডি ডিসপ্লেটির অবস্থান হলো লাস ভেগাসএ, এবং এটি লম্বায় ১৫০০ ফিট এর বেশি। এসএমডি প্যানেল বিশিষ্ট ডিসপ্লেসমুহ সাধারণত ইনডোর স্ক্রিন নির্মানে ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে ডায়োড সমুহ একটি চিপসেটে সংযুক্ত থাকে। পিক্সেলসমুহ একে অপরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এর উজ্জলতা কমপক্ষে ৬০০ লাক্স (ক্যান্ডেলস পার স্কয়ার মিটার) হয়।
LED প্রযুক্তির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

LED মুলত একটি ছোট আকারের আলোক নিংসরণকারী যন্ত্র। এলইডি ডিসপ্লের ইতিহাস আলোচনা করতে গেলে এই বস্তুটির ইতিহাস জানা আবশ্যক। এটি যুগের বিবর্তনে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হয়ে এবং হাজার হাজার এলইডি একত্রিত হয়ে তৈরী করেছে আজকের এলইডি ডিসপ্লে।

১৯০৭: মার্কনী ল্যাব এ কর্মরত অবস্থায় বিড়ালের গোঁফ ও সিলিকন কার্বাইড ডিটেক্টর ব্যবহার করে ব্রিটিশ গবেষক এইচ জে রাউন্ড আবিষ্কার করলেন ইলেক্ট্রালুমিন দৃশ্য।

১৯২৭: অলেগ ভøাদিমিরভিচ লোসেভ লাইট এমিটিং ডায়োড আবিষ্কারের ঘোষনা দেন।
১৯৬১: দুই আমেরিকান গবেষক রবার্ট রিচার্ড এবং গ্যারি পিটম্রান টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্টস এ কর্মরত অবস্থায় দেখলেন যে জিএএস (গ্যালিয়াম আরসেনাইড) এ বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে এ থেকে ইনফ্রারেড বিকিরন সম্ভব এবং এটি বাস্তবে পরীক্ষার মাধ্যমে ইনফ্রারেড এলইডি এর নামকরন করেন।

১৯৬২: ১৯৬২ সালে নিক হলোনায়ক্্ জুনিয়র প্রথমবারের মতো লাল রং এর এলইডি আবিষ্কার করেন। সুতরাং হলোনায়ক্্ ই হলেন এলইডি এর আবিষ্কারক।

১৯৬৮: এইচ পি (হিউলেট প্যাকার্ড) কোম্পানী গ্যানিয়াম আর্সেনাইড ফসফাইড ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন ইনডিকেটরে ব্যবহারযোগ্য এলইডি তৈরী করে এবং তা ক্যালকুলেটরে ব্যবহার করতে সমর্থ হয়।

১৯৭৬: নতুন প্রজন্মের সেমিকন্ডাকটর আবিষ্কারের মাধ্যমে টিপি পিয়রেস্যাল তৈরী করেন উচ্চমানের উজ্জলতা ও উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন এলইডি। এবং এটি তৈরী করা হয় অপটিক্যাল ফাইবারে ব্যবহারের জন্য।

১৯৯৫: ক্যাডরিফ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেশনারত অ্যালবেটো বারকেইরির হাত ধরে আলোর মুখ দেখে ইনডিয়াম টিন অক্সাইড গঠিত এলইডি।

২০০৬: কয়েক বছর আগে সর্বপ্রথম উচ্চ-উজ্জলতা বিশিষ্ট নীল রং এর এলইডি তৈরী করতে সমর্থ হন সুজি নাকামুরা। ২০০৬ সালে তিনি এলইডি তে বিশেষ অবদানের জন্য মিলেনিয়াম টেকনোলজি পুরষ্কার গ্রহন করেন।

২০০৯: কলিন হামফ্রেয়স এর অধীনে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক গ্যালিয়াম নাইট্রাইড এলইডি প্রস্তুত করেন। ফলে এলইডি তে খরচ নব্বই শতাংশ কমে যায়।

এই হলো এলইডি এর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। আনেকের মতে ১৯৯৯ এর কোন এক সময় প্রথম আধুনিক এলইডি ডিসপ্লে প্রদর্শিত হয় যা ছিল অনেকটা বর্তমান এলইডি টিভি বা মনিটরের মত।
এলসিডি বনাম এলইডি

এলসিডি এবং এলইডি দুধরনের ডিসপ্লেই খুব জনপ্রিয়। আপনার জন্য কোন প্রযুক্তি যথার্থ হবে তা বলে দিবে এই দুয়ের মধ্যকার পার্থক্য। আশাকরি পার্থক্যটা জানা থাকলে খুব সহজেই আপনি খুজে নিতে পারবেন উপযুক্ত ডিসপ্লে।
কন্ট্রাস্ট/ব্ল্যাক লেভেল

এলইডি এর কন্ট্রাস্ট রেশিও এলসিডি এর চেয়ে বেশি। এলসিডি এর একটি অন্যতম দুর্বলতা হলো এটি ইমেজ প্রদর্শনের সময় স্ক্রিন এ কিছু ব্ল্যাক লেভেল সৃষ্টি করে। ফলে কন্ট্রাস্ট রেশিও কমে যায়। এবং ইমেজ এর প্রকৃত দৃশ্য পুরোপুরি প্রকশিত হয়না। এলইডি তে এই ব্ল্যাক লেভেল ব্যাকলাইট এর সাহায্যে প্রশমিত হয়। ফলে পার্ফরমেন্স এলসিডি এর চেয়ে ভাল হয়।
বাস্তব বর্ণ প্রদর্শন

সাদা রং এর ক্ষেত্রে দুয়ের পার্থক্য তেমন একটা না থাকলেও আর জি বি (RGB) অথবা বেশ কিছু বর্ণ-মিশ্রিত দৃশ্য প্রদর্শনের সময় ব্যাকলাইট এলইডি তে বাস্তবধর্মী বর্ণ পাওয়া যায়।
ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল

এলইডি ডিসপ্লেতে ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল এলসিডি এর চেয়ে অনেক বেশি। ফলে এলইডি’তে এক পাশ থেকেও পরিষ্কার ছবি দেখা যায়।
সাইজ

এলসিডি এর সাইজ লিমিট মোটামুটি ১৫থেকে ৬৫ইঞ্চি। এবং এলইডি এর সাইজ লিমিট হলো ১৭ইঞ্চি থেকে ৭০ ইঞ্চি পর্যন্ত।
ভিডিও প্লেব্যাক

এলইডিতে রেসপন্স রেট এলসিডি’র চেয়ে কম হওয়ায় ইমেজ ব্লুরিং বা মোশন ট্যাগ সমস্যাসমুহ এখানে অনুপস্থিত। ফলে আপনি পাচ্ছেন ঝকঝকে ছবির নিশ্চয়তা।
বিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার

এলইডি তুলনামুলক কম শক্তি ব্যবহার করে এবং অধিকতর উজ্জল ডিসপ্লে প্রদান করে।

প্রকৃতপক্ষে এলইডি হল এলসিডি এর পরবর্তী প্রজন্ম। তাই এলসিডি এর অধিকাংশ দোষক্রুটি এখানে অনুপস্থিত। বাজারে নতুন হওয়ায় এলইডি ডিসপ্লে অনেকের কাছেই ভরসার পাত্র নয়। ফলে “এলসিডি নাকি এলইডি” কিনবেন এই নিয়ে ক্রেতা পড়েন বিপাকে। তাই দুটি প্রযুক্তির কিছু খুটিনাটি দিক নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম। আশাকরি পাঠক উপকৃত হবেন। প্রকৃতির একটি অসমনীতি রয়েছে আর তা হল “নতুনকে আমন্ত্রন ও পুরাতনকে বিদায়”। যুগে যুগে বহু নতুন নতুন প্রযুক্তি পুরাতন হয়েছে এবং বিদায় নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় হয়তো এলইডি ডিসপ্লের আগমন। অনেকের ধারনা এলসিডি যেমন সিআরটি কে বাজার থেকে নর্দমায় ছুঁড়ে ফেলেছে তেমনি এলইডি ছুঁড়ে ফেলে দেবে এলসিডিকে। নিত্যনতুন প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় মানব সভ্যতায় টিকে থাকবে যা কিছু সত্য, সুন্দর, শ্রেষ্ঠ। বাজারে নতুন ডিসপ্লের আগমনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শেষ করছি।

সংগৃহীত

Read more ...

Friday, December 17, 2010

হ্যাকারস : কম্পিউটার সিস্টেম

হ্যাকারস : কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অনুমোদন ছাড়া ডাটাবেসে প্রবেশের জন্য অবৈধ পথ যারা খোঁজে তাদেরকেই হ্যাকার বলা হয়৷ অভিজ্ঞদের মতে, তাদের প্রধান কাজ হচ্ছে, কম্পিউটার সিস্টেমের পরীক্ষা নেওয়া এবং কার্যপ্রণালী সতর্কতার সাথে দেখা, ব্যবহারকারীদের নির্দেশ করা৷ একই সাথে তারা উত্‍পাদনকারীদের প্রস্তাব দেয় যে, কিভাবে এটি পার করা সম্ভব৷ তারা খুবই বুদ্ধিমান ব্যবহারকারী হ্যাকার বুঝতে পারে যে, কোনটা ঘটনাক্রমে অথবা কোনটা উদ্দেশ্যমূলকভাবে লুকানো৷ উদাহরণস্বরূপ, স্পাইং এর জন্য অনেক প্রোগ্রাম লুকানো থাকতে পারে৷ হ্যাকাররা গোপনীয়তার প্রতি কৌতূহলী৷ যার গোপনীয়তা ভয়ের মুখে থাকে হ্যাকাররা তা পছন্দ করে না৷ তারা মনে করে, প্রত্যেকে অবশ্যই সমান হবে এবং সেই জন্য সময়কে পরিচালনা করা, মতের অমিলগুলোকে সমর্থন করা এবং সমস্যাগুলোকে সমাধান করা উচিত৷ অবৈধভাবে ডাটাবেসে প্রবেশ করা অপরাধ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে৷ অবশ্য বর্তমানে কিছু গঠনমূলক হ্যাকার রয়েছে, যাদের বলে এর লিডাররা ব্যাখ্যা করে যে, কাজ শুরু করতে ব্যবহারকারীরা তাদের জ্ঞানকে ব্যবহার করে না, কিন্তু শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেম গভীরভাবে এটা পরীক্ষা করতে পারে৷ তারা বলে এক্ষেত্রে কমপক্ষে সর্বজন নিবেদিত বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে যাতে ব্যবহারকারীরা সময়মতো নিজেদের রক্ষা করতে পারে৷ আমরা জানি যখন হ্যাকিং হয় তখন বিভিন্ন ঘটনা ঘটে, একই সময়ে একটি সংগঠনের ইনফরমেশন সিস্টেমগুলো পরীক্ষা করা হয়৷ হ্যাকাররা তাদের নানা বিষয় প্রস্তাব করে যাতে সংকীর্ণতা দূর করা যায় এবং পরিচালকমন্ডলী প্রচুর পরিমানে অর্থ সংগ্রহ করতে পারে৷ হ্যাকারস কম্পিউটার এবং অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষতিসাধন করে না৷

ক্র্যাকার : ক্র্যাকারস হচ্ছে মারাত্মক অপরাধী যারা সিস্টেমের ক্ষতি ঘটায়৷ তারা খুব বুদ্ধিমান কিন্তু হ্যাকারস এর মত নয়৷ তারা ভাইরাস এবং ট্রোজানস লেখে, ক্ষতি করার জন্য প্রবেশ করে৷ কিছু ইনফরমেশন পাওয়ার জন্য প্রধানত ওয়েবসাইটের হোমপেজ পরিবর্তন করে, সিস্টেমে প্রবেশ করে৷

ফ্রিকারস : সাইবার অপরাধীদের তৃতীয় দল হচ্ছে ফ্রিকার (ফোন+ব্রেক=ফ্রিক)৷ তারা টেলিফোন বিলের প্রদত্ত অর্থ এড়ানোর জন্য ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহার করে৷ তারা গেইনিং একসেসস কোডের মাধ্যমে ইনফরমেশন বা তথ্য চুরি করে৷ কিংবা অন্য ব্যবহারকারীর ওপর চাপিয়ে দেয়৷

কার্ডারস : কার্ডারস অপরাধীরা অন্য লোকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে তাদের বিলগুলো পরিশোধ করে৷

কালেক্টরস : কালেক্টর বিভিন্ন সফট্ওয়্যার কোডস সংগ্রহ করে এবং ব্যবহার করে৷ প্রাইভেট কোম্পানীগুলোর নাম্বার এবং কোড দিয়ে গ্লোবাল নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে৷

সাইবার ক্রোস : সাইবার ক্রোস অপরাধী যারা অনুমোদন ছাড়া কম্পিউটার এবং ব্যাংক সম্বন্ধীয় সিস্টেম একাউন্টসের গোপন নাম্বার এবং মূল্যবান তথ্য চুরি করে৷ প্রায়ই তারা তথ্য সেল করতে সক্ষম হয়৷

কম্পিউটার পাইরেট : লাইসেন্সড সফট্ওয়্যারের অবৈধভাবে ক্র্যাকিং প্রটেক্টেড সিস্টেমের জন্য অসাধারণ হচ্ছে কম্পিউটার পাইরেটস৷ ইনফরমেশনকে বিক্রি করে একটি মূল্য লাভ করে, যা কিনা উত্‍পাদনকারীর দামের থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কম৷

লেমার : কম্পিউটার অপরাধীদের আরেকটি দল যারা অপর ব্যাক্তির ক্ষতি ঘটায় এবং ধারণা করা হয় সেটা লেমার৷ হ্যাকার এবং ক্র্যাকার এর মত নয়, লেমাররা খুব বেশি চতুর নয়৷ তারা কোন কিছুই উত্‍পত্তি করতে পারে না, কিন্তু ক্র্যাকারস এর প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে পারে৷ লেমাররা সাধারণত কিডস যারা যে কোন তথ্য পেতে অথবা যে লোকের ডাটা ধংস করতে ট্রোজানের ব্যবহার করতে ভাইরাসেস এবং এক্সপ্লয়টের জন্য যে কোন লোকের সিস্টেমকে ভেঙ্গে প্রবেশ করে৷ তাদের অনেকেই জানে না এসব কাজ কিভাবে হচ্ছে৷ কিন্তু আমরা প্রোডাক্ট ব্যবহারের উপর বলতে পারি যে, ক্র্যাকার সাধারণ ব্যবহারকারীদের ক্ষতি করে৷ তবে বেশিরভাগ ক্ষতিই হয় খেয়ালের অভাবে৷

Read more ...

Thursday, December 16, 2010

ওয়ারিদ টু এয়ারটেল দেশব্যাপী আত্মপ্রকাশের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিচ্ছে এয়ারটেল

বাংলাদেশে ‘ওয়ারিদ’ এর বদলে ‘এয়ারটেল’ ব্র্যান্ডের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম উদ্বোধন করতে এয়ারটেলের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল ঢাকায় আসছেন। সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এ উদ্দেশ্যে এ মাসের তৃতীয় সপ্তাহে ভারতী এয়ারটেল মোবাইল সার্ভিসেস লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট অতুল বিন্দাল বাংলাদেশে সফরে আসছেন।

এ বছরের জানুয়ারি মাসে ওয়ারিদ টেলিকমের শতকরা ৭০ ভাগ শেয়ার কিনে নেয় ভারতী এয়ারটেল। এর মাধ্যমে বাংলাদেশে এয়ারটেল তার অনানুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। আর এ ডিসেম্বরেই এয়ারটেল রিব্র্যান্ডিং হয়ে দেশের বাজারে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়ারিদ বদলে ‘এয়ারটেল’ এর নাম ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে বাংলাদেশে এয়ারটেল তার অত্যাধুনিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কারিগরি প্রস্তুতি নিয়েছে।

বিশ্বমানের মোবাইল ফোনভিত্তিক এবং গতিসম্পন্ন ব্লেড নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে বাংলাদেশে এয়ারটেলের নেটওয়ার্ক স্থাপনে কাজ করছে এরিকসন এবং হুয়াউয়ে।

উল্লেখ্য, ওয়ারিদের দুই হাজার বেস ট্রান্সসিভার স্টেশনের (বিটিএস) পাশাপাশি তারা দেশজুড়ে আরও সাড়ে চার হাজার বিটিএস স্থাপন করেছে। এরই মধ্যে অবকাঠামো বিনিময়ে দেশের সব মোবাইল সেবাদাতার সঙ্গে এয়ারটেল চুক্তিও সম্পাদন করেছে।

সুতরাং এ মাসেই এয়ারটেল বাংলাদেশে তাদের যাত্রা শুরু করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। তাই ওয়ারিদ গ্রাহকরা অচিরেই পেতে যাচ্ছেন এয়ারটেলের মানসম্পন্ন সেবা।

Read more ...

টাইম ম্যাগাজিনের বর্ষসেরা ব্যক্তি মার্ক জুকারবার্গ

০১০ সালের আগে ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্কজুকার বার্গকে দেখে মনে হতো ২৬ বছর বয়সী। ঘর্মাক্ত টি-শার্ট পরা ও সদা হাস্যোজ্জ্বল এক রহস্যময়ী যুবক। এরই মধ্যে বিশ্বের ধর্নাঢ্য ব্যক্তিদের তালিকাতেও উঠে এসেছে তার নাম। তিনি ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকার বার্গ।

কিন্তু ২০১০ সালের শেষদিকে তার খ্যাতির দূড়ন্ত মাত্রাটা যেন আগের সবকিছুকে ছাড়িয়ে যাচ্ছিল। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাকে ‘পারসন অব দি ইয়ার’ নির্বাচন করেছে।

টাইম ম্যাগাজিন সূত্র জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষকে একটি সামাজিক বন্ধনে যুক্ত করা, তথ্য বিনিময়ের নতুন পদ্ধতি উন্মোচন করা এবং ভার্চুয়াল জগতে জীবনকে পূর্ণভাবে উপভোগের সুযোগ করে দেওয়ায় তাকে ২০১০ সালের বর্ষসেরা ব্যক্তির খেতাব দেওয়া হয়েছে।

টাইম ম্যাগাজিনের উপব্যবস্থাপনা সম্পাদক মাইকেল ইলিয়টের ভাষ্যমতে, মার্ক জুকার বার্গ উদ্ভাবিত সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা এরই মধ্যে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষের প্রাত্যাহিক জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে। তিনি সংবাদমাধ্যমে মার্ক জুকার বার্গের এ উপাধী পাওয়ার যৌক্তিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন।

এ সম্মাননা পেয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন ২৬ বছর বয়সী জুকার বার্গ। এক গণমাধ্যম বার্তায় তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে ৫০ কোটিরও বেশি মানুষের প্রাত্যহিক যোগাযোগের অনবদ্য মাধ্যম হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এবং তার ফেসবুক পরিচালনাকারী দল সম্মানিত বোধ করছেন।

এ মুহূর্তে ফেসবুকের মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০ কোটিরও বেশি। আর নিবন্ধিত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মীর সংখ্যা এক হাজার ৭০০ জন।

Read more ...

Wednesday, November 24, 2010

বাংলা বই ডাউনলোডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ‘বাংলাবুকস’

বাংলা বই ডাউনলোডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট ‘বাংলাবুকস’
ওয়েবসাইট সম্পর্কিত তথ্যঃ
এই বছরের মে মাসে চালু হওয়া 'বাংলা বুকস' ওয়েবসাইটটি বর্তমানে বাংলা বই ডাউনলোডের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাইট। সাইটটিতে আপনি ২০ জন লেখকের এবং ১৩ টি ক্যাটাগরীতে ৬০০ এর অধিক বাংলা বই পাবেন। হোম পেজে পাবেন লেখকের নাম অনুযায়ী বই, ক্যাটাগরী অনুযায়ী বই এবং নতুন আপলোড হওয়া বইয়ের লিঙ্ক। প্রিয় কোন বই বা পেজ যদি আপনি ফেসবুকে শেয়ার করতে চান তাহলে ফেসবুকে শেয়ারের বাটন পাবেন একেবারে পেজের নিচ। এছাড়া প্রিয় লেখকের বই খোজার সার্চ অপশন, সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যাটাগরী এবং ফেসবুক লাইক অপশন আছে ডান সাইডে। গত তিন মাসে এখান হতে ১০০০০০ বই ডাউনলোড করা হয়েছে।

ওয়েবসাইট রাঙ্কিং:
বাংলা বই ডাউনলোডের জন্য ‘মূর্ছনা’ অনেকের কাছে প্রিয়। কিন্তু দেখুন ‘মূর্ছনা’ এবং ‘বাংলাবুকস’ ওয়েবসাইট দুটির এলেস্কা সাইট রাঙ্কিং:
মূর্ছনাঃ- বিশ্ব রেঙ্ক -১৫৭৭১৯ বাংলাদেশে রেঙ্ক - ৬৬৭
বাংলাবুকসঃ বিশ্ব রেঙ্ক - ১৪৬০১৮ বাংলাদেশে রেঙ্ক - ৩১৭

মুলত এখান থেকেই বোঝা যায় সাইট দুটির জনপ্রিয়তা।

ওয়েব সাইটটি নিয়ে প্রতিবেদনঃ
‘বাংলা বুকস’ সাইটটি নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ১০ ই অক্টোবর তারিখে দৈনিক যুগান্তরে ওয়েব রিভিউ এবং দৈনিক কালের কন্ঠে সক্ষিপ্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া ১৬ই অক্টোবর দৈনিক প্রথম আলোতে আর একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

মতামত দিনঃ
পাঠকদের চাহিদা দিয়েই যেমন একটি বই জনপ্রিয় হয় তেমনি ভিজিটরদের চাহিদা, পছন্দ দিয়েই একটা সাইটের জনপ্রিয়তা নির্ভর করে। তাই আপনারা ও সাইটটি সম্পর্কে এখানে মতামত দিন এবং সাইটটি সমৃদ্ধ করতে আপনারাও অংশীদার হউন। সাইটটি দেখুন এখান থেকে http://www.banglabooks.tk/

Read more ...

Tuesday, November 23, 2010

১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা বেচা কেনা

Powered By plug n play
১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা বেচা কেনা
গতকাল থেকেই সারাদেশে ১ টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা অধিক দামে বেচাকেনার গুজব ছড়িয়ে পরে।এর উৎসস্থল খুব সম্ভবত হবিগঞ্জ জেলা[১]।গুজব ছড়ায় যে কৃষিব্যাংক এই মুদ্রা প্রতিটি ১৫০ টাকায় কিনে নেবে। আরেকটি গুজব হল এই কয়েন নাকি গোল্ড-প্লেটিং করা।অবশ্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ব্যাপারটা পরিস্কার করেই জানিয়ে দিয়েছে যে এটা শুধুই গুজব।সরকার থেকেও এ মুদ্রা বাজার থেকে তুলে নেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি।

আজ সারাদিন ১০ টাকা থেকে ১৫০ টাকায় বিভিন্ন জায়গায় এই বেচা-কেনা চলেছে।কিন্তু এই মুদ্রা দিয়ে আসলে কী হবে তা উদঘাটন করা সম্ভব হয় নি।তবে কোথাও কোথাও এ মুদ্রার দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকাও উঠেছে।

তবে সরকারের পুলিশ আর RAB গুজব প্রচারণা আর মুদ্রা কেনা-বেচা দমনে মাঠে নেমেছে।দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এ পর্যন্ত ১০ জন গ্রেফতার হয়েছে[২]।কারো কাছে এ মুদ্রা অতিরিক্ত পেলেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে যেন আপনার কাছে থাকলেই হাজত-বাসে যেতে হবে!!
আল্লাহ ই জানে এক টাকার সোনালি ধাতব মুদ্রা দাম আসলে এ কি ডলার আর দাম কে হার মানায় কি না?
Plug N Play © 2010 Privacy

Read more ...